Dr. Faridul Islam Chowdhury- Neurosurgeon

Call Directions Website Contact the practice

Dr. Faridul Islam Chowdhury- Neurosurgeon Prof. Dr. Md. Faridul Islam Chowdhury
(Best Neuroscientist, Neurosurgeon)Inventor of 1. Curative Treatment of Cerebral Palsy2.

Early stroke detection and prevention, TACS(Asymetric Cranial Syndrome} New disease invented and most common in neurology

14/07/2026

সংঘর্ষ ছাড়াই সুশৃঙ্খলভাবে তৈরি হয়েছে চাঁদ: বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নতুন মহাজাগতিক তত্ত্ববগুড়া, বাংলাদেশ — প্রথাগত জ্যোতির্বিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের একটি জনপ্রিয় দাবিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে চাঁদের সৃষ্টি রহস্যের এক সম্পূর্ণ নতুন ও সুশৃঙ্খল ব্যাখ্যা নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশী নিউরোসার্জন ও তাত্ত্বিক কসমোলজিস্ট প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী (p. 1). আন্তর্জাতিক গবেষণা প্ল্যাটফর্ম ‘রিসearchGate’-এ প্রকাশিত তাঁর একটি নতুন গবেষণাপত্রে তিনি গাণিতিকভাবে প্রমাণ করেছেন যে, কোনো আকস্মিক মহাজাগতিক সংঘর্ষ বা ধাক্কার মাধ্যমে নয়, বরং আদিম মহাজাগতিক প্লাজমা মেঘের সুনির্দিষ্ট ঘূর্ণন গতি এবং তাপগতীয় নিয়মের মাধ্যমেই পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদের জন্ম হয়েছে (pp. 1, 6).প্রচলিত ‘ধাক্কা লাগার গল্প’ এবং এর বৈজ্ঞানিক গলদএতদিন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা দাবি করে আসছিলেন যে, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে ‘থিয়া’ নামক মঙ্গল গ্রহের আকারের একটি বিশাল বস্তু এসে আদি-পৃথিবীকে এক মারাত্মক ধাক্কা দেয় (p. 1). সেই প্রলয়ঙ্কারী সংঘর্ষে ছিটকে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ জমাট বেঁধেই চাঁদ তৈরি হয়েছে (p. 1).ড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী তাঁর গবেষণাপত্রে এই প্রচলিত তত্ত্বের একটি বড় বৈজ্ঞানিক ভুল বা 'আইসোটোপিক প্যারাডক্স' (Isotopic Paradox) তুলে ধরেছেন (p. 1). নাসার অ্যাপোলো মিশনের আনা চাঁদের মাটি ও শিলা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পৃথিবী আর চাঁদের অক্সিজেনের রাসায়নিক আঙুলের ছাপ (Isotopic Fingerprints) একদম ১০০% এক (pp. 1, 5). যদি অন্য কোনো দূরবর্তী গ্রহ এসে পৃথিবীকে ধাক্কা দিত, তবে চাঁদের মাটিতে সেই পরজীবী গ্রহের উপাদানের ভিন্নতা থাকত, যা বাস্তবে নেই (p. 1).