Dr Miskat Aziz

Dr Miskat Aziz সবচেয়ে কম খরচে , বিশেষজ্ঞ টেলিমেডিসিন সেবা হাতের মুঠোফোনে
(3)

🍎 ডায়াবেটিস হলে কোন ফল খাবেন, কোনটা কম খাবেন?ডায়াবেটিস মানেই ফল একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে—এটা ভুল ধারণা। বরং সঠিক ফল, ...
08/08/2026

🍎 ডায়াবেটিস হলে কোন ফল খাবেন, কোনটা কম খাবেন?

ডায়াবেটিস মানেই ফল একেবারে বন্ধ করে দিতে হবে—এটা ভুল ধারণা। বরং সঠিক ফল, সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক সময়ে খাওয়াই গুরুত্বপূর্ণ। 🍊🍎

🟢 তুলনামূলক ভালো পছন্দ

কম GI/পরিমিত কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ফলগুলো সাধারণত পরিমাণ মেনে খাওয়া যেতে পারে—

🍎 আপেল — GI ~36 | ১টি ছোট
🍐 নাশপাতি — GI ~38 | ½–১টি ছোট
🍓 স্ট্রবেরি/বেরি — GI ~25 | ১ কাপ
🫐 বেরি — GI ~24–25 | ½–১ কাপ
🍊 কমলা — GI ~43 | ১টি মাঝারি
🍈 পেয়ারা — GI ~31 | ১টি মাঝারি
🍑 পেঁপে — GI ~56 | ১ কাপ

🟡 পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাবেন

🍌 কলা — GI ~51 | ½টি
🥭 আম — GI ~56 | ½ কাপ
🍍 আনারস — GI ~66 | ½–১ কাপ
🍉 তরমুজ — GI ~72 | ১ কাপ
🍇 আঙুর — GI ~59 | ১০–১২টি
🥝 কিউই — GI ~52 | ১টি
🥝 কিউমকুয়াট/অন্যান্য ফল — পরিমাণ অনুযায়ী

🔴 যেগুলো বিশেষভাবে সীমিত করুন

বিশেষ করে শুকনো ফল ও বেশি চিনি/কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ফল একসঙ্গে বেশি খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

🍇 কিশমিশ
🌴 খেজুর
🥭 শুকনো আম
🍒 চেরি
🍌 অতিরিক্ত পাকা কলা

তবে “ডায়াবেটিসে কোনো ফল একেবারেই খাওয়া যাবে না”—এমন সাধারণ নিয়ম নেই। আপনার রক্তের গ্লুকোজ, ওষুধ, ওজন ও মোট কার্বোহাইড্রেটের ওপর পরিমাণ নির্ভর করে।

⚠️ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম

✅ ফল জুস করে না খেয়ে গোটা ফল খান।
✅ একবারে অনেক ফল খাবেন না।
✅ খাবারের মোট কার্বোহাইড্রেটের মধ্যে ফলের কার্বোহাইড্রেটও হিসাব করুন।
✅ ফল খাওয়ার পর আপনার রক্তের গ্লুকোজ কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, সেটাও লক্ষ্য করুন।
✅ ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি রোগ থাকলে ফলের পছন্দ আলাদা হতে পারে।

মনে রাখবেন: GI একা কোনো ফল “ভালো” বা “খারাপ” নির্ধারণ করে না—পরিমাণ বা portion size-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যারা ডায়াবেটিস এবং পরিবারের ডায়াবেটিস রোগী রয়েছে তারা এটি সেভ অথবা শেয়ার করে রাখুন টাইম লাইনে যাতে ভুলে না যান। আপনার একটি মূল্যবান শেয়ার হতে পারে কারো জনসচেতনতার প্রথম পদক্ষেপ।

👨‍⚕️ Dr Miskat Aziz
MBBS | MSc Diabetes (UK) | FCGP (Medicine) | DDV | Diploma in Endocrinology
📞 01635183389

08/08/2026

ডায়াবেটিস ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে যে তিনটি খাবার

শরীরের এমন কিছু লক্ষণ দেখা যায় , যেগুলোকে আমরা সমস্যাই মনে করি না , যার ফলশ্রুতিতে বড় সমস্যা দেখা দেয় পরবর্তীতে। অথবা...
07/08/2026

শরীরের এমন কিছু লক্ষণ দেখা যায় , যেগুলোকে আমরা সমস্যাই মনে করি না , যার ফলশ্রুতিতে বড় সমস্যা দেখা দেয় পরবর্তীতে। অথবা আমরা জানি না এটা যে সমস্যা , আজকে শরীরের কোন অঙ্গগুলোর কোন সমস্যা বা লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন এ বিষয়ে আপনাদের ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি .



হরমোন , ডায়াবেটিস , স্থূলতা , পিসিওস , চর্ম ও যৌন এবং মেডিসিন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে সরাসরি এপয়েন্টমেন্ট নিতে :
এপিক হেলথ কেয়ার
চট্টগ্রাম মেডিকেলের মেইন গেটের বিপরীতে
রুম নাম্বার : ৪০৭
প্রতিদিন সকাল ১১ টা - ১ টা
সিরিয়াল নিতে : 01635183389

07/08/2026

যে পাঁচটি দেশীয় খাবার ফ্যাটি লিভার কমাবে ম্যাজিকের মত !!

06/08/2026

শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে কিনা ঘরে বসেই বুঝে ফেলবেন কিভাবে ?

ভুল পদ্ধতিতে দ্রুত ওজন কমানো: হরমোন, মেটাবলিজম ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের ওপর বৈজ্ঞানিক প্রভাব© Dr Miskat Aziz MBBS | MS...
05/08/2026

ভুল পদ্ধতিতে দ্রুত ওজন কমানো: হরমোন, মেটাবলিজম ও দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যের ওপর বৈজ্ঞানিক প্রভাব

© Dr Miskat Aziz
MBBS | MSc Diabetes (UK) | FCGP (Medicine) | DDV | Diploma in Endocrinology (India)

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন বিজ্ঞাপন এবং তথাকথিত "দ্রুত ওজন কমানোর" প্রোগ্রামের কারণে মাত্র ৭ দিনে ৫ কেজি অথবা এক মাসে ১০ কেজি ওজন কমানোর প্রতিশ্রুতি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে, এই ধরনের দ্রুত ওজন হ্রাস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শরীরের স্বাভাবিক হরমোনাল, মেটাবলিক এবং নিউরোএন্ডোক্রাইন ভারসাম্যকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করতে পারে।

ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে প্রতিদিনই এমন রোগী দেখা যায় যারা অতি-কম ক্যালরির ডায়েট (Very Low Calorie Diet), ক্র্যাশ ডায়েট, দীর্ঘ সময় অনাহারে থাকা অথবা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিহীন ওজন কমানোর পদ্ধতি অনুসরণ করে সাময়িকভাবে ওজন কমালেও পরে আরও জটিল স্বাস্থ্যসমস্যায় আক্রান্ত হন।

ওজন কমানো এবং শরীরের চর্বি কমানো এক বিষয় নয়

ওজন কমা মানেই শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমছে—এমন ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

শরীরের মোট ওজন গঠিত হয়—

✔️চর্বি (Fat Mass)
✔️পেশি (Lean Muscle Mass)
✔️শরীরের পানি
✔️গ্লাইকোজেন
✔️হাড় ও অন্যান্য টিস্যু

ক্র্যাশ ডায়েট শুরু করার পর প্রথম কয়েক দিনে যে ওজন কমে, তার বড় অংশই সাধারণত পানি এবং গ্লাইকোজেন থেকে আসে। পর্যাপ্ত প্রোটিন ও রেজিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ না থাকলে শরীর দ্রুত পেশি ভাঙতে (Muscle Catabolism) শুরু করে। ফলে স্কেলে ওজন কমলেও শরীরের গঠন (Body Composition) খারাপ হতে থাকে।

শরীর কেন "স্টারভেশন মোড"-এ চলে যায়?

