Dr. Joy Prakash Dey

Directions

Dr. Joy Prakash Dey Doctor
MBBS, BCS(health) MS ( course)
Ent professional (নাক কান গলা রোগের চিকিৎসক)
Chattogram medical College

🍁🍁বয়স  ২০, ছেলে। নাকের হাড় বাকা, ঘন ঘন ঠান্ডা সর্দি লাগে, ঠান্ডা পানি খেলেই ঠান্ডা লেগে যায়। ফ্যানের বাতাসে ঠান্ডা লেগে ...
03/10/2026

🍁🍁বয়স ২০, ছেলে। নাকের হাড় বাকা, ঘন ঘন ঠান্ডা সর্দি লাগে, ঠান্ডা পানি খেলেই ঠান্ডা লেগে যায়। ফ্যানের বাতাসে ঠান্ডা লেগে যায়। নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে কস্ট হয়। বেশির ভাগ সময় একটা নাক বন্ধ হয়ে থাকে। রাতের বেলা প্রচুর পরিমানে নাক আর কান চুলকায়, কোন ওষুধ কাজ হয় না।

এটি মূলত অ্যালার্জিক রাইনাইটিস (Allergic Rhinitis) এবং বাঁকা নেজাল সেপ্টাম (DNS)-এর একটি সম্মিলিত রূপ।

​অ্যালার্জি থাকলে সামান্য ফ্যানের বাতাস, ঠান্ডা পানি বা ধুলোবালির সংস্পর্শে এলেই নাকের ভেতরের মাংস (Turbinates) ও মিউকোসা দ্রুত ফুলে যায় এবং হিস্টামিন নির্গত হয়—যার কারণে নাক ও কান চুলকানোর অনুভূতি তৈরি হয়। আর নাকের হাড় বাঁকা থাকায় বাতাসের পথ এমনিতেই সরু, তার ওপর অ্যালার্জির কারণে ফোলা ভাব যোগ হলে নিঃশ্বাস নেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়ে এবং সবসময় একটি বা দুটি নাক বন্ধ থাকে।

​সাধারণ অ্যান্টিহিস্টামিন বা স্বল্পমেয়াদি ড্রপ এই সমস্যা সাময়িকভাবে কমালেও স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না।

♦️♦️​কারণ ও চিকিৎসা পরিকল্পনা
​১. হাড় বাঁকা ও অ্যালার্জির দ্বিমুখী প্রভাব:
নাকের হাড় বাঁকা (DNS) থাকার কারণে যে যান্ত্রিক বাধা (Mechanical Obstruction) তৈরি হয়েছে, তা অ্যালার্জি হলে আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। কান ও নাকের ভেতরের পথ (Eustachian tube) একটি অপরটির সাথে যুক্ত থাকায় অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া কানে গিয়ে রাতে তীব্র চুলকানি তৈরি করে।

​২. নিয়মিত স্টেরয়েড নেজাল স্প্রে (Nasal Steroid Spray):
অ্যালার্জিজনিত ফোলা ভাব ও চুলকানি কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন: ১ থেকে ৩ মাস) Fluticasone বা Mometasone জাতীয় নেজাল স্টেরয়েড স্প্রে নিয়ম মেনে প্রতিদিন ব্যবহার করতে হয়। এটি রক্তে মিশে ক্ষতি করে না, বরং সরাসরি নাকের ভেতরের অ্যালার্জি ও ফোলা ভাব নিয়ন্ত্রণে আনে।

​৩. নাক ধোয়ার অভ্যাস (Saline Nasal Rinse):
প্রতিদিন হালকা কুসুম গরম স্যালাইন পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার (Nasal Irrigation) করলে নাকের ভেতরের অ্যালার্জেন (ধুলোবালি, রেণু) ধুয়ে বের হয়ে যায় এবং চুলকানি ও বন্ধ ভাব অনেকটাই কমে।

