Hathazari Digital Diagnostic Center

Hathazari Digital Diagnostic Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hathazari Digital Diagnostic Center, Diagnostic Center, College Gate, Hathazari, Chittagong.

complete computerise diagnostic center ,we have all types of quality machine for Digital Xry ,3D/4D colour ultrasounds Machin,Echocardiography Machin,12 channel Auto ECG machine ,And all types of Hormone analysis and blood counting machine,,
We have also

07/09/2025

অ্যালার্জির চিকিৎসায় মূলত দুই ধরনের ওষুধ দেওয়া হয়।

কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। এগুলো সাধারণত দীর্ঘ মেয়াদে সেবনের পরামর্শ দেওয়া হয়। এগুলোর তেমন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে না।

আর কিছু ওষুধ রয়েছে, যেগুলো অ্যালার্জির উপসর্গকে প্রশমন করে (অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ)। এগুলো আবার দীর্ঘ মেয়াদে সেবন করা উচিত নয়। এগুলোর কারণে ওজন বৃদ্ধি, রুচি বৃদ্ধি, মুখের শুষ্কতা হতে পারে। কোনোটির কারণে রক্তচাপ বাড়ে, কোনোটির কারণে বাড়ে রক্তের চর্বি। দীর্ঘদিন সেবনের ফলে রোগীর এক ধরনের নির্ভরশীলতা তৈরি হয়ে যায়, ওষুধ সেবন না করলে রোগী স্বস্তি পান না। তা ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ সেবন করলে দু’টি ওষুধের ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় শরীরে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে কি-না, সেটিও খেয়াল রাখার বিষয়।

তাই প্রয়োজন হলে অর্থাৎ অ্যালার্জির উপসর্গ দেখা দিলেই কেবল এসব ওষুধ খাওয়া উচিত, তাও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে।

আগামী কাল ২১/০৭/২৫ ইংরেজি , সোমবার বিকাল ৪:০০ থেকে এলার্জি, ও চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ ডা অবন্তী দাশ ম্যাম

ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার এ চেম্বার করবেন।।

সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন

০১৮৪৪-০৪০৮০০
০১৮৪৪-০৪০৮১০

💪 **ফিরিয়ে আনুন ব্যথাহীন জীবন।**ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অর্থোপেডিক ডাক্তার আপনার পাশে।
23/08/2025

💪 **ফিরিয়ে আনুন ব্যথাহীন জীবন।**
ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অর্থোপেডিক ডাক্তার আপনার পাশে।

18/08/2025

Celebrating my 8th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

চট্টগ্রামে ভ’য়া’বহ’ভাবে বাড়ছে চিকুনগুনিয়া, জ্বরে আক্রান্তদের ৯০% চিকুনগুনিয়াচিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণ :সাধারণত ২ থেকে ৭ দি...
26/07/2025

চট্টগ্রামে ভ’য়া’বহ’ভাবে বাড়ছে চিকুনগুনিয়া, জ্বরে আক্রান্তদের ৯০% চিকুনগুনিয়া

চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণ :
সাধারণত ২ থেকে ৭ দিনের মধ্যে চিকুনগুনিয়া ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে এর লক্ষণ দেখা দেয়।
- এ রোগে অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর,
-অস্থিসন্ধিতে প্রচণ্ড ব্যথা (বিশেষত হাত, কবজি, গোড়ালি, কাঁধ ও হাঁটুতে),
-মাথাব্যথা,
-পেশিব্যথা,
-ক্লান্তি,
-ত্বকে ফুসকুড়ির মতো লক্ষণ দেখা যায়।
-অস্থিসন্ধিতে ব্যথা থাকে, যা কয়েক সপ্তাহ, মাস বা বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে মানুষ প্রায়ই ডেঙ্গু বা জিকা ভাইরাসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তবে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণে সাধারণত অস্থিসন্ধিতে প্রচণ্ড ব্যথা থাকে।

