Ruqyah Service Bd

Call Directions

Ruqyah Service Bd Quran & Sunnah-based Ruqyah and holistic treatment for your spiritual, mental, and physical well-being.

Our Services:

✅ Shariah-compliant Ruqyah
✅ Mental & Spiritual Counseling
✅ Holistic & Natural Lifestyle Guide

Trust in Allah and revive the Sunnah.

25/09/2026

হতে পারে আপনার পরিবারের সদস্যদের ঘন ঘন অসুস্থতার পেছনে জিন, জাদু ও বদনজরের প্রভাব চলছে। অন্তত সেলফ রুকইয়াহটা করেন।
আর মানুষ যেমন টেকনোলজিতে উন্নতি সাধন করতেছে জিনরাও কিভাবে শরীরে রোগ তৈরী করা যায়, ঘাপটি মেরে থাকা যায় সেসব বিষয়েও উন্নতিলাভ করেছে।
ফলে আপনি রোগ ধরা পরলে জিন জাদু বদনজরের প্রভাব না তা সেই ভুল চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। এমন অনেক রোগী আছে যার রোগ টেস্টে ধরা পরেছে কিন্তু সেই রোগটা সারতেছে না জিন বা জাদুর প্রভাবে।
এসব গাইবের বিষয়, অস্বীকার করাটা সহজ আবার সঠিক স্টেপ না নিয়ে নিজের ক্ষতি করাও সহজ।
আপনাকে কেউ জিজ্ঞাসাবাদও করবে না যে কেন রুকইয়াহ করলেন না। কিন্তু মেডিকেলে কেন গেলে না একথা জিজ্ঞাসা করা মানুষের অভাব হবে না।
আসলে আমরা এখন ইমানদার কিন্তু আল্লাহর সাথে কানেকশন ছাড়া অসহায় ও এতিম ইমানদার।

রাকি কেমন হবে??? পর্ব ১ সাহাবীদের যুগে রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁক সবার মধ্যে প্রচলিত থাকলেও, জটিল জাদু বা জিন বা বদনজর বা শারীরি...
22/09/2026

রাকি কেমন হবে??? পর্ব ১

সাহাবীদের যুগে রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁক সবার মধ্যে প্রচলিত থাকলেও, জটিল জাদু বা জিন বা বদনজর বা শারীরিক অসুস্থতায় বিশেষ কিছু সাহাবীর রুকইয়াহর গভীর জ্ঞান ছিল—যেমন আবু সাঈদ আল-খুদরী রদিয়াল্লাহু আনহু-এর সাপের কামড়ে রুকইয়াহ করার বিখ্যাত ঘটনা। এছাড়া আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদিয়াল্লাহু আনহুও রুকইয়াহ নিয়ে গভীর জ্ঞান রাখতেন।
শারইয়াহর আলোকে একজন রাকির মধ্যে কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য থাকা আবশ্যক এবং এগুলো অর্জনের পথও সুনির্দিষ্ট।

একজন রাকির জরুরি বৈশিষ্ট্যসমূহ

• সহীহ আকীদা ও সুদৃঢ় তাওয়াক্কুল: রাকিকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে শিফা দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। রুকইয়াহ কেবল একটি শরয়ী মাধ্যম বা উসিলা মাত্র।

• খাঁটি ইখলাস (একনিষ্ঠতা): উদ্দেশ্য হতে হবে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং পীড়িত মানুষকে সাহায্য করা। খ্যাতি, আধিপত্য বা লোকদেখানো মানসিকতা থাকলে রুকইয়াহর রুহানি তাছির (প্রভাব) নষ্ট হয়ে যায়। তাঁর থেকে মানুষ উপকৃত হলেও সে ক্ষতির মুখে পরবে একটা সময় দুনিয়া ও আখিরাতে অথবা আখিরাতে।

• শরয়ী ইলম ও বিদআত থেকে সতর্কতা: কুরআন, হাদিসের মাসনুন দোয়া এবং স্পষ্ট অর্থবোধক আরবি বাক্যের বাইরে কোনো অস্পষ্ট শব্দ, তাবীজ বা জাদুটোনার আশ্রয় নেওয়া যাবে না। শিরক ও বিদআত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক।

