Prof. Dr. Gias Uddin Sagor

Prof. Dr. Gias Uddin Sagor মানসিক, ব্রেইন, মাথাব্যাথা ও মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ

05/02/2026

মানসিক অস্থিরতা ও পড়াশোনায় অমনোযোগ?
কাটিয়ে ওঠার ১০টি কার্যকরী উপায়! 🧠✨

আগের পোস্টে আমরা শিক্ষার্থীদের মানসিক সমস্যার লক্ষণগুলো নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। আজ জানবো এই অবস্থা থেকে উত্তরণের এবং নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নেওয়ার সহজ কিছু উপায়। মনে রাখবেন, ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় সাফল্যের পথ দেখায়।

মানসিক সুস্থতা ও মনোযোগ বাড়ানোর ১০টি উপায়:

✅ ১. রুটিন মেনে চলা:
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং পড়ার অভ্যাস করুন। শরীরের একটি নিজস্ব ঘড়ি আছে, যা রুটিন মানলে ভালো কাজ করে।

✅ ২. পড়া ভাগ করে নিন:
একবারে অনেক না পড়ে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে পড়ুন এবং বারবার রিভিশন দিন। এতে মস্তিষ্কের ওপর চাপ কমবে।

✅ ৩. সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ:
মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের মনোযোগ নষ্ট করে। এর ব্যবহার সীমিত রাখুন।

✅ ৪. শারীরিক ব্যায়াম:
প্রতিদিন অন্তত ২০–৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা হালকা ব্যায়াম করুন। এটি মস্তিষ্কে 'হ্যাপি হরমোন' নিঃসরণ করে মন ভালো রাখে।

✅ ৫. ডায়েরি লেখা:
যখন মাথায় অনেক আজেবাজে চিন্তা ঘুরপাক খাবে, তখন সেগুলো ডায়েরিতে লিখে ফেলুন। এতে মন অনেকটা হালকা হয়।

✅ ৬. অনুভূতি শেয়ার করা:
মনের ভেতর কষ্ট চেপে রাখবেন না। পরিবার বা বিশ্বাসযোগ্য বন্ধুর সাথে প্রাণ খুলে কথা বলুন।

✅ ৭. নিজের ওপর বিশ্বাস:
নিজের ছোট ছোট সফলতাগুলো মনে করুন। আপনি অতীতে যা যা ভালো করেছেন, সেগুলো ডায়েরিতে লিখে রাখতে পারেন।

✅ ৮. ছোট সিদ্ধান্ত:
বড় কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হিমশিম খেলে প্রথমে ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভ্যাস করুন। এতে আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

✅ ৯. শখের কাজ:
সারাক্ষণ পড়াশোনা নয়, দিনের কিছুটা সময় নিজের পছন্দের কাজ বা শখের জন্য রাখুন (যেমন: ছবি আঁকা, গান শোনা বা গাছ লাগানো)।

✅ ১০. পেশাদার সাহায্য:
যদি দেখেন একা সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে, তবে দেরি না করে একজন ডাক্তার বা অভিজ্ঞ কাউন্সেলরের পরামর্শ নিন। এটি লজ্জার কিছু নয়, বরং সচেতনতা।

আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতেই।
আজ থেকেই শুরু হোক নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা। ❤️

আপনার বন্ধুদের মেনশন করে এই সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।

05/02/2026

আপনার মুখস্থ শক্তি কি আগের চেয়ে কমে গেছে?
জেনে নিন মানসিক স্বাস্থ্যের ৯টি সতর্ক সংকেত! 🧠📚

শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইদানীং কিছু বিশেষ লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা মোটেও স্বাভাবিক নয়।

✅ স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ হ্রাস:
আগের চেয়ে মুখস্থ করার ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং পড়া মনে রাখতে চরম অসুবিধা হওয়া।

