Hijama Center Chittagong

Hijama Center Chittagong একে খান মোড়, কুটুম বাড়ী রেস্তোরাঁর ঠিক পিছনের বিল্ডিং,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম। 01815375435। 01617777005

হিজামা কি?
-----*-----
হিজামা হল এমন একটি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যামান রয়েছে। যাকে বাংলায় শিঙ্গা এবং ইংরেজিতে Cupping Therapy বলা হয়।
কেন হিজামা করাবেন?
---------*----------
আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান। তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার রোগের জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে ইনশাআল্লাহ মুক্ত

ি পাবেন এবং রাসূল সাঃ এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হলো।
★হিজামার উপকারিতা:★
* হিজামা টিস্যু থেকে বিষ মুক্ত করতে সহায়তা করে।
* লিম্ফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় করে।
* বড় রক্তনালী পরিষ্কার করে এবং রক্ত সঞ্চালন সক্রিয় করে।
* লিম্ফ্যাটিক গ্রন্থি ও রক্ত নালী পরিষ্কার করে বিশেষ করে পায়ের পাতার, যাহা পরবর্তীতে সারা দেহে ছড়িয়ে পরে, ইহা দেহে থেকে যাওয়া ঔষধের পরিমাণও দেহ থেকে বের করে দেয়।
* দেহের অভ্যন্তর (রিফ্লেক্স জোন) এর প্রতিক্রিয়ার অবস্থা সক্রিয় ও উদ্দীপ্ত করে, ফলে আক্রান্ত অঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মস্তিস্কের মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
* দেহের ভিতরে শক্তি চলাচলের পথ পরিষ্কার করে জীবনী শক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে-৫০০০ বছর আগে চীন ও জাপানীরা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে।
* চিকিৎসার পরে মানবদেহের ত্বক ও পেশীতে অবশিষ্ট ঔষধ ও বিষ দেহ থেকে শুষে নিতে কাপিং থেরাপি উপকারী। এর ফলে রক্ত থেকে ইউরিক এসিড ও জয়েন্ট থেকে ক্রিস্টাল বের করে দেয়া সহজ হয় ফলে গাউট রোগ ভাল হয়।
* দেহের কোন স্থানে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করতে বা কোন অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন কম হলে তা দূর করতে কাপিং করার দরকার হয়।
দেহের সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ইম্যুনিটি গ্লান্ডস, বিশেষ করে থাইমাস গ্লান্ড যাহা পিঠে ৪র্থ ভার্টিব্রা বরাবর কাপিং করা হয়।
হিজামা সংক্রান্ত হাদীসঃ
---------*----------
(১) হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জিবরীল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।” আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর: ৭৪৭০
(2) হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৭
হিজামা (শিঙ্গা) এর মাধ্যমে যে সব রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকেঃ
-----------------*-------------------
১। মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথাব্যথা
২। রক্তদূষণ
৩। উচ্চরক্তচাপ
৪। ঘুমের ব্যাঘাত
৫। স্মৃতিভ্রষ্টতা
৬। অস্থি সন্ধির ব্যাথা/ গেটে বাত
৭। ব্যাক পেইন
৮। হাঁটু ব্যাথা
৯। দীর্ঘমেয়াদী সাধারন মাথা ব্যাথা
১০। ঘাড়ে ব্যাথা
১১। কোমর ব্যাথা
১২। পায়ে ব্যাথা
১৩। মাংসপেশীর ব্যাথা
১৪। দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা
১৫। হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা
১৬। থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
১৭। সাইনোসাইটিস
১৮। হাঁপানি
১৯। হৃদরোগ
২০। রক্তসংবহন তন্ত্রের সংক্রমন
২১। টনসিল
২২। দাঁত/মুখের/জিহ্বার সংক্রমন
২৩। গ্যাস্ট্রিক পেইন
২৪। মুটিয়ে যাওয়া
২৫। দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ
২৬। ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন
২৭। ফোঁড়া-পাঁচড়া সহ আরো অনেক রোগ।
২৮। ডায়াবেটিস
২৯। ভার্টিব্রাল ডিস্ক প্রোল্যাপ্স/ হারনিয়েশান
৩০। চুল পড়া
৩১। মানসিক সমস্যা ...সহ আরও অনেক রোগ।
# কেন আমাদের ক্লিনিকে করাবেন?
কন্সাল্টেন্সি ফি নেওয়া হয়না।
মনোরম পরিবেশ।
অভিজ্ঞ ডাঃ দ্বারা হিজামা করানো হয়।
হোম সার্ভিস দেওয়া হয়,অতিরিক্ত কোন চার্জ ছাড়ায়।

