Dr Mukit Osman - ডা. মুকিত ওসমান

Dr Mukit Osman - ডা. মুকিত ওসমান নাক কান গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন | ইএনটি স্পেশালিস্ট | 📍চট্টগ্রাম
সিরিয়াল: +8801866696575 https://www.kaldharaprokashoni.com/sample-page/
(1)

08/08/2026

আমার এলার্জি আছে বা সাইনাস আছে বলার চেয়ে আর কিভাবে বললে একজন রোগী তার ডাক্তারকে সহজে তার নাকের সকল সমস্যা বোঝাতে পারবেন?

এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ENT চেম্বারে “আমার এলার্জি আছে” বা “আমার সাইনাস আছে” কথাগুলো রোগের নাম, কিন্তু এগুলো ডাক্তারকে রোগীর আসল সমস্যার ধরন, তীব্রতা, কারণ ও সময়কাল বোঝায় না।

শুধু “এলার্জি” বা “সাইনাস” বললে ডাক্তার সব বুঝতে পারেন না। রোগের নাম বলার চেয়ে উপসর্গগুলো গুছিয়ে বললে নাকের সমস্যা দ্রুত ও সঠিকভাবে বোঝা যায়।

চেম্বারে এভাবে বলুন

১. কী সমস্যা হচ্ছে?

* নাক বন্ধ থাকে
* নাক দিয়ে পানি পড়ে
* ঘন সর্দি আসে
* গলা দিয়ে সর্দি নামে
* হাঁচি হয়
* নাক বা চোখ চুলকায়

২. কতদিন ধরে?

* ১ সপ্তাহ
* ১ মাস
* ৬ মাস
* বারবার হয় কি না

৩. কখন বেশি হয়?

* সকালে
* রাতে
* ধুলাবালিতে
* ঠান্ডা বাতাসে
* এসি রুমে
* সুগন্ধি বা ধোঁয়ায়

৪. কোন পাশ বেশি বন্ধ?

* ডান পাশ
* বাম পাশ
* দুই পাশই
* পালা করে বন্ধ হয়

৫. সঙ্গে আর কী কী আছে?

* কপাল ভার লাগে
* চোখের নিচে চাপ লাগে
* মাথা নিচু করলে ব্যথা বাড়ে
* গন্ধ কম পাই
* মুখ খুলে ঘুমাতে হয়
* নাক ডাকি

উদাহরণ

❌ “আমার সাইনাস আছে।” না বলে বরং এভাবে বলুন-

✅ “গত তিন মাস ধরে রাতে নাক বেশি বন্ধ থাকে। ঘন সর্দি গলা দিয়ে নামে, কপাল ভার লাগে এবং গন্ধও আগের মতো পাই না।”

অথবা
❌ “আমার এলার্জি আছে।” না বলে এভাবে বলুন-

✅ “ধুলাবালিতে গেলে একটানা হাঁচি হয়, নাক দিয়ে পানি পড়ে, নাক ও চোখ চুলকায়, আর সকালে সমস্যা সবচেয়ে বেশি থাকে।”

রোগীদের জন্য সহজ ৫টি প্রশ্ন

চেম্বারে যাওয়ার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন:

1. নাক বন্ধ নাকি সর্দি পড়ে?
2. কতদিন ধরে হচ্ছে?
3. এক পাশ নাকি দুই পাশ?
4. কখন বেশি হয়?
5. গন্ধ কমেছে বা মাথা ভার লাগে কি না?

এই তথ্যগুলো বললে একজন ENT ডাক্তার অনেক দ্রুত বুঝতে পারেন সমস্যাটি এলার্জিক রাইনাইটিস, সাইনুসাইটিস, নাকের হাড় বাঁকা, পলিপ, নাকি অন্য কোনো নাকের রোগ।

ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
ENT Specialist & Head-Neck Surgeon
MBBS, BCS, DLO, MPPL

05/08/2026

আমাদের শরীর কখনও হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে না।

তার অনেক আগেই শরীর ছোট ছোট সংকেত দিতে শুরু করে।

নাক সব সময় বন্ধ থাকা, মাঝে মাঝে কানে শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া, দীর্ঘদিন কণ্ঠ ভাঙা থাকা, কিংবা গলায় ছোট একটি গিঁট লেগে থাকার অনুভূতি….

