22/05/2021
গত ২ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে শরীয়তপুর থেকে এক রোগীকে নিয়ে আশা হয় শ্যামলির একটি হাসপাতালে। রোগী ট্রাক্টর এক্সিডেন্টে পায়া একদম আলাদা প্রায়। প্রুচর রক্ত গেছে।
হাসপাতালে নেওয়ার সাথে সাথে ডাক্তার ইমার্জেন্সি ব্লাড চাইছে। রক্তের গ্রুপ ছিলো বি নেগেটিভ (B-)! রোগীর লোক গ্রুপের কিভাবে ম্যানেজ করবে কি করবে উপায় না পেয়ে ব্লাড ব্যাংকে গেলো। সেখান থেকে ২ ব্যাগ (B-) ব্লাড নিলো ১০ হাজার টাকা।
চিন্তা করছেন.?
১ ব্যাগের দাম ৫ হাজার টাকা 😮😮
রোগীর লোক নিরুপায়। রোগীকে বাচাতে ১০ হাজার টাকা দিয়ে ২ ব্যাগ কিনে দিলো।
প্রশ্ন হচ্ছে এই যে ২ ব্যাগ রক্ত তারা ১০ হাজার টাকা দিয়ে বিক্রি করলো, যে ডোনেট করে গেছিলো সে কি জানে তার ব্লাড এভাবে বিক্রি করা হবে.?
অনেককে যখন বলি আপনার কি রক্তদানের সময় হইছে তখন তারা বলে আমি কোয়ান্টামের বা ওমক ব্লাড ব্যাংকের নিয়মিত ডোনার। সেখানে ব্লাড দেই।
তাদের প্রশ্ন করি... আপনারা কাকে ব্লাড দেন?? কিসের জন্য ব্লাড দেন.? আপনার ব্লাড যে তারা চড়াও দামে বিক্রি করে এটা কি আপনারা জানেন?? তখন তারা কিছু বলতে পারে না।
📣📣একদিন বাংলাদেশ থেকে ব্লাডব্যাংক উঠে যাবে। রক্তের আবার কেনাবেচা কীসের? রক্ত কি তুমি তোমার ল্যাবরেটরিতে বানাইছো যে বিক্রি করবা?
🎺🎺🎤 সকল ডোনারদের উদ্দেশ্য করে বলতেছি। রোগীর প্রয়োজন রক্ত দিবেন। রোগী দেখে রক্ত দিবেন। রোগীর লোককে জানিয়ে দিবেন আপনি স্বেচ্ছায় রক্তদান করতেছেন🙋♂️🙋♂️।
স্বেচ্ছায় রক্ত দিন জীবন বাচান!
(Collected)