Dr. Shahida Begum Minu; Womens health

Dr. Shahida Begum Minu; Womens health This is a Question and Answer place on Obstetrics and Gynecology. Here you can ask any medical health question you like from the privacy of your home.
(67)

Dr. Shahida Begum (MBBS, DGO, MCPS, FCPS), is an expert in Gynecology, Obs & Laparoscopy, as well as gynecological cancer & infertility with 23+ Years of experience. Our online gynecologist Dr.Shahida Begum(MBBS,DGO,MCPS,FCPS),expert in gynecology, Obs & Laparoscopy as well as specially trained in gynecological cancer & infertility and high risk pregnancy will try to reply Shortly. The advantage of online consultation is that you can ask your question from the privacy of your home at any time you want - morning, day or midnight. You can plan out what you want to ask or even prepare a questionnaire about your concerns. Our expert would be glad to answer every detail. This site is also meant as a helping hand for the people who have spent hours and days logged onto the internet searching for medical health information online. If you would like to ask a question on pregnancy, gynecology or any other gynecological and obstetrical health condition, or would like to get a second opinion on a diagnosis you have received, Ask Dr.Shahida.

আহ বৃহস্পতিবার, ১৭.৯.২৬ চেম্বারের সময় সকাল ১১.৩০ টা।চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।ব্রেস্টে পিণ্ড পেয়েছে...
16/09/2026

আহ বৃহস্পতিবার, ১৭.৯.২৬ চেম্বারের সময় সকাল ১১.৩০ টা।

চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।

ব্রেস্টে পিণ্ড পেয়েছেন? “কিছু হবে না” ভেবে বসে থাকবেন না!

একদিন নিজের ব্রেস্ট পরীক্ষা করতে গিয়ে একটি ছোট পিণ্ড অনুভব করলেন।

ভাবলেন—“ব্যথা তো নেই, তাই ডাক্তার দেখানোর দরকার নেই।”

দিন গেল… মাস গেল…

পিণ্ডটি ধীরে ধীরে শক্ত ও স্থির (fixed) হয়ে গেল।
ব্রেস্টের চামড়ায় দেখা দিল কমলার খোসার মতো পরিবর্তন (peau d’orange)।

নিপল ধীরে ধীরে ভেতরের দিকে টেনে যেতে শুরু করল (ni**le retraction)।

কখনো দেখা দিতে পারে চামড়ায় ক্ষত বা আলসার।

⚠️ এগুলো ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাব্য সতর্কসংকেত।
তবে মনে রাখবেন—ব্রেস্টে প্রতিটি পিণ্ডই ক্যান্সার নয়। কিন্তু কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে পরীক্ষা না করে বসে থাকা বিপজ্জনক।

ক্যান্সার সাধারণত একদিনে তৈরি হয় না। তাই সুযোগ থাকে—প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার এবং দ্রুত চিকিৎসা শুরু করার।

🌸 ব্রেস্ট ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়।
প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর চিকিৎসার মাধ্যমে দীর্ঘ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব।

তাই—
পিণ্ডকে অবহেলা করবেন না।
“ব্যথা নেই, তাই ক্যান্সার নয়”—এমন ধারণা করবেন না।
মাসের পর মাস অপেক্ষা করবেন না।

✅ নিজের ব্রেস্টে কোনো নতুন বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন অনুভব করলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সচেতনতা জীবন বাঁচাতে পারে।

আজকের একটি পরীক্ষা হয়তো আগামী দিনের একটি বড় বিপদকে আগেই থামিয়ে দিতে পারে। ❤️

— ডা. শাহিদা বেগম মিনু
Consultant Obstetrician & Gynaecologist
LabAid Diagnostic, Barishal

15/09/2026

রোগের কারণ খুঁজতে গিয়ে মাথা ঘামাস না রে ভাই,
উপসর্গ দেখবি শুধু, দে ওষুধ ঢেলে তাই!