হিজামা থেরাপী নেয়ার জন্য যোগাযোগ করুনঃ 01815-375435
হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো নাম্বার ০১৭৫২১৬৭৩৫২
বিঃ দ্রঃ আরবী মাসের ১৭, ১৯, ২১ তারিখ হলো হিজামার জন্য উত্তম সময়। আর দিন হিসেবে সোম, মঙ্গল আর বৃহঃবার উত্তম। তবে অন্য দিনেও হিজামা করানো যাবে।
হিজামা একটি ফরগটেন সুন্নাহ। নিশ্চয়ই এর মধ্যে উপকার রয়েছে। হিজামা করুন, একটা সুন্নাহকে রিভাইভ করুন।
চট্টগ্রামে আমরাই সবচেয়ে কম খরচে হিজামা করাই।

লোকেশন:

একে খান মোড়, কুটুম বাড়ি রেস্তোরাঁর পিছনের বিল্ডিং এর নিচ তলায়,মাহমুদ খান জামে মসজিদ রোড়, চট্টগ্রাম।

কক্সবাজার এবং কুমিল্লা আমাদের শাখা আছে।
** মহিলাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মহিলা থেরাপিষ্ট রয়েছে ***
(বি:দ্র:হোম সার্ভিস দেওয়া হয়)

27/05/2026

জিন জাদুর রোগীদেরকে বেঁধে হলেও আগামীকাল গরু জ*বাই দেখানোর চেষ্টা করুন।

জ্বিন যাদু আক্রান্তদের জন্য ঈদের দিনের বিশেষ করণীয় যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্টদের জন্য নিজ চোখে গরুর কোরবানি দেখা অত্যন্ত উপ...
26/05/2026

জ্বিন যাদু আক্রান্তদের জন্য ঈদের দিনের বিশেষ করণীয়

যাদুতে আক্রান্ত পেশেন্টদের জন্য নিজ চোখে গরুর কোরবানি দেখা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। এতে জাদুর খাদেম যদি মুশরিক জ্বিন হয়, তবে আল্লাহর হুকুমে সে শাস্তির সম্মুখীন হবে, ইনশাআল্লাহ।

⚠️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

১. পর্দার ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন — পেশেন্ট যেন পর্দার আড়াল থেকে কোরবানির দৃশ্য দেখে।

২. সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখুন — পেশেন্টকে দুইজন মাহরাম পুরুষের সহায়তায় ধরে রাখা উচিত, কারণ কোরবানির সময় জ্বিন শরীরে এক্টিভ হয়ে উঠতে পারে।

৩. শারীরিক দুর্বলতা থাকলে এড়িয়ে চলুন — যদি পেশেন্টের হৃদযন্ত্র দুর্বল হয় বা রক্ত দেখলে ভয় পায়, তবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ না করাই শ্রেয়।

আল্লাহর সাহায্য ও হিকমতের উপর ভরসা রেখে, সাবধানতার সঙ্গে কাজটি করুন।
রোগীর জন্য দোয়া করুন—আল্লাহ যেন তাকে সম্পূর্ণ আরোগ্য দান করেন।

সমস্যা এমন হলে হিজামা বেস্ট সমাধান।আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?সিঁড়ি উঠলে হা...
18/05/2026

