Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra

  • Home
  • Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra

Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra, Meditation Center, Bhangal (भंगाल), .

সকলকে আমার... "রা" আনন্দিত - "জয়গুরু"শুভ চৈত্র সংক্রান্তি ওবাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা 🙏Satsang Mission Center for Studies o...
13/04/2026

সকলকে আমার...
"রা" আনন্দিত - "জয়গুরু"

শুভ চৈত্র সংক্রান্তি ও
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা 🙏

Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra

শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি পছন্দের গানের লাইন দিয়ে শুরু করছি আজকের এই লেখা আমি ধৃতিমঞ্জুমা...           "তোমার কথা হেথা কেহ ত...
03/03/2026

শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি পছন্দের গানের লাইন দিয়ে শুরু করছি আজকের এই লেখা আমি ধৃতিমঞ্জুমা...

"তোমার কথা হেথা কেহ তো
বলে না করে শুধু মিছে কোলাহল
সুধাসাগরের তীরে তে বসিয়া
পান করে শুধু হলাহল।

--- সত্যিই তো তাঁর কথা আর হয় কোথায় ?

শ্রীশ্রীঠাকুর তখন দেওঘরে, তাঁর কনিষ্ঠ সন্তানের( পরমপূজনীয় কাজলদা) বিবাহ ।

আর এটা আমরা সবাই জানি যে, ছোট ছেলে বা মেয়ের প্রতি বাবা-মায়ের একটু বেশি ভালোলাগা বা দুর্বলতা হয়। তাই না ?আমরা মায়েরা তো বুঝতেই পারি। বাবাদেরও হয়। যে বাড়ির সবার ছোট তার প্রতি একটু দুর্বলতা থাকেই,বাবামায়ের। কারণ ছোট সন্তান যখন হয় তখন বাবা মারা অনেকটা পরিণত হয়ে যান। তো বিয়ে নিয়ে শ্রীশ্রী ঠাকুরের খুবই উৎসাহ ।

বরযাত্রী বর নিয়ে কখন ফিরবে ,তিনি বারবার প্রশ্ন করছেন --'এই ওরা আসলো'?'দেখ কতদূর ' এভাবে তিনি সামনের বসা ভক্তদের কাছে প্রশ্ন করে যাচ্ছেন জানতে চাইছেন । সবাই বলছে যে যতটা খবরাখবর জানে। সবাই উৎসাহে পরিপূর্ণ ।গোটা আশ্রম যেন উৎসবের চেহারা নিয়েছে। সানাই বাজছে ব্যান্ড পার্টি বাজছে। চারিদিকে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। এমন সময় একজন ছুটে এসে শ্রীশ্রীঠাকুরকে জানালো ঢুকে গেছে বরের গাড়ী।বাড়ি এসে গেছে। এইবার বর সহ বরযাত্রী এসে গেল।

সেই সময় আশ্রম চত্বর এত ভালোভাবে বাঁধানো ছিল না। মাটির রাস্তা দিয়ে একদম পার্লার পর্যন্ত গাড়ি চলে আসতো। যাইহোক গাড়ি এসে থামলো পার্লারের সামনে। নববরবধু নামলেন। শঙ্খ উলুধ্বনিতে পুরো আশ্রম চত্বর গম্ গম করছে।নববরবধূ প্রণাম জানালেন তাঁদের পিতৃদেব, আরাধ‍্য দেবতা ,ইষ্টদেবকে । হঠাৎ যেন চারিদিক স্তব্ধ হয়ে গেল। শ্রীশ্রীঠাকুরের চোখ থেকে টপটপ করে জল পড়ছে। একটু আগে কত আনন্দ ছিল তাঁর মনে উৎসাহে টগবগ করছিলেন তিনি।

