Skin care by Dr. Nishat Nujat Niloy

Skin care by Dr. Nishat Nujat Niloy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Skin care by Dr. Nishat Nujat Niloy, Doctor, Cox's Bazar.

ডাঃ নিশাত নুজাত নিলয়
এমবিবিএস, ডিডি (Ireland)
পিজিটি (চর্ম ও যৌনরোগ)
Certified in Facial Aesthetics

চেম্বারঃ ইউনিয়ন হাসপাতাল কক্সবাজার

সময়ঃ
প্রতিদিন সকাল ১০-১টা
সোম, মঙ্গল, বুধ সকালে ও বিকালে ৪-৮টা
(শুক্রবার বন্ধ)

সিরিয়ালঃ 01533585075, 01889100305

একদম আক্ষরিক অর্থে "বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ" দেখলাম!
27/08/2026

একদম আক্ষরিক অর্থে "বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ" দেখলাম!

25/08/2026

📢 জরুরী ঘোষণা: 📢

আগামীকাল বুধবার ও বৃহস্পতিবার (২৬,২৭ তারিখ) চেম্বার বন্ধ থাকবে। আগামী শনিবার থেকে আবার নিয়মিত চেম্বার খোলা থাকবে ইন শা আল্লাহ।
সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

এক ভদ্রমহিলা চেম্বারে আসলেন টিকেটে বয়স দেওয়া ৩০ বছর৷ ঢুকেই বললেন, "ম্যাডাম, আমার বাচ্চা সিজার হয়েছে। আমি বাচ্চাকে ঘুম পা...
22/08/2026

এক ভদ্রমহিলা চেম্বারে আসলেন টিকেটে বয়স দেওয়া ৩০ বছর৷ ঢুকেই বললেন,

"ম্যাডাম, আমার বাচ্চা সিজার হয়েছে। আমি বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে এসেছি তাই একটু তাড়াতাড়ি দেখিয়ে চলে যেতে হবে।"

আমি বললাম,
"আপনার মাত্র বাচ্চা হয়েছে? বাচ্চার বয়স কয় দিন?"

রোগীঃ "আমার বাচ্চার বয়স ১৮ বছর।"

আমিঃ "আপনার বাচ্চার বয়স ১৮ বছর! আপনার বয়স কত?"

রোগীঃ "আমার ৩০ বছর।"

আমিঃ "তার মানে আপনার ১২ বছর বয়সে বাচ্চা হয়েছে?"

রোগীঃ "জি না, আমার ১৯ বছর বয়সে বিয়ে হয়েছে, এর পরের বছর বাচ্চা হয়েছে।"

আমিঃ "তাহলে আপনার ২০ বছর বয়সে বাচ্চা হয়েছে, সেই বাচ্চার বয়স এখন ১৮ বছর হলে আপনার বয়স তো ৩৮ হওয়ার কথা!"

রোগীঃ "আমার বয়স তো ৩০ বছর!"

এতক্ষণে হিসাব মিলাতে মিলাতে আমার মাথার চুল ছিড়ার অবস্থা।

আমিঃ "এক মিনিট! আপনি না একটু আগে বললেন আপনার সিজার হয়েছে? তার মানে আপনার ছোট বাচ্চা আছে। ছোটটার বয়স কত? "

রোগীঃ "ছোটটার বয়স ১০ বছর।"

আমিঃ "তাহলে সিজার হলো কখন আপনার?!"

রোগীঃ "সিজার তো আমার না, আমার ছেলের!"