​৪. অ্যালার্জি প্রতিরোধ ও জীবনযাত্রা:
​ফ্যানের সরাসরি বাতাসের নিচে মাথা রেখে না ঘুমানো।
​গোসল বা মুখ ধোয়ার ক্ষেত্রে অতি-ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলা।
​বিছানার চাদর, বালিশের কভার সপ্তাহে অন্তত একবার গরম পানিতে ধোয়া (কারণ রাতে ডাস্ট মাইটের কারণে চুলকানি বাড়ে)।

​৫. সার্জিক্যাল মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা:
যদি সঠিক নিয়মে স্প্রে ও ওষুধ ব্যবহারের পরও নাকের হাড় বাঁকা থাকার কারণে নিঃশ্বাস নিতে স্থায়ীভাবে কষ্ট হতে থাকে, তবে একজন ইএনটি (নাক, কান, গলা) বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে নাকের ভেতরের অবস্থা (Nasal Endoscopy) পরীক্ষা করানো দরকার। প্রয়োজনে ছোটখাটো অস্ত্রোপচার (যেমন: Septoplasty বা Turbinoplasty) করিয়ে নিলে নাকের পথ স্থায়ীভাবে খুলে যায় এবং অ্যালার্জি থাকলেও নিঃশ্বাস নিতে আর কষ্ট হয় না।

🍁🍁থাইরয়েডের ফোলা দেখলেই কি অপারেশন করতে হয়?জ্বী না, থাইরয়েড ফোলা বা থাইরয়েড নোডিউল দেখলেই অপারেশন করতে হয় না। প্রকৃত...
29/09/2026

🍁🍁থাইরয়েডের ফোলা দেখলেই কি অপারেশন করতে হয়?

জ্বী না, থাইরয়েড ফোলা বা থাইরয়েড নোডিউল দেখলেই অপারেশন করতে হয় না। প্রকৃতপক্ষে, অধিকাংশ থাইরয়েড ফোলার ক্ষেত্রেই অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না।

​থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে গেলে চিকিৎসার পদ্ধতি নির্ভর করে ফোলাটির ধরন, এটি ক্ষতিকর (ক্যান্সার) নাকি বিনাইন (সাধারণ ও অলক্ষণযুক্ত), এবং এটি থেকে হরমোন নিঃসৃত হচ্ছে কি না তার উপর।

​অপারেশনের প্রয়োজন হয় না?কেমন করে বুঝার উপায়।
​সাধারণ থাইরয়েড ফোলা (Benign Nodule): যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা যায় ফোলাটি ক্যান্সার নয় এবং এর আকার ছোট বা স্থির রয়েছে, তবে অপারেশনের প্রয়োজন হয় না। নিয়মিত পর্যবেক্ষণে (Follow-up) রাখা হয়।

​হরমোনের তারতম্য জনিত ফোলা: হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম তৈরি হওয়া) হলে সাধারণত ওষুধের মাধ্যমেই থাইরয়েডের আকার নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
​ইনফেকশন বা প্রদাহ (Thyroiditis): ওষুধ ও প্রয়োজনীয় বিশ্রামের মাধ্যমে থাইরয়েডের প্রদাহ ও ফোলা কমে যায়।

🥝🥝​কখন অপারেশনের প্রয়োজন হতে পারে?

১.​ক্যান্সারের আশঙ্কা বা নিশ্চিতকরণ: পরীক্ষা-নিরীক্ষায় (যেমন FNAC) যদি ক্যান্সার বা টিউমারের লক্ষণ পাওয়া যায়।

২.​আকার বড় হয়ে যাওয়া ( Pressure Symptoms): ফোলাটি খুব বড় হয়ে শ্বাসনালী বা খাদ্যনালীতে চাপ সৃষ্টি করলে, যার ফলে শ্বাসকষ্ট, খাবার গিলতে সমস্যা বা গলার স্বর পরিবর্তন হতে পারে।

৩.​হাইপারথাইরয়েডিজম (Overactive Thyroid): ওষুধ বা রেডিওঅ্যাক্টিভ আয়োডিন থেরাপিতে কাজ না হলে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে অতিরিক্ত হরমোন তৈরি হতে থাকলে।

