জনসাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য

জনসাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য সঠিক পুষ্টি আর সুস্থ জীবনের সহজ সমাধান। জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য বিষয়ক বিজ্ঞানসম্মত তথ্য পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।"

04/08/2026

মোঃ আল-আমিন পারভেজ
বিএসসি ইন পাবলিক হেল্থ নিউট্রিশন
ডি.এম.এফ (ঢাকা)
এক্স হেলথ এডুকেটর
ডায়াবেটিকস সমিতি, সখিপুর, টাঙ্গাইল।
বিএমডিসি রেজি নং-ডি ১৩১৬৭
মোবাইল- 01729-301974

ডায়ালিসিস না লাগা রোগীদের জন্য (কম প্রোটিন)​যেসব ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) রোগীদের এখনও ডায়ালিসিস শুরু হয়নি, তাদের মূল ...
04/08/2026

ডায়ালিসিস না লাগা রোগীদের জন্য (কম প্রোটিন)

​যেসব ক্রনিক কিডনি ডিজিজ (CKD) রোগীদের এখনও ডায়ালিসিস শুরু হয়নি, তাদের মূল লক্ষ্য থাকে কিডনির অবশিষ্ট কার্যক্ষমতা টিকিয়ে রাখা।

​আমাদের শরীর যখন প্রোটিন ভেঙে ফেলে, তখন ইউরিয়া (Urea) নামে একটি বর্জ্য পদার্থ তৈরি হয়। সুস্থ কিডনি এটি সহজেই ছেঁকে বের করে দেয়, কিন্তু অসুস্থ কিডনি এতে হিমশিম খায়। অতিরিক্ত প্রোটিন খেলে কিডনির ওপর চাপ বাড়ে এবং তা দ্রুত নষ্ট হয়। তাই এই পর্যায়ে স্বল্প-প্রোটিন (Low-Protein) যুক্ত খাবার খেতে বলা হয়।

​নিয়ম: প্রতিদিন শরীরের প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৬ থেকে ০.৮ গ্রাম প্রোটিন।

​উদাহরণ: একজন ৭০ কেজি ওজনের মানুষের জন্য দিনে প্রায় ৪২ থেকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন।

​খাবারের উৎস: উচ্চমানের প্রোটিন (যেমন ডিমের সাদা অংশ, মাছ বা মুরগি) এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা কিডনির ওপর কম চাপ সৃষ্টি করে।

​মোঃ আল-আমিন পারভেজ
বিএসসি ইন জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি
ডি.এম.এফ (ঢাকা)
এক্স হেলথ এডুকেটর
ডায়াবেটিকস সমিতি, সখিপুর, টাঙ্গাইল।
বিএমডিসি রেজি নং-ডি ১৩১৬৭
মোবাইল- 01729-301974

ভেজালে ভরা বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত  না করে খাদ্য  ও পুষ্টি  বিষয় জ্ঞান রাখার জন্য এই রিলেটেড কিছু একটা অন্তর্...
02/08/2026

ভেজালে ভরা বাংলাদেশ মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত না করে খাদ্য ও পুষ্টি বিষয় জ্ঞান রাখার জন্য এই রিলেটেড কিছু একটা অন্তর্ভুক্ত করেন।

30/07/2026
29/07/2026

উচ্চ রক্তচাপের সাথে অন্য কোন রোগ যেমন কিডনির রোগ,  ডায়াবেটিস থাকলে পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন।🍽️🍽️​মোঃ আল-আমিন পারভেজবি.এস.স...
28/07/2026

উচ্চ রক্তচাপের সাথে অন্য কোন রোগ যেমন কিডনির রোগ, ডায়াবেটিস থাকলে পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন।🍽️🍽️

​মোঃ আল-আমিন পারভেজ
বি.এস.সি. জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি
ডি.এম.এফ (ঢাকা)
এক্স হেলথ এডুকেটর
ডায়াবেটিকস সমিতি, সখিপুর, টাঙ্গাইল।
বিএমডিসি রেজি নং-ডি ১৩১৬৭
মোবাইল- 01729-301974

অতিরিক্ত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) গ্রহণের ফলে লিভারে যে চর্বি জমে, তা প্রতিরোধ বা দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক খ...
27/07/2026

