ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম।

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম।

ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম।, Doctor, Chittagong.

পরিচালনায় : ডা. মো. আমজাদ হোসাইন (রানা)
ডা.তাসপ্রিয়া জাহান রামীম

⏰ রোগী দেখার সময়সূচী:
📞01405561307
📍প্রতিদিন দুপুর: ১২:০০ টা – ১:৩০ টা
প্রতিদিন সন্ধ্যা: ৭:৩০ টা – ১০:০০ টা
শুক্রবার: আলোচনা সাপেক্ষে খোলা থাকে।

20/08/2026

🚫ডাক্তার বিদ্বেষ এর কারণ: “হিংসা”

✒️ছোটবেলা থেকে মা বাবা স্বপ্ন দেখসেন ডাক্তার বানাবেন তার সন্তানকে। কিন্তু সন্তান চান্স পায় নি|এখন এটার জন্য হয় সে পরিবার থেকে খুব কথা শুনসে বা নিজে কষ্ট পাইসে।
এর পর সে জীবনে সফল ( যেমন এডমিন ক্যাডারে গিয়ে ডিসি বা বিদেশ গমন) বা ব্যর্থ হোক ডাক্তারদের উপর তার ক্ষোভ রয়ে যায়। বাকী যা হিংসুকই।
✒️সফল হলে সে গর্ব করতে থাকে যে ডাক্তার থেকে বেশি কামাচ্ছে, তখন তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, অথবা তার ক্ষমতা এমন হয় যে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরায়। মনে এক আনন্দ, যাদের জন্য কথা শুনলো আজ তারা তার থেকে নিচে। এক অন্য অনুভূতি কাজ করে। বাকী যা হিংসুকই।
✒️আর ব্যর্থ হলে তো ক্ষোভ আরো বেশি, ডাক্তার হয়েও যে তার কতো দোষ আছে তা চোখে উঠানো তখন কর্তব্য।
✒️আপনি দেখবেন বুয়েট এ যারা পড়ে তাদের ডাক্তার বিদ্বেষ অনেক কম, কারণ তাদের অনেকে ডাক্তারিতে চান্স পাইসে, বাদ বাকি সবার বেশি কারণ মোস্ট অব দেম চান্স না পেয়ে গেসে। বাকী যা হিংসুকই।
✒️একজন এমবিবিএস ডাক্তার ছেলে পাস করে যকন তার নিজ এলাকায় স্বল্প ফী তে চেম্বার স্টার্ট করে আশেপাশে কিচ্ছু গণ্ড মোর্খ হিংসা করে।

✒️কোয়াক রা মালপ্রাক্টিস অর্থাৎ সাধারণ রোগীকে উল্টাপালটা সেলাইন/ইনজেকশন দিয়ে প্রতারণা করতে পারে না বলে পাশের এমবিবিএস ডক্টর কে হিংসা করে যেখান এ ডাক্তারি পড়তে হইলে সেই কোয়াক কে আবার ও দুনিয়ায় আসতে হবে।হতাশার মানসিক রোগী এরা।বাকী যা হিংসুকই।

✒️আর সবার শেষ কারণ আমাদের ডাক্তার রা নিজের ভাইয়ের মাংস নিজেরা খায়,এমন ও দেখেছি এক বেজন্মা সিনিয়র এমবিবিএস ডাক্তার তার পাশে প্র্যাক্টিস করে ১০/১২ বছরের জুনিয়র এমবিবিএস ডাক্তার তার চেয়ে রোগী বেশি পায় বলে কোয়াক দের সাথে চক্রান্ত করে নির্দোষ ছোট ভাইটিকে কোন প্রমাণ ছাড়া হয়রানিমুলক মামলা দেই।তাতে কী!ছোট ভাই এর জীবন এ এক্সপেরিয়েন্স বাড়লো। বাকী যা হিংসুকই।

✒️আমাদের ডাক্তারদের মধ্যে ঐক্য নেই। সবাই শুধু অন্যকে bamboo দিতে পারলেই খুশি। পুলিশ,উকিল,রিক্সা চালক, বাসের হেলপার , রাজনীতিবিদ সবার উপরই মানুষ বিরক্ত কিন্তু গায়ে হাত দেয় কয়জনের? কেন দেয় না জানেন? কারণ এদের গায়ে হাত দিলে, হাত ছিঁড়ে ফেলবে / জেল খাটবে। আর আমাদের মাইর দিলে উলটা পাশের রুমে যে চেম্বার করে সে হাসে কারণ তার কলিগ যতদিন অসুস্থ থাকবে ততদিন সে রোগী বেশি পাবে। 😅

