Dr. Mizanur Rahman

Dr. Mizanur Rahman Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Mizanur Rahman, Doctor, Ash Shifa Care, 47 Urmi, Foyjun Nessa Mansion, Shibganj Point, Sylhet.

"বাচ্চার গায়ে লাল লাল দানা উঠেছে, এটা কি গরমের ঘামাচি নাকি হাম?"—বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রতিটি র‍্যাশ দেখলেই বাবা-...
15/04/2026

"বাচ্চার গায়ে লাল লাল দানা উঠেছে, এটা কি গরমের ঘামাচি নাকি হাম?"—বর্তমান প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রতিটি র‍্যাশ দেখলেই বাবা-মায়েরা প্যানিক করছেন। সাধারণ র‍্যাশ এবং হামের মধ্যে পার্থক্য বোঝাটা সঠিক চিকিৎসার জন্য খুবই জরুরি।

আসুন জেনে নিই, হাম হলে শিশুর শরীরে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায় (Reference: Nelson Textbook of Pediatrics):

১. তীব্র জ্বর ও সর্দি: হামের র‍্যাশ ওঠার ৩-৪ দিন আগে থেকেই শিশুর প্রচণ্ড জ্বর (১০২-১০৪ ডিগ্রি), নাক দিয়ে পানি পড়া এবং শুকনো কাশি শুরু হয়।
২. চোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis): হামের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো শিশুর চোখ একদম লাল হয়ে যাওয়া এবং চোখ দিয়ে পানি পড়া। সাধারণ গরমের র‍্যাশে চোখ লাল হয় না।
৩. র‍্যাশের ধরন: জ্বর শুরু হওয়ার ৩-৪ দিন পর র‍্যাশ বের হয়। হামের র‍্যাশ সাধারণত প্রথমে কানের পেছনে বা মুখে (Face) শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
৪. কপলিক স্পট (Koplik Spots): র‍্যাশ ওঠার ১-২ দিন আগে অনেক সময় শিশুর মুখের ভেতর (গালের ভেতরের দিকে) ছোট ছোট সাদা দানা দেখা যায়।

⚠️ সতর্কতা: যদি দেখেন বাচ্চার জ্বর কমছে না, সে দ্রুত শ্বাস নিচ্ছে (নিউমোনিয়ার লক্ষণ), অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে গেছে বা খিঁচুনি হচ্ছে—তবে এক মুহূর্তও দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা শিশু বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান। হামের সরাসরি কোনো ওষুধ নেই, তবে এর জটিলতাগুলো প্রাণঘাতী হতে পারে।

ঘরে বাচ্চাকে প্রচুর তরল খাবার দিন এবং ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।

❓ আপনার শিশুর টিকাদান বা স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা থাকলে কমেন্টে আমাদের জানান।

Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে বাবা-মায়েদের মনে অনেক প্রশ্ন। বিশেষ করে সরকারিভাবে যখন হামের ক্যাম্পেইন বা বুস্টার ডোজ দে...
08/04/2026

বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে বাবা-মায়েদের মনে অনেক প্রশ্ন। বিশেষ করে সরকারিভাবে যখন হামের ক্যাম্পেইন বা বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়, তখন কনফিউশন আরও বাড়ে। আজ চলুন আপনাদের সবচেয়ে কমন কিছু প্রশ্নের বিজ্ঞানসম্মত উত্তর জেনে নিই:

❓ প্রশ্ন ১: আমার বাচ্চার বয়স ৬ মাস। এখন চারদিকে হামের প্রকোপ, আমি কি এখনই হামের টিকা দিতে পারব?
👨‍⚕️ উত্তর: রুটিন ইপিআই (EPI) শিডিউল অনুযায়ী হামের প্রথম টিকা ৯ মাসে দেওয়া হয়। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO Measles Position Paper) গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রাদুর্ভাব (Outbreak) চলাকালীন সময়ে বা সরকারি নির্দেশনায় বিশেষ ক্যাম্পেইন থাকলে ৬-৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি অতিরিক্ত ডোজ দেওয়া যায়, যাকে 'জিরো ডোজ' (Zero dose) বলে। তবে মনে রাখবেন, জিরো ডোজ দিলে তা রুটিন টিকার হিসেবে ধরা হবে না। ৯ মাস ও ১৫ মাসে তাকে আবার রুটিন ডোজগুলো দিতে হবে। সরকারি নির্দেশনা না থাকলে ৯ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করুন এবং শিশুকে ভিড় থেকে দূরে রাখুন।

