Uttor Tarotia Community Clinic,Gharinda Union,Tangail.

Uttor Tarotia Community Clinic,Gharinda Union,Tangail. সরকারি অফিস

09/04/2026

Celebrating my 12th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

এই হৃদয়টা দেখছেন…?হৃদপিণ্ডের গায়ে ছোট ছোট ফোস্কার মতো যেগুলো দেখা যাচ্ছে…এগুলো আসলে Cardiac cysticercosis।এই রোগটা হয় এক...
01/04/2026

এই হৃদয়টা দেখছেন…?

হৃদপিণ্ডের গায়ে ছোট ছোট ফোস্কার মতো যেগুলো দেখা যাচ্ছে…
এগুলো আসলে Cardiac cysticercosis।
এই রোগটা হয় এক ধরনের পরজীবী কৃমি থেকে
Taenia solium (শূকরের ফিতা কৃমি)।

কীভাবে হয়?
দূষিত খাবার, পানি
বা ঠিকমতো হাত না ধুয়ে খাওয়ার মাধ্যমে
এই কৃমির ডিম আমাদের শরীরে ঢুকে পড়ে।
তারপর…
রক্তের সাথে সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়
এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে
হৃদপিণ্ডের মাংসপেশিতেও গিয়ে বসে।
ধীরে ধীরে ওই ডিমগুলো
ছোট ছোট সিস্ট (cyst) এ পরিণত হয়
যেগুলো আপনি এই ছবিতে দেখছেন।

অনেক সময় শুরুতে কোনো লক্ষণই থাকে না
রোগটা শরীরের ভেতরে বড় হতে থাকে
কিন্তু পরে
বুক ধড়ফড়
হার্টের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হওয়া
দুর্বলতা
হঠাৎ জটিলতা
এমনকি জীবনহানির ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
এটা শুধু হার্টের সমস্যা না…
এই একই পরজীবী
মস্তিষ্কে গেলে Neurocysticercosis হয়ে
খিঁচুনি পর্যন্ত হতে পারে।
আমরা অনেকেই “কৃমির ওষুধ” খাওয়াকে হালকাভাবে নেই।
“শিশুরা খায়… বড়দের দরকার নেই”
এই ধারণা ভুল।

নিয়মিত কৃমির ওষুধ খাওয়া জরুরি
পরিবারসহ একসাথে ডিওয়ার্মিং করা উচিত
বছরে অন্তত ১–২ বার কৃমির ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন

খাবারের আগে সাবান দিয়ে হাত ধোবেন
টয়লেটের পর হাত ধোবেন
পরিষ্কার পানি পান করবেন
ফল-সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন
খোলা/অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলবেন
মনে রাখবেন
“দেখা যায় না” মানেই “নেই” না।
এই কৃমিগুলো অদৃশ্য…
কিন্তু ক্ষতি ভয়ংকর।
আপনি সচেতন হলে
আপনার পরিবার নিরাপদ থাকবে।
একটা ছোট অভ্যাস
বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারে।
আজই সিদ্ধান্ত নিন
নিজে কৃমির ওষুধ খাবেন,
পরিবারকেও খাওয়াবেন।
শেয়ার করুন…
হয়তো আপনার এই পোস্টটাই
আরেকটা পরিবারকে সচেতন করে তুলবে।
ডা.আব্দুর রহমান

মাঝে মাঝে অপারেশন থিয়েটারে এমন কিছু দেখা যায়…যা বইয়ে পড়লেও বাস্তবে দেখলে গা শিউরে ওঠে।এই টিউমারের ভিতরে যা পাওয়া গেলচুল।...
01/04/2026

