Dr.Tahmina's Ultrasound

Dr.Tahmina's Ultrasound প্রেগ্ন্যাসি ও আল্ট্রাসনোগ্রাম সম্পর্কিত বিভিন্ন পোষ্ট দেওয়া হয়। এছাড়া ইনবক্সে উওর দেয়া হয়।

Master the art of silence,even when there's a lot to be said 🙏For Appointment : 📞 01705474796
15/06/2026

Master the art of silence,
even when there's a lot to be said 🙏
For Appointment : 📞 01705474796

06/06/2025
⁉️জরায়ুর মুখ খুলছে কিনা, সেটা বোঝার কিছু সাধারণ উপসর্গ:-⚡ পেটের টান বা সংকোচন (Cramping or Contractions):-🔹ডাইলেশনের একট...
05/06/2025

⁉️জরায়ুর মুখ খুলছে কিনা, সেটা বোঝার কিছু সাধারণ উপসর্গ:-

⚡ পেটের টান বা সংকোচন (Cramping or Contractions):-
🔹ডাইলেশনের একটি প্রধান লক্ষণ হলো পেটে ব্যথা বা সংকোচন অনুভব করা। এটি মাসিকের ব্যথার মতো তীব্র হতে পারে এবং তলপেট বা পিঠের নিচের অংশে অনুভূত হয়। এই ব্যথা নিয়মিত বিরতিতে আসতে শুরু করে এবং ধীরে ধীরে এর তীব্রতা ও স্থায়িত্ব বাড়তে থাকে।

🧷 পেলভিকে চাপ অনুভব (Pelvic Pressure):-
🔹পেলভিক অঞ্চলে একটি ভারী বা নিচের দিকে নামার মতো অনুভূতি হতে পারে। এটি এমন মনে হতে পারে যেন শিশুর মাথা শ্রোণীচক্রে (pelvis) আরও নিচে নেমে আসছে, যা জরায়ুমুখের উপর চাপ সৃষ্টি করে।

💦 পানি ভাঙা (Water Breaking):-
🔹গর্ভাবস্থার থলির ভেতরের পানি (অ্যামনিওটিক ফ্লুইড) ভেঙে যাওয়া ডাইলেশনের একটি স্পষ্ট লক্ষণ। এটি হঠাৎ করে অনেকটা পানি গড়িয়ে পড়ার মতো হতে পারে, অথবা ধীরে ধীরে চুঁইয়ে পড়ার মতো অনুভব হতে পারে। যদি এমনটা হয়, অবিলম্বে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

🩸রক্তযুক্ত স্রাব (Bloody Show):-
🔹ডাইলেশনের সময় জরায়ুমুখ প্রসারিত হওয়ার ফলে ছোট রক্তনালীগুলো ফেটে যেতে পারে, যার ফলে হালকা গোলাপি বা রক্ত মিশ্রিত মিউকাস জাতীয় স্রাব দেখা যেতে পারে। এটি সাধারণত প্রসবের কয়েক দিন আগে বা প্রসব শুরু হওয়ার ঠিক আগে দেখা যায়।

🔁 নিয়মিত সংকোচন (Regular Contractions):-
🔹প্রকৃত প্রসব ব্যথার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো নিয়মিত সংকোচন। ব্যথাগুলো একটি নির্দিষ্ট ছন্দে আসে, বেশি সময় ধরে স্থায়ী হয় এবং ঘন ঘন হতে থাকে। এই সংকোচনগুলো সাধারণত হাঁটাচলার সাথে কমে না, বরং বাড়তে পারে।

⏱️ সময় হিসাব গুরুত্বপূর্ণ (Timing Matters):-
🔹সংকোচন শুরু হলে তার সময় হিসাব করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি জনপ্রিয় নিয়ম হলো "৫-১-১ নিয়ম":
🔸প্রতি ৫ মিনিটে ব্যথা আসে।
🔸প্রতিটি ব্যথা ১ মিনিট ধরে চলে।
🔸এই ধরনের সংকোচন একটানা ১ ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে। যদি এমনটা হয়, তাহলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগের সময় হয়েছে।

🚶 পিঠের ব্যথা (Back Pain):-
🔹অনেক সময় ডাইলেশনের লক্ষণ হিসেবে নিচের দিকে পিঠে লাগাতার ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এই ব্যথা তলপেটের ব্যথার পাশাপাশি বা স্বতন্ত্রভাবেও দেখা যেতে পারে এবং এটি সংকোচন শুরু হওয়ার ইঙ্গিত দিতে পারে।