জ্বর উঠেছে? চোখ বুঁজে দে প্যারাসিটামল,

পেটে ব্যথা? পেইনকিলারেই ঘোচাও গণ্ডগোল!
রোগের কারণ খুঁজতে গিয়ে মাথা ঘামাস না রে ভাই!

গা গরম তো বরফ লাগাও, সঙ্গে দশটা বড়ি,
ডেঙ্গু না কি টাইফয়েড ভাই, ভেবেই কি আর তরি?

ব্লিডিং দেখে ভয় পাবি কেন, চমকে ওঠিস কেন?
রক্ত থামার ডোজটা দিলেই কাজ হাসিল তো জেনো!

আলসার ফেটে ভেতর পচে? ভাবার সময় নাই,
রক্ত পড়া বন্ধ হলেই তুই মহাজ্ঞানী ভাই!

রোগের কারণ খুঁজতে গিয়ে মাথা ঘামাস না রে ভাই,
উপসর্গ দেখবি শুধু, দে ওষুধ ঢেলে তাই!

পেটের ব্যথায় ছটফটায় রোগী, কাতরায় বিছানায়,
কড়া ডোজের ব্যথানাশক গুঁজে দে রসনায়!

অ্যাপেন্ডিক্স ফাটল নাকি গলব্লাডার শেষ?

ব্যথা তো নেই, রোগী এখন ঘুমোচ্ছে তো বেশ!
বুকটা জ্বলে? ঢেকুর ওঠে? পেট হয়েছে ঢোল?

সকাল-বিকাল গ্যাসের ক্যাপসুল, ছড়িয়ে দে কলরোল!
হার্টের ব্যাধি লিভারের রোগ খুঁজবি কেন আর?
সব দোষ ওই গ্যাসের ঘাড়েই, খালাস প্রতিকার!

গাছের গোড়ায় মারলি কুঠার, ডগায় ঢালিস জল,
রোগী মরলে ফতোয়া দিবি 'ভাগ্যলিখন ফল'!

লক্ষণ দেখে গুলি ছুড়েই জমজমাট কারবার,
আসল রোগের খবর নিলে ফাঁকা হবে দরবার!

রোগের কারণ খুঁজতে গিয়ে মাথা ঘামাস না রে ভাই,
উপসর্গ দেখবি শুধু, দে ওষুধ ঢেলে তাই!

🚨 অপারেশন থিয়েটার কি কারও ব্যক্তিগত ঘর? নাকি রোগীর জীবন রক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা?বাইরে পরে আসা হিজাব, শাড়ি, ...
15/09/2026

🚨 অপারেশন থিয়েটার কি কারও ব্যক্তিগত ঘর?

নাকি রোগীর জীবন রক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা?

বাইরে পরে আসা হিজাব, শাড়ি, ওড়না বা যেকোনো ব্যবহৃত কাপড়কে OT-এর ক্যাপের বিকল্প বানিয়ে নেওয়া—

আর নাক-মুখ ঢাকার জন্য সাধারণ কাপড় ব্যবহার করে সেটাকেই surgical mask-এর বিকল্প ভাবা—
এগুলো কোনো “স্টাইল” নয়, এগুলো infection control-এর বিষয়।

একটি কথা মনে রাখা দরকার—

👉 চোখে পরিষ্কার দেখালেই কোনো কাপড় জীবাণুমুক্ত হয়ে যায় না।

আমরা যে কাপড় বাইরে ব্যবহার করি, তার সঙ্গে ধুলো, চুল, ত্বকের কণা ও অণুজীব থাকতে পারে।

অপারেশনের সময় রোগীর শরীরের ভেতরের টিস্যু ও surgical wound উন্মুক্ত থাকে। তাই অপারেশন থিয়েটারে অপ্রয়োজনীয় contamination যতটা সম্ভব কমিয়ে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আর যদি কারও শ্বাসকষ্ট হয়, তাহলে তার যথাযথ সমাধান করতে হবে।