বেশিরভাগ মানুষ এগুলোকে গুরুত্ব দেন না। ভাবেন, “এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমি জানি, অনেক গুরুতর রোগের শুরুটা ঠিক এমন সাধারণ উপসর্গ দিয়েই হয়।

যত তাড়াতাড়ি রোগ ধরা পড়ে, চিকিৎসা তত সহজ হয়। অনেক ক্ষেত্রে বড় অপারেশনও এড়ানো সম্ভব হয়।

শরীর যখন ফিসফিস করে, তখনই তার কথা শুনুন। কারণ চিৎকার করার অপেক্ষা করলে অনেক সময় দেরি হয়ে যায়।

আপনি কোন উপসর্গটি সবচেয়ে বেশি অবহেলা করেন?

কমেন্টে লিখুন। অন্যরাও সচেতন হোক।

আমরা যা বারবার দেখি, একসময় সেটাই আমাদের স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করে।তিনটি ছোট গল্প বলি।(১)একজন মেডিকেল ছাত্র প্রতিদিন এম...
03/08/2026

আমরা যা বারবার দেখি, একসময় সেটাই আমাদের স্বাভাবিক মনে হতে শুরু করে।

তিনটি ছোট গল্প বলি।

(১)
একজন মেডিকেল ছাত্র প্রতিদিন এমন বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাত, যারা সব সময় বলত,
“এত পড়ে কী হবে?”
“পাশ করলেই তো হলো।”

আরেকজন প্রতিদিন এমন সিনিয়রদের অনুসরণ করত, যারা একই টপিক কয়েকজন লেখকের বই থেকে পড়ে, আলোচনা করে, নতুন গবেষণা পড়ে, নতুন সার্জারি দেখে-শেখে, কনফারেন্সে যায়।

পাঁচ বছর পর দু’জনই ডাক্তার হলো।
কিন্তু একজন শুধু ডিগ্রি পেল।
আরেকজন নিজের মানদণ্ড বদলে ফেলল।

পার্থক্যটা মেধায় ছিল না।
পার্থক্যটা ছিল পরিবেশে।

(২)

একজন রোগী অপারেশনের পর আমাকে বললেন,
“ডাক্তার সাহেব, এখন বুঝি যে সার্জারী করলেন সেটা আর তারপর নিয়মিত ওষুধ খাওয়া কত জরুরি। এতদিন মানুষের কথা শুনে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান পোস্ট দেখে শুধু শুধু ভয় পেয়েছিলাম”

আমি হেসে বলেছিলাম,
“ওষুধের চেয়েও জরুরি হলো প্রতিদিন কী দেখছেন, কী শুনছেন, আর কাদের কথা বিশ্বাস করছেন।”

কারণ সুস্থ শরীরের মতো সুস্থ মনও প্রতিদিন একটু একটু করে গড়ে ওঠে।

(৩)

দু’জন মানুষ সকালে ঘুম থেকে উঠে ফোন হাতে নিল।

প্রথমজনের ফিডে ছিল অভিযোগ, গসিপ, নেতিবাচক খবর আর অকারণ বিতর্ক।

দ্বিতীয়জনের ফিডে ছিল বিজ্ঞান, বই, স্বাস্থ্য, ব্যবসা, নেতৃত্ব আর নতুন কিছু শেখার গল্প।

এক বছর পরে দেখা গেলো তাদের দুজনের জীবন অনেকটুকু বদলে গেছে।

তাদের জীবন কিন্তু এক দিনে বদলায়নি। প্রতিদিনের ছোট ছোট ইনপুট তাদের চিন্তা, সিদ্ধান্ত আর ভবিষ্যৎকে বদলে দিয়েছে।

আমাদের মস্তিষ্ক বারবার দেখা বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শেখে। এটাই মনোযোগের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।

তাই আপনার অনলাইন ফিডও এক ধরনের “মানসিক খাদ্য”।

যেমন আমরা প্রতিদিন জাঙ্ক ফুড খেলে শরীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনি প্রতিদিন নেতিবাচক, তুচ্ছ বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট গ্রহণ করলে চিন্তার মানও ধীরে ধীরে বদলে যায়।

আজ নিজের সোশ্যাল মিডিয়া একবার দেখে নিন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন,

আমি যাদের অনুসরণ করছি, তাদের মতো মানুষ কি আমি হতে চাই?