• তাকওয়া ও গুনাহমুক্ত জীবন: প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য কবিরাহ গুনাহ (বিশেষ করে হারাম দৃষ্টি, মিথ্যা ও গীবত) থেকে বেঁচে থাকা। গুনাহ মানুষের রুহানি শক্তি ও দোআর রুহানী কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

• হালাল রিজিক: রাকির উপার্জনের উৎস শতভাগ হালাল হতে হবে। হারাম লোকমা পেটে থাকলে দোয়া কবুলিয়াতের যোগ্যতা হারিয়ে যায়।

• মানসিক ও আত্মিক দৃঢ়তা: জিন বা শয়তানের চক্রান্তে ভীত না হয়ে সাহসিকতা বজায় রাখা। নিজের ঈমানী শক্তি সাথে নিয়ে শুধুমাত্র আল্লাহর ওপর ভরসা করা।

• আমানতদারিতা ও শারইয়াতের সীমানা রক্ষা: রোগীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং নারী রোগীদের ক্ষেত্রে রুকইয়াহ করার সময় মাহরামের উপস্থিতি ও পর্দার বিধান কঠোরভাবে মেনে চলা।

11/09/2026

রুকইয়াহর সময় ঘুম আসা

আজকের রুকইয়াহ সেশনটা ছিলো ইমোশন নিয়ন্ত্রণ ও ঈমানকে পুনরায় জাগ্রত করার মতো।৩ বছর ৩ মাসের ছেলে শিশু সন্তান। এই বয়সী শিশুদে...
08/09/2026

আজকের রুকইয়াহ সেশনটা ছিলো ইমোশন নিয়ন্ত্রণ ও ঈমানকে পুনরায় জাগ্রত করার মতো।
৩ বছর ৩ মাসের ছেলে শিশু সন্তান। এই বয়সী শিশুদের রুকইয়াহ করতে গেলে কেন জানি আমার আহমাদের চেহারা ভেসে উঠে জানিনা। তারমধ্যে বাচ্চাটা জিনের প্রভাবে অনবরত কষ্টে আকাশ বাতাস এক করে চিৎকার করে কান্না করেই যাচ্ছে।
অবস্থা বুঝলাম ভালো না, সন্তানের মাও নিকাবের ভেতর কান্না করছেন শিশু সন্তানের কষ্ট দেখে। পরে তাঁকে মন শক্ত করে বললাম আপনি বাইরে যান।
এরপর কান্নার সাথে শুরু হলো ধস্তাধস্তি। বাচ্চাটা তার বাবাকে কামড় দিয়ে একদম চামড়াই ছিড়ে ফেললো। আর আমার দাঁড়িও ছিড়লো এরপর ধস্তাধস্তিতে কখন যে হাতার বোতাম ছিড়ে কোথায় পরে গেছে খেয়াল নেই।
কিন্তু পরে কান্না এতো করুন ছিলো যে একদিকে তিলাওয়াত আর একদিকে পূর্ণ ইয়াকিন নিয়ে আল্লাহকে বললাম আল্লাহ এর জন্য সহজ করে দাও। সে তো শিশু....
হঠাৎ করে মনে পরলো রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উম্মাহর কষ্টের কথা মনে করে কেন কাঁদতেন!!! আহ! কি নেতা আমাদের। এমন নেতা পাওয়াই আমাদের সর্ব্বোচ্চ সৌভাগ্যের বিষয় দুনিয়ার জীবনে এবং আখিরাতেও।
এরকম কিছুক্ষন পড়তেই শিশুটা শান্ত হয়ে গেল। যে এতক্ষণ আমাকে ধরতে দিচ্ছিলো না সে আমাকে শরীরের কোথায় কোথায় খারাপ লাগতেছে তা দেখিয়ে দিচ্ছে।
মূহুর্তের মধ্যে তাঁর সাথে মধুর সম্পর্ক হয়ে গেল।
রুকইয়াহ শেষে নাস্তার সময় সে আমাকে পানি ঢেলে খাওয়ালো।
সকল প্রশংসা সেই রবের যিনি তাঁর শিশু গোলামকে সাহায্য করলেন

খুবই গুরুত্বপুর্ন যা থেকে ক্লিয়ার ধারণা পাবেন ইনশা আল্লাহ। #যাদু  #ঈমান
04/09/2026

খুবই গুরুত্বপুর্ন যা থেকে ক্লিয়ার ধারণা পাবেন ইনশা আল্লাহ।

#যাদু
#ঈমান

ঈমানের মৌলিক নীতিমালা । পর্ব ১২━━━━━━━━━━━━━━━📱 টেলিগ্রাম চ্যানেল...