চিকুনগুনিয়ার চিকিৎসা :

চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ওষুধ সাধারণত লক্ষণগুলো উপশম করার জন্য ব্যবহার করা হয়। জ্বর কমানোর ওষুধ, ব্যথা উপশম করার ওষুধ, প্রচুর তরল পান করা এবং পরিমিত বিশ্রাম নিলে ৫ থেকে ১০ দিনে আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণত সুস্থ হয়ে যায়। তবে তীব্র রোগলক্ষণ ও গুরুতর কোনো সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে যা করবেন:

চিকুনগুনিয়া ভাইরাস প্রতিরোধের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো মশার কামড় এড়ানো। মশারি খাটিয়ে, লম্বা হাতার জামা ও লম্বা প্যান্ট পরে, প্রয়োজনে কাজের জায়গায় মশারি ব্যবহার করে, মশারোধী স্প্রে ও লোশন ব্যবহার করে আমরা মশার কামড় এড়াতে পারি। বাড়ির চারপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং যেখানে–সেখানে যেন মশা ডিম পাড়তে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখুন।

পরামর্শ দিয়েছেন : ডা. কাকলী হালদার, সহকারী অধ্যাপক, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ

23/07/2025

সঠিক চিকিৎসা মানে শুধু ওষুধ দেওয়া নয় — কখন থামাতে হবে, তাও জানা জরুরি

আপনার কি ওষুধের সংখ্যা বাড়ছে?

আপনি কি জানেন — সব ওষুধ সব সময় দরকার হয় না?

: স্মার্ট চিকিৎসার নতুন দিগন্ত

Deprescribing মানে হলো ধাপে ধাপে এমন ওষুধ বন্ধ করা, যা এখন আর আপনার শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নয় — বরং ক্ষতি করতে পারে। এটি কোনো অবহেলা নয়, বরং সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ।

নিজেকে প্রশ্ন করুন — আপনি কি #ঝুঁকিতে আছেন?

১. আপনি কি ৬ মাস বা তার বেশি সময় ধরে গ্যাসের ওষুধ (যেমন Omeprazole) খাচ্ছেন?

২. আপনি কি নিয়মিত ব্যথার ওষুধ (NSAIDs) নিচ্ছেন?

৩. আপনি কি ঘুমের বড়ি ছাড়া ঘুমাতে পারছেন না? (যেমন Diazepam, Clonazepam)

৪. আপনি কি প্রতিদিন ৫টির বেশি ওষুধ খাচ্ছেন?

৫. আপনার ওষুধের তালিকা কি গত ৬ মাসে কোনো চিকিৎসক পর্যালোচনা করেছেন?

যদি একাধিক প্রশ্নের উত্তর “হ্যাঁ” হয়, তাহলে আপনার ওষুধগুলো নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

#ওষুধ_কমানোর সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে

নিজের ইচ্ছেমতো ওষুধ বন্ধ করা যাবে না — চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক

কিছু ওষুধ ধাপে ধাপে কমাতে হয়, যেমন ঘুমের বড়ি বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যথার ওষুধ

বন্ধ করার পর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন

ওষুধ কমানো মানে চিকিৎসা কমানো নয় — বরং রোগীকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা

চিকিৎসকের #দায়িত্ব

রোগীর সম্পূর্ণ ওষুধ তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা

অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সনাক্ত করে ধাপে ধাপে কমানো

প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে রোগীকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া, যাতে রোগী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ওষুধ কমাতে পারেন

#ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
“তোমার শরীরের ওপর তোমার হক রয়েছে।” — সহিহ হাদিস

অপ্রয়োজনীয় ওষুধ শরীরের ওপর বাড়তি বোঝা সৃষ্টি করে — এটি থেকে মুক্ত থাকা প্রত্যেক মানুষেরই দায়িত্ব।

