Al Aqsa Pharmacy

  • Home
  • Al Aqsa Pharmacy

Al Aqsa Pharmacy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al Aqsa Pharmacy, Medical and health, Puraton Muhurigonj Bazar, .

❓জটিল রোগ নাম শুনে ঘাবড়ে যান?🤔 বুঝতে সমস্যা হয় কোন ওষুধ কী কাজে লাগে? এই পেইজে আপনি পাবেন ✅ সহজ ভাষায় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সম্পর্কিত তথ্য✅ ওষুধের নাম, কাজ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
✅ ঘরোয়া সচেতনতা ও প্রাথমিক চিকিৎসা✅ সতর্কতা ও পরামর্শ
লাইক দিয়ে পাশে থাকুন।

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (...
04/05/2026

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?

আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (side effect) নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখি।
কিন্তু অনেকেই জানি না যে, ঔষধের ইন্টারঅ্যাকশন বা মিশ্রক্রিয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন কী?
সহজভাবে বলতে গেলে, যখন দুই বা ততোধিক ঔষধ একসাথে সেবন করা হয় এবং তারা একে অপরের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে তখন তাকে ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন বলা হয়।

এর ফলে যা হতে পারে:
কোনো ঔষধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে,
সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে,
আবার কখনো কখনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বেড়ে যেতে পারে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:
টেট্রাসাইক্লিনসমূহ + আয়রন, ক্যালসিয়াম বা জিঙ্ক সমৃদ্ধ ঔষধ
একসাথে সেবন করা উচিত নয়।
Tetracycline, Doxycycline (এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক)
আর Iron / Calcium / Zinc (মিনারেল)।
এই মিনারেলগুলো (Iron, Calcium, Zinc) Tetracycline, Doxicycline এর সাথে বন্ধন (binding) তৈরি করে। ফলে ওষুধটি শরীরে ঠিকভাবে শোষিত হতে পারে না এবং এর কার্যকারিতা কমে যায়।

করণীয় :
Tetracycline, Doxycycline ও Iron/Calcium/Zinc একসাথে না খেয়ে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধান রাখা প্রয়োজন। এতে করে ওষুধটি সঠিকভাবে কাজ করতে পারবে এবং চিকিৎসার ফলাফল ভালো হবে।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন
ঔষধ শুধুমাত্র সেবন করলেই হয় না। সঠিকভাবে সেবন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে জানতে চাইলে জানাবেন।
ধারাবাহিকভাবে আরও তথ্য শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

ধন্যবাদ 😊

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (...
02/05/2026

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?

আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (side effect) নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখি।
কিন্তু অনেকেই জানি না যে, ঔষধের ইন্টারঅ্যাকশন বা মিশ্রক্রিয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন কী?
সহজভাবে বলতে গেলে, যখন দুই বা ততোধিক ঔষধ একসাথে সেবন করা হয় এবং তারা একে অপরের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে তখন তাকে ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন বলা হয়।

এর ফলে যা হতে পারে:
কোনো ঔষধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে,
সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে,
আবার কখনো কখনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বেড়ে যেতে পারে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:
ঘরের অনেক বয়স্ক মানুষ হার্টের সুরক্ষার জন্য নিয়মিত Ecosprin 75 mg (Aspirin) সেবন করেন। এই ওষুধটি একদিকে হালকা ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, অন্যদিকে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। অন্যদিকে Warin 5 mg (Warfarin) একটি শক্তিশালী anticoagulant, যা রক্তকে পাতলা রাখার মাধ্যমে শরীরে clot তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে।

এই দুইটি ওষুধ একসাথে সেবন করলে সমস্যা তৈরি হতে পারে, কারণ দুটিই ভিন্ন উপায়ে রক্ত জমাট বাঁধা কমায়। ফলে একসাথে ব্যবহার করলে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে রক্তক্ষরণ শুরু হতে পারে, যেমন নাক দিয়ে রক্ত পড়া, প্রস্রাব বা পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া, এমনকি শরীরের ভেতরেও বিপজ্জনক রক্তক্ষরণ হতে পারে।

