Soykat Drug House

Soykat Drug House Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Soykat Drug House, Doctor, Chouddagram.

24/07/2017

ok

29/06/2017

নিয়ম মেনে খুশকিনাশক শ্যাম্প

পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষ খুশকির যন্ত্রণায় জর্জরিত। বাজারের বা বিজ্ঞাপনের খুশকিনাশক সব ধরনের শ্যাম্পু বা দাওয়াই ব্যবহার করেও ফল হয় না। বাইরে গেলে বিব্রত হতে হয়, বিশেষ করে অফিসে-মিটিংয়ে-পার্টিতে সাজপোশাকের বারোটা বাজিয়ে দেয় মাথায় ভাসতে থাকা সাদা সাদা খুশকি।
খুশকি বা ড্যানড্রাফ আসলে আমাদের মাথার ত্বকের মৃত কোষ। আমাদের দেহের সব জায়গার ত্বকে প্রতিনিয়ত নতুন কোষ তৈরি হয় এবং পুরোনো মৃত কোষ নির্দিষ্ট সময় পর ঝরে পড়ে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারও কারও এই নতুন কোষ তৈরি হওয়া এবং মৃত কোষ ঝরে পড়ার হারটা বেশি। এই মৃত কোষগুলো সাদা গুঁড়োর মতো চুলে লেগে থাকে। অনেক সময় এর কারণে মাথা চুলকায়, মাথার ত্বক লাল হয়ে যায়।
খুশকি যদিও একটি স্বাভাবিক ঘটনা বা প্রক্রিয়া, কিন্তু নানা কারণে এটি বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত শুষ্ক ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত—দুই ধরনের ত্বকেই খুশকি বেশি হয়। নিয়মিত শ্যাম্পু না করার কারণে মাথার ত্বকে ময়লা জমাও একটি কারণ। সোরিয়াসিস, অ্যাকজিমা, ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত হেয়ার জেল, তেল, সেপ্র ইত্যাদির ব্যবহার খুশকির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়। যাঁরা খুব ঘামেন, তাঁদেরও এটি বেশি হয়। স্ট্রেস বা দুশ্চিন্তাও খুশকি বাড়ায়।
খুশকি ঠেকাতে যা করবেন
—নিয়মিত মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখলে এবং প্রতিদিন শ্যাম্পু করলে তৈলাক্ততা অনেক কমে আসে ও কোষ মৃত্যুর হারও কমে যায়। খুশকি কমাতে দুশ্চিন্তা কমান, স্বাস্থ্যকর খাবার খান, জিংক ও ভিটামিন বি-সমৃদ্ধ খাবার এই প্রবণতা কমাতে সাহায্য করে। চুলে অতিরিক্ত স্প্রে, জেল, মুজ ইত্যাদি ব্যবহার করা ভালো নয়।
—সাধারণ যত্নে কাজ না হলে খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। বিভিন্ন ধরনের খুশকিনাশক শ্যাম্পু আছে, কোনটা আপনার ক্ষেত্রে কার্যকরী হবে, তা খুঁজে পেতে হযতো আপনার সময় লাগবে। জিংক পাইরিথিয়ন, টার-সমৃদ্ধ, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, সেলেনিয়াম সালফাইড, কিটোকোনাজল—এর যেকোনো একটি ব্যবহারে খুশকি কমবে। প্রথমে প্রতিদিন বা এক দিন পর পর এ ধরনের মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন, নিয়ন্ত্রণে চলে এলে সপ্তাহে দুই বা তিন দিন। পরবর্তী সময়ে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে এলে আবার সাধারণ শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।
ডা. এম মনিরুজ্জামান খান
চর্ম বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল।

11/12/2016

হৃদ রোগ হঠাৎ করেই প্রকাশ পায়।এবং তা যদি পরিবারে প্রথম ঘটনা হয় তবে রোগী ও তার স্বজনরা অনেকটাই ভেঙ্গে পরেন।বুঝতে পারেন না এখন কি করবেন, কিভাবে করবেন! হৃদরোগে আক্রান্ত হলে রোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনে কিছু পরিবর্তন আসবে ঠিকই, কিন্তু এর মাঝেও যে জীবনকে উপভোগ করা যায় তা বুঝতে হবে এবং রোগীকেও বোঝাতে হবে।

