Dr. Afifa

Dr. Afifa Health Tips

গরম পড়লেই যে ভুলটা সবচেয়ে বেশি হয়...গত বুধবারে রওশন ডায়াগনস্টিক সেন্টার কাওরাইদে,  এক মা তাঁর দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে এলেন...
30/05/2026

গরম পড়লেই যে ভুলটা সবচেয়ে বেশি হয়...
গত বুধবারে রওশন ডায়াগনস্টিক সেন্টার কাওরাইদে, এক মা তাঁর দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে এলেন।
অভিযোগ একটাই, " দুই-তিনদিন থেকে কয়েকবার পাতলা পায়খানা করছে।"
কথা বলতে বলতে জানতে পারলাম, বাসার পাশের ফার্মেসি থেকে ইতোমধ্যে দুই ধরনের এন্টিবায়োটিক ওষুধ শুরু হয়ে গেছে। অথচ বাচ্চাদের বেশিরভাগ ডায়রিয়ার কারন রোটাভাইরাস... যা ভাইরাল ইনফেকশন যাতে এন্টিবায়োটিকের কোন ভূমিকা নেই...
আমি জিজ্ঞেস করলাম, "বাচ্চা কি খেলাধুলা করছে?"
উত্তর এলো, "জি, করছে। পানি খাচ্ছে, দৌড়াচ্ছেও।"
তাহলে সমস্যা কোথায়?

আসলে শিশুদের বেশিরভাগ ডায়রিয়া কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। সবচেয়ে বড় ঝুঁকি, শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে যাওয়া।
তাই ডায়রিয়া শুরু হলে প্রথম কাজ হলো শরীরে তরল ফিরিয়ে দেওয়া।

বারবার ORS খাওয়ান
বুকের দুধ খাওয়া শিশু হলে আরও ঘন ঘন বুকের দুধ দিন
ডাবের পানি, ভাতের মাড়, খিচুড়ি, কলা, আলু ভর্তা, চিড়ার পানি দিতে পারেন

"পেট খারাপ হয়েছে" বলে খাবার বন্ধ করবেন না

১/ORS কতটুকু?
২ বছরের কম বয়সে: প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ৫০-১০০ মিলি ( ১০-২০ চামচ)

২ বছরের বেশি বয়সে: প্রতিবার পাতলা পায়খানার পর ১০০-২০০ মিলি (২০-৪০ চামচ)
অল্প অল্প করে বারবার খাওয়াবেন।

২/Zinc কেন জরুরি?
ডায়রিয়ার সময় Zinc শিশুর দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে এবং পুনরায় ডায়রিয়ার ঝুঁকি কমায়।

৬ মাসের কম বয়সে: ১/২ চামচ- ২ বার ( ১৪ দিন)

৬ মাসের বেশি বয়সে: ১ চামচ-২বার ( ১৪ দিন)

৩/ Enterogermina Sachet):
১ প্যাকেট পানিতে মিশিয়ে, দিনে ১ বার, ৫ দিন

কখন ভয় পাবেন?
বাচ্চা পানি খেতে না চাইলে
বারবার বমি হলে
চোখ বসে গেলে
প্রস্রাব কমে গেলে
পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
অতিরিক্ত ঝিমিয়ে পড়লে
এই লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যান।

গরমের এই সময়ে একটি বিষয় মনে রাখুন।
ডায়রিয়ায় অধিকাংশ শিশু
মারা যায় শরীরের পানি ও লবণের ঘাটতিতে।
তাই ওষুধের পেছনে ছোটার আগে ORS-এর গ্লাসটা হাতে তুলে দিন।
একজন সচেতন অভিভাবক অনেক সময় শিশুর জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন ।

কল্পনা করুনআপনার অনেকদিন ধরে পেটব্যথা হচ্ছে।মাঝে মাঝে অস্বস্তি লাগে।ভাবলেন সাধারণ কোনো সমস্যা।তারপর একদিন হাসপাতালে গেলে...
28/04/2026

কল্পনা করুন
আপনার অনেকদিন ধরে পেটব্যথা হচ্ছে।
মাঝে মাঝে অস্বস্তি লাগে।
ভাবলেন সাধারণ কোনো সমস্যা।
তারপর একদিন হাসপাতালে গেলেন, জানানো হলে,
“একটা টিউমার আছে… অপারেশন করতে হবে।”
স্বাভাবিকভাবেই ভয় পাবেন।
অপারেশনের পর ডাক্তার টিউমারটা দেখালেন…
দেখলেন এর ভেতরে চুল আছে।
দাঁত আছে।
চামড়ার মতো অংশ আছে।