কীভাবে তৈরি হলো চাঁদ? বাংলাদেশী বিজ্ঞানীর নতুন মেকানিজমড. ফরিদের ‘তানফারিদ কোয়ান্টাম থার্মোডায়নামিক ইউনিভার্স’ (TQTU) ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী, আদিম সৌরজগৎ কোনো এলোমেলো ধূলিমেঘ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি ঘূর্ণায়মান একক প্লাজমা ক্ষেত্র (pp. 1-2). এই প্লাজমা মেঘটি যখন তীব্র গতিতে ঘুরতে ঘুরতে সংকুচিত হতে থাকে, তখন কেন্দ্রের চরম চাপ ও তাপমাত্রার কারণে নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় সূর্যের জন্ম হয় (pp. 1-2).তবে এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনাটি ঘটে প্রান্তীয় বা বাইরের অঞ্চলে (p. 2). কৌণিক ভরবেগের নিয়মে কেন্দ্রের তীব্র ঘূর্ণন গতির সাথে একদম বাইরের ধূলিকণা ও গ্যাসের স্তরগুলো তাল মেলাতে ব্যর্থ হয়, যাকে বলা হয় ‘গতির অসামঞ্জস্যতা’ (Velocity Mismatch) (pp. 2-3). এই গতির অমিল বা ব্যবধানের কারণে বাইরের অংশগুলো কেন্দ্রের তীব্র মহাকর্ষীয় টান থেকে আংশিক মুক্ত হয়ে স্বাধীনভাবে আবর্তিত হতে শুরু করে (p. 3). পরবর্তীতে এই স্বাধীন প্লাজমা বলয়গুলো কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই ঠান্ডা হয়ে পৃথিবীর পাশে সুস্থিত উপগ্রহ বা চাঁদ হিসেবে জমাট বাঁধে (pp. 2-3).কম্পিউটার সিমুলেশন ও নাসার তথ্যের সাথে নিখুঁত মিলড. ফরিদের এই তত্ত্বে তাঁর নিজস্ব ‘ফরিদ প্রেসার প্রিন্সিপল’ (Farid Pressure Principle - FPP) নামক একটি জটিল গাণিতিক সমীকরণ ব্যবহার করা হয়েছে, যা মহাকর্ষ, থার্মাল চাপ এবং চৌম্বকীয় বলের নিখুঁত ভারসাম্য হিসাব করে (pp. 1-2).সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো, কোনো পূর্ব-নির্ধারিত অনুপাত ছাড়াই যখন এই গাণিতিক মডেলটি কম্পিউটারে সিমুলেশন করা হয়, তখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে তৈরি হওয়া উপগ্রহের ভর মূল গ্রহের ঠিক ১.১ শতাংশ (\(\sim 0.011\)) আসে (pp. 3-4). এটি নাসা (NASA) এর দেওয়া পৃথিবী ও চাঁদের প্রকৃত ভরের অনুপাতের (\(\sim 0.0123\)) একদম নিখুঁতভাবে কাছাকাছি, যা এই তত্ত্বের সত্যতা প্রমাণ করে (p. 4).এছাড়া চাঁদের নিজস্ব লোহার কোরের ছোট আকার এবং উদ্বায়ী উপাদানের ঘাটতির বিষয়টিও এই তত্ত্বে মহাজাগতিক প্লাজমার চৌম্বকীয় ও তাপগতীয় সোর্টিং (Sorting) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে (pp. 1, 5).এই যুগান্তকারী গবেষণাটি মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে মানুষের প্রচলিত চিন্তাভাবনাকে আমূল বদলে দিতে পারে (p. 6). ড. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী বগুড়া ভিত্তিক তানফারিদ ভিশন রিসার্চ ইনস্টিটিউট (TVRI)-এর প্রতিষ্ঠাতা (p. 1). তাঁর এই গবেষণাপত্রটি এখন বিশ্বব্যাপী জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পর্যালোচনার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে (p. 5).