29/08/2026

আল্লাহ কবুল করুন ও বদনজর এবং হিংসার প্রভাব থেকে হিফাজত করুন আমীন

বদনজর ও হিংসা থেকে বেঁচে থাকার কার্যকরী উপায়আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বদনজর এবং হিংসা (হাসাদ) একটি বাস্তব সত্য। এ থেকে নির...
27/08/2026

বদনজর ও হিংসা থেকে বেঁচে থাকার কার্যকরী উপায়

আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে বদনজর এবং হিংসা (হাসাদ) একটি বাস্তব সত্য। এ থেকে নিরাপদ থাকতে এবং সুরক্ষিত জীবনযাপন করতে ইসলাম আমাদের কিছু সুনির্দিষ্ট পথনির্দেশনা দিয়েছে। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

👇 বদনজর ও হিংসা থেকে বাঁচার ৬টি উপায়:

১) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা: আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন—

"নিশ্চয়ই নেক কাজের কারণে চেহারায় নূর (উজ্জ্বলতা), অন্তরে আলো, রিজিকে প্রশস্ততা, শরীরে শক্তি এবং মানুষের অন্তরে ভালোবাসা তৈরি হয়। আর গুনাহের কারণে চেহারায় কালিমার ছাপ, অন্তরে অন্ধকার, শরীরে দুর্বলতা, রিজিকে সংকীর্ণতা এবং মানুষের অন্তরে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।"

২) হারাম থেকে দূরে থাকা: হারাম উপার্জন বা খাবার খেয়ে জীবন গঠন করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:

"ঐ শরীর জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যা হারাম মাল দ্বারা গঠিত (লালিত-পালিত) হয়েছে। জাহান্নামের আগুনই তার জন্য উত্তম।" (তিরমিযী)

৩) জিহ্বা ও নজরের হেফাজত করা:

🔸 দৃষ্টির হেফাজত: আল্লাহ তাআলা বলেন— "মুমিনদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে..." (সূরা আন-নূর: ৩০)।

🔹হাদিসে কুদসীতে এসেছে— "দৃষ্টি হলো ইবলিসের তীরসমূহের মধ্য থেকে একটি বিষাক্ত তীর..." (তাবারানী)।

🔸 জিহ্বার হেফাজত: গীবত ও চোগলখোরি থেকে দূরে থাকা জরুরি। মিরাজের রাতে রাসূল (সা.) গীবতকারীদের ভয়াবহ শাস্তি নিজ চোখে দেখেছেন (আবু দাউদ)।

৪) সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগের আমলগুলো নিয়মিত করা: সকাল-সন্ধ্যা আল্লাহর জিকির এবং সুরক্ষামূলক দোয়াগুলো (যেমন: আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস) নিয়মিত পাঠ করতে হবে। রাসূল (সা.) বলেছেন, সকালে ও সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করলে কোনো আকস্মিক বিপদ বা ক্ষতি তাকে স্পর্শ করতে পারে না (আবু দাউদ)।

৫) গোপনীয়তা বজায় রাখা: নিজের এবং পরিবারের ভালো কিছু সবসময় সবার সামনে প্রকাশ না করে কিছুটা গোপনীয়তা বজায় রাখা উচিত। হযরত মুআয ইবন জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:

"তোমরা নিজেদের প্রয়োজন পূরণের ক্ষেত্রে গোপনীয়তার আশ্রয় নিয়ে সাহায্য নাও। কেননা, প্রতিটি নেয়ামতপ্রাপ্ত ব্যক্তির সঙ্গেই হিংসুক রয়েছে।" (সহিহ আল-জামে)।

