Dr Tasnim Jara

Site

Dr Tasnim Jara Dr Tasnim Jara
MBBS (DMC), MSc with Distinction (Oxford), MRCP (UK), DRCOG (UK), AFHEA (UK)

Co-Founder, Shohay Health

ডা. তাসনিম জারা যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজের একজন চিকিৎসক ও “সহায় হেলথ”-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা।

তিনি বাংলাদেশের শীর্ষ মেডিকেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে, উচ্চতর পড়াশোনা করতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং সেখান থেকে সর্বোচ্চ ফলাফল (ডিসটিঙ্কশন) অর্জন করে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি যুক্তরাজ্যের রয়্যাল কলেজ অফ অবস্টেট্রিশিয়ান এবং গাইনোকোলজিস্ট থেকে ডিআরসিওজি ডিগ্রি অর্জন করেছেন, এটি নারীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রদান করা হয়।

ভ্যাকসিন নিয়ে সচেতনতায় অসামান্য অবদান রাখায় যুক্তরাজ্য সরকার ডা. তাসনিম জারাকে ‘ভ্যাকসিন লুমিনারি’ নামক বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন। তার কাজ নিয়ে বিবিসি, টাইমস, স্কাই নিউজ, ইয়াহু ও দ্যা ফিনান্সিয়াল টাইমসের মতো আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংবাদ প্রচার করেন। তিনি ২০২৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফাইডি (Fide) হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

ডা. তাসনিম জারা বর্তমানে বিশ্বখ্যাত কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ইন্টারনাল মেডিসিনে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে কাজ করছেন এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র ক্লিনিক্যাল সুপারভাইজার হিসেবে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের পড়ান। তিনি যুক্তরাজ্যের হায়ার এডুকেশন একাডেমির একজন সহযোগী ফেলো। তার গবেষণাপত্র বিশ্ববিখ্যাত জার্নালগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তিনি সাজিদা ফাউন্ডেশনের ইনস্টিটিউশনাল রিভিউ বোর্ডের একজন সদস্য।

ডা. তাসনিম জারা সহজ বাংলায় ভিডিও তৈরির মাধ্যমে মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তুলতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন৷ বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষ নিয়মিত তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ভিডিওগুলো দেখেন। এ পর্যন্ত তার ভিডিওগুলি এক বিলিয়ন মিনিটেরও বেশি সময় ধরে দেখা হয়েছে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে ১ কোটিরও বেশি মানুষ ফলো করেন।


Dr Tasnim Jara
MBBS (DMC), MSc (Oxford), MRCP (UK), DRCOG (UK), AFHEA (UK)

Co-Founder, Shohay Health
Fide, World Health Organization
Senior Clinical Supervisor (Undergraduate), University of Cambridge
Internal Medicine Resident, Cambridge University Hospitals

This page is for informational purposes only. It is not intended to be a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. Always seek the advice of your doctor with any questions you may have regarding medical conditions or health problems. Reliance on any information provided on this page is solely at your own risk.

ভালো সিদ্ধান্ত। এখন আইনগত প্রক্রিয়া মেনে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন।
01/10/2026

ভালো সিদ্ধান্ত। এখন আইনগত প্রক্রিয়া মেনে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার হওয়া প্রয়োজন।

আপডেটগতকাল দাবি তুলেছিলাম, মিরপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া রাড্ডা ক্লিনিকে যাঁরা টিকা নিতে আসছেন, তাঁদের বাইরে খোলা জায়গায় বস...
28/09/2026

আপডেট

গতকাল দাবি তুলেছিলাম, মিরপুরে গুঁড়িয়ে দেওয়া রাড্ডা ক্লিনিকে যাঁরা টিকা নিতে আসছেন, তাঁদের বাইরে খোলা জায়গায় বসে টিকা নিতে হচ্ছে। ফলে অনেক নারী সবার সামনে বাহুর ওপরের অংশে টিকা নিতে সংকোচ বোধ করছেন। আর গর্ভকালীন কিছু চেকআপ এই অবস্থায় করাই সম্ভব না। তাই বলেছিলাম, ক্লিনিকের গেট খুলে যে দুইটা রুম এখনো ব্যবহারযোগ্য আছে, সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীদের বসতে দিতে।