৪.​কসমেটিক বা বাহ্যিক অস্বস্তি: গলার বাইরে ফোলাটি খুব স্পষ্ট বা দৃশ্যমান হলে এবং রোগী তা অপসারণ করতে চাইলে।

​সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যে পরীক্ষাগুলো প্রয়োজন
​অপারেশন লাগবে কি না তা নিশ্চিত হতে একজন
🎈🎈নাক-কান-গলা সার্জন সাধারণত নিচের পরীক্ষাগুলো করে থাকেন:
৷ ১.​আল্ট্রাসোনোগ্রাম (USG of Neck): ফোলার গঠন, আকার ও ধরণ দেখতে।
২.​এফএনএসি (FNAC - Fine Needle Aspiration Cytology): ফোলাটি ক্ষতিকর (Malignant) না কি বিনাইন (Benign) তা জানার জন্য সূক্ষ্ম সূঁচ দিয়ে নেওয়া নমুনা পরীক্ষা।
৩.​থাইরয়েড হরমোন প্রোফাইল (TSH, Free T3, Free T4): হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করতে।

🙂🙂​পরামর্শ: গলায় কোনো ফোলা দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে একজন নাক-কান-গলা সার্জনের পরামর্শ গ্রহণ করুন। উপযুক্ত পরীক্ষার পরই কেবল সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণ করা সম্ভব।

29/06/2026

☀️☀️মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারনে আমাদের কি কি শারীরিক সমস্যা হয়?
🪵মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণ উৎপন্ন রেডিও তরঙ্গ ও মাইক্রোওয়েভ এবং উচ্চ শব্দের কারণে আমাদের বিভিন্ন রকমের সমস্যা হয়।

১. ঘুমের সমস্যা হয়।
২.মানসিক চাপ বাড়ে।
৩.দুর্ঘটনায় ঝুঁকি বাড়ে।
৪.অনেকক্ষণ মোবাইল ফোনে কথা বললে কান গরম হয়ে যায়।
৫.হাটের সমস্যা হয়।
৬.শ্রবণশক্তি কমে যায়।
৮.প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়।
৯.নাক কান গলার ক্যান্সার হওয়ার যুকি বেড়ে যায়।
১০. কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যায়।

🥝🥝এইসব সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য কি পদক্ষেপ নিবেন
১.বেশিক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করবেন না
২.মোবাইল ফোনের শব্দ সীমিত রাখবেন । উচ্চসর পরিহার করবেন।
৩.মোবাইল ফোন বুক বুক পকেটে রাখবেন না।
৪.মোবাইল ফোন সর্বদা হাতের সামনে রাখবেন না।
৫.ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করবেন।

🍁🍁তাই মোবাইলের ব্যবহার সীমিত করুন নিজে জানুন অন্যকে জানান।

21/06/2026

সম্মানিত রুগী ছোটবেলা থেকে কয়দিন পর পর কান থেকে পুঁজ পড়া সমস্যা নিয়ে ভুগছিল।সাথে মাথাব্যথা হতো, কানের মধ্যে এক ধরনের শব্দ হতো,কানে শোনার ক্ষমতা ক্রমশ কমে যাচ্ছিল।
নিয়মকানুন মানার পরও কয়দিন পর পর তার এই সমস্যা হচ্ছিল।
কান দিয়ে পুঁজ পড়ার কারণ হলো উনার কানের পর্দায় বড় একটা ছিদ্র ছিল।
পরবর্তীতে দুই মাস আগে উনার কানের পর্দার ছিদ্র অপারেশনটা আমি করি।
বর্তমানে উনি ভালো আছে, উনার কানের পর্দাটা জোড়া লেগেছে,আগের ছিদ্রটা সম্পূর্ণ ভরাট হয়ে গেছে।

যারা ঘন ঘন কান থেকে পুঁজ পড়া সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য আমার একটা ভিডিও, কমেন্ট বক্সে দেওয়া আছে।

A Salvage surgery with reconstruction with PMMC (Pectoralis Major Mycuteneous Flap) of a patient aged 55 years previousl...
10/06/2026

A Salvage surgery with reconstruction with PMMC (Pectoralis Major Mycuteneous Flap) of a patient aged 55 years previously diagnosed with Squamous Cell carcinoma of tongue with metastatic neck node with history of previous Hemiglosssectomy and MRND in our Unit.