আপনি অবাক ওমা!!
“আমার শরীরের ভেতরে এতদিন এটা ছিল?”
এই জিনিসটার নাম টেরাটোমা।
মেডিসিনের সবচেয়ে অদ্ভুত টিউমারগুলোর একটা।
এটা কোনো বাইরের কিছু না।
এটা আপনার শরীরের ভেতরেই তৈরি হয়।

অনেকেই বছরের পর বছর বুঝতেই পারে না।
ব্যথা, পেট ফোলা, অস্বস্তি…
এসব নিয়েই জীবন কাটাতে থাকে।

এই টিউমার এমন কোষ থেকে তৈরি হয়,
যে কোষ চাইলে শরীরের বিভিন্ন অংশে পরিণত হতে পারে।
আর সেই কারণেই এর ভেতরে কখনো দাঁত, কখনো চুল, কখনো হাড়ের মতো অংশ তৈরি হয়।
ভাবতে পারেন…
নিজের শরীরের ভেতরে এমন কিছু বড় হচ্ছে,
যেটা আপনি কল্পনাও করেননি?
সবচেয়ে অদ্ভুত হলো,
এগুলো অনেক সময় benign হয়।
মানে ক্যান্সার না।
তবুও হঠাৎ দেখায় আঁতকে উঠতে হয় !!

সিজার মানে শুধু “বাচ্চা বের করা” না…এটা একটা পূর্ণাঙ্গ অপারেশন।মায়ের পেটের ওপরের চামড়া কাটা হয়, তারপর চর্বি, ফ্যাসিয়া (F...
22/04/2026

সিজার মানে শুধু “বাচ্চা বের করা” না…
এটা একটা পূর্ণাঙ্গ অপারেশন।
মায়ের পেটের ওপরের চামড়া কাটা হয়, তারপর চর্বি, ফ্যাসিয়া (Fascia), তারপর পেশি আলাদা করা হয়…
এরপর পেরিটোনিয়াম খুলে পৌঁছানো হয় জরায়ুতে।
জরায়ু কেটে তারপর সেই ছোট্ট মানুষটাকে বের করা হয়—যে এতক্ষণ ছিল পানি ভর্তি থলির ভেতর নিরাপদে।
এই পুরো প্রক্রিয়াটা কয়েক মিনিটে শেষ হলেও, শরীরের ভেতরে তৈরি হয় একটা বড় ক্ষত।
যেটা শুকাতে সময় লাগে… যত্ন লাগে… বিশ্রাম লাগে।
কিন্তু সমস্যা কোথায় জানেন?
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরার পরই শুরু হয় আসল পরীক্ষা।
“আমাদের সময় তো পরের দিনই সব কাজ করছি…”
“এখনকার মেয়েদের কত ঢং…”
“একটা সিজারই তো হয়েছে…”
এই কথাগুলো ধীরে ধীরে একজন নতুন মায়ের শরীরের চেয়েও বেশি ক্ষত করে তার মনকে।
সে নিজেকে প্রমাণ করতে যায়
শ্বাশুড়ির কাছে, স্বামীর কাছে, সমাজের কাছে।
সেলাই শুকানোর আগেই ভারী কাজ…
ঠিকমতো বিশ্রাম না…
ড্রেসিং অবহেলা…
ফলাফল?
ইনফেকশন…
সেলাই খুলে যাওয়া…
হার্নিয়া…
আবার অপারেশন…
মাসের পর মাস যন্ত্রণা…
একটা নতুন মা তখন বাচ্চাকে কোলে নেওয়ার বদলে নিজের ক্ষত নিয়েই লড়াই করে।
একটু ভাবুন
যে মানুষটা নিজের শরীর কেটে আপনার সন্তানের জন্ম দিল,
তার কি ১০-১৫ দিন শান্তিতে বিশ্রাম পাওয়ার অধিকার নেই?