এখনই কিছু #পদক্ষেপ নিন

নিজের ও পরিবারের সদস্যদের ওষুধের তালিকা বের করুন

কোন ওষুধ দীর্ঘদিন ধরে খাওয়া হচ্ছে এবং তা এখনো প্রয়োজনীয় কিনা চিন্তা করুন

অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধের তালিকা পর্যালোচনা করুন

সঠিক সময়ে, সঠিক মাত্রায়, সঠিক কারণেই যেন ওষুধ খাওয়া হয় — তা নিশ্চিত করুন

স্মার্ট সিদ্ধান্তই সুস্থতার চাবিকাঠি

ওষুধ হোক যতটুকু দরকার, ততটুকুই যথাযথ।
চিকিৎসা হোক বুঝে-শুনে — সুস্থ থাকুক মানুষ।

ডাঃ কে এম আতাউল গনি ( #পারভেজ)
সিনিয়র মেডিকেল অফিসার
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

#রোগী_শিক্ষা

23/07/2025

"বিয়ে হয়নি, কিন্তু প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ?"
(আপনার একটি শেয়ারে হয়তো বেচে যাবে একটি জীবন)

অনেক সময় দেখা যায়, একজন অবিবাহিত মেয়ের হঠাৎ মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে। ডাক্তার দেখাতে গেলে প্রথমেই বলা হয় “প্রেগনেন্সি টেস্ট করে আসেন।”

পরিবারের কেউ হয়তো বলে বসে-
“এখনও তো মেয়ের বিয়ে হয়নি, প্রেগনেন্সি কীভাবে?”
ডাক্তার তখন স্পষ্ট জানিয়ে দেন -
“প্রেগনেন্সি টেস্ট ছাড়া দেখবো না।”

যাই হোক, টেস্ট হয়। রিপোর্ট পজিটিভ!!
পরিবার হতবাক। মেয়ে অজ্ঞান।

এবার শুরু হয় প্রশ্ন, কান্না, অস্বীকার-
রোগী বলছে, “আমি কিছু করিনি।”
পরিবার বলছে, “তাহলে পজিটিভ টেস্ট আসলো কীভাবে?”

কেউ কেউ বলে - “জীনের ব্যাপার!”
তবে ডাক্তার তখন আসল কাজ শুরু করেন - “চলুন, আলট্রাসনোগ্রাফি করা যাক।”

আলট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্টে দেখা যায় — পেটে কোনো বাচ্চা নেই।

তাহলে? প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ হলো কেন?

এই যে স্ট্রিপ দিয়ে টেস্ট করা হয়, ওটা আসলে “বাচ্চা শনাক্ত করার যন্ত্র” না।
এই টেস্টে চেক করা হয় শরীরে HCG (human chorionic gonadotropin) হরমোনের উপস্থিতি।

এই হরমোন গর্ভাবস্থায় শরীরে তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু একই হরমোন কিছু টিউমারের ক্ষেত্রেও নিঃসৃত হতে পারে, যেমন:

Choriocarcinoma
Germ cell tumor
Hydatidiform mole
Teratoma (with choriocarcinoma)
Seminoma
Islet cell tumor ইত্যাদি।

অর্থাৎ, হরমোন বাড়লেই আপনি গর্ভবতী বিষয়টি এমন নয়। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, এই ধরণের ভুল বোঝাবুঝি থেকে অনেক মেয়ে চরম মানসিক আঘাত পায়। অনেকে হতাশ হয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবে। কারও চরিত্র নিয়ে চলে অযথা বিচার সমালোচনা।

একটা রিপোর্ট আসার পর সবকিছু ভেঙে পড়ার আগে একটু ভাবুন, ডাক্তার দেখান, পুরো ঘটনা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি সচেতন থাকলে, হয়তো কোনো একদিন কাউকে একটা বড় বিপদ থেকে বাঁচাতে পারবেন।

- ডা: এম মাহিদুল ইসলাম জিহাদ

13/07/2025

#প্রাকৃতিক_চিকিৎসা: উপকার না ঝুঁকি?

