Dr. Tanjina Afroze

Dr. Tanjina Afroze Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Tanjina Afroze, Pharmaceuticals, বাংলা বাজার মকবুল ইঞ্জিনিয়ার লেন, নলুয়া হাউজের নিচ তলায়, Barishal.

16/09/2026

থাইরয়েডের রোগ বলতে এক ধরনের সমস্যা বোঝায় না। থাইরয়েড হরমোন কমে গেলে (Hypothyroidism), বেড়ে গেলে (Hyperthyroidism), বা গ্রন্থিতে গুটি/প্রদাহ হলে লক্ষণ আলাদা হতে পারে।
১. হাইপোথাইরয়েডিজম — হরমোন কম

সাধারণ সমস্যা:
*সবসময় ক্লান্তি ও দুর্বল লাগা
*ঘুম ঘুম ভাব
*ওজন বেড়ে যাওয়া
*ঠান্ডা বেশি লাগা
*কোষ্ঠকাঠিন্য
*ত্বক শুষ্ক হওয়া
*চুল পড়া
*মুখ/চোখ ফোলা
*হৃদস্পন্দন ধীর হওয়া
*স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে যাওয়া
*মন-মেজাজ খারাপ বা বিষণ্ণতা
*মাসিক অনিয়ম/অতিরিক্ত রক্তপাত
*যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া

২. হাইপারথাইরয়েডিজম — হরমোন বেশি

*ওজন কমে যাওয়া
*অতিরিক্ত ঘাম
*গরম সহ্য না হওয়া
*বুক ধড়ফড় করা
*হাত কাঁপা
*অস্থিরতা/উদ্বেগ
*ঘুমের সমস্যা
*ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া
*বারবার পায়খানা
*পেশি দুর্বল হওয়া
*মাসিক কমে যাওয়া বা অনিয়ম
*চোখ কিছু ক্ষেত্রে সামনের দিকে বেরিয়ে আসা

৩. থাইরয়েডে গুটি বা গয়টার

*গলার সামনে ফোলা বা গুটি
*গলায় চাপ/অস্বস্তি
*খাবার গিলতে সমস্যা
*কখনো শ্বাস নিতে কষ্ট
*কণ্ঠস্বর পরিবর্তন বা ভেঙে যাওয়া

***পিত্তপাথর কেন হয়?পিত্তথলিতে পিত্তরসের কিছু উপাদান জমে শক্ত হয়ে পাথর তৈরি হয়। সাধারণ কারণ:*পিত্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল*...
11/09/2026

***পিত্তপাথর কেন হয়?

পিত্তথলিতে পিত্তরসের কিছু উপাদান জমে শক্ত হয়ে পাথর তৈরি হয়। সাধারণ কারণ:

*পিত্তে অতিরিক্ত কোলেস্টেরল
*দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকা বা দ্রুত ওজন কমানো
*অতিরিক্ত ওজন
*ডায়াবেটিস ও কিছু বিপাকীয় সমস্যা
*পারিবারিক প্রবণতা
*নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থা/হরমোনের কিছু প্রভাব

***প্রতিকার: ছোট ও উপসর্গহীন পাথরে অনেক সময় শুধু পর্যবেক্ষণ করা হয়। কিন্তু বারবার ডান দিকের ওপরের পেটে ব্যথা, খাবারের পর ব্যথা, বমি বা জটিলতা হলে সাধারণত আল্ট্রাসনোগ্রাম করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। উপসর্গযুক্ত পিত্তপাথরের সবচেয়ে কার্যকর স্থায়ী চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিকভাবে পিত্তথলি অপসারণ।

25/08/2026

নারীদের পেরিমেনোপজ (Perimenopause) হলো মেনোপজের আগের সময়, যখন ডিম্বাশয়ের হরমোন—বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা ওঠানামা করতে থাকে। এটি সাধারণত ৪০-এর দশকে শুরু হলেও কারও আগে বা পরে হতে পারে এবং কয়েক বছর স্থায়ী হতে পারে।

এ সময় কী কী হতে পারে?

*মাসিক অনিয়মিত হওয়া—কখনো আগে, কখনো পরে; *রক্তপাত কম বা বেশি হওয়া
*হঠাৎ শরীর গরম লাগা বা হট ফ্ল্যাশ
*রাতে ঘাম ও ঘুমের সমস্যা
*মেজাজ খিটখিটে হওয়া, উদ্বেগ বা মন খারাপ
*ক্লান্তি ও মনোযোগ কমে যাওয়া
*মাথাব্যথা
*স্তনে ব্যথা বা সংবেদনশীলতা
*যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া
*যোনিপথ শুষ্কতা বা সহবাসে অস্বস্তি
*কিছু নারীর ওজন বাড়া বা শরীরের গঠন পরিবর্তন

তখন কী করা উচিত?