✅ অত্যধিক মুড সুইং:
মেজাজ দ্রুত পরিবর্তন হওয়া; এই হয়তো খুব ভালো লাগছে, আবার পরক্ষণেই তীব্র বিষণ্ণতা বা রাগ অনুভব করা।

✅ ঘুমের অস্বাভাবিক পরিবর্তন:
অনিদ্রা অথবা প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ঘুমানো (যেমন দিনে ১২-১৩ ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকা)।

✅ সারাক্ষণ ক্লান্তি ও আগ্রহহীনতা:
শরীরে সবসময় শক্তিহীন মনে হওয়া এবং আড্ডা, ঘোরাঘুরি বা বিনোদনের মতো প্রিয় কাজগুলোতে আনন্দ না পাওয়া।

✅ অত্যধিক দুশ্চিন্তা (Overthinking):
খুব সাধারণ বা তুচ্ছ বিষয় নিয়ে সারাক্ষণ মনের ভেতর ভয় বা অস্থিরতা কাজ করা।

✅ খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন:
হঠাৎ করে খাওয়ার রুচি একদম কমে যাওয়া অথবা মানসিক চাপে পড়ার কারণে সারাক্ষণ ‘খাই খাই’ ভাব বা অতিরিক্ত খাওয়া।

✅ আত্মবিশ্বাসহীনতা:
নিজেকে সবসময় তুচ্ছ, অপদার্থ বা ‘ফেইলর’ মনে করা এবং নিজের যোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান থাকা।

✅ সিদ্ধান্তহীনতা:
খুব ছোটখাটো বিষয়েও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারা এবং বারবার দ্বিধায় ভোগা।

✅ চরম নেতিবাচক চিন্তা:
ওজন দ্রুত কমতে থাকা এবং এক পর্যায়ে জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে মৃত্যু কামনা করা।

উপরে উল্লিখিত লক্ষণগুলোর মধ্যে ২-৩টি যদি আপনার মধ্যে টানা দুই সপ্তাহের বেশি থাকে, তবে অবহেলা করবেন না।

✅ প্রিয় কারো সাথে কথা বলুন।
✅ পর্যাপ্ত পানি পান ও পুষ্টিকর খাবার খান।
✅ প্রয়োজন বোধ করলে একজন সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নিন।

এগুলোর মধ্যে আপনার কোনটি ইদানীং বেশি হচ্ছে?
কমেন্টে শেয়ার করতে পারেন, কথা বললে মন হালকা হয়। ❤️

নিজে সচেতন হোন, বন্ধুকেও সচেতন করুন।

03/02/2026

মানসিক, ব্রেইন, মাথাব্যাথা ও মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ

06/01/2026

🌿 এ্যাংজাইটির জন্য থেরাপি টেকনিক — দিন ৬

🧠 “ভয়কে শরীর থেকে বের করে দাও” — Anxiety Release Through Movement (Somatic Release)

এ্যাংজাইটি শুধু মাথার ভেতরের সমস্যা না—
এটা শরীরের ভেতর আটকে থাকা এনার্জি।

ভয় পেলে শরীর স্বাভাবিকভাবে Fight / Flight মোডে যায়।
কিন্তু আমরা পালাই না, লড়িও না—
ফলে সেই এনার্জি শরীরের ভেতর আটকে থাকে।

ফলাফল?
👉 বুক ধড়ফড়
👉 অস্থিরতা
👉 হাত-পা কাঁপা
👉 “ভেতরে ভেতরে অস্বস্তি”

এই আটকে থাকা এনার্জি বের না করলে
মস্তিষ্ক বারবার বিপদের সিগন্যাল পাঠাতে থাকে।

🧩 সমাধান কী?
হালকা, সচেতন মুভমেন্ট।

🕺 কিভাবে করবেন? (২–৩ মিনিট)

যেখানে আছেন সেখানেই করা যায়—

🔹 ১. দাঁড়িয়ে বা বসে হাত–পা হালকা ঝাঁকান (৩০–৪৫ সেকেন্ড)
যেন শরীর বলছে— “আমি প্রস্তুত ছিলাম, এখন ছেড়ে দিচ্ছি”