আজ দেখলাম সেটা করা হয়েছে। যাঁরা দ্রুত এই ব্যবস্থা নিয়েছেন, তাঁদের ধন্যবাদ।

সঙ্গে আরও তিনটা দাবি তুলেছিলাম। এগুলো পূরণ করা সরকারের জন্য কঠিন কিছু না।

১. ওষুধ: এই কেন্দ্র থেকে ওষুধ লুট হয়েছে, ফলে অনেকে এখানে এসে ওষুধ পাচ্ছেন না। দ্রুত ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে।

২. স্বল্প মূল্যে আলট্রাসাউন্ড: এই কেন্দ্রে মাত্র ৫০০-৬০০ টাকায় আলট্রা করা যেত। কিছু প্রাইভেট হাসপাতালে একই আলট্রা করতে ১৬০০ টাকাও লাগে। তাই বলেছিলাম, সরকার কাছের কোনো প্রাইভেট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করুক, যাতে রাড্ডা থেকে কাউকে পাঠালে সেখানে অন্তত আগের মতো ৫০০-৬০০ টাকাতেই আলট্রা করানো যায়।

৩. টিকার তথ্য: হারানো টিকার তথ্য আবার গোছানোর উদ্যোগ নিতে বলেছিলাম। অনেক অভিভাবক টিকার কার্ড হারিয়ে ফেলেন, বা পরের টিকার তারিখ খেয়াল রাখেন না। তাঁরা ক্লিনিক থেকে ফোন আসার অপেক্ষায় থাকেন। সেই রেকর্ড এখন নেই। এই শিশুরা সময়মতো টিকা না পেলে সেটা আমাদের সব শিশুর জন্যই খারাপ পরিণতি বয়ে আনতে পারে।

সরকারকে অনতিবিলম্বে এগুলোও করতে হবে।

ঘটনার কয়েক দিন পার হয়ে গেল। সংবাদপত্রে আমরা দেখেছি, এই ঘটনায় বিএনপির একজন সংরক্ষিত আসনের এমপির সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে তদন্তের কোনো আপডেট চোখে পরে নি। রাজধানীর মাঝখানে কয়েক ঘণ্টা ধরে একটা ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হলো। এই বিষয়ের প্রাথমিক তদন্ত করতে কয়েক মাস লাগার কথা না। আমরা তদন্তের আপডেট কবে পাবো। আপনারা যদি শুধু কয়েকজন ভাড়াটে লোক ধরে মূল হোতাদের আড়াল করার চেষ্টা করেন, সেটার পরিণতি ভালো হবে না।

27/09/2026

মিরপুরে গুঁড়িয়ে দেয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র

26/09/2026

মিরপুরে যে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে তা নিয়ে সরকারের কাছে কিছু প্রশ্ন।

এই প্রতিষ্ঠানটা পঞ্চাশ বছর ধরে মিরপুরের গরিব মা আর শিশুদের সেবা দিয়ে আসছে। নামমাত্র খরচে ওনারা এটা করেন।

গত কয়েক বছর আমার কাজের বড় অংশ গেছে মা আর শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে। সেখান থেকে কয়েকটা জিনিশ বারবার মাথায় আসছে।

টিকা ঠিক তাপমাত্রায় না রাখলে নষ্ট হয়ে যায়। যে টিকাগুলো ফ্রিজ থেকে বের করা হয়েছে বা মেঝেতে পড়ে আছে, সেগুলো আর কোনো শিশুকে দেওয়া যাবে না।

টিকার রেজিস্টার লুট হয়েছে। এই রেজিস্টার খাতায় লেখা থাকে কোন শিশু কোন টিকা পেয়েছে, কোনটা বাকি। খাতা না থাকলে অনেক শিশুর পরের ডোজ মিস হবে, কেউ খোঁজও পাবে না।

আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন দুটো নেই। এই এলাকার যে গর্ভবতী মা প্রাইভেট ক্লিনিকে টাকা দিয়ে আলট্রাসাউন্ড করাতে পারেন না, তিনি এখন কোথায় যাবেন?