১. নিয়মিত ব্যায়াম করুন — হাঁটা, হালকা শক্তিবর্ধক ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং খুব উপকারী।
২. খাবারে গুরুত্ব দিন — শাকসবজি, ফল, ডাল, মাছ/ডিম, পূর্ণশস্য এবং ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-D সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।
৩. ঘুম ঠিক রাখুন — প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলুন।
৪. হট ফ্ল্যাশ হলে পাতলা পোশাক পরুন, ঘর ঠান্ডা রাখুন এবং ঝাল খাবার, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এগুলোতে উপসর্গ বাড়ে কি না লক্ষ্য করুন।
৫. মানসিক চাপ কমান — নিয়মিত হাঁটা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো সাহায্য করতে পারে।
৬. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নিজের ইচ্ছায় হরমোন বা কোনো ওষুধ শুরু করা উচিত নয়।

বিশেষভাবে মনে রাখবেন: পেরিমেনোপজে মাসিক অনিয়মিত হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে, কিন্তু খুব বেশি রক্তপাত, এক ঘণ্টায় একটি বা তার বেশি প্যাড ভিজে যাওয়া, ৭ দিনের বেশি রক্তপাত, মাসিকের মাঝখানে/সহবাসের পর রক্তপাত, অথবা মেনোপজের পর আবার রক্তপাত হলে অবশ্যই ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।

22/08/2026

বন্ধুগন নবজাত শিশুর ক্ষেত্রে ভয় বা জন্মের সময় আঘাতের পর সাময়িকভাবে প্রস্রাব-পায়খানার স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিবর্তন হতে পারে—এ বিষয়টি নিয়ে আলাদা করে আলোচনা করা যায়।
নবজাতকের ভয় বা আঘাতের প্রভাব

জন্মের সময় প্রসব দীর্ঘ হওয়া, শরীরে অতিরিক্ত চাপ পড়া, টান লাগা বা কোনো আঘাতের কারণে শিশুর স্নায়ুতন্ত্র কিছু সময়ের জন্য উত্তেজিত হতে পারে। এর ফলে—

(১)শিশু অস্থির বা অতিরিক্ত কান্নাকাটি করতে পারে।
(২)দুধ খাওয়ার স্বাভাবিক আগ্রহ কমে যেতে পারে।
(৩)পেটের স্বাভাবিক নড়াচড়া কিছুটা ধীর হতে পারে।
(৪)মলত্যাগের স্বাভাবিক ছন্দ সাময়িকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।
(৫)প্রস্রাবের স্বাভাবিক ছন্দেও পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার প্রচলিত ধারণায়, আঘাত বা আকস্মিক ভয়-পরবর্তী উপসর্গের ক্ষেত্রে ঔষধ দেয়া যায়।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ছোট বাচ্চাদের ঔষধ খাওয়ানোর সুবিধাটা আছে এতে বিনা কষ্টে এই হোমিওপ্যাথি ঔষধ সেবন করা যায় এবং কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘন্টার মধ্যে তার উপকারীতা পাওয়া যায়।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
মোবাইল নং 01747079255

জিহ্বা ও ঠোঁটে এমন ক্ষত কেনো হয়? #সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—*দাঁতের ধারালো অংশে বারবার ঘষা বা জিহ্বা/গাল কামড়ে যাওয়া*...
16/08/2026

জিহ্বা ও ঠোঁটে এমন ক্ষত কেনো হয়?
#সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
*দাঁতের ধারালো অংশে বারবার ঘষা বা জিহ্বা/গাল কামড়ে যাওয়া
*খুব গরম, ঝাল, টক বা শক্ত খাবার
*মানসিক চাপ, ঘুমের ঘাটতি
*আয়রন, ভিটামিন B12, ফোলেট বা জিঙ্কের ঘাটতি
কিছু ওষুধ
*মুখের পরিচ্ছন্নতার সমস্যা বা দাঁতের সমস্যা
*বারবার হলে কিছু শারীরিক রোগের সঙ্গেও সম্পর্ক থাকতে পারে।

সাধারণ ছোট aphthous ulcer বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭–১৪ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়।