১.রোগের প্রথম ধকল কাটিয়ে কিছুটা সুস্থ হলে আপনার রোগ সর্ম্পকে ধীরে ধীরে কিছু পড়া লেখা করুন। সহজ ভাষায় লেখা এমন বই বেছে নিন।খবরের কাগজ, সাময়ীকি, ব্লগ যেখানে আপনার রোগ সর্ম্পকে লেখা পাবেন,পড়ে দেখুন এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে শেয়ার করুন।এটা সব সময় আপনাকে সচেতন থাকতে সাহায্য করবে।

২.আমাদের দেশের মহিলারা নিজের রোগকে কোন গুরুত্বই দেন না। তাই রোগী যদি মহিলা হোন, তবে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের উচিৎ তার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া,তাকে বার বার সচেতনতামূলক তথ্য গুলো মনে করিয়ে দিন।

৩.এখনও আমাদের দেশে খাবার তৈরীর প্রধান দায়িত্ব বাড়ির মহিলাদের উপরই থাকে।তাই বাড়ীর মহিলা সদস্যদের জানতে হবে যে কোন খাবার রোগীর জন্য উপকারী এবং কোন গুলো তার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

৪. পুরুষ রোগীরা ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলাপ করার সময় স্ত্রীকে সাথে রাখুন। তাহলে তিনি খাবারের পরিমাপ, রান্না পদ্ধতি ঠিক মত বুঝে নিতে পারবেন।

৫.ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যসম্মত রান্নার পদ্ধতি ও রেসেপি সংগ্রহ করতে থাকুন। বড় লাইব্রেরীগুলোতে রান্না বিষয়ক বইয়ের ভাল সংগ্রহ আছে।এছাড়া ইন্টারনেটে হৃদরোগীদের খাবার রান্নার পদ্ধতি ও রেসিপি নিয়ে প্রচুর তথ্য আছে।তবে বাঙালী খাবারের রেসিপি ততটা সমৃদ্ধ না, এক্ষেত্রে মুল রেসেপি থেকে কন্সেপ্ট নিয়ে আমাদের দেশে যে উপকরণ আছে তা দিয়ে রান্না করুন।

৬.রান্নার জন্য low-fat methods ব্যবহার করুন। bake, broil, microwave, roast, steam, poach, lightly stir fry বা sauté- এ পদ্ধতি গুলো অনুসরন করা উচিৎ।

৭.ধরা যাক , গরুর মাংস রোগীর খুবই পছন্দের খাবার । কিন্তু রোগের কারণে এখন তা খাওয়া নিষেধ। পরিবারের অন্য সদস্যদের তো আর খেতে নিষেধ নাই! এমন অবস্থায় ভারসাম্য আনবেন কিভাবে?এক্ষেত্রে করণীয় হল-আগে যদি সপ্তাহে ১/২ দিন গরুর মাংস রাখা হতো মেনুতে তাহলে তা এখন কমিয়ে মাসে একবার রান্না করুন। মিষ্টি জাতীয় খাবারে রেস্ট্রিকশন থাকলে একই খাবার রোগীর জন্য আলাদা করে রান্না করুন। লবণ রেস্ট্রিকটেড হলে প্রথমে সামান্য লবণ দিয়ে তরকারী রান্না

শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারনত চামড়ার নিচে জমে থাকে। তবে পেটের মেদ লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে জ...
14/08/2016

শরীরের অন্য অংশের মেদ সাধারনত চামড়ার নিচে জমে থাকে। তবে পেটের মেদ লিভার, কিডনি ও অন্যান্য অভ্যন্তরীণ অঙ্গের সাথে লেগে জমে থাকে, যা অনেক সময় প্রান ঘাতি হয়ে দেখা দিতে পারে। পেটের মেদ এর সাথে হার্ট এর সমস্যা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস ও অন্যান্য সমস্যা এর জোরাল সম্পর্ক খুজে পাওয়া যায়।

