ঈশান তালুকদার বাড়ি মহামুনি বৌদ্ধ বিহার

ঈশান তালুকদার বাড়ি মহামুনি বৌদ্ধ বিহার Buddhist Temple �

পূর্ণচন্দ্রের আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি হৃদয়, প্রজ্ঞা ও করুণার পথে এগিয়ে চলুক প্রতিটি জীবন। শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা।বুদ্ধ...
27/07/2026

পূর্ণচন্দ্রের আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি হৃদয়, প্রজ্ঞা ও করুণার পথে এগিয়ে চলুক প্রতিটি জীবন। শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা।
বুদ্ধের আলোকধারায় আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মৈত্রীর এক মহিমান্বিত অধ্যায় আষাঢ়ী পূর্নিমা।আষাঢ়ী পূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের জীবনে এক মহিমান্বিত, পবিত্র ও ঐতিহাসিক তিথি। এই পূর্ণিমা কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয় এটি মানবজাতির জ্ঞান, করুণা, প্রজ্ঞা ও মুক্তির পথচলার এক অবিস্মরণীয় স্মারক। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এই শুভ তিথিতেই ভগবান গৌতম বুদ্ধ সারনাথের ঋষিপতন মৃগদায়ে তাঁর প্রথম ধর্মদেশনা—ধম্মচক্কপবত্তন সুত্ত—প্রদান করে জগতে সত্যধর্মের চাকা ঘুরিয়ে দেন। এই ঘটনাকেই বলা হয় ধর্মচক্র প্রবর্তন, যা মানবসভ্যতার ইতিহাসে শান্তি, সত্য ও কল্যাণের এক অনন্য সূচনা।আষাঢ়ী পূর্ণিমার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হলো বর্ষবাস (বস্সাবাস)-এর সূচনা। এই দিন থেকে ভিক্ষুসংঘ তিন মাস এক স্থানে অবস্থান করে কঠোর সাধনা, ধ্যান, ধর্ম অধ্যয়ন ও আত্মশুদ্ধির অনুশীলনে আত্মনিয়োগ করেন। বর্ষার সময় অকারণে চলাফেরা করলে ক্ষুদ্র প্রাণীর ক্ষতি হতে পারে—এই অপরিসীম করুণা ও অহিংসার আদর্শ থেকেই বর্ষবাস প্রথার সূচনা। এটি বৌদ্ধধর্মে জীবনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, দয়া ও দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।বর্ষবাস কেবল ভিক্ষুসংঘের জন্য নয় গৃহী বৌদ্ধদের জন্যও এটি আত্মসংযম, শীল পালন, দান, ধ্যান, ধর্মশ্রবণ ও সৎকর্ম বৃদ্ধির এক মহামূল্যবান সময়। এই তিন মাসে অনেকেই পঞ্চশীল বা অষ্টশীল পালন করেন, নিয়মিত বিহারে গিয়ে ধর্মদেশনা শোনেন, মৈত্রীভাবনা চর্চা করেন এবং নিজের চরিত্রকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করেন। কারণ প্রকৃত ধর্মচর্চা কেবল আনুষ্ঠানিকতায় নয়, বরং চরিত্র, আচরণ ও চিত্তের বিশুদ্ধতায় প্রকাশ পায়।
আষাঢ়ী পূর্ণিমা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—জীবনের সকল দুঃখ, অশান্তি ও বিভ্রান্তির অবসান সম্ভব, যদি আমরা বুদ্ধ প্রদর্শিত মধ্যমার্গ, চতুরার্যসত্য এবং আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ করি। মানুষের প্রকৃত শত্রু বাইরের কেউ নয়; লোভ, দ্বেষ ও মোহই মানুষের আসল বন্ধন। ধর্মের আলো সেই অন্ধকার দূর করে হৃদয়ে জাগিয়ে তোলে প্রজ্ঞা, মৈত্রী ও করুণা।
আজকের ভোগবাদী, প্রতিযোগিতামূলক ও অস্থির সমাজে আষাঢ়ী পূর্ণিমার শিক্ষা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। বাহ্যিক উন্নতির পাশাপাশি আত্মিক উন্নতি অপরিহার্য। সত্যিকারের সুখ ধন-সম্পদে নয়, বরং সংযমে ক্ষমতায় নয়, বরং করুণায়; ভোগে নয়, বরং ত্যাগে বিভেদে নয়, বরং মৈত্রীর বন্ধনে।এই পবিত্র আষাঢ়ী পূর্ণিমা ও বর্ষবাসের শুভক্ষণে আমরা প্রত্যেকে নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার অঙ্গীকার করি। বিদ্বেষের পরিবর্তে মৈত্রী, হিংসার পরিবর্তে অহিংসা, লোভের পরিবর্তে দানশীলতা এবং অজ্ঞতার পরিবর্তে প্রজ্ঞার আলোকে জীবনকে আলোকিত করি। বুদ্ধের অমৃতবাণী যেন আমাদের চিন্তা, বাক্য ও কর্মে প্রতিফলিত হয়।সকল প্রাণীর কল্যাণ হোক। সকলের হৃদয়ে শান্তি, প্রজ্ঞা ও মৈত্রীর দীপ জ্বলে উঠুক।পূর্ণচন্দ্রের নির্মল আলোয় উদ্ভাসিত হোক প্রতিটি হৃদয়। প্রজ্ঞা আর করুণার সেই মধ্যম পথ ধরে এগিয়ে চলুক প্রতিটি জীবন, খুঁজে পাক শান্তি, খুঁজে পাক মুক্তি। বিশ্বের সকল প্রাণী সুখী হোক, দুঃখমুক্ত হোক। শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা।
সব্বে সত্তা সুখিতা হোন্তু।সব্বে সত্তা অবেরা হোন্তু।সব্বে সত্তা অব্যাপজ্জা হোন্তু।সব্বে সত্তা অনীঘা হোন্তু।
সব্বে সত্তা সুখী অত্তানং পরিহরন্তু।