#এই ক্ষত মুখে বা ঠোটে হলে কী করবেন?
*কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে দিনে কয়েকবার কুলি করতে পারেন।
*ঝাল, টক, অতিরিক্ত লবণাক্ত ও খুব গরম খাবার এড়িয়ে চলুন।
*নরম খাবার খান এবং নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন।
*দাঁতের কোনো ধারালো অংশ বা ভাঙা দাঁত ঘায়ের জায়গায় ঘষা লাগছে কি না দেখুন।
লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দিলে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ৭/১০ দিনের মধ্যে ভালো হয়ে যায়, ইনশাআল্লাহ।

ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
মোবাইল নং 01747079255

14/08/2026
13/08/2026

আপনি যদি প্রতিদিনের খাবারের চার্ট জানতে চান, তাহলে একজন সাধারণ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য সহজ একটি দৈনিক খাবারের তালিকা হতে পারে—
সময়
খাবার
🌅 ঘুম থেকে উঠে
১–২ গ্লাস পানি
🍳 সকাল ৮টার দিকে
১–২টি রুটি/চাপাটি + ১টি ডিম + সবজি
🍎 সকাল ১১টা
১টি ফল—আপেল/পেয়ারা/কমলা/পেঁপে
🍚 দুপুর ১–২টা
পরিমাণমতো ভাত + মাছ/মুরগি/ডাল + প্রচুর সবজি + সালাদ
☕ বিকেল ৪–৫টা
চা/দুধ চা কম চিনি দিয়ে + অল্প বাদাম/ছোলা
🌙 রাত ৮টার মধ্যে
অল্প ভাত বা ১–২টি রুটি + মাছ/ডিম/মুরগি + সবজি
🥛 ঘুমের আগে
প্রয়োজন হলে অল্প দুধ
কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন।
প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি ও ১–২ ধরনের ফল রাখুন।
ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল, লবণ ও চিনি কমান।
কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
খাবারের পরিমাণ বয়স, ওজন, শারীরিক পরিশ্রম ও ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য অবস্থার ওপর নির্ভর করে।

🫘 কিডনির প্রধান অংশ ও কাজ(১)কিডনি ক্যাপসুল (Capsule) — কিডনির বাইরের আবরণ; কিডনিকে সুরক্ষা দেয়।(২)কর্টেক্স (Cortex) — এখ...
10/08/2026

🫘 কিডনির প্রধান অংশ ও কাজ

(১)কিডনি ক্যাপসুল (Capsule) — কিডনির বাইরের আবরণ; কিডনিকে সুরক্ষা দেয়।
(২)কর্টেক্স (Cortex) — এখানে নেফ্রনের গ্লোমেরুলাসসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকে এবং রক্তের প্রাথমিক ছাঁকন শুরু হয়।
(৩)মেডুলা (Medulla) — পানি ও লবণ পুনঃশোষণের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হয়।
(৪)রেনাল পিরামিড — প্রস্রাবকে সংগ্রহ করে রেনাল প্যাপিলার দিকে পাঠায়।
(৫)ক্যালিক্স (Calyx) — ছোট ছোট অংশ থেকে প্রস্রাব সংগ্রহ করে।
(৬)রেনাল পেলভিস (Renal Pelvis) — সংগৃহীত প্রস্রাব ইউরেটারের দিকে পাঠায়।
(৭)ইউরেটার (Ureter) — কিডনি থেকে প্রস্রাব মূত্রথলিতে নিয়ে যায়।

🔬 নেফ্রন—কিডনির মূল কর্মী
প্রতিটি কিডনিতে প্রায় ১০ লাখের মতো নেফ্রন থাকে। নেফ্রনের প্রধান ধাপগুলো হলো:

গ্লোমেরুলাস → বোম্যানস ক্যাপসুল → PCT → লুপ অব হেনলে → DCT → Collecting duct

এখানে রক্ত থেকে বর্জ্য ও অতিরিক্ত পানি ছেঁকে নেওয়া হয়, প্রয়োজনীয় পানি ও লবণ শরীরে ফিরিয়ে দেওয়া হয় এবং শেষ পর্যন্ত প্রস্রাব তৈরি হয়।
সহজ করে বললে:
🩸 রক্ত আসে → 🔬 নেফ্রন ছাঁকে → 💧 প্রয়োজনীয় পানি/লবণ শরীরে ফেরে → 🚽 বর্জ্য প্রস্রাব হিসেবে বের হয়।
আর কিডনি শুধু প্রস্রাব তৈরি করে না—রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য এবং ভিটামিন-D সক্রিয় করার কাজেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