অতি-কম ক্যালরি গ্রহণকে শরীর একটি সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষ (Starvation State) হিসেবে বিবেচনা করে।

এর প্রতিক্রিয়ায় শরীরের হরমোনাল সিস্টেম দ্রুত পরিবর্তিত হয়—

🚨 Leptin কমে যায়

Leptin হলো ফ্যাট সেল থেকে নিঃসৃত একটি হরমোন, যা মস্তিষ্ককে জানায় যে শরীরে পর্যাপ্ত শক্তি সঞ্চিত রয়েছে।
দ্রুত ওজন কমলে Leptin উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, ফলে—

✍🏻ক্ষুধা বেড়ে যায়
✍🏻ক্যালরি পোড়ানো কমে যায়
✍🏻শরীর শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করে

🚨 Ghrelin বেড়ে যায়

Ghrelin কে বলা হয় "Hunger Hormone"
কঠোর ডায়েটের সময় Ghrelin বৃদ্ধি পায়, যার ফলে—

✍🏻অতিরিক্ত ক্ষুধা
✍🏻খাবারের প্রতি তীব্র আকর্ষণ
✍🏻ডায়েট ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা

এই পরিবর্তনগুলো মানুষের ইচ্ছাশক্তির দুর্বলতা নয়; বরং এটি একটি শক্তিশালী জৈবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

🚨Cortisol বৃদ্ধি পায়

দীর্ঘদিনের ক্যালরি ঘাটতি শরীরের জন্য একটি শারীরবৃত্তীয় স্ট্রেস।
ফলে Cortisol বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব—

✅পেশিক্ষয় বৃদ্ধি
✅ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
✅পেটের চারপাশে চর্বি জমা
✅ঘুমের ব্যাঘাত
✅উদ্বেগ ও বিষণ্নতা

🚨 Basal Metabolic Rate (BMR) কেন কমে যায়?

শরীরের মোট দৈনিক শক্তি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশ হলো Basal Metabolic Rate (BMR)।
দীর্ঘদিন অত্যন্ত কম ক্যালরি গ্রহণ করলে Adaptive Thermogenesis বা Metabolic Adaptation শুরু হয়।
এর ফলে—

Resting Energy Expenditure কমে যায়
থাইরয়েড হরমোন (বিশেষ করে T3) কমে যেতে পারে
শরীর কম ক্যালরিতেই চলতে শিখে যায়
ফলে কিছুদিন পর ওজন কমা সম্পূর্ণ থেমে যায় (Weight Loss Plateau)।

🚨 Muscle Wasting: নীরব বিপদ

প্রোটিনের ঘাটতি ও অতিরিক্ত ক্যালরি ঘাটতির কারণে শরীর শক্তির উৎস হিসেবে Skeletal Muscle ভাঙতে শুরু করে।
এর ফলাফল—

✔️দুর্বলতা
✔️কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া
✔️দীর্ঘমেয়াদে BMR স্থায়ীভাবে কমে যাওয়া
✔️ইনসুলিন সেনসিটিভিটি হ্রাস
✔️ভবিষ্যতে ওজন পুনরায় দ্রুত বেড়ে যাওয়া

🚨 Gallstone হওয়ার ঝুঁকি কেন বাড়ে?

অত্যন্ত দ্রুত ওজন কমলে—

লিভার অতিরিক্ত কোলেস্টেরল পিত্তে নিঃসরণ করে
ডায়েটে পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর ফ্যাট না থাকায় Gallbladder নিয়মিত সংকুচিত হয় না ফলে পিত্ত ঘন হয়ে Cholesterol Gallstone তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রতি সপ্তাহে ১.৫–২ কেজির বেশি ওজন কমলে এই ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

👰🏻নারীদের হরমোনে কী প্রভাব পড়ে?

অত্যন্ত কম ক্যালরি গ্রহণ Hypothalamic-Pituitary-Ovarian Axis-কে দমন করতে পারে। ফলে—

⭐Estrogen কমে যায়
⭐LH ও FSH নিঃসরণ ব্যাহত হয়
⭐মাসিক অনিয়মিত হয়
⭐Hypothalamic Amenorrhea হতে পারে
⭐ডিম্বস্ফোটন বন্ধ হয়ে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি তৈরি হয়
⭐দীর্ঘমেয়াদে Bone Mineral Density কমে Osteoporosis-এর ঝুঁকিও বাড়ে।

🤦🏻পুরুষদের ক্ষেত্রে ?