পবিত্র ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের বিনয় সম্মত গৃহী উপোসথ তালিকা প্রকাশনা।।
26/07/2026

পবিত্র ত্রৈমাসিক বর্ষাবাসের
বিনয় সম্মত গৃহী উপোসথ তালিকা প্রকাশনা।।

👉এই জীবন ক্ষণস্থায়ী!....🥀মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি মানুষই অনিবার্যভাবে মৃত্যুর দিকে...
19/07/2026

👉এই জীবন ক্ষণস্থায়ী!....🥀

মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং সময় বয়ে যাওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি মানুষই অনিবার্যভাবে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে চলে।

এই জীবনযাত্রার পথে থেমে থাকার বা বিশ্রাম নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

জাগতিক মোহ ও আলস্যে মগ্ন থেকে মানুষ প্রায়ই ভুলে যায় যে, পরকালের বা জীবনের শেষ মুহূর্তের জন্য পুণ্য ও সৎকর্মের কোনো সঞ্চয় সে করেনি।

তাই সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই মানুষের উচিত সজাগ হওয়া।

মৃত্যুর অমোঘ গ্রাস থেকে বাঁচতে এবং জীবনের প্রকৃত সার্থকতা লাভ করতে হলে অনতিবিলম্বে সৎকর্মে উদ্যোগী হতে হবে।

প্রজ্ঞা ও পারমার্থিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে মনকে লোভ, লালসা ও জাগতিক তৃষ্ণা থেকে মুক্ত করতে হবে।

আত্মশুদ্ধি ও পুণ্যকর্মের মাধ্যমে যে আধ্যাত্মিক আশ্রয় বা 'দ্বীপ' গড়ে তোলা যায়, একমাত্র সেটাই মানুষকে রক্ষা করতে পারে।

জাগতিক বাসনা ও তৃষ্ণা সম্পূর্ণ দূর করে মনকে নির্মল করতে পারলে মানুষ জন্ম, ব্যাধি, বার্ধক্য ও মৃত্যুর এই অন্তহীন চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে পরম শান্তি লাভ করে।

