Dr. Md. Towkir Ahmed

Dr. Md. Towkir Ahmed To apply my clinical skills and knowledge gained through medical training to deliver comprehensive and compassionate care to patients.

Seeking a position where I can collaborate with healthcare professionals, utilize evidence-based practices.

৬৫ বছর বয়সী এক নারী কয়েক মাস ধরে তীব্র হাঁটুব্যথায় ভুগছিলেন। ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, বিশ্রাম—কিছুই কাজ করছিল না; বরং ব্যথা আর...
30/11/2025

৬৫ বছর বয়সী এক নারী কয়েক মাস ধরে তীব্র হাঁটুব্যথায় ভুগছিলেন।

ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, বিশ্রাম—কিছুই কাজ করছিল না; বরং ব্যথা আরও বাড়ছিল।

পরামর্শের সময় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান:

বহু বছর আগে তিনি আকুপাংচার চিকিৎসা নিয়েছিলেন, যেখানে একজন পেশাদার স্বর্ণের সূঁচ ব্যবহার করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, এই পদ্ধতি নাকি “দীর্ঘস্থায়ী উদ্দীপনা” রেখে দীর্ঘমেয়াদি উপকার দেবে।

কিন্তু বছর পর ব্যথা অসহনীয় হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে এক্স-রে করা হয়। এবং যা দেখা গেল, তা চিকিৎসক দলকে অবাক করে দেয়—

হাঁটুর চারপাশে শত শত ক্ষুদ্র ধাতব খণ্ড ছড়িয়ে আছে। এগুলো ছিল সেই সূঁচের ভাঙা অংশ, যা চিকিৎসার সময় ভেঙে গিয়ে হাঁটুর ভেতরেই রয়ে গিয়েছিল।

এই ধাতব অংশগুলো দীর্ঘমেয়াদে:
• ক্রনিক প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে
• টিস্যুতে জ্বালা ও ক্ষতি ঘটাতে পারে
• ব্যথা ক্রমশ বাড়াতে পারে

এবং রোগীর সঙ্গে ঠিক এটাই ঘটছিল।
অর্থাৎ বিষয়টি শুধু “হাঁটুর ক্ষয় বা বয়সজনিত সমস্যা” ছিল না—
ব্যথা বজায় ছিল বহু বছর আগে করা একটি ভুল চিকিৎসায় রেখে যাওয়া বস্তুর কারণে।

যেকোনো ইনভেসিভ (ত্বক বা টিস্যুর ভেতরে ঢোকে এমন) চিকিৎসা অবশ্যই দক্ষ, প্রশিক্ষিত পেশাদারের মাধ্যমে করা উচিত।

কারণ—যা দেখতে ক্ষতিকর মনে না-ও হতে পারে, তার অদৃশ্য প্রতিক্রিয়া বহু বছর পরেও ভয়াবহভাবে প্রকাশ পেতে পারে।

যে চিনেনা  এ ট্যাবলেট,সে বড় ভাগ্যবান...
27/11/2025

যে চিনেনা এ ট্যাবলেট,
সে বড় ভাগ্যবান...

📖 এক অদ্ভুত গল্প: জিহ্বার নীরব চিৎকারসেদিন বিকেলের বাতাসটা ছিল ভারী।চেম্বার প্রায় ফাঁকা—হঠাৎ দরজা ঠেলে ঢুকলেন এক মহিলা।চ...
27/11/2025

📖 এক অদ্ভুত গল্প: জিহ্বার নীরব চিৎকার

সেদিন বিকেলের বাতাসটা ছিল ভারী।
চেম্বার প্রায় ফাঁকা—
হঠাৎ দরজা ঠেলে ঢুকলেন এক মহিলা।
চোখে ক্লান্তি, মুখে অস্বস্তি।

“ডাক্তার, জিহ্বাটা কদিন ধরে
আগুনের মতো জ্বলে…
খাইতে গেলেই ব্যথা।
আর দেখলে মনে হয়
কে যেন পলিশ করে দিয়েছে—
এত লাল, মসৃণ, চকচকে!”

