শব্দের জরায়ু

  • Home
  • শব্দের জরায়ু

শব্দের জরায়ু "মহাজাগতিক শূন্যতা ও অস্তিত্বের স্পর্ধিত উচ্চারণ।

"মসজিদে মানুষের রক্ত, গুলি করে রেখে গেছে।গাজাও না, ভারতও না, বাংলাদেশের খুলনায়।১৮ কোটি মুসলমানের দেশে, খোদার গজব নামসে।
14/06/2026

"মসজিদে মানুষের রক্ত, গুলি করে রেখে গেছে।
গাজাও না, ভারতও না, বাংলাদেশের খুলনায়।
১৮ কোটি মুসলমানের দেশে, খোদার গজব নামসে।

14/06/2026

"খোদা আমাকে মানুষ বানাল আমি হতে চেয়েছিলাম বই।
বাংলা বই। লাল মলাট।
মোমের আলোয় বালকেরা আমাকে গলা ছেড়ে পাঠ করত।
বাংলা বই। মোমের আলোয়।
খোদা আমাকে মানুষ বানাল কেউ পড়তে পারে না!

14/06/2026

"আমায় ছিঁড়ে খাও হে শকুন হে সীমান্তের শকুন
এক্ষুণি ছিঁড়ে খাও আমাকে।
হে আটলান্টিকের ইগল শিগগিরই খুবলে খাও আমাকে।
হে বৈকাল হ্রদের বাজ আছড়ে, কামড়ে ছিন্নভিন্ন করো আমাকে।
আমার রক্তরসে শুধুই অসহায়ত্ব আর অভাব।
কাগজের কামলারা তারে আদর করে মুদ্রাস্ফীতি ডাকে।
ঋণের চাপে নীল হয়ে যাচ্ছে আমার অণুচক্রিকা
সংসার চালাতে অন্তরে হয় ইন্টারনাল ব্লিডিং।
কী আশ্চর্য!

তবুও আমি মরছি না।
ওদিকে দোজখের ভয়ে আত্মহত্যা করবারও সাহস পাই না আমি।
খোদা কে বললাম, আমি মরতে চাই।
তিনি বললেন, বেঁচে আছ কে বলল?
সহস্রাব্দ উন্নয়নের সাক্ষী হিসেবে রাজা তোমাকে মমি করে রেখেছেন।
বাজারে দীর্ঘশ্বাস ফেললে নাকি রাজ্যের ভীষণ বদনাম হয়, রাজারও মন খারাপ হয় খুব।
কোতোয়ালরা ফরমান জারি করেছে আমাকে সারাক্ষণ হাসতে হবে।

নইলে দেশি কুকুর আর বিদেশি মাগুরকে একবেলা ভালোমন্দ খাওয়ানো হবে আমার মাংস দিয়ে।
নিত্যদিন ব্রয়লারের ভুঁড়ি নাকি ওদের ভালো লাগে না।
অথবা আমাকে ভাগ দিয়ে বেচা হবে।
মানুষেরও তো মানুষ খাওয়ার স্বাদ হতে পারে, তাই না?
ভাগ্যিস তা বিদেশি সুপারশপে বিক্রি হবে না!
দেশি মানুষেরই তো হক বেশি আমাকে খাওয়ার।

এ দোজখই যখন নিয়তি তখন আমি উদাম হয়ে ডাকছি
দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মাংসাশী বিহগদের।
হে ইগল, চিল ও ভয়ঙ্কর বাজেরা, হে সাম্রাজ্যবাদী সাহসী শকুনেরা, তোমরা F-35 এর মতো MiG-29 এর মতো
দল বেঁধে হামলে পড়ো আমার বুকে।
আমার রান, থান, চক্ষু কলিজা আজ সব তোমাদের গনিমতের মাল।
দেশি শুয়োর খুবলে খাওয়ার আগেই
মাকে ইচ্ছেমতো ছিঁড়ে খাও তোমরা।
দোহাই, ধু মস্তিষ্কটা খেও না আমার।
তাহলে শীঘ্রই দাস হয়ে যাবে তোমরাও।

13/06/2026

"আলহামদুলিল্লাহ, আবারও ভারতের বিমান ধ্বংস! ভারতের আসামের জোরহাট বিমান ঘাঁটিতে অবতরণের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি এএন-৩২ পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবতরণ কার্যক্রম চলাকালীন এই ঘটনাটি ঘটে। হতাহতের সংখ্যা এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি।