কনিষ্ঠসন্তান তার ধুতির কোঁচর দিয়ে ঠাকুরের চোখের জল মুছে দিলেন জানতে চাইলেন- "বাবা তুমি কাঁদছো কেন"? শ্রীশ্রীঠাকুর বলছেন ,"আজ যদি মা থাকতো!!" তাঁর জীবনের সবথেকে প্রিয় মানুষ আজ নেই। জীবনের কেন্দ্রে যাঁকে তিনি বসিয়ে রেখেছেন। সেই মা আজ নেই। মার সাথেই আনন্দে তিনি ভাগ করতে পারছেন না, তাই এই আনন্দটা তিনি যেন সঠিকভাবে ভোগ করতে পারলেন না।

শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর জীবন দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন যে আমাদের জীবনেরও যে কোন দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনা, যাই হোক, তা যদি আমরা আমাদের ইষ্ট দেবতা, প্রিয় পরমের সাথে ভাগ করে দিতে না পারি তাহলে সবই ফাঁকা। কোন আনন্দই পরিপূর্ণ উপভোগ্য হয়ে উঠবে না। কোন দুঃখ কষ্টই সহনীয় হয়ে উঠবে না যদি আমরা জীবনের কীল কেন্দ্রে তাঁকে না রাখি।

✍🏻 ধৃতি মঞ্জু ঘোষ আসানসোল।
1.3.26

Budhanilkantha Temple 🕉️🙏🙏🙏 👉 Golfutar Main Road, Budhanilkantha, Kathmandu 🇳🇵🕉️ Budhanilkantha Temple — A Sacred Legacy...
24/01/2026

Budhanilkantha Temple 🕉️🙏🙏🙏
👉 Golfutar Main Road, Budhanilkantha, Kathmandu 🇳🇵

🕉️ Budhanilkantha Temple — A Sacred Legacy from the Satya Yuga.

© _____

Located in Budhanilkantha, Kathmandu, the Budhanilkantha Temple is one of the most profound and mysterious sacred sites in Hindu tradition. The temple enshrines a colossal stone image of Lord Vishnu, revered as Nilkantha Narayan, reclining in eternal repose upon Ananta Shesha, the cosmic serpent.

According to Puranic and Shastric traditions, this manifestation of Vishnu is believed to date back to the Satya Yuga, symbolising the eternal presence of the Preserver of the Universe. The deity is depicted in Yoga Nidra—a state of divine consciousness in which Lord Vishnu sustains cosmic order while remaining beyond time and decay.

Carved from a single block of black basalt stone, the statue rests within a water-filled basin, representing the Ksheera Sagara (the Cosmic Ocean). The blue hue upon the Lord’s throat signifies the divine burden of the universe and the transcendence of suffering, giving rise to the name “Nilkantha”—the Blue-Throated One.

Far beyond architectural wonder, Budhanilkantha stands as a metaphysical symbol of balance, preservation, and cosmic harmony. To stand before this sacred image is to experience a rare stillness—where time seems suspended and the soul is gently drawn inward.

🕉️ Budhanilkantha is not merely a temple;
it is a living testament to eternal truth, faith, and divine order.

📍 Budhanilkantha, Kathmandu, Nepal
🙏 Om Namo Narayanaya

মৃ*ত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃ*ত্যু যন্ত্রণাপাখিদের রাজা গরুড় ভগবান বিষ্ণুকে প্রশ্ন করলেন, "হে কেশব! মৃত্যুর সময় জীব কী ধরনের...
14/01/2026

মৃ*ত্যুর পূর্ব লক্ষণ ও মৃ*ত্যু যন্ত্রণা

পাখিদের রাজা গরুড় ভগবান বিষ্ণুকে প্রশ্ন করলেন, "হে কেশব! মৃত্যুর সময় জীব কী ধরনের লক্ষণ দেখতে পায়? মৃত্যুর ঠিক আগে এবং সেই মুহূর্তে জীবের কী অবস্থা হয়? দয়া করে আমাকে বলুন।"

তখন শ্রীভগবান (বিষ্ণু) বললেন, "হে তাক্ষর্য (গরুড়), শোনো। মৃত্যুর কাল উপস্থিত হলে মানুষের শরীরে ও স্বপ্নে কিছু অশুভ লক্ষণ দেখা দেয়। আয়ু শেষ হয়ে এলে দেহ ও ইন্দ্রিয়গুলো বিকল হতে শুরু করে।"