করণীয় :
এই দুটি একসাথে খেলে রক্ত অতিরিক্ত পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং মারাত্মক রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এগুলো একসাথে সেবন করা উচিত নয়।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন
ঔষধ শুধুমাত্র সেবন করলেই হয় না। সঠিকভাবে সেবন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে জানতে চাইলে জানাবেন।
ধারাবাহিকভাবে আরও তথ্য শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

ধন্যবাদ 🙏

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (...
02/05/2026

ঔষধের সাইড ইফেক্ট আমরা অনেকেই জানি… কিন্তু ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে কি জানেন?

আমরা সাধারণত ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (side effect) নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখি।
কিন্তু অনেকেই জানি না যে, ঔষধের ইন্টারঅ্যাকশন বা মিশ্রক্রিয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন কী?
সহজভাবে বলতে গেলে, যখন দুই বা ততোধিক ঔষধ একসাথে সেবন করা হয় এবং তারা একে অপরের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে তখন তাকে ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন বলা হয়।

এর ফলে যা হতে পারে:
কোনো ঔষধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে,
সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে,
আবার কখনো কখনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বেড়ে যেতে পারে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ:
যেসব বিবাহিত নারী জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি (যেমন: Femicon, Minicon, সুখী ইত্যাদি) সেবন করেন
তারা যদি একই সাথে Amoxicillin জাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক (যেমন: Moxacil, Moxaclav, Demoxiclav ইত্যাদি) গ্রহণ করেন,
তাহলে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। এর ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

করণীয়:
এ ধরনের পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি
প্রয়োজনে বিকল্প জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি যেমন কনডম ব্যবহার করা উচিত।
অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে অন্য গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণ করা যেতে পারে।

সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন
ঔষধ শুধুমাত্র সেবন করলেই হয় না। সঠিকভাবে সেবন করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ ধরনের আরও গুরুত্বপূর্ণ ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন সম্পর্কে জানতে চাইলে জানাবেন।
ধারাবাহিকভাবে আরও তথ্য শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ।

ধন্যবাদ 🙏

29/04/2026

📖 পা ফুলে যাওয়া (Edema) –

পা ফুলে যাওয়া একটি খুব সাধারণ সমস্যা। চিকিৎসা ভাষায় একে এডিমা (Edema) বলা হয়।
এটি সাধারণত তখন হয়, যখন শরীরের টিস্যুর মধ্যে অতিরিক্ত পানি বা তরল জমে যায়।
👉 আমাদের শরীরে রক্তনালী দিয়ে সবসময় তরল চলাচল করে।
কিছু পরিমাণ তরল স্বাভাবিকভাবেই টিস্যুতে যায় এবং আবার রক্তনালীতে ফিরে আসে।
কিন্তু যখন এই ভারসাম্য নষ্ট হয়—অর্থাৎ
বেশি তরল বের হয়ে যায়, অথবা
কম পরিমাণে ফিরে আসে,
তখনই পা ফুলে যায়।
👉 পা সাধারণত নিচের দিকে থাকে, তাই মাধ্যাকর্ষণের কারণে (gravity) এখানে তরল সহজে জমে—এই জন্য পায়ে ফোলা বেশি দেখা যায়।
👉 পা ফোলা কখনও সাময়িক ও ক্ষতিকর নয়, আবার কখনও এটি গুরুতর রোগের লক্ষণও হতে পারে—তাই কারণ জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

