Dr.Raisul Islam Parag -Psychiatrist

Call Directions Contact the practice

Dr.Raisul Islam Parag -Psychiatrist মনোরোগ বিশেষজ্ঞ। রেজিস্ট্রার, মানসিক রোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
(2)

মানুষের কথা এত বেশি মনে লাগে কেন?কেউ একটা কথা বলল।তার কাছে হয়তো কথাটা কয়েক সেকেন্ডের,কিন্তু আপনার মাথায় সেটা ঘুরতেই থাকে...
17/09/2026

মানুষের কথা এত বেশি মনে লাগে কেন?

কেউ একটা কথা বলল।
তার কাছে হয়তো কথাটা কয়েক সেকেন্ডের,
কিন্তু আপনার মাথায় সেটা ঘুরতেই থাকে।

“ও এমন বলল কেন?”
“আমি কি সত্যিই এমন?”
“আমার তখন কী বলা উচিত ছিল?”

এটা সবসময় দুর্বলতা নয়।

অনেক সময় আমরা নিজের মূল্যটা অন্যের কথার ওপর বেশি নির্ভর করিয়ে ফেলি। তখন সামান্য সমালোচনা ও খুব গভীরভাবে লাগে।

নিজেকে কয়েকটা প্রশ্ন করতে পারেন।

কথাটা কি সত্যি, নাকি শুধু একজন মানুষের অভিমত ?
এই মানুষটার মতামত কি সত্যিই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ?
আমি কি ঘটনাটাকে বারবার replay করে নিজের কষ্টটাই বাড়াচ্ছি?

সব কথা ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ারও দরকার নেই।
মানুষের আচরণের পেছনে তার নিজের স্ট্রেস , মানসিক অবস্থা , ইনসিকিউরিটি অনেক কিছুই থাকতে পারে।

ইমোশনালি স্ট্রং হওয়া মানে কিছুতেই কষ্ট না পাওয়া নয়।

কষ্ট লাগবে।
রাগ হবে।
মন খারাপ হবে।

কিন্তু প্রতিটি কথাকে নিজের পরিচয় বানিয়ে ফেলবেন না।

সবাই আপনাকে বুঝবে না।
সবাই আপনাকে পছন্দও করবে না।

তবু সবচেয়ে জরুরি হলো,
অন্যের একটা কথা যেন আপনার নিজের প্রতি সম্মানটাই নষ্ট করে না দেয়।

মনে থাকে না? নাম, কথা, কাজ, পড়া, এমনকি একটু আগে কোথায় কী রাখলেন সেটাও ভুলে যাচ্ছেন?ভয় পাওয়ার আগে একটা কথা মনে রাখুন।স্মর...
12/09/2026

মনে থাকে না? নাম, কথা, কাজ, পড়া, এমনকি একটু আগে কোথায় কী রাখলেন সেটাও ভুলে যাচ্ছেন?

ভয় পাওয়ার আগে একটা কথা মনে রাখুন।
স্মরণশক্তি শুধু মস্তিষ্কের ক্ষমতার বিষয় নয়। ঘুম, মনোযোগ, মানসিক চাপ, শারীরিক স্বাস্থ্য, দৈনন্দিন অভ্যাস, সবকিছুর ওপর এর প্রভাব পড়ে।

স্মরণশক্তি ভালো রাখতে কিছু সত্যিই কার্যকর অভ্যাস আছে।

১. ভালো ঘুমকে গুরুত্ব দিন

ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক দিনের তথ্যগুলো গুছিয়ে রাখে। নিয়মিত কম ঘুম হলে নতুন তথ্য মনে রাখা, মনোযোগ ধরে রাখা এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের বেশিরভাগেরই নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম দরকার।

২. একসাথে একাধিক কাজ কম করুন

আমরা অনেক সময় বলি, “আমি তো মল্টিটাসকিং করতে পারি।”
আসলে একই সময়ে অনেক কিছু করলে মস্তিষ্ক তথ্য ঠিকমতো গ্রহণই করতে পারে না।

যা মস্তিষ্ক ঠিকভাবে গ্রহণ করেনি, পরে সেটা মনে রাখাও কঠিন।

তাই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় ফোন দূরে রাখুন।
এক সময়ে একটি কাজ করুন।

৩. নতুন তথ্য বারবার পড়ে নয়, মনে করার চেষ্টা করুন

কোনো কিছু শেখার পর বই বন্ধ করে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন,
“আমি কী কী মনে করতে পারছি?”