যদি উত্তর “না” হয়, তাহলে আজই আপনার ডিজিটাল পরিবেশ পরিষ্কার করার দিন।

আপনার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করে, প্রতিদিন আপনার চোখ ও মস্তিষ্ক কী খাওয়াচ্ছেন তার ওপর।

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের জানান। ভালো থাকুন।

ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
ENT Specialist | Health Educator

From Eyes to Heart: We Eventually Become What We Repeatedly SeeThree short stories.1. The Power of EnvironmentTwo medica...
03/08/2026

From Eyes to Heart: We Eventually Become What We Repeatedly See

Three short stories.

1. The Power of Environment

Two medical students.

One spent his days with friends who often said,

“Why study so much? Passing the exam is enough.”

The other surrounded himself with seniors who read the same topic from multiple authors, discussed new research, attended conferences, and constantly learned new surgical techniques.

Five years later, both became doctors.

One earned a degree.

The other transformed his standard of excellence.

The difference wasn’t intelligence.

It was the environment.

2. Information Can Heal or Harm

After a successful surgery, one of my patients told me,

“Doctor, I now realize I was unnecessarily afraid. I kept reading misleading posts on social media and listening to people’s opinions instead of seeking reliable medical advice.”

I smiled and replied,

“Taking your medicine is important. But equally important is being careful about what you read, what you hear, and whom you choose to trust.”

Just as our bodies are influenced by what we consume, our minds are shaped by the information we repeatedly absorb.

3. Small Daily Inputs Shape Big Outcomes

Two people woke up and reached for their phones.

One scrolled through complaints, gossip, outrage, and endless arguments.

The other filled their feed with science, books, healthcare, leadership, business, and lifelong learning.

A year later, neither person’s life changed overnight.

But thousands of small daily inputs had gradually changed how they thought, made decisions, and approached opportunities.

Our brains naturally assign importance to what we encounter repeatedly.

That’s how attention works.

Your social media feed is not just entertainment.

It is part of your mental environment.

Just as junk food affects physical health, low-quality information gradually influences the quality of our thinking.

Today, ask yourself one simple question:

Are the people I follow becoming the standard I want for my own life?

If the answer is no, perhaps it’s time to curate your digital environment more intentionally.

Your future is shaped not only by the decisions you make, but also by the ideas you repeatedly allow into your mind.

I’d love to hear your thoughts. Has curating your digital environment changed the way you think, work, or grow professionally?

Dr. Muhammad Mukit Osman Chowdhury
ENT Specialist | Health Educator

02/08/2026
অনেকেই গলার মাঝখানে ছোট একটি ফুলে যাওয়া অংশকে গুরুত্ব দেন না। ভাবেন, “চর্বি জমেছে” অথবা “সাধারণ গ্ল্যান্ড।” কিন্তু সব স...
01/08/2026

অনেকেই গলার মাঝখানে ছোট একটি ফুলে যাওয়া অংশকে গুরুত্ব দেন না। ভাবেন, “চর্বি জমেছে” অথবা “সাধারণ গ্ল্যান্ড।” কিন্তু সব সময় বিষয়টি এত সহজ নয়।

থাইরোগ্লোসাল সিস্ট (Thyroglossal Cyst) হলো জন্মগত একটি সমস্যা, যা অনেক সময় শৈশবে ধরা পড়ে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে বড় হওয়ার পর প্রথম দেখা দেয়।

এর লক্ষণগুলো হতে পারে:

✔ গলার মাঝখানে ছোট বা মাঝারি আকারের একটি ফোলা
✔ গিললে বা জিহ্বা বের করলে ফোলাটি ওপরে উঠে যায়
✔ সাধারণত ব্যথাহীন থাকে
✔ সংক্রমণ হলে ব্যথা, লালচে ভাব বা পুঁজ হতে পারে

অনেকেই শুধু অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে বা ফোলা কমে গেলে নিশ্চিন্ত হয়ে যান। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সংক্রমণ কমলেও সিস্টটি থেকে যায়। তাই বারবার একই সমস্যা ফিরে আসতে পারে।

রোগ নির্ণয়ের জন্য সাধারণত শারীরিক পরীক্ষা, আল্ট্রাসনোগ্রাফি এবং প্রয়োজনে অন্যান্য পরীক্ষা করা হয়।