গত সপ্তাহে এক রোগী বললেন,
“ডাক্তার সাহেব, করলা খাচ্ছি, তাই ওষুধ বন্ধ করলাম।”
তাঁর রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

“কালোজিরা সব রোগের ওষুধ।”
“করলা খেলেই ইনসুলিন বন্ধ করা যায়।”
এসব কি বৈজ্ঞানিক? নাকি ভুল বিশ্বাস?

প্রাকৃতিক উপাদান: #সহায়ক, বিকল্প নয়

কালোজিরা, করলা, নিমপাতা শরীরের জন্য উপকারি হতে পারে —

রক্তে শর্করা সামান্য কমায়

প্রদাহ কমায়

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

তবে এগুলো চিকিৎসার বিকল্প নয়।
সঠিক চিকিৎসা মানে ওষুধ, সুষম খাবার, ব্যায়াম ও মানসিক ভারসাম্য।

#ভুল ধারণা যা ক্ষতি ডেকে আনে

“করলা খাচ্ছি, তাই ওষুধ দরকার নেই।”

“কালোজিরা খেয়ে HbA1c কমেছে।”

“ইনসুলিন নেওয়া মানে ব্যর্থতা।”

“প্রাকৃতিক মানেই নিরাপদ।”

এসব ভুল বিশ্বাসে রোগ বাড়ে, জটিলতা বেড়ে যায়।

#করণীয়

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না।

প্রাকৃতিক উপাদান নিতে চাইলে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

সুষম খাবার, নিয়মিত ওষুধ, ব্যায়াম ও সচেতনতা জরুরি।

গুজব নয়, বৈজ্ঞানিক প্রমাণে বিশ্বাস করুন।

প্রাকৃতিক উপাদান সহায়ক, তবে চিকিৎসা বাদ দিলে রক্ষা পাওয়া কঠিন।
সচেতনতা জীবন রক্ষা করে। ভুল তথ্য জীবন নষ্ট করে।

---ডাঃ কে এম আতাউল গনি ( #পারভেজ)
সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, চবি মেডিকেল সেন্টার।

“বিজ্ঞানের পথে হাঁটুন, সুস্থ জীবন নিশ্চিত করুন।”

#প্রাকৃতিকচিকিৎসা #ডায়াবেটিস #সচেতনতা #চিকিৎসাসঠিকভাবে #স্বাস্থ্য

🇧জ্বর হলে শুরুতেই  এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না, Immunity কমে যায়,এতে সহজেই যেকোন রোগব্যাধি ভাল হবে না।🇧জ্বরের সাথে Bodyac...
13/07/2025

🇧জ্বর হলে শুরুতেই এন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না, Immunity কমে যায়,এতে সহজেই যেকোন রোগব্যাধি ভাল হবে না।

🇧জ্বরের সাথে Bodyache শরীর ব্যাথা হলে ব্যাথানাশক মেডিসিন খাওয়া যাবে না,
কারণ যদি viral fever বা ডেংগু জ্বর হয়ে রক্তের Platelet count কমে যায়,রক্ত পাতলা হয়ে যায়,
NSAIDs Bleeding Tendency আরো বাড়িয়ে দেয়,এতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্তপাত হয়ে রোগি মারা যেতে পারে।

🇧 পেপে পাতার জুস বা অন্যান্য পাতার জুস বা ফলের জুসে Dengue Fever রোগীর প্লেটেলেট কাউন্ট বাড়ে না।
Platelet কাউন্ট বাড়ার কোন সাইন্টিফিক রেফারেন্স নাই।

🇧জ্বরের জন্য Paracetamol বা Napa 500mg
৬ ঘণ্টা পর পর খাওয়া যায়,
সবোর্চ একদিনে ৩০০০ মি:গ্রাম পর্যন্ত খাওয়া যায়।
প্যারাসিটামল ডোজ মেইনটেইন করে P/Kg Body weight এর উপর।

