Dr. Robiul Hossen Chowdhury

Directions

Dr. Robiul Hossen Chowdhury নবজাতক,শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ;
এলার্জি-চর্মরোগ অভিজ্ঞ।
রক্তপাতহীন ও ব্যথামুক্ত ডিভাইস কসমেটিক খৎনা করা হয়।

28/08/2026
28/08/2026

নবজাতকের প্রথম গোসল :
এই ব্যপারটি নিয়ে পরিবারের মুরুব্বি থেকে শুরু করে সবার ভিন্ন ভিন্ন মতামত আছে। জন্মের পর শিশুর শরীরে মায়ের পেট থেকে যে আঠালো সাদা আবরণ নিয়ে আসে তা শিশুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে। তাই শিশুকে জন্মের পর পর কাপড় দিয়ে জড়িয়ে রাখতে হবে যেন ঠান্ডা হয়ে না যায়।
জন্মের পরপরই প্রথম গোসল কখন করাবেন, এটা নিয়ে বিতর্ক আছে, সামাজিক রীতি আছে, দেশে দেশে আলাদা নিয়ম চালু আছে। তবে নাভি সম্পুর্ন শুকিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত পানিতে ডুবিয়ে গোসল করানো উচিত না।জন্মের ২-৩ দিন পর উষ্ণ গরম পানি দিয়ে নরম কাপড় বা তুলা দিয়ে শিশুর সম্পুর্ন শরীর মুছে দেওয়া উচিত। শিশু যদি অপরিণত বা কম ওজন হয়, সে ক্ষেত্রে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করা যেতে পারে।
গোসলের জন্য নির্ধারিত ঘরে ফ্যান বন্ধ রাখাই ভালো আর সময়টা মধ্যদুপুর হওয়া শ্রেয় কারণ তখন পরিবেশ গরম থাকে।শিশুর গোসলের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান হাতের কাছে নিয়ে তারপর গোসল করানো শুরু করা উচিত, যেন গোসলের সময় কাল দীর্ঘ না হয়। একটি গামলা বা টাবের মধ্যে সহনীয় মাত্রার উষ্ণ পানিতে গোসল করানোই যথেষ্ট।শিশুর প্রথম গোসলে সুগন্ধযুক্ত সাবান, বডি ওয়াশ, তেল—কোনো কিছুরই প্রয়োজন নেই।
প্রথমে চোখ, মুখ, মাথা ধুয়ে নিয়ে মুছে ফেলা দরকার। তারপর ধীরে পুরো শরীর ও সবশেষে ডায়াপার পরে থাকা জায়গাটুকু পরিষ্কার করে নরম তোয়ালে দিয়ে পুরো শরীর মুছে দ্রুত কাপড় পরিয়ে দেওয়া উচিত।
শিশুর চুলে যেন পানি জমে না থাকে ও নাভির গোড়া যেন শুষ্ক থাকে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।
নাভি পড়ে যাওয়ার পর আবহাওয়া বুঝে শিশুকে দুই-তিন দিন পরপর নিয়মিত গোসল দেওয়া যেতে পারে,তবে প্রতিদিন সম্পুর্ন শরীর মুছে দেওয়া ভাল।
Faisal Ahmed Sir

28/08/2026

বাচ্চা বারবার কানে হাত দেয় কেন?বাচ্চা বারবার কানে হাত দেওয়ার কয়েকটি কারণ হতে পারে:কানে ময়লা জমা বা চুলকানি,কানের ইনফেকশন,সর্দি-কাশির পর কানে চাপ বা অস্বস্তি,দাঁত ওঠার সময় অস্বস্তি,গোসলের সময় কানে পানি ঢোকা ইত্যাদি

27/08/2026

বারবার সর্দি-কাশি, হাঁচি বা নাক বন্ধ থাকা অনেক সময় শ্বাসতন্ত্রের অ্যালার্জির কারণে হতে পারে। নির্দিষ্ট খাবার খাওয়ার পর বারবার কাশি,হাঁচি,চুলকানি,ফুসকুড়ি,শ্বাসকষ্টের সমস্যা হলে খাবারে অ্যালার্জির বিষয়টি বিবেচনা করবেন।এই সব বাচ্চাদের গরুর দুধ, হাঁসে ডিম, ইলিশ মাছ, চিংড়ি,বাদাম,ডাল,পুই শাক,ডাল,বেগুন ইত্যাদি পরিহার করা নিরাপদ