ছেলের কিভাবে সিজার হয় এই চিন্তা করতে করতে আমি নিজের মাথার চুল সব ছিড়ে ফেলার আগেই তার বাচ্চাকাচ্চার হিসাব বাদ দিয়ে তার রোগ দেখে প্রেসক্রিপশন বুঝিয়ে দেওয়া শুরু করলাম। তিনি প্রেসক্রিপশন বুঝে নিতে মনোযোগ না দিয়ে বার বার বলতে লাগলেন,

"বাচ্চাকে ঘুম পাড়িয়ে এসেছি তাড়াতাড়ি করেন ম্যাডাম।"

আমিঃ "তাহলে আপনি তাড়াতাড়ি চলে যান, প্রেসক্রিপশনে সব লিখা আছে, ওষুধ কেনার সময় ফার্মেসীওয়ালা থেকে ওষুধ বুঝে নিয়েন।"

রোগীঃ "না, আপনিই বুঝিয়ে দেন।"

আমি আবারো ওষুধ বোঝানোর চেষ্টা করলাম।

তিনি আবারো আমাকে অর্ধেকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,

"কোনটা কয় বেলা, খালিপেটে/ ভরাপেটে কোনটা সব প্রেসক্রিপশনে লিখে দিয়েছেন না?"

আমি হতাশ চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম।

এরপরেও সবাই বলবে ডাক্তারদের ধৈর্য নাই!!

নিউজফিড জুড়ে কফি এনেমা আর পিংক কালার বাসে ভর্তি। কফি এনেমা দেখতে দেখতে কফির প্রতি রুচি উঠে গেছে! আর পিংক বাস দেখতে দেখতে...
20/08/2026

নিউজফিড জুড়ে কফি এনেমা আর পিংক কালার বাসে ভর্তি। কফি এনেমা দেখতে দেখতে কফির প্রতি রুচি উঠে গেছে! আর পিংক বাস দেখতে দেখতে চোখ এতই টায়ার্ড হয়ে গেছে যে আশেপাশের সব কিছুই গোলাপী গোলাপী দেখছি। 😪

একটা "দাম জানতে ইনবক্সে আসেন" টাইপ পেইজে হিজাবের দাম জিগেস করে নক দিলাম। তারা লম্বা একটা লিস্ট ধরিয়ে দিল! সেইম হিজাব নরম...
19/08/2026

একটা "দাম জানতে ইনবক্সে আসেন" টাইপ পেইজে হিজাবের দাম জিগেস করে নক দিলাম। তারা লম্বা একটা লিস্ট ধরিয়ে দিল! সেইম হিজাব নরমাল কোয়ালিটির ৫৫০ টাকা। তার চেয়ে একটু ভালো কোয়ালিটির ফেব্রিক ৬০০ টাকা। ওই ভালো কোয়ালিটির ফেব্রিকে হিজাবের লম্বা আরেকটু বাড়ালে ৬৫০ টাকা। তার চেয়ে আরো ভালো কোয়ালিটির নিলে ৭২০ টাকা। ওই আরো ভালো কোয়ালিটির মধ্যে আরো লম্বা বাড়ালে ৯০০ টাকা!

মাথা ঘুরে গেলো! সামান্য একটা হিজাবে এতো অপশন! বুঝলাম পুরানো বিজনেস টেকনিক। কাস্টমারকে কম দামী/বেশি দামী, ভালো/খারাপ বিভিন্ন রকম অপশন দিয়ে কনফিউজড করা হয়। অবশেষে সবাই দাম একটু বাড়িয়ে দিয়ে সবচেয়ে ভালোটাই চুজ করবে। আর মনে মনে নিজেকে অতি চালাক ভেবে শান্তি পাবেন যে আমি সবচেয়ে ভালোটাই নিলাম। অথচ সরাসরি ৯০০ টাকারটা আগে বললে আপনি নিতেন না।

যাক, আমি আরো এক ধাপ চালাক হয়ে এতো অপশন দেওয়ার পরেও এক লাফে পেইজ থেকে না নিয়ে বের হয়ে এলাম। দোকানে গেলে না কেনার জন্য যে দোকানদারকে বলি "একটু রাখেন, আমি আরেকটু ঘুরে আসি" সেটার অনলাইন ভার্সন আর কি।