আমরা অনেকেই পেট এর মেদ কমানোর জন্য বেলি স্ট্রোক অর্থাৎ পেটের মাংশ পেশি এর ব্যায়াম করে থাকি। এর ফলে পেটের মাংশ পেশি এর টোন বা আকৃতি সুন্দর হলে ও পেটের মেদ কমাতে তা খুব একটা কাজে দেয় না। পেটের মেদ কমাতে হলে প্রয়োজন পুরো শারীরিক ব্যায়াম। মনে রাখবেন, ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট হাল্কা জগিং বা জোরে হাটার পর রক্তে চলমান ফ্যাট শেষ হয়ে দেহে সঞ্চিত ফ্যাট ভাংতে থাকে। তাই এই ৪০ বা ৪৫ মিনিটের পর আপনি যদি ১০ বা ১৫ মিনিট ও জগিং বা জোরে হাঁটতে পারেন, তাহলেই প্রতিদিন একটু একটু করে আপনার জমান চর্বি কমতে থাকবে।

মনে রাখা প্রয়োজন, প্রথম দিন ই ৪০-৪৫ মিনিট জগিং শুরু করবেন না। এর ফলে আপনার শরীরে ব্যথা এসে যেতে পারে, ফলে আপনি পরবর্তীতে ব্যায়াম করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তাই প্রথম দিন ১০ মিনিট, পরের দিন ২০ মিনিট এভাবে সময় বাড়ান এবং ১ ঘণ্টা তে স্থির থাকুন। মনে রাখবেন, অতি দ্রুত ওজন কমানো গেলেও এতে হিতে বিপরিত হতে পারে। ওজন কমানোর মুল মন্ত্র হল মটিভেসন ও একাগ্রতা। এখন বলে রাখি, শুধু ব্যায়াম করলেই অনেক সময় মেদ কমে না, এর জন্য আপনাকে খাবার গ্রহনে সতর্ক হতে হবে। খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ জাতিও খাদ্য যেমন শাক সবজি রাখুন। চর্বি জাতিয় খাবার কম খান। ফাস্ট ফুড খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এটা তো বললাম জমান চর্বি কমানোর কথা। এখন বলব, যাদের পেটে তেমন মেদ নেই তবে ধিরে ধিরে বেড়ে যাচ্ছে তারা কি করবেন। সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রতি রাতে ঘুমাতে যাবার আগে যদি একজন বেক্তি মাত্র ১০ মিনিট আস্তে আস্তে হাঁটেন, তবে তার দেহে যে হরমন ও আঞ্জায়েম নিস্রিত হয়, তাতে সারা দিনে খাবারের সাথে গ্রহন করা সমস্ত অতিরিক্ত চর্বি রক্ত থেকে পরিস্রুত হয়ে যায় এবং দেহে জমতে পারে না। কেবল এই ১০ মিনিট হাটার কারনে যে পরিমান চর্বি জমতে বাধা পায়, তা যদি আমরা ব্যায়াম এর মাধ্যমে কমাতে চাইতাম, তার জন্য আমাদের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা এক নাগারে জোরে দৌড়াতে হত।

তাই নিয়ম মেনে পরিমিত ব্যায়াম করে গেলে ও খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন

22/06/2016

আপনার অযু কি সঠিক ...............?

অযু :
ইসলামের বিধান অনুসারে, অযু হল দেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। মুসলমানেরা নামাজের পূর্বে অযু করে নেয়। পবিত্র কোরানে আছে -“নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ তওবাকারীকে ভালবাসেন এবং যাহারা পবিত্র থাকে তহাদিগকেও ভালবাসেন।”

অযুর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা। আর শরীয়াতের পরিভাষায় পরিষ্কার পানি দ্বারা এক বিশেষ পদ্ধতিতে মুখমন্ডল, হাত ও পা ধৌত করা এবং মাথা মাসেহ্ করাকে অযু বলে।

(সূরা বাকারা,আয়াত:২২২)। কোরান শরীফ পড়তে ও স্পর্শ করতেও অযু করতে হয়। পবিত্র কোরানে আছে -“যাহারা পূত-পবিত্র তাহারা ব্যতীত অন্য কেহ তাহা স্পর্শ করো না।“(সূরা ওয়াক্কিয়াহ্‌, আয়াত:৭৯)। দেহ ও পরিধেয় কাপড়ের পবিত্রতা আর্জনকে বলে তাহারাত্‌। অযু বা গোসলের মাধ্যমে তাহারাত্‌ আর্জন করা যায়। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) বলেন – “পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ধর্মের অর্ধেক।“ (সহীহ মোসলিম)

