28/08/2025
সুস্থতার জন্য জেনে রাখুন... 🗣️🗣️
+
🗣️ পৃথিবীজুড়ে ৩০ কোটি লোক শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত, যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কোটিতে পৌছবে । বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ । যার মধ্যে ৪০লাখই শিশু ।
যে কোনো কারণে ফুসফুস রক্তচাপ বাড়লে এরূপ অসুস্থতার সৃষ্টি হয়ে থাকে। যারা প্রচুর ধূমপান করেন, ধুলোবালুময় অথবা বাতাসে অত্যধিক গ্যাস সম্পূর্ণ পরিবেশে কাজ করেন,
যাদের প্রায়ই সর্দি কাশি, ঠাণ্ডা লেগে থাকে তাদের বেশি শ্বাসকষ্ট রোগের সৃষ্টি হয়। শ্বাস-কষ্টে বেশি আক্রান্ত হলে ফুসফুসের একটি বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়, পিঠে মেরুদণ্ডের হাড় বাঁকা হয়ে যায়, ফুসফুসের রক্ত জমাট বাঁধা, ঘুমের ভিতর শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়।
😥 যারা দীর্ঘদিন থেকে হাঁপানি বা কাশিসহ শ্বাসকষ্ট কিংবা ফুসফুসের অসুস্থতাজনিত সমস্যায় ভুগছেন তারা রোগের কোনো এক পর্যায়ে এসে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন।😥
গত ২০ বছরে হৃদরোগে মৃত্যুর হার বাংলাদেশি পুরুষের ক্ষেত্রে ৩২ গুণ এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৪৭ গুণ বেড়েছে
বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ মানুষ হৃদরোগে মারা যান, ☹☹ যা বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর ৩১ শতাংশ। এই মৃত্যুর মধ্যে ৮৫ শতাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের কারণে হয়। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে হৃদরোগের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি বিপজ্জনক যা প্রায় ১৪.৩১ শতাংশ। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে থাকে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রার আধিক্য হৃদরোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। ডায়াবেটিস থেকেও অনেক সময় হৃদরোগের সৃষ্টি হয়। অধিক ওজন হলে শরীরে রক্ত সরবরাহ করতে হৃদপিণ্ডের অধিক কাজ করতে হয়। যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। মোটকথা দীর্ঘদিন ধরে একটু একটু করে ধমনীতে কোলেস্টেরল জমেই এ রোগের সূত্রপাত ঘটে। যারফলে হার্টঅ্যাটাক হয়, স্ট্রোক হয়।
শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে আক্রান্ত মানুষের সুস্থ, সুখী ও দীর্ঘজীবন নিশ্চিত করতে ও এই সমস্ত রোগ হতে মুক্ত থাকতে আমেরিকান বিজ্ঞানী ডঃ ফরিদ মুরাদ দীর্ঘ ৮ বছর গবেষণা করে একটি পণ্য তৈরি করেছেন, যার নাম ফরএভার আরজি প্লাস। যেটির ফর্মুলা আবিস্কার করার কারণে ডঃ ফরিদ মুরাদ ১৯৯৮ সালে পেয়েছেন নোবেল পুরস্কার। ✌✌
🍓ফরএভার আরজি প্লাস (Argi Plus) :
বিভিন্ন জাতীয় বেরীফল - ব্লাকবেরি, ব্লুবেরি, এল্ডার বেরি, রাস্পবেরি, ডালিম, বিভিন্ন ধরনের আঙ্গুর, ডালিম ও চেরি ফল দিয়ে তৈরি, এবং এর সাথে আছে L-Arginine এর সমস্ত শক্তি।
L-Arginine হচ্ছে একটি অ্যামিনো এসিড যেটি এতটাই শক্তিশালী যে বিজ্ঞানীরা এটাকে " অলৌকিক অনূ" (Miracle Molecule) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এর বিশেষ গুনের কারনে আমাদের শরীর L-Arginine কে Nitric Oxide এ রুপান্তর করে রক্তনালি কে প্রশস্ত ও খুলে দেওয়ার মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত রক্ত চলাচল সুগম করে।
এতে আছে আছেঃ- ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি ৩, ভিটামিন বি-৬, বি-১২, ভিটামিন কে ২, ফলিক এসিড,
এক নজরে প্রধান উপকারীতাঃ
💎 কোলেস্টেরল কমায়।
💎 স্বাভাবিকভাবে হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
💎 মাত্রানুযায়ী রক্ত সঞ্চালন করে।
💎 সুস্থ ও স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
💎 রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
💎 পেশী শক্তিশালী ও ক্রমবৃদ্ধি করে।
💎 অ্যান্টি-এইজিং হরমোন তৈরীতে সহযোগিতা করে। বয়সের চাপ কমায়।
💎 হাঁড় এবং কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
💎 পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
💎 ক্লান্তি দূর করে ও দীর্ঘক্ষণ পরিশ্রম করার ক্ষমতা জোগায়।
💎 চর্বি ও শর্করা বিপাকীয়তায় কাজ করে।
💎 শক্তিশালী Nitric Oxide তৈরী করে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস বজায় রাখে।
💎 শরীরে ব্যাপক Anti-Oxidant সরবরাহ করে।
💎 ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
সেবন বিধিঃ উন্নত ফর্মুলায় তৈরী ১ প্যকেট ARGI (+) 240 ml পানি বা অন্য কোন পানীয়র সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিনে একবার সেবন করুন।