পুরুষদের ক্ষেত্রে—
🔲 Testosterone কমে যেতে পারে
🔲 Libido হ্রাস
🔲 Erectile dysfunction
🔲 Muscle loss
🔲 শক্তি কমে যাওয়া
🔲 বিষণ্নতার ঝুঁকি বৃদ্ধি

🚨 Micronutrient Deficiency

ক্র্যাশ ডায়েটে সাধারণত দেখা যায়—

♻️Iron deficiency
♻️Zinc deficiency
♻️Vitamin D deficiency
♻️Vitamin B12 deficiency
♻️Folate deficiency
♻️Magnesium deficiency

ফলে দেখা দিতে পারে—

👉Hair loss
👉Nail brittleness
👉Brain fog
👉Memory impairment
👉Cardiac arrhythmia
👉Severe fatigue
👉Muscle cramps

🚨Yo-Yo Effect: সবচেয়ে বড় সমস্যা

দ্রুত ওজন কমানোর পর অধিকাংশ মানুষ পূর্বের খাদ্যাভ্যাসে ফিরে যান।

ফলে—

✔️ওজন দ্রুত ফিরে আসে
✔️কিন্তু এবার পেশি নয়, প্রধানত Fat Mass বৃদ্ধি পায়
✔️শরীরের Fat Percentage আগের তুলনায় আরও বেড়ে যায়

এটিই Yo-Yo Effect বা Weight Cycling নামে পরিচিত।

বারবার এই চক্র চলতে থাকলে ভবিষ্যতে স্থূলতা, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

👌🏻 নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিকভাবে ওজন কমানোর উপায়

আন্তর্জাতিক গাইডলাইন অনুযায়ী—

✔️প্রতি সপ্তাহে ০.৫–১ কেজি
✔️প্রতি মাসে ২–৪ কেজি

ওজন কমানোই অধিকাংশ মানুষের জন্য নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী।

একটি বৈজ্ঞানিক ওজন কমানোর পরিকল্পনায় থাকতে হবে

✅ব্যক্তিভেদে ক্যালরি ডেফিসিট
✅পর্যাপ্ত উচ্চমানের প্রোটিন
✅স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
✅উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাদ্য
✅পর্যাপ্ত ভিটামিন ও মিনারেল
✅নিয়মিত রেজিস্ট্যান্স ট্রেনিং
✅পর্যাপ্ত ঘুম
✅স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ
✅প্রয়োজনে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ওষুধ বা অন্যান্য চিকিৎসা

দ্রুত ওজন কমানোর প্রতিশ্রুতি আকর্ষণীয় হলেও মানবদেহের জটিল হরমোনাল ও মেটাবলিক সিস্টেমকে উপেক্ষা করে কোনো শর্টকাট নিরাপদ নয়। স্থায়ী ও স্বাস্থ্যকর ওজন কমানোর লক্ষ্য হওয়া উচিত চর্বি কমানো, পেশি সংরক্ষণ করা এবং হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখা। চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যক্তিকেন্দ্রিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং বৈজ্ঞানিক ফলো-আপই দীর্ঘমেয়াদে সর্বোত্তম ফল দেয়।
পোস্টটি কাজে লেগে থাকলে অবশ্যই শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন , এরকম নিয়মিত স্বাস্থ্যটিপস পেতে পেজে ফলো করে রাখুন 🙏🏻

☎️ সরাসরি অ্যাপয়েন্টমেন্ট :

হরমোন, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, PCOS, চর্ম এবং মেডিসিন সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে

ডা. মিসকাত আজিজ

📍 এপিক হেলথ কেয়ার
চট্টগ্রাম মেডিকেলের মেইন গেটের বিপরীতে
রুম নং: ৪০৭

🕚 চেম্বার সময়: প্রতিদিন সকাল ১১:০০টা – ১:০০টা

📞 সিরিয়াল: 01635183389

05/08/2026

মেনোপজ কোন রোগ নয় , এটি ৪৫ বছরের পর নারী শরীরে একটি নরমাল শারীরিক পরিবর্তন যা হরমোনের কারণে হয়ে থাকে , এর ফলে শরীরে দেখা যায় কিছু লক্ষণ। সঠিক খাদ্য অভ্যাস এবং কিছু নিয়ম মেনে চললে পাশাপাশি ক্ষেত্রবিশেষে হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি নিলে পূর্বের ন্যায় একদম স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্ভব।