07/06/2026

Electron-Gateway Tunneling (EGT): A Deterministic Mechanism for Barrier Crossing

প্রস্তাবক:
প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম চৌধুরী
এমবিবিএস, এমএস (নিউরোসার্জারি)
নিউরোসার্জন, নিউরোসায়েন্টিস্ট ও তাত্ত্বিক কসমোলজিস্ট
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, তানফারিদ ভিশন রিসার্চ ইনস্টিটিউট (TVRI), বগুড়া, বাংলাদেশ
ORCID: 0000-0003-3178-0671
ভূমিকা

প্রথাগত কোয়ান্টাম মেকানিক্সে 'কোয়ান্টাম টানেলিং' (Quantum Tunneling) একটি অত্যন্ত রহস্যময় এবং সম্ভাব্যতামূলক (probabilistic) ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত। প্রচলিত বিজ্ঞানে মনে করা হয়, কোনো কণা যখন শক্তির বাধার (Potential Barrier) মুখোমুখি হয়, তখন সেটির ওয়েভফাংশন বা তরঙ্গ ফাংশন বাধাটির ভেতর দিয়ে 'লিকেজ' বা ছিদ্র হয়ে অন্য পাশে চলে যায়। এটি গাণিতিকভাবে সফল হলেও, এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট ভৌত মেকানিজম বা কার্যকর প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করা হয়নি। এই অস্পষ্টতা দূর করতেই আমি "Electron-Gateway Tunneling (EGT)" মডেলটি প্রস্তাব করেছি, যা টানেলিং-কে কোনো ‘ভাগ্য’ বা ‘সম্ভাবনা’র খেলা হিসেবে না দেখে, বরং একটি সুনির্দিষ্ট ও নির্ধারিত (deterministic) ভৌত প্রক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করে।
মূল কার্যপদ্ধতি (The Core Mechanism)

EGT মডেল অনুযায়ী, টানেলিং কোনো জাদুকরী লিকেজ নয়, বরং এটি তিনটি সুশৃঙ্খল ধাপের একটি বাস্তব প্রক্রিয়া:

১. ইলেকট্রন বিচ্যুতি (Transient Electron Loss): যখন একটি নিউক্লিয়াস বা আয়নের চারপাশে থাকা ইলেকট্রন সাময়িকভাবে সরে যায় (আয়নাইজেশন বা কোলাইশনের মাধ্যমে), তখন ওই এলাকায় একটি শক্তি-শূন্যতা তৈরি হয়। ইলেকট্রনের নেতিবাচক আধান (Negative charge) সরে যাওয়ার ফলে সেখানে থাকা নিউক্লিয়াসের কুলম্ব বিকর্ষণ বল (Coulomb Barrier) সাময়িকভাবে লোপ পায় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এই সংক্ষিপ্ত মুহূর্তটিই হলো "গেটওয়ে" বা পথ।

২. নির্ধারিত পারাপার (Deterministic Transit): গেটওয়ে উন্মুক্ত হওয়ার পর, অন্য কোনো ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা (যেমন প্রোটন বা আলফা কণা) বাধার সম্মুখীন না হয়েই সরাসরি ওই পথ দিয়ে নিউক্লিয়াসের কাছে পৌঁছাতে পারে। এখানে কোনো অনিশ্চয়তা নেই; এটি একটি নিয়ন্ত্রিত গতিপথ।

৩. ইলেকট্রন পুনর্গঠন (Electron Reformation): কণাটি গেটওয়ে দিয়ে পার হয়ে যাওয়ার পর, সিস্টেমটি তাৎক্ষণিকভাবে একটি মুক্ত ইলেকট্রন গ্রহণ করে পুনরায় আগের স্থিতিশীল চার্জ কাঠামোতে ফিরে আসে। ফলে শক্তির ভারসাম্য ও সিস্টেমের স্থায়িত্ব বজায় থাকে।
বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব ও প্রয়োগ

এই মডেলটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের দুটি প্রধান ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা রাখে:

সূর্যের ফিউশন প্রক্রিয়া: সূর্যের কেন্দ্রে প্রোটনরা যেভাবে কুলম্ব বাধা অতিক্রম করে ফিউশন ঘটায়, তাকে আমরা এখন 'ওয়েভফাংশন টানেলিং' এর বদলে প্লাজমা-ডাইনামিকসের ভিত্তিতে একটি বাস্তব 'ইলেকট্রন-গেটওয়ে' প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারি। এটি সূর্যের নিউট্রিনো ফ্লাক্স এবং শক্তির ভারসাম্য বোঝার নতুন পথ খুলে দিতে পারে।

ল্যাবরেটরি ফিউশন ও এনার্জি: ফিউশন রিয়্যাক্টরগুলোতে (যেমন টোকামাক বা জেড-পিঞ্চ) আমরা যদি কৃত্রিমভাবে ইলেকট্রনের ঘনত্ব এবং তাদের রিকম্বিনেশন ডাইনামিক্স নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, তবে গেটওয়ে তৈরির হার বাড়িয়ে নিউক্লিয়ার ফিউশনের কার্যক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এটি পরিচ্ছন্ন শক্তি উৎপাদনে আমাদের অনেক এগিয়ে নেবে।