আজ ও.পি.ডি তে রোগী দেখলাম ৫২৫ জন.. এদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জন নিজেদের রোগ এবং চিকিৎসা দুটোই জানেন.. ক্যালসিয়াম, ভিটামিন আর ...
18/08/2026

আজ ও.পি.ডি তে রোগী দেখলাম ৫২৫ জন..
এদের মধ্যে প্রায় ৩০০ জন নিজেদের রোগ এবং চিকিৎসা দুটোই জানেন.. ক্যালসিয়াম, ভিটামিন আর গ্যাসের পাতা..
দুইটা কৃমির ওষুধ, ১ পাতা মেট্রো আর ডমপেরিডন.. বাকি শ খানেক আমাদের সম্মান করে সরাসরি মেডিসিনের নাম বলেন না, কিছু সমস্যা বানিয়ে বানিয়ে বলেন... যেমন: মাঝেমধ্যে পাতলা পায়খানা হয়, মাঝে মাঝে পেট ব্যাথা করে.. কাজ করলে দূর্বল লাগে..ক্যালসিয়ামের ঘাটতি.. ইত্যাদি...

দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখায়, পেশেন্ট তার সমস্যা বলতে শুরু করলেই বুঝতে পারি, কার প্রকৃত মেডিকেল এটেনশন প্রয়োজন আর কে শুধুমাত্র মেডিসিন নেয়ার জন্য হাসপাতালে এসেছেন...

আজ ভাবলাম, প্রকৃত মেডিকেল এটেনশন দরকার এমন পেশেন্ট কতজন সেটা গুনে রাখবো... ট্যালি করা শুরু করলাম...

প্রথম ৫০ জন পেশেন্ট দেখার পর এমন পেশেন্ট পেলাম মাত্র ২ জন... দুজনই চর্মরোগ এর পেশেন্ট... গুনতে থাকলাম... যখন ৫২৫ জন পেশেন্ট দেখা শেষ করলাম, এমন প্রকৃত রোগীর সংখ্যা যেটা দাঁড়ালো, সেটা টনক নড়ার মতো.. মাত্র ৪৫ জন.. যার মধ্যে ৩০ জনই চর্মরোগ এর পেশেন্ট...

কী ভয়াবহ চিত্র!! তাহলে এই আসল রোগীরা কই যায়??
আসলে যাদের সত্যিকার অর্থেই কনসাল্টেশন দরকার, তারা অপেক্ষা করেন বিকেল হওয়ার... বিকেলে তারা ইমার্জেন্সিতে আসেন... এখানে দীর্ঘক্ষন লাইনে দাঁড়াতে হয় না... আসলেই অল্প সময়ের মধ্যে সেবা পাওয়া যায়..
কিন্তু সমস্যাটা হয় সেখানেই... ইমার্জেন্সিতে যখন ওপিডি পেশেন্ট এর সংখ্যা বাড়ে, সেটা জরুরী রোগীর সেবাকে বিঘ্ন করে... অনেক সময় সেটা মারাত্মকভাবে... ৩০-৪০ জন একসাথে ডাক্তারকে ঘিরে ধরেন... এর মধ্যে কোনো বাচ্চা severe pneumonia নিয়ে এসেছে, কোনোটা সাধারন সর্দি-জ্বর.. কেউ এসেছেন Hypovolemic shock নিয়ে, আবার কারো কোনো dehydration এর লক্ষন নেই... কেউ ডায়াবেটিস রিপোর্ট দেখাতে এসেছেন, কেউ হাইপোগ্লাইসেমিক শক অথবা DKA এর মতো ইমার্জেন্সি...
কেউ এসেছেন ১০ টাকায় ব্লাড প্রেশার মাপতে, আবার কারো Hypertensive emergency... কারো হালকা ছিলে গেছে, আবার কেউ Accident করে মরনাপন্ন অবস্থায়...
এর পাশাপাশি অসংখ্য মেডিকোলিগ্যাল কেইস তো আছেই...
কিন্তু সবার একটাই দাবী, আমার রোগী সিরিয়াস এবং আমার রোগীকেই আগে দেখতে হবে... এভাবে একজন রোগীর সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করা কি আদৌ সম্ভব?

