Human Life

Human Life শির্ক মুক্ত ঈমান এবং বিদ'আত মুক্ত আমল সমাজে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস।

06/10/2026
04/10/2026

‎قُلْ مَنْ یَّرْزُقُكُمْ مِّنَ السَّمَآءِ وَالْاَرْضِ اَمَّنْ یَّمْلِكُ السَّمْعَ وَالْاَبْصَارَ وَمَنْ یُّخْرِجُ الْحَیَّ مِنَ الْمَیِّتِ وَیُخْرِجُ الْمَیِّتَ مِنَ الْحَیِّ وَمَنْ یُّدَبِّرُ الْاَمْرَ ؕ فَسَیَقُوْلُوْنَ اللّٰهُ ۚ فَقُلْ اَفَلَا تَتَّقُوْنَ ۟

বল, ‘আসমান ও যমীন থেকে কে তোমাদের রিয্ক দেন? অথবা কে (তোমাদের) শ্রবণ ও দৃষ্টিসমূহের মালিক? আর কে মৃত থেকে জীবিতকে বের করেন আর জীবিত থেকে মৃতকে বের করেন? কে সব বিষয় পরিচালনা করেন’? তখন তারা অবশ্যই বলবে, ‘আল্লাহ’। সুতরাং, তুমি বল, ‘তারপরও কি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে না’?

📖সূরা ইউনুস:৩১

©️Quran Majeed App

03/10/2026

‎وَلَوْ اَنَّ لِكُلِّ نَفْسٍ ظَلَمَتْ مَا فِی الْاَرْضِ لَافْتَدَتْ بِهٖ ؕ وَاَسَرُّوا النَّدَامَةَ لَمَّا رَاَوُا الْعَذَابَ ۚ وَقُضِیَ بَیْنَهُمْ بِالْقِسْطِ وَهُمْ لَا یُظْلَمُوْنَ ۟

আর যমীনে যা রয়েছে, তা যদি যুলম করেছে এমন প্রত্যেক ব্যক্তির হয়ে যায়, তবে তা সে মুক্তিপণ হিসেবে দিয়ে দেবে এবং তারা লজ্জা গোপন করবে, যখন তারা আযাব দেখবে। আর তাদের মধ্যে ন্যায়ভিত্তিক ফয়সালা করা হবে এবং তাদেরকে যুলম করা হবে না।

📖সূরা ইউনুস :৫৪

©️Quran Majeed App, IRD Foundation

সেদিন স্ত্রীকে নিয়ে সুপারশপে গিয়েছিলাম। দরকার ছিল শুকনো খাবার রাখার জন্য কয়েকটা বক্স। আর কিছু না। আমি ধরে নিয়েছিলাম এ...
26/09/2026

সেদিন স্ত্রীকে নিয়ে সুপারশপে গিয়েছিলাম। দরকার ছিল শুকনো খাবার রাখার জন্য কয়েকটা বক্স। আর কিছু না। আমি ধরে নিয়েছিলাম এক থেকে দুই হাজার টাকা সর্বোচ্চ খরচ হবে। কিন্তু কাউন্টারে ফিরে এলাম দশটারও বেশি জিনিস নিয়ে। বিল হলো দশ হাজারেরও বেশি।

বাসায় ফিরে এই বিষয়টা মস্তিষ্কে বেশ চাপ দিল। এটা তো নতুন না। প্রতিবারই হয়। প্রতিবারই একটা দুইটা প্রোডাক্ট নিতে যাই। কিন্তু বেরিয়ের আসি এক্সট্রা কিছু নিয়ে। এক্সট্রা প্রোডাক্ট গুলো আমার এখন না হলেও চলতো।

এই বিষয়টা নিয়ে নিজেদেরই দোষ দিলাম যে, "আমাদের আসলে কন্ট্রোল নেই।" কিন্তু সত্যিই কি ব্যাপারটা তাই? মানে দোষ কি শুধু আমাদেরই? নাকি এর পেছনে কোনো স্ট্রাকচারড ইঞ্জিনিয়ারিং আছে?

