Dr.Md.Shahadat Hossain

Dr.Md.Shahadat Hossain Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Md.Shahadat Hossain, Doctor, Al Aqsa Hospital, Laksam, Cumilla.

ডাঃ মোঃ শাহাদাত হোছাইন
এইচএমও,চর্ম ও যৌন বিভাগ-
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল।
মেডিসিন,সেক্সুয়াল মেডিসিন (যৌন),এলার্জি, চর্ম, কুষ্ঠ রোগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও এস্থেটিক ডার্মাটোলজিস্ট।
চেম্বারঃ
লাকসাম আল আকসা হসপিটাল,লাকসাম।
সিরিয়ালের জন্যঃ 01814-400333

ছোট বাচ্চাদের Scabies (খোসপাঁচড়া)।ইদানীং ছোট বাচ্চাদের মধ্যে Scabies বা খোসপাঁচড়ার প্রকোপ বেশ দেখা যাচ্ছে। এটি একটি অত...
15/06/2026

ছোট বাচ্চাদের Scabies (খোসপাঁচড়া)।
ইদানীং ছোট বাচ্চাদের মধ্যে Scabies বা খোসপাঁচড়ার প্রকোপ বেশ দেখা যাচ্ছে। এটি একটি অতি ছোঁয়াচে চর্মরোগ, যা 'Sarcoptes scabiei' নামক একধরণের ক্ষুদ্র মাইট বা জীবাণুর কারণে হয়ে থাকে।

বাচ্চাদের Scabies চেনার উপায়:

​তীব্র চুলকানি:
বিশেষ করে রাতে চুলকানির তীব্রতা অনেক বেড়ে যায়, যার কারণে বাচ্চা ঘুমাতে পারে না এবং কান্নাকাটি করে।

​ছোট ছোট গোটা:
আঙুলের ফাঁকে, কবজিতে, কনুইতে, বগলে, নাভির চারপাশে এবং কুচকিতে ছোট ছোট লালচে গোটা বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

​ত্বকের সংক্রমণ:
অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে নখের আঁচড়ে অনেক সময় সেখানে ইনফেকশন হয়ে পুঁজ জমতে পারে।

​ অভিভাবক হিসেবে আপনার করণীয়:

​১. দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন:
বাচ্চার চুলকানি হলে নিজে নিজে কোনো মলম বা ওষুধ ব্যবহার না করে দ্রুত একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২. পরিবারের সবার একসাথে চিকিৎসা:
যেহেতু এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে, তাই আক্রান্ত বাচ্চার সাথে পরিবারের অন্য সদস্যদের (বিশেষ করে মা-বাবা বা ভাইবোন) চুলকানি না থাকলেও সবাইকে একসাথে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা মলম ব্যবহার করতে হবে।

৩. কাপড়-চোপড় জীবাণুমুক্ত করা:
বাচ্চার ব্যবহৃত বিছানার চাদর, বালিশের কভার, তোয়ালে এবং কাপড়-চোপড় গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকাতে হবে অথবা ইস্ত্রি (Iron) করে নিতে হবে।

৪. আলাদা রাখা:
আক্রান্ত বাচ্চার সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত তাকে অন্য বাচ্চাদের সাথে মেলামেশা বা একই বিছানায় ঘুমাতে দেওয়া থেকে বিরত রাখুন।

৫. নখ ছোট রাখুন:
বাচ্চার নখ সবসময় ছোট ও পরিষ্কার রাখুন, যেন চুলকানোর সময় ত্বক কেটে গিয়ে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন না হয়।

​ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে যেকোনো চুলকানির মলম (বিশেষ করে স্টেরয়েড জাতীয় মলম) কিনে বাচ্চার ত্বকে লাগাবেন না। এতে রোগটি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
​সচেতন হোন, আপনার সোনামণিকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন।

স্বাস্থ্য পরামর্শেঃ
ডাঃ শাহাদাত হোছাইন
লাকসাম আল আকসা হসপিটাল
লাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল

মোবাইলঃ 01814400333

ইনশা-আল্লাহ, আজকে বিকাল তিনটা থেকে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে থাকবো।প্রয়োজনের যোগাযোগঃ 01814400333
15/06/2026

ইনশা-আল্লাহ, আজকে বিকাল তিনটা থেকে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে থাকবো।
প্রয়োজনের যোগাযোগঃ 01814400333

বাচ্চাদের একিউট আর্টিকেরিয়া (Acute Urticaria) বা হঠাৎ শরীরে এলার্জির তীব্রতা দেখা দিলে বাবা-মায়েরা অনেক সময় আতঙ্কিত হয়ে ...
12/06/2026

বাচ্চাদের একিউট আর্টিকেরিয়া (Acute Urticaria) বা হঠাৎ শরীরে এলার্জির তীব্রতা দেখা দিলে বাবা-মায়েরা অনেক সময় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

বাচ্চাদের হঠাৎ শরীর চুলকানো এবং চাকা হয়ে যাওয়া (Acute Urticaria):

