Kaliputra Abadhut - কালীপুত্র অবধূত

  • Home
  • India
  • KOLKATA
  • Kaliputra Abadhut - কালীপুত্র অবধূত

Kaliputra Abadhut - কালীপুত্র অবধূত Exploring the rhythm of the cosmos-where science meets spirit, and mystery unfolds into enlightenment.

ভৈরবঃ কালস্য কালঃ, অন্ধকারে দীপবৎ প্রকাশমানঃ।ভৈরব কালেরও কাল। এখানে 'কাল' বলতে শুধু সময় বোঝায় না; মৃত্যু, ধ্বংস আর সৃষ...
29/08/2026

ভৈরবঃ কালস্য কালঃ, অন্ধকারে দীপবৎ প্রকাশমানঃ।

ভৈরব কালেরও কাল। এখানে 'কাল' বলতে শুধু সময় বোঝায় না; মৃত্যু, ধ্বংস আর সৃষ্টির অনিবার্য পরিণতির কথাও বলা হয়েছে। যে কাল সবকিছুকে গ্রাস করে, ভৈরব তারও অতীত।

তবে তাঁর রূপ শুধুই সংহার বা ভয়ের নয়। “অন্ধকারে দীপবৎ প্রকাশমানঃ”—অর্থাৎ নিশ্ছিদ্র অন্ধকারের বুকেও তিনি প্রদীপের মতো জ্বলজ্বল করেন। চারপাশ যখন অজ্ঞতা আর অনিশ্চয়তায় ঘেরা, তখন ভৈরবই সেই অন্তর্নিহিত আলো হয়ে দেখা দেন।

সংহার ও মুক্তি, অন্ধকার ও আলো—এই বৈপরীত্যগুলো ভৈরবের সত্তায় একাকার। অন্ধকার যত গভীর হয়, প্রদীপের শিখা ঠিক ততটাই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মানুষের জীবনেও যখন চরম সংকট আর ভয় ঘনিয়ে আসে, তখনই ভৈরব-তত্ত্বের আসল উপলব্ধি ঘটে। তিনি কেবল ভয়ংকর কোনো সংহারক নন; ভৈরব অন্ধকারকে অস্বীকার করে জোর করে আলো আনেন না, বরং সেই অন্ধকারের বুকেই দীপের মতো জ্বলে প্রমাণ করেন যে, ভেতরের আলো কখনো সম্পূর্ণ নিভে যায় না।

রত্ন নয়, জীবনের বাস্তব পরিবর্তনই মানুষকে সত্যিকার অর্থে বদলে দেয়।ভাগ্য আপনার জীবনে সুযোগের দরজা খুলতে পারে, কিন্তু সেই...
28/08/2026

রত্ন নয়, জীবনের বাস্তব পরিবর্তনই মানুষকে সত্যিকার অর্থে বদলে দেয়।

ভাগ্য আপনার জীবনে সুযোগের দরজা খুলতে পারে, কিন্তু সেই দরজা দিয়ে আপনাকেই হাঁটতে হবে। ভাগ্য + চেষ্টা = ফলাফল। আপনি যত দামি রত্নই পরুন না কেন, যদি আপনার কর্ম, চিন্তাভাবনা ও আচরণে পরিবর্তন না আসে, তাহলে জীবনে ভালো কিছু স্থায়ীভাবে ঘটবে না।

খারাপ কাজ করে শুধু রত্নের উপর ভরসা করলে কখনও সত্যিকারের উন্নতি সম্ভব নয়। রত্ন বিশ্বাসের অংশ হতে পারে, কিন্তু আপনার কর্ম, সিদ্ধান্ত, অভ্যাস এবং সঠিক সময়ে সঠিক চেষ্টা—এসবই ভাগ্যের সম্ভাবনাকে বাস্তব ফলাফলে পরিণত করে।

ভাগ্য পথ দেখাতে পারে, কিন্তু চেষ্টা সেই পথকে গন্তব্যে নিয়ে যায়।

বৃহস্পতিকে কেবল ভাগ্য বা ধনের কারক হিসেবে দেখলে তার মূল ভূমিকা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এর আসল কাজ হলো জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞত...
28/08/2026