❓ প্রশ্ন ২: আমার বাচ্চার বয়স ২ বছর। সে ৯ মাস ও ১৫ মাসে হামের ২টা টিকাই পেয়েছে। এখন কি তাকে আবার বুস্টার বা ক্যাম্পেইনের টিকা দিতে হবে?
👨‍⚕️ উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই দিতে হবে। যখন কোনো এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS) থেকে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন বা বুস্টার ডোজের ঘোষণা দেওয়া হয়, তখন আগের টিকা দেওয়া থাকলেও এই অতিরিক্ত ডোজটি নিতে হবে। এটি শিশুর শরীরে অ্যান্টিবডির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (Community Immunity) রোধে সাহায্য করে।

❓ প্রশ্ন ৩: বাচ্চার হালকা জ্বর বা সর্দি-কাশি আছে, এখন কি হামের টিকা দেওয়া যাবে?
👨‍⚕️ উত্তর: হ্যাঁ, যাবে। হালকা জ্বর, সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়া থাকলে টিকা দেওয়াতে কোনো বাধা নেই। তবে যদি বাচ্চার প্রচণ্ড জ্বর থাকে বা সে খুব বেশি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকে, তবে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

সঠিক তথ্য জানুন এবং কনফিউশন দূর করে সোনামণিকে সুরক্ষিত রাখুন। আপনার মনে আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের (Measles) প্রকোপ বেশ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। চেম্বারে প্রতিদিনই জ্বর, সর্দি ও গায়ে...
08/04/2026

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের (Measles) প্রকোপ বেশ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। চেম্বারে প্রতিদিনই জ্বর, সর্দি ও গায়ে লালচে র‍্যাশ নিয়ে অসংখ্য শিশু আসছে। হাম কোনো সাধারণ অ্যালার্জি বা গরমের র‍্যাশ নয়; এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে এবং অবহেলা করলে নিউমোনিয়া বা ব্রেইন ইনফেকশনের মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি করতে পারে।

সোনামণিকে এই ভয়ংকর রোগ থেকে বাঁচানোর একমাত্র ও সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক সময়ে হামের টিকা (MR Vaccine) দেওয়া।

বাংলাদেশের সরকারি ইপিআই (EPI) শিডিউল অনুযায়ী হাম ও রুবেলার (MR) রুটিন টিকা দেওয়ার নিয়ম হলো:
✅ প্রথম ডোজ: শিশুর বয়স ৯ মাস পূর্ণ হলে।
✅ দ্বিতীয় ডোজ: শিশুর বয়স ১৫ মাস পূর্ণ হলে।

আপনার করণীয়:
আজই আপনার সন্তানের টিকাদান কার্ডটি বের করে চেক করুন। ৯ মাস বা ১৫ মাসের ডোজ কি কোনো কারণে মিস হয়ে গেছে? যদি মিস হয়ে থাকে, তবে আজই নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করে দ্রুত টিকাটি দিয়ে দিন। মনে রাখবেন, টিকা দিতে দেরি হলেও দেওয়া যাবে, কিন্তু বাদ দেওয়া যাবে না।

আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন। আপনার একটি সঠিক সিদ্ধান্তই পারে আপনার সন্তানকে সুরক্ষিত রাখতে।

Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

"বাচ্চা তো মোবাইল ছাড়া খেতেই চায় না!"—আধুনিক যুগের বাবা-মায়েদের কাছে এটি খুবই সাধারণ দৃশ্য। মনের মধ্যে তখন অজানা চিন্তা ...
16/03/2026