সমস্যা এমন হলে হিজামা বেস্ট সমাধান।

আপনার কি মাঝে মাঝে বুকের ভিতর চাপ চাপ লাগে?
হাঁটলে আগের মতো শক্তি পান না?
সিঁড়ি উঠলে হাঁপিয়ে যান?
রাতে হঠাৎ বুক ধড়ফড় করে?
তারপর নিজেকেই বুঝ দেন,
“… গ্যাস…”
“বয়স বাড়তেছে…”
“এত টেনশন করলে এমন হবেই…”
৫৮ বছরের একজন মানুষ
একদম সাধারণ জীবন।
সকাল হলে কাজে যেতেন, মানুষের সাথে হাসতেন, বাজার করতেন, পরিবার নিয়ে চিন্তা করতেন।
বড় কোনো অসুখ ছিল না।
কমপক্ষে উনি তাই ভাবতেন।
তারপর একদিন সকালে বুকের ভিতর ভারী লাগা শুরু হলো।
তীব্র ব্যথা না।
শুধু মনে হচ্ছিল বুকের উপর কেউ পাথর চাপা দিয়ে রেখেছে।
তিনি ভাবলেন একটু পর ঠিক হয়ে যাবে।
হার্টের রক্তনালী আস্তে আস্তে সরু হয়ে যাচ্ছিল বছরের পর বছর ধরে।
আমরা যেভাবে ঘরের পাইপের ভিতরে ময়লা জমে পানি চলার রাস্তা ছোট হয়ে যায়,
ঠিক সেভাবেই রক্ত চলার পথ ছোট হয়ে যায়।
অল্প কাজেই ক্লান্ত লাগা
বুকের মাঝখানে চাপ লাগা
হাঁটলে দম ফুরিয়ে যাওয়া
আগের মতো শক্তি না পাওয়া
হঠাৎ ঘাম হওয়া
বাম হাত বা চোয়ালে অস্বস্তি
এগুলাকে অবহেলা করবেন না
আমরা বিশ্বাস করতে চাই, “আমার কিছু হবে না।”
কিন্তু হার্ট অ্যাটাক সময় দেয়না...
প্লিজ অবহেলা করবেন না।
কি করলে হার্ট ভালো থাকবে?
বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই হার্টকে ধীরে ধীরে বাঁচায়… আবার ধ্বংসও করে।
🖤 হার্ট সুস্থ রাখতে যা করবেন:
•😒১/ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
জিম করতে হবে না।
নিয়মিত হাঁটাটাই অনেক বড় ওষুধ।
২/ ধূমপান বাদ দিন
একটা সিগারেটও হার্টের রক্তনালীর ক্ষতি করে।
“মাঝে মাঝে খাই” বলেও অনেক মানুষ ICU তে যায়।
৩/ তেল-চর্বি কমান
প্রতিদিন গরু-খাসি, ফাস্টফুড, ভাজাপোড়া…
এগুলো ধীরে ধীরে রক্তনালী বন্ধ করে।
৪/ ঘুম ঠিক করুন
রাত জেগে থাকা, অল্প ঘুম, অতিরিক্ত স্ট্রেস…
এসব হার্টের উপর ভয়ংকর চাপ ফেলে।
৫/ সুগার, প্রেসার, কোলেস্টেরল চেক করুন
অনেক মানুষের এগুলো থাকে কিন্তু টেরই পায় না।
আর ভিতরে ভিতরে হার্ট নষ্ট হতে থাকে।
৬/ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
পেটের মেদ শুধু সৌন্দর্যের সমস্যা না।
এটা হার্টেরও শত্রু।
৭/ রাগ, টেনশন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমান
সব চিন্তা একা মাথায় রাখবেন না।
যদি মাঝে মাঝে বুক চাপ লাগে, হাঁটলে হাঁপান, বাম হাতে অস্বস্তি হয়, অকারণে ঘাম হয়…