🟢 পা ফুলে যাওয়ার সাধারণ কারণ-
১. ⏳ দীর্ঘ সময় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকা
অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের রক্ত সঠিকভাবে উপরে উঠতে পারে না। ফলে নিচে তরল জমে ফোলা দেখা দেয়।
👉 যেমন: দীর্ঘ ভ্রমণ, অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ
২. 🧂 অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
লবণ বেশি খেলে শরীরে পানি ধরে রাখে (water retention)।
👉 ফলে পা ও শরীরের অন্যান্য অংশে ফোলা হতে পারে।
৩. 🌡️ গরম আবহাওয়া
গরমে শরীরের রক্তনালী একটু প্রসারিত হয়, ফলে তরল বাইরে বের হয়ে টিস্যুতে জমতে পারে।
👉 এজন্য গরমকালে অনেকের পা ফুলে যায়।
৪. 🤰 গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় শরীরে স্বাভাবিকভাবেই বেশি পানি জমে এবং জরায়ুর চাপের কারণে পায়ের রক্ত চলাচল কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়।
👉 ফলে পা ফুলে যাওয়া সাধারণ ব্যাপার।
৫. ⚖️ ওজন বেশি হওয়া (স্থূলতা)
অতিরিক্ত ওজন পায়ের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা করে।
👉 ফলে ধীরে ধীরে পা ফুলে যেতে পারে।
৬. 🧦 টাইট কাপড় বা মোজা পরা
খুব টাইট কাপড় বা মোজা পায়ের রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত করে।
👉 এতে পা ফুলে যেতে পারে।
৭. 💊 কিছু ওষুধের প্রভাব
কিছু ওষুধ খেলে শরীরে পানি জমতে পারে।
👉 যেমন:
উচ্চ রক্তচাপের কিছু ওষুধ
স্টেরয়েড
হরমোনাল ওষুধ

👉 মনে রাখবেন:
এই সাধারণ কারণগুলোতে পা ফুলে গেলে সাধারণত বিশ্রাম নিলে বা কারণ দূর করলে ভালো হয়ে যায়।
কিন্তু যদি ফোলা দীর্ঘদিন থাকে বা অন্য উপসর্গ থাকে, তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

রোগের কারণে পা ফুলে যাওয়া-

❤️ হার্টের সমস্যা (হার্ট ফেইলিউর)
হার্ট যদি ঠিকমতো রক্ত পাম্প করতে না পারে, তাহলে রক্ত ও পানি শরীরের নিচের দিকে (পা) জমে যায়।
👉 লক্ষণ:
দুই পা-ই ফুলে যায়
শ্বাসকষ্ট, বিশেষ করে শোয়ার সময়
সহজে ক্লান্ত লাগে
🩺 কিডনির রোগ
কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের করে। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পানি জমে যায়।
👉 লক্ষণ:
পা ছাড়াও মুখ ও চোখের পাতা ফুলে যায়
প্রস্রাব কমে যায় বা ফেনা হয়
শরীর ভারী লাগে
🟤 লিভারের রোগ (যেমন সিরোসিস)
লিভারের সমস্যা হলে রক্তের প্রোটিন (albumin) কমে যায়, ফলে পানি শরীরের টিস্যুতে চলে আসে।
👉 লক্ষণ:
পা ও পেট (ascites) ফুলে যায়
শরীর দুর্বল লাগে
কখনও চোখ-মুখ হলুদ হয়ে যায়
🟣 রক্তনালীর সমস্যা (ভ্যারিকোজ ভেইন / ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি)
পায়ের রক্তনালী দুর্বল হলে রক্ত নিচে জমে থাকে এবং উপরে উঠতে পারে না।
👉 লক্ষণ:
অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে ফোলা বাড়ে
পায়ের শিরা ফুলে দেখা যায়
ভারী বা ব্যথা লাগে
🔵 রক্ত জমাট বাঁধা (Deep Vein Thrombosis – DVT)
পায়ের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধলে হঠাৎ পা ফুলে যায়—এটা বিপজ্জনক হতে পারে।
👉 লক্ষণ:
সাধারণত এক পা হঠাৎ ফুলে যায়
ব্যথা, লালচে ভাব, গরম অনুভব
হাঁটলে ব্যথা বাড়ে
🟢 ইনফেকশন বা আঘাত
পায়ে কোনো সংক্রমণ বা আঘাত হলে ওই জায়গায় ফোলা দেখা দেয়।
👉 লক্ষণ:
লালচে, গরম, ব্যথাযুক্ত ফোলা
জ্বর থাকতে পারে
🟡 লিম্ফ্যাটিক সমস্যা (Lymphedema)
লিম্ফ নামক তরল ঠিকমতো বের হতে না পারলে ধীরে ধীরে পা ফুলে যায়।
👉 লক্ষণ:
ধীরে ধীরে ফোলা বাড়ে
চামড়া মোটা বা শক্ত হয়ে যায়
চাপ দিলে সহজে দাগ পড়ে না