শ্বাসকষ্টের অজুহাতে infection-control standard বাদ দেওয়া যাবে না।

একজন রোগী যখন অপারেশন টেবিলে শুয়ে থাকেন, তখন তিনি চিকিৎসকের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখেন।
তিনি জানেন না OT-তে কে কী পরেছেন।

তিনি জানেন না কে হাত পরিষ্কার করেছে।

তিনি জানেন না কোন নিয়ম মানা হচ্ছে, আর কোন নিয়ম ভাঙা হচ্ছে।

তিনি শুধু বিশ্বাস করেন—“আমাকে নিরাপদ রাখা হবে।”

এই বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা করা চলবে না।

🔥 যে চিকিৎসক বা প্রতিষ্ঠান রোগীর নিরাপত্তার মৌলিক infection-control নীতিকে গুরুত্ব দেয় না, রোগীর স্বার্থে সেই ধরনের সেবা প্রত্যাখ্যান করার অধিকার প্রত্যেক রোগীর আছে।

👍ব্যক্তিপূজা নয়।

👍ডিগ্রির অহংকার নয়।

👍খ্যাতির অহংকার নয়।

👍রোগীর নিরাপত্তাই প্রথম।

যে হাসপাতাল বা OT-তে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের নিয়মকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না, সেখানে রোগী ও স্বজনদের প্রশ্ন করুন:

“আপনারা কোন infection-control protocol অনুসরণ করেন?”

কারণ—

🛑 ভালো ডাক্তার হওয়া শুধু রোগ নির্ণয় ও অপারেশন জানার নাম নয়।

🛑 রোগীকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি থেকে রক্ষা করাও চিকিৎসার অংশ।

তাই আসুন, কোনো ব্যক্তিকে হেয় না করে আমরা অবহেলা, অনিয়ম এবং unsafe practice-কে বয়কট করি।

রোগীর জীবন নিয়ে আপস নয়।

OT-তে অবহেলা নয়।

Infection control-এ কোনো ছাড় নয়।

❤️ Patient Safety First.
Always.

Dr. Shahida Begum Minu; Womens health

আগামীকাল, ১৫.৯.২৬ মঙ্গলবার চেম্বারের সময় সকসল ১১ টা।চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সদর রোড, বরিশাল।
14/09/2026

আগামীকাল, ১৫.৯.২৬ মঙ্গলবার চেম্বারের সময় সকসল ১১ টা।

চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সদর রোড, বরিশাল।

আগামীকাল, ১৪.৯.২৬, সোমবার চেম্বারের সময় সকাল ১১.৩০ টা।চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।একজন চিকিৎসকের পেশা...
13/09/2026

আগামীকাল, ১৪.৯.২৬, সোমবার চেম্বারের সময় সকাল ১১.৩০ টা।

চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।

একজন চিকিৎসকের পেশাগত জীবনে এর চেয়ে পরম তৃপ্তি ও স্বার্থকতা আর কিছু হতে পারে না।

দুটি সন্তান হারানোর গভীর শোক এবং পূর্ববর্তী দুটি সি-সেকশনের পর এমন একটি হাই-রিস্ক প্রেগনেন্সিকে ৩৭ সপ্তাহ পর্যন্ত নিরাপদে টেনে এনে একটি সুস্থ শিশুকে মায়ের কোলে তুলে দেওয়া সত্যিই এক অসাধারণ সাফল্য।

​একটি নতুন জীবনের আগমন এবং একজন মায়ের বিজয়ের গল্প

​একটি মাতৃত্বের পথ কতটা কণ্টকাকীর্ণ হতে পারে, তা এই রোগীর ইতিহাস না জানলে বোঝা কঠিন।

এর আগের দুটি প্রেগনেন্সিতেই গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হয়ে যায় (IUFD)। বাচ্চা পেটে মারা যাওয়ার পরও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাকে সি-সেকশনের ভেতর দিয়েই যেতে হয়েছিল।