এর স্থায়ী চিকিৎসা হলো অস্ত্রোপচার। সাধারণভাবে শুধু সিস্টটি অপসারণ করলেই যথেষ্ট নয়। পুনরায় হওয়ার ঝুঁকি কমাতে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে অপারেশন করা হয়, যাকে Sistrunk Procedure বলা হয়।

গলার মাঝখানে কোনো অস্বাভাবিক ফোলা দেখলে অবহেলা করবেন না। সময়মতো একজন নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসাই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে ভালো সমাধান।

ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
এমবিবিএস, বিসিএস, ডিএলও, এমপিপিএল
নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ ও হেড-নেক সার্জন

01/08/2026

অনেকদিন ধরে একটা জিনিস লক্ষ্য করছি।

চলতি পথে, হাসপাতালে, চেম্বারে, এমনকি নিজের জীবনেও।

আমরা প্রায়ই ভাবি, জীবন বদলে দেয় বড় কোনো কাজ বা ঘটনা।

আসলে জীবন বদলে দেয় ছোট ছোট সিদ্ধান্ত।

আজ এমন ১০টি ছোট গল্প বলি, যেগুলো আমাকে জীবন সম্পর্কে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

১. পরিশ্রম নয়, মূল্য

একজন রোগী বললেন, “ডাক্তার সাহেব, আমি অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি।”

আমি জিজ্ঞেস করলাম, “ভালো হয়েছেন?”

তিনি বললেন, “না।”

তখন বুঝলাম, শুধু ব্যস্ত থাকলেই হয় না। মানুষ ফল চায়।

জীবনও তাই।

আপনি কতটা পরিশ্রম করেছেন, পৃথিবী সেটা মাপে না।

আপনি কতটা সমস্যার সমাধান করেছেন, সেটাই মাপে।

২. আত্মবিশ্বাস কেন কমে যায়?

একদিন ঠিক করলেন সকালে হাঁটবেন।

ঘুম ভেঙেও উঠলেন না।

পরদিন আবার একই ঘটনা।

এভাবে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস কমতে শুরু করল।

কারণ আত্মবিশ্বাস কথায় তৈরি হয় না।

নিজেকে দেওয়া কথা রাখার মাধ্যমে তৈরি হয়।

৩. অনুভূতি সব সময় সত্য নয়

অপারেশন থিয়েটারে নতুন একজন চিকিৎসকের হাত কাঁপছিল।

তিনি ভাবছিলেন, “আমি পারব না।”

কিন্তু অভিজ্ঞ সার্জন জানতেন, এটা ভয়, বাস্তবতা নয়। তিনি অভয় দিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে এসিস্ট করতে বললেন।

আমাদের জীবনেও অনেক ভয় কেবল কল্পনা, নিতান্তই অমূলক।

বাস্তবতা নয়।

৪. প্রতিদিনের ছোট অভ্যাস

কেউ একদিন ৫ ঘণ্টা পড়ে।

আবার ১০ দিন বই ছোঁয় না।

আরেকজন প্রতিদিন মাত্র ৩০ মিনিট পড়ে।

এক বছর পরে কে এগিয়ে থাকবে?

শুধু প্রতিভাই জিতবে, তা কিন্তু নয়।

নিষ্ঠা ও ধারাবাহিকতাও জেতে।

৫. তুলনা

একজন সহপাঠী বিদেশে চলে গেলেন।

আরেকজন বড় ব্যবসায়ী হলেন।

বান্ধবীর চমৎকার বর বা সন্তান হলো।

তখন নিজের জীবনকে ছোট মনে হতে পারে।

কিন্তু আমরা অন্যের হাইলাইট দেখি।

নিজের পর্দার পেছনের গল্প দেখি।

তুলনা করুন শেখার জন্য।

নিজেকে ছোট করার জন্য নয়।

৬. শৃঙ্খলাই স্বাধীনতা

অনেকে ভাবেন শৃঙ্খলা মানেই বাঁধা।

আসলে উল্টো।

যে নিজের ঘুম, খাবার, কাজ আর সময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারে,

সে-ই নিজের জীবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

৭. মানুষের আসল পরিচয়

অনেকেই সেবা নিতে আসেন।

প্রায় সবাই প্রেসক্রিপশন নিয়ে চলে যান।

মাঝে মাঝে অনেকে গায়ে, মাথায় হাত বুলিয়ে দেন।

কিন্তু একদিন এক শিশু চিকিৎসা নিয়ে চলে যাওয়ার সময় আবার ফিরে এসে জড়িয়ে ধরে আদর দিয়ে গেলো।

তার এই পরিচয়টাই মনে আছে….

