Dr Mohammad Sazzadul Amin Chowdhury

Dr Mohammad Sazzadul Amin Chowdhury আমি একজন শিশু চিকিৎসক। শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ এই পেজে শেয়ার করি।

27/05/2026

আসসালামুয়ালাইকুম
আগামী পরশু শুক্রবার (২৯/০৫/২৬) সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত চেম্বার করবো হিলভিউ হাসপাতালে ইনশাআল্লাহ।
যোগাযোগ: +8801852464435

13/05/2026

আসসালামুয়ালাইকুম
আগামী পরশু শুক্রবার (১৫/০৫/২৬) সকাল ১০:৩০ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত চেম্বার করবো হিলভিউ হাসপাতালে ইনশাআল্লাহ।
যোগাযোগ: +8801852464435

01/04/2026

ছোট বাচ্চার বাবা-মায়েদের কাছে এখন আরেক আতংকের নাম হয়েছে হাম (গ্রাম্য ভাষায় যাকে বলে লুতি)। কিছু ভূল ধারণা, সেগুলোর সংশোধন এবং কিছু সচেতনতাই পারে হামের হাত থেকে বাচ্চাকে ভালো রাখতে।
সাধারণত শীত শেষ হওয়ার পর প্রতি বছর হামের একটা প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। যেটা এবার বেশি। প্রথমে এই রোগ সম্পর্কে হালকা জেনে নিই।
হাম একটা ভাইরাসজনিত রোগ। অত্যন্ত ছোয়াচে।
লক্ষ্মণ সাধারণত তীব্র জ্বর (১০৪-৬ পর্যন্ত উটতে পারে, এবং টানা জ্বর থাকতে পারে), চোখ উটা বা লাল হয়ে যাওয়া, সর্দি এবং হালকা কাশি। এর বাইরে তেমন লক্ষন প্রথম ৩-৪ দিন থাকে না। ৪-৫ দিন পর সাধারণত জ্বর আস্তে আস্তে কমতে থাকে।
জ্বর কমা শুরু হলেই সাধারণত হামের র‍্যাশ আসা শুরু হয়। যেটা প্রথমে হাত এবং মুখ থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এই র‍্যাশ সাধারণত চুলকায় না। এই র‍্যাশ ৪-৭ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।
এখন যদি চিকিৎসার কথা বলেন তাহলে বলতে হয় এই ভাইরাসের কোন ঔষধ বা চিকিৎসা নেই। জ্বর, সর্দি এসবের জন্য লক্ষ্মণ অনুযায়ী ঔষধ সেবন করা। এবং প্রচুর পরিমানে পানি, বুকের দুধ, তরল খাবার, পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো। র‍্যাশ আসা শুরু হলে হাম কনফার্ম হয় তারপর ভিটামিন-এ খাওয়ানো সাথে জিংক সিরাপ দেয়া যায়। এর বাইরে কোন চিকিৎসা নেই। পাশাপাশি হাম মনে হলে অন্য বাচ্চাদের সংস্পর্শে না আনাই ভালো।
প্রতিকার: সরকারিভাবে ৯ এবং ১৫ মাস বয়সে এর টিকা দেয়া হয়। যেটার মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ হয়।
এখন কথা হলো এতো সহজই যদি হতো তাহলে চারপাশে এতো মাতামাতি কেনো? এতো বাচ্চা মারাই বা যাচ্ছে কেন?
এর কারণ হাম পরবর্তী জটিলতা (Post-measels complications)। সাধারণত হাম রোগ পরবর্তী বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবি কমে যায়। তার ফলে ২ টি মারাত্মক সমস্যা হয়। একটি হলো নিউমোনিয়া আরেকটি ডায়রিয়া। সাধারণত এই ২ টির কারণে হাম পরবর্তী জটিলতায় বাচ্চারা মারা যাচ্ছে। আর সবচাইতে বেশি আক্রান্ত এবং ঝুকির মধ্যে আছে ১ বছরের (আরো স্পেসিফিক বলতে গেলে ৯ মাসের) ছোট বাচ্চাগুলো। কারণ এদের রোগী প্রতিরোধ ক্ষমতা এমনিতে কম পাশাপাশি তারা ভ্যাকসিনও পায় নি। আরেকটি বিষয় হলো ৩ মাসের ছোট বাচ্চারা সাধারণত হামে আক্রান্ত হয় না।
এই জটিলতা এড়ানোর উপায় কি? তেমন কোন উপায় নেই। সচেতন থাকা। হাম পরবর্তী ১ মাস জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, চোখের ঘা ইত্যাদি হলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো, ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো।
আরেকটা ছোট জিনিস বলে যাই। হাম ভালো হয়ে যাওয়ার পর অনেকেরই ধারণা এটা চিকেন পক্সের মতো আর হবে না। সেজন্য অনেকেই আর টিকা নেন না। কিন্তু এটা মারাত্মক ভুল। একবার হাম হলে অনেকসময় পরবর্তীতে না হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিন্তু টিকা না নিলে পরবর্তীতে একটি খুবি জটিল রোগ হতে পারে। যার নাম SSPE. এর রোগে মৃত্যু নিশ্চিত। সাধারণত হাম ভালো হয়ে গেলেও কিছু ভাইরাসের মৃত জিনিস শরীরের বিভিন্ন জায়গায় থেকে যায় (বিশেষ করে ব্রেইনে)। যেগুলো টিকা দিলে আস্তে আস্তে ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু টিকা না দিলে পরবর্তীতে এই মারাত্মক রোগ হতে পারে। তাই হাম বিষয়ে সচেতন হোন, বাচ্চাকে টিকা দিন, হাম হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, চিকিৎসা নিন। অহেতুক আতংকিত হবেন না।