🔹 ২. কাঁধ সামনে–পেছনে ঘোরান (২০–৩০ সেকেন্ড)

🔹 ৩. গলা ও মাথা ধীরে ডানে–বামে নড়ান
কোনো চাপ নয়— শুধু ফ্লো

🔹 ৪. শেষ ৩০ সেকেন্ড
একটু লম্বা করে শ্বাস নিন
শ্বাস ছাড়ার সময় মুখ দিয়ে হালকা শব্দ করুন
(হা… / হুম…)

এই শব্দ vagus nerve-কে শান্ত করে।

🧬 নিউরোসায়েন্স কী বলে?

Somatic movement করলে—
• শরীর trapped survival energy release করে
• Nervous system “completion signal” পায়
• Amygdala শান্ত হয়
• শরীর Fight/Flight থেকে বের হয়ে আসে
• ব্রেইন বলে:
👉 “বিপদ শেষ”

অনেক সময়
ভাবনা না বদলালেও
শরীর নড়ালেই
এ্যাংজাইটি ৫০–৬০% কমে যায়।

✨ প্র্যাকটিক্যাল টিপস

• প্যানিক শুরু হলে আগে শরীর নড়ান, পরে চিন্তা নিয়ে কাজ করুন
• বসে থাকা এ্যাংজাইটি বাড়ায়— মুভমেন্ট কমায়
• খুব হালকা করুন— জিম নয়, থেরাপি
• কেউ বুঝবেও না, আপনি নিজেকে রিলিজ করছেন

🔹

19/12/2025
জরুরি ব্যক্তিগত কারণে স্যার পূর্বে দেশের বাইরে অবস্থান করায় চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। আগামী ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার বিক...
09/12/2025

জরুরি ব্যক্তিগত কারণে স্যার পূর্বে দেশের বাইরে অবস্থান করায় চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।

আগামী ১৪ ডিসেম্বর, রবিবার বিকাল ৩টা থেকে অধ্যাপক ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন সাগর স্যার নিয়মিতভাবে রোগী দেখা শুরু করবেন।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগঃ ০১৯৯৩৫৬৭৬৬২, ০১৮৫৬৫০১৩২৮, ০১৮১৫৫২১১৫২

09/12/2025

পৃথিবীর সবচেয়ে ডেঞ্জারাস মানুষ কে জানেন?...

যে অবশেষে বুঝতে পারে তাকে বাঁচানোর জন্য কেউ আসবে না।

কথাটার গভীরতা একবার ভাবুন।

এখানে ‘Dangerous’ মানে সন্ত্রাসী বা ভিলেন নয়। এখানে ‘Dangerous’ মানে unstoppable, unbreakable।

এই মানুষটি তার চারপাশের পৃথিবীর জন্য ডেঞ্জারাস, তার কম্পিটিটরদের জন্য ডেঞ্জারাস, এমনকি তার নিজের পুরোনো লিমিটিং বিলিফগুলোর জন্যও ডেঞ্জারাস।

কারণ?

কারণ সে জীবনের সবচেয়ে কঠিন কিন্তু সবচেয়ে liberating সত্যটা জেনে গেছে: "কেউ আসবে না।"

যতদিন আমরা এই সত্যটা বুঝি না, ততদিন আমরা অপেক্ষা করি:

- আমরা ভাবি একজন ‘পারফেক্ট মেন্টর’ এসে আমাদের হাত ধরে এগিয়ে দেবে।

- আমরা আশা করি কোনো এক ‘লাকি ব্রেক’ আমাদের সব সমস্যার সমাধান করে দেবে।

- আমরা পরিবার, সিস্টেম বা ভাগ্যের উপর দোষ চাপিয়ে বসে থাকি।

- আমরা মনে মনে একজন উদ্ধারকারীর জন্য অপেক্ষা করি, যে এসে বলবে, "চিন্তা করো না, আমি আছি।"

এই অপেক্ষাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। এই অপেক্ষাই আমাদের ভেতরকার আগুনটাকে নিভিয়ে দেয়।

কিন্তু একদিন, জীবনের কোনো এক কঠিন মুহূর্তে, হতে পারে সেটা বড় কোনো ব্যর্থতা বা চরম একাকিত্বের পর—আমাদের সেই ‘game-changing’ উপলব্ধিটা হয়।

"Nobody is coming to save me."