এই সপ্তাহেই সেখানে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা ছিল। এ বছর হাম নিয়ে এত উদ্বেগের মধ্য আছি আমরা। অথচ টিকা শুরুর আগের রাতে টিকাদান কেন্দ্রটাই গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো।

সরকারের কাছে আমার কয়েকটা প্রশ্ন।
১. থানা থেকে মাত্র এক কিলোমিটারের মধ্যে দুইশো মানুষ ভারী মেশিন নিয়ে একটা স্বাস্থ্যকেন্দ্র মাটিতে মিশিয়ে দিল। ডিএমপি কমিশনার নিজেই বলেছেন, এটা আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টার কাজ না, সময় নিয়ে করা হয়েছে। কেন্দ্রের লোকজন পুলিশকে খবরও দিয়েছিলেন। তাহলে পুলিশ তখন কী করছিল? মানুষ আপনাদের ভরসায় কীভাবে থাকবেন?

২. আগেও এই জায়গা দখলের চেষ্টা হয়েছিল, তখন পারে নি। প্রথম আলো বলছে, ২০২৬ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আবার দখলের চেষ্টা শুরু হয়। আপনারা ক্ষমতায় আসলে দখলদাররা সাহস পায় কেন? আপনাদের দলের কারা এদেরকে আস্কারা দেয়? এদেরকে বিচারের আওতায় না আনলে আপনাদের কোন অর্জনের অর্থ থাকবে না।

৩. এটা কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা? কুয়াকাটায় দোকান দখল, লালমনিরহাটে আদালতে বিচারাধীন জমি দখল, নারায়ণগঞ্জের বন্দরে পুলিশের সহযোগিতায় বাড়ি দখল, একের পর এক অভিযোগ এসেছে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের বিরুদ্ধে। জয়পুরহাটে দল এক নেতাকে বহিষ্কারও করেছে, সেটা ভালো। কিন্তু বহিষ্কার তো বিচারের বিকল্প না। আপনারা কি এই দখলদারি থামাতে চান, নাকি শুধু বহিষ্কার আর বিবৃতি দিতে চান?

8. লুট হয়েছে সরকারের ইপিআই টিকা, সরকারের টিকার রেজিস্টার। মানে এটা শুধু একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি না, এটা সরকারের নিজের টিকাদান কর্মসূচির ওপর হামলা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই এলাকার শিশুদের জন্য এখন কী করছে? কোন শিশুর কোন টিকা বাকি, সেটা খুঁজে বের করার দায়িত্ব কে নেবে?

মাননীয় মন্ত্রী, মানুষ শুধু মুখের কথায় সব পেছনে ফেলে ফিরে আসবে না। সে আশা করাও ঠিক হবে না। আপনি কর্মক্ষেত্র তৈরি করুন, ...
25/09/2026

মাননীয় মন্ত্রী, মানুষ শুধু মুখের কথায় সব পেছনে ফেলে ফিরে আসবে না। সে আশা করাও ঠিক হবে না। আপনি কর্মক্ষেত্র তৈরি করুন, আপনাকে আর তাঁদের ডাকতে হবে না। ওনারা আপনা আপনি চলে আসবেন।

যা যা করা আপনার ক্ষমতার মধ্যে আছে, তার কয়েকটা উদাহরণ দেই।

এক.
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেশ-বিদেশে সকলের জন্য খুলে দিন। গবেষণা, পাবলিকেশন, পড়ানোর অভিজ্ঞতা আর ভবিষ্যৎ গবেষণার পরিকল্পনা দেখে নিয়োগ দিন। প্রার্থী কোন দল করেন, কার আত্মীয়, তাঁর হয়ে কে ফোন করলেন, এসব প্রশ্ন যেন সেখানে জায়গা না পায়।

আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক নিয়োগ দলীয় বিবেচনা আর তদবিরের মাধ্যমে হয়, সেটা তো আপনার না জানার কথা না। বিদেশে দশ বছর গবেষণা করা একজন তরুণ যদি মনে করেন তাঁর সেই দশ বছর একটা রাজনৈতিক পরিচয়ের কাছে হেরে যাবে, তিনি কেন দেশে ফেরার ঝুঁকি নিবেন?