আসুন, একটু কল্পনা করি।

ধরুন টাইম ট্রাভেল করে, আমি ১৯১৬ সালের একজন মুদি দোকানের মালিক হয়েছি। আমেরিকার মেমফিস শহরে আমার দোকান। তখনকার দোকান কেমন ছিল জানেন? আপনি ঢুকে কাউন্টারে একটা লিস্ট ধরিয়ে দিতেন। কর্মচারী পেছনের তাক থেকে জিনিসগুলো এনে দিত। আপনি টাকা দিয়ে বেরিয়ে যেতেন।

ব্যস। আপনি শুধু যা চেয়েছেন, তা-ই পেয়েছেন। এখন আমি মালিক হিসেবে বসে হিসাব করছি। মানুষটা দশ টাকার জিনিস চাইল, দশ টাকারই কিনল। আমার দোকানে আরও দুইশ রকম পণ্য আছে, কিন্তু সে তো ওগুলো দেখলই না। কাউন্টারের ওপাশে থাকল সব। বিক্রেতা হিসেবে আমি চাই যে ক্রেতারা আমার অন্যান্য পণ্য গুলোও কিনুক।

কিন্তু সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা হলো, ক্রেতা জানেই না আমার কাছে আর কী কী ধরণের পণ্য আছে।

আমি একটা অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিলাম। কাউন্টারটাই তুলে দিলাম। মানুষকে বলব, ভেতরে আসুন। নিজের হাতে দেখুন, নিজে বেছে নিন। আমরা আপনাকে স্বাধীনতা দিচ্ছি। সেল্ফ সার্ভিস নিন আপনারা।

শুনতে কী দারুণ লাগছে, তাই না? গ্রাহকের স্বাধীনতা। কিন্তু আমি তো ব্যবসায়ী। আমি স্বাধীনতা বেচি না। তাই দোকানটা আমি এমনভাবে সাজাব, যাতে ভেতরে ঢুকলে আপনাকে একটা নির্দিষ্ট পথ ধরে হাঁটতেই হয়। এঁকেবেঁকে যাওয়া একটা পথ, যেটা দোকানের প্রতিটা তাকের পাশ দিয়ে যায়।

এক দরজা দিয়ে ঢুকবেন, এক দরজা দিয়ে বেরোবেন। মাঝখানে আমার সব পণ্য দেখতে বাধ্য। আর সবচেয়ে দরকারি জিনিসগুলো, দুধ, রুটি, গোস্ত, মাছ আমি রাখব একদম পেছনে।

কেন? কারণ আপনি তো ওগুলোর জন্যই এসেছেন। ওগুলো সামনে রাখলে আপনি নিয়ে সাথে সাথে বেরিয়ে যাবেন। পেছনে রাখলে আপনাকে হেঁটে যেতে হবে। আর হাঁটতে হাঁটতে চোখে পড়বে আরও অনেক কিছু।

এবার থামুন। এতক্ষণ যা পড়লেন, ওটা আমার কল্পনা ছিল। কিন্তু ঘটনাটা কল্পনা না।

১৯১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। আমেরিকার টেনেসি স্টেইটের মেমেমফিস শহর। 'ক্ল্যারেন্স সন্ডার্স' নামে এক ভদ্রলোক খুললেন পৃথিবীর প্রথম সেলফ-সার্ভিস মুদির দোকান।

নাম "পিগলি উইগলি।"

দোকানে ঢোকার মুখে টার্নস্টাইল এন্ট্রি। ভেতরে এঁকেবেঁকে যাওয়া একমুখী পথ। দরকারি জিনিসগুলো একদম পেছনে। শিশুদের পণ্য গুলো ছোট র‍্যাকে।
এমন ইউনিক দোকান সে সময়ের মানুষদের মধ্যে ব্যপক সারা ফেলেছিল। ব্যবসায় পেয়েছে দারুণ লাভ।

যেহেতু সন্ডার্স সে সময়ে এই টাইপের উদ্ভাবন প্রথম করেছিল, এজন্য পরের বছর সে নিজেই এটার পেটেন্ট নিল সরকারের কাছে থেকে। পেটেন্ট (Patent) নেওয়া মানে হলো নিজের কোনো নতুন আবিষ্কার বা উদ্ভাবনের ওপর সরকারের কাছ থেকে একটি আইনি বা একচেটিয়া অধিকার লাভ করা।

পেটেন্টের আবেদনপত্রে তিনি নিজের হাতে লিখেছিলেন, এই ব্যবস্থায় ক্রেতা নিজেই নিজের সেবা করতে পারবে, আর সেটা করতে গিয়ে দোকানের সমগ্র পণ্যসম্ভার দেখতে বাধ্য হবে।

"বাধ্য হবে।"

শব্দটা আমি লিখি নি। তাঁর নিজের। সরকারি নথিতে লেখা। মানে আপনি যেটাকে "স্বাধীনভাবে ঘুরে দেখা" ভাবেন, সেটা আসলে ডিজাইন করা বাধ্যবাধকতা।