📌সর্বশেষ,ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএনটির বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো: Asadur Rahman স্যারের ওপর দুর্বৃত্তদের বর্বরোচিত হামলাএর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি।

#চিকিৎসা_সুরক্ষা_আইন_চাই
#চিকিৎসকদের_নিরাপদ_কর্মস্থল_চাই

April,2020 করোনা মহামারির সেই ভয়াবহ দিনগুলো।আল্লাহর রহমতের ছায়াই সবাই একসাথে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করেছিলাম।
04/08/2026

April,2020 করোনা মহামারির সেই ভয়াবহ দিনগুলো।আল্লাহর রহমতের ছায়াই সবাই একসাথে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করেছিলাম।

আমরা আছি সবসময় আপনার পাশে💙

02/08/2026

ওরস্যালাইন: ছোট্ট এক প্যাকেট, অগণিত প্রাণের ভরসা

চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় একটি বিষয় আমাকে বারবার বিস্মিত করেছে। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে অসংখ্য ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক ওষুধ, যন্ত্র ও প্রযুক্তির আবির্ভাব ঘটেছে। কিন্তু পৃথিবীজুড়ে সবচেয়ে বেশি মানুষের জীবন রক্ষায় যে আবিষ্কারগুলোর কথা বলা হয়, একটি ছোট্ট ওরস্যালাইনের প্যাকেট নিঃসন্দেহে তাদের প্রথম সারিতেই থাকবে।

দেখতে খুবই সাধারণ। দামও সামান্য। অথচ সঠিক সময়ে এই ছোট্ট প্যাকেটটি অসংখ্য পরিবারকে প্রিয়জন হারানোর বেদনা থেকে রক্ষা করেছে।

যাঁদের হাত ধরে এসেছে এই আবিষ্কার

১৯৬০-এর দশকে কলেরা নিয়ে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক গবেষণার মাধ্যমে মুখে খাওয়ার স্যালাইন বা Oral Rehydration Solution (ORS)-এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই গবেষণায় বাংলাদেশের icddr,b-এর গবেষক ডা. রফিকুল ইসলাম ও তাঁর সহকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। পরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় শরণার্থী শিবিরে ডা. দিলীপ মহলানবিশ ওরস্যালাইনের ব্যাপক ও সফল ব্যবহার করে বিশ্বকে দেখিয়ে দেন—জীবন বাঁচাতে সব সময় ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না; কখনো কখনো একটি ছোট্ট স্যালাইনের প্যাকেটই যথেষ্ট। পরবর্তীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও ইউনিসেফ ডায়রিয়া চিকিৎসায় ওরস্যালাইনকে অন্যতম প্রধান চিকিৎসা হিসেবে গ্রহণ করে।

কখন ওরস্যালাইন খাবেন?

✔️ ডায়রিয়া, পাতলা পায়খানা বা বমি হলে—কারণ তখন শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ দুটোই বের হয়ে যায়।

✔️ ডেঙ্গু জ্বরে—চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত তরল গ্রহণের অংশ হিসেবে। ওরস্যালাইন শরীরের পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

✔️ প্রচণ্ড গরমে বা অতিরিক্ত ঘামের ফলে পানিশূন্যতা দেখা দিলে।

মনে রাখবেন: ডায়রিয়া বা বমিজনিত পানিশূন্যতায় শুধু পানি, স্যুপ বা ফলের জুস ওরস্যালাইনের বিকল্প নয়। আর কেউ যদি মুখে একেবারেই খেতে না পারেন, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে; প্রয়োজন হলে শিরাপথে স্যালাইন দিতে হবে।

কখন ওরস্যালাইন খাবেন না?