মৃত্যুর পূর্ব লক্ষণ (অরিষ্ট লক্ষণ)

ভগবান বিষ্ণু বলেন, মৃত্যুর কিছুদিন আগে মানুষ নিজের শরীরে এমন কিছু পরিবর্তন দেখে যা সাধারণ অবস্থায় হয় না।

বিপরীতং ভবেদ্ যত্র দৃষ্টং শ্রুতমথাপি বা।
তদা মৃত্যুবশং যাতি দিষ্টান্তমনুশাশতঃ।।

যখন পরিচিত জিনিসগুলো বিপরীত মনে হয়, যা দেখা বা শোনা যাচ্ছে তা বিকৃত মনে হয়, তখন বুঝতে হবে মৃত্যু তার বশবর্তী হয়েছে।

প্রধান লক্ষণসমূহ:

১. দেহের সংকেত: মৃত্যু আসন্ন হলে মানুষ তার নিজের নাকের ডগা (Tip of the nose) দেখতে পায় না। দুই কানে আঙুল দিয়ে বন্ধ করলে যে 'ঘোঁ ঘোঁ' শব্দ (অনাহত নাদ) শোনা যায়, মুমূর্ষু ব্যক্তি তা শুনতে পায় না।

ন পশ্যেচ্চ তথা নাসাম্ ন শৃণোতি তথৈব চ।
(সে নাক দেখতে পায় না এবং শব্দও শুনতে পায় না।)

২. ছায়ার বিকৃতি: মানুষ যদি নিজের ছায়াকে মস্তকহীন বা বিকৃত দেখে, অথবা আয়নায় বা জলে নিজের প্রতিবিম্ব না দেখে, তবে বুঝতে হবে তার আয়ু শেষ।

৩. স্বপ্ন যোগ: স্বপ্নে যদি কেউ দেখে যে সে গাধা বা উটের পিঠে চড়ে দক্ষিণ দিকে (যমরাজার দিক) যাত্রা করছে, অথবা কালো পোশাক পরা কেউ তাকে আলিঙ্গন করছে, তবে তা মৃত্যুর ইঙ্গিত।

মৃত্যু প্রক্রিয়া ও যমদূতের আগমন

লক্ষণ প্রকাশের পর যখন প্রকৃত মৃত্যুর সময় আসে, তখন জীবের অবস্থা অত্যন্ত করুণ হয়। এই অবস্থাকে ‘উৎক্রান্তি’ বলা হয়।

ভগবান বিষ্ণু বলেন:
"হে গরুড়, শেষ সময়ে মানুষের শরীরে পঞ্চভূত (মাটি, জল, আগুন, বাতাস, আকাশ) একে অপরের সঙ্গে মিশতে শুরু করে। শরীর অবশ হয়ে যায়। আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটি করে, কিন্তু জীব তখন আর কথা বলতে পারে না।"

যমদূতদের দর্শন:

পাপী ব্যক্তিদের মৃত্যুর ঠিক আগে দিব্যদৃষ্টি খুলে যায় এবং তারা যমরাজার ভয়ঙ্কর দূতদের দেখতে পায়।

পাশদণ্ডধরাঃ ক্রুড়াঃ উগ্ৰা বিকটলোচনাঃ।
আগতা যমদূতাশ্চ দ্দৃশ্যান্তে পাশহস্তকাঃ।।

পাশ (দড়ি) ও দণ্ড হাতে, অত্যন্ত ক্রুর, উগ্র স্বভাবের, ভয়ানক চোখবিশিষ্ট এবং হাতে ফাঁসি নিয়ে যমদূতেরা এসে উপস্থিত হয়।
তাদের দেখে ভয়ে মুমূর্ষু ব্যক্তি মল-মূত্র ত্যাগ করে ফেলে। তার মুখ দিয়ে লালা ঝরতে থাকে এবং চোখ বড় বড় হয়ে যায়। সে কথা বলতে চায়, কিন্তু কণ্ঠনালী শুকিয়ে যাওয়ায় শুধু 'ঘড় ঘড়' শব্দ বের হয়।