Though clear margin As the patient Didn't take any post operative Radiotherapy,
Recurrence in Neck node.

Patient Was diagnosed with Carotid encasement.

Surgery was performed in ENT and Head Neck surgery dept CMCH with Absoulte finesse and meticulous dissection By Lieutenant colonel Dr. Kollol, consultant Dr Shahidul.

Assisted by Dr.Joy Prakash, Dr. Shaon,Dr.Aynul

Supervised by Prof.Dr. Ahmed Sharif sir, Prof. Jamal hossain sir, Assoc. Prof Dr. H.S. Mubarak hossain sir.
Post operative was uneventful.

17/05/2026

♦️♦️আজকের বিষয় :

🥝কান পাকা রোগীদের কানের পর্দায় ছিদ্র হলে টিম্পানোপ্লাস্টি অপারেশন অর্থাৎ কানের পর্দা সংযোজন কখন করালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

01/05/2026

🐥🐥ফ্রিজে রাখা রান্না করা খাবার কিডনি নষ্টের কারণ...!

🐓🐓একবার রান্না করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া খাবার, হয়তো আপনার কাজ অনেকটা কমিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু এতে আপনার কিডনি আক্রান্ত হচ্ছে।

Freshly🍁🍁 cooked খাবার, আপনার রান্না করার ৬ ঘণ্টার মধ্যে খাবার খাওয়াটাই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
তাই একদিন রান্না করে দুই থেকে তিন দিন বা তারও বেশি দিন ফ্রিজে রেখে বারবার গরম করে খাওয়ার, এ প্রবণতাটা ত্যাগ করুন..।

21/04/2026

🙄🙄ভার্টাইগো বা মাথা ঘোরা রোগ নিয়ে আলোচনা।

🪩🪩ভার্টাইগো বা মাথা ঘোরা কোনো নির্দিষ্ট রোগ নয়, বরং এটি একটি উপসর্গ। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মনে হয় তিনি নিজে অথবা তার চারপাশের পরিবেশ ঘুরছে বা দুলছে। অনেক সময় ভারসাম্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
🍅​নিচে ভার্টাইগো বা মাথা ঘোরার কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:
​১. ভার্টাইগোর প্রধান কারণ
​ভার্টাইগো সাধারণত শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণকারী অঙ্গ (অন্তঃকর্ণ বা মস্তিষ্ক) এর সমস্যার কারণে হয়। একে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
A.​পেরিফেরাল ভার্টাইগো (Peripheral Vertigo): এটি অন্তঃকর্ণের সমস্যার কারণে হয়।
B.সেন্ট্রাল ভার্টাইগো (Central Vertigo): এটি সরাসরি মস্তিষ্কের সমস্যার কারণে হয়।

A.পেরিফেরাল ভার্টাইগো (Peripheral Vertigo
♦️​BPPV: হঠাৎ মাথা নাড়ালে তীব্র মাথা ঘোরা শুরু হওয়া। এটি সবচেয়ে সাধারণ কারণ।

♦️​মেদনিয়ার্স ডিজিজ (Meniere’s disease): কানের ভেতরে তরল বেড়ে যাওয়া, যার ফলে মাথা ঘোরার সাথে কানে কম শোনা বা ভোঁ-ভোঁ শব্দ হতে পারে।

♦️​ভেস্টিবুলার নিউরাইটিস: কানের স্নায়ুতে ভাইরাসের সংক্রমণ।

B🎈🎈.​সেন্ট্রাল ভার্টাইগো (Central Vertigo): এটি সরাসরি মস্তিষ্কের সমস্যার কারণে হয়।
​মাইগ্রেন, স্ট্রোক, টিউমার বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস।