৫০ বেডের আংশিক জনবল দিয়ে ২০০ এর অধিক ভর্তি রোগীর সব সুবিধা কি আসলেই পূরণ করা সম্ভব?

ফ্রি মেডিসিনের বিকল্প ভাবার সময় এসেছে... আমি বলছিনা, সরকার মেডিসিন ফ্রি দিবেনা... তবে শুধুমাত্র ক্যালসিয়াম ভিটামিন নেয়ার জন্য এত এত মানুষের ভীড় কমানো না গেলে, সঠিক সেবা নিশ্চিত করা কঠিন...

(C: Dr. Shagor Dey)

17/08/2026

আমার ছোটবেলা থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার ইচ্ছা ছিল। সবাই যা করে, তার চেয়ে আনকমন কিছু করা ছিল আমার স্বভাব। তাই সবাই যেহেতু ডাক্তার হতে চাইতো, আমিও সবার মতো ডাক্তার হতে চাইলে আনকমন হবো কিভাবে! কাজেই আমাকে ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে।

এইচএসসি পরীক্ষা দিয়ে বুয়েটের কোচিংয়ে ভর্তি হলাম। তখন জীবনের একটা কঠিন সত্য জানতে পারলাম যে আমি আসলে অংক কম বুঝি। অংক, ফিজিক্স এসব আমার একেবারেই ভালো লাগে না, এসব আমার জন্যও না। কোচিং-এ যখন পড়ায় মনে হচ্ছিল চায়নিজ ভাষায় পড়াচ্ছে, মাথার উপর দিয়ে যায়! বায়োলজি বই খুলে দেখলাম এটাই আসলে আমার কমফোর্ট জোন। তখন বুঝলাম আমাকে ইঞ্জিনিয়ারিং না বরং মেডিকেলে পরীক্ষা দিতে হবে। ততোদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে, তারপরেও বুয়েটের কোচিংকে টা টা বায় বায় দিয়ে মেডিকেলের কোচিং-এ ভর্তি হলাম।

কিন্তু সবার মতো ডাক্তার হয়ে গেলে মানসম্মান থাকবে কেমনে! আনকমনও হওয়া যাবে না। তাই ভর্তি পরীক্ষার সময় ঘ্যানঘ্যান করলাম আমি চারুকলায় পরীক্ষা দিব। কাঁধে চটের থলে ঝুলিয়ে নিয়ে ছবি এঁকে বেড়াবো, কতো কুল আর আনকমন হবে! পরিবার থেকে আমার এই প্রস্তাব এক কথায় উড়িয়ে দেওয়া হলো। এরপর কিভাবে জানি ডাক্তার হয়ে গেলাম এই আর কি৷

এখন বুঝি আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যই করেন। এতো কথা বলার উদ্দেশ্য হলো, যারা এইচএসসি দিচ্ছো তারা ফিজিক্স আর ম্যাথ ভালো লাগলে ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রাই করতে পারো, আর বায়োলজি ভালো লাগলে মেডিক্যাল ট্রাই করতে পারো। আমার মতো আনকমন হতে গিয়ে যাতে সময় নষ্ট না হয়। তবে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ারই হতে হবে এমন কোন গৎবাঁধা কথা নেই। যা ভালো লাগবে, যা করতে আনন্দ লাগে প্রফেশন হিসেবে সেটাই পছন্দ করা উচিত।

ডেংগু রোগীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্রিটিকাল সময় হলো জ্বর ভালো হয়ে যাওয়ার পরবর্তী ২-৩ দিন সময়টা। অনেকে জ্বর নেমে গেলে স্বস্তির ...
16/08/2026

