Dr. Sohel Siddike

Call Directions Website Contact the practice

Dr. Sohel Siddike I am Dr. Sohel Siddike is working as a Heart disease and Interventional Cardiologist. You can take

চিকিৎসা সেবা সমূহ

বুকে ব্যাথা ⨀ বুক ধড়পড় ⨀ হার্ট এটাক

হার্ট ফেইলিউর ⨀ বাতজ্বর ⨀ শ্বাসকষ্ট

হার্টের জন্মগত সমস্যা ⨀ হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ

নন - ইনভেসিভ প্রসিডিওর

ইটিটি ⨀ ইকোকার্ডিওগ্রাফি ⨀ হলটার মনিটরিং

18/08/2026



হার্ট এর রক্তনালী তে ব্লক হলে তার তীব্রতা এবং ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতির ভিন্নতা আছে ।

১. ওষুধের মাধ্যমে

২. ইনভেসিভ (মানে রিং / বাইপাস)

এইসব করার পরও অনেক রুগি তার বুকের ব্যথা কমে না । হার্ট এটাক এর সমস্যা নিয়ে থাকে । যেটা কে বলা হয় Refractory Angina । তাদের জন্য কিছু চিকিৎসা পদ্ধতি আছে যেমন -

EECP (Enhanced external counter pulsation)

EECP - কাজ হলো যে হার্ট এর রক্তনালীর মধ্যে বাইপাস তৈরি করা ( যেটা কে বলা হয় Collateral circulation) ।

তাইলে এখন প্রশ্ন জাগে এইটা কি ইনভেসিভ বা ওষুধ এর বিকল্প ???!

উত্তর হলো- না

এইটা প্যালিয়েটিভ হিসেবে কাজ করে । আন্তর্জাতিক গাইডলাইন এ বলা আছে এইটা দিলে কিছু উপকার পেলেও পেতে পারে (ওষুধ এবং ইনভেসিভ করার পর সমস্যা সমাধান না হলে তখন কেবল)। পাবেনই এমন কোনও কথা নাই । তাই এইটা প্রধান চিকিৎসা ভেবে চিকিৎসা গ্রহণ করা বোকামি ।

একটা প্রশ্ন করি। যদি সত্যিই একটা মেশিনে শুয়ে থাকলেই হার্টের ব্লক খুলে যেত, তাহলে ক্যাথ ল্যাব বানাতে কোটি কোটি টাকা কেন ...
04/08/2026

একটা প্রশ্ন করি। যদি সত্যিই একটা মেশিনে শুয়ে থাকলেই হার্টের ব্লক খুলে যেত, তাহলে ক্যাথ ল্যাব বানাতে কোটি কোটি টাকা কেন খরচ করা হয়?
কেন মেডিকেল সাইন্সে এত বছর ধরে Cardiology কেন পড়ানো হয়?কেন একজন কার্ডিয়াক সার্জন বুক কেটে বাইপাস করেন, যেখানে "আরামে শুয়ে থাকা"ই যথেষ্ট?

উত্তরটা সহজ — কারণ ব্যাপারটা এত সহজ না। যে মেশিনটার কথা বলা হচ্ছে, সেটা আসলে কী?
এই ধরনের ডিভাইসকে বলে External Counterpulsation। পায়ে-উরুতে কাফ লাগিয়ে হার্টের ডায়াস্টোলের সময় বাতাস ভরা হয়, যাতে করোনারি পারফিউশন প্রেশার সাময়িক বাড়ে। বিদেশে এটা ব্যবহার হয় refractory angina-এর রোগীদের উপসর্গ কিছুটা কমাতে, তাও শুধু তখনই যখন Angioplasty বা Bypass করার মতো অবস্থা থাকে না।
এটা ব্লক "খুলে" দেয় না। এটা ব্লক "সারায়" না। এটা শুধু সাময়িক flow বাড়ায় যা উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে, চিকিৎসার বিকল্প নয়। যে বিজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে "শুয়ে শুয়ে ব্লক ছেড়ে যাবে", সেটা বিজ্ঞানকে বিকৃত করে বিক্রি করা।