পবিত্র কুরআনে সুরা মায়েদাতে আল্লাহ্ তায়ালা বলেন--
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ
অর্থ : “হে মুমিনগণ! যখন তোমরা সালাতের জন্য প্রস্তুত হবে, তখন তোমরা তোমাদের মুখ মন্ডল ও দুই হাত কনুই সহ ধৌত করবে,
এবং তোমাদের মাথা মাসেহ করবে, আর দুই পা গোড়ালীসহ ধৌত করবে।”[সূরা মায়িদাহঃ আয়াত-৬]
সুতরাং ওযুর গুরুত্ব অনেক।এই লেখাটাতে আমি চেষ্টা করব আপানাদের ওযুর সহীহ পদ্ধতি সম্পর্কে (ছবি সহ) পরিষ্কার ধারণা দিতে।
ওযুর ফরয চারটি :
১. মুখ মন্ডল ধৌত করা।
২. দুই হাত কনুই সহ ধৌত করা।
৩. মাথার চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ করা এবং
৪. দুই পা টাখনু সহ ধৌত করা।এছাড়াও আমরা যে মিসওয়াক করি, কব্জি পর্যন্ত হাত ধুই,গড়গড়া করি বা নাকে পানি দেই ইত্যাদি করি, এগুলো সুন্নত।
তাই পরিপূর্ণ ওযু করতে গেলে সময়ের এবং পানির অভাব না থাকলে, অবশ্যই এগুলোও পালন করতে হবে এবং তিনবার করে।
অযু নিয়ম :

১. “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম-আমি নামাযের উদ্দেশে পবিত্রতা লাভের উদ্দেশে ও আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ওযু করিতেছি” বলে প্রথমে দুই হাতের কবজি পর্যন্ত ধৌত করতে হবে। প্রথমে ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাত দিয়ে ডান হাতের কবজি পর্যন্ত তিনবার এবং এরপর ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কবজি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করতে হবে।

২. ডান হাতে পানি নিয়ে তা মুখে দিয়ে ভাল্ মত কুলি করতে হবে। এভাবে তিনবার, যেন কোন প্রকার খাদ্যকণা মুখের ভিতর না থাকে। [রোজা থাকা অবস্থায়ও এটাই করতে হবে, তবে অনেক হুঁশিয়ার থাকতে হবে যেন পানি পেটে না যায়]

৩. ডান হাতে পানি নিয়ে নাকে পানি দিয়ে বাম হাতের বৃদ্ধাংগুলি,আর কনিষ্ঠাংগুলি দ্বারা নাকের ভিতর পরিষ্কার করতে হবে।
এমনভাবে পানি প্রবেশ করাতে হবে যেন নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছায়। নাকের ভিতর কিছু থাকলে নাক ঝাড়তে হবে। এভাবে তিনবার। প্রতিবারই পরিষ্কার পানি দিতে হবে নাকে।

৪. এবারে মুখমন্ডল অর্থাৎ কপালের উপরে যেখান থেকে স্বাভাবিকভাবে মাথার চুল গজায় সেখান থেকে নিচের থুতনির নীচ পর্যন্ত এবং
এক কানের লতি থেকে আরেক কানের লতি পর্যন্ত মধ্যবর্তী স্থান, পানি দিয়ে তিনবার ধৌত করতে হবে। দাঁড়ি থাকলে তা খিলাল করতে হবে। যেন দাঁড়ি পরিষ্কার হয় এবং সম্ভব হলে দাঁড়ির গোড়ায় পানি পৌঁছায় (পাতলা দাঁড়ির ক্ষেত্রে). গোঁফের খেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এভাবে তিনবার করতে হবে।

৫. এবারে বাম হাত দিয়ে পানি দ্বারা ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ভালভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর একি ভাবে ডান হাত দিয়ে বাম হাতও পরিষ্কার করতে হবে। কারো হাতে আংটি থাকলে দেখতে হবে আংটির নিচেও যেন পানি প্রবেশ করে। নখেও যেন কোন ময়লা না থাকে।