26/08/2026

স্কুল বা কলেজপড়ুয়া সন্তান আগে যে কাজগুলো খুব আনন্দ নিয়ে করত:বই পড়া,ক্রিকেট খেলা বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো।হঠাৎ সেসব কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেললে বিষয়টি খেয়াল করুন। এটি বিষণ্ণতার একটি লক্ষণ। অবহেলা করবেন না

25/08/2026

কালকে চেম্বার (হাটহাজারী+রাউজান) খোলা থাকবে ইনশাআল্লাহ।

সাদিকের বোনের বিয়ে বাড়ি থেকে এইমাত্র বাসায় ফিরলাম। কিন্তু মনে হচ্ছে, আমি যেন একটা মৃত্যুপুরী থেকে ফিরে এসেছি।বিয়েটা ছিল...
23/08/2026

সাদিকের বোনের বিয়ে বাড়ি থেকে এইমাত্র বাসায় ফিরলাম। কিন্তু মনে হচ্ছে, আমি যেন একটা মৃত্যুপুরী থেকে ফিরে এসেছি।

বিয়েটা ছিল আমার বন্ধুর বোনের।

সকাল থেকে সবকিছুই সুন্দরভাবে চলছিল। বাড়িভর্তি মানুষ, আত্মীয়-স্বজনের ব্যস্ততা—সব মিলিয়ে আর দশটা বিয়ের মতোই একটা উৎসবমুখর পরিবেশ।

আমার বন্ধুর পরিবার বংশীয় পরিবার। সামাজিকভাবে যতেষ্ট সম্মানিত মানুষ উনারা। শুধু আর্থিক সামর্থ্যটা খুব বেশি নয়।

পাত্রপক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, সর্বোচ্চ একশ জন মেহমান আসবেন। সেই হিসাব করেই কমিউনিটি সেন্টারে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল। নিজেদের আত্মীয়-স্বজন মিলিয়ে যতটা সম্ভব ভালোভাবেই আয়োজন করার চেষ্টা করেছিল মেয়ের পরিবার।

কিন্তু যোহরের পর যখন বরযাত্রী আসতে শুরু করল।

একবার খাবার গেল। আবার খাবার গেল। দুই দফায় পাত্রপক্ষের প্রায় একশ জনকে খাওয়ানো শেষ হওয়ার পরও দেখা গেল, আরও অন্তত একশ জনের মতো মানুষ খাবারের অপেক্ষায়।

মেয়ের পরিবারের লোকজন অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে পাত্র পক্ষকে বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করলেন। ভদ্রতার সাথেই বলা হলো, “আমাদের আয়োজনটা আপনাদের কথামতো একশ জনের হিসাবেই করা ছিল। আপনারা যদিও বেশি এসেছেন নো প্রব্লেম। একটু সময় দেন, আমরা বাইরে থেকে খাবার এনে হলেও সবাইকে খাওয়াব।”

মাত্র এক ঘণ্টা সময় চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সামান্য কথাতেই যেন পাত্রপক্ষের আগুনে ঘি পড়ল। পাত্রের বাবা-চাচারা ক্ষেপে গেলেন। শুরু হলো তর্ক, ঝগড়া, চিৎকার চেচামেচি।

কিছুক্ষণের মধ্যেই চারপাশের মানুষ জড়ো হয়ে গেল। এর মধ্যেই হঠাৎ খবর এলো—উপরের তলায় পাত্রপক্ষের কিছু মেহমান খাবার দিতে দেরি হওয়ায় কমিউনিটি সেন্টারে ভাঙচুর শুরু করেছেন।

স্টাফদের সঙ্গে হাতাহাতি। অকথ্য গালিগালাজ। বিয়ের অনুষ্ঠান মুহূর্তেই পরিণত হলো বিশৃঙ্খলায়। আমি স্পষ্ট দেখছিলাম, মেয়ের বাবা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পাত্রের বাবার হাত-পা পর্যন্ত ধরছিলেন।

একজন বাবা আরেকজন বাবার কাছে অনুনয় করছিলেন—“ভাই, আমার মেয়েটার জীবনটা নষ্ট করবেন না। এক ঘণ্টা সময় দেন। বাইরে থেকে খাবার এনে সবাইকে খাওয়াব।”