যেদিন আপনি এটা মন থেকে মেনে নেবেন, সেদিন থেকে আপনার মধ্যে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসবে:

১. আপনি অভিযোগ করা বন্ধ করে দেবেন: কারণ আপনি জানেন, অভিযোগ শুনে কারো কিছু যায় আসে না। আপনি সমাধান খোঁজা শুরু করবেন।

২. আপনি ১০০% দায়িত্ব নেবেন: আপনার সাফল্য, আপনার ব্যর্থতা, আপনার বর্তমান অবস্থা—সবকিছুর জন্য আপনিই দায়ী। এই মালিকানাবোধ আপনাকে অবিশ্বাস্য ক্ষমতা দেবে।

৩. আপনার ‘কেন’ (Why) ভেতর থেকে আসবে: তখন আর আপনাকে কেউ মোটিভেশন দিতে আসবে না। আপনার স্বপ্ন, আপনার জেদ, আপনার টিকে থাকার লড়াই—এগুলোই আপনার ড্রাইভিং ফোর্স হবে।

৪. আপনি রিসোর্সফুল হয়ে উঠবেন: যখন আপনি জানবেন ব্যাকআপ প্ল্যান বলে কিছু নেই, তখন আপনি basic সব রিসোর্স দিয়েই অসম্ভবকে সম্ভব করার পথ খুঁজে বের করবেন।

৫. আপনি নিজের হিরো নিজেই হয়ে উঠবেন: আপনি আর বাইরের কারো validation বা স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষা করবেন না। নিজের ছোট ছোট জয়গুলোকে সেলিব্রেট করবেন এবং নিজের সবচেয়ে বড় সাপোর্টার হবেন।

এই মানুষটিকে হারানো প্রায় অসম্ভব। কারণ তার হারানোর মতো আর কিছুই বাকি নেই। সে তার সব অজুহাত, সব অভিযোগ পুড়িয়ে ফেলেছে।

এখন সে শুধু নিজের উপর বিশ্বাস করে, নিজের পরিশ্রমের উপর বিশ্বাস করে। আর এই আত্মবিশ্বাসই তাকে ‘ডেঞ্জারাস’ বানিয়ে তোলে।

আপনার কি কখনও এমন হয়, হঠাৎ করেই কাউকে খুব কাছের মনে হয়, আবার আচমকা সেই মানুষটিকে একদম সহ্যই করা যায় না? শুনতে আচরণগত ...
04/12/2025

আপনার কি কখনও এমন হয়, হঠাৎ করেই কাউকে খুব কাছের মনে হয়, আবার আচমকা সেই মানুষটিকে একদম সহ্যই করা যায় না? শুনতে আচরণগত খামখেয়ালি মনে হলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে এটি অনেক সময় বর্ডারলাইন পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার (BPD)-এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। আবেগের ঢেউ এখানে এত দ্রুত ওঠানামা করে যে সম্পর্ক, সিদ্ধান্ত, এমনকি নিজের পরিচয়বোধও স্থির থাকে না। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, এটি চরিত্রের দুর্বলতা নয়, বরং গভীর আবেগগত অস্থিরতার চিকিৎসাযোগ্য মানসিক অবস্থা।