৬. মাথা মাসেহ করাটা একটু খেয়াল করে করতে হবে। উপরের ছবির মত করে বৃদ্ধাংগুলি আর শাহাদাত আংগুলি আলাদা রেখে দুই হাত দিয়ে কপালে চুল শুরু হবার জায়গা থেকে পিছনে মাথার এক-চতুর্থাংশ মাসেহ করতে হবে। তারপর একই ভাবে হাত উল্টিয়ে মাথার তিন-চতুর্থাংশ পিছন থেকে সামনে মাসেহ করতে হবে। এবারে শাহাদাত আংগুলি দ্বারা কানের ভিতরের অংশ আর বৃদ্ধাংগুলি দ্বারা কানের বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে। এরপর হাতের পিছনের অংশ দিয়ে ঘাড় মাসেহ করতে হবে।

৭. এরপর ডান হাত দিয়ে পানি ঢেলে বাম হাত দিয়ে ডান পা টাখনু বা গোঁড়ালি পর্যন্ত ভালভাবে পরিষ্কার করতে হবে এমনভাবে যেন আংগুলের ভিতরও কোন ময়লা না থাকে। প্রথমে ডান পায়ের কনিষ্ঠ আংগুল থেকে খিলাল করতে হবে, বাম পা এর ক্ষেত্রে বৃদ্ধাংগুলি থেকে শুরু করতে হবে। এভাবে তিনবার।

ওযু শেষ হবার পর নিচের দু’আ পড়তে হবে- أَََشْهَدُ أَنْ لا إلَه إِلّا الله وَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ
”আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু-লা-শারীকা লাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আ’বদুহু-ওয়া রাসূলুহু।”
অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন মা’বুদ নাই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর বান্দাহ ও রাসূল।
প্রিয় বন্ধুরা! অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট। অযুর গুরুত্ব অনেক, কিন্তু আমরা অনেকেই অযুর সঠিক নিয়ম জানি না, জানতে চেষ্টাও করি না
.......আপনার মাঝে share করুন।

17/06/2016

বুক জ্বালা ও এসিডিটিঃ কি খাবেন, কি খাবেন না।.........

সাইট্রাস বা লেবু জাতীয় ফলের বিশেষ দুর্নাম রয়েছে বুকজ্বালার পেছনে।
খালি পেটে সরাসরি টক কিছু খুব একটা বেশি খাওয়া ঠিক হবে না।
লেবুতে রয়েছে এসিড যা পাকস্থলির এসিডের সাথে মিলে এসিডিটির কস্ট বাড়িয়ে দেবে।
বাঙালীরা এমনিতেই মশলা যুক্ত খাবার পছন্দ করি।
এসিডিটির হাত থেকে বাঁচতে না হয় পেয়াজ, রসুন, মরিচ বা গোল মরিচ একটু কমই খাই। এসব মশলা বুক জ্বালা বাড়ানোর মহৌষধ! টমেটোকে হয়তো বেশীরভাগ মানুষই নিরাপদ বলে মনে করবো কিন্তু দেখা গেছে টমেটো সস বা অধিক টমেটো সহকারে রান্না খাবারে বুক জ্বালা বাড়তে পারে।
আমিষের মাঝে অল্প চর্বি যুক্ত খাবারই উত্তম।
মাছ খেতে পারেন ইচ্ছামতো।
মুরগী বেছে নিতে পারেন। সমস্যা সেই গরু-খাসিতে। এগুলোর ব্যাপারে সতর্ক হোন।
মিস্টি পছন্দ? চকোলেট খেতে ভালবাসেন? সতর্ক হতে হবে এর ব্যাপারে।
চকোলেটেরও রয়েছে বদনাম এসিডিটির পেছনে।
খেতে হবে কম করে। একবারে বেশি করে খেলে এসিডিটির প্রকোপ বাড়ে। রাতে ঘুমাতে যাবার বেশ কয়েক ঘন্টা আগেই সেরে ফেলুন নৈশভোজ।
না হলে ঘুমের মাঝে বুক জ্বালা করতে পারে। কফি; শক্তি জোগাতে যার জুড়ি নেই।
সাবধান থাকতে হবে কফির ক্ষেত্রেও। দিনে এক বা দুকাপ কফিতে মানা নেই তবে এর বেশি পান করলে এসিডিটি আপনাকে নাও ছাড়তে পারে। কার্বোনেটেড বেভারেজ বা কোল্ড ড্রিঙ্ক, খুবই খারাপ পানীয়।
বুক জ্বালাপোড়া করার পেছনে অতিরিক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস পানের অবদান অনেক।