দুটি ব্যর্থতা, দুটি বড় সার্জারি এবং পরবর্তীতে হরমোনজনিত জটিলতা নিয়ে যখন তিনি তৃতীয়বারের মতো গর্ভধারণ করলেন, তখন মানসিক ভয় আর শারীরিক ঝুঁকি দুটোই ছিল চরমে।

​তৃতীয়বারে তিনি এসেছিলেন আমার কাছে।
যখন আমার চেম্বারে এলেন, তখন থেকেই আমার প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত সতর্ক ও নিখুঁতভাবে রুগী দেখার চেষ্টা করেছি।

গর্ভকালীন হরমোনাল ভারসাম্য ঠিক রাখা থেকে শুরু করে প্রতিটি সপ্তাহের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণ করা সহজ ছিল না।

এখানে চিকিৎসকের আন্তরিক চেষ্টার পাশাপাশি রোগীর নিজের প্রবল ধৈর্য, নিয়মানুবর্তিতা এবং আল্লাহর ওপর অবিচল ভরসা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।

​অবশেষে মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে গর্ভধারণের ৩৭ সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার পর সফলভাবে তার তৃতীয় সি-সেকশন সম্পন্ন হয় আজ থেকে ৫ মাস আগে।

​আজ যখন সেই মায়ের কোলে নিষ্পাপ শিশুটিকে এমন প্রাণখোলা হাসিতে হাসতে দেখি, তখন পেছনের সমস্ত উদ্বেগ, রাতজাগা দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তি এক নিমেষে মুছে যায়।

এই অমূল্য হাসিটাই একজন চিকিৎসকের জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।

Dr. Shahida Begum Minu; Womens health

12/09/2026

আগামীকাল, ১৩.৯.২৬ রবিবার চেম্বারের সময় সকাল ১১ টা।
চেম্বার: ল্যাবএইড diagnostic সদর রোড, বরিশাল।

ভিডিও আমি বানিয়েছি AI দিয়ে।

ডাক্তারের দরকার কী?
—একটি ব্যঙ্গাত্মক সচেতনতামূলক কবিতা

👍জ্বর হলে নাপা আছে,
ডাক্তার আবার কী?

👍মাথা ব্যথা, গা ব্যথা—
নাপাতেই সব ঠিক!

👍পেটটা যদি মোচড় মারে,
অ্যালজিন তো ঘরে,
ডাক্তারের কাছে যাব কেন?
ওষুধ আছে দোকানে পড়ে!

👍কাশি হলো? মন্টেয়ার আছে,
নিজেই খাবো ভাই,
কী কারণে কাশি হলো—
জানার দরকার নাই!

👍ডায়রিয়া হলে জিম্যাক্স চাই,
মেট্রিলও সাথে দাও,
কী জীবাণু, কী কারণ—
এসব পরে ভাবো!

👍ডিসেন্ট্রি হয়েছে বুঝি?
মেট্রিল হবে সেরা,
ফার্মেসির ভাই বলল যখন—
ডাক্তার লাগবে কেন আবার?

👍প্রেসক্রিপশন? সে আবার কী!
আমরাই তো কম জানি না,
পাশের বাড়ির ভাবি খেয়ে
ভালো হয়েছে—আমার হবে না?

👍একজনের ওষুধ অন্যজন খায়,
বয়স-ওজন না মেনে,
রোগের নামও ঠিক না জেনে
ওষুধ যায় পেটে!