"বাচ্চা তো মোবাইল ছাড়া খেতেই চায় না!"—আধুনিক যুগের বাবা-মায়েদের কাছে এটি খুবই সাধারণ দৃশ্য। মনের মধ্যে তখন অজানা চিন্তা উঁকি দেয়—এই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম কি বাচ্চার বুদ্ধি কমিয়ে দিচ্ছে? ওর মানসিক বিকাশে কোনো ক্ষতি হচ্ছে না তো?
​চলুন জেনে নিই অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুর কী ক্ষতি করে:

​⚠️ মানসিক বিকাশে বাধা: অতিমাত্রায় টিভি বা মোবাইল দেখা শিশুর মনোযোগ কমালে, আচরণগত সমস্যা এবং মানসিক বিকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

⚠️ কথা বলতে দেরি: অনেক সময় বাচ্চার কথা বলতে শেখা দেরি হতে পারে, কারণ স্ক্রিনের সাথে ওর কোনো দ্বিমুখী যোগাযোগ (Communication) হয় না।

⚠️ শারীরিক সমস্যা: দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখ ও মাথার ক্ষতি হতে পারে।

​✅ সঠিক স্ক্রিন টাইম গাইডলাইন (WHO অনুযায়ী):
​১ বছরের নিচে: একদমই স্ক্রিন দেওয়া যাবে না।
​১-৫ বছর: দিনে সর্বোচ্চ ১ ঘণ্টা (পরিবার সহ)।
​শিশুকে সময় দিন, ওর সাথে কথা বলুন, বই পড়ুন, খেলুন। এটিই ওর বিকাশের সেরা উপায়।

​❓ আপনার সোনামণি কি অতিরিক্ত মোবাইল দেখে? ওর স্ক্রিন টাইম কত—কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন!

​Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

​শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

"ডাক্তার সাহেব, আমার বাচ্চা তো কিছুই খেতে চায় না। জোর করে খাওয়াতে গেলে বমি করে দেয়!"—এই অভিযোগ প্রায় সব বাবা-মায়েদেরই নি...
16/03/2026

"ডাক্তার সাহেব, আমার বাচ্চা তো কিছুই খেতে চায় না। জোর করে খাওয়াতে গেলে বমি করে দেয়!"—এই অভিযোগ প্রায় সব বাবা-মায়েদেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। বাচ্চার খাবারে অরুচি অনেক সময় বাবা-মার মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায়।
​বাচ্চার অরুচি দূর করার ৫টি জাদুকরী ঘরোয়া টিপস চলুন জেনে নিই:

​১. জোর করে খাওয়াবেন না: জোর করে খাওয়ালে শিশুর খাবারের প্রতি ভয় ও অনীহা তৈরি হয়। ও যতটুকু খেতে চায়, ততটুকুই দিন।

২. নির্দিষ্ট সময়ে খাবার: প্রতিদিন একই সময়ে খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন। এতে বাচ্চার শরীরের একটি হজম রুটিন তৈরি হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ে ক্ষুধা লাগে।

৩. খাবারের ভিন্নতা ও সাজসজ্জা: প্রতিদিন একই খাবার না দিয়ে খাবারে ভিন্নতা আনুন। খাবারের প্লেটটি রঙিন করে সাজিয়ে দিন, এতে শিশুর আগ্রহ বাড়বে।

৪. ছোট ছোট লোকমা: একবারে বেশি খাবার লোকমা দেবেন না। ছোট ছোট করে লোকমা দিন, যেন ও সহজে গিলতে পারে।

৫. খাওয়ার পরিবেশ: খাওয়ানোর সময় টিভি বা মোবাইল এড়িয়ে চলুন। শান্ত পরিবেশে ওকে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ উপভোগ করতে শেখান।
​ধৈর্য ধরুন, ভালোবাসা দিয়ে চেষ্টা করুন। সোনামণির ক্ষুধা ওর শরীর থেকেই আসবে।

​❓ আপনার সোনামণি কি খাওয়ার জন্য খুব জেদ করে? ওকে খাওয়াতে আপনি কোন উপায়টি ফলো করেন—কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন!

​Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

​শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

সন্তানের জন্মের প্রথম কয়েক মাস তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় সোনামণির মুখের দিকে তাক...
16/03/2026

সন্তানের জন্মের প্রথম কয়েক মাস তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় সোনামণির মুখের দিকে তাকালে পৃথিবীর সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়, তাই না? আমরা সবসময় চাই ওর জন্য সেরাটা করতে।

​কিন্তু অনেক সময় অতিরিক্ত আদরে, অভিজ্ঞতার অভাবে বা সঠিক তথ্যের ঘাটতিতে আমরা ভালো করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে ফেলি, যা অজান্তেই শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ওর খাদ্যাভ্যাস নিয়ে শুরুর দিকে খুব সতর্ক থাকা প্রয়োজন। চলুন জেনে নিই, এমন ৪টি ভুল যা আমাদের আজই শুধরানো জরুরি:

​🍼 ১. ফর্মুলা দুধে অতিরিক্ত পানি মেশানো:
অনেকেই ভাবেন দুধটা একটু পাতলা হলে বাচ্চা সহজে হজম করবে, বা কৌটাটা একটু বেশিদিন যাবে। কিন্তু মনে রাখবেন, ফর্মুলা প্যাকেটের নির্দেশিকার বাইরে বাড়তি পানি মেশানো মানে শিশুর পুষ্টি কমিয়ে দেওয়া। এর চেয়েও ভয়ের ব্যাপার হলো, অতিরিক্ত পানি শিশুর ছোট্ট মস্তিষ্কে মারাত্মক চাপ (Water Intoxication) তৈরি করতে পারে। তাই সবসময় নির্দেশিকা মেনে সঠিক মাপে দুধ তৈরি করুন।

​🥣 ২. ৬ মাসের আগেই শক্ত খাবার শুরু করা:
দাদু-দিদারা হয়তো আদর করে ৫ মাসেই মুখে একটু ভাত বা সুজি তুলে দিতে চান। কিন্তু ৬ মাসের আগে শিশুর হজমপ্রক্রিয়া শক্ত খাবারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত থাকে না। খুব জলদি শুরু করলে ও বুকের দুধ বা ফর্মুলা থেকে প্রয়োজনীয় ক্যালরি ও পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হবে, যা ওর বৃদ্ধিতে বাধা দেবে। ধৈর্য ধরুন, ৬ মাস পূর্ণ হতে দিন।

​🧃 ৩. চিনিযুক্ত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার দেওয়া:
বাজারের জুস বা রঙিন প্যাকেটের স্ন্যাকস দেখলে বাচ্চা খুশি হয় ঠিকই, কিন্তু এগুলো ওর পেটে গিয়ে আসল খাবারের ক্ষুধা নষ্ট করে দেয়। এগুলোকে আমরা বলি 'এম্পটি ক্যালরি'—মানে পেট ভরে কিন্তু কোনো পুষ্টি দেয় না। উল্টো চিনিযুক্ত খাবারের স্বাদে অভ্যস্ত হয়ে ও ঘরের পুষ্টিকর খাবারের প্রতি অনীহা তৈরি করবে।

​⏰ ৪. ঘড়ি ধরে নিয়ম মেপে খাওয়ানো:
"প্রতি তিন ঘণ্টা পর পর খাওয়াতে হবে"—এমন ধরাবাঁধা নিয়ম নবজাতকের ক্ষেত্রে সবসময় কাজ করে না। ঘড়ির চেয়ে বাচ্চার ক্ষুধার সংকেত (Hunger Cues) বোঝা বেশি জরুরি। ও যখন হাত চুষবে, মুখ ঘোরাবে বা অস্থির হবে, তখনই খাওয়ান। গ্রোথ স্পার্টের (হঠাৎ দ্রুত বেড়ে ওঠা) সময় ওর বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হতে পারে, তাই চাহিদামতো খাবার দিন।

​সোনামণির সুস্থ আগামীর ভিত্তি তৈরি হয় আজকের সঠিক খাদ্যাভ্যাসে। আসুন, ভুলগুলো শুধরে নিয়ে আমরা সবাই মিলে সোনামণির সুন্দর বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করি। 👶❤️

​❓ আপনার সোনামণির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আপনার মনেও কি এমন কোনো প্রশ্ন বা কনফিউশন আছে? কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন!