বেতন বিদেশের সমান করতে হবে না। আমি ব্যক্তিগতভাবে দুজনকে চিনি, যাঁরা অক্সফোর্ডে পড়াশোনা শেষে কেমব্রিজে পিএইচডি ও পোস্টডক করেছেন, এবং এখন দেশে ফিরে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে যাচ্ছেন। ওনারা যুক্তরাজ্যের বেতনের আশায় ফিরছেন না। সম্মানজনক কাজের পরিবেশ পেলে মানুষ কম বেতনেও ফেরে। তবে বেতন অন্তত এতটুকু হতে হবে, যাতে সংসার চালাতে একজন শিক্ষককে তিন জায়গায় খণ্ডকালীন ক্লাস নিতে না হয়।

দুই.
গবেষণাকে শিক্ষকের মূল কাজ বানান, আর সেই কাজের জন্য ল্যাবে যথাযথ বরাদ্দ দিন। একজন দক্ষ সার্জনও ভোঁতা ছুরি হাতে ভালো অপারেশন করতে পারেন না। আমাদের ল্যাবগুলোর যে অবস্থা, তাতে একজন গবেষক যত মেধাবীই হোন, এমন অনেক কিছু তিনি আবিষ্কার করতে পারবেন না, যা ভালো সুবিধা পেলে পারতেন। বরাদ্দ দিন, গবেষকেরা প্রপোজাল লিখে ফেয়ার প্রসেসে সেখান থেকে ফান্ড পাবেন। সেই ফান্ড দিয়ে যাঁরা ভালো রিসার্চ আউটপুট দিতে পারবেন, নিয়োগে তাঁরা এগিয়ে থাকবেন।

তিন.
দেশে ফেরা গবেষকদের জন্য শুরুতে কিছু ফান্ড রাখুন। বাইরের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নতুন শিক্ষককে প্রথম কয়েক বছরের জন্য একটা স্টার্ট-আপ ফান্ড দেয়, যা দিয়ে তিনি ল্যাব সাজান, একজন রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট নেন। ফিরে এসে যদি প্রথম দুই বছর যন্ত্রপাতির পেছনে দৌড়াতেই চলে যায়, মানুষটা হতাশ হয়ে আবার বাইরে চলে যাবেন।

চার.
একজন গবেষক একা একা কিছু করতে পারেন না, তাঁর একটা দল লাগে। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তিসহ পিএইচডি ও পোস্টডক পদ তৈরি করুন। তাহলে যিনি ফিরবেন তিনি একটা টিম গড়তে পারবেন, আর দেশে ভালো মানের পিএইচডি করার সুযোগ তৈরি হবে।

পাঁচ.
পদোন্নতির সময় কে কত সিনিয়র, তার চেয়ে কে কী কাজ করেছেন সেটা দেখুন। কে কত ভালো গবেষণা করলেন, কত ভালো পড়ালেন, কতজন শিক্ষার্থী তৈরি করলেন, এসব দেখে পদোন্নতি হলে মানুষ বুঝবেন এখানে পরিশ্রমের দাম আছে। আর ক্লাসের চাপ এমন রাখুন, যাতে গবেষণার সময়টুকু থাকে।

ছয়.
গবেষণার স্বাধীনতা নিশ্চিত করুন। গবেষণার ফল সরকারের পছন্দ না হলেও কোনো গবেষককে যেন হয়রানির ভয় পেতে না হয়। আর যতদিন শিক্ষক রাজনীতির দলীয় প্যানেল ঠিক করবে কে নিয়োগ পাবেন, কে পদোন্নতি পাবেন, কে প্রশাসনিক পদে বসবেন, ততদিন কোনো দল না করা মেধাবী মানুষ এখানে নিজেকে নিরাপদ ভাববেন না।