🫄 জরায়ুমুখ নরম হওয়া (Cervix Softening):-
🔹জরায়ুমুখ প্রসবের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সময় নরম হতে শুরু করে। এটি মায়ের পক্ষে নিজে বোঝা কঠিন, কারণ অনেক সময় কোনো উপসর্গ ছাড়াও জরায়ুমুখ নরম হতে পারে। চিকিৎসকের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা যায়।

📏 ভিতরের পরীক্ষা (Internal Exam):-
🔹জরায়ুর প্রসারণের সঠিক পরিমাপ একমাত্র ডাক্তার বা মিডওয়াইফই অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ভুলভাবে করতে পারেন। তারাই বলতে পারবেন আপনার জরায়ুমুখ কতটুকু প্রসারিত হয়েছে।

🚑 নিশ্চিত না হলে ডাক্তারের কাছে যাবেন! (When Unsure, Call Your Provider!):-
🔹যদি আপনি উপরোক্ত লক্ষণগুলোর কোনটি অনুভব করেন এবং নিশ্চিত না হন যে আপনার প্রসব শুরু হয়েছে কিনা, তাহলে নিজেই অনুমান করে বসে থাকবেন না। কোনো সন্দেহ থাকলে দেরি না করে চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য সেবাদানকারীকে ফোন করুন এবং পরামর্শ নিন।

🤰 এই মূল্যবান তথ্যগুলো আপনার পরিচিত গর্ভবতী মায়েদের সাথে শেয়ার করুন এবং তাঁদের প্রসব যাত্রা সহজ করতে সাহায্য করুন!

Nipa

সিজারের পর পরবর্তী বাচ্চা নেওয়ার সঠিক সময়: (একটি গাইডলাইন) 🌟আপনি যদি সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে মা হয়ে থাকেন এবং এখন আ...
23/05/2025

সিজারের পর পরবর্তী বাচ্চা নেওয়ার সঠিক সময়: (একটি গাইডলাইন) 🌟

আপনি যদি সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে মা হয়ে থাকেন এবং এখন আবারও গর্ভধারণের পরিকল্পনা করছেন, তাহলে এই তথ্য আপনার জন্য! জানুন কতদিন অপেক্ষা করবেন, কেন করবেন এবং কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন—সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি।

⏳ কতদিন অপেক্ষা করবেন?
✅ ন্যূনতম সময়: ১৮ মাস (১.৫ বছর)
✅ আদর্শ সময়: ২৪ মাস (২ বছর)
✅ বিশেষ ক্ষেত্রে (একাধিক সিজার/জটিলতা): ৩৬ মাস (৩ বছর)

📌 কেন এই সময়?
* জরায়ুর দাগ (স্কার) শক্ত হওয়ার জন্য সময়: সিজারের পর জরায়ুতে যে দাগ (স্কার) তৈরি হয়, তা পুরোপুরি শক্ত হতে অন্তত ১.৫-২ বছর লাগে।
* ঝুঁকি কমায়:এই সময় অপেক্ষা করলে জরায়ু ফেটে যাওয়া (Uterine Rupture), প্রিম্যাচিউর বেবি বা প্লাসেন্টা সংক্রান্ত সমস্যা (প্ল্যাসেন্টা প্রিভিয়া, এক্রিয়েটা) এর ঝুঁকি কমে।
* মায়ের শরীর ফিরে পায় শক্তি: সিজার একটি বড় অস্ত্রোপচার, শরীরকে সুস্থ হতে সময় দিন!

⚠️ যথা সময়ের আগেই গর্ভবতী হলে কী করবেন?
যদি অনিচ্ছাকৃতভাবে ১৮ মাসের আগেই গর্ভধারণ হয়ে যায়, তাহলে:
🔹 তাড়াতাড়ি ডাক্তার দেখান।
🔹 অতিরিক্ত আল্ট্রাসাউন্ড দিয়ে জরায়ুর স্কার থিকনেস পরীক্ষা করান ।
🔹 বিশ্রাম ও কঠোর মনিটরিং এর প্রয়োজন হতে পারে।

💡 বিশেষ টিপস:
✔ গর্ভধারণের আগে:
- প্রি-কনসেপশন কাউন্সেলিং নিন
- ফলিক অ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট শুরু করুন
- জরায়ুর স্কার থিকনেস চেক করান (সোনোর মাধ্যমে)