ভাবুন একবার।

যে বাবা কয়েক ঘণ্টা আগেও মেয়ের বিয়েতে হাসিমুখে অতিথি আপ্যায়ন করছিলেন, সেই বাবা নিজের মেয়ের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর জন্য মানুষের পা ধরে কাঁদছেন।

কিন্তু পাত্রপক্ষের মন গলল না। বরং একপর্যায়ে তারা ঘোষণা দিল—বিয়ে করবে না। জামাই নিয়ে বাড়ি চলে যাবে।

মেয়ের বাবা হার্টের রোগী। এসব কথা শুনে তার শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে গেল। আমরা দ্রুত তাকে বাসায় নিয়ে এলাম।

এদিকে অতি দেমাগি পাত্রপক্ষ সত্যিই বিয়ে শেষ না করেই চলে গেল।

একটা মেয়ে, যার হাতে হয়তো কিছুক্ষণ আগেও মেহেদির রং শুকাচ্ছিল—সে শুনল, তার বর তাকে বিয়ে না করেই চলে গেছে। খবরটা শোনার পর মেয়েটা কান্নায় ভেঙে পড়ল।

পুরো বাড়িটা যেন এক মুহূর্তে নিস্তব্ধ হয়ে গেল। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও ভয়ংকর একটা ঘটনা ঘটল। মেয়েটার দোতলার একটা রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল। কেউ বুঝে ওঠার আগেই সে আ*ত্মহ*ত্যার চেষ্টা করে। দরজা ভেঙে আমরা কোনোভাবে তাকে উদ্ধার করি।

আর এসবের খবর যখন তার বাবা শুনলেন—তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন।

আমরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম। ডাক্তারের কাছে কাছে নিয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও গুরুতর বলে মনে হলো। হাসপাতালে ভর্তি করা হলো সাদিকের আব্বুকে।

উনাকে ডাক্তার দেখানো শেষ করে, এইমাত্র হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলাম।

বাসায় এসে বন্ধুকে ফোন দিলাম। ওপাশ থেকে শুধু একটা কথাই শুনলাম—“ভাই, আপুকে কিছুতেই সামলাতে পারছি না।” কথাটা শুনে বুকটা কেমন জানি কেঁপে উঠল।

একটা বিয়ের জন্য একটা পরিবার কত স্বপ্ন দেখে! একটা ফ্যামিলি কতদিন ধরে তার মেয়ের বিয়ের প্লানিং করে। একজন বাবা, ভাই কত কষ্ট করে টাকা জমায়।

আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেই সব স্বপ্ন কীভাবে যেন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে গেল। শুধু খাবার দেরি হয়েছিল।তা-ও আবার পাত্র পক্ষের ভুলের কারণেই।

সেই সমস্যার সমাধান কি ছিল না? ছিল। একটু ধৈর্য বা মানবিক হলেই হতো।

আজ যার মেয়ের বিয়ে, কাল সেই মেয়ের জায়গায় আমার নিজের মেয়েও তো থাকতে পারে। একটা বিয়েতে খাবার কম পড়া লজ্জার হতে পারে।

কিন্তু খাবারের জন্য একটা মেয়ের পুরো ফ্যামিলিকে অপমানের মধ্যে ঠেলে দেওয়া—এটা কতটা কষ্টের বুঝানো যাবেনা।

এই অসভ্য, ইতরদের বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দিলাম। তিনি যেনো দুনিয়ায় তাদের কৃতকর্মের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেন।

মুহাম্মদ এনাম

আজকের ঘটনা শোনার পরেও যদি আপনার বাংলাদেশের ডাক্তারদের তিনবেলা কদমবুসি করতে মন না চায় তাইলে আপনি অকৃতজ্ঞ এবং অসভ্য শ্রেণি...
22/08/2026

আজকের ঘটনা শোনার পরেও যদি আপনার বাংলাদেশের ডাক্তারদের তিনবেলা কদমবুসি করতে মন না চায় তাইলে আপনি অকৃতজ্ঞ এবং অসভ্য শ্রেণির।
ঘটনা শুরু করার আগে আমার দেশের ডাক্তারদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা,ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা রইলো।