মাঝে মাঝে অপারেশন থিয়েটারে এমন কিছু দেখা যায়…
যা বইয়ে পড়লেও বাস্তবে দেখলে গা শিউরে ওঠে।
এই টিউমারের
ভিতরে যা পাওয়া গেল
চুল।
দাঁত।
চামড়া।
হ্যাঁ… ঠিকই পড়ছেন।
একটা টিউমারের ভিতরে মানুষের শরীরের অংশের মতো জিনিস!
এই টিউমারের নাম Teratoma।
শরীরের এমন কিছু কোষ (germ cell) আছে, যেগুলো থেকে মানুষের পুরো শরীর তৈরি হতে পারে।
কিন্তু যখন এই কোষগুলো নিয়ন্ত্রন হারায়
তখন তারা এলোমেলোভাবে তৈরি করতে শুরু করে বিভিন্ন টিস্যু।
চুল তৈরি হয়
দাঁত তৈরি হয়
হাড়, মাংস—এমনকি কিছু ক্ষেত্রে গ্রন্থিও
কিন্তু
এগুলো বিশৃঙ্খল, অগোছালো, অসম্পূর্ণ।
সবচেয়ে বেশি দেখা যায় মেয়েদের ডিম্বাশয়ে
যাকে আমরা বলি Dermoid cyst।
অনেক সময় রোগী কিছুই বুঝতে পারেন না…
হঠাৎ তলপেটে ব্যথা নিয়ে আসেন, আর তখনই ধরা পড়ে।
কিন্তু ঝুঁকি আছে
এটা পাক খেয়ে (torsion) হঠাৎ তীব্র ব্যথা করতে পারে
ফেটে গেলে পেটের ভিতর মারাত্মক প্রদাহ (chemical peritonitis) হতে পারে
খুব কম ক্ষেত্রে ক্যান্সারেও রূপ নিতে পারে

সচেতনতা জীবন বাঁচায়

ডা.আব্দুর রহমান

কি মনে হচ্ছে…?“এটা কি… বাচ্চা?”“নাকি পেটের ভেতরের কোনো টিউমার?”না…এটা একজন পুরুষের বাম  অন্ডকোষ /টেস্টিস ( বাম টেস্টিকুল...
01/04/2026

কি মনে হচ্ছে…?
“এটা কি… বাচ্চা?”
“নাকি পেটের ভেতরের কোনো টিউমার?”
না…
এটা একজন পুরুষের বাম অন্ডকোষ /টেস্টিস ( বাম টেস্টিকুলার টিউমার বা অণ্ডকোষের টিউমার )
৫ কেজির চেয়ে ভারী!

একজন মানুষ… এটা নিয়ে এতদিন বেঁচে ছিল কীভাবে?
৪-৫ বছর…
ধীরে ধীরে বড় হয়েছে…
শুরুতে হয়তো ছিল ছোট একটা ফোলা
যেটা সহজেই চিকিৎসা করা যেত।
কিন্তু না…
লজ্জা
ভয় ভয়ে আসেননি এতদিন
“কিছু না, ঠিক হয়ে যাবে”—এই ভরসায় ছিলেন
তারপর…
প্রতিদিন হাঁটা একটু একটু কঠিন হতে শুরু করে
শুরু হয় অস্বস্তি
টান লাগা
কিন্তু মানুষটা কাউকে কিছু বলেনি।
শেষ ৫-৬ দিনে
ডান পাশেও Hydrocele (পানি জমে)
হঠাৎ ফুলে
ওজন আরো বাড়লো…
সাথে ব্যথা
অস্বস্তি অসহ্য হয়ে গেল…
তখন…
আসলেন তিনি

একটা জিনিস দেখলাম
রোগটা যত না বড়
সহ্য করার ও লজ্জা,লুকানোর অভ্যাসটা তার চেয়েও বড়।

আমাদের সমাজে পুরুষরা এই জায়গার সমস্যা নিয়ে কথা বলে না।
“লজ্জা লাগে”
“কি বলবো?”
“মানুষ কি ভাববে?”
এই কয়েকটা প্রশ্ন
উনাকে বছরের পর বছর চিকিৎসা থেকে দূরে রাখে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কারো যদি হয়—
অণ্ডকোষ হঠাৎ বড় হয়ে যাওয়া
ভারী লাগা
টান টান অনুভূতি
পানি জমা (Hydrocele)
ব্যথা বা অস্বস্তি
একটা থাকলেও
দয়া করে অপেক্ষা করবেন না।

শুরুতে ধরা পড়লে
ছোট চিকিৎসা… সহজ সমাধান…
দেরি হলে
অপারেশন বড়…
ঝুঁকি বড়…
কষ্ট অমানবিক।
নিখুঁত ও দক্ষ হাতে
অপারেশন করেছেন বড় ভাই
ডা: খায়রুজ্জামান চৌধুরী নাজমুল ভাই,
Nazmul Chawdhury
সাথে ছিলাম আমি...