আর উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখার ব্যাপারে হযরত আলী (রা.)-এর একটি বিখ্যাত বাণী রয়েছে:

"তোমার পরিকল্পনা ও উদ্দেশ্য সফল না হওয়া পর্যন্ত তা কারও কাছে প্রকাশ করো না।”

৬) নিজ ও পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষা: সোশ্যাল মিডিয়ায় কিংবা মানুষের সামনে নিজের, পরিবার ও সন্তানের বিষয়ে অতিরিক্ত আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা উচিত। বিশেষ করে নিজের ব্যবসা, চাকরি, অর্থনৈতিক অবস্থা কিংবা ভালো থাকার বিষয়গুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ।

তবে একান্ত বাধ্যবাধকতার পরিস্থিতি তৈরি হলে কেবল ততটুকুই প্রকাশ করা উচিত, যতটুকু জানানো জরুরি। অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত প্রকাশ সবসময় বর্জন করা উচিত।

⚠️ বদনজর বা হাসাদে আক্রান্ত হলে যা করবেন:

📌 ১) ওযুর পানি ব্যবহার: যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় কার বদনজর লেগেছে, তবে তার ওযুর পানি নিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ঢেলে দেওয়া (সাহল ইবনে হুনাঈফ (রা.)-এর হাদিস অনুযায়ী)।

📌 ২) খাঁটি তাওবা করা: দ্রুত আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া। আল্লাহ বলেন— "নিশ্চয়ই আল্লাহ সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।" (সূরা আজ-যুমার: ৫৩)

📌 ৩) রুকইয়াহ বা ঝাড়ফুঁক করা: আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, এবং ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁ দেওয়া।
রাসূল (সা.)-এর শেখানো এই দোয়াটি বেশি বেশি পড়া:
أُعِيذُكَ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ، مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ
অর্থ: "আল্লাহর পরিপূর্ণ কালিমাসমূহের উসিলায় আমি আশ্রয় চাচ্ছি প্রতিটি শয়তান, বিষাক্ত কিট-পতঙ্গ এবং কুদৃষ্টিসম্পন্ন চোখ থেকে।"

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সব ধরনের বদনজর, হিংসা এবং ক্ষতিকর বিষয় থেকে হেফাজত করুন। আমীন। 🤲

#বদনজর
#হাসাদ
#হিংসা
#রুকইয়াহ_সার্ভিস_বিডি

30/07/2026

রোগ ধরা না পরলে রুকইয়াহ করতে আসা যেমন ঠিক তেমনি রোগ ধরা পরলেও রুকইয়াহ করা আরো বেশি ঠিক। আর জিন-জাদু ও বদনজরের প্রভাবে সৃষ্ট রোগও টেস্টে ধরা পরে। তাই মেডিকেল চিকিৎসার পাশাপাশি অন্তত সেলফ রুকইয়াহ করুন।

রুকইয়াহ এপয়েনমেন্টের সময়ই আপনি রাকির সাথে ফিস নিয়ে আলোচনা করে নিবেন। এটা লেনদেনের সুন্নাহ। আর রাকির ফিস এতো কেন সেটা বলা...
12/07/2026