তিনি কথা বলছিলেন,
আমি তাঁর চোখে একটাই জিনিস দেখলাম—
ভয়।

আমি বললাম,
“আপনার জিহ্বা শুধু চুপ করে নেই…
এটা আপনাকে কিছু বলতে চাইছে।”

তিনি অবাক।
“জিহ্বা কথা বলে ডাক্তার?”

আমি মৃদু হেসে বললাম,
“হ্যা। আর আজ সেটা
Atrophic Glossitis বলে চিৎকার করছে।”

তিনি আরও থমকে গেলেন।
আমি ব্যাখ্যা করলাম—
“এটা কোনো সাধারণ irritation না।
এটা শরীরের ভেতরের
Iron, B12, Folate deficiency-এর
নির্জন অ্যালার্ম বেল।”

তার মুখে নিস্তব্ধতা নেমে এলো।

আমি বললাম,
“শরীর কখনো হুট করে ভেঙে পড়ে না।
আগে সতর্ক করে।
জিহ্বা সেই প্রথম সতর্কবার্তা।”

টেস্টগুলো করালাম।
রিপোর্ট আসতেই প্রমাণ মিললো—
ঘাটতিগুলো ভয়াবহ।

চিকিৎসা শুরু হলো।
ভিটামিন, iron, diet correction।

দুই সপ্তাহ পরে—
একদম ভিন্ন মানুষ এসে দাঁড়ালেন সামনে।
চোখে আলো, মুখে হাসি।

“ডাক্তার, আগুন নিভে গেছে।
জিহ্বা আবার আগের মতো।
তিনবেলা খাওয়ায় শান্তি আছে।”

আমি বললাম,
“আপনি নিজেকে সময়মতো থামিয়েছেন।
এটাই আপনার জেতা।”

---

**✨ গল্পটা এখানেই শেষ—

কিন্তু শিক্ষা শুধু একটাই:**
জিহ্বা লাল, মসৃণ, অথবা burning হলে—
এটাকে সৌন্দর্যের সমস্যা ভেবে ভুল করবেন না।
এটা শরীরের ভিতরের
নীরব SOS signal।

সময়মতো দেখলে সহজে সারে।
অবহেলা করলে ছড়িয়ে পড়ে গভীরে।



© Dr. Md. Towkir Ahmed

🌿✨ স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস: খুশকি ভেবে বছরের পর বছর কষ্ট করার দরকার নেই ✨🌿স্ক্যাল্পে যদি বারবার✔ পুরু সাদা খোসা✔ লালচে প্যা...
26/11/2025

🌿✨ স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস: খুশকি ভেবে বছরের পর বছর কষ্ট করার দরকার নেই ✨🌿

স্ক্যাল্পে যদি বারবার
✔ পুরু সাদা খোসা
✔ লালচে প্যাচ
✔ জ্বালা–চুলকানি
✔ চুলের লাইনে পরিষ্কার দাগ
দেখা যায় — সেটা সাধারণ খুশকি নয়। এটি হতে পারে স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস, একটি দীর্ঘমেয়াদি ইমিউন–মিডিয়েটেড স্কিন কন্ডিশন।

---

🔍 যে লক্ষণগুলো রোগটিকে আলাদা করে:
• শ্যাম্পু বদলালেও স্কেল কমে না
• খুশকি নয়, মোটা-plaque জাতীয় খোসা
• চুলকালে পুরু খোসা উঠে আসে
• স্ক্যাল্প টাইট বা জ্বালা–ভাব
• চুল পড়লেও hair root সাধারণত সুস্থ থাকে

---

🔥 কেন হয়?
স্ট্রেস, হঠাৎ আবহাওয়ার পরিবর্তন, ইনফেকশন, জেনেটিক ফ্যাক্টর—এগুলো flare-up তৈরি করে।

---

🩺 চিকিৎসা কীভাবে এগোয়?
• মেডিকেটেড শ্যাম্পু (Tar / Salicylic Acid)
• স্টেরয়েড বা ভিটামিন–D এনালগ লোশন
• Anti-inflammatory সলিউশন
• রেজিস্ট্যান্ট রোগে phototherapy
• স্ট্রেস কন্ট্রোল + Gentle scalp routine