​💡 আপনাদের জন্য একটি বার্তা:
ওষুধের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে, সঠিক পরিচর্যা, পুষ্টি এবং দৈনন্দিন সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান নিয়ে খুব শিগগিরই আপনাদের জন্য দারুণ কিছু আসছে। আমাদের সাথেই থাকুন!

​Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP
​শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

​ #শিশুরযত্ন #মাওশিশু

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কয়েক বছর হলো ওকে বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর প্রধান ...
15/03/2026

শিশুর জন্মের পর থেকে প্রথম কয়েক বছর হলো ওকে বিভিন্ন মারাত্মক রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর প্রধান হাতিয়ার হলো সঠিক সময়ে সঠিক টিকা। অনেক সময় বাবা-মায়েরা ব্যস্ততার কারণে বা ভুলে যাওয়ার ফলে টিকার তারিখ মিস করে ফেলেন, যা শিশুকে ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে।
​বাবা-মা হিসেবে এই বিষয়ে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি:

​✅ Missed Dose-এর ক্ষেত্রে করণীয়:
টিকার ডোজ মিস হলে প্যানিক করবেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়েও মিস হওয়া ডোজ দেওয়া যায়।
​দ্রুত নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র বা আপনার শিশু বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন।
​আপনার টিকাদান কার্ডটি নিয়ে যান, তারা আপনাকে মিস হওয়া ডোজের জন্য নতুন তারিখ দিয়ে দেবেন।
​মনে রাখবেন, কিছু টিকার নির্দিষ্ট বয়সসীমা থাকে, তাই দেরি না করে দ্রুত পরামর্শ নিন।

​✅ টিকার গুরুত্ব:
টিকা শিশুকে যক্ষ্মা, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, এবং নিউমোনিয়ার মতো মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে। এটি শুধু আপনার শিশুই নয়, পুরো সমাজকেও সুরক্ষিত রাখে।

​❓ আপনার সোনামণির শেষ টিকা কবে দেওয়া হয়েছে? টিকাদান কার্ডটি আজকে চেক করেছেন কি? comment-এ জানাতে পারেন।
​Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

​শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

শিশুর হঠাৎ জ্বর আসলে কী করবেন? ডায়াপার র‍্যাশ কীভাবে দূর করবেন? ৬ মাস পর প্রথম খাবার কী দেবেন? কেন শিশু খেতে চায় না? কেন...
14/03/2026

শিশুর হঠাৎ জ্বর আসলে কী করবেন? ডায়াপার র‍্যাশ কীভাবে দূর করবেন? ৬ মাস পর প্রথম খাবার কী দেবেন? কেন শিশু খেতে চায় না? কেন রাত জাগে?

গত ৬ দিনে আমরা এমন অনেকগুলো জরুরি টপিক নিয়ে আলোচনা করেছি, যা প্রতিটি নতুন বাবা-মাকে দুশ্চিন্তায় ফেলে। আমি জানি, প্রতিদিন আপনার মনে এমন আরও শত শত প্রশ্ন উঁকি দেয়। অনেক সময় গুগলে বা ফেসবুকে ভুল তথ্য দেখে আপনি আরও বেশি বিভ্রান্ত হন, বা প্যানিক করে ডাক্তারের কাছে দৌড়ান।

যদি এমন হয় যে, আপনার সোনামণির জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সব ধরনের শারীরিক সমস্যা, ঘরোয়া যত্ন, সঠিক পুষ্টি, এবং প্রাথমিক চিকিৎসার নির্ভরযোগ্য ও বৈজ্ঞানিক সমাধান আপনি একটি মাত্র জায়গায় পেয়ে যান? তবে কেমন হবে?