রুকইয়াহ এপয়েনমেন্টের সময়ই আপনি রাকির সাথে ফিস নিয়ে আলোচনা করে নিবেন। এটা লেনদেনের সুন্নাহ।
আর রাকির ফিস এতো কেন সেটা বলার আগে পাশ্চাত্য সার্টিফাইড সাইকোলজিস্টের ৩০ মিনিটের কাউন্সেলিং সেশনের ফিস ২ আড়াই হাজার সেই প্রশ্নটাও তুলুন। আর নিজের নীচু মানসিকতাকেও প্রশ্ন করুন রবের কালাম দিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সময় এতো স্বস্তা কেন খোঁজেন?
রাকির ফিস হবে সম্মানজনক, স্বস্তাও না আবার এমন বেশি না যে মধ্যবিত্ত/নিম্নবিত্ত কেউ করতে পারবে না। রাকির একটি রুকইয়াহ সেশন কমপক্ষে ১ ঘন্টা লাগেই। তাই এটা ২ হাজার হলেই ঠিক আছে সাধারনভাবে যদি সেন্টারে হয়।
রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুকইয়াহর পর সাহাবায়ে কেরাম অতিরিক্ত হাদিয়া দিলে তা রিজেক্ট করেছেন। আর আমাদের এমন অনেক সামর্থ্যবান দ্বীনদার বুঝওয়ালা ভাই ফিস দেয় যেটা রাকির নরমাল ফিসের থেকেও কম।
দ্বীনিরাই রাকিদের কদ্বর করে না, আর এজন্যই তাঁরা সঠিক রাকি চেনারও তাওফিক পায় না। চটকদার কথা ও লকবের অনুসারী আমরা।
এমন অনেক ভাই যারা এই পোস্ট পড়বে তাঁরাও জনৈক রাকির থেকে ৪/৫ হাজার ফিস দিয়ে রুকইয়াহ করায় কিন্তু আমার থেকে যখন সেশন নেয় তখন রাজ্যের যত অজুহাত অথবা দ্বীনি ভাই বলে আবেগে ভাসানো। এরপর যা ফীস বলি সেটা থেকেও কম দেয়।

আল্লাহ আমাদের হিদায়াত দান করুন আমীন

মানুষের জীবনে গুনাহের সূচনা মূলত এই দুটি মূল্যবান নিয়ামতের অপব্যবহার থেকেই হয়।১. সময়ের অপচয় সময় হচ্ছে মানুষের জীবনের আসল...
04/07/2026

মানুষের জীবনে গুনাহের সূচনা মূলত এই দুটি মূল্যবান নিয়ামতের অপব্যবহার থেকেই হয়।
১. সময়ের অপচয়
সময় হচ্ছে মানুষের জীবনের আসল পুঁজি। যখন মানুষ অলস বা নিষ্ক্রিয় থাকে, তখনই শয়তান বা নেতিবাচক চিন্তা মাথায় ভর করার সুযোগ পায়।
• পাপের সুযোগ তৈরি: একটি প্রবাদ আছে, "অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা।" মানুষ যখন সময়কে কোনো ভালো বা উৎপাদনশীল কাজে লাগায় না, তখন খুব সহজেই সে গীবত (পরনিন্দা), অনর্থক বিতর্ক বা ক্ষতিকর অভ্যাসে জড়িয়ে পড়ে।
• দায়বদ্ধতা: ইসলামে সময়ের প্রতি চরম গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হাশরের ময়দানে যে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে, তার মধ্যে অন্যতম হলো—মানুষ তার জীবন এবং যৌবন কোন কাজে ব্যয় করেছে।
২. অন্তরের অপচয়
ইসলামী পরিভাষায় অন্তর বা 'কালব' হলো সব কর্মের চালিকাশক্তি। অন্তরের অপচয় বলতে বোঝায় অন্তরকে আল্লাহর স্মরণ, নৈতিকতা, সঠিক জ্ঞান এবং পবিত্রতা থেকে দূরে রেখে হিংসা, অহংকার, দুনিয়ার লোভ ও অনৈতিক চিন্তায় লিপ্ত রাখা।
• নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, শরীরের মধ্যে একটি মাংসপিণ্ড আছে, যা সুস্থ থাকলে পুরো শরীর সুস্থ থাকে, আর তা অসুস্থ হলে পুরো শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ে; সেটিই হলো অন্তর।
• গুনাহের মূল কারণ: যখন অন্তর তার সঠিক উদ্দেশ্য (আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নতি) হারিয়ে ফেলে, তখন মানুষের বিবেক লোপ পায়। ফলে মানুষ খুব সহজেই যেকোনো বড় গুনাহে লিপ্ত হতে দ্বিধাবোধ করে না।

সময় অপচয় হলে মানুষের বাহ্যিক জীবন ও কর্মক্ষমতা ধ্বংস হয়, আর অন্তর অপচয় হলে মানুষের ভেতরের নৈতিকতা ও ঈমান ধ্বংস হয়। এই দুটি জিনিসের হেফাজত করতে পারলে মানুষ স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের গুনাহ ও অন্যায় থেকে দূরে থাকতে পারে।

Address

Chittagong

Telephone

+8801912375299

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqyah Service Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share