ডেংগু রোগীর ক্ষেত্রে সবচেয়ে ক্রিটিকাল সময় হলো জ্বর ভালো হয়ে যাওয়ার পরবর্তী ২-৩ দিন সময়টা। অনেকে জ্বর নেমে গেলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে। কিন্তু বেশিরভাগ ডেংগু রোগী হঠাৎ করে খারাপ হয়ে যায় ওই সময়টাতে। কারণ জ্বর নেমে যাওয়ার পরেই অনেক রোগীর রক্তনালী থেকে প্লাজমা বের হয়ে যাওয়া শুরু হয়। রোগী তখন শ*কে চলে যেতে পারে। তাই জ্বর ভালো হওয়ার পরের ২-৩ দিন রোগীকে আরো বেশি খেয়াল রাখুন।

15/08/2026

আগে অতি চিন্তিত এক স্ত্রীর কথা বলেছিলাম। এবার পেলাম অতি চিন্তিত স্বামী!
আরেক স্বামী স্ত্রী আসলেন চেম্বারে। এবার রোগী স্ত্রী, রোগ বর্ণনা করছেন স্বামী। স্ত্রীর অন্য এলার্জি ছিল, তার চিকিৎসা দেওয়ার পর স্বামী জিগেস করলেন রেগুলার কি কি স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা যাবে? বলেই তিনি একের পর এক দামী দামী কসমেটিকস এর ছবি আমাকে দেখাচ্ছেন আর বলছেন এখন তার স্ত্রী এটা এটা ব্যবহার করছে! দেখে ভালো লাগলো ভদ্রলোক স্ত্রীর পেছনে টাকা খরচ করতে কার্পণ্য করেন না, তাছাড়া স্ত্রীর স্কিন কেয়ারের প্রতিও যথেষ্ট যত্নশীল!

এরপর তিনি একটা ময়েশ্চারাইজার এর ছবি বের করে জানালেন এটা এখন তার স্ত্রী হাতে মাখছে। আমি শুনে আৎকে উঠলাম। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। কারণ এই ক্রিমের দাম কমপক্ষে ৪৮০০ টাকা! আমি বললাম, "এতো দামী ক্রিম মানুষ মুখে মাখার আগে ১০০ বার চিন্তা করে! আর আপনি হাতে মাখছেন মানে?! স্বামী বললেন, "ম্যাডাম, ও মুখেও মাখে, হাতেও মাখে।" আমি কোনভাবে বললাম, "আপনারা তো প্রচুর বড়লোক!" স্বামী লাজুক লাজুক হাসি দিলেন! আমি বললাম, "মুখে দিয়েন, হাতে মাখার দরকার নাই।"

যাক, কিছুক্ষণ মুগ্ধ হয়ে স্বামী-স্ত্রীকে দেখলাম। এতো বড়লোক্স মানুষজনের সচরাচর দেখা পাওয়া যায় না! আর টাকা থাকলেই বউয়ের পেছনে ঢালেই বা কয়জন! দুয়া করলাম এই স্বামী যাতে স্ত্রীর জন্য সারাজীবন এমনই থাকেন।

এটা কি, কেন করা হয়, কে কে বলতে পারবেন? যারা যারা জানেন কমেন্ট করেন তো দেখি, বাকিরাও জানুক। (আর যারা জানেন না, এটা সম্পর্...
14/08/2026

এটা কি, কেন করা হয়, কে কে বলতে পারবেন? যারা যারা জানেন কমেন্ট করেন তো দেখি, বাকিরাও জানুক।

(আর যারা জানেন না, এটা সম্পর্কে আগেও পোস্ট করেছিলাম তারা সেটা খুঁজে বের করে পড়ে আসতে পারেন।)

Address

Cox's Bazar
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Skin care by Dr. Nishat Nujat Niloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category