FQCU ফ্রেমওয়ার্কের ভূমিকা

আমার প্রস্তাবিত Farid Quantum Command Unit (FQCU) ফ্রেমওয়ার্কের তিনটি মূল ভিত্তি এই মডেলকে নিয়ন্ত্রণ করে:

পোলারিটি (Polarity-P): গেটওয়ে খোলা এবং বন্ধ হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

কাইরালিটি (Chirality-C): ইলেকট্রনের ঘূর্ণন ও কণার গতির দিক নির্ধারণ করে।

ডাইরেকশনাল এনট্রপি (Directional Entropy-D): প্লাজমার ঘনত্ব ও তাপমাত্রার梯度 বজায় রাখে, যা গেটওয়ে তৈরির হারকে প্রভাবিত করে।

উপসংহার

Electron-Gateway Tunneling (EGT) শুধু একটি তাত্ত্বিক মডেল নয়, এটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি দীর্ঘস্থায়ী রহস্যের যুক্তিযুক্ত সমাধান। এটি প্রমাণ করে যে, মহাবিশ্বের প্রতিটি ক্ষুদ্রতম কোয়ান্টাম ঘটনাও বিশৃঙ্খল নয়, বরং একটি নির্ধারিত ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ার অংশ। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার মাধ্যমে এই তত্ত্বটি যাচাইযোগ্য, যা ভবিষ্যতে আমাদের কোয়ান্টাম ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কসমোলজিক্যাল গবেষণায় এক নতুন যুগে নিয়ে যাবে।

“সমস্ত আবিষ্কার মহান আল্লাহর রহমত, তিনি যাকে ইচ্ছা জ্ঞান দান করেন। এই জ্ঞান একটি আমানত, ব্যক্তিগত কোনো অর্জন নয়।”