আপনি এমন বড় টেস্টিস ( অন্ডকোষ) দেখেছেন কখনো.?

পোস্টটা শেয়ার করুন
হয়তো কারো লজ্জা ভেঙে যাবে
আজই ডাক্তার দেখাবে

ডা.আব্দুর রহমান

“একটু ফুলে আছে… পরে দেখাবো”এই ভেবেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় ১৭ বছর।ধীরে ধীরে যে জিনিসটা ছোট একটা ফোলাভাব ছিল,এখন এমন জায়গ...
01/04/2026

“একটু ফুলে আছে… পরে দেখাবো”
এই ভেবেই কাটিয়ে দিয়েছিলেন প্রায় ১৭ বছর।
ধীরে ধীরে যে জিনিসটা ছোট একটা ফোলাভাব ছিল,
এখন এমন জায়গায় পৌঁছায়ছে
যেখানে পেটের ভেতরের অংশ নেমে এসে অণ্ডথলির ভেতর জমা হয়ে যায়।
এটাই Indirect Inguinal Hernia
অবহেলায় এটি ভয়ংকর রূপ নিতে পারে।
রোগী অনেকদিন এটাকে গুরুত্ব দেননি।
ব্যথা তেমন ছিল না, কাজকর্মও somehow চলছিল…
কিন্তু হঠাৎ কয়েকদিনের মধ্যে ফুলে যাওয়াটা দ্রুত বাড়তে থাকে।

হার্নিয়া এমন একটা সমস্যা
যেটা আস্তে আস্তে বড় হয়।
প্রথমে মনে হয় কিছু না…
কিন্তু একসময় অন্ত্র আটকে যেতে পারে
রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে
হঠাৎ তীব্র ব্যথা শুরু হয়ে জরুরি অবস্থায় চলে যেতে পারে

অনেকেই এটাকে “সহনীয়” মনে করে বছরের পর বছর ফেলে রাখেন।
আর তখনই সমস্যা জটিল হয়ে যায়।
মনে রাখবেন

হার্নিয়া নিজে নিজে ভালো হয় না

যত দেরি করবেন, অপারেশন তত জটিল হতে পারে

হঠাৎ ফুলে যাওয়া, ব্যথা, বমি—এগুলো হলে একদম দেরি করবেন না
এটা আমাদের সবার জন্য একটা সতর্কতা।
“পরে দেখাবো”—এই কথাটা অনেক সময়
জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হয়ে দাঁড়ায়।
সময় থাকতে সচেতন হোন।
নিজে জানুন, অন্যকেও জানান।

ডা.আব্দুর রহমান

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…সাথে সর্দি, কাশিবাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…এভাবেই শুরু হয়। এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles...
29/03/2026

প্রথমে শুধু হালকা জ্বর…
সাথে সর্দি, কাশি
বাচ্চা একটু খিটখিটে, খেতে চাইছে না…
এভাবেই শুরু হয়।
এই সময়ই শরীরে ঢুকে পড়ে Measles (হাম) ভাইরাস
কোনো আক্রান্ত মানুষ হাঁচি দিলো, কাশি দিলো…
সেই বাতাস থেকেই ভাইরাসটা ছড়িয়ে গেলো।
আপনি বুঝতেও পারলেন না
শিশুর শরীর ইতোমধ্যে আক্রান্ত।


প্রথম ২–৩ দিন:
শুধু জ্বর, সর্দি, কাশি…
চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে।
অনেকে
ধরেই নেন এটা সাধারণ ভাইরাল জ্বর।
তারপর
জ্বর বাড়ে,
মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spot) দেখা যেতে পারে…
আর ৩–৪ দিনের মাথায়
গায়ে লালচে র‍্যাশ উঠা শুরু।
মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই পুরো সময়টাতেই বাচ্চা অন্যদের জন্য খুব সংক্রামক।
মানে, আপনি বুঝার আগেই
আরো কয়েকজন শিশুর মধ্যে এটা ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাম হলে শিশুর যত্ন:-