---

💡 কেন দ্রুত চিকিৎসা জরুরি?
দেরি করলে খোসা আরও পুরু হয়, লাল দাগ ছড়ায়, এবং চুলকাতে গিয়ে স্ক্যাল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শুরুতেই চিকিৎসা নিলে স্ক্যাল্প পরিষ্কার হওয়া ও আরাম — দুটোই অনেক দ্রুত মেলে।

---

📞 আপনার স্ক্যাল্পে যদি খুশকির মতো সমস্যা বারবার ফিরে আসে — proper diagnosis নিন। সঠিক চিকিৎসায় স্ক্যাল্প সোরিয়াসিস সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব



© Dr. Md. Towkir Ahmed

This is how we are treating in a tertiary level Medical College & Hospital একটা বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দৃশ্য এট...
01/09/2025

This is how we are treating in a tertiary level Medical College & Hospital
একটা বিভাগীয় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দৃশ্য এটা। আমাদের একটা NICU নাই। স্ক্যানুতে বেড ফাঁকা নাই।গরীব বাবা মার প্রিম্যাচিউর বাচ্চা ফেরত পাঠাতে হচ্ছে।ক্লিনিকে ভর্তি করা সম্ভব না তাদের পক্ষে।তারা এটা বুঝতে পারতেছে না এত বড় হাসপাতালে তার বাচ্চার কেন চিকিৎসা হবে না। Cyanosed বাচ্চা ভর্তি নিতে পারি নি। কারন অক্সিজেনের পোর্ট ফাঁকা নাই।

আমরা এতটাই অসহায়!
( কালেক্টেড পোষ্ট)

28/03/2025

তামিম ইকবালকে ২২ মিনিট CPR দেয়া হইছে।ভুল ভাবে cpr করলে উপকার তো হয় না, উল্টো সময় নষ্ট। সবার এই ভিডিও টা দেখা উচিত।

25/03/2025

এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam  (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ...
20/03/2025

এফসিপিএস মেডিসিনে গোল্ড মেডেল পাওয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক Dr. Khairul Islam (MBBS,MCPS,FCPS) ভাই। ভাই শুধু ডিগ্রীধারী বিশেষজ্ঞই নন, ক্লিনিসিয়ান হিসেবেও খুবই ভালো। একাডেমিক ও মানবিক একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। ভাইয়ের সাথে দেখা হলে সবসময় বিভিন্ন কেইস নিয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। কেইস নিয়ে কৌতুহল থাকায় শুনতে/জানতে ভালো লাগে এবং থিংকিং ক্যাপাবিলিটি বাড়ানোর চেষ্টা করি। সেদিন ভাইয়া একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

মহিলার বয়স মাত্র ২৯ বছর। সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে বাচ্চা জন্ম দেয়ার কয়েকদিন পর গাইনী ডিপার্টমেন্টে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন জ্বর নিয়ে এবং এর সাথে তখনই/পরবর্তীতে Diarrhoea দেখা দেয়।

ঐ সময় জ্বরের কারণ হিসেবে underlying Infection চিন্তা করে পেশেন্ট কে হসপিটালে ভর্তির পরামর্শ দেয়া হয়। সেলাইয়ের জায়গার একটা অংশ কিছুটা আদ্র থাকায় সেখানে ইনফেকশন চিন্তা করা হয়। প্রথমে এম্পেরিয়াল এন্টিবায়োটিক শুরু করা হয় কিন্তু রোগীর তেমন উন্নতি নেই। বরং শরীরের গলার নিচে-বুকে-পিঠে বিভিন্ন জায়গায় Rash দেখা। গাইনোকলজিস্ট Antibiotic এর Drug Reaction চিন্তা করে Antibiotic বন্ধ করেন।

পরবর্তীতে আদ্র জায়গা থেকে Swab নিয়ে কালচারের জন্য পাঠানো হয় কিন্তু কালচারে কোন গ্রোথ ছিল না। পরবর্তীতে কয়েক দফায় এন্টাবায়োটিক পরিবর্তন করা হয়। এর পাশাপাশি ব্লাড কালচার করা হয় সেখানেও কোনো গ্রোথ পাওয়া যায় নি। এছাড়া জ্বরের কারণ খোঁজার জন্য টিবি সহ সম্ভাব্য অন্যান্য পরীক্ষাও করা হয় কিন্তু কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি।

