Dr. Mohammad Faisal Hasan Bhuiyan

Dr. Mohammad Faisal Hasan Bhuiyan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Mohammad Faisal Hasan Bhuiyan, Paediatrician, Band Road, Chandmari, Barishal.

02/04/2026
01/04/2026

হাম প্রাদুর্ভাব বা Measles outbreak সম্পর্কে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য:

কিভাবে হয় (causative agent)?

-হাম Measles virus দিয়ে সংঘটিত এবং অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ।

কিভাবে ছড়ায়?

-আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা সরাসরি সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়। এই রোগটি খুবই সংক্রামক (Highly contagious)।

*এ রোগ যা অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই আক্রান্ত অবস্থায় শিশুকে স্কুলে বা জনসমাগমে পাঠানো যাবে না।

বর্তমান বাংলাদেশে হামের পরিস্থিতি কি?

-বাংলাদেশে ২০২৩ সালে প্রাদুর্ভাব এর পর ২০২৬ সালে আবার ব্যাপকভাবে প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বিভিন্ন মাধ্যম থেকে এ লেখাটি পর্যন্ত ২১ হতে ৪৬ এর মধ্যে বলা হচ্ছে।
হামের (Measles outbreak) প্রাদুর্ভাব বিশেষ করে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, পাবনা, যশোর ও নাটোর জেলায় এই রোগের সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পরীক্ষায় আক্রান্ত শিশুদের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

হামের লক্ষণসমূহ কি কি ?

শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো খেয়াল করুন:

১. প্রাথমিক লক্ষণ: প্রচণ্ড জ্বর (High fever), অনবরত কাশি (Persistent cough) এবং নাক দিয়ে পানি পড়া (Runny nose)।

২. চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া (Red eyes) এবং আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি বোধ করা।

৩. র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: কয়েক দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি (Reddish skin rash) ছড়িয়ে পড়া।

হাম প্রাদুর্ভাব কালীন কি কি করণীয়?

১) টিকা নিশ্চিতকরণ (Vaccination):

-শিশুকে এমআর (MR) বা এমএমআর (MMR - Measles, Mumps, Rubella) টিকা দেওয়া নিশ্চিত করুন। এটিই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। হাম প্রতিরোধে ২ ডোজ টিকা (৯ মাস এবং ১৫ মাসে) সবচেয়ে কার্যকর।

*যদি কোনো শিশু ইপিআই এ টিকা দেওয়া থেকে বাদ পড়ে থাকে, তবে দ্রুত নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে বা বেসরকারি সংস্থা যেখানে এমএমআর টিকা পাওয়া যায় সেখানে নিয়ে টিকা দেওয়া।‌

২) রোগী আইসোলেশন (isolation):
হামে আক্রান্ত শিশুকে অন্যান্য শিশু ও পরিবারের সদস্যদের থেকে অন্তত ৪-৫ দিন আলাদা রাখতে হবে ।

৩) ভিটামিন 'এ' সেবন:
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়াতে হবে, যা জটিলতা কমায়।

৪) পুষ্টি ও তরল খাবার:
হামে আক্রান্ত শিশুকে পর্যাপ্ত পানি, ডাবের পানি, এবং পুষ্টিকর তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

৫) পরিচ্ছন্নতা:
আক্রান্ত রোগীর ব্যবহৃত কাপড়, বিছানা নিয়মিত গরম পানি ও সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

** ৬) দ্রুত চিকিৎসা (Early Treatment):
জ্বরের সঙ্গে শরীরে র‍্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Pediatrician) পরামর্শ নিন।

হাম কেন বিপজ্জনক?

- হামকে কেবল সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে ভুল করা জীবনঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হামের ফলে শিশুদের শরীরে নিম্নলিখিত জটিলতা দেখা দিতে পারে:

-তীব্র নিউমোনিয়া (Severe Pneumonia): ফুসফুসের সংক্রমণ যা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে।

-মস্তিষ্কের প্রদাহ (Encephalitis): যা শিশুর স্নায়বিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

-ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতা (Diarrhea and Malnutrition): শরীর দ্রুত পানিশূন্য ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

কেন এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যাচ্ছে?

- ইপিআই টিকা দান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এম আর ভ্যাকসিন বাদ পরে যাওয়া।

ইপিআই ছাড়া টিকা দেওয়া যায় কি?