সাত.
যাঁরা এখনই ফিরতে পারছেন না, তাঁদেরও কাজে লাগান। ফেরা মানেই সব ছেড়ে একবারে চলে আসা না। ভিজিটিং প্রফেসর, জয়েন্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট, কো-সুপারভাইজার, ছুটিতে এসে কয়েক মাস পড়ানো, এমন সুযোগ থাকলে বাইরে থেকেও তাঁরা দেশের কাজে লাগবেন। আর এই যোগাযোগ থেকেই অনেকে একদিন পুরোপুরি ফিরে আসবেন। ফেরার পথের ছোট ঝামেলাগুলোও দূর করুন।

আট.
শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো না, আপনার মন্ত্রণালয়ের অধীনেই আরও অনেক জায়গায় এই মানুষদের দরকার। কারিকুলাম আর পাঠ্যবই বানানো, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি ঠিক করা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, শিক্ষানীতি তৈরি, এসব জায়গায় তাঁদের কম্পিট করার সুযোগ তৈরি করুন। সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা থেকে স্পিনাউট কোম্পানি করার পথ সহজ করুন, যাতে গবেষকের আবিষ্কার রিয়াল লাইফে সমাধান নিয়ে আসে আর তিনি নিজেও তার একটা ন্যায্য শেয়ার পান। যেমন অক্সফোর্ডের কোভিড ভ্যাক্সিন আবিষ্কার থেকে Vaccitech কোম্পানি প্রতিষ্ঠা হয়। BioNTech প্রতিষ্ঠা হয় জার্মানির University of Mainz থেকে।

নয়.
বিদেশে থাকা মানুষ ফেরার আগে দেখেন, দেশে থাকা মানুষের কাজের দাম আছে কি না। দেশে যাঁরা আছেন তাঁদের মূল্য দিন, বাইরে যাঁরা আছেন তাঁরাও ফিরতে চাইবেন।

আহ্বানের জন্য ধন্যবাদ। তবে আপনার আহ্বান আন্তরিক কি না, তা বোঝা যাবে আপনি সুযোগ তৈরি করেন কি না, সেটা দেখে।

04/09/2026

সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?

দেখলাম যাঁরা এই গ্রেপ্তারের বিপক্ষে লিখছেন তাঁদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সাথে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তাঁরা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাঁদের কোনো ভয় নাই। কারণ তাঁরা জানেন গালিটা তাঁরা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।

আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, 'দ্য ডিক্টেটর' সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।

সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।

25/08/2026

ছোটবেলায় কার্টুনে দেখতাম মানুষ পিঠে যন্ত্র বেঁধে আকাশে উড়ে বেড়ায়। গতকাল সেই জিনিসটাই চোখের সামনে দেখলাম। নিজেও গায়ে চড়ালাম।

গুগল আমাদের কয়েকজনকে সারা দিনের একটা আয়োজনে ডেকেছিল। প্রোডাক্ট ডেমো, গলফ, হেলিকপ্টার রাইড, আরও কিছু গেমস। দিনের যে অংশটা এখনো মাথা থেকে যাচ্ছে না, সেটা হলো Gravity-র জেট স্যুট।

পাঁচটা ছোট জেট ইঞ্জিন, যার দুই হাতে দুটো পড়তে হয়, পিঠে একটা। এটার কোনো জয়স্টিক বা স্টিয়ারিং নেই। পাইলট নিজের হাত দিয়েই ঠিক করেন কোন দিকে যাবেন। যাঁরা এটা তৈরি করেছেন, তাঁদের টিমের একজন একদম কাছ থেকে উড়ে দেখালেন। আমি উড়িনি, ওড়ার জন্য যে প্রশিক্ষণ লাগে তা আমার নেই। কিন্তু স্যুটটা গায়ে চড়ানোর সুযোগ হয়েছিল।

এটা দিয়ে কী কী করা যাবে, তা-ই ভাবছিলাম। ওনারা বললেন, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে উদ্ধারকাজে এটার ব্যবহার পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়েছে। অগ্নিনির্বাপণসহ আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে ব্যবহারের জন্যও তাঁরা কাজ করছেন।