07/06/2026
06/06/2026

অধ্যায়: জৈবিক রূপান্তরে টানফারিদ নীতি (TQTU in Developmental Biology)১. ভূমিকা: ভ্রূণতত্ত্ব বনাম পিউপার রূপান্তর (Embryology vs. Metamorphosis)প্রচলিত সাধারণ জীববিজ্ঞান স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভ্রূণ গঠন (Embryogenesis) এবং কীটপতঙ্গের রূপান্তরকে (Metamorphosis) দুটি ভিন্ন জৈব-রাসায়নিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখে। কিন্তু টানফারিদ কোয়ান্টাম থার্মোডাইনামিক ইউনিভার্স (TQTU) মডেল অনুযায়ী, উভয় প্রক্রিয়ার অন্তর্নিহিত তথ্যগত (Informational) ও গাঠনিক নির্দেশনা কাঠামো অভিন্ন। তবে থার্মোডাইনামিক দৃষ্টিকোণ থেকে এদের পুষ্টির উৎস ও বণ্টনের মধ্যে একটি মৌলিক ও পরম পার্থক্য রয়েছে: [ পুষ্টির উৎস ও বণ্টন ]
│
┌──────────────────────────┴──────────────────────────┐
▼ ▼
স্তন্যপায়ী ভ্রূণ (Embryo) প্রজাপতির পিউপা (Pupa)
- বাহ্যিক উৎস (মায়ের রক্ত) - অভ্যন্তরীণ উৎস (বদ্ধ তরল স্যুপ)
- ধারাবাহিক পুষ্টি সরবরাহ - সীমিত ও সুনির্দিষ্ট নিউট্রিয়েন্ট পুল
- মেটাবলিক ওপেন সিস্টেম - থার্মোডায়নামিক ক্লোজড সিস্টেম
স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি ও উপাদানগুলো ক্রমাগত বাহ্যিক উৎস বা মায়ের রক্তপ্রবাহ থেকে আসে, যা একটি ওপেন থার্মোডায়নামিক সিস্টেম। বিপরীতে, প্রজাপতির পিউপা (Chrysalis) একটি সম্পূর্ণ বদ্ধ থার্মোডায়নামিক সিস্টেম (Closed Thermodynamic System)।এর ভেতরে বাইরের কোনো উপাদান বা শক্তি প্রবেশ করতে পারে না। ফলে, এই সীমিত এবং নির্দিষ্ট অভ্যন্তরীণ সম্পদকে ব্যবহার করে একটি সম্পূর্ণ নতুন ও জটিল জীবসত্তা তৈরি করতে হলে একটি অত্যন্ত উচ্চস্তরের তথ্যগত ও নিখুঁত গাঠনিক নির্দেশনার প্রয়োজন হয়, যা কোনো বাহ্যিক শক্তির বলপ্রয়োগ ছাড়াই সিস্টেমের ভেতর থেকে পরিচালিত হয়।২. ডিএনএ বনাম এফকিউসিইউ (DNA vs. FQCU): নকশা বনাম নির্মাণ সমন্বয়কারীআধুনিক জিনোমিক্স ও আণুবীক্ষণিক জীববিজ্ঞান দাবি করে যে ডিএনএ (DNA) নিজেই সমস্ত অঙ্গসংস্থান এবং জৈবিক জ্যামিতির একক চালিকাশক্তি। কিন্তু TQTU মডেল এই ধারণার আংশিক সীমাবদ্ধতা সংশোধন করে একটি গভীর সত্য উন্মোচন করে:ডিএনএ হলো একটি প্যাসিভ নকশা (Passive Blueprint): ডিএনএ নিজে কোনো সক্রিয় মেকানিক নয়; এটি কেবল প্রয়োজনীয় প্রোটিন, এনজাইম এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের একটি ব্লুপ্রিন্ট বা রাসায়নিক ক্যাটালগ ধারণ করে।FQCU হলো পরম নির্মাণ সমন্বয়কারী (Structural Coordinator): ফরিদ কোয়ান্টাম কমান্ড ইউনিট (FQCU) তার নিজস্ব ত্রিমাত্রিক স্টেট ভেক্টর—পোলারিটি ($P$), স্পিন বা বিন্যাস ($S$), এবং ডাইরেকশনাল এনট্রপি ($S_e$)—ব্যবহার করে রিয়েল-টাইমে সিদ্ধান্ত নেয় এই প্যাসিভ নকশাটি কখন, কোথায়, কোন কোণ থেকে এবং কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।$$\Psi_{\text{FQCU}} = \begin{bmatrix} P \\ S \\ S_e \end{bmatrix}$$ডিএনএ যদি হয় একটি ভবনের আর্কিটেকচারাল ড্রয়িং বা নকশা, তবে FQCU হলো সেই অদৃশ্য চতুর ইঞ্জিনিয়ার বা নির্মাণ সমন্বয়কারী, যে ল্যাটিসের প্রতিটি ইটকে সঠিক স্পেসে সাজিয়ে তোলে।৩. নদীর ভাঙা (Nadir Bhanga) ও নিয়ন্ত্রিত এনট্রপিপিউপার ভেতরে যখন ক্যাটারপিলারের পুরনো শরীরটি সম্পূর্ণ গলে তরল অ্যামিনো অ্যাসিড ও মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্টের স্যুপে পরিণত হয়, সেই দশাকে আমাদের তত্ত্বে "নদীর ভাঙা" (Nadir Bhanga) বা নিয়ন্ত্রিত এনট্রপি বিপর্যয় হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।