26/04/2026
────♡ পচে যাওয়া লা*শ আর পচে যাওয়া বিবেকের এই জনপদে—আমি বিচার চাই না, অভিশাপ দিই!😰
টাঙ্গাইলের সেই গর্ভধারিণী মায়ের আর্তনাদ আর তাঁর অনাগত সন্তানের পৈশাচিক নিথর দেহ—এই ছবি দেখার পর কোনো সুস্থ মানুষের রক্ত কি আর শান্ত থাকতে পারে? ধ*র্ষণের বীভৎসতায় যখন গর্ভপাত হয়ে শিশু বেরিয়ে আসে, এবং তারপর মা ও সন্তানকে একসাথে খু*ন করা হয়—তখন বুঝতে হবে, আমরা কোনো রাষ্ট্রে নেই; আমরা এক নরককুণ্ডে বাস করছি।
আমাদের এই বীভৎসতার কারণ কী, জানেন?
১. অশিক্ষিত সাংবাদিকতা ও বিকৃত রুচি: সবচাইতে ঘৃণা লাগে তখন, যখন দেখি একজন মৃত মায়ের অ*র্ধনগ্ন দেহের পাশে দাঁড়িয়ে কিছু অশিক্ষিত, কাণ্ডজ্ঞানহীন মানুষ আর তথাকথিত ‘সাংবাদিক’ ভিডিও করতে ব্যস্ত থাকে। যে মা ও শিশুর সম্মানের সাথে বিদায় পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে ভিউ আর কন্টেন্টের নেশায় তাদের লাশের অবমাননা করা হচ্ছে। এই কি আমাদের শিক্ষা? এই কি আমাদের মানবতা?
২. বিচারহীনতার রাজত্ব: আমরা কোনোদিন ধ*র্ষণের প্রকৃত বিচার করতে পারিনি। আমরা ধ*র্ষণের পর ধ*র্ষিতার পোশাকে ধ*র্ষকের দায়মুক্তি খুঁজেছি। ধর্ষকের পরিচয়ের আগে, যখন রাজনৈতিক ক্ষমতা আর টাকার দাপট সামনে চলে আসে, তখন আইন তার গতি হারায়।
৩. রাষ্ট্রীয় পঙ্গুত্ব: ২০০০ সালের দিকে অ্যাসিড সন্ত্রাস রুখতে সরকার সর্বোচ্চ শাস্তির কঠোর প্রয়োগ করে তা প্রায় নির্মূল করেছিল। অথচ আজ একের পর এক এমন পৈশাচিক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, কিন্তু রাষ্ট্র যেন ঘুমে। এই ধ্বজভঙ্গ রাষ্ট্রযন্ত্র কি তবে নরপশুদেরই অভয়ারণ্য হয়ে থাকবে?
আমার কোনো চাওয়া নেই—শুধু একবুক অভিশাপ আছে!
এখন আর লিখে বা প্রতিবাদ করে বিচার চাইতে ঘেন্না হয়। আমার অভিশাপ আসুক সেই পচে যাওয়া লা*শের গন্ধ থেকে। অনাগত সেই নিষ্পাপ শিশুটির র*ক্তমাখা শরীর যেন এই সমাজের প্রতিটি রন্ধ্রে অভিশাপ হয়ে ঝরে পড়ে।
যারা এই মা ও শিশুকে এমন নির্মমভাবে শেষ করে দিল, এবং যারা লাশের অবমাননা করে ভিডিও করল—তারা যেন প্রকৃতির কাছে এমন মর্মান্তিক মৃ*ত্যু পায়, যা দেখে নরকের কীটরাও শিউরে ওঠে। মাটির সাথে মিশে যাক এই প*চা, গলে যাওয়া সিস্টেম—যেখানে মানুষের জীবনের চেয়ে সস্তা আর কিছুই নেই :(😩🥺😥
#বাংলাদেশ