Mahamuni..মহামুনি বুদ্ধের পবিত্র ঐতিহাসিক আলোচনা,, 🎄🍀🏵️🎄🍀🏵️🌏🎄🍀🏵️🌏🇳🇵🇱🇰🇯🇵🇧🇩🇨🇦🇨🇳🇨🇴🇨🇵🇨🇷বার্মায় যে ক'টি বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে তা...
16/07/2026

Mahamuni..
মহামুনি বুদ্ধের পবিত্র ঐতিহাসিক আলোচনা,,
🎄🍀🏵️🎄🍀🏵️🌏🎄🍀🏵️🌏🇳🇵🇱🇰🇯🇵🇧🇩🇨🇦🇨🇳🇨🇴🇨🇵🇨🇷

বার্মায় যে ক'টি বুদ্ধ মূর্তি রয়েছে তার মধ্যে মহামুনি বুদ্ধ এবং মুন অং মাইন (Mahamuni Buddha and Mun Aung Myin Buddha) অন্যতম। উল্লেখ্য মুন অং মাইন মূর্তিটি ইংল্যান্ডের রানী ভিক্টোরিয়া ভারতে আগুনের মাধ্যমে গলাতে ব্যর্থ হয়ে বার্মায় ফেরত দেন।

আর মহামুনি বুদ্ধকে ধনাবতী নগর থেকে নিয়ে বিভিন্ন যায়গায় নিয়ে যাওয়ার কারণে নাকি বার্মার উপর অভিশাপ পরে। যার কারণে এই দেশটি এখনো গরীব হয়ে রয়েছে। আমাদের আজকের আলোচনা মহামুনি বুদ্ধ নিয়ে।

বার্মার মান্ডালায়ে অবস্থিত মহামুনি প্যাগোডা বিশ্বের অন্যতম সুন্দর বুদ্ধের প্রতিমূর্তির মধ্যে একটি। ধারণা করা হয় এই মূর্তি আরাকান থেকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছিল। শোয়েডাংগু প্যাগোডার পর পরই এটি বার্মার অন্যতম তীর্থকেন্দ্র। পুরানো ঐতিহ্য অনুসারে বিশ্বাস করা হয় বুদ্ধের প্রতিমূর্তি বুদ্ধের সময় পাঁচটা তৈরি করা হযেছিল। যার মধ্যে দুটি ভারতে (হিমালয়েও হতে পারে), দুটি স্বর্গে আর আরেকটি হলো এই মহামুনি বুদ্ধ।

জনশ্রুতিতে রযেছে খ্রীস্টপূর্ব ৫৫৪ সালে বুদ্ধ আরাকানের ধনাবতী বা ধানিয়াওয়াদি (Dhanyawadi) নগরে এসেছিলেন তখন রাজা চন্দ্র সুর্য (Sanda Thuriya) এই মূর্তি তৈরি করে বুদ্ধের পূজার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করেন। তারপর মূর্তি তৈরি হওয়ার পর বুদ্ধ মূর্তিটিকে জীবন্ত করেন। এবং যেটি দেখতে হয়েছিল অবিকল বুদ্ধের মতো। সময়ের পরিবর্তনে এই মূর্তি অনেকরাজা কতৃক চুরি হয় এবং কোন এক সময়ে এটিকে মাটির নিচে গর্ত করে রাখা হয় কোন এক জঙ্গলে। মান্দালয়ে এটিকে আনা হয় ১৭৮৪ সালে রাজা বোদপায়ার সময়ে এবং প্যায়াগী প্যাগোডাতে এটিকে রাখা হয়। এটির উচ্চতা হলো ৩.৮ মিটার।