04/08/2026

সূর্যের আলোতে নেই কোনো ভিটামিন ডি! তাহলে শরীরে ভিটামিন ডি আসে কীভাবে? অনেকেই মনে করেন সূর্যের আলোতেই ভিটামিন ডি থাকে। আসলে এটি একটি ভুল ধারণা। সূর্যের আলোতে ভিটামিন ডি নেই।
বরং সূর্যের UVB রশ্মি আমাদের ত্বকে থাকা 7-dehydrocholesterol-কে ভিটামিন D₃-এ রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। এরপর লিভার ও কিডনিতে আরও দুটি ধাপ সম্পন্ন হয়ে তৈরি হয় সক্রিয় ভিটামিন ডি (Calcitriol)।

✅ তাই শুধু রোদে দাঁড়ালেই হবে না—রোদের সময়, ত্বকের পরিমাণ, বয়স, ত্বকের রং, সানস্ক্রিন ব্যবহার এবং অন্যান্য বিষয়ও ভিটামিন ডি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🎥 এই ভিডিওতে জানুন:
✔️ সূর্যের আলোতে কেন ভিটামিন ডি নেই
✔️ ত্বকে কীভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়
✔️ লিভার ও কিডনির ভূমিকা
✔️ ভিটামিন ডি ঘাটতির কারণ
✔️ কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন

💬 ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Share ও Follow করতে ভুলবেন না। আপনার একটি শেয়ার অনেকের ভুল ধারণা দূর করতে পারে।

👨‍⚕️ Dr Miskat Aziz
MBBS | MSc Diabetes (UK) | FCGP (Medicine) | DDV | Diploma in Endocrinology

#স্বাস্থ্যটিপস

03/08/2026

PCOS (Polycystic O***y Syndrome) ও PCOD সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানুন।

অনেক নারী PCOS Symptoms women যেমন অনিয়মিত মাসিক, ব্রণ, অতিরিক্ত লোম, ওজন বৃদ্ধি এবং হরমোনের সমস্যায় ভুগলেও বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। আবার PCOD symptoms-ও অনেক ক্ষেত্রে একই রকম হতে পারে। সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা না করলে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আপনি যদি Pcos infertility pregnancy support খুঁজে থাকেন, তাহলে জেনে রাখুন—সঠিক চিকিৎসা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং নিয়মিত ফলো-আপের মাধ্যমে অনেক নারী সফলভাবে গর্ভধারণ করতে সক্ষম হন।

আধুনিক Pcos treatment ও PCOD treatment রোগীর বয়স, উপসর্গ, সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা এবং হরমোনের অবস্থার ওপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি Pcos diet and weight loss support অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ অনেক ক্ষেত্রেই PCOS-এর উপসর্গ কমাতে সাহায্য করে।

আপনি যদি একজন কিশোরী হন বা Pcos girl support সম্পর্কে জানতে চান, তাহলে মনে রাখবেন—শুরুতেই সঠিক পরামর্শ নেওয়া ভবিষ্যতের জটিলতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

অনেকে Pcos groups-এ যুক্ত হয়ে অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, তবে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করুন। Pcos awareness বাড়ানোই পারে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও কার্যকর চিকিৎসার পথ সহজ করতে।

ভিডিওটি দেখে জানুন PCOS ও PCOD-এর লক্ষণ, কারণ, পরীক্ষা, চিকিৎসা, খাদ্যাভ্যাস এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক ও সহজ ভাষায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

01/08/2026

অপারেশন ছাড়া , গলগন্ড সারানোর আধুনিক চিকিৎসা !
উন্নত চিকিৎসা বিজ্ঞানে এখন অনেক পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো অপারেশন ছাড়া অনেক থাইরয়েড রোগীর জীবন বদলে দিচ্ছে, আজকের ভিডিওতে কথা বলা হয়েছে এ বিষয়ে , জেনে নিন বিস্তারিত।
ভিডিওটি ইনফরমেটিভ মনে হলে প্রিয়জনকে শেয়ার করে রাখুন , নিয়মিত স্বাস্হ্য টিপস পেতে পেজে ফলো করে রাখুন।

Address

Epic Health Care, 19/B KB Fazlul Kader Road, Room No : 407 ( Opposite To Chittagong Medical College Hospital)
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Miskat Aziz posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Miskat Aziz:

Shortcuts

Share

Category