তো ঘটনা হইলো আমার আজকে ৭ দিন ধরে জ্বর।
প্রথম তিনদিন নরমাল জ্বর ভেবে খালি প্যারাসিটামল খাইলাম। জ্বর কমার নাম নাই। যেমন জ্বর তেমন মাথাব্যথা তেমন পুরা শরীর ব্যথা। আস্তে আস্তে অকেজোর মতো হইতে থাকলাম। মানে একা একা আমি আর বিছানা থেকে উঠতে পারি না। প্রতি ৪ ঘন্টা অন্তর অন্তর জ্বর উঠতে লাগলো ১০৩। ৬ ঘন্টার আগেই আবার ঔষধ খাওয়ার উপক্রম।
পরে ৪ দিনের দিন জিপি র কাছে গেলাম ( এখানে মেডিসিন স্পেশালিষ্ট দেখানোর আগে জিপিকে আগে দেখাইতে হয়)। জিপি রেফার করলে পরে স্পেশালিষ্ট দেখানো যায়।
তো জিপি কিছু ব্লাডটেস্ট আর ইউরিন টেস্ট করলো।
আর বললো প্যারাসিটামল চলবে ১০০০মি.গ্রা করে ৪ বার। আর সাথে নিউরোফেন ব্যথার জন্য। তাতেও আমার জ্বর কমতেসেনা। সেইম ভাবেই জ্বর আসতেসে।
তো রিপোর্ট আসবে আরও ৩ দিন পর আর জিপিকে দেখানো যাবে ৪ দিনের দিন। মানে এইকয়দিন এভাবেই যাবে।
এদিকে জ্বরে আমার শরীরে আর কোনো শক্তি অবশিষ্ট নাই। আমি প্যারালাইজড রোগির মতো শুয়েই থাকলাম আর কাতরাইলাম।
এরমধ্যে আমার গ্লান্ড গুলাও ফুলে গেলো।
মাথায় ঠান্ডা পানি দিতে দিতে। ফুলে এমন ব্যথা সেই ব্যথা ঘাড় অব্দি চলে গেলো।
তো গতকালকে অনিন্দ্য বারবার কল দিয়ে জানসে যে বাই এনি চান্স রিপোর্ট আগে আসছে কিনা।
লাকিলি রিপোর্ট পাওয়া গেলো। রিপোর্ট নিয়ে জিপির কাছে গেলো অনিন্দ্য , জিপি আমাকে ইমার্জেন্সিতে রেফার করে দিসে কারণ রোগ আইডেন্টিফাই করতে পারতেসেনা।

রাত ৮:৩০ টায় ইমার্জেন্সিতে গেলাম কোকাইতে কোকাইতে ভাবলাম যাক এবার সুস্থ হবো। ৮:৩০ টায় এডমিট হইলাম ৬২ হাজার টাকা দিয়ে।
ভাবলাম থাক টাকা গেলেও মেডিসিন স্পেশালিষ্ট এবার দেখাইতে পারবো। ১০ টার মধ্যে ব্লাডটেস্ট করলো একটা আর দুইবার প্রেশার মাপলো। প্রেশার তখন ৮৫/৬৬। জানাইলো ৬-৮ ঘন্টা ওয়েটিং রুমে বসতে হবে।
ডাক্তার ৮ ঘন্টা পরে আসবে তাও শিওর না।
আমার তো শুনে কান্না আইসা পরসে যে এতো সময় আমি এই জ্বর নিয়ে কিভাবে বসে থাকবো।
একটু পরেই আমার কাপুনি দিয়ে জ্বর। আকাশ পাতাল এক করে আমি কোকাচ্ছি। এরপর আমাকে প্যারাসিটামল আর নিউরোফেন দিলো। খাওয়ার ১ ঘন্টা পর একটু স্টেবল হইসি।
এরপর অপেক্ষার পালা শুরু। অপেক্ষা করতে করতে ভোর ৪ টা। আমার ডাক আর আসে না। আমার আর ধৈর্য্যেও কুলায় না। বসে থাকতে থাকতে পায়ে যন্ত্রণা শুরু হইসে।