18/05/2026

যাদের কোলেস্টেরল সমস্যা আছে তারা কোরবানির আগে হিজামা কাপিং থেরাপির মাধ্যমে ডিটক্স করে নিন। নিশ্চিন্তে মাংস খাবেন।

10/05/2026

জাদুকর, জালিম ও মানুষকে ক্ষতিগ্রস্তকারী সকল অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আল্লাহর নিকট বেশি বেশি দো‘আ করুন।
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ سِحْرَ السَّحَرَةِ، وَدَمِّرْ كَيْدَهُمْ، وَاحْفَظْ عِبَادَكَ مِنْ شَرِّهِمْ
“হে আল্লাহ! জাদুকরদের জাদু বাতিল করে দিন, তাদের ষড়যন্ত্র ধ্বংস করে দিন এবং আপনার বান্দাদের তাদের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন।”

অত্যাচার ও অশুভ কাজের বিরুদ্ধে মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো দো‘আ, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা।

রিযিকে বাঁধা জাদু হচ্ছে এমন এক জাদু যা আপনি অনেক চেষ্টা র পরও রিযিকে কোন বারাকাহ পান না। রিযিকে বাঁধা জাদুর সম্ভাব্য কিছ...
09/05/2026

রিযিকে বাঁধা জাদু হচ্ছে এমন এক জাদু যা আপনি অনেক চেষ্টা র পরও রিযিকে কোন বারাকাহ পান না।
রিযিকে বাঁধা জাদুর সম্ভাব্য কিছু লক্ষণঃ
• চেষ্টা ও পরিশ্রমের পরও বারবার কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া
• ভালো চাকরি বা ব্যবসার সুযোগ এসে হঠাৎ ভেঙে যাওয়া
• অল্প আয়েও অস্বাভাবিক বরকতহীনতা অনুভব করা
• ঘন ঘন ঋণ, আর্থিক ক্ষতি বা টাকা আটকে যাওয়া
• পরিবারে রিজিক নিয়ে অশান্তি লেগে থাকা
• গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় অস্বাভাবিক অলসতা বা বাধা অনুভব হওয়া
• ঘুমের মধ্যে ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা, বিশেষ করে বাঁধা, অন্ধকার বা তাড়া করার স্বপ্ন
• কুরআন শুনলে অস্থিরতা, মাথা ব্যথা বা ঘুম চলে আসা
• কোনো কারণ ছাড়া মনে হওয়া “আমার কিছুই হবে না”

তবে মনে রাখতে হবে, শুধু এসব লক্ষণ থাকলেই জাদু হয়েছে এমন নয়। তাই ভয় না পেয়ে আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, নিয়মিত নামাজ, সকাল-সন্ধ্যার আমল, সূরা বাকারা তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ করুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে কল করুন।

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গ...
06/05/2026

বুকের মাঝখানের “থাইমাস পয়েন্ট”-এ হিজামার উপকারিতা
📍 এই পয়েন্টটি বুকের মাঝখানে অবস্থিত একটি সংবেদনশীল স্থান, যা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত—বিশেষ করে “থাইমাস গ্রন্থি”-র সঙ্গে।
✨ এর উপর হিজামা করার প্রধান উপকারিতাগুলো:
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
থাইমাস গ্রন্থিকে সক্রিয় করতে সহায়তা করে, ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে।
🔹 বুকের চাপ ও মানসিক অস্থিরতা কমানো
যারা দুশ্চিন্তা, বুক ধড়ফড়, বা হালকা মানসিক অশান্তিতে ভোগেন—তাদের জন্য উপকারী।
🔹 শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি
বুক প্রসারিত করতে এবং ফুসফুসকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ধূমপায়ী বা অ্যালার্জি আক্রান্তদের জন্য উপকারী।
🔹 শরীরের শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখা
কিছু চিকিৎসা পদ্ধতিতে এটিকে শরীরের শক্তির কেন্দ্র (Energy Center) হিসেবে ধরা হয়, যা ভারসাম্য আনতে সহায়ক।
🔹 বুক ও কাঁধের ব্যথা উপশম
উপরের শরীরের অংশে পেশির টান বা ক্লান্তি কমাতে সহায়তা করে।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:
এই স্থানে হিজামা অবশ্যই অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত ব্যক্তির মাধ্যমে করাতে হবে, কারণ এটি হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের খুব কাছাকাছি।
💬 শেষ কথা:
হিজামা শুধু রক্ত বের করা নয়… কিছু পয়েন্ট শরীরের ভেতরে গভীরভাবে সক্রিয়তা সৃষ্টি। এটি আপনাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিয়ে যায়
হিজামা ও রুক্বইয়্যাহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন

03/05/2026

বারবার মিসক্যারেজ—এটা কি বন্ধ্যাত্বের জাদু?

অনেক বোনই অভিযোগ করেন,
বারবার গর্ভধারণ হলেও সন্তান ঠিকমতো থাকছে না, কয়েক মাসের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার রাখা দরকার—
সব মিসক্যারেজ কিন্তু জাদু বা জ্বীনের কারণে হয় না।

মেডিক্যাল কারণগুলো অনেক সময় প্রধান হয়, যেমনঃ
• হরমোনের সমস্যা
• জরায়ুর গঠনগত সমস্যা
• ইনফেকশন
• রক্তের সমস্যা বা জেনেটিক কারণ
তাই আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তাহলে কখন রুকইয়াহর দিকটাও ভাববেন?
যদি—
• বারবার একইভাবে গর্ভ নষ্ট হয়, কিন্তু মেডিক্যাল রিপোর্টে তেমন কিছু না আসে
• স্বপ্নে ভয়ংকর কিছু দেখা, বাচ্চা সংক্রান্ত অস্বাভাবিক স্বপ্ন
• হঠাৎ দাম্পত্য জীবনে অশান্তি বেড়ে যাওয়া
• নামাজ, কুরআন পড়তে অস্বস্তি বা বাধা অনুভব করা
তাহলে কিছু ক্ষেত্রে সিহর (কালোজাদু) বা বদ নজরের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

কি করবেন?
• নিয়মিত রুকইয়াহ করা
• প্রতিদিন সূরা আল-বাকারা পড়া বা শোনা
• সকাল-সন্ধ্যার যিকির মেনে চলা
• বেশি বেশি দোয়া করা—বিশেষ করে নেক সন্তান লাভের জন্য

🐟 সমুদ্রের “মাগুর” মাছকল্পনা করুন—কাউকে যদি আল্লাহ না করুন জাদু করা হয় এবং তা কোনোভাবে মাগুর (catfish) মাছের সাথে যুক্ত ...
03/05/2026

🐟 সমুদ্রের “মাগুর” মাছ

কল্পনা করুন—কাউকে যদি আল্লাহ না করুন জাদু করা হয় এবং তা কোনোভাবে মাগুর (catfish) মাছের সাথে যুক্ত করা হয়, তাহলে সেই মাছটি ৮ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে, এমনকি ৩০ বছর পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে।

অর্থাৎ অনেক সময় মানুষ মারা গেলেও সেই জাদুর প্রভাব বছরের পর বছর চলতেই থাকতে পারে, যেন তা ওই মাছের সাথে ভালোভাবে “যুক্ত” বা “বাঁধা” অবস্থায় থাকে।

কিছু ক্ষেত্রে আল্লাহ এমন ব্যবস্থা করে দেন যে, কেউ সেই মাছটি ধরে ফেলে এবং জাদুর প্রভাব নষ্ট হয়ে যায়। আবার কিছু ক্ষেত্রে সেই মাছটি তার চেয়ে বড় কোনো প্রাণীর দ্বারা শিকার হয়ে খেয়ে ফেলা হয়, ফলে জাদুর প্রভাবও নষ্ট হয়ে যায়।