🌺 জ্বর হলে পর্যাপ্ত পানি, তরল খাবার, ফলমূল খেতে হবে।পাশাপাশি বিশ্রামে থাকতে হবে।

🌺 জ্বর বা শরীরের তাপমাত্রা বিভিন্ন রোগের জন্য হয়ে থাকে।যেমন ডেংগু জ্বর, টাইফয়েড জ্বর,কালা জ্বর, চিকুনগুনিয়া,নিউমোনিয়া, রেস্পেরেটরী ইনফেকশন, প্রস্রাব ইনফেকশন,লিভারের প্রদাহ,টিবি,ক্যান্সার, আরো অন্যান্য রোগের জন্য জ্বর আসতে পারে।

Fever বা জ্বরের সঠিক রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যেজন্য নিকটস্থ রেজিস্ট্রার চিকিৎসক এর পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

কৃতজ্ঞতায়
®ডা.মো: গোলাম মোস্তফা (লিখন)

সম্প্রতি ভারতের মডেল ও অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার হঠাৎ মৃত্যুকে ঘিরে রং ফর্সাকারী/এন্টি এজিং ট্রিটমেন্ট প্রসিডিউরগুলো ন...
04/07/2025

সম্প্রতি ভারতের মডেল ও অভিনেত্রী শেফালি জারিওয়ালার হঠাৎ মৃত্যুকে ঘিরে রং ফর্সাকারী/এন্টি এজিং ট্রিটমেন্ট প্রসিডিউরগুলো নিরাপদ কি নিরাপদ নয় এই বিষয়টি আবার নতুন করে বেশ আলোচিত হচ্ছে।

বিশেষ করে, গ্লুটাথায়ন এবং ভিটামিন সি IV Injection

যদিও গায়ের রং ফর্সা করার জন্যে বা এন্টি এজিং এর উদ্দেশ্যে গ্লুটাথিওন+ভিটামিন সি এর ব্যবহার এস্থেটিক ইন্ডাস্ট্রি তে নতুন কিছু নয় বরং গত কয়েক বছর ধরেই রীতিমত ট্রেন্ডি।

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, শেফালি উপবাসরত (ফাস্টিং) অবস্থায় তাঁর রেগুলার স্কিন থেরাপি হিসেবে IV vitamin C বা গ্লুটাথায়োন জাতীয় ইনজেকশন নিয়েছিলেন। এরপর হঠাৎ ব্লাড প্রেসার কমে যায় এবং কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মৃত্যু ঘটে।

(এখনো ফরেনসিক রিপোর্ট নিশ্চিতভাবে জানায়নি ইনজেকশনটা এক্সাক্টলি কোনটি ছিল বা একমাত্র এটাই কারণ কিনা।)

এই মৃত্যু ঘটনার পর থেকে ইন্ডিভিজুয়ালি আমাকে অনেকে নক দিয়েছেন ফর্সা করার উপকরণ হিসেবে গ্লুটাথায়ন কত টা নিরাপদ সেটা নিয়ে জানতে।
বিশেষ করে যারা অলরেডি কোথাও না কোথাও চিকিৎসা করাচ্ছেন বা করাবার কথা চিন্তা করছেন।



ডার্মাটোলজিস্ট হিসেবে আমি আমার নিজের অবস্থানটা একটু পরেই লিখছি।

তার আগে প্রেক্ষাপট হিসেবে এখানে কতগুলো বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স আমি ছোট করে দিচ্ছি।

চলুন মিলিয়ে দেখি, কোথাও গ্লুটাথায়ন এর ব্যাপারে কনক্রিট কোন রেকমেন্ডেশন পাই কীনা-

WHO Advisory, 2011
➡️ Glutathione for skin lightening is “not recommended due to unknown safety profile”.