People will always remember how you made them feel…

৮. কষ্টেরও মূল্য আছে

আমার জীবনে এমন অনেক সময় এসেছে যখন মনে হয়েছে, “কেন এত কঠিন?”

পরে বুঝেছি, সেই কঠিন সময়গুলোই সবচেয়ে বড় শিক্ষক ছিল।

যে ব্যর্থতা আপনাকে কিছু শেখায়,

সেটা ব্যর্থতা নয়।

ওটা টিউশন ফি।

৯. সময়ই আসল সম্পদ

আমরা টাকা হারালে আবার উপার্জন করতে পারি।

কিন্তু আজকের দিনটা আর কখনও ফিরে আসবে না।

তাই টু ডু লিস্ট বা ক্যালেন্ডারে যা লিখছেন,

আসলে সেটাই আপনার অগ্রাধিকার।

১০. শেষ কথা

জীবন একদিনে বদলায় না।

জীবন বদলায় প্রতিদিনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তে।

আজ একটি ভালো সিদ্ধান্ত নিন।

আগামীকাল আরেকটি।

এক বছর পরে হয়তো আপনি নিজেকেই চিনতে পারবেন না।

কারণ বড় পরিবর্তন কখনও একদিনে আসে না।

ছোট, ধারাবাহিক পদক্ষেপই একসময় অসাধারণ জীবন তৈরি করে।

আপনার আজকের একটি ছোট সিদ্ধান্ত কী? কমেন্ট বক্সে জানান, পোষ্টটি সেভ করে রাখুন….

শুক্রবারের ছুটিকে দিন নিজের নাক, কান ও গলার জন্যও একটি “রক্ষণাবেক্ষণ দিবস”সপ্তাহজুড়ে আমরা কাজের ব্যস্ততায় শরীরের যত্ন ...
31/07/2026

শুক্রবারের ছুটিকে দিন নিজের নাক, কান ও গলার জন্যও একটি “রক্ষণাবেক্ষণ দিবস”

সপ্তাহজুড়ে আমরা কাজের ব্যস্ততায় শরীরের যত্ন নিতে ভুলে যাই। অথচ মাত্র ৩০ মিনিটের কিছু ভালো অভ্যাস আপনাকে নাক, কান ও গলার অনেক সাধারণ সমস্যা থেকে দূরে রাখতে পারে।

আজকের চেকলিস্ট:

✅ নাস্তা করে ফেলেছেন? তাহলে দাঁত অন্তত ২ মিনিট ব্রাশ করুন এবং জিহ্বাও পরিষ্কার করুন। এতে মুখের দুর্গন্ধ, মাড়ির রোগ এবং গলার কিছু সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

✅ পর্যাপ্ত পানি পান করুন। শুষ্ক নাক ও গলা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

✅ ধুলাবালি থেকে ফিরে মুখ ও নাক পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনে স্বাভাবিক স্যালাইন দিয়ে নাক ধুয়ে নিতে পারেন। এটি অ্যালার্জেন ও জমে থাকা ময়লা দূর করতে সাহায্য করে।

✅ কানে কটন বাড, হেয়ারপিন বা অন্য কোনো বস্তু প্রবেশ করাবেন না। কান নিজেই নিজেকে পরিষ্কার করার ক্ষমতা রাখে। অযথা খোঁচাখুঁচি করলে আঘাত, সংক্রমণ বা কানের ময়লা আরও ভেতরে চলে যেতে পারে। ময়লা জমে আছে বলে সন্দেহ হলে ৩/৪ ফোঁটা অলিভ অয়েল বা লিকুইড প্যারাফিন দিন।

✅ ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য থেকে দূরে থাকুন। এগুলো দীর্ঘমেয়াদে গলা, স্বরযন্ত্র ও মুখগহ্বরের ক্যান্সারের অন্যতম বড় ঝুঁকির কারণ।

✅ খুব জোরে ইয়ারফোন ব্যবহার করবেন না। ৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলুন। সর্বোচ্চ ভলিউমের ৬০ শতাংশের বেশি নয় এবং একটানা ৬০ মিনিটের বেশি নয়।

✅ পর্যাপ্ত ঘুম ও পুষ্টিকর খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, যা নাক, কান ও গলার সংক্রমণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

