10/09/2026
ইনফার্টিলিটি (Infertility) বা বন্ধ্যাত্ব
ইনফার্টিলিটি (Infertility) বা বন্ধ্যাত্ব বলতে কোনো দম্পতি এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে নিয়মিত সহবাস করার পরও গর্ভধারণ করতে না পারাকে বোঝায়। নারীদের বয়স ৩৫ বছরের বেশি হলে এই সময়সীমা ৬ মাস ধরা হয়। বন্ধ্যাত্ব কোনো অভিশাপ নয়, এটি নারী বা পুরুষ উভয়ের চিকিৎসাতাত্ত্বিক একটি স্বাস্থ্য সমস্যা।
বন্ধ্যাত্বের প্রধান কারণসমূহ
বন্ধ্যাত্বের পেছনে নারী, পুরুষ বা উভয়ের শারীরিক কারণ থাকতে পারে।
১. পুরুষঘটিত কারণ (প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে):
শুক্রাণুর সমস্যা: শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়া (Low s***m count), গতিশীলতা কম থাকা বা শুক্রাণুর গঠন অস্বাভাবিক হওয়া।
শারীরিক জটিলতা: ভ্যারিকোসেলে (Varicocele), অণ্ডকোষের প্রদাহ বা শুক্রাণু প্রবাহের নালীতে বাধা থাকা।
জীবনযাত্রার প্রভাব: ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, স্থূলতা এবং অতিরিক্ত তাপমাত্রায় দীর্ঘক্ষণ থাকা।
২. নারীঘটিত কারণ (প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে):
ওভুলেশন বা ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা: পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে সঠিক সময়ে ডিম্বাণু তৈরি না হওয়া।
ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক: ইনফেকশন বা এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে ডিম্বাণু ও শুক্রাণুর মিলনের নালী বন্ধ থাকা।
জরায়ুর সমস্যা: জরায়ুতে ফাইবারয়েড টিউমার, সিস্ট বা জরায়ুর অস্বাভাবিক গঠন।
বয়স: ৩৫ বছরের পর নারীদের ডিম্বাণুর গুণমান ও সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে।
প্রায় ১৫%-২০% ক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরও সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না, যাকে Unexplained Infertility বা 'অস্পষ্ট বন্ধ্যাত্ব' বলা হয়।
সঠিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় দীর্ঘ বন্ধ্যাত্ব দূর হয়েছে। হোমিওপ্যাথিতে বিষ্ময়কর সাফল্য আমরা দেখেছি।
যোগাযোগ: মোর্শেদ হোমিও ক্লিনিক। বরিশাল। 01717272223, 01953700818