20/08/2026
❤️গ্যাংগ্রিনের আধুনিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ঃ❤️
❤️Gangrene (গ্যাংগ্রিন, মাংসের পচন) :- গ্যাংগ্রিন মানে হলো শরীরের কোন একটি অংশে রক্ত সরবরাহ না থাকার কারণে সেখানকার মাংস পঁচে যাওয়া। ইহা যদিও শরীরের যে-কোন স্থানে দেখা দিতে পারে, তথাপি গ্যাংগ্রিন সবচেয়ে বেশী দেখা দেয় হাতের এবং পায়ের আঙুলে। রক্তনালীর রোগ, বড় ধরণের এক্সিডেন্ট, মাত্রাতিরিক্ত টাইট ব্যান্ডেজ, ডায়াবেটিস প্রভৃতি কারণে গ্যাংগ্রিন হয়ে থাকে। ইদানীং ডায়াবেটিস রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্যাংগ্রিনের রোগীও বৃদ্ধি পেয়েছে। এলোপ্যাথিতে এই রোগের কোন চিকিৎসা নাই বিধায় এবং হোমিও চিকিৎসা সম্পর্কে জ্ঞান না থাকায়, গ্যাংগ্রিনের রোগীরা সাধারণত অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এলোপ্যাথিক ডাক্তাররা পায়ের আঙুলে গ্যাংগ্রিন হলে প্রথমে আঙুল কেটে ফেলে দেয়, তারপর গ্যাংগ্রিন আরেকটু অগ্রসর হলে পায়ের গোড়ালী পযর্ন্ত কেটে ফেলে, তারপর হাটু পযর্ন্ত কাটে এবং শেষে কোমর পযর্ন্ত কেটে ফেলে।
🌺এভাবে বারবার অপারেশনের ধাক্কায় রোগীরা অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। অথচ উপযুক্ত হোমিও চিকিৎসা অবলম্বন করলে অপারেশন ছাড়াই এই রোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং নির্মূল করা যায়। একজন হোমিও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যদি চেষ্টা করেন, তবে মাত্র পাঁচ টাকার ঔষধেই যে-কোন গ্যাংগ্রিনের রোগীকে সারিয়ে দিতে পারেন। অথচ এলোপ্যাথিক চিকিৎসায় গ্যাংগ্রিন তো সারেই না, তারপরও রোগীরা লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পথের ভিখারীতে পরিণত হয়।
🌺আর্সেনিক এলবাম (Arsenicum album) : গ্যাংগ্রিনে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ঔষধ হলো আর্সেনিক। ইহার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো ছুরি মারার মতো ভয়ঙ্কর ব্যথা, আক্রান্ত স্থান কালচে রঙ ধারণ করে, ভীষণ জ্বালাপোড়া ভাব, অস্থিরতা, ওজন কমে যাওয়া, ভীষণ দুর্বলতা ইত্যাদি। ব্যথা সাধারণত মধ্যরাতে বৃদ্ধি পায় এবং গরম শেক দিলে কমে যায়। রোগী মৃত্যুর ভয়ে কাতর হয়ে পড়ে। সাধারণত উচ্চ শক্তিতে খাওয়া উচিত এবং বিনা প্রয়োজনে ঘনঘন খাওয়া উচিত নয়।
🌺ল্যাকেসিস (Lachesis) : ল্যাকেসিস গ্যাংগ্রিনের আরেকটি শ্রেষ্ট ঔষধ। সাপের বিষ থেকে তৈরী এই ঔষধটির প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো আক্রান্ত স্থান নীলচে অথবা বেগুনি রঙ ধারণ করে, অল্প একটু কাটা থেকে প্রচুর রক্ত যায়, বেশী ভাগ ক্ষেত্রে রোগ প্রথমে শরীরের বাম পাশে আক্রমণ করে এবং সেখান থেকে ডান পাশে চলে যায়, সাংঘাতিক ব্যথার কারণে আক্রান্ত স্থান স্পর্শই করা যায় না, ঘুমের মধ্যে রোগ