-বেসরকারি হাসপাতাল বা ক্লিনিকে হামের টিকা পাওয়া যায়। সাধারণত এমএমআর (মিজেলস, মাম্পস, রুবেলা) টিকা দেওয়া হয়, যা হামের পাশাপাশি মাম্পস ও রুবেলা থেকেও সুরক্ষা দেয়।

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ:

-সরকার জরুরি ভিত্তিতে ৬০০ কোটি টাকার টিকা ও এ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যকলাপের উদ্যোগ নিয়েছে।অতি সংক্রমণ ব্যাধি হিসাবে আলাদা আইসিইউ এর ব্যবস্থাও নেয়া হয়েছে।

(লেখাটি জনস্বার্থে কার্টেসিসহ কপি পেস্ট করে নিজ ওয়ালে শেয়ার করতে পারেন)

লেখক: ডা. Afroza Akbar
(ডা. আফরোজা আকবর সুইটি)
সহযোগী অধ্যাপক
ভাইরোলজি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ।
৩০/০৩/২০২৬ইং

18/03/2026

◑ঈদে শিশুর সুস্বাস্থ্য◑

বছর ঘুরে আবার এসেছে ঈদ। সুস্থ শিশু পরিবারে ঈদের আনন্দকে বাড়িয়ে দেয়। অন্যদিকে ঈদে শিশুর অসুস্থতা ঈদের আনন্দকে ম্লান করে দিতে পারে। শিশুর সুস্বাস্থ্য রক্ষায় তাই অভিভাবকদের থাকতে হবে সতর্ক।

🚂🚢🚅শিশুর ঈদ যাত্রা:
ঈদ আনন্দ শুরু হয় নাড়ির টানে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ দিয়ে। দূর পাল্লার ভ্রমন শিশুদের জন্য যেনো আরামদায়ক হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আপনার শিশুর শারীরিক ও মানসিক সামর্থ্য অনুযায়ী ভ্রমণ পরিকল্পনা করুন। ভ্রমণে শিশুকে আরামদায়ক পোশাক পরিধান করান। চলতি পথে বিশুদ্ধ পানি সাথে রাখুন। খাবারের প্রয়োজন হলে সেটি যথাসম্ভব ঘরে তৈরি বা বিশুদ্ধ খাবার হতে হবে। ভ্রমণ জনিত বমি/ মোশন সিকনেস থাকলে বমির ঔষধ ভ্রমনের আগেই খাওয়াতে পারেন। পাতলা পায়খানা, সাধারণ সর্দিকাশি, জ্বর ইত্যাদির ঔষধ সাথে রাখাটাই বুদ্ধিমান অভিভাবকদের কাজ হবে।

🥻👕🥿👒ঈদের পোশাক:
ছেলে বা মেয়ে যেই হোক তার ঈদের দিনের পোশাক অবশ্যই আরামদায়ক হতে হবে। এই সময়ে সুতির ঢিলেঢালা পোশাক তাদের জন্যে ভালো হবে। সিন্থেটিক/ অস্বস্তিকর পোশাক এড়িয়ে চলা উচিৎ। পায়ের জুতো জোড়াও হালকা, নরম, আরামদায়ক হওয়া চাই।

🍛🍇🥮ঈদে শিশুর খাবার :
ঈদে শিশুর খাবারের দিকে বাড়তি দৃষ্টি রাখতে হবে। এসময় ঘরে ঈদ উৎসবের যেসব খাবার রান্না করা হবে তাতে যেনো শিশুদের উপযোগী আইটেম থাকে। অতিরিক্ত তেল বা মসলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। শিশু খাবার সবসময় পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত সুষম হওয়া উচিৎ। শাক-সবজি, ফলমূল, পর্যাপ্ত তরল খাবার বর্তমান আবহাওয়ায় বেশ স্বাস্থ্য উপযোগী হতে পারে। কোথাও বেড়াতে গেলেও আপনার শিশুর উপযোগী খাবারের বিষয়টি মাথায় রাখুন। রাস্তা ঘাটের খাবার একদমই পরিহার করা উচিৎ। কোনো বিশেষ খাবারে এলার্জি থাকলে এড়িয়ে চলতে হবে।

🏖️🎠🛝বিনোদন কেন্দ্রে যাওয়া :
ঈদে সাধারণত শিশুদের বিনোদন কেন্দ্র সমূহ যেমন শিশু পার্ক/ চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেক্ষেত্রে আবহাওয়ার সাথে মানানসই সময় বেছে নিতে হবে। রাইডে চড়ার সময় অবশ্যই অভিভাবকের তত্ত্বাবধান থাকতে হবে। কড়া রোদে ছাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। সাথে অবশ্যই বিশুদ্ধ খাবার পানি থাকতে হবে।