বৃহস্পতিকে কেবল ভাগ্য বা ধনের কারক হিসেবে দেখলে তার মূল ভূমিকা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এর আসল কাজ হলো জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার ভেতর থেকে অর্থ ও শিক্ষা খুঁজে বের করা। জন্মছকে যেখানে বৃহস্পতি কাজ করে, সেখানে সে সবকিছুকে বড় করে তুলতে চায়—তবে সবসময় সরাসরি কিছু দিয়ে নয়, বরং জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, সঠিক পরামর্শ, নতুন সুযোগ এবং ভালো বোঝার ক্ষমতার মাধ্যমে। এটি শুধু বস্তুজাগতিক বস্তু বৃদ্ধি করে না, মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি, নৈতিকতা এবং ইতিবাচক মানসিকতার বিকাশ ঘটায়। জীবনের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া, সেই শিক্ষা থেকে বুদ্ধি তৈরি করা এবং সেই বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে উন্নতি করা—এটাই বৃহস্পতির গভীর কাজ। বৃহস্পতি কোনো অলৌকিক বরদাতা নয়; সে একজন ভেতরকার শিক্ষক, যে অভিজ্ঞতাকে সম্পদে পরিণত করতে শেখায়। সাময়িক বা অনায়াসে পাওয়া সাফল্য নয়, বরং নিজের ভুল শুধরে বিচক্ষণতার মাধ্যমে অর্জিত দীর্ঘমেয়াদী অগ্রগতিই বৃহস্পতির দান। সহজ কথায়, বৃহস্পতি শেখায়—অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নাও, শিক্ষা থেকে বুদ্ধি তৈরি করো, আর সেই বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে জীবনে এগিয়ে যাও।

চেতনা কি মস্তিষ্ক থেকে তৈরি, নাকি চেতনাই বাস্তবতার একটি মৌলিক অংশ?চেতনা বলতে আমরা বুঝি—আমি ভাবছি, অনুভব করছি, কিছু দেখছি...
25/08/2026

চেতনা কি মস্তিষ্ক থেকে তৈরি, নাকি চেতনাই বাস্তবতার একটি মৌলিক অংশ?

চেতনা বলতে আমরা বুঝি—আমি ভাবছি, অনুভব করছি, কিছু দেখছি, কিছু বুঝতে পারছি এবং নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন—এই পুরো অভিজ্ঞতাকে।

চেতনা আসলে কোথা থেকে আসে, সেটা নিয়ে বিজ্ঞান ও দর্শনে এখনও বিভিন্ন মত রয়েছে। সহজভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি দেখা যাক।

১. ফিজিক্যালিজম — মস্তিষ্ক থেকেই চেতনা আসে

এটি বিজ্ঞানের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত ধারণাগুলোর একটি।

সহজভাবে:

মস্তিষ্ক → স্নায়ুর কার্যকলাপ → চিন্তা ও অনুভূতি → চেতনা

অর্থাৎ আমাদের চিন্তা, স্মৃতি, অনুভূতি, ব্যক্তিত্ব এবং সচেতনতা—সবকিছুই মস্তিষ্কের অত্যন্ত জটিল বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত।

এর অনেক বাস্তব প্রমাণও রয়েছে।

যেমন:

অ্যানেস্থেশিয়া দিলে কিছু সময়ের জন্য চেতনা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
মস্তিষ্কে আঘাত লাগলে স্মৃতি, ব্যক্তিত্ব বা আচরণ বদলে যেতে পারে।
কিছু ওষুধ আমাদের অনুভূতি ও বাস্তবতাকে দেখার ধরন পরিবর্তন করতে পারে।
মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশে বৈদ্যুতিক উদ্দীপনা দিলে নির্দিষ্ট অনুভূতি তৈরি হতে পারে।

কিন্তু এখানেই একটি বড় প্রশ্ন:

মস্তিষ্কের বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক কার্যকলাপ কীভাবে "আমি অনুভব করছি"—এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়?