অতিরিক্ত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) গ্রহণের ফলে লিভারে যে চর্বি জমে, তা প্রতিরোধ বা দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সঠিক খাদ্যভ্যাস গড়ে তোলা। খাদ্যাভ্যাসে কিছু কৌশলগত পরিবর্তন আনলে লিভার নতুন করে চর্বি জমা বন্ধ করে এবং জম জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে।
​নিচে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত এবং কার্যকর কিছু ডায়েট সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া হলো:
​১. রিফাইনড বা পরিশোধিত শর্করা সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়া
​সাদা চালের ভাত, ময়দা, চিনি, মিষ্টি, বিস্কুট এবং বেকারি পণ্য পরিপাকতন্ত্রে দ্রুত ভেঙে বিপুল পরিমাণ গ্লুকোজ তৈরি করে, যা দ্রুত লিভারে চর্বিতে রূপ নেয়।
​কী করবেন: রিফাইনড শর্করার বদলে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট নির্বাচন করুন। যেমন—লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি, ওটস, কাউনের চাল বা ভুট্টা। এগুলোতে প্রচুর ফাইবার থাকে, যা রক্তে গ্লুকোজের প্রবেশ ধীর করে দেয়।
​২. যোগ করা চিনি (Added Sugar) ও ফ্রুক্টোজ বর্জন
​প্রসেস্ড মিষ্টি খাবার এবং পানীয়ে থাকা চিনি বা হাই-ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ সরাসরি লিভারে চর্বি তৈরির সবচেয়ে বড় অনুঘটক।
​কী করবেন: সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, প্যাকেটজাত ফলের রস (Juice) ও মিষ্টি খাওয়া বাদ দিতে হবে। আস্ত ফল খাওয়া স্বাস্থ্যকর (কারণ এতে ফাইবার থাকে), তবে অতিরিক্ত মিষ্টি ফল খুব বেশি পরিমাণে না খাওয়াই ভালো।
​৩. ফাইবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া
​আঁশযুক্ত খাবার পরিপাকতন্ত্রে গ্লুকোজ শোষণ কমিয়ে ইনসুলিন স্পাইক (Insulin Spike) রোধ করে। ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকলে লিভার চর্বি জমা বন্ধ করে উল্টো চর্বি বার্ন বা গলানো শুরু করে।
​কী করবেন: প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর শাকসবজি (যেমন: পালং শাক, ব্রকলি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা) এবং বিভিন্ন ধরনের ডাল, শিমের বিচি ও ইসবগুলের ভুষি রাখুন।
​৪. স্বাস্থ্যকর চর্বি (Healthy Fats) গ্রহণ
​সব ধরনের চর্বি ক্ষতিকর নয়। ক্ষতিকর ট্রান্স-ফ্যাট (যেমন: ডুবোতেলে ভাজা খাবার, বনস্পতি/ডালডা) এবং অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট লিভারের প্রদাহ বাড়ায়, কিন্তু আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
​কী করবেন: রান্নায় সয়াবিন তেলের বদলে খাঁটি সরিষার তেল বা এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া বাদাম (কাঠবাদাম, আখরোট), চিয়া সিড, তিল এবং সামুদ্রিক বা চর্বিযুক্ত মাছ (যাতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে) খাদ্যতালিকায় রাখুন।
​৫. পর্যাপ্ত প্রোটিন যুক্ত করা
​প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে এবং মিষ্টি বা শর্করাজাতীয় খাবার খাওয়ার ক্রেভিং বা লোভ কমে যায়। এছাড়া প্রোটিন লিভার কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে।
​কী করবেন: ডিম, চামড়া ছাড়া মুরগির মাংস, মাছ, টোফু, ও বিভিন্ন ধরনের ডাল পর্যাপ্ত পরিমাণে খান।
​৬. ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (Intermittent Fasting) বা নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া
​খাদ্যতালিকার পাশাপাশি কখন খাচ্ছেন তা-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটানা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলে (যেমন: রাতের খাবার জলদি খেয়ে পরদিন সকালে দেরি করে নাস্তা করা) রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। ফলে লিভার বাধ্য হয়ে নিজের জমা রাখা চর্বি ভাঙতে শুরু করে।

শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে তা লিভারে চর্বি (Fat) হিসেবে জমা হয়। বায়োকেমিস্ট্রির ভাষায় এই জটিল ...
26/07/2026

শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে তা লিভারে চর্বি (Fat) হিসেবে জমা হয়। বায়োকেমিস্ট্রির ভাষায় এই জটিল জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়াটিকে ডি নোভো লাইপোজেনেসিস (De Novo Lipogenesis বা DNL) বলা হয়—যার সহজ অর্থ হলো "নতুন চর্বি তৈরি করা"।
১. হজম ও গ্লুকোজ শোষণ
​আমরা যখন শর্করাজাতীয় খাবার (যেমন: ভাত, রুটি, চিনি বা মিষ্টি) খাই, তখন পরিপাকতন্ত্রে তা ভেঙে গ্লুকোজ এবং ফ্রুক্টোজ-এ পরিণত হয়। এগুলো রক্তে মিশে লিভারে পৌঁছায়।
​২. গ্লাইকোজেন পূর্ণ হওয়া (প্রাথমিক জমা)
​লিভারে পৌঁছানোর পর শরীর গ্লুকোজকে সরাসরি চর্বিতে রূপান্তর করে না।
​রক্তে গ্লুকোজ বাড়লে প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন হরমোন নিঃসরিত হয়।
​ইনসুলিন লিভারকে নির্দেশ দেয় অতিরিক্ত গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন (Glycogen) হিসেবে জমা রাখতে।
​তবে লিভারের গ্লাইকোজেন ধারণক্ষমতা খুব সীমিত (সাধারণত মাত্র ৮০ থেকে ১০০ গ্রাম)।

​৩. শক্তি উৎপাদনের অণু তৈরি (Acetyl-CoA)
​যখন গ্লাইকোজেনের খালি জায়গা পুরোপুরি ভরে যায় এবং রক্তে তখনও অতিরিক্ত গ্লুকোজ থাকে, তখন লিভার সেই গ্লুকোজ ভেঙে পাইরুভেট (Pyruvate) এবং পরবর্তীতে মিথোকন্ড্রিয়ায় অ্যাসিটাইল-কোএ (Acetyl-CoA) তৈরি করে।
​৪. ফ্যাটি এসিডে রূপান্তর (De Novo Lipogenesis)
​অ্যাসিটাইল-কোএ মূলত শক্তি তৈরির উপাদান। কিন্তু শরীরের যখন আর অতিরিক্ত শক্তির প্রয়োজন থাকে না, তখন ইনসুলিনের উদ্দীপনায় লিভারের কিছু বিশেষ এনজাইম (যেমন: ACC এবং FAS) এই অ্যাসিটাইল-কোএ অণুগুলোকে একটার পর একটা জোড়া লাগিয়ে ফ্যাটি এসিড (Fatty Acid) তৈরি করতে শুরু করে।
​ফ্রুক্টোজের ভূমিকা: ফল বা প্রসেস্ড সুগার (যেমন: সফট ড্রিংকস বা কোল্ড ড্রিংকস)-এ থাকা ফ্রুক্টোজ সরাসরি লিভারে গিয়ে গ্লাইকোজেন তৈরি না করেই খুব দ্রুত এই ফ্যাটি এসিড তৈরি প্রক্রিয়ায় ঢুকে পড়ে। তাই বাড়তি চিনি বা মিষ্টি খাবার চর্বি তৈরিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে।
​৫. ট্রাইগ্লিসারাইড গঠন ও লিভারে জমা
​তৈরি হওয়া ফ্যাটি এসিডগুলো গ্লিসারলের সাথে যুক্ত হয়ে তৈরি করে ট্রাইগ্লিসারাইড (Triglyceride)—যা মূলত চর্বির আসল রূপ।
​রক্তে পাঠানো: স্বাভাবিক অবস্থায় লিভার এই ট্রাইগ্লিসারাইডগুলোকে VLDL (Very Low-Density Lipoprotein) নামক বাহকের মাধ্যমে রক্তের সাহায্যে শরীরের অন্যান্য ফ্যাটি টিস্যু বা মেদে পাঠিয়ে দেয়।
​লিভারে জমা হওয়া: কিন্তু শর্করার পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি হলে বা লিভারের বের করে দেওয়ার ক্ষমতার চেয়ে চর্বি তৈরির গতি বেশি হলে সেই ট্রাইগ্লিসারাইড লিভার কোষেই জমে থাকে।
​দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত শর্করা গ্রহণের ফলে লিভার কোষে এভাবে চর্বি জমতে জমতেই পরবর্তীতে ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver Disease) সমস্যা দেখা দেয়।

Address

BARACHOWNA
Tangail
1950

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জনসাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্য posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share