19/05/2026
সরকারি হাসপাতালে প্রায়ই আমাদের একটি অত্যন্ত দুঃখজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়।
অনেক সময় দেখা যায়, কোনো রোগীর জরুরি রক্ত প্রয়োজন, প্রয়োজনীয় ঔষধ দরকার, কিংবা উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত উচ্চতর হাসপাতালে নেওয়া জরুরি—কিন্তু রোগীর পাশে তখন কাউকে পাওয়া যায় না।অনেকেই এতটাই অসহায় অবস্থায় থাকেন যে নিজের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগুলোও করতে পারেন না।
আবার অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে সঠিক সময়ে হাসপাতালে আনার মতো লোকও থাকে না।মুমূর্ষু অবস্থায় দেরিতে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখন চিকিৎসকদের হাতেও করার মতো খুব বেশি কিছু থাকে না।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে,সেই রোগীটি মারা গেলে হাসপাতাল ভাঙচুর করা, চিকিৎসক বা স্টাফদের উপর চড়াও হওয়া কিংবা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলার মানুষের অভাব হয় না।
অথচ এই মানুষগুলোর কেউ যদি সময়মতো রোগীর চিকিৎসায় সহায়তা করতেন, প্রয়োজন হলে উন্নত সেন্টারে নেওয়ার উদ্যোগ নিতেন, তাহলে হয়তো একটি জীবন বাঁচানো সম্ভব হতো।সেক্ষেত্রে রুগীর মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী থাকলে সেটা হচ্ছে রুগীর স্বজন।কারন তারা সঠিক সময়ে রুগীকে হাসপাতালে আনেনি।
ভুল চিকিৎসার অভিযোগ থাকতেই পারে, তদন্তও হতে পারে। কিন্তু না বুঝে, হুজুগে পড়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কখনোই সমাধান নয়।সরকারি কাজে বাধা দেওয়া কিংবা চিকিৎসকদের সাথে অসদাচরণ—এসবের আইনি পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে,তা ভুক্তভোগীরাই সবচেয়ে ভালো জানেন।
নিচের ভিডিওতে একজন চিকিৎসকের সাথে অসদাচরণের ঘটনায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে দেখা যাচ্ছে। তাই আবেগ নয়, সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণই কাম্য।কেউ হুজুগে সরকারি অফিসে ভাঙচুর করে নিজের বিপদ ডেকে আনবেননা।
“ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।”
(এটি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শরীয়তপুরের ঘটনা না।
ঘটনাটি মাসখানেক পূর্বের সম্ভবত পঞ্চগড়ের)