হ্যাঁ, বাবা-মা হিসেবে আপনার এই বড় দুশ্চিন্তা দূর করতে, আমি আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের সঠিক তথ্যগুলো নিয়ে রেডি করেছি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। এটি কোনো সাধারণ বই নয়, এটি হবে আপনার সোনামণিকে সুস্থ রাখার আপনার হাতের কাছের একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান।

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা! এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে আমরা খুব শিগগিরই আসছি।

❓ এমন একটি গোছানো গাইডলাইন আপনার কতটা প্রয়োজন বলে আপনি মনে করেন? আপনার মতামত কমেন্টে জানান!

Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

দেখতে দেখতে সোনামণি বড় হয়ে যাচ্ছে, তাই না? মনে হয় এই তো সেদিন পৃথিবীতে এলো! এই যে জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সময়টা, একে...
14/03/2026

দেখতে দেখতে সোনামণি বড় হয়ে যাচ্ছে, তাই না? মনে হয় এই তো সেদিন পৃথিবীতে এলো! এই যে জন্ম থেকে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সময়টা, একে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বলা হয় শিশুর বিকাশের সবচেয়ে 'ক্রিটিক্যাল' বা সংবেদনশীল সময়।

কেন এই ৫ বছর এত গুরুত্বপূর্ণ? চলুন জানি:

১. মস্তিষ্কের দ্রুত বিকাশ: শিশুর মস্তিষ্কের প্রায় ৯০% বিকাশ এই ৫ বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হয়। ওর বুদ্ধি, মেধা ও চিন্তাশক্তির ভিত্তি এই সময়েই তৈরি হয়।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: এই সময়েই শিশুর শরীর বিভিন্ন জীবাণুর সাথে পরিচিত হয় এবং নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। সঠিক যত্ন না পেলে ও বারবার অসুস্থ হতে পারে।
৩. আচরণ ও ব্যক্তিত্ব: শিশুর স্বভাব, আচরণ, এবং মানুষের সাথে মেলামেশার ধরণ এই সময়েই আকৃতি পায়।
৪. শারীরিক বৃদ্ধি: হাঁটা, বলা, দৌড়ানো—ওর সব বড় বড় শারীরিক পরিবর্তন এই ৫ বছরেই ঘটে।

বাবা-মা হিসেবে আমরা সবসময় চাই সন্তানের সেরাটা। কিন্তু অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে বা প্রচলিত ভুল ধারণার কারণে আমরা অজান্তেই ভুল করে ফেলি। এই ৫ বছরে আপনার সোনামণির প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি, সঠিক ঘরোয়া যত্ন, এবং জরুরি মুহূর্তে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত।

❓ সতর্কতা: শিশুর এই গোল্ডেন পিরিয়ড আর কখনোই ফিরে আসবে না। আপনি কি নিশ্চিত যে ওর যত্নে আপনি বৈজ্ঞানিক এবং সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করছেন? আপনার কোনো কনফিউশন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

💡 আপনাদের জন্য একটি বার্তা:
চেম্বারে বা অনলাইনে প্রতিদিন বাবা-মায়েদের এমন অসংখ্য কনফিউশন আর প্রশ্ন আমি পাই। সবাইকে সবসময় আলাদা করে বিস্তারিত বলা সম্ভব হয় না বলে, শিশুর প্রারম্ভিক বয়সের যত্ন নিয়ে আমি খুব শিগগিরই একটি গোছানো গাইডলাইন নিয়ে আসছি। পেজে চোখ রাখুন, দারুণ কিছু আসছে!

Dr. Mizanur Rahman
MBBS, PGT (Neonatology & Paediatric)
MRCPCH (Part-2, UK), DCH (Final, UK), CCGP

শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক আরও তথ্য ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.drmizanbd.com

Address

Ash Shifa Care, 47 Urmi, Foyjun Nessa Mansion, Shibganj Point
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 15:00 - 20:00
Wednesday 15:00 - 20:00
Sunday 15:00 - 20:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mizanur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category