✅ ভরপেট খাবেন না। পেট আনুমানিক ৬০/৮০% ভরে গেলেই খবর গ্রহণ করা শেষ করুন। খাবার খেয়েই শুয়ে পড়বেন না।

আজ শুক্রবার, আরেকটি কাজ করুন।

নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন:

• অনেকদিন ধরে নাক বন্ধ থাকে?
• ঘন ঘন গলা ব্যথা হয়?
• কান দিয়ে কম শোনেন?
• কানে শোঁ শোঁ শব্দ হয়?
• নাক ডাকা বা ঘুমের সময় শ্বাস আটকে যায়?

যদি উত্তর “হ্যাঁ” হয়, তাহলে সমস্যাকে স্বাভাবিক ভেবে অবহেলা করবেন না। সময়মতো একজন ENT বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। অনেক রোগই প্রাথমিক পর্যায়ে সহজে চিকিৎসা করা যায়।

সুস্থ থাকার জন্য বড় পরিবর্তন সবসময় দরকার হয় না। ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য গড়ে দেয়।

শুক্রবার দিনটাকে নিজের যত্ন নিতে ব্যয় করুন। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।

ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
ENT & Head-Neck Surgeon

27/07/2026

টাং টাই (Tongue Tie / Ankyloglossia): কখন চিন্তার কারণ, কখন অপারেশন দরকার?

গত কয়েকদিনে টাং টাই-এর কারণে শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মিলিয়ে বেশ কয়েকজন রোগীর সার্জারি করার সুযোগ হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা।

অনেকেই ভাবেন, টাং টাই মানেই অপারেশন। বাস্তবে বিষয়টি তেমন নয়।

টাং টাই কী?

জিহ্বার নিচে একটি পাতলা টিস্যু থাকে, যাকে lingual frenulum বলা হয়। এটি যদি জন্মগতভাবে ছোট, মোটা বা শক্ত হয়, তাহলে জিহ্বার স্বাভাবিক নড়াচড়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এই অবস্থাকেই টাং টাই বা Ankyloglossia বলা হয়।

কী কী সমস্যা হতে পারে?

সব টাং টাই সমস্যা করে না। তবে যাদের সমস্যা হয়, তাদের ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে:

• নবজাতকের বুকের দুধ খেতে অসুবিধা, ফলে শিশুর ওজন কম বাড়া
• মায়ের স্তনবৃন্তে ব্যথা বা ক্ষত হওয়া
• কিছু শিশুর ক্ষেত্রে উচ্চারণের সমস্যা
• জিহ্বা বাইরে বের করতে বা ওপরে তুলতে অসুবিধা
• মুখের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সমস্যা
• কিছু প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে চুম্বন, বাঁশি বাজানো বা নির্দিষ্ট কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে

কখন অপারেশন করতেই হয়?

শুধু টাং টাই আছে বলেই অপারেশন প্রয়োজন হয় না।

সার্জারির কথা বিবেচনা করা হয় যখন:

• বুকের দুধ খাওয়াতে বাস্তব সমস্যা হচ্ছে
• জিহ্বার নড়াচড়া উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত
• স্পিচ থেরাপিস্টের মূল্যায়নের পরও কার্যকর উচ্চারণ সমস্যা রয়ে গেছে এবং সেটি টাং টাই-এর কারণে হচ্ছে
• দৈনন্দিন কাজ বা মুখের কার্যকারিতায় স্পষ্ট বাধা তৈরি করছে

অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রোগীর উপসর্গ ও কার্যকারিতা দেখে, শুধু জিহ্বার চেহারা দেখে নয়।

লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া নাকি জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া?

এটি রোগীর বয়স, সহযোগিতার ক্ষমতা এবং টাং টাই-এর ধরন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়।

সাধারণভাবে:

• বড় শিশু, কিশোর বা প্রাপ্তবয়স্ক যারা সহযোগিতা করতে পারেন, তাদের অনেক ক্ষেত্রেই লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে নিরাপদে করা যায়।
• ছোট শিশু, অস্থির রোগী বা জটিল ক্ষেত্রে জেনারেল অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োজন হতে পারে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রোগীকে পরীক্ষা করার পরই নেওয়া উচিত।

সার্জারির পর কী করলে ভালো?

• চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথার ওষুধ গ্রহণ করুন
• মুখ পরিষ্কার রাখুন
• বয়স অনুযায়ী নির্ধারিত জিহ্বার ব্যায়াম বা stretching exercise করুন, যদি পরামর্শ দেওয়া হয়
• নির্ধারিত ফলো-আপে আসুন

সার্জারির পর কী সমস্যা হতে পারে?

অধিকাংশ রোগী খুব ভালোভাবেই সুস্থ হয়ে যান। তবে যেকোনো অস্ত্রোপচারের মতো কিছু সম্ভাব্য জটিলতা থাকতে পারে, যেমন:

• সামান্য রক্তপাত
• ব্যথা বা অস্বস্তি
• অল্প ফোলা
• সংক্রমণ (বিরল)
• টিস্যু আবার শক্ত হয়ে যাওয়া বা পুনরায় আটকে যাওয়া (কিছু ক্ষেত্রে)

সঠিক পরবর্তী পরিচর্যা এসব ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

সবশেষে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা

টাং টাই-এর চিকিৎসা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই ইন্টারনেটে ছবি দেখে বা অন্যের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজের অবস্থার তুলনা না করে, প্রয়োজন হলে একজন ENT বিশেষজ্ঞ বা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আপনার বা আপনার সন্তানের টাং টাই নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন।

ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
ENT Specialist & Head-Neck Surgeon
MBBS, BCS, DLO, MPPL

ঘুম আসছে না?অস্থির লাগছে?তাহলে নিজেকে কয়েক মিনিট সময় দিন।ধীরে ধীরে উঠে খাবার টেবিলের কাছে যান। কোনো তাড়া নয়।বসুন।আপন...
26/07/2026

ঘুম আসছে না?
অস্থির লাগছে?

তাহলে নিজেকে কয়েক মিনিট সময় দিন।

ধীরে ধীরে উঠে খাবার টেবিলের কাছে যান। কোনো তাড়া নয়।

বসুন।

আপনার পানি পান করার গ্লাসটি নিন। তাতে জগ থেকে ধীরে ধীরে পানি ঢালুন। তারপর ছোট ছোট চুমুকে পানি পান করুন। প্রতিটি চুমুকের মাঝে কয়েক সেকেন্ড বিরতি নিন।

পানি শেষ হলে গ্লাস ও জগটি আবার আগের জায়গায় রেখে দিন।

এই পুরো কাজটিতে মনোযোগ দিন। পানির শব্দ, গ্লাসের স্পর্শ, ঠোঁটে পানির ছোঁয়া, প্রতিটি চুমুকের অনুভূতি, গলা দিয়ে পানি নেমে যাওয়া, পানিতে কোনও আলাদা স্বাদ বা ঘ্রাণ আছে কি না…

অনেক সময় অস্থির মনকে শান্ত করার জন্য বড় কোনো কৌশল নয়, বরং এমন ছোট, সচেতন কাজই যথেষ্ট হয়। এতে মন বর্তমান মুহূর্তে ফিরে আসে, শ্বাস-প্রশ্বাসও ধীরে আসে।

আর একটি বাড়তি উপকারও আছে। পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের জন্য জরুরি। এটি মুখ, গলা ও নাকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা একজন নাক-কান-গলা চিকিৎসক হিসেবে আমি প্রতিদিনই রোগীদের মনে করিয়ে দিই।

সব সমস্যার সমাধান অবশ্যই এক গ্লাস পানি নয়। তবে কখনো কখনো, এক গ্লাস পানি থেকেই নিজের প্রতি একটু যত্ন নেওয়ার শুরু হতে পারে। নিজের প্রতি যত্নবান হোন।

আপনার জীবন শান্তিময় হোক। 🌸

— ডা. মুহম্মদ মুকিত ওসমান চৌধুরী
ENT Specialist & Head-Neck Surgeon

Address

Room 4004, Chattogram Metropolitan Hospital Limited, O R Nizam Road
Chittagong
4100

Opening Hours

Monday 19:30 - 21:00
Tuesday 19:30 - 21:00
Wednesday 19:30 - 21:00
Thursday 19:30 - 21:00
Saturday 19:30 - 21:00
Sunday 19:30 - 21:00

Telephone

+8801866696575

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mukit Osman - ডা. মুকিত ওসমান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Mukit Osman - ডা. মুকিত ওসমান:

Shortcuts

Share

Category