📍 জোরহাট, আসাম, ভারত

"মহাকালের মহাকাব্য: সার্বভৌমত্বের রূপরেখাশূন্যের জঠরে লেগে আছে সার্বভৌমত্বের আদিম ঘ্রাণ,নক্ষত্র ছিঁড়ে যে সত্তা জেগেছে, স...
12/06/2026

"মহাকালের মহাকাব্য: সার্বভৌমত্বের রূপরেখা
শূন্যের জঠরে লেগে আছে সার্বভৌমত্বের আদিম ঘ্রাণ,
নক্ষত্র ছিঁড়ে যে সত্তা জেগেছে, সে তো কোনো ভৌগোলিক সীমানা নয়, সে এক অবিনশ্বর প্রাণের কম্পন।
মহাজাগতিক ধুলোয় যেখানে লেখা হয় সাম্রাজ্যের ক্ষয়িষ্ণু ইতিহাস, সেখানে এই পলিমাটি এক স্পর্ধিত ব্যতিক্রম।
সময় যেখানে কৃষ্ণগহ্বরের মুখে নতজানু, সেখানে এক টুকরো সার্বভৌমত্বই অনন্তের বুকে আমাদের শেষ নোঙর।

অস্তিত্বের গহীনে এক বিদ্রোহী সত্তা মিথ্যা শৃঙ্খলের অবসান: প্রচলিত যে সত্যকে পৃথিবী শৃঙ্খল বলে পুজো করে, এ মাটি তাকে বারংবার অস্বীকার করেছে।
মৃত্যুহীন চেতনা: মৃত্যু এখানে শেষ কথা নয়; বরং তা সার্বভৌমত্বের এক অনন্ত রূপান্তর, যা ধূলিকণাকে মহাবিশ্বের অধিপতি বানায়।

সময়ের ঊর্ধ্বে অবস্থান: ঘড়ির কাঁটা যাকে বাঁধতে পারে না, সেই কালান্তরের স্বাধীনতা মিশে আছে আমাদের রক্তের স্পন্দনে। সার্বভৌমত্ব কোনো দান নয়, এটি মহাবিশ্বের বুকে মানুষের অস্তিত্বের প্রথম ও শেষ আত্মচিৎকার।

নিচে এই গভীর সত্যের ওপর ভিত্তি করে একটি কবিতা প্রকাশ করা হলো: অনাদি অবয়ব মহাকালের জরায়ুতে যে বীজ বুনেছিল আদিম অন্ধকার, সেখানে সার্বভৌমত্ব কোনো ভূখণ্ডের জ্যামিতি নয়, সে এক অবাধ্য গ্যালাক্সির নিজস্ব অক্ষ, একাকী অহংকার। প্রচলিত যে সত্যকে মানুষ নিয়তি বলে মাথা নোয়ায়, এই মাটি তার কপালে এঁকে দেয় এক অনন্ত বিদ্রোহের উল্কি।

সময় তো এক চতুর শিকারী, প্রতি পলকে গ্রাস করে অস্তিত্বের কঙ্কাল, তবুও এই মানচিত্রের গভীরে ঘুমিয়ে আছে এক মৃত্যুহীন নদীর স্রোত।
প্রকৃতি যেখানে ঝড়ের দোহাই দিয়ে কেড়ে নিতে চায় নিজস্ব আকাশ, সেখানে প্রতিটি ধূলিকণা এক-একটি জ্বলন্ত সূর্য হয়ে জবাব দেয়।

আমরা তো কোনো খণ্ডকালের দাস নই, আমরা এক অখণ্ড চেতনার অধিপতি।
ভৌগোলিক সীমানা সে তো কেবলই মানুষের তৈরি এক মরীচিকা, প্রকৃত স্বাধীনতা তো লুকিয়ে আছে শূন্যতা আর পূর্ণতার সন্ধিক্ষণে।

যেখানে নক্ষত্ররা নিভে যায় মহাবিশ্বের অমোঘ নিয়মে,
সেখানে এই সার্বভৌমত্বের পতাকা ওড়ে এক চিরন্তন অস্তিত্বের স্পর্ধায়।
সাধারণ চোখ যাকে মাটি বলে, তার ভেতরেই স্পন্দিত হয় এক ব্রহ্মাণ্ডের প্রাণ।