এই Active Recall পদ্ধতি শুধু বারবার পড়ার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে।

আজ শিখলেন, কাল মনে করার চেষ্টা করুন।
কয়েকদিন পর আবার ঝালিয়ে নিন।

৪. তথ্যকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করুন

একসাথে দশটি তথ্য মনে রাখার চেয়ে ২ বা ৩টি করে গ্রুপ বানিয়ে মনে রাখা সহজ।

নাম, সংখ্যা, তালিকা, পড়াশোনা সব ক্ষেত্রেই এই কৌশল কাজে লাগে।

৫. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন

শরীর নড়লে শুধু পেশি নয়, মস্তিষ্কও উপকৃত হয়।

নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম বা শারীরিক সক্রিয়তা মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, মনোযোগ, ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।

প্রতিদিন কিছুটা হাঁটাও ভালো শুরু।

৬. মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা থাকলে অনেকেই বলেন,
“মাথায় কিছু ঢোকে না।”

এর কারণ, মস্তিষ্ক তখন তথ্য মনে রাখার চেয়ে উদ্বেগ সামলাতেই বেশি ব্যস্ত থাকে।

শ্বাসের ব্যায়াম, নামাজ বা ধ্যান, নিয়মিত বিশ্রাম, পছন্দের মানুষের সঙ্গে কথা বলা, প্রকৃতিতে সময় কাটানো, এসব সহজ অভ্যাসও উপকারী হতে পারে।

৭. মস্তিষ্ককে কাজ দিন

নতুন কিছু শিখুন।
বই পড়ুন।
নতুন ভাষা, গান, দক্ষতা বা কোনো সৃজনশীল কাজ শিখুন।
বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করুন।
নিজেকে প্রশ্ন করুন।

শুধু crossword বা puzzle করলেই স্মৃতি অসাধারণ হয়ে যাবে, এমন নয়।
বরং নিয়মিত শেখার অভ্যাসটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

অনেক সময় “স্মৃতি কমে গেছে” বলে মনে হলেও মূল সমস্যা থাকে মনোযোগে।

Depression, anxiety, chronic stress, ঘুমের সমস্যা, অতিরিক্ত screen time, কিছু ওষুধ, thyroid সমস্যা, Vitamin B12 deficiency এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

তাই শুধু “memory booster” বা supplement খেয়ে সমস্যার সমাধান খোঁজা ঠিক নয়।

যদি ভুলে যাওয়া দ্রুত বাড়তে থাকে, পরিচিত রাস্তা ভুলে যান, দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা হয়, একই কথা বারবার বলেন, আচরণ বা ব্যক্তিত্ব বদলে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মনে রাখবেন,
স্মরণশক্তি বাড়ানোর কোনো জাদুর ওষুধ নেই।

ভালো ঘুম
ভালো মনোযোগ
নিয়মিত ব্যায়াম
সঠিক শেখার কৌশল
কম মানসিক চাপ
এবং সুস্থ জীবনযাপন

এই সাধারণ অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় বন্ধু।

মস্তিষ্ককে শুধু তথ্য দেবেন না।
বিশ্রাম দিন, অনুশীলন করান, আর সুস্থ রাখুন।

কেউ হাসছে মানেই সে ভালো আছে, এমন নয়।খোঁজ নিন, কথা বলুন, পাশে থাকুন।
10/09/2026

কেউ হাসছে মানেই সে ভালো আছে, এমন নয়।
খোঁজ নিন, কথা বলুন, পাশে থাকুন।

জ্ঞান অর্জন করা এবং সেই জ্ঞান ব্যবহারের সৌন্দর্য অর্জন করাএক বিষয় নয়।
08/09/2026