ওরস্যালাইন কোনো কোমল পানীয় নয়, কোনো এনার্জি ড্রিংকও নয়। তাই শুধু ক্লান্তি, দুর্বলতা বা তৃষ্ণা মেটানোর জন্য অকারণে ওরস্যালাইন পান করার প্রয়োজন নেই।

যাঁদের কিডনি রোগ, হৃদ্‌রোগ বা ডায়াবেটিস রয়েছে, তাঁদের ওরস্যালাইন ব্যবহারে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

বানানোর সঠিক নিয়ম

একটি ওরস্যালাইনের প্যাকেট প্যাকেটে লেখা নির্দেশিত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানিতে গুলতে হবে। বেশি ঘন বা বেশি পাতলা করা যাবে না। তৈরি করার পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার শেষ করতে হবে। এরপর অবশিষ্ট দ্রবণ ফেলে দিতে হবে।

প্যাকেট না থাকলে ঘরেই বানান (জরুরি বিকল্প)

জরুরি প্রয়োজনে আধা লিটার (৫০০ মিলিলিটার) নিরাপদ পানিতে ৩ সমতল চা-চামচ চিনি এবং আধা সমতল চা-চামচ লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে অস্থায়ী খাবার স্যালাইন তৈরি করা যায়। তবে সুযোগ পেলেই মানসম্মত প্যাকেটজাত ওরস্যালাইন ব্যবহার করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

আমার কাছে ওরস্যালাইন শুধু একটি চিকিৎসা উপকরণ নয়; এটি জনস্বাস্থ্যের ইতিহাসে মানবতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার। অতি অল্প খরচে, অতি সহজে এবং প্রায় সর্বত্র ব্যবহারযোগ্য এই আবিষ্কার কোটি কোটি মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে, আজও বাঁচিয়ে চলেছে।

একটি ছোট্ট প্যাকেট—কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে আছে অসংখ্য মানুষের জীবন, অসংখ্য পরিবারের স্বস্তি, আর চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে মানবতার এক অনন্য জয়গাথা।

ভালো থাকবেন।
Prof.Dr.Noman khaled sir

📌 শিশুদের হাত-পায়ের ফুসকুড়ি বা ফোস্কা কি অবহেলা করছেন?শিশুদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। অনেক সময় তাদের হাতের তালুতে বা পায়...
26/07/2026

📌 শিশুদের হাত-পায়ের ফুসকুড়ি বা ফোস্কা কি অবহেলা করছেন?

শিশুদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। অনেক সময় তাদের হাতের তালুতে বা পায়ের তলায় ছোট ছোট পানির মতো ফোস্কা, লালচে দানা কিংবা চামড়া ওঠার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এটি হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ (HFMD) কিংবা তীব্র একজিমা বা অ্যালার্জিজনিত চর্মরোগের লক্ষণ হতে পারে।সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগগুলো পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব।

নিচে একটি শিশুর ২ সপ্তাহের চিকিৎসার অবিশ্বাস্য পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন:📸 ছবিতে:বামে: চিকিৎসার পূর্বে শিশুর হাত ও পায়ের তীব্র ফুসকুড়ির অবস্থা।ডানে: মাত্র ২ সপ্তাহের নিয়মিত চিকিৎসায় দ্রুত সুস্থতার দিকে (চিকিৎসা চলমান)।

শিশুর ত্বকের যেকোনো সমস্যায় ঘরে বসে অবহেলা না করে বা নিজে থেকে কোনো ড্রপ/ক্রিম ব্যবহার না করে আজই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🩺 চেম্বার ও সিরিয়ালের তথ্য:ডাঃ মোঃ আমজাদ হোসাইন (রানা)
এমবিবিএস, পিজিটি (মেডিসিন), সিসিডি (বারডেম)
শিশু রোগ, মেডিসিন, ডায়াবেটিস, চর্ম ও বাত-ব্যথা রোগের চিকিৎসক|
🏥 চেম্বার-১: ডাক্তারখানা📍 ইউনুচ মার্কেট, আনন্দ সাবান ফ্যাক্টরী সংলগ্ন, আব্দুল লতিফহাট, বাকলিয়া, চট্টগ্রাম।
⏰ রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন দুপুর ১২:০০ - দুপুর ১:৩০ এবং সন্ধ্যা ৭:৩০ - রাত ১০:০০
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01405-561307

🏥 চেম্বার-২: ইকবাল মেডিকো
📍 ইপিক নূর ল্যান্ডমার্ক, ইসলামী ব্যাংক বাকলিয়া শাখার নিচতলা, কালামিয়া বাজার, চট্টগ্রাম।
⏰ রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৪:০০ থেকে সন্ধ্যা ৬:০০ পর্যন্ত।
📞 সিরিয়ালের জন্য: 01850-912685