আর একটা তথ্য শেয়ার করি।। সন্ডার্সের এই মডেলে দোকানে চুরি বেড়ে গিয়েছিল, কারণ পণ্য এখন সবার হাতের নাগালে। কিন্তু হিসাব করে দেখা গেল, চুরির ক্ষতির চেয়ে অপরিকল্পিত কেনাকাটার লাভ অনেক বেশি।

তাই এই ব্যবস্থাটা টিকে গেল।

গল্পটা এখানেই শেষ না। বিশ বছর পর আরেকজন এলেন।

১৯৩৭ সাল। ওকলাহোমা শহর। সিলভান গোল্ডম্যান নামে এক দোকান-মালিক একটা সমস্যা লক্ষ্য করলেন। মানুষ হাতে ঝুড়ি নিয়ে ঘুরত। ঝুড়ি ভারী হয়ে গেলেই তারা কেনা বন্ধ করে কাউন্টারের দিকে হাঁটা দিত। তিনি নিজেই বলেছিলেন, ঝুড়ি ভরে গেলে বা ভারী হয়ে গেলে মানুষের কেনাকাটা থামিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ছিল।

সমস্যাটা তাহলে কী? ঝুড়ির বোঝা।

তাই তিনি একজন মিস্ত্রি ডাকলেন। একটা ভাঁজ করা চেয়ারের ওপর দুটো ঝুড়ি বসিয়ে চাকা লাগিয়ে দিলেন। আর এর থেকে জন্ম নিল "শপিং কার্ট"।

এখন আর হাত ব্যথা করে না। এখন আর ওজন টের পাওয়া যায় না। এখন আপনি ততক্ষণ কিনতে পারবেন, যতক্ষণ কার্ট ভরে না। আর কার্টগুলো বড়, বেশ বড়।

এখানেও সাইকোলজিক্যাল ডিজাইন আছে। একটা খালি জায়গা মানুষের মনে তাগিদ তৈরি করে। এটা ভরতে হবে। একটা লজ্জাবোধও কাজ করে। এতবড় কার্ট নিয়ে মাত্র দুইটা পণ্য?

এবার আজকের সুপারশপটার কথা ভাবুন। যেখানে আপনি গতকালও গিয়েছিলেন। দরকারি জিনিসগুলো কি সামনে ছিল, নাকি পেছনে? ক্যাশ কাউন্টারের লাইনে দাঁড়িয়ে আপনার চোখের সামনে কী কী সাজানো ছিল? চকলেট? চুইংগাম? ছোট ছোট জিনিস, যেগুলো ভাবতে হয় না, শুধু হাত বাড়ালেই হয়? আপনার সন্তানের চোখের উচ্চতায় কোন জিনিসগুলো রাখা ছিল? সবই সাজানো। একটাও এলোমেলো না।

তার মানে কী দাঁড়াল?

আপনি যে দশটা বাড়তি জিনিস নিয়ে ফিরলেন, সেটা আপনার দুর্বলতা না। সেটা কারও সাফল্য। একশো বছর ধরে হাজার হাজার মানুষ গবেষণা করে, পরীক্ষা করে, রেজাল্ট দেখে এই ব্যবস্থাটা বানিয়েছে। আপনার বিরুদ্ধে না, আপনার স্বভাবের সাথে মিলিয়ে।

আপনি একা একটা সুপারশপে ঢোকেন। আর সুপারশপটা দাঁড়িয়ে আছে একশো বছরের গবেষণা নিয়ে। এই লড়াইটা সমান না।

আর এখানেই কুরআনের একটা সূরা মনে পড়ে যায়। খুব ছোট একটা সূরা, কিন্তু গায়ে কাঁটা দেয়।
"প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। যতক্ষণ না তোমরা কবরে গিয়ে পৌঁছো।"
(সূরা আত-তাকাসুর, ১০২:১-২)

শব্দটা খেয়াল করুন। "মোহাচ্ছন্ন।" আল্লাহ বলেননি সম্পদ হারাম। তিনি বলেছেন, বেশি বেশি জমানোর প্রতিযোগিতাটা আপনাকে ভুলিয়ে রাখে। কী ভুলিয়ে রাখে? আসল কাজটা। আসল গন্তব্যটা। আর দেখুন, এই ভোলানোর কাজটাই তো একটা গোটা শিল্প পেশা হিসেবে করছে।

আল্লাহ আরও বলেছেন,
"খাও ও পান করো, কিন্তু অপচয় করো না। নিশ্চয়ই তিনি অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না।"
(সূরা আল-আরাফ, ৭:৩১)

চৌদ্দশ বছর আগের কথা। যখন সুপারশপ ছিল না, কার্ট ছিল না, ক্যাশ কাউন্টারের পাশে চকলেট ছিল না।
তবু সতর্কবার্তাটা এসেছিল। কারণ সমস্যাটা দোকানে না। সমস্যাটা মনে।

তাহলে আমরা কী করব? সুপারশপে যাওয়া বন্ধ করব?
না। এটা বাস্তব সমাধান না। শুধু একটা কাজ করুন। যাওয়ার আগে লিস্ট বানান। আর ফিরে এসে মিলিয়ে দেখুন। লিস্টে যা ছিল না, সেগুলো কেন এলো?