🥝🥝​২. প্রধান লক্ষণসমূহ
​চারপাশ বনবন করে ঘোরা।
​শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা বা পড়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া।
​বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
​মাথা হালকা বোধ করা বা চোখে অন্ধকার দেখা।
​কানে শব্দ হওয়া (Tinnitus) বা কানে কম শোনা।

🏀🏀​৩. কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
​সাধারণ মাথা ঘোরা বিশ্রাম নিলে সেরে যায়, তবে নিচের লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে:
​হঠাৎ তীব্র মাথা ব্যথার সাথে মাথা ঘোরা।
​কথা বলতে সমস্যা হওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া।
​অস্পষ্ট দৃষ্টি বা চোখে দুইটা দেখা (Double vision)।
​অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
​শরীরের কোনো এক পাশ দুর্বল বা অবশ বোধ করা।

☁️☁️☃️​৪. প্রতিকার ও চিকিৎসা
​চিকিৎসা নির্ভর করে রোগটি কেন হচ্ছে তার ওপর। সাধারণত চিকিৎসকরা নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করেন:
​ওষুধ: বমি ভাব কমানোর জন্য এবং ভেস্টিবুলার সিস্টেমকে শান্ত রাখার জন্য নির্দিষ্ট ওষুধ (যেমন: Betahistine) দেয়া হয়।

🎈🎈​ব্যায়াম (Epley Maneuver): BPPV-এর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক ব্যায়াম বা কৌশলের মাধ্যমে কানের ভেতরের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা হয়।
​জীবনযাত্রা পরিবর্তন: পর্যাপ্ত পানি পান করা, লবণের পরিমাণ কমানো (মেদনিয়ার্স ডিজিজের ক্ষেত্রে) এবং পর্যাপ্ত ঘুম।
🪵🪵​সতর্কতা: যখন মাথা ঘোরে, তখন দ্রুত কোনো কিছু ধরে বসে পড়ুন বা শুয়ে পড়ুন। অন্ধকারে না থেকে পর্যাপ্ত আলোতে থাকার চেষ্টা করুন এবং হঠাৎ ঘাড় বা মাথা ঝাকুনি দিয়ে নাড়াবেন না। পরবর্তীতে একজন নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

🎈🎈ঘাড়ের যক্ষা  : করনীয়।♦️♦️ঘাড়ের লিম্ফ নোড বা গ্রন্থিতে যক্ষ্মা (Cervical Lymphadenitis) আমাদের দেশে বেশ সাধারণ একটি স...
29/03/2026

🎈🎈ঘাড়ের যক্ষা : করনীয়।

♦️♦️ঘাড়ের লিম্ফ নোড বা গ্রন্থিতে যক্ষ্মা (Cervical Lymphadenitis) আমাদের দেশে বেশ সাধারণ একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।

♦️পেরিফেরাল টিউবারকুলাস লিম্ফ্যাডেনাইটিস (বা টিউবারকুলাস অ্যাডেনাইটিস ) ফুসফুসের বাইরে ঘটে যাওয়া যক্ষ্মা সংক্রমণের একটি রূপ। সাধারণভাবে, এটি লিম্ফ নোডের যক্ষ্মা সংক্রমণকে বর্ণনা করে, যা লিম্ফ্যাডেনোপ্যাথির দিকে পরিচালিত করে। যখন সার্ভিকাল লিম্ফ নোডগুলি প্রভাবিত হয়, তখন এটি সাধারণত " Scrofula " হিসাবে উল্লেখ করা হয়।
🎯
নিচে এর লক্ষণ ও করণীয় সম্পর্কে একটি ধারণা দেওয়া হলো:
​১. সাধারণ লক্ষণসমূহ
☀️ঘাড়ের এক বা একাধিক গ্রন্থি ফুলে যাওয়া (সাধারণত ব্যথা থাকে না, তবে বড় হলে ব্যথা হতে পারে)।