জ্ঞান অর্জন করা এবং সেই জ্ঞান ব্যবহারের সৌন্দর্য অর্জন করা
এক বিষয় নয়।

রাগ নিয়ন্ত্রণ মানে রাগ না হওয়া নয়,বরং রাগের মুহূর্তে এমন কিছু না করা, যার জন্য পরে অনুতপ্ত হতে হয়।রাগ উঠলে শরীর আগে সংকে...
06/09/2026

রাগ নিয়ন্ত্রণ মানে রাগ না হওয়া নয়,
বরং রাগের মুহূর্তে এমন কিছু না করা, যার জন্য পরে অনুতপ্ত হতে হয়।

রাগ উঠলে শরীর আগে সংকেত দেয়—হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীর গরম লাগে, গলার স্বর উঁচু হয়, মুঠো শক্ত হয়ে আসে। এই সংকেতগুলো বুঝতে পারলেই নিয়ন্ত্রণের প্রথম ধাপ শুরু হয়।

রাগের মুহূর্তে যা করতে পারেন:

১. সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেবেন না। অন্তত ১০ সেকেন্ড থামুন।
২. নাক দিয়ে ধীরে শ্বাস নিন, মুখ দিয়ে ছাড়ুন ..এভাবে কয়েকবার করুন।
৩. পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে বলুন, “আমি একটু শান্ত হয়ে পরে কথা বলব।”
৪. কিছুক্ষণ হাঁটুন, পানি পান করুন বা মুখ ধুয়ে নিন।
৫. শান্ত হওয়ার পর “তুমি সব সময় এমন করো” না বলে বলুন, “এই ঘটনায় আমি কষ্ট পেয়েছি।”
৬. ক্ষুধা, ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ বা অপমান…কোন বিষয়টি বারবার রাগ বাড়াচ্ছে, খেয়াল করুন।
৭. নিয়মিত ঘুম, শরীরচর্চা ও বিশ্রামের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

মনে রাখবেন, রাগের সময় চিৎকার করা, অপমান করা, জিনিস ভাঙা বা আঘাত করা শক্তির পরিচয় নয়। প্রকৃত শক্তি হলো নিজের আবেগকে বুঝে, ক্ষতি না করে, সঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারা।

রাগ আসা স্বাভাবিক, কিন্তু রাগের নির্দেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক নয়।
একটু বিরতি অনেক বড় ভুল থেকে বাঁচাতে পারে।

রাগ যদি বারবার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, সম্পর্ক নষ্ট করে বা নিজের কিংবা অন্যের ক্ষতি করার আশঙ্কা তৈরি করে, তবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন।

ওভার থিংকিং  ভবিষ্যতের বিপদ কমায় না,শুধু বর্তমানের শান্তিটুকু আগেই কেড়ে নেয়।তাই চিন্তা মাথায় এলেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন,“এ...
05/09/2026

ওভার থিংকিং ভবিষ্যতের বিপদ কমায় না,
শুধু বর্তমানের শান্তিটুকু আগেই কেড়ে নেয়।

তাই চিন্তা মাথায় এলেই নিজেকে জিজ্ঞেস করুন,
“এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে বাস্তবে কিছু করার আছে?”

থাকলে ছোট একটি পদক্ষেপ নিন।
না থাকলে চিন্তাটি লিখে রেখে মনোযোগ দিন বর্তমানের কোনো কাজে।

মনে রাখবেন,
প্রতিটি চিন্তার সমাধান করতে হয় না..
কিছু চিন্তাকে শুধু গুরুত্ব না দিয়ে চলে যেতে দিতে হয়।

একদিন হঠাৎ বুঝবেন...যে জীবনটার জন্য এতদিন অপেক্ষা করছিলেন,সেটা কোনো অলৌকিক ঘটনায় বদলায়নি;বদলেছে আপনার ছোট ছোট সাহসী সিদ্...
03/09/2026

