Human Life

Human Life শির্ক মুক্ত ঈমান এবং বিদ'আত মুক্ত আমল সমাজে প্রতিষ্ঠা করার ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস।

23/05/2026

‎تُسَبِّحُ لَهُ السَّمٰوٰتُ السَّبْعُ وَالْاَرْضُ وَمَنْ فِیْهِنَّ ؕ وَاِنْ مِّنْ شَیْءٍ اِلَّا یُسَبِّحُ بِحَمْدِهٖ وَلٰكِنْ لَّا تَفْقَهُوْنَ تَسْبِیْحَهُمْ ؕ اِنَّهٗ كَانَ حَلِیْمًا غَفُوْرًا ۟

সাত আসমান ও যমীন এবং এগুলোর মধ্যে যা কিছু আছে সব কিছু তাঁর (আল্লাহ'র) তাসবীহ পাঠ করে এবং এমন কিছু নেই যা তাঁর প্রসংশায় তাসবীহ পাঠ করে না; কিন্তু তাদের তাসবীহ তোমরা বুঝ না। নিশ্চয় তিনি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।

📖সূরা আল-ইসরা : ৪৪

21/05/2026
30/04/2026

ক্ষমা মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়:
মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি—এসব ছাড়া মানুষের জীবন চলে না। কিন্তু মুমিন হিসাবে আমাদের দায়িত্ব সম্পর্ক না ভাঙে, জোড়া লাগায়। কারণ দু’টি হৃদয়ের দূরত্ব শয়তানের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

মানুষের কাছে হেরে গিয়েও যিনি সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে জানেন, তিনিই প্রকৃত বুদ্ধিমান ও বিজয়ী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি হক্বের ওপর থাকা সত্ত্বেও তর্ক পরিহার করবে, আমি তার জন্য জান্নাতের মাঝখানে একটি ঘরের যিম্মাদার হব’।(আবুদাঊদ হা/৪৮০০; মিশকাত হা/৪৮৩১)

আর কারও ওপর রাগ বা অভিমান পুষে রাখা মানে হ’ল নিজের বুকের উপর একটি ভারী পাথর চাপা দিয়ে রাখা। এই পাথরটি অপরপক্ষের চেয়ে আপনাকেই বেশী ক্ষতবিক্ষত করে। অথচ যখনই আপনি রাগ অভিমান ঝেড়ে বলে দেন, ‘আচ্ছা! যা হয়েছে ভুলে যাও,আমিও ভুলে গেলাম আমিই সরি’। সাথে সাথে বুকের ভিতরকার সেই ভারী বোঝাটি নেমে যায়। মনের মধ্যে এক অদ্ভুত প্রশান্তি কাজ করে। এটাতে আপনাকে অনেক শান্তি দিবে বুক ভোরে শ্বাস নিতে পারবেন। তাই ক্ষমা চাওয়া মানে নিজেকে ছোট করা নয় বরং নিজেকে মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া নিজেকে স্বাধীন ভাবে নিঃস্বাস নেওয়ার রাস্তা উন্মুক্ত করা ।

আল্লাহ বলেন,خُذِ الْعَفْوَ ‘তুমি ক্ষমার নীতি গ্রহণ কর’ (মায়েদাহ ৫/১৩)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,صِلْ مَنْ قَطَعَكَ ‘তোমার সাথে যে সম্পর্ক ছিন্ন করে, তুমি তার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখো’।(আহমাদ হা/১৭৪৮৮)

তিনি বলেনন
مَا زَادَ اللهُ عَبْدًا بِعَفْوٍ إِلاَّ عِزًّا وَمَا تَوَاضَعَ أَحَدٌ لِلَّهِ إِلاَّ رَفَعَهُ اللهُ،
‘ক্ষমা দ্বারা আল্লাহ কোন বান্দার সম্মান বৃদ্ধি ছাড়া হ্রাস করেন না এবং যে কেউ আল্লাহর ওয়াস্তে বিনয় প্রকাশ করে, আল্লাহ তার মর্যাদাকে বৃদ্ধি করে দেন’। (মুসলিম হা/২৫৮৮; মিশকাত হা/১৮৮৯)

দিনশেষে পৃথিবীর কোন মানুষই ভুলের ঊধের্ব নয়। আজ আপনি কাউকে ছাড় দিলে কাল কারও কাছ থেকে ছাড় পাবেন। ছাড় দেওয়ার অর্থ এই নয় যে আপনি ভুল মেনে নিলেন; বরং এর মানে হ’ল- আপনার কাছে নিজেকে নির্দেশ প্রমান করার চেয়ে রক্তগোশতের মানুষটির মূল্য অনেক বেশী।

©️রুহুল হুসাইন (হাফিযাহুল্লাহ)

25/04/2026

‎اِنَّمَا یُرِیْدُ الشَّیْطٰنُ اَنْ یُّوْقِعَ بَیْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَآءَ فِی الْخَمْرِ وَالْمَیْسِرِ وَیَصُدَّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللّٰهِ وَعَنِ الصَّلٰوةِ ۚ فَهَلْ اَنْتُمْ مُّنْتَهُوْنَ۟

শয়তান শুধু মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চার করতে চায়। আর (চায়) আল্লাহর স্মরণ ও সালাত থেকে তোমাদের বাধা দিতে। অতএব, তোমরা কি বিরত হবে না?