উপসংহার: সবচেয়ে গভীর সত্যটি লুকিয়ে থাকে শেষ লাইনে, যা সমস্ত চেনা বাস্তবতাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়।
"আমরা যাকে স্বাধীনতা বলে আলিঙ্গন করি, তা আসলে মহাবিশ্বের বুকে আমাদের আদিম একাকীত্বের এক সার্বভৌম উদযাপন।

12/06/2026

"নবীন কিশোর, তোমাকে দিলাম ভুবনডাঙ্গার মেঘলা আকাশ, তোমাকে দিলাম বোতাম-বিহীন ছেঁড়া শার্ট আর ফুসফুস-ভরা হাসি, দুপুর-রৌদ্রে পায়ে-পায়ে ঘোরা, রাত্রির মাঠে চিত হয়ে শুয়ে থাকা।

এসব এখন তোমারই, তোমার; হাত ভরে নাও আমার অবেলা, আমার দুঃখ-বিহীন দুঃখ, ক্রোধ, শিহরণ।
নবীন কিশোর, তোমাকে দিলাম আমার যা কিছু ছিল আবরণ, জ্বলন্ত বুকে কফির চুমুক, সিগারেট চুরি, জানালার পাশে বালিকার প্রতি বারবার ভুল পুরুষ-বাক্য, কবিতার কাছে হাঁটু মুড়ে বসা।

ছড়িয়ে আচ্ছা-লাস্ট-গুড-বাই মানে মানুষের পাক, মানুষের মতো আর যা কিছু— বুক-চেরা তীব্র তাপ, তার অনুমানে শরীরের পিঠে ধুলো-বালি, রূপোর আলো, কার চুল, কার চোখ; এখানে ওখানে ছড়ানো অবিন্যস্ত বিষাদ, এ-সবই তো তোমারই, এসবই আমার পুরোনো পুঁজিতে ধরা বড়ো প্রিয় শীল‌।

যা এখন সুদে আসলে মাইনেয় তোমাকেই দিলাম। নবীন কিশোর ইচ্ছে হলে তোমাকেই জোড়া আর তোড়া গ্রিনহাউসে দূরে ফেলে দেওয়া যায়, খুশি ধোঁয়া-ধোঁয়া করে আমার তোমার আয়ুসী সব কিছুতেই ভরসা ধুয়ে।

12/06/2026

"প্রবর রিপন: জীবন, সাহিত্য ও সঙ্গীতের এক মহাকাব্যিক সার্কাস।
প্রারম্ভিক জীবন ও বেড়ে ওঠা প্রবর রিপন ১৯৮৯ সালের ১০ই জুন বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ঝিনাইদহের প্রগতিশীল ও সাংস্কৃতিক আবহে বেড়ে ওঠার কারণে ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি তাঁর গভীর অনুরাগ তৈরি হয়। বিশেষ করে শূন্য দশকের শুরুতে তিনি ঢাকার সাহিত্য ও লিটলম্যাগ আন্দোলনের একজন অন্যতম সক্রিয় কর্মী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

লিটলম্যাগ আন্দোলন ও সাহিত্যচর্চা
বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে বাংলাদেশের লিটলম্যাগ আন্দোলনে প্রবর রিপনের অবদান অনস্বীকার্য।
কালনেত্র' সম্পাদনা: শূন্য দশকের অন্যতম প্রভাবশালী ও ব্যতিক্রমী লিটলম্যাগ ছিল 'কালনেত্র'। প্রবর রিপন নিজেই এই লিটলম্যাগটির সম্পাদনার সাথে যুক্ত ছিলেন। ২০০০ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ বছরে অত্যন্ত মানসম্পন্ন এই ম্যাগাজিনটির মোট ৭টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল, যা তৎকালীন তরুণ লেখকদের জন্য একটি বড় প্ল্যাটফর্ম ছিল।

কবিতা ও কাব্যনাটক: কবি হিসেবে প্রবর রিপন নিজস্ব এক শক্তিশালী ও অন্ধকারাচ্ছন্ন ভাষাভঙ্গি তৈরি করেছেন। ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতার বই

নৈঃশব্দের মৃত্যু। এরপর ২০১১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'আমার নাম অসুখ। কবিতার পাশাপাশি নাটকের প্রতি আগ্রহ থেকে ২০১৪ সালে তিনি রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কাব্যনাটক লবণখোর।

প্রথম ব্যান্ড: মনোসরণী (২০০৪ - ২০১২)
২০০২-০৩ সালের দিকে প্রবর রিপন প্রথাগত লেখার বাইরে গিয়ে নিজের কথাগুলোকে সুর দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। সেই ভাবনা থেকেই ২০০৪ সালে সমমনা কিছু তরুণদের সাথে নিয়ে তিনি যৌথভাবে গঠন করেন বিকল্প ধারার গানের দল 'মনোসরণী।