আমার সঙ্গে সঙ্গে মনে হলো, জরুরি চিকিৎসায় এটা কত বড় অবদান রাখতে পারে। দুর্গম পাহাড়ি পথে যেখানে পৌঁছাতে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা লাগবে, সেখানে একজন চিকিৎসক দুই/তিন মিনিটে পৌঁছে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন।

এটা এখন সাড়ে তিন মিনিট চলতে পারে। সময়টা শুনতে খুব বেশি কিছু মনে হয় না। কিন্তু হার্ট অ্যাটাকের মতো জরুরি অবস্থায় অনেক সময় ওই সাড়ে তিন মিনিটই পুরো পার্থক্য গড়ে দেয়।

আজ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যার রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন।২০১৮ সালে আমার প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়।সে বছর নির্বাচ...
21/08/2026

আজ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যার রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন।

২০১৮ সালে আমার প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়।

সে বছর নির্বাচনের আগে উনি আমার মতো তরুণ ভোটারদের উদ্দেশে ভিডিও করেছিলেন। শুরু করেছিলেন এভাবে, "আপনারা যারা এবারে প্রথম ভোট দেবেন, তাদেরকে আমি কিছু বলতে চাই।"

মানুষটা সুবক্তা। রাজনীতিতে আসার আগে শিক্ষক ছিলেন, কথা শুনলে সেটা বোঝা যেত। সবাই বলছিল ভোট চুরি হবে। উনি বলেছিলেন, কেন্দ্রে গিয়ে দেখিয়ে দিন "আপনারাই দেশের মালিক", "ইউ ম্যাটার"।

ওনার কথা মনে করেই খিলগাঁওয়ে আমাদের কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়েছিলাম। সকালেই বুঝতে পারি কত বড় কারচুপি হচ্ছে।

এত কিছুর পরও উনি নিজের আসনে জিতেছিলেন। কিন্তু সংসদে যান নাই। কারচুপির ভোটে গড়া সংসদে তিনি বসতে চান নাই।

ক্ষমতার চেয়ার পেয়েও শুধু নীতির জন্য তা দুরে ঠেলে দিতে সবাই পারেন না। বরং ক্ষমতার চেয়ার পেতে সকল নীতি বিকিয়ে দেন। উনি এখানে অনন্য।

যে আওয়ামী লীগ সরকার তাঁকে শেষ করে দিতে চেয়েছিল, বার বার তাকে জেলে পাঠিয়েছে, তারা পনেরো বছরেও তাঁর নামে দুর্নীতির একটা মামলা দাঁড় করাতে পারেন নাই।

কোনোদিন মনে হয় নাই মানুষটা টাকা বানানোর জন্য রাজনীতিতে এসেছেন।

রাজনীতিতে আসার পর অনেক প্রবীণ মানুষের পরামর্শ চেয়েছি, রাজনীতির ভেতরের এবং বাইরের। স্যারের সাথে যতবার কথা হয়েছে, ওনার রাজনৈতিক জীবনের শিক্ষা নিয়ে জানতে চেয়েছি। অকপটে সব বলেছেন। কোন বইগুলো পড়া দরকার, নাম বলে দিয়েছেন। নিজের বই দিয়ে দিয়েছেন।

আমাদের রাজনীতির অঙ্গনে এমন মানুষ বেশি পাবেন না, যিনি আপনার সাথে বই নিয়ে কথা বলবেন, বা আপনাকে বই পড়তে দেবেন। কোন মানুষটা রাজনীতিকে কী মনে করেন, এই ছোট জিনিসগুলোতেই সেটা ধরা পড়ে।

আজ তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বসলেন।

আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত হচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলের সময়। এই পদটা সেই মুহূর্তগুলোর বড় বড় সংকটের কেন্দ্রে ছিল। আবার এই পদটাই কোনো কোনো সময়ে দেশকে স্থিতিশীলতা দিয়েছে। পার্থক্যটা তৈরি হয়েছে চেয়ারে বসা মানুষটার চরিত্র কেমন, তার উপর।

আমার বিশ্বাস ওনার কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি পদটার সম্মান, মর্যাদা আর রাষ্ট্রে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। মানুষটাকে যতটুকু জেনেছি, আশা রাখতে চাই।