🏖️​দীর্ঘদিন ধরে বিকেলের দিকে হালকা জ্বর আসা।
​অরুচি এবং ওজন কমে যাওয়া।

🏜️​অনেক সময় ফোঁড়ার মতো হয়ে চামড়া ফেটে পুঁজ বের হতে পারে।

🪵​২. প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা
​চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাধারণত নিচের পরীক্ষাগুলো করা হয়ে থাকে:

♦️​FNAC (Fine Needle Aspiration Cytology): সুই দিয়ে রস নিয়ে পরীক্ষা করা।
♦️​Biopsy (বায়োপসি): অনেক সময় গ্রন্থির ছোট একটি অংশ কেটে পরীক্ষা করা লাগে।
♦️​GeneXpert / MT test: টিবি-র জীবাণু নিশ্চিত করার আধুনিক পদ্ধতি।
♦️​Chest X-ray: ফুসফুসে সংক্রমণ আছে কি না তা দেখতে।
🧶​৩. আপনার করণীয় (Step-by-Step)
​বিশেজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ: দ্রুত একজন নাক-কান-গলা (ENT) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

🙂​নিয়মিত ওষুধ সেবন: টিবি-র চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী (সাধারণত ৬-৯ মাস)। মাঝপথে ওষুধ ছেড়ে দিলে এটি আরও জটিল (MDR-TB) হয়ে যেতে পারে। তাই কোর্স সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।

🪬​পুষ্টিকর খাবার: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার (মাছ, মাংস, ডিম, দুধ) এবং ভিটামিন-যুক্ত ফলমূল খাবেন।

🏓​সরকারি সুবিধা: বাংলাদেশে সরকারিভাবে DOTS (ডটস) সেন্টারের মাধ্যমে যক্ষ্মার সব পরীক্ষা ও ওষুধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

🥊​৪. ভুল ধারণা ও সতর্কতা
​ঘাড়ের টিবি সাধারণত ছোঁয়াচে নয় (যদি ফুসফুসে সংক্রমণ না থাকে), তাই ভয় পাওয়ার কারণ নেই।
​ফুলে যাওয়া স্থানে মালিশ করবেন না বা নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না।

আর কি এসিড ব্যবহার করবেন... বিভিন্ন কারণে, নাকের মাংস(টারবিনেট) বড় হয়ে যায় যেগুলোকে আমরা মেডিকেলের ভাষায় হাইপারটোফাই...
26/03/2026

আর কি এসিড ব্যবহার করবেন...

বিভিন্ন কারণে, নাকের মাংস(টারবিনেট) বড় হয়ে যায় যেগুলোকে আমরা মেডিকেলের ভাষায় হাইপারটোফাইট টারবিনেট বলি।

অনেকে এই মাংস বৃদ্ধি টাকে, বলেন নাকের পলিপাস হয়েছে। কিন্তু নাকের মাংস বৃদ্ধি আর পলিপাস কিন্তু এক জিনিস নয়।
নিচে আমি ছবি দিয়েছি এর মাধ্যমে বুঝতে পারবেন কোনটা পলিপ কোনটা মাংস বৃদ্ধি।

অনেকে আছেন এই মাংস বৃদ্ধি পেলে, এসিড ব্যবহার করেন।।
এই এসিড ব্যবহার করলে, নাকের ভেতরের মাংস যেমনে পুড়ে যায়, একই সাথে নাকের ভিতরেও পুড়ে যায়, এভাবে পুড়ে যাওয়ার কারণে নাকের ভিতর একটা দলার এর মত সৃষ্টি হয় সাথে নাকের ভিতর ছিদ্র হয়ে যায়।

ফলে নাক পুরোপুরি বন্ধ থাকে, নাক দিয়ে একটু ও বাতাস ঢুকে না। তখন অপারেশন ছাড়া আমাদের আর কোন বিকল্প পথ থাকে না।

তাই আর এসিড ব্যবহার নয়।

নাকের মাংস বৃদ্ধি পেলে, আমরা স্টেরয়েড অনুনাসিক স্প্রে (যেমন- ফ্লোটিকাসন)) ব্যবহার করলে নাকের মাংস অনেক ক্ষেত্রেই ছোট হয়ে যায়।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Joy Prakash Dey posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category