১. বিশ্রাম ও আলাদা রাখা
ভিড় এড়িয়ে শান্ত ঘরে রাখুন। জ্বর বেশি হলে ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছান, প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল দিন।
২. পর্যাপ্ত তরল দিন
পানি, দুধ, স্যুপ, ওরস্যালাইন—অল্প অল্প করে বারবার দিন। না খেতে চাইলেও চেষ্টা চালিয়ে যান।
৩. ভিটামিন A দিন
চোখ ও রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী দিন।
৪. আলো কম রাখুন
চোখে সমস্যা হলে হালকা অন্ধকার ঘরে রাখুন, পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছান।
৫. ত্বকের যত্ন নিন
নখ ছোট রাখুন, চুলকাতে না দিন, শরীর পরিষ্কার রাখুন।

কেন ভয় পাবেন?
কারণ এটা শুধু “দানা উঠা” না
এই ভাইরাস ফুসফুস, চোখ, এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে।

শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, এমনকি খিঁচুনি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

একটু সচেতন হন, সেভ করুন
আর পোস্টটা শেয়ার করে অন্যকেও জানিয়ে দিন

ডা.আব্দুর রহমান

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”“গতকা...
08/03/2026

পেটের ডান পাশে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা শুরু হলে আমরা অনেকেই প্রথমে কি ভাবি জানেন?
“গ্যাস হয়েছে… একটু পরে ঠিক হয়ে যাবে।”
“গতকাল হয়তো বেশি খেয়েছি…”
“ওষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে…”
কিন্তু অনেক সময় এটা হতে পারে অ্যাপেন্ডিক্সের কারনে।
আমাদের শরীরে এই ছোট্ট নলটার কথা বেশিরভাগ মানুষ জীবনে কখনো ভাবেও না। যখন এটি সংক্রমিত বা ফুলে যায়, তখন
প্রথমে ব্যথাটা সাধারণত নাভির আশেপাশে শুরু হয়।
অনেকে তখনও বিষয়টা গুরুত্ব দেয় না।
কিছুক্ষণ বা কয়েক ঘণ্টা পর ব্যথাটা পেটের ডান পাশের নিচে চলে যায় এবং ধীরে ধীরে তীব্র হতে থাকে।
এর সাথে দেখা দিতে পারে
• বমি বমি ভাব বা বমি
• হালকা বা মাঝারি জ্বর
• খেতে ইচ্ছা না করা
• হাঁটা বা নড়াচড়া করলে ব্যথা আরও বেড়ে যাওয়া
অনেকে তখনও ব্যথা সহ্য করে বাড়িতে বসে থাকে।
কেউ গ্যাসের ওষুধ খায়, কেউ ব্যথার ওষুধ।
কিন্তু যদি সেই ফোলা অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যায় (rupture)
তাহলে পেটের ভেতরে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে যেতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে এই অবস্থা গ্যাংগ্রিনাস অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়ে যায়, যেখানে অ্যাপেন্ডিক্সের টিস্যু পর্যন্ত নষ্ট হয়ে যায়। তখন চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে যায়।
একটা ছোট অঙ্গ…
কিন্তু অবহেলা করলে সেটাই জীবনহানির কারণ হতে পারে।
তাই মনে রাখবেন
যদি এমন ব্যথা হয় যা
নাভি থেকে শুরু হয়ে ডান পাশে নেমে যায়
এবং সাথে বমি, জ্বর বা অস্বস্তি থাকে,
তাহলে এটাকে সাধারণ পেটব্যথা ভেবে বসে থাকবেন না।
সময়মতো হাসপাতালে গেলে
একটি ছোট অপারেশনেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।
কিন্তু দেরি করলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যেতে পারে।
আমাদের শরীর অনেক এ সংকেত গুলো আমরা কি শুনি?
পোস্টটি শেয়ার করুন।
হোন সচেতন

ডা.আব্দুর রহমান

01/02/2026

দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এক পরজীবীর সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, ‘স্নেইল’ বা শামুকের মাধ্যমে ছড়ানো এই পরজীবীর সংক্রমণে হতে পারে ‘স্নেইল ফিভার’ নামের এক রোগ। এই সংক্রমণ এত দ্রুত ছড়াচ্ছে যে ভবিষ্যতে এটি নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।