প্রাণবায়ু নির্গমন ও মৃত্যু যন্ত্রণা

মৃত্যুর মুহূর্তে শরীর থেকে প্রাণ কীভাবে বের হয়, তার বর্ণনা দিতে গিয়ে বিষ্ণু বলেন, এই কষ্ট পাপীদের জন্য অসহনীয়।

একৈকং রোমকূপেষু দহমানেষু মৰ্মসু।
যদ দুঃখং ম্রিয়মাণস্য তদ্ বক্তব্যং কিমুত্তরম্।।

শরীরের প্রতিটি রোমকূপ এবং মর্মস্থান (Vital parts) যেন পুড়ে যাচ্ছে—মৃত্যুপথযাত্রীর যে কী পরিমাণ কষ্ট হয়, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বলা হয়, একসাথে হাজার বিছে কামড়ালে যে জ্বালা হয়, পাপী ব্যক্তির মৃত্যুর সময় তেমনই যন্ত্রণা হয়।

জীবাত্মার নির্গমন:

যমদূতেরা তখন জীবের অঙ্গুষ্ঠমাত্র (বুড়ো আঙুলের সমান আকারের) শরীর বা লিঙ্গদেহকে জোর করে টেনে বের করে।

পুণ্যবানদের মৃত্যু:

যারা জীবনে ধর্ম পালন করেছে, তাদের প্রাণবায়ু মুখ, নাক বা ব্রহ্মতালু দিয়ে অনায়াসে এবং শান্তির সাথে বেরিয়ে যায়। তাদের যমদূতেরা সম্মান করে নিয়ে যায় বা বিষ্ণুদূতেরা স্বর্গে নিয়ে যান।

পাপীদের মৃত্যু:

পাপীদের প্রাণবায়ু ওপরের দিকে না গিয়ে গুহ্যদ্বার (মলদ্বার) দিয়ে নির্গত হয়। যমদূতেরা তাদের 'বায়ুশরীর' বা আত্মাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

যমমার্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা

দেহ ত্যাগের পর শরীরটি মাটিতে পড়ে থাকে, যাকে আমরা 'মৃতদেহ' বা 'শব' বলি। কিন্তু আত্মা তখন যমদূতদের কব্জায়।

ভগবান বিষ্ণু গরুড়কে বলেন:
"হে খগেশ্বর! দেহ ত্যাগের পর সেই জীবাত্মা নিজের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে থাকে এবং সেটিতে পুনরায় প্রবেশ করার জন্য আকুল হয়, কিন্তু যমদূতেরা তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে নিয়ে যায়। তখন সে নিজের কর্মের জন্য অনুশোচনা করতে করতে বলতে থাকে—'হায়! আমি কেন পাপ করলাম!' কিন্তু তখন আর কোনো উপায় থাকে না।"

এভাবেই জীবের ইহলোকের সমাপ্তি ঘটে এবং পরলোকের দীর্ঘ যাত্রা শুরু হয়।💐💐
হরেকৃষ্ণ 🙏🙏🙏

★ "প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এবং প্রতিষ্ঠাতা"- স্বাবলম্বনের মূর্ত্ত-প্রতীক, অযাচক আশ্রম-প্রতিষ্ঠাতা অভিক্ষু-সন্ন্যাসী শিক্ষাবি...
06/01/2026

★ "প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এবং প্রতিষ্ঠাতা"

- স্বাবলম্বনের মূর্ত্ত-প্রতীক, অযাচক আশ্রম-প্রতিষ্ঠাতা অভিক্ষু-সন্ন্যাসী শিক্ষাবিদ শ্রীশ্রীস্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেব শিক্ষার জগতে এক নূতন আলোকবর্তিকা নিয়ে আবির্ভূত হ'লেন।
- তিনি বিহারের ধানবাদ জেলার পুপুনকী গ্রামে প্রতিষ্ঠা করলেন এক নূতন শিক্ষায়তন 'দি-মালটিভারসিটি', যার মূল ভিত্তি হ'ল অভিক্ষা, স্বাবলম্বন, ত্যাগ, চরিত্রবত্তা এবং সংযম।