FDA Philippines, 2018
➡️ Warned against IV glutathione for cosmetic use; no approved indication.

J Dermatolog Treat, 2012
➡️ Oral glutathione gave only mild melanin reduction. IV not studied.

J Clin Aesthet Dermatol, 2017
➡️ No significant skin lightening after 8 weeks of oral glutathione.

Am J Clin Dermatol, 2019
➡️ “Evidence for IV glutathione is anecdotal and not supported by randomized trials.”

Clin Interv Aging, 2017
➡️ IV vitamin C in high doses may cause oxalate nephropathy (kidney damage).

বিশেষভাবে উল্লেখ্য, Glutathione+Vit C সংক্রান্ত বেশিরভাগ রিসার্চগুলোই খুবই ছোট পরিসরে, বিশেষত Animal Trial এবং সেক্ষেত্রেও ওরাল মেডিসিন এর ট্রায়াল।

তাই এটুক বলাই যায়, Long term safety & efficacy প্রমাণ করে এমন যথেষ্ট পরিমাণ রিসার্চ এই জায়গাটাতে এখনো হয়নি তার আগেই ট্রেন্ড এ এই জিনিস হাইপ তুলতে পেরেছে দুটো শব্দের কারনে -

তুমি ফর্সা হয়ে যাবা!
তোমাকে ইয়াং লাগবে!



✅ এবারে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে গ্লুটাথায়ন+ভিটামিন সি IV injection যারা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ভয়ংকর যেসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (Reported Side Effects) ডকুমেন্ট করা হয়েছে চলুন সেগুলোতে চোখ বুলাই -

•Stevens-Johnson Syndrome (ভয়াবহ স্কিন রিঅ্যাকশন, জীবনঘাতী হতে পারে)

•Acute kidney injury (High-dose Vit C)→ কিডনিতে অক্সালেট জমে

• G6PD-deficient রোগীদের ক্ষেত্রে Hemolysis

•Anaphylaxis (হঠাৎ জীবনসংকটময় অ্যালার্জি)
•Liver enzyme elevation
•Thyroid dysfunction
•Skin depigmentation patches (spotty, অসম ফর্সাভাব)



তাই এরকম আরো অজস্র পেপার ঘেঁটে আমি আজ পর্যন্ত ডার্মাটোলজিস্ট হিসেবে গ্লুটাথায়ন এবং ভিটামিন সি IV injection কখনো পেশেন্ট দের রিকমেন্ড করিনি।

উপরন্তু বাংলাদেশে যত্রতত্র যেসব ইঞ্জেকশন ব্যবহার হচ্ছে এগুলোর সোর্স কি,মান কি, সর্বোতভাবে নিরাপদ বলে এদেশে টেস্টেড কিনা - এই প্রশ্নগুলো ভ্যালিড।কিন্তু উত্তর অস্পষ্ট।

স্পেসিফিক রেগুলেশন গাইডলাইন ও এদেশে নেই।

তাই Benefits outweighs the Risk - ডাক্তারদের এই ফ্লেক্সিবিলিটিটা কে প্রাধান্য দিয়ে যে মানুষের উপর এক্সপেরিমেন্ট করব সেটার ইচ্ছে কখনো হয়নি।

ভবিষ্যতে রেকমেন্ড করব কীনা?
এন্টি এজিং হিসেবে যদি পরবর্তীতে লাইসেন্সড হয় তবে কেন নয়? অবশ্যই রেকমেন্ড করব।

তবে রং ফর্সা করতে কখনো রেকমেন্ড করব না বা আমার সেন্টারে করাব না। লাইসেন্সড হলেও না। (এই ব্যাখ্যাটা অন্য কোন দিনের জন্যে তোলা থাক)

Address

College Gate, Hathazari
Chittagong
4330

Opening Hours

Monday 07:30 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801844040810

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hathazari Digital Diagnostic Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hathazari Digital Diagnostic Center:

Shortcuts

Share