✨বিস্তারিত নিম্মে উল্লেখ করা হলোঃ

জনশ্রুতি অনুসারে গৌতম বুদ্ধ আরাকানের ধনাবতীনগরে বৌদ্ধ ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন। বুদ্ধ আকাশ পথে মহাশ্রাবক আনন্দ সহ তাঁর ৫০০জন শিষ্য নিয়ে সালাগিরি পর্বতের পাশে খাউক্রা (Khaukrah) শহরে আগমন করেন যখন ঐ দেশের রাজার ২৬ তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্টিত হচ্ছিল। আরাকানের রাজা ও তাঁর মহারানী চন্দ্রমালা (তাঁর সাথে ১৬০০ মহিলা ছিল) এবং মন্ত্রী-রাজ্যের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বুদ্ধকে সম্মান দেখাতে সেখানে গিয়েছিলেন।

তাঁরা সকলেই বুদ্ধের ধর্মে দীক্ষিত হন এবং বুদ্ধের শ্রাবস্তী গমনের পূর্বে তিনি পূজার জন্য বুদ্ধের নিকট থেকে একটি প্রতিচ্ছবি প্রার্থনা করেন। এই উদ্দেশ্যে বুদ্ধ একটি বোধিবৃক্ষে এক সপ্তাহের জন্য সমাধিতে নিমগ্ন থাকেন। ঐ সময় দেবরাজ ইন্দ্র বিশ্বকর্মাকে নিয়ে স্বর্গ থেকে মর্তে আগমন করেন। এবং রাজা ও প্রজাদের দান করা অলংকার দিয়ে তিনি বুদ্ধের প্রতিচ্ছবি নির্মান করেন। ঐ সময় বুদ্ধ যেন পরমানন্দে থাকতে পারেন সেই জন্য দেবরাজ ইন্দ্র আরো একটি আলাদা বাসস্থান তৈরি করেন বুদ্ধের জন্য। সাতদিন পর বুদ্ধের প্রতিমূর্তি তৈরি সম্পন্ন হয় এবং অতি নিখুঁতভাবে সম্পন্ন হয় যে বুদ্ধ তা দেখে সন্তুষ্ট হন। পরে তিনি নিজের বুকে হাত দিয়ে মূর্তির বুকে হাত বুলান এভাবে তিনবার করে তিনি মূর্তিটিকে জীবন দান করেন। কথিত আছে জীবন্যাস করার সাথে সাথে মূর্তিটি দাড়িঁয়ে যায়। ভগবান এই মূর্তির নাম রাখেন *চন্দসার* (Candasara) বুদ্ধের ছোট ভাই। বুদ্ধ তখন আরো বলেন এই চন্দসারের মধ্যে আমার সব গুন বিদ্যমান থাকবে শুধু ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি মূর্তিটিকে কথা বলা এবং হাঁটতে নিষেধ করেন। তাই যারা এই মূর্তির পূজা করবে তারাও বুদ্ধকে পূজার সম পুণ্যলাভ করবে। বুদ্ধ আরো উল্লেখ করেন এই মূর্তি বুদ্ধ শাসনের ৫০০০ বছর কাল পর্যন্ত স্থিত থাকবে।

⚜️আরাকানের মধ্যে নয়টি ঘটনা ঘটার কথা প্রচলিত আছে যখন মূর্তিটির প্রতিষ্টা হয় এবং বুদ্ধ মূর্তি প্রতিষ্টার পরও যা বিদ্যমান রয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। সেই নয়টি ব্যাপার হলোঃ

১. এই মূর্তি ধোয়ার জন্য পবিত্র জল কখনোই যে পাত্রে রাখা হউক না কেন উপছাইয়া পরবে না।
২. যে পাত্র বুদ্ধের শির ধোয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল সে পাত্র বছরের পর বছর যে রকম ছিল সেরকমেই থাকবে। (সম্ভবতঃ পাঁচ হাজার বছর।)
৩. সন্ধ্যায় পূজা করার সময় নাকি এই বুদ্ধমূর্তি থেকে ছয় রংয়ের জ্যোতি বের হয়।
৪. অবিশ্বাসীরা এই জ্যোতি দেখতে পায় না।
৫. যত সংখ্যক পূজারীই আসুক না কেন এই বিহারে সহজেই অবস্থান করতে পারবে।
6. বিহারের অবস্থিত বৃক্ষের সব পাতা বুদ্ধের দিকে তাকিয়ে দেখছে এমন ভাবে থাকবে।
৭. বিহারের উপর কোন পাখি উড়বে না।
৮. সরূপ পাথরের যে মূর্তি রাখা হয়েছে মহামুনি বুদ্ধের সামনে সেগুলো খারাপ দেবতাদের আগমন নজরে রাখবে।
৯. প্রহরী সরূপ পাথরের যে মূর্তি রাখা হয়েছে মহামুনি বুদ্ধের সামনে সেগুলো খারাপ দেবতাদের বিহারে প্রবেশে বাধা দিবে।