- এই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হ'ল চরিত্র-গঠন; "Character building is the guiding principle of this institution"।

- শিক্ষার্থীদের এক পূর্ণাঙ্গ মানুষরূপে গড়ে তোলার কারখানা হল 'দি-মালটিভারসিটি বা স্বাবলম্বী বিদ্যাপীঠ'।

- কর্মভিত্তিক শিক্ষার সার্থক রূপায়ণ ঘটালেন শ্রীশ্রীবাবামনি।

- তাঁর জীবনের প্রায় ৪০-৪৫ বৎসর কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা অর্দ্ধাহারে, অল্পাহারে, অনাহারে থেকে তিল তিল রক্তবিন্দু ক্ষয় ক'রে প্রতিষ্ঠা করলেন তাঁর সাধের প্রতিষ্ঠান।

- সম্পূর্ণ ভারতীয় ঋষি-জীবনের শিক্ষার নবতর রূপায়ণ ঘটাতে চাইলেন এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

- দেশ যখন চরিত্রহীনতার পঙ্কিলতায় নিমজ্জমান, সেই পতনোন্মুখ জাতিকে নূতন পথ-নির্দেশ করার জন্য প্রতিষ্ঠা করলেন এই 'শিক্ষায়তন'।

★ "প্রতিষ্ঠা এবং উদ্বোধন"

- ইং ১৯৭৪ সালের ১লা জানুয়ারী ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ৬০ জন ছাত্রকে নিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ গড়ার কারখানার দ্বারোদঘাটন করলেন।

- উদ্বোধন-অনুষ্ঠানে পরমপুজ্যপাদ শ্রীশ্রীবাবামণি, পুজনীয়া মা (ব্রহ্মচারিণী সাধনা দেবী), পরমপূজনীয়া শ্রীশ্রীমামনি তাঁদের অমূল্য, ঐতিহাসিক অমৃতময়ী উপদেশ-বাণী প্রদান করেন।

- কি ভাবে চললে শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ মানুষ-রূপে গড়ে উঠতে পারে এবং শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কে পথনির্দেশ করলেন।

- পূজনীয়া ভাইদা (ব্রহ্মচারী স্নেহময়), ব্রহ্মচারী প্রেমাঞ্জনদা, ব্রহ্মচারী সদাসুন্দরদা, অন্যান্য আশ্রম-কর্মী, বহু সজ্জন ব্যক্তি এবং ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত বহু অখণ্ড ও বিশিষ্ট সংগঠন-কর্মীর উপস্থিতিতে এই শুভ অনুষ্ঠান আলোকোজ্জ্বল হ'য়ে উঠে।

★ "শিক্ষক বৃন্দ এবং প্রাথমিক কার্যকলাপ"

- এই বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক হিসাবে বাঁকুড়া জেলার স্বনামধন্য স্বাধীনতা-সংগ্রামী শ্রীফকির চন্দ্র বটব্যাল মহোদয় এবং সহকারী শিক্ষক-রূপে চারজন যোগদান করেছিলেন।

- স্বাবলম্বী বিদ্যাপীঠ আরম্ভ হওয়ার ৪-৫ দিন পর থেকেই আরম্ভ হয় শ্রীশ্রীবাবামণিকে নিয়ে ছাত্র-শিক্ষকদের আনন্দের হাট।

- প্রায় প্রতিদিনই ছাত্র এবং শিক্ষকমহাশয়গণ শ্রীশ্রীবাবামণির উপস্থিতিতে করেছেন শ্রমদান।

- শ্রীশ্রীবাবামণি ছাত্রদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামে বেড়াতে যেতেন এবং সেখানে হরিওঁ কীর্ত্তন এবং অখণ্ড-সংহিতা পাঠ হতো।

★ "দৈনন্দিন রুটিন এবং শিক্ষা-অনুষ্ঠান"

- সকাল সন্ধ্যায় উপাসনায় যোগদান, আসনমুদ্রা, দিনলিপি লিখা, অখণ্ড-সংহিতা পাঠ, এই অনুষ্ঠানগুলিতে ছাত্রদের যোগদান ছিল বাধ্যকর।

