23/02/2021
কোমর ব্যথা কেন হয়? এর প্রতিরোধ ব্যবস্থা কি? প্রতিকার হিসাবে রয়েছে আকুপাংচার, হিজামা থেরাপী,ও ফিজিওথেরাপি।
আমাদের দেহে ২৯টি মেরুদণ্ডের হাড় আছে, যার মধ্যে কোমরে আছে পাঁচটি। এই পাঁচটি হাড় থেকে আবার ছয় জোড়া নার্ভ শরীরের নিচের অংশে থাকে। সাধারণত এই অংশটিতে যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তাহলেই কোমর ব্যথা হয়।
কেন কোমরে ব্যথা হয়:
ভারি কোন জিনিস জোর করে তুললে।
ভারী ব্যাগ পিঠে বহনের জন্য।
কোমরে চোট পেলে
হোচট খেয়ে পড়লে
দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ বা সামনের দিকে ঝুঁকে অনেকক্ষণ কাজ করলে
অতিরিক্ত নরম বিছানায় শোয়ার জন্য।
ভুল উপায়ে ব্যায়াম করলে।
উচুতে কোন জিনিস জোর করে রাখতে বা নামাতে গেলে।
নিয়মিত দীর্ঘ সময় গাড়ি চালালে
সাধারণত কুঁজো হয়ে হাঁটলে বা বসলে
শরীরের ওজন উচ্চতা অনুযায়ী বেশি হলে
মহিলাদের গর্ভকালীন সময়ে।
কোমর ব্যথা প্রতিরোধে কী করবেন:
নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে সঠিক ভার উত্তোলন পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
চেয়ারে বসার সময় কোমর সোজা রেখে বসুন। এ জন্য দু-একটি ছোট কুশন কোমরের নিচের অংশে রেখে বসতে পারেন। এতে কোমর সোজা থাকবে। দীর্ঘক্ষণ বসে না থেকে, হেঁটে আসুন কিছু সময়ের জন্য বা দাঁড়িয়েও থাকতে পারেন। চেয়ার টেবিল থেকে বেশি দূরে রাখবেন না। সামনে ঝুঁকে কাজ করবেন না। কোমরের পেছনে সাপোর্ট দিন। এমনভাবে বসুন, যেন হাঁটু ও ঊরু মাটির সমান্তরালে থাকে।
নরম গদি বা স্প্রিংযুক্ত চেয়ার বাদ দিন। চেয়ারে বসলে পা সামান্য উঁচুতে রাখুন।
ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।
৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না।
অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা থেকে অন্য পায়ে নিন।
গাড়ি চালানোর সময় স্টিয়ারিং হুইলে সোজা হয়ে বসুন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন।
নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়াম বা হাঁটুন।
বসে কাজ করার সময় মেরুদণ্ড স্বাভাবিক অবস্থায় এবং কোমর সোজা রাখুন।
অতিরিক্ত পেইনকিলার খাবেন না।
ভুল কোন চিকিৎসা করাবেন না।
সোজা ভাবে হাটার চেষ্টা করুন।
কোমরের ব্যথায় ভুগলে বিছানা থেকে ওঠার সময় সতর্ক থাকুন। চিত হয়ে শুয়ে প্রথমে হাঁটু ভাঁজ করুন। এবার ধীরে ধীরে একপাশে কাত হোন। পা দুটি বিছানা থেকে ঝুলিয়ে দিন, কাত হওয়ার দিকে কনুই ও অপর হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে ধীরে ধীরে উঠে বসুন।
দীর্ঘ সময় ভ্রমণ করবেন না। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রেন বা গাড়িতে বসে থাকলে ঝাঁকুনিতে কোমর ব্যথা আরো বেড়ে যায়। এ জন্য দীর্ঘ যাত্রাপথের বিরতিতে ট্রেন বা গাড়ি থেকে নেমে পায়চারি বা হাঁটাহাঁটি করুন।
শক্ত বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করুন। এতে পুরো শরীর যেমন সাপোর্ট পায়, তেমনি নিচের দিকের স্পাইনগুলোতে চাপ কমে যায়। শক্ত বিছানা বলতে কিন্তু খালি কাঠ নয়, আমরা যে তোশক ব্যবহার করি সেটিই, তবে খুব বেশি নরম যেন না হয়। কাত হয়ে অথবা চিত হয়ে শোবেন কিন্তু উপুড় হয়ে শোবেন না।
লোয়ার ব্যাক পেইন বা কোমর ব্যথা হতে পারে আপনার পঙ্গুত্বের কারণ।
যে কোন ধরনের বাত-ব্যথা স্টোক পরবর্তী রিহ্যাবিলেশন, হাঁটু, কোমড়, ঘাড় ও কাধের বা মেরুদণ্ড ব্যথা, হাত পা ঝিন ঝিন করার চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্র।
প্রয়োজনে....
ইফরান ফিজিও এন্ড হিজামা কাপিং থেরাপি সেন্টার,
বাহাউদ্দীন প্লাজা সাবেক সিনেমা হল
শাহাপুর কাঠপট্টি,
সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
📲 ০১৭৪৯-৮৭৮৫৪১