👍জ্বর মানেই এক ওষুধ নয়,
কাশিও এক রোগ নয়,
ডায়রিয়া মানেই অ্যান্টিবায়োটিক—
এ কথাটিও ঠিক নয়।

👍ওষুধ কিন্তু খেলনা নয়,
ইচ্ছেমতো খাওয়া নয়,
ভুল ওষুধে রোগ সারার বদলে
বিপদ ডেকে আনা হয়।

👍ডাক্তারি তো মকসত বিদ্যা,
সবাই জানে—সবাই পারে!”
এই ধারণাই একদিন কিন্তু
নিয়ে যেতে পারে বিপদের দ্বারে।

👍তাই অসুখ হলে আগে ভাবুন,
“কী ওষুধ খাব?” নয়—
“আমার রোগটা কী?”
সঠিক উত্তর জানার জন্যই
চিকিৎসকের পরামর্শ চাই।

কারণ—
নাপা, অ্যালজিন, মন্টেয়ার, জিম্যাক্স, মেট্রিল—
ওষুধের নাম জানলেই ডাক্তার হওয়া যায় না।

রোগ বুঝে, রোগী দেখে,
সঠিক ওষুধ বেছে দেওয়াটাই চিকিৎসা।

নিজে ডাক্তারি নয়—
নিজের জীবনের দায়িত্বশীল হোন।

চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।"ভুল ইনজেকশনের পর নবজাতকের হার্টে ছিদ্র!"​সোশ্যাল মিডিয়ায় এই শিরোনামটি দে...
11/09/2026

চেম্বার: ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক, সদর রোড, বরিশাল।

"ভুল ইনজেকশনের পর নবজাতকের হার্টে ছিদ্র!"

​সোশ্যাল মিডিয়ায় এই শিরোনামটি দেখে যেকোনো মানুষের বুক কেঁপে উঠবে।

সদ্যোজাত নিষ্পাপ শিশুটির জন্য চোখ ভিজে আসা এবং চিকিৎসায় এমন ভুলের খবরে ক্ষোভে ফেটে পড়া অত্যন্ত স্বাভাবিক।

কিন্তু তীব্র আবেগ আর বিভ্রান্তির মাঝে চিকিৎসাবিজ্ঞানের মৌলিক সত্যটা জানা এখন জরুরি।

​জনমনে একটি বড় ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ইনজেকশন দেওয়ার ফলেই নাকি সুস্থ বাচ্চার হার্ট ফুটো হয়ে গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান খুব স্পষ্ট ভাষায় বলে: এটি সম্পূর্ণ অসম্ভব।

​অ্যান্টি-ডি (Anti-D) ইনজেকশন আসলে কী করে?
অ্যান্টি-ডি হলো এক ধরনের ইমিউনোগ্লোবুলিন (অ্যান্টিবডি), যা সাধারণত নেগেটিভ রক্তের মাকে পজিটিভ রক্তের সন্তান প্রসবের পর দেওয়া হয়। ভুলে এই ইনজেকশন যদি নবজাতকের শরীরে দেওয়া হয়, তবে তা বাচ্চার রক্তের লোহিত রক্তকণিকাকে (RBC) ভেঙে ফেলে (Hemolysis)।

এর পরিণতিতে বাচ্চার তীব্র রক্তশূন্যতা (Anemia) এবং মারাত্মক জন্ডিস (Hyperbilirubinemia) হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী অ্যান্টি-ডি ইনজেকশনের জটিলতা রক্তের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

​ইনজেকশনের কারণে হার্টে ছিদ্র হওয়া কেন অসম্ভব?
মানবদেহের ভ্রূণতত্ত্ব (Embryology) অনুসারে, গর্ভস্থ শিশুর হার্টের গঠন ও অলিন্দ-নিলয়ের মধ্যবর্তী পর্দা তৈরি হয় গর্ভধারণের ৪র্থ থেকে ৮ম সপ্তাহের মধ্যে (প্রথম ট্রাইমেস্টারেই)।

অর্থাৎ শিশু যখন মায়ের পেটে থাকে, তখনই হার্টের পর্দা গঠিত হয়ে যায়। জন্মের পর রক্তে কোনো ইনজেকশন প্রবেশ করিয়ে হার্টের সুগঠিত পেশির দেয়াল ফুটো বা ছিদ্র করে দেওয়া শারীরবৃত্তীয়ভাবে অসম্ভব।

ইনজেকশনের কোনো অ্যান্টিবডি বা ড্রাগ হার্টের মাংসপেশি গলিয়ে ছিদ্র বানাতে পারে না।
​বাচ্চার হার্টে যে ছিদ্র (ASD/VSD বা PDA) পাওয়া গেছে, তা একটি জন্মগত ত্রুটি (Congenital Heart Defect), যা শিশুটি গর্ভে থাকার সময়ই তৈরি হয়েছিল।

​তাহলে ইনজেকশনের পরেই কেন হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ল?

চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় 'Incidental Finding' বা প্রাসঙ্গিক অনুসন্ধান। নার্স যখন ভুল করে বাচ্চাকে ইনজেকশনটি দেন, তখন বাচ্চাটির জীবন বাঁচাতে তাকে দ্রুত আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।

সেখানে বাচ্চার সার্বিক অবস্থা পরীক্ষা করার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাম ও ইকোকার্ডিওগ্রাম (Echocardiogram) করা হয়। হার্টের ইকো করার ফলেই চিকিৎসকদের চোখে আগে থেকে থাকা জন্মগত ছিদ্রটি ধরা পড়ে। সাধারণ ক্ষেত্রে অনেক বাচ্চারই হার্টে এই ধরনের ছিদ্র থাকে যা জন্মের কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর অন্য কোনো অসুস্থতায় পরীক্ষা করতে গিয়ে হঠাৎ ধরা পড়ে। এখানে ভুল ইনজেকশনের কারণে করা নিবিড় পরীক্ষার মাধ্যমেই বিষয়টি আগেভাগে সামনে এসেছে।

​দায়িত্বহীনতার বিচার বনাম অপবিজ্ঞান:
মায়ের ইনজেকশন নবজাতকের শরীরে পুশ করা মারাত্মক চিকিৎসা অবহেলা ও অমার্জনীয় ভুল।

সংশ্লিষ্ট নার্সকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং এর যথাযথ তদন্ত ও প্রশাসনিক শাস্তি নিশ্চিত হতেই হবে। কিন্তু অবহেলার বিচার চাইতে গিয়ে অবৈজ্ঞানিক তথ্য প্রচার করা সমাজের কারও জন্যই কল্যাণকর নয়।

​মিডিয়ার চটকদার ও ভুল ব্যাখ্যা মানুষের মাঝে চরম বিভ্রান্তি আর আতঙ্ক তৈরি করে। আসুন, অপতথ্য না ছড়িয়ে বিজ্ঞানসম্মত সত্যটি সবাইকে জানাই। আর পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা করি, নিষ্পাপ ফুলটি যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে তার মায়ের কোলে ফিরে আসে।

​তথ্যসূত্র ও রেফারেন্স:
​Langman's Medical Embryology (14th Edition) - Chapter: Cardiovascular System (Development of cardiac septa).

​Nelson Textbook of Pediatrics (21st Edition) - Congenital Heart Defects & Rh Hemolytic Disease.

​American Academy of Pediatrics (AAP) Guidelines on Neonatal Medication Safety and Rh Isoimmunization.

Dr. Shahida Begum Minu; Womens health

মানুষের চেয়ে টিউমার বড়।।।।
10/09/2026

মানুষের চেয়ে টিউমার বড়।।।।

After 9 years, male baby..
10/09/2026

After 9 years, male baby..