👨‍👩‍👧‍👧শিশুর সামাজিকীকরণ :
কর্মজীবি হওয়ার কারনে সারা বছর অনেকক্ষেত্রেই শিশুরা অভিভাবকদের একান্তে পায় না। ঈদের ছুটি সে সুযোগ এনে দেয়। টিভি/ স্মার্টফোনে ব্যস্ত না থেকে এসময় পারিবারিক আবহে শিশুকে মানসম্মত সময় দিন। তাকে সামাজিকতা শেখান। আত্মীয় স্বজনদের সাথে মিশতে অভ্যস্ত করে তুলুন। সমবয়সী অন্য শিশুদের সাথে খেলতে দিন।

পরিশেষে :
আমাদের সমাজে আশেপাশে অনেক সুবিধা বঞ্চিত, এতিম, গরীব শিশু রয়েছে। তাদের সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করা আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের খাবার ও পোশাকের ব্যবস্থা করুন।🙏

ঈদ মুবারাক🎆

ডা: মোহাম্মদ ফয়সাল হাসান ভূঞা
শিশু বিশেষজ্ঞ

#শিশুরঈদ

#শিশুস্বাস্থ্য

শিশুর দেরিতে দাঁত উঠা⁉️প্রথম দাঁত সাধারণত ছয় মাস বয়সে দৃশ্যমান হয়। কোনো কোনো শিশুর এর আগে ওঠে। কারও আবার এক বছরও লেগে ...
30/01/2026

শিশুর দেরিতে দাঁত উঠা⁉️

প্রথম দাঁত সাধারণত ছয় মাস বয়সে দৃশ্যমান হয়। কোনো কোনো শিশুর এর আগে ওঠে। কারও আবার এক বছরও লেগে যায়। দু-এক মাসের পার্থক্য নিয়ে খুব একটা চিন্তার কিছু নেই। প্রথম দুটি দাঁত সাধারণত নিচে মাঝখানে থাকে, তারপর চারটি ওপরের মাঝে থাকে। বেশির ভাগ শিশুর তিন বছর বয়সে ২০টি দাঁত (সম্পূর্ণ সেট) দৃশ্যমান হয়ে যায়।

কোনো শিশুর এ সময়সীমার মধ্যে দাঁত না-ও উঠতে পারে। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। ১৮ মাস বয়সের মধ্যে যদি কোনো শিশুর কোনো দাঁত না ওঠে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

🔆দেরিতে দাঁত ওঠার কারণ❓

➡️মা-বাবার কিংবা পরিবারে কারও ছেলেবেলায় দাঁত দেরিতে ওঠার সমস্যা থাকলে শিশুটিরও হতে পারে। এমন ইতিহাস থাকলে শিশুকে নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। আরও কিছুদিন অপেক্ষা করুন।

➡️যেসব শিশু ১০ মাসের আগেই বা কম ওজন নিয়ে জন্মায়, তাদের দাঁত দেরিতে উঠতে পারে ও এনামেলে ত্রুটি থাকতে পারে।

➡️কিছু জেনেটিক সমস্যা যেমন অ্যামেলোজেনেসিস ইম্পারফেক্টা (দাঁত ওঠার ধারাবাহিকতা না থাকা) ও রিজিওনাল ওডন্টোডিসপ্লাসিয়ার কারণে দাঁত দেরিতে উঠতে পারে এবং এতে দাঁতের গঠনও প্রভাবিত হতে পারে।

➡️অপুষ্টি, ভিটামিন বা খনিজ, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডির অভাবে কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে এমনটি হতে পারে।

➡️এ ছাড়া ডাউনস সিনড্রোম বা হাইপোথাইরয়েডের সঙ্গেও সংযুক্ত থাকতে পারে এটি।

🔆কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন❓

যদি আপনার শিশুর বয়স ১৫ মাসের বেশি হয় ও দাঁত না ওঠে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঙ্গে ওজন বৃদ্ধি, সামগ্রিক বিকাশে দেরি, অলসতা বা নির্জীবতার মতো লক্ষণ আছে কি না খেয়াল করুন।

পুনশ্চঃ

✴️অনেকে দেরিতে দাঁত ওঠাকে বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ বলে মনে করেন। এটা মোটেও সত্য নয়। আবার অনেক সময় শিশুর দাঁত দেরিতে ওঠায় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন মা-বাবা।
✴️শুরুতেই সন্তানের আচরণ ও বিকাশ ভালো করে খেয়াল করুন। অস্বাভাবিক লক্ষণ যেমন কর্কশভাবে কান্না, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

Courtesy : Dr. Sharmin Zaman

#শিশুস্বাস্থ্য


#শিশুরদাঁত

Address

Band Road, Chandmari
Barishal
8200

Opening Hours

Monday 18:00 - 21:00
Tuesday 18:00 - 21:00
Wednesday 18:00 - 21:00
Thursday 18:00 - 21:00
Saturday 18:00 - 21:00
Sunday 18:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Mohammad Faisal Hasan Bhuiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category