BPD-তে আক্রান্ত ব্যক্তিরা সাধারণত দুই প্রান্তে দুলে চলেন: কাউকে একদিন অতিরিক্ত মূল্যায়ন, পরদিনই তীব্র অবমূল্যায়ন। সামান্য ভুল বোঝাবুঝিতেই তারা মনে করেন সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, ফলে ভিতরে জন্মায় তীব্র ভয়, রাগ কিংবা শূন্যতা। এমন আচরণ কর্মস্থল, পরিবার ও প্রেম সব সম্পর্কেই স্থায়ী অস্থিরতা তৈরি করে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শৈশবের ট্রমা, পারিবারিক অবহেলা, দীর্ঘস্থায়ী অস্থির পরিবেশ অথবা জেনেটিক সংবেদনশীলতা– এসব কারণ BPD-এর ঝুঁকি বাড়ায়। তবে আশার কথা হলো, সঠিক চিকিৎসা পেলে এই অবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ডায়ালেকটিক্যাল বিহেভিয়ার থেরাপি (DBT) ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে, যা আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সম্পর্ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং আত্ম-স্থিরতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

বিশেষজ্ঞদের আহ্বান, এমন আচরণকে “অদ্ভুত” বা “নাটকীয়” বলে উড়িয়ে না দিয়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা জরুরি। কারণ সময়মতো চিকিৎসা না পেলে BPD আক্রান্ত ব্যক্তি নীরব সংগ্রামের মধ্যেই ডুবে থাকেন। আর চিকিৎসা পেলে তার জীবন আবার নতুন করে গড়ে উঠতে পারে।

জরুরি বিজ্ঞপ্তিব্যক্তিগত কারণে স্যার বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এ কারণে চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।স্যার দে...
27/11/2025

জরুরি বিজ্ঞপ্তি

ব্যক্তিগত কারণে স্যার বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। এ কারণে চেম্বার সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।স্যার দেশে ফিরলে নতুন করে সিরিয়াল প্রদান করা হবে।আপনাদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

অধ্যাপক ডাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন সাগর
মানসিক, ব্রেইন, মাথাব্যাথা ও মৃগী রোগ বিশেষজ্ঞ

08/11/2025

“আমি কখনও কোনো বন্য প্রাণীকে নিজের জন্য কাঁদতে দেখিনি।”
— ডি. এইচ. লরেন্স

ঘটনাটি নির্মম।
সে তখন মাত্র আট মাসের এক বাচ্চা শিয়াল। এক অবৈধ ফাঁদে পা দিয়ে হারিয়েছিল নিজের সামনের এক পা। আমি কেঁদেছিলাম— তার ব্যথার জন্য, তার হারানোর জন্য, এই পৃথিবীর অন্যায়ের জন্য।
কিন্তু সে কাঁদেনি।
অপারেশনের পর জেগে উঠেই দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। কয়েক সেকেন্ডেই বুঝে ফেলল— শরীরের ভারসাম্য বদলে গেছে। তারপর নিঃশব্দ দৃঢ়তায় নতুনভাবে দাঁড়িয়ে গেল। সে কষ্টে ডুবে থাকেনি, শুধু নিজেকে বদলে নিয়েছিল।

পরের সপ্তাহগুলোতে সে আবার শিখে নিল কীভাবে দৌড়াতে, শিকার ধরতে, বাঁচতে হয়। তিন পা নিয়েই সে প্রমাণ করেছিল— টিকে থাকা এক মানসিক শক্তি, শারীরিক নয়।

আমরা ভেবেছিলাম আমরা তাকে মুক্ত করছি, কিন্তু আসলে সে-ই আমাদের মুক্ত করেছিল— জীবনের সবচেয়ে বড় পাঠ দিয়ে।

ফিনিক্স আমাকে শিখিয়েছিল, আরোগ্য মানে হারানো ফিরে পাওয়া নয়; বরং যা নেই, তার মাঝেও এগিয়ে যাওয়া।
আমরা আমাদের ক্ষতির দ্বারা নয়, বরং কতবার নতুন করে দাঁড়িয়েছি, তা দিয়েই সংজ্ঞায়িত হই।

Collected

Address

14/15 Mehedibag
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Gias Uddin Sagor posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Prof. Dr. Gias Uddin Sagor:

Shortcuts

Share

Category