খুব কম বাংলাদেশিই মদ পান করেন। যারা করে থাকেন তারা মনে রাখবেন মদ পানে এসিডিটি বাড়ে।

জেনে নেবো এসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় বন্ধু খাবারের নামঃ সকালের নাস্তায় রাখতে পারেন চিড়া, দই, ওটমিল। ফল খেতে পারেন পাকা কলা, ফুটি বা বাঙ্গি। চিড়া, মুড়ি এগুলোরও রয়েছে এসিড শুষে নেওয়ার ভালো ক্ষমতা।

তেল, ভাজি পোড়া যত পারুন কম খান। বাইরের সুস্বাদু খাবার দেখলেই খেতে চাওয়ার ইচ্ছা সামলাতে হবে। আমিষের মাঝে ডিম বা মাছে কোন সমস্যা নেই। মুরগী নিয়েও কোন আপত্তি করেন না ডাক্তাররা।
গরু-খাসী খেতে হলে যথাসম্ভব তেল বাদ দিয়ে রান্না করতে হবে। সালাদ যদি হয় টমেটো বা পিয়াজ ছাড়া তবে খেতে পারেন যত খুশি।
ভেষজ উদ্ভিদ ঘৃতকুমারী আমাদের খুব পরিচিত একটি নাম। ঘৃতকুমারীর শরবতের সুনাম রয়েছে বুকের জ্বালা পোড়া কমাতে।
পানীয়ের মাঝে নিতে পারেন লেবু বা কমলা ছাড়া আপেল জুস, ম্যাঙ্গো জুস, বেরি জুস। কোল্ড ড্রিঙ্কস বাদ দিয়ে পান করুন পানি বা হারবাল চা।

ফুলকপি, পাতাকপি, আলু, ব্রুকলি, শালগম, লাউ, কুমড়া, সবুজ বিভিন্ন শাক প্রভৃতি সবুজ সবজি খেতে পারেন নির্দ্বিধায়। দুধে সমস্যা না থাকলেও দুগ্ধজাত মাখন, ঘি নিয়ে ঝামেলা আছে। মাখন, ঘি, পনির খেলে হিসাব রেখে খাবেন।

খুব সাধারণ প্রতিদিনের সমস্যা এই এসিডিটি বা বুক জ্বালা।
খাবার গ্রহনে একটু সচেতন হলেই আমরা পারি অনেকটা মুক্ত থাকতে এই সমস্যা থেকে। নিজেকেই খেয়াল করতে হবে কোন বিশেষ খাবারে বুক জ্বালা বাড়ছে, সেসব খাবার থেকে দূরে থাকতে হবে

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুন......১. ফ্রিজে বরফের কিউব পাত্রে সাধারণ পানিতে গোলাপ মিশিয়ে জমতে দিন। দিনের শেষে ঘুমানোর আ...
13/06/2016

চোখের নিচের কালো দাগ দূর করুন......

১. ফ্রিজে বরফের কিউব পাত্রে সাধারণ পানিতে গোলাপ মিশিয়ে জমতে দিন। দিনের শেষে ঘুমানোর আগে একটুকরো বরফ একটি রুমালে পেঁচিয়ে চোখের চারি দিকে ঘষুন। আপনি গ্রিন টি লিকারও ব্যবহার করতে পারেন পানির বদলে। এটি আপনার চোখের কালো দাগ দূর করতেই সাহায্য করবে না বরং চোখের ক্লান্তিও দূর করবে।

২. দুটি পরিষ্কার তুলো নিন, গোলাপ জলে তা ভিজিয়ে নিন। এবার দুই চোখের উপরে তুলো দিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৩. বাদাম তেল অল্প করে নিয়ে চোখের চার দিকে ম্যাসেজ করুন, নিয়মিত ভাবে এটি দিনে একবার করলে কালো দাগ হালকা হবে।

৪. ৭-৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। ঘুম ঠিক মত না হবার জন্যও কিন্তু আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে।

৫. কিছু আলু কেটে থেতলে নিন। আলুর রস টুকু নিংড়ে নিন একটি পাত্রে। তুলো ভিজিয়ে নিন আলুর রসে এবং তা চোখে হালকা চেপে শুয়ে থাকুন ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৬. প্রচুর পানি পান করতে হবে। আপনারা যারাই রূপচর্চা সম্পর্কে পড়ে থাকেন, তারা দেখে থাকবেন বার বার পানি বেশি করে পান করতে বলা হয় পানি বেশি করে পান করা শুধু আমাদের রুপচর্চারই অংশ নয় বরং আমাদের সুস্থ থাকার একটা উপায়। এখন অনেক গরম পরেছে তাই বেশি করে পানি পান করুন আর সুস্থ থাকুন।