- শ্রীশ্রীবাবামণি নিজে ছাত্র ও শিক্ষকদের সমবেত উপাসনার শুদ্ধত্বর শিক্ষা দিতেন এবং প্রদান করতেন তাঁর অমৃতময় উপদেশবাণী।

- শ্রীশ্রীবাবামণির সান্নিধ্যে ছাত্র ও শিক্ষকদের চরিত্র-সুগঠিত হ'তে থাকে।

★ "প্রিন্টিং প্রেস এবং দক্ষতা উন্নয়ন"

- ১৯৭৫ সালে পুপুন্‌কী আশ্রমে প্রিন্টিং-প্রেস্ চালু হয়।

- ছাত্ররা শিখতে আরম্ভ করে প্রেসের কাজ; ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে ছাত্ররা প্রিন্টিংএর কাজগুলি শিখতে আরম্ভ করে।

- এদের মধ্যে ২-৩ বৎসরের মধ্যে কয়েক জন ছাত্র বিশেষ দক্ষতা লাভ করে।

★ "ভাষণ শিক্ষা এবং প্রচার কার্যকলাপ"

- ১৯৭৫ সালেই শ্রীশ্রীবাবামনির নির্দেশে স্বাবলম্বী বিদ্যাপীঠে শুরু হয় ভাষণ শিক্ষার ক্লাস।

- তিনি বলেছিলেন, "আমার এখান থেকে ছাত্ররা 'লাল-বাল-পাল' হ'য়ে বেরুবে। প্রত্যেকটি ছাত্র ডিনামাইট হ'য়ে বেরুবে।" (লাল = লালা লাজপত রায়, বাল = বাল গঙ্গাধর তিলক, পাল = বঙ্কিম চন্দ্র পাল)।

- শ্রীশ্রীবাবামণি নিজে উপস্থিত থেকে ছাত্রদের ভাষণ-দানের কৌশল শিক্ষা দিতেন; শিক্ষা দিতেন স্বয়ং 'কবিতা-লিখন কৌশল'।

- এর ফলে ছাত্রদের মধ্যে গভীর উৎসাহের সঞ্চার হয়।

- ছাত্ররা ভাষণ দান এমন ভাবে আয়ত্ত করেছিল যে, বিভিন্ন জায়গার অখণ্ডমণ্ডলীর আমন্ত্রণে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য (বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, উড়িষ্যা, উত্তর প্রদেশ প্রভৃতি) শত শত সভায় শ্রীশ্রীবাবামণির অমৃতময় উপদেশ-বাণী ভাষণের মাধ্যমে প্রচার করে এবং সুনাম অর্জন করে।

- একমাত্র শ্রীশ্রীবাবামণির আশীর্ব্বাদেই এই দুরূহ কাজ সম্ভব হয়েছে।

- প্রতিটি জায়গার শ্রোতৃমণ্ডলী ছাত্রদের ভূয়সী প্রণংসা করেন এবং বর্তমান দিনে চরিত্র-গঠন-আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন।

★ "শিক্ষাদান প্রণালী এবং একাডেমিক অর্জন"

- বিদ্যায়তনের শিক্ষাদান প্রণালীও বিশেষ-ভাবে উল্লেখযোগ্য; শিক্ষক মহাশয়দের সুচারু শিক্ষাদান পদ্ধতি দ্বারা ছাত্ররা বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে সাফল্য অর্জন করল।

- গত ইংরাজী ১৯৮০ সালে প্রথম আমাদের দশ জন ছাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা দেয়; দশ জন পরীক্ষার্থীই ১ম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়; প্রত্যেকে ২-১টি বিষয়ে Star-Mark পায়।

- ছাত্রদের এই সাফল্যের সংবাদ পেয়ে গুরুধামে শ্রীশ্রীবাবামণি আনন্দাশ্রু বিসর্জন করেছেন এবং পূজনীয়া মা, পরম-পূজনীয়া মামণি ও অন্যান্য সকল আশ্রম-কর্মীদের আনন্দের অবধি ছিল না।