আজ থেকে তিনি আর তাঁর দলের কেউ না। বাংলাদেশের।

13/08/2026

সরকার বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

অর্থাৎ আপনার এলাকায় বিদ্যুতের যে তার আসে, বাসায় যে মিটার বসে, মাস শেষে যে বিল আসে, এই সব নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে প্রাইভেট কোম্পানির হাতে।

চাল-ডাল কিনতে গিয়ে এক দোকানে দাম বেশি রাখলে আপনি পাশের দোকান থেকে ন্যায্য দামে কেনেন। এই ভয়েই দোকানদার ন্যায্য দাম রাখেন। বিদ্যুতের বেলায় কি সে উপায় থাকবে?

থাকবে না। আপনার এলাকায় বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য চারটা কোম্পানি চার সেট খুঁটি আর তার টেনে রাখবে না, যে আপনি দেখেশুনে বেছে নেবেন কে কম দামে ভালো সেবা দেয়, ঝড়বৃষ্টিতে কার লাইন আগে ফেরে। তার থাকবে একটাই। সেই তারের মালিক যে কোম্পানি, বিদ্যুৎ আপনাকে তার কাছ থেকেই নিতে হবে।

এখন চিন্তা করুন, আপনার মহল্লায় যদি একটামাত্র চাল-ডালের দোকানের অনুমতি থাকে, দ্বিতীয় দোকান খোলাই নিষেধ, সেই দোকানদার কি দাম কমাবেন? কমাবেন না।

---

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, পৃথিবীর কোনো দেশে কি বিদ্যুৎ প্রাইভেট কোম্পানির হাতে নাই? আছে। কিন্তু সেখানে কঠিন নিয়ন্ত্রক সংস্থা থাকে। ব্যবসাগুলো যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ হচ্ছে জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা, এবং তারা সেটা স্বাধীনভাবে করেন।

যেমন ব্রিটেনে ঝড়ে লাইন গেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে না ফেরালে তারের কোম্পানি গ্রাহককে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকে। এটা গ্রাহককে চাইতে হয় না, কোম্পানিকে নিজে পাঠাতে হয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এটা নিশ্চিত করে।

আরেকটা উদাহরণ: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বছরের পর বছর প্রকাশ্যে দাবি করে গেছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমাক। নিজের বসানো গভর্নরকে গালমন্দ করেছেন, বরখাস্তের হুমকি দিয়েছেন। কাজ হয় নাই।

একটু মনে করার চেষ্টা করুন, আমাদের দেশে কবে, কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা সরকারের মুখের উপর "না" বলেছে? মনে পড়বে না। বরং উল্টোটা মনে পড়বে।

---

বিদ্যুৎ সরকারের হাতে থাকলে তবু ব্যর্থতা কোথায় হচ্ছে সেটা আপনি জানেন। লোডশেডিং হলে, বিল অস্বাভাবিক আসলে সরকারের দায় থাকে। নির্বাচনে হারার ভয় থাকে।

প্রাইভেট কোম্পানির বেলায় সেই পথও বন্ধ। সে আপনার ভোটে নির্বাচিত না, ভোট দিয়ে তাকে সরানোও যাবে না। বাজারে তার প্রতিদ্বন্দ্বীও নাই যে আপনি পাশের দোকানে চলে যাবেন।

আর এই চুক্তিগুলো হয় বিশ-পঁচিশ বছরের জন্য। একবার সই হয়ে গেলে সরকার বদলালেও চুক্তি বদলায় না।

অর্থাৎ সরকার এখন যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তার জন্য যুগের পর যুগ ধরে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হবে।

08/08/2026

পুরো ভিডিওটা দেখবেন। ছোট্ট এই ভিডিওতে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে দিয়েছে।

Endereço

Estadio Do Pacaembu
São Paulo, SP
01234-010

Notificações

Seja o primeiro a saber: enviaremos um e-mail para você quando Dr Tasnim Jara publicar novidades e promoções. Seu endereço de e-mail não será usado para nenhum outro fim, e você pode cancelar a inscrição a qualquer momento.

Atalhos

Compartilhar

Categoria