ধরুন, তুমি লাল রং দেখলে। বিজ্ঞান ব্যাখ্যা করতে পারে আলো কীভাবে চোখে ঢুকে স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো:

এই সংকেতের সঙ্গে "লাল রং দেখার অনুভূতি" কেন তৈরি হয়?

এটাই Hard Problem of Consciousness—চেতনার সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলোর একটি।

২. ডুয়ালিজম — মস্তিষ্ক ও চেতনা আলাদা

এই দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী:

মস্তিষ্ক ≠ চেতনা

মস্তিষ্ক হলো একটি ভৌত অঙ্গ, কিন্তু চেতনা হয়তো তার থেকে আলাদা কোনো বাস্তবতা।

দার্শনিক রেনে দেকার্ত এই ধরনের চিন্তার সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত।

এখানে মূল প্রশ্ন হলো:

চেতনা যদি মস্তিষ্কের ভৌত প্রক্রিয়া থেকে আলাদা হয়, তাহলে চেতনা ও মস্তিষ্কের মধ্যে যোগাযোগ কীভাবে হয়?

এই প্রশ্নটিও এখনও পুরোপুরি সমাধান হয়নি।

৩. প্যানসাইকিজম — চেতনা হয়তো বাস্তবতার মৌলিক বৈশিষ্ট্য

আরেকটি আকর্ষণীয় ধারণা হলো Panpsychism।

সাধারণভাবে আমরা ভাবি:

পদার্থ → জটিল মস্তিষ্ক → চেতনা

কিন্তু প্যানসাইকিজমের ধারণা হলো, হয়তো চেতনার একেবারে প্রাথমিক কোনো বৈশিষ্ট্য বাস্তবতার মৌলিক স্তরেই থাকতে পারে।

এর মানে এই নয় যে একটি ইলেকট্রন মানুষের মতো চিন্তা করে।

বরং ধারণাটি হলো—প্রকৃতির মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যেও হয়তো খুব প্রাথমিক কোনো ধরনের "অভিজ্ঞতার বৈশিষ্ট্য" থাকতে পারে। অত্যন্ত জটিলভাবে এগুলো সংগঠিত হলে মানুষের মতো চেতনা প্রকাশ পেতে পারে।

৪. অদ্বৈত বেদান্ত — চেতনা আরও মৌলিক

ভারতীয় দর্শনের অদ্বৈত বেদান্তে চেতনাকে অন্যভাবে দেখা হয়।

এখানে চিত্ বা চেতনা-কে বাস্তবতার একটি মৌলিক ভিত্তি হিসেবে দেখা হয়। ব্রহ্ম-এর ধারণার সঙ্গে এই চেতনার বিষয়টি গভীরভাবে যুক্ত।

খুব সহজভাবে তুলনা করলে:

Physicalism:

পদার্থ → মস্তিষ্ক → চেতনা

অর্থাৎ পদার্থ থেকে মস্তিষ্ক তৈরি হয় এবং মস্তিষ্কের কার্যকলাপের সঙ্গে চেতনার উদ্ভব ঘটে।

অদ্বৈত বেদান্ত:

চেতনা → মন ও জগতের অভিজ্ঞতা

অর্থাৎ চেতনা হয়তো আরও মৌলিক; আমরা মন ও জগতকে চেতনার মাধ্যমেই অনুভব ও উপলব্ধি করি।

এখানে একটি বিষয় মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ—একই প্রশ্নকে বিভিন্ন জ্ঞান-ব্যবস্থা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে পারে। তাই বিজ্ঞান, দর্শন, প্যানসাইকিজম বা বেদান্তকে একে অপরের সঙ্গে জোর করে এক করে দেখার দরকার নেই। প্রত্যেকটি চেতনার প্রকৃতি বোঝার জন্য আলাদা একটি দৃষ্টিভঙ্গি দেয়।

কুণ্ডলীর ৮ নম্বর ঘরটা হলো জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার গলি—যেখানে দেনা, সম্পর্কের ক্ষমতার লড়াই, যৌনতা, মানসিক ট্রমা আর অহংকার ভ...
18/08/2026