নদী যেমন এক কূল ভেঙে অন্য কূল গড়ে তোলে, ঠিক তেমনি FQCU এখানে পুরনো অবিন্যস্ত গাঠনিক কূলকে ভেঙে এক পরম আইসোট্রপিক (Isotropic—সবদিকে সমান গুণসম্পন্ন) তরল মাধ্যম তৈরি করে। এই তরল মাধ্যমটি কোনো বাহ্যিক কোলাহল বা নয়েজ না থাকায় তরঙ্গ প্রবাহের জন্য মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিখুঁত মাধ্যমে পরিণত হয়।[FQCU কমান্ড] ──► [ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স] ──► [তরল মাধ্যমে অদৃশ্য ছাঁচ] ──► [জ্যামিতিক বিন্যাস]
এই তরল স্যুপের ভেতরে নতুন অঙ্গ সৃষ্টির জন্য FQCU কোনো যান্ত্রিক স্পর্শ বা সরাসরি ধাক্কা ব্যবহার করে না। এটি মূলত বায়ো-ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফ্রিকোয়েন্সি রেজোন্যান্স (Bio-electromagnetic Frequency Resonance) বা জৈব-তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গের সুনির্দিষ্ট কম্পন তৈরি করে।এই কম্পন তরল মাধ্যমে একটি অদৃশ্য "শক্তির ছাঁচ" বা ফিল্ড টেনশন (Field Tension) তৈরি করে। তরলে ভাসমান মুক্ত অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো তখন সেই তরঙ্গের নোডাল পয়েন্ট (Nodal Points) বা জ্যামিতিক রেখা ও নোঙ্গরগুলো অনুসরণ করে ক্রিস্টালের মতো নিখুঁতভাবে জমাট বাঁধতে শুরু করে। এভাবেই প্রজাপতির জটিল ডানার ফ্র্যাক্টাল জ্যামিতি, চোখের লেন্স এবং নতুন স্নায়ুতন্ত্র তৈরি হয়।৪. ইউনিভার্সাল ব্যালেন্স ফ্যাক্টর এবং থার্মাল ফিডব্যাক লুপযেহেতু পিউপা একটি ক্লোজড থার্মোডায়নামিক সিস্টেম, তাই তরল "নদীর ভাঙা" ও গড়ার সময় রাসায়নিক বন্ধন পরিবর্তনের কারণে যে অতি ক্ষুদ্র তাপমাত্রার পরিবর্তন বা থার্মাল মাইক্রো-ফ্ল্যাকচুয়েশন (Thermal Micro-fluctuations) ঘটে, FQCU তাকে বর্জ্য তাপ হিসেবে ফেলে দেয় না; বরং তাকে অত্যন্ত সংবেদনশীল তথ্য বা সিগন্যাল হিসেবে গ্রহণ করে।এই রূপান্তর প্রক্রিয়াটি তখনই তার পরম ও চূড়ান্ত স্থায়িত্ব লাভ করে, যখন সিস্টেমের অভ্যন্তরীণ এনট্রপি এবং ফ্রিকোয়েন্সির অনুপাত আমাদের মহাজাগতিক ধ্রুবক ইউনিভার্সাল ব্যালেন্স ফ্যাক্টর ($\gamma \approx 1.0600$)-এ এসে পৌঁছায়:$$\frac{\text{Systemic Entropy State}}{\text{Vibrational Coherence}} \longrightarrow \gamma \approx 1.0600$$এই ব্যালেন্স ফ্যাক্টরের গাণিতিক উপস্থিতির কারণেই একটি সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল ও তরল স্যুপ থেকে একটি পরম সুশৃঙ্খল, প্রতিসম (Symmetrical) এবং সুন্দর প্রজাপতি প্রাণ লাভ করে।৫. উপসংহার: মহাজাগতিক ছন্দের আণুবীক্ষণিক রূপফরিদ প্রেসার প্রিন্সিপাল (FPP) এবং মহাজাগতিক কম্পন তত্ত্ব (Universal Pulse Theory) যেভাবে ডার্ক ম্যাটার বা ডার্ক এনার্জির কাল্পনিক সাহায্য ছাড়াই মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলোর বাহ্যিক গঠন, ঘূর্ণন এবং ভ্যাকুয়াম প্রেসার নিখুঁতভাবে ব্যাখ্যা করে, ঠিক একই পরম নিয়মে পিউপার ক্ষুদ্র খোলসের ভেতরের অভ্যন্তরীণ চাপ এবং কম্পন একটি প্রজাপতির জন্ম দেয়।সামষ্টিক মহাবিশ্ব (Macro-cosmos) এবং আণুবীক্ষণিক জীববিজ্ঞান (Micro-biology)—উভয়ই আলাদা কোনো নিয়মে চলে না; এরা একই পরম একক মহাজাগতিক ছন্দের সূত্রে এবং FQCU-এর সুনির্দিষ্ট কমান্ড নেটওয়ার্কে গাঁথা।

Address

Royal Hospital, Bogura
Chittagong
4367

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Faridul Islam Chowdhury- Neurosurgeon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Faridul Islam Chowdhury- Neurosurgeon:

Shortcuts

Share