Dr. Tanvir Mahmud

হামের ভ্যাক্সিনে কি? হামের ভ্যাক্সিনের ভিতরে কি থাকে? হামের ভ্যাকসিনে মূলত থাকে Measles virus (হাম ভাইরাস)–এর একটি দুর্ব...
18/04/2026

হামের ভ্যাক্সিনে কি?
হামের ভ্যাক্সিনের ভিতরে কি থাকে?
হামের ভ্যাকসিনে মূলত থাকে Measles virus (হাম ভাইরাস)–এর একটি দুর্বল করা রূপ, যাকে বলা হয় live attenuated virus। এই ভাইরাসটি বিশেষভাবে ল্যাবে এমনভাবে দুর্বল করা হয় যাতে এটি মানবদেহে প্রবেশ করলেও স্বাভাবিকভাবে রোগ সৃষ্টি করতে না পারে। অর্থাৎ এটি জীবিত থাকে, কিন্তু তার রোগ সৃষ্টির ক্ষমতা অনেকাংশে কমিয়ে দেওয়া হয়।
যখন এই ভ্যাকসিন শরীরে প্রবেশ করে, তখন এটি ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে তোলে। আমাদের শরীর এই দুর্বল ভাইরাসটিকে “বাইরের শত্রু” হিসেবে চিনে নেয় এবং এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শরীর অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং একই সঙ্গে কিছু “মেমোরি সেল” তৈরি করে, যা ভবিষ্যতে একই ভাইরাসকে চিনে রাখতে সাহায্য করে।
ফলে পরবর্তীতে যদি কোনো সময় আসল, শক্তিশালী Measles virus শরীরে প্রবেশ করে, তখন শরীর আগেই প্রস্তুত থাকে। ইমিউন সিস্টেম দ্রুত সেই ভাইরাসকে চিনে ফেলে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে অ্যান্টিবডি সক্রিয় হয়ে ভাইরাসকে ধ্বংস করে দেয়। এর ফলে রোগটি হয় না, অথবা হলেও খুবই হালকা আকারে দেখা দেয়।

সহজভাবে বোঝার জন্য ভ্যাকসিনকে একটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা যায়। যেমন কোনো সেনাবাহিনী যুদ্ধের আগে অনুশীলন করে প্রস্তুতি নেয়, তেমনি ভ্যাকসিন আমাদের শরীরকে আসল রোগের বিরুদ্ধে আগেই প্রশিক্ষিত করে তোলে। এই প্রশিক্ষণের ফলে ভবিষ্যতে আসল সংক্রমণ এলে শরীর দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রতিরোধ করতে পারে।

এই কারণেই হামের ভ্যাকসিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি শিশুদের মারাত্মক সংক্রামক হাম রোগ থেকে সুরক্ষা দিবে ইনশাআল্লাহ ।

Measles (হাম) চিহ্নিত করার কিছু ভাইটাল সাইন বা লক্ষণ। ১. Conjunctivitis... চোখ লাল হয়ে যায় এবং পানি পড়ে।২. Koplik spots....
31/03/2026