কুণ্ডলীর ৮ নম্বর ঘরটা হলো জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার গলি—যেখানে দেনা, সম্পর্কের ক্ষমতার লড়াই, যৌনতা, মানসিক ট্রমা আর অহংকার ভাঙার আসল খেলা চলে। ২ নম্বর ঘর যদি হয় আপনার নিজের ঘাম ঝরানো রোজগার, তবে ৮ নম্বর ঘর হলো অন্যের সাথে জড়িয়ে নিজের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হারিয়ে ফেলার জায়গা। আর এই অগ্নিকুণ্ডে যখন শনি, রাহু বা কেতুর মতো পাপগ্রহ এসে বসে, তখন জীবন আরও নির্দয়ভাবে পরীক্ষা নেয়:

​অন্যের পয়সা, দেনার ফাঁদ ও শনির ভোগান্তি: ব্যাঙ্ক লোন, পার্টনারের টাকা, ট্যাক্স বা পৈতৃক সম্পত্তি এই ঘরের আওতায় পড়ে। এখানে শনি বসলে টাকা-পয়সা বা সম্পত্তির পাওনা সহজে মেলে না, জুতো ক্ষয়ে যায়। দেনার বোঝা ঘাড়ে চেপে থাকে, দীর্ঘায়ু পেলেও সাথে ভোগায় দীর্ঘমেয়াদী ক্রনিক রোগ আর একাকীত্বের মরা হতাশা।

​সম্পর্কের নোংরামি, নিয়ন্ত্রণ ও রাহুর ঝড়: এটা বিছানার চরম বাস্তবতা আর উল্টোদিকের মানুষকে দাবিয়ে রাখার সাইকোলজি। এখানে রাহু থাকা মানে জীবনে যা খারাপ ঘটবে, সব ঝড়ের মতো আচমকা ঘটবে। রাতারাতি বড়লোক হওয়ার লোভে দেউলিয়া হওয়া, পরকীয়া বা অদ্ভুত যৌন জটিলতায় জড়ানো এবং গোপন স্ক্যান্ডাল ফাঁস হয়ে সামাজিক সম্মান ধুলোয় মেশার ঝুঁকি থাকে।

​মাটিতে আছাড়, রহস্য ও কেতুর বৈরাগ্য: এই ঘরটা মানুষের মিথ্যে দেমাক আর বিষাক্ত নির্ভরতা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়, যাতে সে একেবারে শূন্য থেকে নিজেকে তৈরি করতে বাধ্য হয়। এখানে কেতু থাকলে শরীরে এমন অদ্ভুত রোগ বাসা বাঁধে যা টেস্টেও ধরা পড়ে না। সম্পর্কের টান এক ঝটকায় কেটে যায়, তীব্র মানসিক শূন্যতা তৈরি হয় এবং পার্থিব বিষয় ছেড়ে মন ঝুঁকে পড়ে তন্ত্রমন্ত্র বা অতিপ্রাকৃতিক জগতের দিকে।

​সোজা হিসেব—৮ নম্বর ঘর কোনো মিষ্টি ফল দেয় না। শনি এখানে মানুষকে পিষে পিষে ধৈর্য শেখায়, রাহু ঠাঁটিয়ে চড় মেরে মোহভঙ্গ করায়, আর কেতু জোর করে বাস্তব থেকে বৈরাগ্য এনে ছাড়ে। এর ধাক্কা সামলানোর একটাই উপায়—অহংকার ছেড়ে রূঢ় বাস্তবকে মেনে নেওয়া এবং যেসব মরা সম্পর্ক বা পরিস্থিতি শেষ হয়ে যাওয়া দরকার, সেগুলোকে জোর করে টিকিয়ে না রেখে শেষ হতে দেওয়া।

জন্ম নক্ষত্র বনাম লগ্নপতির নক্ষত্রবৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে একজন মানুষের চরিত্র, মানসিকতা ও জীবনপ্রবাহ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে জ...
30/07/2026