৭. শশার পাতলা পাতলা টুকরা করুন। চোখের উপরে দিন, ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। আজকাল কম বেশি সবাই গ্রিন টি পান করে থাকেন এ টি ব্যাগ গুলো ফেলে না দিয়ে চোখের উপরে দিয়ে রাখতে পারেন এটি আমাদের চোখের নিচে ফোলা ভাব কমায় এবং চোখের নিচের চামড়া টান টান করে যার ফলে বয়সের বলিরেখা কমে যায়।

13/06/2016

ব্রন থেকে মুক্তি................

পরিচ্ছন্ন একটি মুখ আমরা সবাই চাই। কিন্তু চাওয়া আর পাওয়া সব সময় এক হয় না। মাঝে মাঝে এর ব্যত্তয় ঘটে। যা আমাদের পক্ষে মেনে নেয়া কষ্টের ব্যপার বটে। সাধারণত টিনেজরাই বেশি ভোগে।

গবেষণায় দেখা গেছে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্রণ বংশগত। একে অনেকেই pimple, zit বা spot বলে থাকে। বাজারে ব্রণ দূর করার জন্য নানারকম ঔষধ পাওয়া যায়। সেগুলো ব্যবহার করার আগে আসুন কিছু ঘরোয়া অনুসরন করি।

১. বরফ ব্যাবহারঃ মুখে উপর বরফ ঘষুন ১০ মিনিটের মত । এতে ব্রন কম বের হবে এবং ইতিমধ্যে যদি ব্রন বেরিয়েও থাকে, কমে যাবে ।

২. টুথপেস্ট ব্যবহারঃ ব্রনের উপর সামান্য করে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন সারারাত । সকালে ধুয়ে ফেলুন । এতে ব্রন আকারে কমে যাবে । এবং শুকিয়েও যাবে ।

৩. রসুন ব্যবহারঃ ব্রনের উপরে এবং চারপাশে কাচা রসুন ঘষে দিন । এতে খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এবং দাগ ও অনেক কমে যাবে ।

৪. কমলার খোসা ব্যবহারঃ কমলার খোসা বেটে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন । ব্রন কমে যাবে ।

৫. মধু ব্যবহারঃ ব্রন ওঠার সাথে সাথে এর উপরে মধু লাগিয়ে দিন । এটা আর বাড়তে পারবে না ।

৬. কাগজি লেবু ব্যবহারঃ ঘুমানোর আগে মুখে কাগজি লেবুর রস মাখুন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন । মুখ ব্রন মুক্ত থাকবে ।

৭. ভিনেগার ব্যবহারঃ সামান্য পানি এবং ভিনেগার প্রথমে গরম করুন একসাথে । তারপর ঠাণ্ডা করে এই মিশ্রন মুখে ব্যবহার করুন । ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন ।

৮. আলু ব্যবহারঃ আলু স্লাইস করে কেটে ব্রনের উপর ঘষুন ৫-৭ মিনিট । ব্রনের আকার অনেক কমে যাবে ।

৯. শশা ব্যবহারঃ শশা থেতো করে সামান্য লেবুর রস একসাথে করে মিশিয়ে নিন এবং মুখে লাগান । আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন । ব্রন হবে না । থাক্লেও অনেক কমে যাবে ।

১০. মুখের পরিচ্ছন্নতাঃ ভাল ফেস ওয়াশ দিয়ে দিনে অন্তত ২ বার মুখ ভাল করে পরিস্কার করবেন । মুখে কখনই সাবান ব্যবহার করবেন না । নোংরা কাজ করার পর এবং প্রতিবার বাইরে থেকে এসে ভাল করে মুখ ধোবেন ।

১১. চোখের ড্রপ ব্যবহারঃ খুবই কার্যকরী পদ্ধতি । ব্রনের উপর ১ ফোটা করে ইউজ করলেই অনেক কমে যাবে

Address

Chouddagram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Soykat Drug House posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category