রোগটির প্রভাবে মানুষের যৌনাঙ্গে ক্ষত, বন্ধ্যত্ব এবং এইচআইভি সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বছরে প্রায় ২৫ কোটি মানুষ স্নেইল ফিভারের চিকিৎসা নেন। এদের বেশির ভাগের বাস আফ্রিকা মহাদেশে। তবে সম্প্রতি বিশ্বের ৭৮টি দেশে এই রোগের সংক্রমণের খবর জানা গেছে। এর মধ্যে আছে চীন, ভেনেজুয়েলা ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশ।

কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাদেশের প্রান্তিক জনপদের স্বাস্থ্যসেবার মূল স্তম্ভ, আর এই স্তম্ভকে সচল রাখছেন যারা, তারা হলেন কমিউনি...
01/02/2026

কমিউনিটি ক্লিনিক বাংলাদেশের প্রান্তিক জনপদের স্বাস্থ্যসেবার মূল স্তম্ভ, আর এই স্তম্ভকে সচল রাখছেন যারা, তারা হলেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (CHCP)। ২০২৪ সালে আমাদের এই পদটি স্থায়ীকরণ হওয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে বলে আমরা আশা করেছিলাম। জুলাই ২০২৫ থেকে আমরা নিয়মিত ইএফটি (EFT) পদ্ধতিতে বেতন পেলেও, উন্নয়ন খাত থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরের সময়কালীন অর্থাৎ ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ১৫ই ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই সাড়ে পাঁচ মাসের বেতন আজ দেড় বছর হতে চললেও আমরা পাইনি। বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের এই দীর্ঘসূত্রতা কয়েক হাজার সিএইচসিপি-র পরিবারকে আজ চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় সব ক্ষেত্র থেকে বৈষম্য দূর করা এবং মেহনতি মানুষের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, বর্তমান সরকারের মেয়াদের আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকলেও আমাদের এই সাড়ে পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি বা কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। যেখানে এই সরকার সংস্কার ও অধিকার আদায়ের কথা বলছে, সেখানে স্বাস্থ্যসেবার সম্মুখ সারির যোদ্ধাদের কেন প্রাপ্য বেতনের জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হবে? কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতা আমাদের ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করছে।

জুলাই পরবর্তী ভয়াবহ বন্যার দিনগুলোতে আমরা সিএইচসিপি- রা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে কাজ করেছি। কোমর সমান পানি ডিঙিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে গর্ভবতী মা ও শিশুদের জরুরি সেবা পৌঁছে দিয়েছি। যখন দেশের মানুষের পাশে থাকা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল, আমরা এক মুহূর্তের জন্যও দায়িত্ব থেকে পিছুপা হইনি। কিন্তু আজ যখন আমাদের ন্যায্য পাওনার কথা আসে, তখন কেন এই নীরবতা? আমাদের ত্যাগ আর হাড়ভাঙা খাটুনির প্রতিদান কি তবে কেবল বকেয়া বেতনের দীর্ঘ দীর্ঘশ্বাস?

আমরা বিশ্বাস করি, নতুন বাংলাদেশের মূল ভিত্তি হওয়া উচিত ন্যায়বিচার। বর্তমান সরকারের মেয়াদের এই শেষ সময়ে আমরা বিনীত কিন্তু জোরালো দাবি জানাচ্ছি— আমাদের বকেয়া সাড়ে পাঁচ মাসের বেতন দ্রুত ছাড়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আর্থিক নির্দেশনা প্রদান করা হোক। মেয়াদের শেষ মুহূর্তে হলেও সরকার সিএইচসিপি- দের মুখে হাসি ফুটিয়ে বৈষম্য নিরসনের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা। অধিকার আদায়ের জন্য আমাদের যেন আর র

Address

Tangail

Opening Hours

Monday 09:00 - 15:00
Tuesday 09:00 - 15:00
Wednesday 09:00 - 15:00
Thursday 09:00 - 15:00
Saturday 09:00 - 15:00
Sunday 09:00 - 15:00

Telephone

+8801717628119

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Uttor Tarotia Community Clinic,Gharinda Union,Tangail. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share