যেহেতু ডেঙ্গু সিজন চলছে ডেঙ্গু টেস্টও করা হয়েছিল ডেঙ্গু টেস্ট নেগেটিভ, Platelet count নরমাল।

এর মধ্যে মেডিসিন ডিপার্টমেন্টে কল দেয়া হয় মেডিসিনের সিনিয়র ডাক্তার এসেও কোনো ক্লোজ খুঁজে পাচ্ছেন না।
এন্টিবায়োটিক পরিবর্তন করা হল কিন্তু উন্নতি নেই।

এর মধ্যে রোগীর CBC পরীক্ষায় দেখা যায় যে wbc কাউন্ট দিন দিন কমে যাচ্ছে। জন্ডিস দেখা দিয়েছে, বিলিরুবিন বেশি। এলবুমিন ও কমে যাচ্ছে।

Procalcitonin level, HBsAg, Anti HCV সহ অনেক টেস্ট করা হয়েছিল সব নরমাল। এদিকে Albumin দিয়েও Albumin লেভেল নরমালে রাখা যাচ্ছে না বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ট্রাই করেও রোগীর কোন উন্নতি হচ্ছে না
কিন্তু কেন এমন হলো তার কোন ব্যাখ্যা ও দিতে পারছেন না ডাক্তাররা।

সবশেষে উনারা বলেন যে, Septicemia থেকে Multiorgan failure এর দিকে যাচ্ছে পেশেন্ট।

ঐ মুহূর্তে ডা. খাইরুল ভাইয়ার ডাক পড়ে। ভাইয়া ওয়ার্ডে গিয়ে পেশেন্ট কে দেখেন। একেবারে শুরু থেকে হিস্ট্রি নেন এবং প্রশ্ন করে পাওয়া একটা ক্লু থেকে ডায়াগনোসিস করেন। সেই মুহূর্তে ভাইয়া মোবাইলে থাকা পেশেন্টের Rash এর ছবি টা আমাকে দেখান।

পেশেন্টের হিস্ট্রি + Rash এর ছবি টা দেখে আমার মনে পড়ে যায় ১/২ বছর আগে বিশিষ্ট হেমাটোলজিস্ট Prof. Dr. Akhil Ranjon Biswas স্যারের শেয়ার করা দুটি কেইস হিস্ট্রি পড়েছিলাম Haematology Society of Bangladesh এর ওয়েবসাইটে। এবং এই পেশেন্টের Rash ও স্যারের শেয়ার করা পেশেন্টের Rash এর ছবির সাথে মিলে যাচ্ছে।

তখন ভাই কে জিজ্ঞেস করলাম, উনার ডায়াগনোসিস কি Blood Transfusion Associated GVHD(Graft Versus Host Disease)?

তখন ভাই জানালেন যে পেশেন্টের সিজারের সময় ব্লাড ডোনেট করে তার আপন ভাই। কেউ আসলে সেই হিস্ট্রি টা নেন নি। সবাই আসলে সিজার পরবর্তী জ্বরের কারণ হিসেবে Infective cause চিন্তা করছিলেন। তাই কোনো কনক্লুসনে আসতে পারছিলেন না কেইস টি নিয়ে। যেহেতু অনেক টেস্ট অলরেডি করা হয়ে গেছে এবং ভাইয়াও অতীতে এমন কেইস দেখেছেন তাই উনি আগ বাড়িয়ে ব্লাড ট্রান্সফিউসন হিস্ট্রি নিয়েছেন এবং ডায়াগনোসিস করতে পেরেছিলেন। আর বাইরে থেকে এলবুমিন দেয়া সত্ত্বেও পেশেন্টের এলবুমিন লেভেল কমে যাচ্ছিল তার কারণ হিসেবে ভাইয়া বললেন এক্ষেত্রে Protein loosing Enteropathy হয়।

কিন্তু GVHD এর মর্টালিটি রেইট যেহেতু অনেক বেশি, এই পেশেন্ট আসলে সার্ভাইভ করার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। (আমি পূর্বে যে দুটো কেইস পড়েছিলাম সেই দুজনই মারা যান। একজনের ক্ষেত্রে ব্লাড ডোনার ছিলেন আপন ভাই, আরেকজনের ক্ষেত্রে আপন ছেলে।)

এই মহিলার শেষ CBC তে WBC count ছিল মাত্র ২৩০/মাইক্রো লিটার (!!!)। Neutrophil 08%, Lymphocyte 90%. ESR= 45.

