Dr S M Mamun Iqbal

Dr S M Mamun Iqbal Dr. S. M. Mamun Iqbal passed MBBS from Dhaka Medical College, MRCP from London College and MD from BSMMU.

He is a specialist in any cardiac management and cardiac intervention. He trained in interventional Cardiology in different countries.

05/09/2026
06/12/2025

উচ্চ কোলেস্টেরল সম্পর্কে জানুন:

উচ্চ কোলেস্টেরল একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা যা হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়। কোলেস্টেরল শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কোলেস্টেরলের প্রকারভেদ:

১. এলডিএল (Low-Density Lipoprotein): এটি "খারাপ" কোলেস্টেরল। উচ্চ এলডিএল স্তর হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়, কারণ এটি ধমনীর দেয়ালে জমা হতে পারে।

২. এইচডিএল (High-Density Lipoprotein): এটি "ভাল" কোলেস্টেরল। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল সরাতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

৩. ট্রাইগ্লিসারাইডস: এটি অন্য একটি ধরনের চর্বি যা রক্তে থাকে। উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড স্তরও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণ:

- অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।
- শারীরিক কার্যকলাপের অভাব।
- ধূমপান: ধূমপান কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়।
- অতিরিক্ত ওজন: ওজন বাড়লে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে।
- পারিবারিক ইতিহাস: যদি পরিবারের কেউ উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত হন।

লক্ষণগুলো:

- ক্লান্তি
- শারীরিক অস্বস্তি
- বুকের ব্যথা
- হৃদরোগের লক্ষণ

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের উপায়:

১. স্বাস্থ্যকর খাদ্য:
- ফল, সবজি, সম্পূর্ণ শস্য, এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডযুক্ত খাবার (যেমন মাছ) খান।
- স্যাচুরেটেড এবং ট্রান্স ফ্যাট কমান।

২. নিয়মিত ব্যায়াম:
- সপ্তাহে অন্তত 150 মিনিটের হালকা ব্যায়াম করুন (যেমন হাঁটা বা সাইকেল চালানো)।

৩. ধূমপান পরিহার:
- ধূমপান বন্ধ করুন।

চিকিৎসা : ওষুধ

- স্ট্যাটিনস: এই ওষুধগুলি এলডিএল স্তর কমাতে সাহায্য করে।
- নিকোটিন অ্যাসিড: এটি এইচডিএল স্তর বাড়াতে সাহায্য করে।
- ফাইবার-অ্যাসিড: এটি ট্রাইগ্লিসারাইড স্তর কমাতে সাহায্য করে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অন্যান্য ওষুধও ব্যবহার করা যেতে পারে।

কোলেস্টেরলের মাত্রা পরীক্ষা:

আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নির্ধারণ করার জন্য নিয়মিত পরীক্ষা করানো উচিত। সাধারণত, ২০ বছর বয়সের পর প্রতি ৫ বছর পর পর কোলেস্টেরল পরীক্ষা করানো উচিত।

সতর্কতা:

উচ্চ কোলেস্টেরল নিয়ে উদ্বেগ থাকলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। আপনার স্বাস্থ্যের জন্য এটি গুরুতর হতে পারে, তাই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং নিয়মিত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

03/07/2023

কোরবানি ঈদে প্রোটিন ও ফ্যাট বেশি খাওয়া হয় বলে পরিপাকতন্ত্রে হঠাৎ করে চাপ বাড়ে। আর গরু-খাসীর মংস বাড়ায় হার্টের চাপ....

চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি। অনেকেই হয়তো গ্রামের বাড়ি যাবেন। আবার অনেকে কর্মস্থল এলাকাতেই ঈদ করবেন। আনন্দময় এ সময়...
21/04/2023

চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি। অনেকেই হয়তো গ্রামের বাড়ি যাবেন। আবার অনেকে কর্মস্থল এলাকাতেই ঈদ করবেন। আনন্দময় এ সময়ে বাড়ির কেউ অসুস্থ হোক আর তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটতে হবে—এটা কেউই চাইবেন না। এমন জরুরি অবস্থা সবচেয়ে বেশি ঘটে হৃদ্‌রোগী বা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি আছে এমন ব্যক্তির বেলায়। তাই তাঁদের উৎসব পালনে হতে হবে সচেতন।

এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ এলে অন্য রকম অনুভূতির সৃষ্টি হয়। মনে হতে পারে যে আজ সব খাব, কোনো বাধা মানব না। ঐতিহ্য অনুযায়ী, আমাদের দেশের ঈদ মেনুতে পোলাও, বিরিয়ানি, গরু–খাসির মাংস, রোস্ট, কলিজা ইত্যাদির মতো গুরুপাক ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার থাকে। থাকে প্রচুর ভাজাপোড়া নাশতা, কাবাব, পরোটা ইত্যাদির সমাহার। প্রচুর চিনি ও ঘন দুধযুক্ত ডেজার্টও আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার। এর সবই হৃদ্‌রোগীর জন্য খারাপ।

যা করতে পারেন
সকালে ঈদের নামাজের আগে হালকা নাশতা যেমন সেমাই, জর্দা খেয়ে নিতে পারেন। নামাজ থেকে ফিরে নাশতা করবেন। নাশতার সময় তেল-চর্বি, অতিরিক্ত মিষ্টি ও ঘন দুধ, কনডেন্সড মিল্কের তৈরি খাবার এড়িয়ে চলবেন। তেলবিহীন সেঁকা পরোটা বা রুটি, হালকা ঝোলের মুরগির কোরমা, চপ-কাটলেট খেতে পারেন। খাবার হবে পরিমিত। অর্থাৎ একসঙ্গে অনেক খাবার খাবেন না। পাকস্থলী কিছুটা খালি রাখবেন।

উৎসব উপলক্ষে এক-দুই দিন ২৫০০-৩০০০ ক্যালরি খাবার খেতে পারেন। তবে দ্রুত পুরোনো অভ্যাসে ফিরে যাওয়াই ভালো। সহজ হিসাব হলো ৯-৪-৪। চর্বি, শর্করা ও আমিষজাতীয় খাবারের প্রতি গ্রাম থেকে ৯, ৪, ৪ ক্যালরি খাদ্যশক্তি আসবে।

ডায়াবেটিস থাকুক আর না থাকুক চিনি ক্ষতিকর। অনেকের ধারণা, আমার ডায়াবেটিস নেই, তাই যত খুশি চিনিযুক্ত ডেজার্ট খেতে পারব। এই ধারণা ভুল। চিনি যকৃতে গিয়ে চর্বিতে রূপান্তরিত (৪০ শতাংশ) হয় ও জমা হয়। তাই ঈদ উপলক্ষে চিনিযুক্ত ডেজার্ট পরিমিত খাবেন।

লক্ষ করুন
ঈদে এক দিনে সব খেতে যাবেন না। কয়েক দিনে অল্প অল্প করে খান। ভূরিভোজন নয়, পরিমিত খান। হজমশক্তি ও নিজের রোগঝুঁকি বিবেচনা করে খান।

গুরুপাক খাবারের ফাঁকে আঁশযুক্ত প্রাকৃতিক খাবার যেমন সবজি, সালাদ, তাজা ফলমূল, বাদাম খেতে ভুলবেন না।

অতিরিক্ত লবণ, চিনিযুক্ত খাবার, সয়া সস, টেস্টিং সল্টযুক্ত খাবারকে না বলুন। ধূমপান কখনোই নয়।

বিকেল বা সন্ধ্যায় হালকা হাঁটাহাঁটি করুন। রোজায় অনেকেই হাঁটা বন্ধ রাখেন, এক মাস পর হঠাৎ অতিরিক্ত ব্যায়াম করবেন না। শুরুতে হালকা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করুন।