করণীয় কী?
* অন্তত ৪-৬ সপ্তাহ ভারী কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ
* সেলাই শুকানো পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নিয়মিত ড্রেসিং
*হালকা হাঁটা যেতে পারে, কিন্তু চাপ দেওয়া যাবে না
* জ্বর, ব্যথা বাড়া, পুঁজ বা লালচে হওয়া—এসব দেখলেই দ্রুত ডাক্তার দেখানো
* পরিবারের সাপোর্ট—এই সময়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
মা সুস্থ থাকলে তবেই বাচ্চা ভালো থাকবে।
একটা কথা মনে রাখবেন
“বাহাদুরি দেখিয়ে” কেউ সুস্থ হয় না,
বরং অনেক সময় জীবনভর ভুগতে হয়।

Dr. Afifa

✍️ডা: আব্দুর রহমান

অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে হঠাৎ  কারেন্ট চলে গেছে।চারপাশ অন্ধকার। অপারেশন টেবিলে একজন মানুষ শুয়ে—পেট কাটা। ডাক্তার থামেননি।...
21/04/2026

অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে হঠাৎ কারেন্ট চলে গেছে।
চারপাশ অন্ধকার।
অপারেশন টেবিলে একজন মানুষ শুয়ে—পেট কাটা।
ডাক্তার থামেননি।
কেউ একজন ফোন বের করে টর্চ জ্বালিয়েছে।
সেই আলোতেই আবার শুরু হলো কাজ।
শুনতে অবিশ্বাস্য লাগে, কিন্তু ঘটনাটা
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২০ এপ্রিল ২০২৬।
যে অপারেশনটা হচ্ছিল, সেটা কোনো ছোটখাটো কিছু না।
স্টোমাক ক্যান্সারের রোগী।
Roux-en-Y—একটা জটিল সার্জারি, যেখানে ভেতরের খাবারের পথ নতুন করে বানাতে হয়।
এই কাজটা করতে লাগে নিখুঁত আলো, স্থির হাত, পূর্ণ মনোযোগ।
কারণ একটা ভুল মানে সরাসরি মৃত্যু।
আর সেখানে?
ফোনের টর্চ।
বাইরে থেকে আমরা অনেক কিছু বলি
সরকারি হাসপাতাল খারাপ,
ডাক্তাররা দায়িত্ব নেয় না,
সার্ভিস ভালো না।
কিন্তু ভেতরের এই দৃশ্যটা খুব কম মানুষ জানে।
একজন ডাক্তার তখন কি অবস্থায় কাজ করে!
যেখানে তার হাতে নেই পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি!
নেই নিশ্চিন্ত একটা পরিবেশ!
তবুও তাকে থামা যাবে না।
কারণ সামনে একজন মানুষ পড়ে আছে,
যার বাঁচা এখন তার উপরেই নির্ভর করছে।

আমরা অনেক সময় শুধু ফলাফল দেখি।
কিন্তু এই লড়াইটা দেখি না।
একটা প্রশ্ন থেকেই যায়
এই পরিস্থিতি কি মেনে নেওয়ার মতো?
একটা দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এমন হবে
যেখানে জীবন বাঁচানোর সময়
মোবাইলের আলো ধার নিতে হয়?

সেই রোগী হয়তো জানেই না,
তার অপারেশনটা কিভাবে শেষ হলো।
সে শুধু বিশ্বাস করে
“ডাক্তার আমাকে বাঁচিয়েছে।”
আমরা কি পারি না,
এই বিশ্বাসটার জন্য একটু ভালো ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে?
আপনি হলে কি করতেন সেই পরিস্থিতিতে?
কমেন্টে জানাতে পারেন।
Dr. Afifa

কেস সামারি, ছবি : ডা: Shakir muhaimen

“হঠাৎ করে  কথা বলতে পারছে না…এক পাশ অবশ হয়ে গেছে…মুখটা একটু বেঁকে গেছে…”এটাই হতে পারে Strokeযা কয়েক মিনিটের মধ্যে একটা জ...
20/04/2026

“হঠাৎ করে কথা বলতে পারছে না…
এক পাশ অবশ হয়ে গেছে…
মুখটা একটু বেঁকে গেছে…”

এটাই হতে পারে Stroke
যা কয়েক মিনিটের মধ্যে একটা জীবন বদলে দিতে পারে।

স্ট্রোক আসলে এক ধরনের না, দু’ভাবে হতে পারে।

**এক ধরনের হলো Ischemic Stroke
যখন মস্তিষ্কে যাওয়ার রক্তনালী হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়।
রক্ত পৌঁছায় না… অক্সিজেন পৌঁছায় না…
আর ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের কোষ মারা যেতে থাকে।

** আরেক ধরনের হলো Hemorrhagic Stroke
যখন রক্তনালী ফেটে যায়।
মস্তিষ্কের ভেতরে রক্ত জমে চাপ তৈরি করে,
আর চারপাশের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
দুটো আলাদা
ইফেক্ট একটাই
মস্তিষ্কের ক্ষতি।