Measles (হাম) চিহ্নিত করার কিছু ভাইটাল সাইন বা লক্ষণ।

১. Conjunctivitis... চোখ লাল হয়ে যায় এবং পানি পড়ে।

২. Koplik spots.... মুখের ভেতরে গালের পাশে ছোট সাদা দাগ, যা শরীরে র‍্যাশ ওঠার ১-২ দিন আগে দেখা যায়।

৩. ত্বকের র‍্যাশ.... লাল লাল দাগ (অনেকটা আর্টিকেরিয়ার মত মনে হতে পারে), প্রথমে মুখ ও কানের পিছনে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

৪. জ্বর... সাধারণত ৩-৪ দিন স্থায়ী হয়। র‍্যাশ ওঠার সময় জ্বর আরও বেড়ে যেতে পারে। এর সাথে কাশি ও সর্দিও থাকে।

যা করতে পারেন।
১. জ্বর ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণ
Paracetamol জ্বর কমাতে
প্রয়োজন অনুযায়ী ডোজ (বয়স/ওজন অনুযায়ী)
Aspirin বা কোনো প্রকার পেইন কিলার দেওয়া যাবে না (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)

২. পর্যাপ্ত তরল ও পুষ্টি
বেশি করে পানি, ORS, দুধ, তরল খাবার পান করান।
কারণ ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৩. চোখের যত্ন।
পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ মুছা।
আলো কম এমন স্থানে রোগীকে রাখা (photophobia কমাতে)

৪. কাশি ও সর্দি
সিম্পটমেটিক ট্রিটমেন্ট।

৫. Vitamin A (খুব গুরুত্বপূর্ণ)
WHO অনুযায়ী Vitamin A দিলে জটিলতা কমে
সাধারণ ডোজ:

একটা বিষয় লক্ষ করলাম,রিসেন্টলি অনেকেরই জ্বর হওয়ার পর ঠোঁটের উপর বা নাকের নিচে ছোট ছোট ফোসকা দেখা যাচ্ছে।আমরা যেটাকে সাধা...
28/03/2026

একটা বিষয় লক্ষ করলাম,
রিসেন্টলি অনেকেরই জ্বর হওয়ার পর ঠোঁটের উপর বা নাকের নিচে ছোট ছোট ফোসকা দেখা যাচ্ছে।
আমরা যেটাকে সাধারণভাবে “জ্বর ঠোসা” বলি।

আসলে এটা কী?
এটা হলো হার্পিজ সিম্প্লেক্স, যা (HSV) নামের একটি ভাইরাসের কারণে হয়।
এই ভাইরাস একবার শরীরে ঢুকলে সারা জীবন লুকিয়ে থাকে (নার্ভে), আর সুযোগ পেলেই আবার সক্রিয় হয়।

কখন বেশি দেখা যায়?
• জ্বরের পর
• শরীর দুর্বল থাকলে
• স্ট্রেস বা ক্লান্তিতে
• রোদে বেশি থাকলে

লক্ষণ:
• ঠোঁট/নাকের পাশে ছোট পানিভর্তি ফোসকা
• জ্বালা বা ব্যথা
• পরে শুকিয়ে খোসা পড়ে যায়

এটা কি ছোঁয়াচে? হ্যাঁ!
• সরাসরি স্পর্শে
• চুমু খেলে
• একই গ্লাস/তোয়ালে ব্যবহার করলে ছড়াতে পারে

কী করবেন?
* জায়গা পরিষ্কার ও শুকনো রাখুন
* হাত না দেওয়া/খোঁচানো এড়িয়ে চলুন
* প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শে অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নিন

যেমন: এ্যাসাইক্লোভির ট্যাবলেট বা জেল সাধারণত দিনে ৫ বার ব্যবহার করা হয়...ইত্যাদি....