এই মূর্তি তৈরি করার পর এর পরিশিষ্ট অংশ দিয়ে আরো ৭ টি বড় (১০ থেকে ১২ ইঞ্চি সাইজের), ১৯ টি মাঝারি এবং ১০৭ টি ছোট মূর্তি বানানো হয় মহামুনি বুদ্ধ প্রতিমূর্তি তৈরি করার পর। এই সব মূর্তির মধ্যে কয়েকটি আবার বাংলাদেশে রয়েছে। এইদিক দিয়ে আমরা সৌভাগ্যবান। যার মধ্যে চিংম্রমে, রামুতে, বান্দরবান রাজবিহারে, এবং রোয়াংছড়িতে রয়েছে যেগুলো বড় সাইজের গুলো। ছোট সাইজেরও কিছু কিছু বাংলাদেশে নাকি রয়েছে। যেমনঃ মহাকিয়াং চাক্রামুনি বুদ্ধ। আমাদের উচিত এই বুদ্ধ মূর্তির পূজা করা এবং নিজেদেরকে সুরক্ষিত রাখা।



🏵️🎄🎄🎄শুভ রাত্রি 🎄🎄🎄🏵️নমো হে মহামুনি,  নমো হে অর্হৎ সম‍্যক সম্বুদ্ধবুদ্ধগুণ অনন্ত, ধর্মগুণ অনন্ত, সংঘগুণ অনন্ত,মাতা-পিতা ...
15/07/2026

🏵️🎄🎄🎄শুভ রাত্রি 🎄🎄🎄🏵️

নমো হে মহামুনি,
নমো হে অর্হৎ সম‍্যক সম্বুদ্ধ
বুদ্ধগুণ অনন্ত, ধর্মগুণ অনন্ত, সংঘগুণ অনন্ত,
মাতা-পিতা গুণ অনন্ত, আচারিয়া গুণ অনন্ত।
পঞ্চ গুণ অনন্ত আহং বন্দামি সব্বদা। ইহ জন্মে কিংবা জন্মে জন্মে কায় দ্ধারা,বাক্য দ্ধারা,মনের দ্ধারা বুদ্ধ প্রমুখ আর্যব্যক্তি,গুরুজনবর্গ,ভিক্ষু সংঘ,পিতামাতা কিংবা অন্য কারোর প্রতি কোন প্রকার নিন্দা হিংসা বিদ্বেষ, অপমান,অসম্মান বা অমর্যাদা করে থাকলে আমাকে ক্ষমা করুন।
আমার দানময় শীলময় ভাবনাময় সঞ্চিত পূণ্যরাশি সকল প্রাণীকে মৈত্রী চিত্তে দান করছি। তাঁরা সকলে আমার পূণ্যাংশ প্রাপ্ত হয়ে সুখী হোক, দুঃখ থেকে মুক্ত হোক। এই বন্দনার পূণ্যের ফলে আমার জয় মঙ্গল ও জ্ঞান চক্ষু উদয় হউক।অনন্ত, অনন্ত, অনন্ত গুণের অধিকারী অর্হৎ সম‍্যক সম্বুদ্ধের প্রতিষ্ঠিত বুদ্ধ কুল পূত্র, মহান সঙ্ঘের চরণে নতশিরে বন্দনা করছি। এই বন্দনার পূণ্যের ফলে আমার জয় মঙ্গল ও জ্ঞান চক্ষু উদয় হউক।
সব্বে সত্ত্বা সুখীত ভবন্তু, জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক।
সকলে জন্ম দুঃখ, জ্বরা দুঃখ, ব‍্যাঁধি দুঃখ, অপ্রিয় সংযোগ দুঃখ, প্রিয় বিচ্ছেদ দুঃখ, মৃত্যু দুঃখ, লোভ, দ্বেষ, মোহ, তৃষ্ণা, ভয়, উপদ্রভ, অন্তরায় থেকে মুক্তি লাভ করে, পরম সুখ নির্বাণ লাভের হেতু লাভ করুক।