একদিন হঠাৎ বুঝবেন...
যে জীবনটার জন্য এতদিন অপেক্ষা করছিলেন,
সেটা কোনো অলৌকিক ঘটনায় বদলায়নি;
বদলেছে আপনার ছোট ছোট সাহসী সিদ্ধান্তে।

শারীরিক ক্ষুধা না থাকলেও মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, একাকিত্ব বা মন খারাপ সামলাতে বারবার খাবার খেতে মনে চায় এবং খেয়েও ফেলি...
02/09/2026

শারীরিক ক্ষুধা না থাকলেও মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, একাকিত্ব বা মন খারাপ সামলাতে বারবার খাবার খেতে মনে চায় এবং খেয়েও ফেলি । এটাকে বলে স্ট্রেস ইটিং । কিছু ক্ষেত্রে এতে সাময়িক স্বস্তি মিললেও পরে অপরাধবোধ, ওজন বৃদ্ধি এবং মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।

খাওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন,.সত্যিই কি ক্ষুধা লেগেছে, নাকি মনটা একটু স্বস্তি খুঁজছে?

এক গ্লাস পানি পান করুন, ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন, একটু হাঁটুন, গভীর শ্বাস নিন অথবা বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে কথা বলুন। খাবারের নির্দিষ্ট সময় বজায় রাখুন, ঘরে অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড না রাখুন এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।

নিজেকে দোষ দেবেন না। স্ট্রেস ইটিং ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতা নয়, এটি মানসিক চাপ মোকাবিলার একটি অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সচেতন অনুশীলন ও প্রয়োজন হলে পেশাদার সহায়তায় এই অভ্যাস পরিবর্তন করা সম্ভব।
মনকে খাবার দিয়ে চুপ করাবেন না—মন কী বলতে চাইছে, সেটি শুনুন।

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলো একটা অদ্ভুত কাজ করে,কে পাশে আছে সেটা দেখায়,কী হারানো দরকার সেটা শেখায়,আর নিজের ভেতরে কতটা শক্...
01/09/2026

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলো একটা অদ্ভুত কাজ করে,
কে পাশে আছে সেটা দেখায়,
কী হারানো দরকার সেটা শেখায়,
আর নিজের ভেতরে কতটা শক্তি লুকিয়ে আছে, সেটা চিনিয়ে দেয়।

আজ সবকিছু এলোমেলো লাগতেই পারে।
সব প্রশ্নের উত্তর আজই পাওয়া জরুরি নয়।

শুধু থেমে যাবেন না।

কারণ অন্ধকার সময়ের সবচেয়ে বড় ভুল হলো,
মনে করা যে আলো আর আসবে না।

সময় বদলায়। পরিস্থিতি বদলায়। মানুষও বদলায়।
আর একদিন আপনি নিজেই অবাক হয়ে দেখবেন,
যে সময়টা আপনাকে ভেঙে দেওয়ার কথা ছিল,
সেই সময়টাই আপনাকে আরও শক্ত করে দিয়ে গেছে।

লাইফে নানারকম নোটিফিকেশন আসবেই, সবগুলোতে লাভ বা স্যাড রিয়্যাক্ট দেওয়ার দরকার নেই। কিছু জিনিস স্রেফ সিন করে ইগনোর করুন আর...
31/08/2026

লাইফে নানারকম নোটিফিকেশন আসবেই, সবগুলোতে লাভ বা স্যাড রিয়্যাক্ট দেওয়ার দরকার নেই। কিছু জিনিস স্রেফ সিন করে ইগনোর করুন আর নিজের মনের টাইমলাইন ক্লিয়ার রাখুন।

Address

Plot: 11, Road: 11, Block: G, Flat: 1/A (1st & 2nd Floor), Banani, Dhaka, Bangladesh +880 1705-407170
Banani Model Town

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801750707145

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Raisul Islam Parag -Psychiatrist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Raisul Islam Parag -Psychiatrist:

Shortcuts

Share

Category