28/06/2026

ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ নিয়ে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর:
১. কখন খাওয়ানো হবে?
উত্তর: ২৮ জুন রবিবার
২. কই খাওয়ানো হবে?
উত্তর: নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র,কমিনিটি ক্লিনিক,অস্থায়ী ক্যাম্প ইত্যাদি
৩. খালি পেটে নাকি ভরা পেটে খাওয়াবো?
উত্তর: ভরা পেটে
৪. বাচ্চা অসুস্থ কি করবো?
উত্তর: সংগ্রহ করে রেখে দিবেন। সুস্থ হলে খাবে।
৫. ৬ মাস পূর্ণ হয় নি খাওয়ানো যাবে?
উত্তর: সংগ্রহ করে রাখবেন ৬ মাস পূর্ণ হলে খাওয়াবেন।
৬. কিছু দিন আগে খাওয়ালাম আবার লাগবে?
উত্তর: গত ৪ মাসের মাঝে খাওয়ালে এখন লাগবে না
৭. যদি এই ক্যাম্পে খাওয়াতে না পারি কি করবো?
উত্তর: বাজারে কিনে পাওয়া যায়। Cap.Ratinal Forte(50000IU)

🌟 একটি সফল চিকিৎসার গল্প: চর্মরোগ থেকে চিরমুক্তি!অনেক সময় মাথার ত্বকের সাধারণ ইনফেকশন অবহেলা করলে তা গুরুতর আকার ধারণ কর...
04/06/2026

🌟 একটি সফল চিকিৎসার গল্প: চর্মরোগ থেকে চিরমুক্তি!

অনেক সময় মাথার ত্বকের সাধারণ ইনফেকশন অবহেলা করলে তা গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। "Before" ছবিটি লক্ষ্য করুন—যেখানে তীব্র ফাঙ্গাল ইনফেকশন ও ক্ষতের কারণে মাথার ত্বক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং চুল পড়ে গিয়েছিল।কিন্তু সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেখুন "After" ছবিতে!

ডা. মো: আমজাদ হোসেন রানা-স্যার-এর সুচিকিৎসায় আজ সেই ত্বক সম্পূর্ণ সুস্থ এবং আগের মতোই সুন্দর চুলে ভরপুর।আপনার বা আপনার পরিচিত কারও কি ত্বক, চুল বা অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে? আর দেরি না করে আজই নিন পরামর্শ।

👨‍⚕️ চর্ম ও অ্যালার্জি ও মেডিসিন এ অভিজ্ঞ :
ডা. মো: আমজাদ হোসেন রানা (Dr. Amzad Hossain Rana)

🔍 🏥 চেম্বারের ঠিকানা ও সিরিয়াল বুকিং:
📍 চেম্বার: ডাক্তারখানা (Dactarkhana)🗺️ লোকেশন: কালামিয়া বাজার, চট্টগ্রাম।

📞 সিরিয়ালের জন্য সরাসরি কল করুন: 01405561307 / ০১৪০৫৫৬১৩০৭"ত্বকের যত্ন নিন, সুস্থ ও আত্মবিশ্বাসী থাকুন।"

08/05/2026
19/04/2026

#হাম বা (মিজলস) ছড়িয়ে পড়ছে,
৫ টি বিষয় অবশ্যই জানা দরকার।

A).হাম (মিজলস) মারাত্মক হতে পারে।

১.হাম প্রতিদিন প্রায় ৩০০ জন মানুষকে হত্যা করে, যা প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১২ জন। এদের অধিকাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু।
২.শিশুরা হাম থেকে বেঁচে গেলেও, এই ভাইরাস তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য সমস্যা বা স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা রেখে যেতে পারে।
৩.গুরুতর জটিলতা হিসেবে দেখা দিতে পারে: নিউমোনিয়া, তীব্র ডায়রিয়া, অন্ধত্ব এবং এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের ফোলা)।
৪.হাম সেরে ওঠার অনেক পরেও এটি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়, যাকে “ইমিউনিটি অ্যামনেসিয়া” বলা হয়।

B)হাম (মিজলস) পৃথিবীর সবচেয়ে ছোঁয়াচে রোগগুলোর মধ্যে একটি।

১.হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে বায়ুবাহিত (airborne) রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তি শ্বাস-প্রশ্বাস, কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে ভাইরাস কণা বাতাসে এবং
২.বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে দেয়, যা দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সংক্রামক থাকতে পারে।
৩. অবাক ব্যাপার হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজে জানার আগেই অন্যদের মধ্যে হাম ছড়াতে শুরু করতে পারে — বৈশিষ্ট্যপূর্ণ হামের র‍্যাশ দেখা দেওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই।
৪.একবার কোনো শিশু হামে আক্রান্ত হলে, তার ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা ৯০ শতাংশ মানুষ (যারা আগে থেকে প্রতিরোধী নয়) হামে আক্রান্ত হয়ে পড়বে।
৫.হামের ভাইরাস সীমানা মানে না। গত পাঁচ বছরে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে, এমনকি এমন কয়েকটি দেশেও যেখানে আগে হাম পুরোপুরি নির্মূল হয়েছিল।