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু,  বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার মহামান্য চতুর্দশ সংঘরাজ শাসনস্তম্ভ ধর্মপ্রিয় মহ...
14/07/2026

বাংলাদেশী বৌদ্ধদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় গুরু, বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভার মহামান্য চতুর্দশ সংঘরাজ শাসনস্তম্ভ ধর্মপ্রিয় মহাথেরো মহোদয় পঞ্চশীল প্রদান করার সময়ে, তিনি একজন নন্দিত সাংঘিক ব্যক্তিত্ব, সংঘসমাজের আলোকিত প্রানপুরুষ,, বর্তমান ভান্তের বয়স ৯৪ বছর,,
আমাদের ষলঈশান তালুকদার মহামুনি বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ হতে পুজনীয় সংঘরাজ ভান্তের শারিরীক সুস্থ সুন্দর নিরাপদ শতায়ু জীবন কামনায় বিনম্র বন্দনা জানাই।।

গৃহী জীবনের ইহ-পরকালের সুখ-শান্তি ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বুদ্ধ তথাগত ৩৮ প্রকার উত্তম *****মঙ্গলের উপদেশ দ...
11/07/2026

গৃহী জীবনের ইহ-পরকালের সুখ-শান্তি ও সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বুদ্ধ তথাগত ৩৮ প্রকার উত্তম *****মঙ্গলের উপদেশ দিয়েছেন সেগুলো কি কি?**

🌺🌺 গৃহীদের ইহকাল ও পরকালের সুখ-শান্তি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই মহান উদ্দেশ্যে দেব-মনুষ্যের মঙ্গলার্থে বুদ্ধ তথাগত ৩৮ প্রকার মঙ্গলোপদেশ দেশনা করেন সেগুলো নিম্নরূপ:🌺🌺

১. অজ্ঞানীর সেবা না করা,
২. জ্ঞানী বা সৎ ব্যক্তির সেবা করা,
৩. পূজনীয় ব্যক্তির পূজা করা,
৪. প্রতিরূপ দেশে বাস করা,
৫. বহু বিষয়ে জ্ঞান লাভ করা,
৮. বিবিধ শিল্প শিক্ষা করা,
৯. বিনয়ী হওয়া,
১০. সুভাষিত বাক্য বলা
১১. মাতাপিতার সেবা করা,
১২. স্ত্রী-পুত্রের ভরণ-পোষণ করা,
১৩. নিষ্পাপ কর্মের দ্বারা জীবিকার্জন করা,
১৪. দান দেওয়া,
১৫. কায়-বাক্য-মনে ধর্মাচরণ করা,
১৬. জ্ঞাতিবর্গের উপকার করা,
১৭. মদ ও মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকা,
২১. অপ্রমত্তভাবে ধর্ম জীবন যাপন করা,
২২. গুণী ব্যক্তির গৌরব করা,
২৩. তাঁদের নিকট নম্র থাকা,
২৪. প্রাপ্ত বিষয়ে সন্তুষ্টি থাকা,
২৫. উপকারীর উপকার স্বীকার করা,
২৬. যথাকালে ধর্মশ্রবণ করা,
২৭. ক্ষমাশীল হওয়া,
২৮. গুরুজনের আদেশ-উপদেশ পালন করা,
২৯. ধর্মগুরুর দর্শন করা,
৩০. যথাসময়ে ধর্মালোচনা করা,
৩১. ধ্যান করা,
৩২. ব্রহ্মচর্য পালন করা,
৩৩. চার আর্যসত্য দর্শন করা,
৩৪. নির্বাণ সাক্ষাৎ করা,
৩৫. অষ্ট লোকধর্মে (লাভ-অলাভ, যশ-অযশ, নিন্দা-প্রশংসা, সুখ-দুঃখ) অবিচলিত থাকা,
৩৬. শোকহীন হওয়া,
৩৭. লোভ-দ্বেষ-মোহরূপ কলুষহীন হওয়া,
৩৮. ভয়হীন থাকা। এ সমস্ত মঙ্গল কর্ম সম্পাদনে সুখে-শান্তিতে ও নিরাপদে জীবন-যাপন করা যায়। এসব মানব-জীবনের পক্ষে উত্তম মঙ্গল স্বরূপ।🌺🌺