অপারেশন থিয়েটারে নারী-পুরুষ নয়, প্রথম পরিচয়—আমরা সবাই একজন রোগীর জীবন রক্ষাকারী টিম।সম্প্রতি একটি বিষয় আমাকে আবারও ভাবিয়...
09/09/2026

অপারেশন থিয়েটারে নারী-পুরুষ নয়, প্রথম পরিচয়—আমরা সবাই একজন রোগীর জীবন রক্ষাকারী টিম।

সম্প্রতি একটি বিষয় আমাকে আবারও ভাবিয়েছে।
একজন রোগীর স্বজনের দাবি—“অপারেশন থিয়েটারের ভেতরে কোনো পুরুষ থাকতে পারবে না।”

রোগীর ব্যক্তিগত, ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক অনুভূতিকে সম্মান করা অবশ্যই জরুরি।

কিন্তু সেই সম্মান করতে গিয়ে যদি অপারেশন থিয়েটারের প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল বাদ দিতে হয়, তাহলে প্রশ্নটা আর শুধু নারী-পুরুষের থাকে না—প্রশ্ন হয়ে যায় রোগীর নিরাপত্তার।

একটি অপারেশন থিয়েটার কোনো সাধারণ জায়গা নয়।

এখানে একজন রোগীর জীবন নির্ভর করতে পারে মাত্র কয়েক মিনিটের সঠিক সিদ্ধান্তের ওপর।
একজন রোগীর anaesthesia চলাকালীন হঠাৎ রক্তচাপ পড়ে গেল।

কিংবা massive haemorrhage শুরু হলো।
কিংবা cardiac arrest হলো।
কিংবা difficult airway হলো।
কিংবা unexpected surgical complication হলো।
সেই মুহূর্তে কে নারী, কে পুরুষ—এটি কোনো clinical parameter নয়।

প্রশ্ন হলো—
কে anaesthesia জানেন?
কে airway manage করতে পারেন?
কে massive haemorrhage control করতে পারেন?
কে resuscitation করতে পারেন?
কে দ্রুত blood arrange করতে পারেন?
কে emergency drugs ও equipment ব্যবহার করতে পারেন?
কে surgeon-এর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে পারেন?

WHO-এর Surgical Safety Checklist-এর মূল দর্শনই হলো—অপারেশন থিয়েটারে surgeon, anaesthesia provider এবং nursing staff-সহ পুরো team-এর মধ্যে communication ও teamwork নিশ্চিত করা। অপারেশনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে team members-দের পরিচয় ও দায়িত্ব নিশ্চিত করার কথাও WHO স্পষ্টভাবে বলেছে।

WHO আরও বলছে, Surgical Safety Checklist-এর লক্ষ্য হলো errors ও adverse events কমানো এবং teamwork ও communication বাড়ানো—এবং এর ব্যবহার surgical morbidity ও mortality কমাতে সাহায্য করেছে।

অর্থাৎ, OT-তে gender segregation কোনো patient-safety principle নয়।

বরং patient safety-এর জন্য প্রয়োজন—
Right person
Right skill
Right role
Right communication
Right equipment
Right emergency preparedness.

তাহলে নারী-পুরুষের বিষয়টি কি একেবারেই গুরুত্বপূর্ণ নয়?

অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ—বিশেষ করে রোগীর privacy, dignity এবং informed preference-এর ক্ষেত্রে।
কোনো রোগী যদি বলেন, “আমি চাই আমার intimate examination বা নির্দিষ্ট procedure-এর সময় সম্ভব হলে female staff থাকুক”—তাহলে reasonable accommodation করার চেষ্টা করা উচিত।

কিন্তু “কোনো পুরুষ OT-তে ঢুকতে পারবেন না”—এমন blanket restriction যদি emergency-তে anaesthetist, surgeon, assistant, technician বা অন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ সদস্যকে বাদ দেয়, তাহলে সেটি রোগীর জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।
কারণ OT কোনো gender-based space নয়; এটি একটি high-risk multidisciplinary clinical environment।

Royal College of Anaesthetists-ও emergency theatre-এ পর্যাপ্ত সংখ্যক, দক্ষতা ও seniority-সমৃদ্ধ staff এবং পরিষ্কার communication-এর ওপর জোর দেয়। তাদের guidance অনুযায়ী emergency surgery-তে teamwork fundamental এবং surgical, anaesthesia ও nursing team-এর সমন্বয় অপরিহার্য।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—