মনে রাখুন:
এটা সাধারণত ৭–১০ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তবে সচেতন থাকা জরুরি।

আর একটা কথা
বাসায় বউ যদি ঠোঁটে “জ্বর ঠোঁশা” নিয়ে ঘুরে, তাহলে আপাতত চুমুটা বন্ধ রাখুন 😃

ধন্যবাদ 🙏

#জ্বরঠোঁশা

খোসপাঁচড়া (Scabies)খোসপাঁচড়া একটি অত্যন্ত সংক্রামক চর্মরোগ।এটি Sarcoptes scabiei নামক একধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী (mite) দ্বা...
26/01/2026

খোসপাঁচড়া (Scabies)
খোসপাঁচড়া একটি অত্যন্ত সংক্রামক চর্মরোগ।
এটি Sarcoptes scabiei নামক একধরনের ক্ষুদ্র পরজীবী (mite) দ্বারা সৃষ্টি হয়,
যা ত্বকের ভেতরে ঢুকে ডিম পাড়ে এবং ত্বকে গর্ত তৈরি করে।

লক্ষণসমূহ
* প্রচণ্ড চুলকানি, বিশেষ করে রাতে বেশি
* ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা দানাদার গুটি
* কখনো লালচে দাগ বা আঁচড়ের চিহ্ন

যেসব জায়গায় বেশি দেখা যায়
• আঙুলের ফাঁকে
• কনুই, কবজি
• কোমর ও নাভির চারপাশে
• স্তনের নিচে
• যৌনাঙ্গ ও পশ্চাৎদেশে

চিকিৎসা
ব্যবহৃত ওষুধ
Permethrin 5% cream (সবচেয়ে কার্যকর)
সারা শরীরে মেখে ৮–১৪ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলতে হয়
Ivermectin ট্যাবলেট
কিছু ক্ষেত্রে মুখে খাওয়ার ওষুধ হিসেবে

বিকল্প ওষুধ
— Benzyl Benzoate
— Sulfur ointment

সহায়ক ব্যবস্থা
* আক্রান্ত ব্যক্তির কাপড়, বিছানার চাদর ও তোয়ালে
গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে

* পরিবারের সব সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা করা জরুরি

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
*চিকিৎসা চলাকালে যৌন বা ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন

*শুধু আক্রান্ত জায়গা নয়, সারা শরীরে ওষুধ ব্যবহার করতে হবে

18/01/2026

কেন PPI- বা গ্যাসের ঔষধের সঙ্গে Calcium Carbonate একসাথে দেওয়া উচিত নয় ?
বা ক্যালসিয়াম ও গ্যাসের ঔষধ একসাথে খাওয়া উচিত নয়?

PPI (Proton Pump Inhibitor) যেমন SerGel (esomeprazole) বা omeprazole, পাকস্থলীর অ্যাসিড নিঃসরণ কমিয়ে দেয়।

Calcium Carbonate শোষিত (absorb) হওয়ার জন্য পাকস্থলীর অ্যাসিড দরকার হয়।

তাই PPI দিলে পাকস্থলীতে অ্যাসিড কম থাকে → Calcium Carbonate-এর শোষণও কমে যায়।

সমাধান

PPI বা গ্যাসের ঔষধ সাধারণত সকালে খালি পেটে দেওয়া হয়, যাতে এর কাজ ভালো হয়।

Calcium Carbonate (যেমন Calbo-D) দুপুর বা রাতে খাওয়ানো ভালো—যখন পাকস্থলীতে কিছুটা অ্যাসিড থাকে।

এভাবে সময় আলাদা করলে ক্যালসিয়ামের শোষণ ভালো হবে।

উদাহরণ...

Tab. Calbo 0+1+0 → দুপুরে ১টা

Cap. Omep 20mg 1+0+1 → সকাল ও রাতে

এতে করে দুটো ওষুধের মধ্যে পর্যাপ্ত সময়ের ব্যবধান থাকবে (কমপক্ষে ৪ ঘণ্টা), আর শোষণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকবে না।

ধন্যবাদ।
আরও সহজে বিস্তারিত জানতে আসুন।
আল-আকসা ফার্মেসি
যোগাযোগ : 01774680479

Address

Puraton Muhurigonj Bazar

3903

Telephone

+8801774680479

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Aqsa Pharmacy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share