07/04/2026

আশিক জ্বীন দ্বারা আক্রান্ত রোগীর সম্ভাব্য কিছু লক্ষণ।

১) মাথায় অশ্লীল চিন্তা ভাবনা আশা।
২) হস্তমৈথুন করা বিশেষ করে ছোটবেলা থেকে।
৩) একাধিকবার প্রস্রাবের ইনফেকশন হওয়া। চিকিৎসা সুস্থতা লাভ না করা।
৪) অনিয়মিত পিরিয়ড হওয়া অথবা তিন চার মাসে ও একবার পিরিয়ড না হওয়া।
৫) পিরিয়ডের সময় তলপেটে প্রচন্ড অস্বাভাবিক ব্যথা হওয়া। ব্যাথার ঔষধ কাজ না করা।
৬) সাদা স্রাব বের হওয়া সব সময় অস্বাভাবিক ভাবে।
৭) বিছানায় শুতে গেলে হঠাৎ যৌন উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া।
৮) অধিক পরিমাণে স্বপ্নদোষ হওয়া।
৯) ফিজিক্যাল রিলেশন বা সহবাস টাইপের স্বপ্ন দেখা।
১০) পছন্দের মানুষ গুলোকে স্বপ্নে কাছে আসতে দেখা, স্পর্শ করতে দেখা, ফিজিক্যাল রিলেশন করতে দেখা অথবা তাদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া।
১১) ছোট ছোট বাচ্চাদেরকে স্বপ্ন দেখা।
১২) ঘুম থেকে ওঠার পরে পুরা শরীর ব্যথা হয়ে থাকা।
১৩) কোন কারন ছাড়াই লজ্জাস্থানে ব্যথা অনুভব করা,ফুলে যাওয়া।
১৪) বিবাহ করতে মনে চায় না।
১৫) বিবাহের কথা শুনলেই ভিতর থেকে কান্না আসে।
১৬) বিবাহের কথা শুনলেই চেহারার রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়া অথবা মুখে ব্রণ ওঠা।
১৭) বিবাহের পরে হাসবেন্ডের কাছে গেলে বিরক্ত লাগে অথবা ফিজিক্যাল রিলেশনে অনীহা আশা।
১৮) স্বামী থাকা স্বত্বেও কাল্পনিক চরিত্রের পুরুষ প্রতি আকর্ষন বোধ করা।
১৯) বিপরীত লিঙ্গের প্রতি খুব বেশি আকর্ষণ ফিল করা, বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও অন্য পুরুষের দিকে আকর্ষণ ফিল করা।
২০) শারীরিক সমস্যা একের পর এক লেগেই থাকা, বিশেষ করে গোপনীয় সমস্যা বেশি হওয়া।
২১) বাচ্চা কনসিভ না করা অথবা কনসিভ করার পরে নষ্ট হয়ে যাওয়া।
২২) একা একা থাকতে পছন্দ করা অথবা অধিকাংশ সময় মন খারাপ করে বসে থাকা।
২৩) মনে মনে আত্মহত্যা করার ইচ্ছা জাগা।
২৪) ইমোশনালি প্রভাব বেশি থাকা।
২৫) অনেক সময় আশ্বিক জ্বীনের কারনেও বিবাহ।
হয় না বিবাহের ক্ষেত্রে ঝামেলা লেগে থাকে।

অন্যদের সচেতনতার জন্য লেখাটি শেয়ার করুন।

Address

Hijama Center Chittagong একে খান, কুটুম বাড়ি রেস্তোরাঁর পিছনে, মাহমুদ খান জামে মসজিদ রোড়। Chattogram
Chittagong

Opening Hours

Monday 08:30 - 22:30
Tuesday 08:30 - 22:30
Wednesday 08:30 - 22:30
Thursday 08:30 - 22:30
Friday 08:30 - 22:30
Saturday 08:30 - 20:30
Sunday 08:30 - 22:30

Telephone

+8801815375435

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Center Chittagong posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hijama Center Chittagong:

Shortcuts

Share