জন্ম নক্ষত্র বনাম লগ্নপতির নক্ষত্র

বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রে একজন মানুষের চরিত্র, মানসিকতা ও জীবনপ্রবাহ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে জন্ম নক্ষত্র এবং লগ্নপতির নক্ষত্র—উভয়েরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে এদের বিচারক্ষেত্র ভিন্ন। তাই একটি কুণ্ডলী বিশ্লেষণ করতে হলে এই দুই বিষয়কে আলাদাভাবে এবং পরে সমন্বিতভাবে বিচার করা প্রয়োজন।

জন্ম নক্ষত্র বলতে জন্মের সময় চন্দ্র যে নক্ষত্রে অবস্থান করে তাকে বোঝায়। চন্দ্র মনের কারক গ্রহ। ফলে জন্ম নক্ষত্র মানুষের মন, আবেগ, চিন্তাধারা, মানসিক প্রবণতা, অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং অন্তর্নিহিত স্বভাবের প্রধান নির্দেশক। একজন ব্যক্তি ভেতরে কী অনুভব করেন, কীভাবে চিন্তা করেন এবং মানসিকভাবে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানান—এসব বিষয়ে জন্ম নক্ষত্র বিশেষ প্রভাব ফেলে।

অন্যদিকে, লগ্ন মানুষের শরীর, ব্যক্তিত্ব, স্বাস্থ্য, জীবনধারা এবং সমাজে নিজেকে প্রকাশ করার ধরন নির্দেশ করে। আর লগ্নপতি হলো সেই লগ্নের অধিপতি গ্রহ, যা ব্যক্তিত্ব ও জীবনপথের মূল নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে। লগ্নপতি যে নক্ষত্রে অবস্থান করে, সেই নক্ষত্রের অধিপতি বা নক্ষত্রপতির গুণাবলি লগ্নপতির ফলকে প্রভাবিত করে। ফলে ব্যক্তিত্বের প্রকাশ, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরণ, কাজের ধরন এবং মানুষের কাছে নিজের পরিচয় তুলে ধরার পদ্ধতিতে লগ্নপতির নক্ষত্রের বিশেষ ভূমিকা থাকে।

সহজভাবে বলা যায়—

জন্ম নক্ষত্র বলে মানুষটি অন্তরে কেমন, আর লগ্নপতির নক্ষত্র বলে মানুষটি বাইরে নিজেকে কীভাবে প্রকাশ করেন। উদাহরণ: জন্ম নক্ষত্র রেবতী, লগ্নপতির নক্ষত্র আর্দ্রা

ধরা যাক, একজন ব্যক্তির জন্ম নক্ষত্র রেবতী এবং লগ্নপতি আর্দ্রা নক্ষত্রে অবস্থান করছে।

রেবতী নক্ষত্রের অধিপতি বুধ। এই নক্ষত্র সাধারণত কোমল হৃদয়, সহানুভূতিশীল, দয়ালু, কল্পনাপ্রবণ, ভদ্র ও আধ্যাত্মিক প্রবণতার পরিচায়ক। এমন ব্যক্তি অন্যের কষ্ট সহজেই অনুভব করেন এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পছন্দ করেন। তাঁর মন মানবিক, উদার এবং অনেক সময় আদর্শবাদী হয়।

কিন্তু লগ্নপতি যদি আর্দ্রা নক্ষত্রে অবস্থান করে, তবে ব্যক্তিত্বের প্রকাশে ভিন্ন রূপ দেখা যায়। আর্দ্রার অধিপতি রাহু। এই নক্ষত্র অনুসন্ধিৎসা, গভীর বিশ্লেষণ, পরিবর্তন, নতুন অভিজ্ঞতার প্রতি আকর্ষণ এবং কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার সাহস প্রদান করে। ফলে ব্যক্তি বাইরে থেকে আত্মবিশ্বাসী, তীক্ষ্ণবুদ্ধিসম্পন্ন, প্রশ্নপ্রবণ এবং পরিবর্তনমুখী বলে পরিচিত হন। তিনি প্রচলিত নিয়মকে অন্ধভাবে মেনে চলার পরিবর্তে নিজে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে আগ্রহী হন।