পরবর্তীতে তাকে হেমোটলজি ওয়ার্ডে ট্রান্সফার করা হয়। ভাইয়া আমাকে নিয়ে যান হেমোটলজি ওয়ার্ডে ভর্তি এই পেশেন্ট দেখানোর জন্য এবং ঐ সময় অধ্যাপক ডা. আখিল রন্জন বিশ্বাস স্যারও ওয়ার্ডে রাউন্ড দিচ্ছিলেন। কিন্তু এই পেশেন্টের বেডে গিয়ে পেশেন্ট কে পাওয়া যায় নি। কারণ উনিও GVHD এর মত একটি Grievous condition এর নিকট হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আল্লাহ মেহেরবানী করে রোগী কে বেশেহত নসীব করুন।
ডা. খাইরুল ভাইয়া কে অসংখ্য ধন্যবাদ কেইস টি শেয়ার করার জন্য। এর আগে TA-GVHD এর সেইম আরেকটি কেইস ভাইয়া ডায়াগনোসিস করেন যেখানে Open Heart Surgery এর পর পেশেন্টের জ্বর এবং Rash দেখা দেয়। সার্জারীর সময় নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেন ঐ পেশেন্ট এবং কয়েকদিনের মধ্যেই মরণঘাতী এই রোগে মৃত্যুবরণ করেন।

বি: দ্র: ইংরেজিতে একটা কথা আছে,, Knowledge increases by Sharing, not by Saving! এই সিরিজের সবগুলো লিখাই একাডেমিক আলোচনার জন্য। প্রাসঙ্গিক কোনো তথ্য/অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাইলে করতে পারেন।
Dr. Fahim Uddin
Khulna Medical College
Session: 2012-2013

:
নিকটাত্মীয় থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। নিকটাত্মীয়ের রক্ত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। সাধারনত Blood Transfusion এর ২ দিন থেকে ৩০ দিন পর এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। Immunocompromised গ্রহীতার ক্ষেত্রে রিস্ক সবচেয়ে বেশি থাকে, তবে দৃশ্যত সুস্থ গ্রহীতার ক্ষেত্রেও Rarely এমনটা ঘটে থাকে।

এর বিস্তারিত ব্যাখা দিতে গিলে অনেক বড় হয়ে যাবে লেখা। সংক্ষেপে বললে, নিকটাত্মীয়ের সাথে আপনার HLA matching থাকায় আপনার রক্তে থাকা T cell(প্রতিরক্ষা কোষ) ডোনারের রক্তে থাকা T cell কে নিজের/Self হিসেবে মনে করবে, তাই তাকে কিছু করবে না। কিন্তু ডোনারের T cell আপনার শরীরে প্রবেশের পর আপনার দেহ কোষগুলো কে Non self/Foreign হিসেবে মনে করবে এবং বিভিন্ন অঙ্গের কোষ গুলো ধ্বংস করতে শুরু করবে। যাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা উন্নত বিশ্বেই ৯০% এর বেশি। তবে মাত্র ১% এরও কম কেইসে এটা ঘটে থাকে, অর্থাৎ খুব রেয়ার। কিন্তু হলে যেহেতু রক্ষা নেই, তাই নিকটাত্মীয়ের রক্ত এভয়েড করাই যুক্তিযুক্ত।