সতর্কতা
ঈদের ছুটিতে হঠাৎ বুকে ব্যথা, বুকে চাপ, অস্থিরতা, ঘাম হলে দেরি না করে হাসপাতালে যাবেন। অনেকেই গ্যাস বা বদহজম ভেবে উড়িয়ে দেন, এমনটা করবেন না। মনে রাখবেন, ঈদের ছুটিতেও হাসপাতালের জরুরি বিভাগ খোলা থাকে।

সবাইকে ঈদ মোবারক 😍

09/07/2022

ঈদ মোবারক

দেখতে দেখতে বছর ঘুরে আবার সামনে চলে এলো ঈদ-উল-আযহা। রবিবার (১০ জুলাই) পবিত্র ঈদুল আজহা। ইতোমধ্যে কুরবানি করার জন্য পশু কিনতে শুরু করেছেন অনেকেই।

কোরবানির ঈদের অন্যান্য খাবারের সঙ্গে মূল আয়োজন হলো বিভিন্ন রকমের মাংস। সবারই প্রবল ইচ্ছা বেশি বেশি মাংস খাওয়া। খাবেন, কিন্তু চাই পরিমিতি জ্ঞান ও সংযম। চাই স্বাস্থ্য সচেতনতা। কোরবানি ঈদের সচেতনতা নিয়ে পাঠকদের জন্য কিছু তথ্য দেয়া হলো:

১. লাল মাংস শরীরের জন্য ক্ষতিকারক এ কথা সবারই জানা। লাল মাংস বা রেড মিট, অর্থাৎ গরু বা ছাগলের মাংসে আছে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি, যা স্থূলতা বাড়ায়, রক্তনালিতে চর্বি জমায়, হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহকে ব্যাহত করে, রক্তচাপ বাড়ায়, ডায়াবেটিস জটিল করে তোলে, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।

এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার যেমন- কোলন ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে এ লাল মাংসে। তাই ঈদে তো লাল মাংসের নানা পদের সমাহার হবেই, তবে অপরিমিত অবশ্যই খাবেন না। বিশেষ করে যারা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, রক্তচাপ বা হৃদরাগে ভুগছেন, তারা বিশেষভাবে সাবধান থাকবেন। মনে রাখবেন, কোনো অবস্থায়ই দৈনিক খাদ্যতালিকায় চর্বিজাতীয় খাদ্য যেন ৩০ শতাংশের বেশি না হয়। আর এর মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকবে মাত্র ৭ শতাংশ।

২. যে চর্বি ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় শক্ত বা জমাট থাকে, সেটিই স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি। লাল মাংস ছাড়াও ঘি, মাখন, মার্জারিন, ক্রিম প্রভৃতিতে আছে এ সম্পৃক্ত চর্বি। তাই রান্নার সময় খেয়াল করুন কয়েকটি জিনিস- মাংসের গায়ে যে সাদা জমাট চর্বি লেগে থাকে, তার পুরোটাই ছেঁটে ফেলে দিন। রান্নায় ঘি, মাখন বা ডালডার ব্যবহার একে দ্বিগুণ ক্ষতিকর করে তুলবে। রান্নায় তেল যথাসম্ভব কম ব্যবহার করুন।

৩. ট্রান্স ফ্যাট হচ্ছে আরেক ক্ষতিকর চর্বি, যা রক্তের এলডিএল বাড়ায় এবং ভালো চর্বি এইচডিএলকে কমিয়ে দেয়। বেকারি ও রেস্তোরাঁয় ভেজিটেবল ফ্যাট জমাট করার মাধ্যমে ট্রান্স ফ্যাট উৎপন্ন হয়। দোকানের বেক করা খাবার ও ফাস্টফুডে রয়েছে এ ট্রান্স ফ্যাট। তাই ঈদের খাবারে নানরুটি, কেক, পরোটা, ফ্রাই করা খাবার, বার্গার, সসেজ, পিৎজা ও এ জাতীয় ফাস্টফুড পরিহার করাই ভালো।