- ১৯৮১, ১৯৮২, ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ এই চার বৎসরের মধ্যে প্রতি বৎসরই আমাদের শিক্ষায়তনের ছাত্ররা মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হ'য়ে আসছে; উল্লেখ্য যে কোন কোন বৎসর ২-১ জন ছাত্র দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছে।

- ১৯৮৪তে ১১ জন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কেবল মাত্র একজন পরীক্ষার্থী দ্বিতীয় বিভাগে এবং বাকী ১০ জনই প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়।

- তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার একটি ছাত্র শ্রীতীর্থাশীষ মণ্ডল ৮৪০ নম্বর পায়।

- এই প্রতিষ্ঠানের Academic দিক্ বিচার করলে এই বিদ্যাপীঠ সারা বিহারে তুলনামূলক ভাবে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী।

- শিক্ষক মহাশয়দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং সর্ব্বোপরি শ্রীশ্রীবাবামণির আশীর্বাদে এই কাজ সম্ভব হয়েছে; এর পিছনে ছাত্রদের নৈতিক শিক্ষারও যথেষ্ট অবদান রয়েছে।

★ "খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কার্যকলাপ"

- বিদ্যাপীঠের ছাত্ররা পড়াশুনাতে কৃতিত্ব প্রদর্শন ছাড়াও খেলা-ধূলাতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে।

- বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠানে (Annual Sports), বিভিন্ন খেলায় (ফুটবল, ভলিবল, ক্রিকেট প্রভৃতিতে) ছাত্ররা অংশ গ্রহণ করে এবং কৃতিত্ব অর্জন করে; যাহারা কৃতিত্বের অধিকারী হয়, প্রত্যেককে পুরষ্কৃত করা হয়।

- ১৯৮০ এবং ১৯৮২ সালে বিদ্যাপীঠের পক্ষ থেকে Football প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল; এই প্রতিযোগিতায় পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলি অংশ গ্রহণ করেছিল।

- ১৯৮৪ ইং সালে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতে (পুপুন্‌কী, কালাপাথর, শিয়ালগাজরা, মুদিডী) বিদ্যাপীঠের ছাত্ররা খেলায় অংশ গ্রহণ করে এবং ২-৩ জন ছাত্র Best player হিসাবে পুরস্কৃত হয়।

- আশ্রমের মধ্যে ৩/৪ বার ভলিবল প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা হয়, তাতে পুপুনকী, চাশ প্রভৃতি জায়গা থেকে ছেলেরা এই খেলায় অংশ গ্রহণ করে।

- খেলাধূলার মাধ্যমে গ্রামগুলির সঙ্গে আন্তরিক সৌহৃদ্য ও প্রীতির সম্পর্ক গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য।

- বিদ্যাপীঠে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্ররা সবাই যোগদান করে; শিক্ষক মহাশয়রাও এই বিষয়ে ছাত্রদের উৎসাহিত করেন।

★ "কৃষি এবং শ্রমদান"

- কৃষি-বিজ্ঞানী শ্রীশ্রীবাবামণির নির্দ্দেশে বিদ্যাপীঠের ছাত্ররা মঙ্গলবাঁধ নির্ম্মাণ-কার্য্য, ফুলবাগানে এবং কৃষিক্ষেত্রে শ্রমদান করত।

- এবং শ্রমদানকালীন পূজ্যপাদ শ্রীশ্রীবাবামণির কৃষি-সংক্রান্ত বিভিন্ন উপদেশ শ্রবণ করত; শিক্ষক মহাশয়রাও এই শ্রমদানে যোগ দিতেন।

- বর্তমানেও সেই কাজ অব্যাহত রয়েছে।

★ "শ্রীশ্রীবাবামণির সঙ্গ এবং পরিবারের ভূমিকা"

- পুপুন্‌কী স্বাবলম্বী বিদ্যাপীঠে শ্রীশ্রীবাবামণির সঙ্গ প্রায় পাঁচ বৎসর ধরে বিদ্যার্থীরা পেয়েছে; তাই, তখন বিদ্যাপীঠে আনন্দ ও উৎসাহের ঘাটতি ছিল না।