এই ব্যান্ডের হয়ে প্রবর রিপন এমন কিছু গান লেখেন ও সুর করেন যা সাধারণ শ্রোতাদের চেনা ছকের বাইরের ছিল।
দীর্ঘ অপেক্ষার পর মনোসরণীর একমাত্র আত্মপ্রকাশকারী অ্যালবামটি প্রকাশিত হয়। এই অ্যালবামের 'মাকে লেখা চিঠি', 'নির্জনের গান'-এর মতো গানগুলো শ্রোতামহলে বেশ প্রশংসিত হয়। তবে প্রথম অ্যালবামের পর অভ্যন্তরীণ ও নানাবিধ কারণে দলটির কার্যক্রম চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

এক নতুন অধ্যায়: সোনার বাংলা সার্কাস (২০১৮ - বর্তমান, মনোসরণী ভেঙে যাওয়ার পর বেশ কয়েক বছর প্রবর রিপন সঙ্গীত থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও ভেতরে ভেতরে এক বড় ক্যানভাসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ২০১৮ সালের মে মাসে তিনি একদল তরুণ ও প্রতিভাবান মিউজিশিয়ানদের সাথে নিয়ে গঠন করেন সাইকেডেলিক রক ব্যান্ড সোনার বাংলা সার্কাস। এই ব্যান্ডের মূল চালিকাশক্তি, ভোকাল এবং গানের বাণী ও সুরের রূপকার প্রবর নিজেই।

হায়েনা এক্সপ্রেস (২০২০) ২০২০ সালে প্রকাশিত হয় সোনার বাংলা সার্কাসের প্রথম কনসেপ্ট অ্যালবাম 'হায়েনা এক্সপ্রেস'। ৯টি গানের এই অ্যালবামটি বাংলা ব্যান্ড মিউজিকের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হয়। মানুষের লোভ, পুঁজিবাদ, আত্মিক সংকট এবং সমাজের নিষ্ঠুরতাকে এক সুতোয় গেঁথে তৈরি এই অ্যালবামটির 'অন্ধকার ঘর', 'হায়েনা এক্সপ্রেস', কিংবা 'মৃত্যু কি একটা সমাধান?' গানগুলো তরুণ প্রজন্মের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করে।

মহাশ্মশান (২০২৬) দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ব্যান্ডটি তাদের দ্বিতীয় ডাবল-অ্যালবাম মহাশ্মশান প্রকাশ করে। প্রথম অ্যালবামের দার্শনিক ধারাকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে সুর ও বাণীর এক অভাবনীয় মেলবন্ধন দেখা গেছে এই অ্যালবামে।

শিল্পাদর্শ ও মূল্যায়ন ব্যক্তিজীবনে প্রবর রিপন একজন প্রচারবিমুখ ও আত্মমগ্ন শিল্পী। মঞ্চে পারফর্ম করার সময় তাঁর আবেগঘন গায়কী এবং তীব্র বাচনভঙ্গি, শ্রোতাদের এক সম্মোহনী ঘোরের মধ্যে নিয়ে যায়। তিনি কেবল একজন বিনোদনদায়ক গায়ক নন, বরং তাঁর গান ও কবিতার মাধ্যমে সমাজের কুৎসিত দিকগুলোকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া একজন আধুনিক দ্রোহী শিল্পী।
সাহিত্য, লিটলম্যাগ এবং প্রগতিশীল বাংলা রক মিউজিকের ইতিহাসে প্রবর রিপন নিজের সৃষ্টি দিয়ে ইতিমধ্যে একটি স্থায়ী আসন তৈরি করে নিয়েছেন।

23/03/2025

ভাবাযাইএগুলা? একবার কল্পনা করুন এই মেয়ে আপনার বউ-🤣

21/03/2025

হিটলার ইহুদিতের পুরোপুরি শেষ করে নাই যার ফল একজন গাজাবাসী পোহাচ্ছে, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবল্টুর পুরো পরিবার শেষ করা হয় নাই যার ফল জাতি গত ১৬ বছর ভোগ করেছে, এখনো কি আবার সেই একই ভুল করবেন?
এখনো কি শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানি করবেন?

Send a message to learn more

Address

Motijheel

1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শব্দের জরায়ু posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share