📖সূরা মায়িদা: ৯১

23/04/2026

‎لَا یُؤَاخِذُكُمُ اللّٰهُ بِاللَّغْوِ فِیْۤ اَیْمَانِكُمْ وَلٰكِنْ یُّؤَاخِذُكُمْ بِمَا عَقَّدْتُّمُ الْاَیْمَانَ ۚ فَكَفَّارَتُهٗۤ اِطْعَامُ عَشَرَةِ مَسٰكِیْنَ مِنْ اَوْسَطِ مَا تُطْعِمُوْنَ اَهْلِیْكُمْ اَوْ كِسْوَتُهُمْ اَوْ تَحْرِیْرُ رَقَبَةٍ ؕ فَمَنْ لَّمْ یَجِدْ فَصِیَامُ ثَلٰثَةِ اَیَّامٍ ؕ ذٰلِكَ كَفَّارَةُ اَیْمَانِكُمْ اِذَا حَلَفْتُمْ ؕ وَاحْفَظُوْۤا اَیْمَانَكُمْ ؕ كَذٰلِكَ یُبَیِّنُ اللّٰهُ لَكُمْ اٰیٰتِهٖ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ۟

আল্লাহ তোমাদেরকে পাকড়াও করেন না তোমাদের অর্থহীন কসমের ব্যাপারে, কিন্তু যে কসম তোমরা দৃঢ়ভাবে কর সে কসমের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করেন। সুতরাং এর কাফফারা হল দশ জন মিসকীনকে খাবার দান করা, মধ্যম ধরনের খাবার, যা তোমরা স্বীয় পরিবারকে খাইয়ে থাক, অথবা তাদের বস্ত্র দান, কিংবা একজন দাস-দাসী মুক্ত করা। অতঃপর যে সামর্থ্য রাখে না তবে তিন দিন সিয়াম পালন করা। এটা তোমাদের কসমের কাফ্ফারা, যদি তোমরা কসম কর, আর তোমরা তোমাদের কসম হেফাযত কর। এমনিভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ বর্ণনা করেন যাতে তোমরা শোকর আদায় কর।

📖সূরা আল মায়িদা-৮৯

17/04/2026

আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন :

مَن عَلِمَ مِن أخِيهِ مُرُوَءةً جَمِيلَةً فَلا يَسْمَعَنَّ فِيهِ مَقالاتِ الرِّجالِ,ومَن حَسُنَتْ عَلانِيَتُهُ فَنَحْنُ لِسَرِيرَتهِ أرْجى !!.

​"যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের (অন্য কোনো মুসলিমের) মধ্যে সুন্দর মনুষ্যত্বের (সচ্চরিত্রের) পরিচয় পেয়েছে,সে যেন তাকে নিয়ে লোকমুখে প্রচলিত (নিন্দামূলক) কথাবার্তায় কান না দেয়।আর যার প্রকাশ্য আচরণ সুন্দর,আমরা তার অভ্যন্তরীণ বিষয়ের (নিয়ত বা গোপন বিষয়ের) ব্যাপারে আরও বেশি আশাবাদী (সুধারণা পোষণকারী)হতে পারি।

(তাফসিরুল মুওয়াত্তা, আল-কানাজাঈ (মৃত্যু: ৪১৩ হি.), খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৭৪৭।

-সংগৃহীত

15/04/2026

হে মুমিনগণ,তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার দীন থেকে ফিরে যাবে তাহলে অচিরেই আল্লাহ এমন কওমকে আনবেন,যাদেরকে তিনি ভালবাসবেন এবং তারা তাঁকে ভালবাসবে। তারা মুমিনদের উপর বিনম্র এবং kaফিরদের উপর কঠোর হবে।আল্লাহর রাস্তায় তারা gহাদ করবে এবং কোন কটাক্ষকারীর কটাক্ষকে ভয় করবে না।এটি আল্লাহর অনুগ্রহ,যাকে ইচ্ছা তিনি তাকে তা দান করেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়,সর্বজ্ঞ।
‎তোমাদের বন্ধু কেবল আল্লাহ,তাঁর রাসূল ও মুমিনগণ,যারা সালাত কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে বিনীত হয়ে।
‎আর যে আল্লাহ,তাঁর রাসূল ও মুমিনদের সাথে বন্ধুত্ব করে,তবে নিশ্চয় আল্লাহর দলই বিজয়ী।