🌺🌺🌺জগতের সকল প্রাণী সুখী হউক , সবার নির্বাণ লাভের হেতু হউক 🌺🌺

Nibbāna – The Mind Stilled (185)Nibbana Sermon 8Namo tassa bhagavato arahato sammāsambuddhassaNamo tassa bhagavato araha...
09/07/2026

Nibbāna – The Mind Stilled (185)

Nibbana Sermon 8

Namo tassa bhagavato arahato sammāsambuddhassa
Namo tassa bhagavato arahato sammāsambuddhassa
Namo tassa bhagavato arahato sammāsambuddhassa

Etam santam, etam panītam, yadidam sabbasańkhārasamatho sabbūpadhipaținissaggo tanhakkhayo virāgo nirodho nibbānam.

"This is peaceful, this is excellent, namely the stilling of all prepa-rations, the relinquishment of all assets, the destruction of craving, detachment, cessation, extinction".

With the permission of the Most Venerable Great Preceptor and the assembly of the venerable meditative monks.

The other day we ended our sermon by discussing how far the Brahmanimantanikasutta of the Majjhima Nikāya helps us to under-stand what anidassana viññāņa is. We quoted a certain paragraph from that discourse as a starting point for our discussion. Let us now remind ourselves of it:

Viññānam anidassanam anantam sabbato pabham, tam pathaviyā pathavittena ananubhūtam, āpassa āpattena ananubhūtam, tejassa tejattena ananubhūtam, vāyassa vāyattena ananubhūtam, bhūtānam bhūtattena ananubhūtam, devānam devattena ananubhūtam, pajā-patissa pajāpatittena ananubhūtam, brahmānam brahmattena an-anubhūtam, ābhassarānam ābhassarattena ananubhūtam, subha-kinhānam subhakinhattena ananubhūtam, vehapphalānam vehap-phalattena ananubhūtam, abhibhussa abhibhuttena ananubhūtam, sabbassa sabbattena ananubhūtam.

"Consciousness which makes nothing manifest, infinite and all lustrous. It does not partake of the earthiness of earth, the wateriness of water, the fieriness of fire, the airiness of air, the creature-hood of creatures, the deva-hood of devas, the Pajāpati-hood of Pajāpati, the Brahma-hood of Brahma, the radiance of the Radiant Ones, the Subhakinha-hood of the Subhakinha Brahmas, the Vehapphala-hood of the Vehapphala Brahmas, the overlord-ship of the overlord, and the all-ness of the all."

The Dhammapada :The Buddha’s Path of Wisdom

Ten Unknown Facts About  1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germa...
08/07/2026

Ten Unknown Facts About
1. Founding and History: BMW, Bayerische Motoren Werke AG, was founded in 1916 in Munich, Germany, initially producing aircraft engines. The company transitioned to motor

Address

ঈশান তালুকদার মহামুনি বৌদ্ধ বিহার।।১নং রাজানগর, ৮নং ওয়ার্ড, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
বাংলাদেশ।

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ঈশান তালুকদার বাড়ি মহামুনি বৌদ্ধ বিহার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share