08/08/2026

বন্ধুগন অতিরিক্ত প্রস্রাবের সঙ্গে ফোটা ফোটা প্রস্রাব পড়া হলে এর কয়েকটি কারণ থাকতে পারে। শুধু লক্ষণ দেখে সঠিক কারণ নির্ণয় করা যায় না।
সম্ভাব্য কারণ
**মূত্রনালির সংক্রমণ (UTI): বারবার প্রস্রাবের বেগ, অল্প অল্প প্রস্রাব, জ্বালা বা কুটকুট ব্যথা হতে পারে।
**ডায়াবেটিস: অতিরিক্ত প্রস্রাবের সঙ্গে বেশি পিপাসা, মুখ শুকানো ও দুর্বলতা থাকতে পারে।
**মূত্রথলি পুরোপুরি খালি না হওয়া: প্রস্রাব করার পরও ফোঁটা ফোঁটা পড়তে পারে।
**পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেটের সমস্যা: বিশেষ করে বয়স বাড়লে প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হওয়া, শুরু হতে দেরি হওয়া এবং শেষে ফোঁটা পড়া হতে পারে।
**মূত্রনালির পাথর/সংকোচন বা অন্য কোনো বাধা।
**নারীদের ক্ষেত্রে পেলভিক ফ্লোর দুর্বলতা, প্রসবের পর বা বয়সের সঙ্গে প্রস্রাব ধরে রাখতে সমস্যা হতে পারে।
**অতিরিক্ত চা-কফি, কোমল পানীয় বা বেশি তরল পান করলেও প্রস্রাব বাড়তে পারে।
এখন কী করবেন
**কয়েকদিন অতিরিক্ত চা, কফি, কোমল পানীয় কমিয়ে দিন।
**পানি একেবারে কমিয়ে দেবেন না—স্বাভাবিক পরিমাণে পান করুন।
**প্রস্রাব চেপে রাখবেন না।
**Urine R/E এবং রক্তে glucose (FBS/HbA1c) পরীক্ষা করা ভালো। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক urine culture, kidney/bladder ultrasound বা পুরুষের ক্ষেত্রে **prostate পরীক্ষা দিতে পারেন।
নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক বা কোনো হোমিওপ্যাথিক ওষুধ শুরু না করাই ভালো—কারণ চিকিৎসা কারণের ওপর নির্ভর করে।
ডা. তানজিনা আফরোজ
সহকারী অধ্যাপক
এ্যাপেক্স হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বরিশাল।
মোবাইল নং 01747079255

চোখ আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সামান্য কিছু অভ্যাস মেনে চললে দীর্ঘদিন চোখ সুস্থ রাখা সম্ভব।চোখ ভালো রাখার জ...
05/08/2026

চোখ আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সামান্য কিছু অভ্যাস মেনে চললে দীর্ঘদিন চোখ সুস্থ রাখা সম্ভব।
চোখ ভালো রাখার জন্য করণীয়
(১)পুষ্টিকর খাবার খান
*সবুজ শাকসবজি (পালং, লাল শাক)
*গাজর
*মাছ (বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ)
*ডিম
*আম, কমলা, পেঁপে
(২)পর্যাপ্ত পানি পান করুন
*প্রতিদিন ২–৩ লিটার (প্রয়োজন অনুযায়ী) পানি পান করলে *চোখ শুষ্ক হওয়ার ঝুঁকি কমে।
(৩)মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহারে বিরতি নিন
*২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলুন: প্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তু দেখুন।
(৪)পর্যাপ্ত ঘুমান
*প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম চোখকে বিশ্রাম দেয়।
(৫)রোদে বের হলে সানগ্লাস ব্যবহার করুন
*অতিবেগুনি (UV) রশ্মি থেকে চোখকে সুরক্ষা দেয়।
*চোখে হাত দেওয়ার আগে হাত ধুয়ে নিন
*এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।
(৬)ধূমপান এড়িয়ে চলুন
*ধূমপান ছানি ও অন্যান্য চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
(৭)পর্যাপ্ত আলোতে পড়াশোনা করুন
(৮)খুব কম বা খুব বেশি আলোতে দীর্ঘ সময় কাজ করবেন না।
(৯)ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
এগুলো নিয়ন্ত্রণে না থাকলে চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Address

বাংলা বাজার মকবুল ইঞ্জিনিয়ার লেন, নলুয়া হাউজের নিচ তলায়
Barishal
8200

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Tanjina Afroze posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share