বোঝার সুবিধার্থে সাধারন ভাষায় বললে,
বাইরের রাষ্ট্রের কেউ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে গেলে বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কিন্তু ধরুন বাংলাদেশ বিজিবির পোশাক পরে পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের সৈনিকরা এদেশে প্রবেশ করল এবং বাংলাদেশ বিজিবি ঐ সকল সৈনিক কে নিজেদের লোক মনে করে কিছুই করল না। এই সুযোগে ঐ সৈনিকরা এদেশে বংশবৃদ্ধি করলো এবং বাংলাদেশের সাধারন মানুষ দের মারতে থাকলো। ঠিক এটাই ঘটে TA-GVHD তে।
*বিজিবি= গ্রহীতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)
*সৈনিক= দাতার রক্তের T cell(প্রতিরক্ষা কোষ)

♦বিশেষ করে আপন ভাই/বোন, বাবা /মা, ছেলে/ মেয়ে, ভাতিজা/ভাতিজি, ভাগিনা/ভাগিনী থেকে রক্ত নেয়া থেকে বিরত থাকুন। আপন ভাতিজা থেকে রক্ত নিয়ে TA-GVHD হয়ে মারা গেছেন এমন কেইসও আছে।

♣যদি ইমার্জেন্সি সিচুয়েশনে কোনো ডোনার খুঁজে না পাওয়া যায় তখন নিকটাত্মীয় থেকেও বাধ্য হয়ে ব্লাড নিতে হয়, তবে সেক্ষেত্রে ডোনারের ব্লাড Irradiation করে গ্রহীতার শরীরে দেওয়া হয়।

পড়াশেষে Done লিখুন এবং জনস্বার্থে শেয়ার করুন।

©

এখানে ২ টি ছবি দেয়া আছে, একটি চিকিৎসার আগে এবং আরেকটি আমার দেয়া চিকিৎসার পরে।ফানগাল ইনফেকশন  নিয়ে আজকাল অনেক রোগী চিকিৎস...
09/03/2025

এখানে ২ টি ছবি দেয়া আছে, একটি চিকিৎসার আগে এবং আরেকটি আমার দেয়া চিকিৎসার পরে।

ফানগাল ইনফেকশন নিয়ে আজকাল অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য আসছেন। সঠিক চিকিৎসা না নিয়ে ফার্মেসী থেকে ওষুধ লাগানোর ফলে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়।

দাদের চিকিৎসায় সুস্থ হতে হলে জানতে হবে:

১: একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এর আন্ডারে চিকিৎসা নিতে হবে

২: ডক্টর এর পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করা যাবেনা

৩: Gacozema, Dermomix, Betnovate এসব ক্রিম কোন অবস্থাতেই লাগানো যাবেনা

৪: কোন এলার্জীর ইঞ্জেকশন কোন অবস্থাতেই নেয়া যাবেনা

৫: খাবারের কোন বাধা নিষেধ নেই। কিন্তু যদি কোন খাবারে এলার্জি থাকে আগে থেকেই, তাহলে সেই খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে

ফানগাল ইনফেকশন  নিয়ে আজকাল অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য আসছেন। সঠিক চিকিৎসা না নিয়ে ফার্মেসী থেকে ওষুধ  লাগানোর ফলে অবস্থা আর...
22/02/2025

ফানগাল ইনফেকশন নিয়ে আজকাল অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য আসছেন। সঠিক চিকিৎসা না নিয়ে ফার্মেসী থেকে ওষুধ লাগানোর ফলে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়।

দাদের চিকিৎসায় সুস্থ হতে হলে জানতে হবে:

১: একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এর আন্ডারে চিকিৎসা নিতে হবে

২: ডক্টর এর পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করা যাবেনা

৩: Gacozema, Dermomix, Betnovate এসব ক্রিম কোন অবস্থাতেই লাগানো যাবেনা

৪: কোন এলার্জীর ইঞ্জেকশন কোন অবস্থাতেই নেয়া যাবেনা

৫: খাবারের কোন বাধা নিষেধ নেই। কিন্তু যদি কোন খাবারে এলার্জি থাকে আগে থেকেই, তাহলে সেই খাবার গুলো এড়িয়ে চলতে হবে ।

এখানে ২ টি ছবি দেয়া আছে, একটি চিকিৎসার আগে এবং আরেকটি আমার দেয়া চিকিৎসার পরে।

Address

Gournadi
Barisal
8230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Towkir Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category