উত্তরটা খুঁজতে খুঁজতেই আপনি ব্যবস্থাটা চিনে ফেলবেন।
আর একবার চিনে ফেললে, ফাঁদটা আর কাজ করে না। কারণ ফাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো আপনার অজ্ঞতা।

আল্লাহ আমাদের প্রয়োজন আর লোভের পার্থক্য বোঝার তাওফিক দিন। আর যে হাত আমাদের অজান্তে আমাদের ইচ্ছা তৈরি করে দিচ্ছে, সেই হাতটা চিনে নেওয়ার বিবেক দিন।

আমীন। 🤍

©️রাফিউজ্জামান (হাফিযাহুল্লাহ)

18/09/2026

আল্লাহ সুবাহানাহুতা'লার দেয়া বিশেষ নিয়ামত👇

09/09/2026

ইবনুল জাওযী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন:

মৃত সে ব্যক্তি নয়,যার আত্মা তার দেহ থেকে বেরিয়ে গেছে। বরং মৃত সে-ই,যে বোঝে না তার প্রতিপালকের তার উপর কী অধিকার রয়েছে।

-সংগৃহীত

01/09/2026

আল্লাহ সুবাহানাহুতা'লা তিনটি জিনিসকে সুন্দর বলে বর্ণনা করেছেন:

সুন্দর ধৈর্য, ​​সুন্দর পরিহার এবং সুন্দর ক্ষমা।তাই অভিযোগ না করে ধৈর্য ধরুন,ক্ষতি না করে পরিহার করুন এবং তিরস্কার না করে ক্ষমা করুন।

©️শায়খ সাইফুদ্দিন বেলাল মাদানি (হাফিযাহুল্লাহ)

27/08/2026

হারামকে হারাম মনে না করা এবং কেউ হারামের বিপক্ষে কথা বললে তার বিরুদ্ধে ক্ষেপে যাওয়া– এটি আজকের সমাজের এক ভয়ংকর বাস্তবতা। ধীরে ধীরে মানুষের অন্তর থেকে “হালাল-হারাম” এর পার্থক্য মুছে যাচ্ছে, আর তার জায়গায় তৈরি হচ্ছে নিজের ইচ্ছা ও অভ্যাসকে বৈধতা দেওয়ার মানসিকতা।

দুঃখজনকভাবে আজ অনেক নামধারী মুসলমান এমন অবস্থায় পৌঁছে গেছে– তারা হারাম কাজ করছে, অথচ সেটাকে স্বাভাবিক মনে করছে। আর যখন কেউ কুরআন-হাদিসের আলোকে তাদের ভুল ধরিয়ে দেয় বা সতর্ক করে, তখন তার প্রতি বিরক্তি, বিদ্বেষ এবং আক্রমণাত্মক আচরণ প্রদর্শন করে। যেন সত্য বলা ব্যক্তিটিই অপরাধী, আর গুনাহে আপত্তি করাটাই অন্যায়!

এটাই অন্তরের পরিবর্তনের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক– যখন গুনাহ স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং হক কথা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন মানুষ আর নিজেকে যাচাই করে না; বরং নিজের ভুলকেই যুক্তি দিয়ে বৈধ করার চেষ্টা করে।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেন, “যখন তাদেরকে বলা হয়, তোমরা অনুসরণ কর, যা আল্লাহ নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে– না, আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের পথেই চলব।” (সূরা আল-বাকারাহ : ১৭০)

একজন মুসলমানের বৈশিষ্ট্য হলো– সে সত্যকে গ্রহণ করে, এমনকি তা নিজের বিরুদ্ধে গেলেও। কিন্তু যখন সত্যের প্রতি ঘৃণা জন্ম নেয়, তখন বুঝতে হবে– অন্তর ধীরে ধীরে কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

তাই সময় থাকতে নিজের অবস্থাকে যাচাই করা জরুরি– আমি কি সত্যকে ভালোবাসি, নাকি শুধু নিজের ইচ্ছাকেই? কারণ এখানেই লুকিয়ে আছে ঈমানের প্রকৃত পরীক্ষা!

🖊️ মাহমুদুল হাসান

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share