লক্ষণগুলো
শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ
কথা জড়িয়ে যাওয়া বা বলতে না পারা
মুখ বেঁকে যাওয়া
হঠাৎ ভারসাম্য হারানো
সবচেয়ে ভয়ংকর কী জানেন?
সময়।
প্রতিটা মিনিটে
মস্তিষ্কের অসংখ্য কোষ মারা যায়।
যত দেরি, তত ক্ষতি স্থায়ী।
যত দ্রুত চিকিৎসা, তত বেশি বাঁচার সম্ভাবনা।

তাই এসব লক্ষণ দেখলে
এক সেকেন্ডও দেরি করবেন না।
তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে নিয়ে যান।

আল্লাহ এ সব রোগ আমাদের না দিক,
কারন একটা রোগী জানে কত প্রকার ভোগান্তি সে পোহায়।

17/04/2026

“মাসিক ঠিকমতো হয় না…
মুখে ব্রণ যাচ্ছে না…
ওজন বাড়ছে, কমানো যাচ্ছে না…
চুল পড়ছে…
আবার মুখে-থুতনিতে লোম গজাচ্ছে…”
অনেক মেয়েই এগুলো আলাদা আলাদা সমস্যা মনে করে বছরের পর বছর পার করে দেয়।
কিন্তু
এই সমস্যাটার নাম Polycystic O***y Syndrome (PCOS)

আসলে PCOS কী?
শুধু “ওভারিতে সিস্ট” না
এটা একটা হরমোনের সমস্যা।
অনেকে রিপোর্টে “cyst” না দেখলে ভাবে সমস্যা নাই।
cyst না থাকলেও PCOS থাকতে পারে।

সবচেয়ে কমন যেগুলো আমরা প্রতিদিন দেখি
মাসিক অনিয়মিত
২-৩ মাস পরপর মাসিক
কারো আবার মাসিকই হয় না
বিয়ে হওয়ার পর বাচ্চা নিতে সমস্যা
ডিম্বাণু ঠিকমতো তৈরি বা বের হয় না
মুখে ব্রণ (বিশেষ করে jawline এ)
ত্বক তেলতেলে
থুতনি, গলা, বুক বা পেটে অস্বাভাবিক লোম
মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
ওজন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া
ডায়েট করেও কমাতে কষ্ট

**কারো শুধু মাসিক সমস্যা
কারো শুধু ব্রণ
কারো শুধু লোম বা চুল পড়া থাকে...
এই কারণেই অনেকেই বুঝতেই পারে না
সবগুলো আসলে একটাই সমস্যার অংশ।

এতে কি হয় আসলে.?
হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট হয়ে যায়
শরীরে “পুরুষ হরমোন” এর প্রভাব বেড়ে যায়
ডিম্বাণু ঠিকমতো তৈরি বা বের হতে পারে না
ফলাফল
মাসিক গোলমাল
ব্রণ, লোম
বাচ্চা নিতে সমস্যা

আরও কিছু সাইলেন্ট সাইন
অনেকে গলা, বগল, বা বুকের নিচে কালচে দাগ লক্ষ্য করেন
এটা অনেক সময় “ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স” এর লক্ষণ
মানে
শরীর ঠিকমতো সুগার ব্যবহার করতে পারছে না

কেন এটা সিরিয়াস?
অনেকে ভাবেন
“এটা তো শুধু ব্রণ বা মাসিকের সমস্যা”
কিন্তু আসলে
ভবিষ্যতে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে
বাচ্চা নিতে সমস্যা হয়
দীর্ঘদিন মাসিক না হলে জরায়ুর সমস্যা হতে পারে

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
যদি দেখেন
মাসিক ঠিকমতো হচ্ছে না
বাচ্চা নিতে সমস্যা
ব্রণ যাচ্ছে না
অস্বাভাবিক লোম
চুল পড়ছে
ওজন হঠাৎ বাড়ছে
দেরি না করে চেকআপ করুন

PCOS একদিনে হয় না,
আর একদিনে ঠিকও হয় না।
কিন্তু
সময়মতো ধরতে পারলে
লাইফস্টাইল ঠিক করলে
চিকিৎসা নিলে
একদম স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব।
অনেকেই বছরের পর বছর এই সমস্যাগুলো নিয়ে চুপ করে থাকে,
লজ্জা পায়, অবহেলা করে…

আপনি এমন কাউকে চেনেন?
তাহলে এখনি তাঁকে বলুন, হরমোন বিশেষজ্ঞ কাউকে দেখিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে।

Address

Kushtia

7000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Afifa posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share