এই বাচ্চাটা জটিল একটা বংশগত রোগে আক্রান্ত। Fraser Syndrome. তার দুই চোখ নেই পাশাপাশি তার একটি কিডনিও জন্মগতভাবে নেই। খার...
07/01/2026

এই বাচ্চাটা জটিল একটা বংশগত রোগে আক্রান্ত। Fraser Syndrome. তার দুই চোখ নেই পাশাপাশি তার একটি কিডনিও জন্মগতভাবে নেই। খারাপই লাগে এই বাচ্চার জন্য। করারও কিছু নেই। আল্লাহ সব বাচ্চাকে হেফাজতে রাখুন।

10/07/2025

যাদু দেখবেন?
আমরা যে শ্বাসপ্রশ্বাস নিচ্ছি সেটা কি নিজের ইচ্ছায় নিচ্ছি নাকি আমার বডি অটো নিচ্ছে? অটো তাই না। ঘুমের মধ্যেও কিন্তু আমরা শ্বাস নিচ্ছি। স্বয়ংক্রিয়ভাবে শ্বাস নেয়ার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ব্রেইনের একটা জায়গায় একটা সেন্টার থাকে।
সময়ের আগে জন্মানো বাচ্চাগুলোর (বিশেষ করে ৩২ সপ্তাহের/৭ মাসের আগে) আগে জন্মানোর কারণে তাদের সব অংগ অপরিপক্ক থাকে। ঠিক সে কারণে তাদের ব্রেনের শ্বাস নেয়ার সেন্টারও অপরিপক্ক থাকে। ফলে তারা শ্বাস নিতে ভুলে যায়।।পাশাপাশি তাদের ফুসফুসে সারফেকটেন্ট নামক একটা জিনিসেরও ঘাটতি থাকে। সব মিলিয়ে তারা শ্বাস নিতে ভুলে যায়।শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।
ভিডিওর বাচ্চাটি ৩০ সপ্তাহে জন্মেছে। এরপর থেকে সে NICU তে CPAP নামক একটা মেশিনে আছে। কিন্তু এখন সমস্যা হলো সে একটু পরপর শ্বাস বন্ধ করে ফেলছে। ভিডিওতে দেখলে বুঝবেন। প্রথমে বাবুর অক্সিজেন সেচুরেশন স্বাভাবিক ছিলো (৯০ এর উপরে)। এরপরে বাবু শ্বাস বন্ধ করে ফেলে। তারপর তার রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বা সেচুরেশন কমতে কমতে ৮০ এর নিচে চলে আসে। আমি বাবুকে একটু নাড়াচাড়া দিয়ে মনে করিয়ে দিলাম, এই ব্যাটা শ্বাস নে! এরপর সে আবার শ্বাস নেয়া শুরু করে আর সেচুরেশন ১০০ হয়ে যায়। আমি যদি তাকে নাড়া না দিতাম তাহলে হয়ত সে আর ফিরে আসতো না, চলে যেতো উপরওয়ালার কাছে। এজন্যই নবজাতকের আইসিইউতে সবসময় চোখ কান খোলা রাখতে হয়।
আর বর্তমানে যে পরিমাণ প্রিম্যাচ্যুর বেবি হচ্ছে তা আশংকাজনক। আমাদের মতো গরীব দেশে এতো এতো NICU নাই। আর প্রাইভেট NICU এর ভাড়া তো আকাশছোঁয়া। তাই গর্ভবতী মায়েদের যত্ন নিন যাতে প্রিম্যাচ্যুর ডেলিভারি না হয়।

Address

Hillview Hospital, VIP Road
Bandarban

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mohammad Sazzadul Amin Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Mohammad Sazzadul Amin Chowdhury:

Shortcuts

Share

Category