তো এই দাবির পক্ষে কথা বলছেন কে? একজন লাইফস্টাইল/ফুড কনটেন্ট ক্রিয়েটর, যার কাজ রেস্টুরেন্ট রিভিউ আর রেসিপি নিয়ে। মেডিসিনের কোনো একাডেমিক ব্যাকগ্রাউন্ড নেই, রোগ নির্ণয়ের প্রশিক্ষণ নেই। অথচ তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে একটা life-threatening কন্ডিশনের "সমাধান" বাতলে দিচ্ছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল অ্যাক্ট অনুযায়ী, রেজিস্টার্ড চিকিৎসক ছাড়া কারো চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া বা চিকিৎসা পদ্ধতির সুপারিশ করাটাই আইনত অপরাধ। কিন্তু ভিউজ আর স্পন্সরশিপের সামনে এই আইন কাগজে-কলমেই থেকে যায়।

এবার বলি, দেরি করলে বা এসব ভুয়া পদ্ধতিতে সময় নষ্ট করলে শরীরের ভেতরে আসলে কী ঘটে?

হার্ট ব্লক মানে করোনারি আর্টারির ভেতর চর্বি জমে একটা প্লাক তৈরি হওয়া। শুরুতে এটা স্থির থাকে, পরিশ্রমে বুকে ব্যথা হয়, বিশ্রামে কমে যায় (স্টেবল এনজাইনা)। কিন্তু সঠিক চিকিৎসা না নিলে এই প্লাক যেকোনো সময় ফেটে যেতে পারে। তখন সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে পুরো নালীটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। আর এটাই হার্ট অ্যাটাক।

রক্ত বন্ধ হওয়ার ২০-৪০ মিনিটের মধ্যেই হার্টের মাংসগুলো মরতে শুরু করে। যত দেরি, তত বেশি মাংস মারা যায়। মেডিসিনে এটাকে বলে "Time is Muscle"। অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতালে পৌঁছানোরও আগে হৃদপিণ্ডের রিদম এলোমেলো হয়ে (Ventricular Fibrillation) আকস্মিক কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়ে যায়। বেঁচে গেলেও হার্ট ফেইলিউর বা কার্ডিওজেনিক শকের মতো জটিলতা থেকে যেতে পারে সারাজীবনের জন্য।
সবচেয়ে বড় বিপদ, এই "শুয়ে শুয়ে চিকিৎসা" আসল ব্লকটা কখনোই সরায় না। রোগী মনে করেন সুস্থ হয়ে গেছেন, ওষুধ বন্ধ করে দেন, ফলোআপে যাবেন না। ভেতরে ভেতরে প্লাক নীরবে অপেক্ষা করে যেকোনো মুহূর্তে ফেটে পড়ার। আর রোগী থাকবেন সম্পূর্ণ অসতর্ক।

টাকার হিসেবটাও একবার মিলিয়ে দেখুন —
সরকারি হাসপাতালে (জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) সরকারি ভর্তুকির কারণে বাইপাস সার্জারি করানো যায় মোটামুটি ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে। বেসরকারি হাসপাতালে খরচ পড়ে ৪-৫ লাখ টাকা।
আর শোনা যাচ্ছে, শুধু পায়ে বাতাস দেওয়ার এই ভুয়া "চিকিৎসা"র ফি-ই নাকি আড়াই লাখ টাকারও বেশি। যেখানে ব্লক আসলে সরেই না। যে টাকায় সরকারি হাসপাতালে আসল বাইপাস করিয়ে একটা জীবন বাঁচানো যায়, সেই টাকা বা তার বেশি খরচ করে মানুষ কিনছেন শুধু একটা মিথ্যা স্বস্তি।