অর্থাৎ, অন্তরে তিনি রেবতীর মতো শান্ত, সংবেদনশীল ও সহানুভূতিশীল হলেও, বাইরে আর্দ্রার প্রভাবে সাহসী, অনুসন্ধানী, যুক্তিবাদী এবং পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে প্রস্তুত ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রকাশ পান।

মা আনন্দময়ী, জ্ঞান-বিজ্ঞান শাস্ত্র-অশাস্ত্র ধর্মাধর্ম সর্বস্ব যিনি প্রসব করেছেন এবং যিনি গ্রাস করবেন, সেই মহাশক্তি সাক্...
28/07/2026

মা আনন্দময়ী, জ্ঞান-বিজ্ঞান শাস্ত্র-অশাস্ত্র ধর্মাধর্ম সর্বস্ব যিনি প্রসব করেছেন এবং যিনি গ্রাস করবেন, সেই মহাশক্তি সাক্ষাত কালশক্তি কালী। একটা পাঁচ বছরের মেয়ে, কিচ্ছু জানেনা, কিচ্ছু বোঝেনা, একদম নির্বিকার।

কিন্তু ভোলানো যাবেনা আর আমাকে, আমি যে তখন বুড়ি ছুঁয়ে ফেলেছি, বুড়ি ছুঁয়ে থাকলে আর কি করে চোর হবে। খেলাই খতম হতে চলেছে যখন, তখন আর আমায় পায় কে।

- কালিকানন্দ অবধূত

24/07/2026

“यदा त्रिनेत्रं प्रकाशते,माया स्वयमेव दह्यते।”When the Three-Eyed One awakens within,illusion dissolves in its own flame...
23/07/2026

“यदा त्रिनेत्रं प्रकाशते,
माया स्वयमेव दह्यते।”

When the Three-Eyed One awakens within,
illusion dissolves in its own flame.
From the ash of false identity
rises the silence of pure awareness.
Not destruction —
but divine remembrance.

চন্দ্র (Moon): মায়ের সঙ্গে সম্পর্কবৈদিক জ্যোতিষে **চন্দ্র (Moon)**-কে মায়ের প্রধান কারক বা **মাতৃকারক (Matru Karaka)**...
23/07/2026

চন্দ্র (Moon): মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক

বৈদিক জ্যোতিষে **চন্দ্র (Moon)**-কে মায়ের প্রধান কারক বা **মাতৃকারক (Matru Karaka)** বলা হয়। তাই জন্মছকে মায়ের স্বভাব, স্নেহ-মমতা, মানসিকতা এবং আপনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বিচার করার ক্ষেত্রে চন্দ্রের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চন্দ্র কোন **রাশিতে**, **ভাবে**, **নক্ষত্রে** রয়েছে, কতটা শক্তিশালী বা দুর্বল, এবং অন্য কোন গ্রহের দৃষ্টি বা প্রভাব পাচ্ছে—এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে বোঝা যায় মায়ের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কেমন হতে পারে। পাশাপাশি জন্মছকের **৪র্থ ভাব** (মা, বাড়ি ও মানসিক শান্তির ভাব) এবং **৪র্থ ভাবের অধিপতি (৪র্থ লর্ড)**-র অবস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে বিচার করলে মায়ের স্বাস্থ্য, স্বভাব, পারিবারিক পরিবেশ, শৈশবের অভিজ্ঞতা এবং জীবনে মায়ের প্রভাব সম্পর্কে অনেকটাই পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

তবে শুধু একটি গ্রহ বা একটি অবস্থান দেখে কখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। একজন অভিজ্ঞ জ্যোতিষী সবসময় চন্দ্র, ৪র্থ ভাব, ৪র্থ লর্ড এবং প্রয়োজন হলে নবাংশ (D9) ও চলমান দশা-গোচর (Dasha & Transit) একসঙ্গে বিচার করেই সঠিক বিশ্লেষণ করেন।

Address

Kolkata
700049

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kaliputra Abadhut - কালীপুত্র অবধূত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share