18/06/2022
যক্ষ্মা নির্ণয়ে আধুনিক পরীক্ষা এখন । সরকার ডায়াগনস্টিক এন্ড টেলিমেডিসিন সেন্টার এ
যক্ষ্মা একটি সংক্রামক রোগ, যা মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলসিস নামক অতি সূক্ষ্ম জীবাণুর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশে নতুন মোট ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৪৪ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছে। ২০১০ সালে বাংলাদেশে যক্ষ্মা রোগে আনুমানিক মৃত্যু ছিল প্রতি লাখে ৫৪ জন, যা খুব ভয়ংকর একটি তথ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল টিবি রিপোর্ট-২০২০ অনুযায়ী, ২০২০ সালে সকল প্রকার যক্ষ্মা রোগীর অনুমিত সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার জন।
যক্ষ্মা সাধারণত দুই রকম হয়।দুই রকম আমরা বলি। একটি হলো পালমোনারি টিবি, আরেকটি হলো এক্সট্রা পালমোনারি টিবি। পালমোনারি টিবি বলতে আমরা ফুসফুসের যক্ষ্মা বুঝি। আমরা যক্ষ্মা মানে সবাই এটি বুঝি যে ফুসফুসের যক্ষ্মা। তবে ফুসফুস ছাড়াও শরীরের যেকোনো অঙ্গে যক্ষ্মা হতে পারে। যেমন হাড়ে হতে পারে, লিভারে হতে পারে। মস্তিষ্কের মধ্যে হতে পারে, পাকস্থলীতেও হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রেও হতে পারে। গ্ল্যান্ডে টিবি হয়।
যক্ষ্মা রোগ নির্ণয়ের অন্যতম পদ্ধতি হলো কফ পরীক্ষা করা এবং বুকের X-ray করা। এই দুই ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক সময় X-ray তে যক্ষ্মা রোগের লক্ষণ সঠিকভাবে প্রকাশ পায় না এবং কফের মধ্যে জীবাণু পাওয়ার হার অনেক কম। এছাড়াও ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে যক্ষ্মারোগ নির্ণয়ের জন্য High Degree of suspicion দরকার। তাই সরকার ডায়াগনস্টিক এন্ড টেলিমেডিসিন সেন্টার নিয়ে এসেছে যক্ষ্মা নির্ণয়ের আধুনিক পরীক্ষা যা আপনি পাবেন সরকার ডায়াগনস্টিক এন্ড টেলিমেডিসিন সেন্টার,ছালিয়াকান্দি বাযার,মুরাদনগর ,কুমিল্লা
মোবাইলঃ০১৯১০৫০১০৬০
০১৭২৭৭৭৯৫১২