এক পর্যায়ে আমি দেয়ালে পা উঠায় দিয়ে চেয়ারে শুয়ে পড়সি। হাজার বার বলসি আমি বসে থাকতে পারতেসিনা। তাদের কিছুই করার নাই কারণ ইমার্জেন্সি রোগীর জন্য কোনো বেড নাই। যত সিরিয়াস রোগীই হও না কেনো তোমাকে বসেই থাকা লাগবে।
তো সকাল ৭ টায় আমার ডাক আসলো। এরপর ইনভেস্টিগেশন শুরু করসে এক এসিস্ট্যান্ট। করার পর বলতেসে আরো কিছু টেস্ট লাগবে। ১ ঘন্টা পরে কোভিড টেস্ট করলো। এর মধ্যে আবার আমার জ্বর উঠছে। সেইম ঔষধ। সকাল ৮:৩০ টায় আমাকে স্যালাইন দিসে কারণ ৬ বার প্রেশার মাপার পরে মনে হইসে আমার স্যালাইন লাগবে। মানে ১২ ঘন্টা পর আমি ট্রিটমেন্টের মধ্যে এক ব্যাগ স্যালাইন পাইসি। এরপর মনে পড়সে আরেহ এক্সরে তো দিলাম না রোগীরে তাই লাস্টে আবার একটা এক্সরে করাইসে।
তারপরেও আমি যদি স্পেশালিষ্ট অব্দি যাইতে পারতাম আমার মন রে বুঝ দিতে পারতাম। সেই এসিস্ট্যান্ট অব্দিই। আর আমার ব্লাডে কোনো সমস্যা নাই। আমাকে প্যারাসিটামলই খেয়ে যাইতে হবে। আমার আর কোনো চিকিৎসা নাই।
লাস্টে জাস্ট একটা ডিসচার্জ লেটার ধরায় দিসে। কোনো প্রেশক্রিপশনও না। বাসায় আসলাম সকাল ১০:৩০ টায়। আসতে না আসতেই জ্বর আবার। প্যারাসিটামল খেয়ে যাচ্ছি। এটাই হচ্ছে একটা উন্নত দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা। অস্ট্রেলিয়া চু*। অস্ট্রেলিয়ার স্বাস্থ্যব্যবস্থা চু*।

Aparjita Mondal
St George Hospital
Sydney
Australia

22/08/2026

চট্টগ্রামের সিনেপ্লেক্সের ক্লিনার হিসেবে কাজ করতো জিতু পাল নামের এক যুবক।

সে নারীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণ করতো।

সে এটি বেশ লম্বা সময় ধরে করে আসছে, সিনেপ্লেক্সে সে ৭-৮ মাস ধরে চাকরি করছে।

অবশেষে আগস্টের ২১ তারিখে সে একজন নারীর গোপনে ভিডিও ধারণ করার সময় হাতে নাতে ধরা পরে যায়।

তারপর তার ফোন চেক করে সেখানে সেই নারীর ভিডিও পাওয়া যায় এবং সেখানে আরো অনেক নারীর ভিডিও ও ছিলো যেইগুলা সে আগে রেকর্ড করে ছিলো।

পরবর্তী তাকে সেইখানকার জনগণ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

নারীদের বলছি আপনারা দয়া করে শোরুম, কিংবা এমন শপিং মল সহ হোটেল রেস্টুরেন্টে চলাফেরা করার সময় নিজের চোখ কান একটু খোলা রেখে চলাফেরা করবেন।

এইরকম শুয়োর ছানা গুলো এখন সংখ্যয় অনেক এরা সুযোগ পেলেই এমন অপকর্মে লিপ্ত হয়ে যায়।

তাই নিজেরা সচেতন থাকবেন আর সাধারণ নেটিজেনদের বলবো আপনারাও একটু নিজের পরিবারের নারী সদস্যদের দেখে শুনে রাখবেন।

20/08/2026

বাচ্চার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে পর্যাপ্ত পানি পান করান,আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান যেমন: পেঁপে, নাশপাতি, আপেল (খোসাসহ), শাকসবজি নিয়মিত খাওয়ান।নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় রাখুন,টয়লেটের অভ্যাস গড়ে তুলুন,অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড ও প্রসেসড খাবার কমান,চি/পস, ফা*স্ট ফুড, চ*কলেট ও কো*মল পানীয় বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়তে পারে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Robiul Hossen Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category