✔ গর্ভাবস্থায়:
* হাই-রিস্ক প্রেগন্যান্সি কেয়ার নিন
* স্কার মনিটরিং করুন নিয়মিত ।

🚨 কখন আরও বেশি সতর্ক হবেন?
❌ যদি আগের সিজারে জটিলতা থাকে (ইনফেকশন, অতিরিক্ত রক্তপাত)
❌ ৩য় বা ৪র্থ সিজারের পর (ঝুঁকি বেশি!)
❌ বয়স ৩৫+ বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা (ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ)।

🎯 শেষ কথা:
"বেশি অপেক্ষা = কম ঝুঁকি"।
সবচেয়ে ভালো হয় আপনার গাইনি ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও ইতিহাস অনুযায়ী সঠিক সময় নির্ধারণ করা।

💖 সুস্থ মা = সুস্থ শিশু 💖

📌 শেয়ার করুন সব নতুন মায়েদের সাথে, যাতে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন!

Dr.Tahmina's Ultrasound

গর্ভাবস্থার সময় কাল (সপ্তাহ -মাস) কীভাবে গণনা করবেন।গর্ভাবস্থার সময়কাল সাধারণত ৪০ সপ্তাহ (২৮০ দিন) ধরা হয়, যা ৯ মাস ১০...
23/05/2025

গর্ভাবস্থার সময় কাল (সপ্তাহ -মাস) কীভাবে গণনা করবেন।

গর্ভাবস্থার সময়কাল সাধারণত ৪০ সপ্তাহ (২৮০ দিন) ধরা হয়, যা ৯ মাস ১০ দিন হিসেবে গণনা করা হয়। তবে, গর্ভাবস্থাকে মাস ও সপ্তাহে ভাগ করতে নিচের হিসাবটি সহজভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে:

গর্ভাবস্থার সপ্তাহ vs মাস (সরলীকৃত হিসাব):
১ম মাস (১–৪ সপ্তাহ)
২য় মাস (৫–৮ সপ্তাহ)
৩য় মাস (৯–১৩ সপ্তাহ)
৪র্থ মাস (১৪–১৭ সপ্তাহ)
৫ম মাস (১৮–২১ সপ্তাহ)
৬ষ্ঠ মাস (২২–২৬ সপ্তাহ)
৭ম মাস (২৭–৩০ সপ্তাহ)
৮ম মাস (৩১–৩৫ সপ্তাহ)
৯ম মাস (৩৬–৪০ সপ্তাহ)

১ম ট্রাইমেস্টার: ১-১৩ সপ্তাহ।
২য় ট্রাইমেস্টার: ১৪-২৬ সপ্তাহ।
৩য় ট্রাইমেস্টার: ২৭-৪০ সপ্তাহ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১. প্রথম দিন থেকে গণনা: গর্ভাবস্থার সপ্তাহ গোনা হয় শেষ মাসিকের প্রথম দিন (LMP) থেকে, নিষেকের দিন থেকে নয়।
২. প্রসবের সময়:
* ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হলে গর্ভধারণ টার্ম (পূর্ণকালীন) ধরা হয়।
* ৪২ সপ্তাহের পর গর্ভধারণ পোস্ট-টার্ম (অতিরিক্ত) হিসেবে বিবেচিত হয়।

মনে রাখুন:
- ১ মাস = ৪.৩ সপ্তাহ (প্রায়), তাই সঠিক হিসাবের জন্য সপ্তাহই প্রধান মানদণ্ড।
- অল্ট্রাসাউন্ড দ্বারা গর্ভকাল নির্ধারণ সবচেয়ে নির্ভুল (বিশেষ করে ৮-১৪ সপ্তাহে)।

উদাহরণ:
- ২০ সপ্তাহ = ৪ মাস ৩ সপ্তাহ (৫ম মাসে)।
- ৩০ সপ্তাহ = ৭ মাস ২ সপ্তাহ (৮ম মাসের শুরু)।

গর্ভাবস্থার যত্নে সপ্তাহ অনুযায়ী মনিটরিং জরুরি, কারণ ডাক্তাররা সপ্তাহের ভিত্তিতেই চেকআপ ও টেস্টের পরামর্শ দেন।

Appointment এর জন্য
+880 1705-474796 (Dr.Nipa)

Address

Tangail
1902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Tahmina's Ultrasound posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category