📖সূরা মায়িদাহ: ৫৪-৫৬

15/04/2026

ধৈর্য শুধু কষ্টের সময় নয়, পুরো জীবনেই দরকার। সুখে, দুঃখে, অপেক্ষায়, ভয় পেলে, মন খারাপ হলে—সব সময়ই আমাদের ধৈর্য দরকার। তাই ইসলাম আমাদের ধৈর্য শিখতে বলেছে।

আমরা যখন দুশ্চিন্তা, ভয়, অস্থিরতা বা কষ্টে পড়ি, তখন কী করব? আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন—"হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন" [বাকারাহ:১৫৩]

কুরআনের দুটি আয়াতে আমরা একটি দুআর কথা জানতে পারি, যা আমাদের ধৈর্য ধারণের শিক্ষা দেয়।

প্রথমটি সূরা আ'রাফের ১২৬ নং আয়াতে পাওয়া যায়।
رَبَّنَا أَفْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا وَتَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ

'হে আমাদের পরওয়ারদেগার। আমাদের জন্য ধৈর্যের দ্বার খুলে দাও এবং আমাদের মুসলমান হিসেবে মৃত্যু দান করো।'

এখানে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া হচ্ছে, যেন তিনি আমাদের ধৈর্য দেবেন এবং আমরা মুসলিম হিসেবে মারা যেতে পারি। এটা ছিল তখনকার জাদুকরদের দুআ, যারা মুসা (আ.)-এর মুজিজা দেখার পর ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন এবং ফেরাউনের হুমকির মুখে ছিল। তারা আল্লাহর কাছে ধৈর্য চাইছিল।

দ্বিতীয়বার এই দুআটি সূরা বাকারার ২০০ নং আয়াতে পাওয়া যায়।
وبنا أفرح عَلَيْنَا صَبْرًا وَثَبَتْ أَقْدَامَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى الْقَوْمِ الكفرين.
'হে আমাদের পালনকর্তা। আমাদের মনে ধৈর্য সৃষ্টি করে দাও এবং আমাদের দৃঢ়পদে রেখো, আর আমাদের কাফির সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সাহায্য করো।

এখানে ধৈর্যের সাথে সাথে আল্লাহর সাহায্য এবং শক্তি চাওয়া হচ্ছে। এটা ছিল তালুত ও তার সৈন্যদের দুআ, যারা জালুতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
সূরা আরাফে বর্ণিত দুআটির ১ম অংশ:

رَبَّنَا افْرِغْ عَلَيْنَا صَبْرًا -

'হে আমাদের পালনকর্তা। আমাদের মনে ধৈর্য সৃষ্টি করে দিন।' - এই দুআটি একান্তই ঈমানদারের জন্য, যারা কঠিন পরিস্থিতিতে আল্লাহর সাহায্য চান।

এই ছোট্ট দুআটি মুখস্থ করে ফেলতে পারি ইন শা আল্লাহ,জীবনের পদে পদে নানান পরীক্ষায় এই দুআকে নিজের হাতিয়ার বানিয়ে নিতে পারি ইন শা আল্লাহ।

এই ছোট্ট সুন্দর দুআটি আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন,পাঠিয়ে দিন তাকে এই পোস্টটি যার এই দুআটির ভীষণ প্রয়োজন💛

©️Home School with Noor

15/04/2026

ইবনে আবিদ দুনিয়া (রহ.)বলেন-

"অত্যন্ত বিস্ময়কর বিষয় যে— যখন কোনো ব্যক্তির ব্যাপারে ভালো কিছু বলা হয় যা মূলত তার মাঝে নেই, তখন সে খুশি হয়!

আবার এটিও বিস্ময়কর যে— যখন কোনো ব্যক্তির দোষ-ত্রুটি নিয়ে কথা বলা হয় যা প্রকৃতপক্ষেই তার মাঝে বিদ্যমান, তখন সে রাগান্বিত হয়!

আর তার চেয়েও বেশি বিস্ময়কর হলো— সে নিজের (ত্রুটিপূর্ণ) সত্তাকে ধ্রুব সত্য বা নিশ্চিত বিশ্বাসের ভিত্তিতে ভালোবাসে;

অথচ অন্য মানুষকে ঘৃণা করে কেবল সামান্য সন্দেহের বশবর্তী হয়ে!"

-মুহাসাবাতুন নাফস-২৫৪১

Address

Sylhet

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Human Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share