৪. কোরবানির ঈদ বলেই সবজি বা মাছকে বিদায় জানাতে হবে- এমন কোনো কথা নেই। বিশেষ করে, আঁশ বা ফাইবার এ সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আঁশজাতীয় খাবার চর্বি হজমে বাধা দেয় এবং কোষ্ঠ পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। বাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতের সবজি। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই এ সবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। খাবার টেবিলে থাকুক প্রচুর পরিমাণে সালাদ বা কাঁচা সবজি। ফ্রিজের মাছগুলো একেবারে অবহেলা করবেন না।

৫. নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটার উপকারিতা ভুলে যাবেন না এ ডামাডোলে। যে বাড়তি ক্যালরি এ সময়ে গ্রহণ করছেন, তা পোড়াতে প্রচুর হাঁটুন। হেঁটেই না হয় আত্মীয়স্বজন ও প্রতিবেশীদের বাড়ি দেখা করতে যান। সিঁড়ি ভাঙুন, ঘরের কাজে সাহায্য করুন, পরিশ্রম করুন। বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার করতে নিজেই নেমে পড়ুন। এতে উপকারই হবে বেশি।

৬. বেশির ভাগ লোকের, বিশেষ করে বয়স্কদের এ সময় গ্যাস্ট্রিক, আলসারের ব্যথা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বেড়ে যায়। কারণ সেই পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস। এ সমস্যা এড়াতে কম তেল, কম মশলা ও কম মাংস খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রয়োজনে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ চেয়ে নিন চিকিৎসকের কাছ থেকে। কোষ্ঠ পরিষ্কারের জন্য প্রতিদিন প্রচুর আঁশযুক্ত খাবার খান।

৭. গেঁটে বাত বা ইউরিক এসিড বেশি যাদের এবং যাদের কিডনিতে সমস্যা আছে, তাদের জন্যও মাংসের আমিষ ক্ষতিকর। তারা অবশ্যই চিকিৎসক কর্তৃক বরাদ্দকৃত আমিষের চেয়ে বেশি পরিমাণে আমিষ খাবেন না। তাতে বিপদ হতে পারে।

৮. যাদের এনালফিশার ও পাইলস জাতীয় রোগ আছে, তাদের পায়ুপথে জ্বালাপোড়া, ব্যথা ইত্যাদি বাড়তে পারে। তাই প্রচুর পরিমাণে পানি, শরবত, ফলের রস, ইসবগুলের ভুসি ও অন্যান্য তরল খাবার বেশি করে খাবেন। দাওয়াতে গেলে, অতিভোজন পরিহার করার চেষ্টা করবেন। হয়তো অনেক খাওয়া-দাওয়া টেবিলে সাজানোই থাকবে, কিন্তু খেতে বসলেই যে সবই খেতে হবে, তা নয়। খাবারের ফাঁকে ফাঁকে পানি খাবেন না, এতে হজম রসগুলো পাতলা হয়ে যায়। ফলে হজমে অসুবিধা হয়। তাই খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পর পানি খাবেন।

এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে, প্রতিদিন ২-২.৫ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন।দৈনিক গরুর মাংস খাওয়ার নিরাপদ মাত্রা হল তিন আউন্স বা ৮৫ গ্রাম।

খাবারের তালিকায় সালাদকে প্রাধান্য দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গাজর, টমেটো, শসা, লেটুস ব্যবহার করা যেতে পারে।

Dr. S. M. Mamun Iqbal passed MBBS from Dhaka Medical College, MRCP from London College and MD from BSMMU. He is a specialist in any cardiac management and cardiac intervention. He trained in interventional Cardiology in different countries.

Address

Rockhampton Hospital
Rockhampton City, QLD

Opening Hours

Monday 8am - 3pm
Tuesday 9am - 3pm
Wednesday 8am - 3pm
Thursday 8am - 3pm
Saturday 8am - 3pm
Sunday 8am - 3pm

Telephone

+8801781454703

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr S M Mamun Iqbal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Featured

  • CQ Audiology
    Sponsored

    CQ Audiology

    T33 & 34A City Centre Plaza, 24 Fitzroy St

Share

Category