আমাদের দেশের মানুষ বিশ্বাস করে কনফিডেন্স দেখে, প্রমাণ দেখে না।। আর এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ নেয় এই প্রতারকরা। প্রতারণার এই যুগে আপনার, প্রিয়জনের জীবনের সিদ্ধান্ত একজন ফুড ব্লগারের ভিডিও দেখে না, একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শে নিন।
সবাই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

~ collect

29/07/2026
01/07/2026

হৃদরোগের কিছু ধরা পড়লে সবার চিন্তা ঢুকে যায় ডিমের কুসুমের উপর..!
ধারণা করেন যে ডিমের কুসুম বাদ দিলেই সব হয়ে গেল।
বাস্তবতা হলো আমরা প্রতিদিন যে ধরনের খাবার খাই সেগুলোর বেশিরভাগই স্বাস্থ্যকর নয় কিন্তু আমরা সেটা নিয়ে ভাবি না ।
ডিম ও ডিমের কুসুম একটি স্বাস্থ্যকর খাবার । তবে আমরা স্বাস্থ্যকর খাবারকে স্বাদ বাড়াতে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর করে তুলি।
আপনার চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা না থাকলে প্রতিদিন একটা ডিম খেতে পারবেন ।

24/06/2026

হার্টের রোগীদের প্রতিদিন কতক্ষণ ও কীভাবে হাঁটা উচিত?

হার্টের রোগীদের জন্য নিয়মিত হাঁটাচলা করা অত্যন্ত উপকারী। এটি হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
🏃‍♂️ হার্টের রোগীদের হাঁটার সঠিক গাইডলাইন:

⏱️ প্রতিদিন কতক্ষণ হাঁটবেন?
সাধারণ লক্ষ্য: প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন (সব মিলিয়ে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট)।
শুরুর দিকে: যারা নতুন শুরু করছেন বা যাদের শরীর দুর্বল, তারা প্রথমে ১০-১৫ মিনিট করে হাঁটা শুরু করুন। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে সময় বাড়ান।
টুকরো সময়: একটানা ৩০ মিনিট হাঁটতে কষ্ট হলে, দিনে ৩ বার ১০ মিনিট করে ভাগ করে হাঁটতে পারেন।

🚶‍♂️ হাঁটার গতি কেমন হওয়া উচিত?
মাঝারি গতি (Moderate Pace): এমন গতিতে হাঁটুন যাতে শরীর থেকে সামান্য ঘাম বের হয় এবং হার্টবিট কিছুটা বাড়ে।
কথা বলার পরীক্ষা (Talk Test): হাঁটার সময় আপনি যেন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন, কিন্তু গান গাওয়ার মতো দম না থাকে। অতিরিক্ত হাঁপিয়ে যাওয়া যাবে না।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ কিছু সতর্কতা ও নিয়ম
* ওয়ার্ম-আপ ও কুল-ডাউন: হাঁটা শুরু করার প্রথম ৫ মিনিট ধীরে হাঁটুন (Warming up) এবং শেষ করার আগের ৫ মিনিট গতি কমিয়ে ধীরে ধীরে হাঁটা শেষ করুন (Cooling down)।
* ভরা পেটে হাঁটবেন না: ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই হাঁটবেন না। অন্তত ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা পর হাঁটুন।
* আবহাওয়া খেয়াল রাখুন: অতিরিক্ত গরমে বা প্রচণ্ড শীতে বাইরে হাঁটা এড়িয়ে চলুন। ঘরের ভেতর বা বারান্দায় হাঁটতে পারেন।
‼️ লক্ষণ দেখা দিলে থামুন: হাঁটার সময় যদি বুকে ব্যথা, চাপ অনুভব করা, অতিরিক্ত হাঁপিয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরানো বা শ্বাসকষ্ট হয়, তবে তৎক্ষণাৎ হাঁটা বন্ধ করুন এবং বিশ্রামে যান। প্রয়োজনে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

Address

Chattagram Metropolitan Hospital, New Building, Room No-4014, 4th Floor, CTG
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sohel Siddike posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Sohel Siddike:

Shortcuts

Share

Category