অপারেশন থিয়েটারে অপ্রয়োজনীয় তর্ক, বাধা বা staff selection নিয়ে চাপ সৃষ্টি করাও বিপজ্জনক।
কারণ emergency-এর সময়—

এক মিনিটের delay-ও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

Massive haemorrhage, anaesthetic complication, eclampsia, uterine rupture, cardiac arrest কিংবা অন্য কোনো catastrophic event-এর সময় প্রয়োজনীয় trained person যদি OT-তে উপস্থিত না থাকেন, তাহলে পরিস্থিতি দ্রুত life-threatening হয়ে যেতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে রোগী টেবিলেই মারা যেতে পারেন—এটি কোনো exaggeration নয়; surgical and anaesthetic emergencies নিজেরাই life-threatening, এবং timely teamwork ও resuscitation অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। WHO surgical guidance-ও perioperative complications ও death প্রতিরোধে preparedness, communication এবং checklist-based teamwork-এর গুরুত্ব তুলে ধরে।

শুধু তাই নয়—
Gender নিয়ে অতিরিক্ত rigid অবস্থান থেকে আরও কিছু uncomfortable situation তৈরি হতে পারে—

🔹 প্রয়োজনীয় trained staff বাদ পড়ে যাওয়া
🔹 emergency response দেরি হওয়া
🔹 anaesthesia ও surgical team-এর coordination ব্যাহত হওয়া
🔹 একজন staff-এর ওপর অস্বাভাবিক workload পড়া
🔹 ভুল communication হওয়ার ঝুঁকি বাড়া
🔹 critical মুহূর্তে প্রয়োজনীয় expertise পাওয়া না যাওয়া
🔹 রোগীর privacy রক্ষা করতে গিয়ে রোগীর safety compromise হওয়া

আর একটি বিষয় খুব পরিষ্কার হওয়া দরকার—
পুরুষ থাকা মানেই রোগীর privacy নষ্ট হবে—এটিও ঠিক নয়।

একজন male anaesthetist, male surgeon বা male OT technician তাঁর professional duty, hospital protocol, sterile technique এবং patient dignity বজায় রেখেই কাজ করেন।

একইভাবে, শুধু নারী থাকলেই যে OT নিরাপদ হবে—তারও কোনো guarantee নেই।

কারণ একজন নারী বা পুরুষের gender নয়—
তাঁর training, competence, experience, role এবং teamwork-ই রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

আমরা যারা চিকিৎসক, নার্স, anaesthetist, OT technician বা অন্য healthcare professional—আমাদের সবার প্রথম পরিচয়:
আমরা একজন রোগীর জীবন রক্ষার জন্য কাজ করা একটি team।

তাই রোগীর সম্মান অবশ্যই থাকবে।

রোগীর privacy অবশ্যই থাকবে।

রোগীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুভূতিকেও যথাসম্ভব সম্মান করা হবে।

কিন্তু তার সবকিছুর ওপরে থাকবে একটি বিষয়—

PATIENT SAFETY FIRST.

অপারেশন থিয়েটারে নারী-পুরুষের প্রতিযোগিতা নয়।
এখানে প্রয়োজন—
যোগ্যতা, দক্ষতা, শৃঙ্খলা, teamwork এবং emergency preparedness।
কারণ অপারেশন থিয়েটারে কখনো কখনো কয়েক মিনিটের ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য হতে পারে—
একটি জীবন।

Reference:
WHO — Safe Surgery Saves Lives / WHO Surgical Safety Checklist
WHO — Implementation Manual for the WHO Surgical Safety Checklist
Royal College of Anaesthetists — Guidelines for the Provision of Emergency Anaesthesia Services
Royal College of Anaesthetists — The Good Department / multidisciplinary theatre teamwork

Dr. Shahida Begum Minu; Womens health

Address

LabAid Diagnostic, Sadar Road Barishal
Barishal
8200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Shahida Begum Minu; Womens health posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Shahida Begum Minu; Womens health:

Shortcuts

Share