- শ্রীশ্রীবাবামনি যখন আশ্রমে থাক্‌তেন না, তখন পত্র লিখে ছাত্র ও শিক্ষকদের উৎসাহিত করতেন।

- গত ৪ঠা ডিসেম্বর আমাদের পরমপূজনীয়া মা (ব্রহ্মচারিণী সাধনা দেভী) এবং ৭ই ডিসেম্বর, ১৯৮৪ ইং পরমপূজনীয়া শ্রীশ্রীমামণি পুপুন্‌কীতে শুভাগমন করেছেন।

- তাঁদের প্রেরণায় ও উৎসাহে সকলের মনে এক নূতন আশার সঞ্চার হয়েছে।

- শ্রীশ্রীমামণি প্রায় প্রতিদিনই খাওয়ার সময় ঘুরে ঘুরে দেখেন।

- শ্রীশ্রীমামণির আগমনে আশ্রমের রূপ সম্পূর্ণ পরিবর্ত্তিত হয়ে গেছে।

- শ্রীশ্রীমামণির নির্দ্দেশ ছাত্ররা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে; শিক্ষক মশাইরা শ্রীশ্রীমামণির প্রতি এত অনুগত যে, ভাবতেও আনন্দ বোধ হয়।

- শুধু অনুগতই নন, তাঁরা শ্রীশ্রীমামণিকে প্রাণ দিয়ে ভালবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন।

- শ্রীশ্রীমামণি এখন মালটিভারসিটির বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত।

- শ্রীশ্রীমামণির প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা ও ভক্তি আছে।

- তাঁর সুদক্ষ পরিচালনায় এবং সুদৃঢ় হস্তক্ষেপে মালটিভারসিটি ভারতবর্ষের একটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।

★ "উপসংহার এবং প্রার্থনা"

- সর্ব্বশেষে পরমপুজ্যপাদ শ্রীশ্রীবাবামণির রতুল-চরণে আমাদের ভক্তিপ্লুত প্রণাম জানাই।

- পরমারাধ্য শ্রীশ্রীবাবামণির আশীর্ব্বাদে আমাদের অগ্রগতি অপ্রতিহত থাকুক-ইহাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা।

- ("স্বাবলম্বী বিদ্যাপীঠ" প্রতিধ্বনি পৌষ ১৩৯১, পৃঃ ৭৯৪-৭৯৯)।

© Copy Post .....

যুগ-পুরুষোত্তম পরম-প্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ পরমতীর্থ হিমাইতপুর ধাম ঋত্বিক পরিষদের সদস্য, শ্রীশ্রীঠাকুরে...
10/12/2025

যুগ-পুরুষোত্তম পরম-প্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ পরমতীর্থ হিমাইতপুর ধাম ঋত্বিক পরিষদের সদস্য,
শ্রীশ্রীঠাকুরের একনিষ্ঠ কর্মী শ্রদ্ধেয় দ্বিজেন্দ্রলাল হালদার সহ-প্রতিঋত্বিক আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ইং, বুধবার সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিটে ইহলোক সকলমায়া ত্যাগ করে পরলোকে গমন করেছেন 😭

" ওঁ দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু "

আসুন আমরা সকলে পরমপিতার শ্রীচরণে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের মঙ্গল প্রার্থনা করি।

আজ মহান সংগ্রামী বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন।মাত্র সতেরো বছর বয়সে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে মৃত্যুকে আলি...
03/12/2025

আজ মহান সংগ্রামী বীর বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন।
মাত্র সতেরো বছর বয়সে মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য হাসিমুখে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করা এই অদম্য দেশপ্রেমিক ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। তাঁর অদম্য সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম যুগে যুগে আমাদের অনুপ্রেরণার শিখা জ্বেলে রাখবে।

শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করি এই মহান বিপ্লবীকে।

02/12/2025

I got over 100 reactions on my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

Address

Bhangal (भंगाल)

44600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsang Mission Center for Studies on Shri Shri Thakur Anukul Chandra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share