27/05/2026
-: খোলা চিঠি :-
প্রতি:
মাননীয় সভাপতি শ্রী নীতিন নবীন এবং মাননীয় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শ্রী শমীক ভট্টাচার্য মহাশয় সমীপেষু,
বিষয়: পুরাতন কর্মীদের সুরক্ষা প্রদান।
মহাশয়, বিনীত নিবেদন এই যে, আমি ডাঃ সুকুমার এমকে ঘোষ, সভাপতি কমিউনিটি হিউম্যান রাইটস, বর্তমান ঠিকানা- ফালাকাটা, জেলা- আলিপুরদুয়ার কিছু বলছি।
(১) ছিলো না কোনো পদের প্রলোভন;
ছিলো শুধু জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী একটা মন।
কেউ ৬ই এপ্রিল ১৯৮০ থেকে;
অথবা গত বিধানসভা নির্বাচন ২৭শে মার্চ ২০২১ এর আগে।
ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন;
ছিলো শুধু মাননীয় অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং শ্রী লালকৃষ্ণ আদভানির প্রতি সম্মান।
(২) পশ্চিমবঙ্গে, তৃণমূল পার্টি ক্ষমতায় আসার পরে, বিশেষ করে;
দ্বিতীয় দফা ২০১৬ থেকে তৃতীয় দফা ২০২১ পর্যন্ত বিজেপি কর্মীদের উপর অকথ্য অত্যাচার নেমে আসে।
(৩) কতজন কর্মী ঘরছাড়া! কতজন জেলের ঘানি টেনে টেনে, ক্লান্ত! তার সঠিক হিসাব মিলবে না;
তবু তাদের জাতীয়তাবাদে কোনো আঘাতই যথেষ্ট ছিল না।
(৪) ৪ঠা মে ২০২৬ তাঁরাই পেরেছে একটু মনখুলে হাসতে;
এতদিনের প্রকাশ্য অত্যাচার কিভাবে সম্ভব, চেপে রাখবে?
তাই অতি উৎসাহী হয়ে, কেউ হয়তো একটু আনন্দে মেতেছে;
কিন্তু, এবার হারলে বিজেপি এবং জিতলে তৃণমূল, 'কি হতো', সেই অঙ্কটা কে মিলিয়েছে?
(৫) পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজয়, তারপরে ছিল নেতৃত্বের কঠোর পদক্ষেপ;
কোনোভাবেই অত্যাচারী, দুর্নীতিপরায়ণ তৃণমূল কর্মীদের পাত্তা দেবে না এই দল।
(৬) এখন, 'ভালো' এবং 'মন্দ তৃণমূল'! এটা কিভাবে মানতে পারে, সেই দিনের সেই অত্যাচারীত কর্মীদের মন?
যারা দুর্দিনে ছিল, আজও আছে। এদের মর্যাদা দিলেই পায়ের তলায় থাকবে তৃণমূল।
(৭) চোর চরি করবে, অত্যাচারী অত্যাচার করবে;
হয়তো পরিস্থিতির চাপে সাময়িক ভদ্রতার মুখোশ পরবে।
কিন্তু, কখনও ছাড়বে না, তাদের বিনা পুঁজির ব্যবসা;
মুখোশ পরে, ঘরে ঢুকে দখল করবে এ চেয়ারটা।
(৮) বর্তমান, লোকসভা ও রাজ্যসভায় হয়তো কিছু আসন কম;
তাই বলে, সেটা পুরণ করতে বিসর্জন দিতে হবে, নীতি ও আদর্শ সব!
(৯) যারা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে, ভোট দিয়েছেন এবং ভোট করিয়েছেন;
নেতা নয়, তাঁরাই দলের সম্পদ, 'উপলক্ষ্য হিসেবে নেতারা শুধু আছেন চেয়ারে'।
(১০) মহামান্য আদালতের আদেশ পালন হলে, রাজধর্ম অবশ্যই হবে রক্ষা;
হয়তো, বিড়ম্বনা বাড়বে, 'দিলে চোখবুজে পুলিশি ক্ষমতা'।
ডাঃ সুকুমার এমকে ঘোষ;
Community Human Rights.
Phone 9434855166.