C)টিকা হামের প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায়।

১.হামের টিকা নিরাপদ।
২.হাম-সম্বলিত টিকার দুই ডোজ সারাজীবনের জন্য ৯৯ শতাংশ সুরক্ষা প্রদান করে।
৩.টিকা শিশুদের হামে আক্রান্ত হওয়া এবং অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
কোনো শিশুরই হামে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর স্বাস্থ্য জটিলতা বা মৃত্যুর ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।
৪.১৯৭৪ সাল থেকে হামের টিকা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৯৪ মিলিয়ন (৯ কোটি ৪০ লাখ) জীবন বাঁচিয়েছে।

D)যথাযথ ভ্যাক্সিনেশন না হলে হাম ছড়াবেই।

হাম খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে, সম্প্রদায়ের মধ্যে উচ্চ হারে টিকাদান বজায় রাখা প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
১.হামের টিকার দুই ডোজ সহ ৯৫ শতাংশ বা তার বেশি টিকাদানের হার থাকলে তবেই সম্প্রদায়কে হামের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব।
২. সকল শিশুকে হামের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া উচিত।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হামের প্রথম ডোজের টিকাদানের হার মাত্র ৮৪ শতাংশ, এবং দ্বিতীয় ডোজের হার আরও কম — মাত্র ৭৬ শতাংশ। এটি প্রয়োজনীয় সুরক্ষার স্তরের অনেক নিচে।
৩.এই নিম্ন হারের কারণে হাম ছড়ানোর সুযোগ তৈরি হয় এবং টিকাবিহীন শিশুসহ দুর্বল গোষ্ঠীগুলো আরও বেশি ঝুঁকিতে পড়ে।
৪.উচ্চ হারে হামের ঘটনা দেখা যায় এমন দেশগুলোতে নিয়মিত হামের টিকাদান এবং ব্যাপক টিকাদান অভিযান চালানো প্রাদুর্ভাব বন্ধ করা এবং বিশ্বব্যাপী হামজনিত মৃত্যু কমানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

E)পাঁচ-ডোজের ভায়ালে (vial) স্যুইচ করলে সরকারগুলো আরও বেশি জীবন বাঁচাতে পারবে।

১.হামের টিকা সাধারণত দশ-ডোজের ভায়ালে কেনা হয়।
একবার ভায়াল খোলার পর স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সময় থাকে, যার মধ্যে দশটি ডোজই শিশুদের দিয়ে দিতে হয়।ব্যবহার না হওয়া কোনো ডোজ নষ্ট হয়ে যায় এবং ফেলে দিতে হয়।
২.স্বাস্থ্যকর্মীরা অনেক সময় মাত্র এক বা দুইজন শিশুর জন্য নতুন ভায়াল খুলতে দ্বিধা করেন, কারণ বাকি ডোজগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
৩.এই দ্বিধা এবং ওষুধ নষ্ট হওয়ার ভয় প্রায়ই ভায়াল না খোলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ফলে অনেক শিশু প্রয়োজনীয় টিকা না পেয়ে হাম থেকে সুরক্ষা পায় না।
সূত্র:UNICEF

মহান আল্লাহ্ সবাইকে হেফাজত করুক।
30/03/2026

মহান আল্লাহ্ সবাইকে হেফাজত করুক।

সন্তানকে শেখানবিনয়ী  হতে আর সুন্দর ব্যবহার।
07/03/2026

সন্তানকে শেখান
বিনয়ী হতে আর সুন্দর ব্যবহার।

Address

Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 19:00 - 21:00
Tuesday 19:00 - 21:00
Wednesday 19:00 - 21:00
Thursday 19:00 - 21:00
Saturday 19:00 - 21:00
Sunday 19:00 - 21:00

Telephone

+8801796204397

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাক্তারখানা -বাকলিয়া শাখা, চট্টগ্রাম।:

Shortcuts

Share

Category