অনেক সময় দেখা যায় হঠাৎ করেই বাচ্চার সারা শরীর লাল হয়ে ফুলে যাচ্ছে, যাকে আমরা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলি **একিউট আর্টিকেরিয়া (Acute Urticaria)**।

সাধারণত শরীর কোনো ক্ষতিকর উপাদানের সংস্পর্শে আসলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমের অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়ার কারণে এমনটা হয়।

শিশুদের ক্ষেত্রে এটি খুবই সাধারণ, তবে বাবা-মায়ের সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

**সাধারণত কেন এমন হয়?

* **খাবার:**
ডিম, ইলিশ মাছ, চিংড়ি, গরুর মাংস, বেগুন বা কৃত্রিম রঙ ও প্রিজারভেটিভ যুক্ত বাইরের খাবার।।

* **ইনফেকশন:**
সাধারণ সর্দি-কাশি, ভাইরাল জ্বর বা পেটের ইনফেকশন থেকে।

* **ওষুধ:**
কোনো কোনো অ্যালোপ্যাথিক বা কবিরাজি ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

* **অন্যান্য:**
পোকামাকড়ের কামড়, ধুলাবালি বা অতিরিক্ত ঠান্ডা-গরম আবহাওয়া।

**বাবা-মায়ের জন্য জরুরি কিছু সতর্কতা ও করণীয়:**

১. **আতঙ্কিত হবেন না:**
আর্টিকেরিয়ার চাকাগুলো সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শরীরের এক জায়গা থেকে কমে অন্য জায়গায় দেখা দিতে পারে। তাই শান্ত থাকুন।

২. **চুলকানো বন্ধ করুন:
** নখ দিয়ে চুলকালে ইনফেকশন হতে পারে। চুলকানি কমাতে আক্রান্ত স্থানে **বরফ সুতি কাপড়ে পেঁচিয়ে ঠান্ডা শেঁক** দিতে পারেন বা ক্যালামাইন লোশন লাগাতে পারেন।

৩. **কারণটি খোঁজার চেষ্টা করুন:**
গত ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাচ্চা নতুন কোনো খাবার খেয়েছে কি না, কোনো ওষুধ খেয়েছে কি না বা কোথাও পোকা কামড়েছে কি না তা খেয়াল করুন এবং তা পরিহার করুন।

৪. **সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাক:
** বাচ্চাকে একদম নরম ও ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরিয়ে রাখুন, যাতে শরীরে বাতাস চলাচল করতে পারে।।

৫. **নিজে থেকে কোনো কড়া ওষুধ নয়:
** চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাচ্চাকে কোনো অ্যান্টিহিস্টামিন বা অন্য কোনো সিরাপ বা ওষুধ খাওয়াবেন না।

*কখন দ্রুত হাসপাতালে বা চিকিৎসকের কাছে নিবেন?

যদি আর্টিকেরিয়ার সাথে বাচ্চার নিচের লক্ষণগুলো দেখা দেয়, তবে এক মুহূর্তও দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে বা
চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন:

* বাচ্চার শ্বাসকষ্ট হলে বা শ্বাস নেওয়ার সময় শব্দ হলে।
* ঠোঁট, চোখ, মুখ বা গলা অতিরিক্ত ফুলে গেলে।
* বাচ্চা অচেতন হয়ে পড়লে বা অতিরিক্ত বমি করলে।
শিশুর ত্বকের যেকোনো সমস্যায় সচেতন থাকুন, সুস্থ রাখুন আপনার প্রিয় সন্তানকে।

**পরামর্শেঃ**
**ডাঃ মোঃ শাহাদাত হোছাইন**
মেডিসিন, চর্ম ও যৌন রোগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

**চেম্বার ও রোগী দেখার সময়ঃ**

* **লাকসাম আল আকসা হসপিটাল**
* **নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল**

**সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
01814400333

দীর্ঘমেয়াদি চুলকানি বা ক্রনিক আরটিকেড়িয়া (Chronic Urticaria): কী করবেন, কী করবেন নাঃ. ​আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাস...
12/06/2026

দীর্ঘমেয়াদি চুলকানি বা ক্রনিক আরটিকেড়িয়া (Chronic Urticaria):
কী করবেন, কী করবেন নাঃ.

​আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মাসের পর মাস, এমনকি বছরের পর বছর ধরে তীব্র চুলকানি এবং শরীরে চাকা হয়ে ফুলে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ক্রনিক আরটিকেড়িয়া (Chronic Urticaria)।
সাধারণত এই সমস্যা ৬ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে তাকে দীর্ঘমেয়াদি বা ক্রনিক ধরা হয়।

​সঠিক সচেতনতা এবং জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে।


​করণীয়ঃ

​ঠাণ্ডা সেঁক দিন:
চুলকানি বা চাকা তীব্র হলে আক্রান্ত স্থানে বরফ বা ঠাণ্ডা পানির সেঁক (Cold Compress) দিতে পারেন। এতে সাময়িক আরাম মিলবে।

​সুতি ও ঢিলেঢালা পোশাক পরুন:
সবসময় নরম, সুতি এবং বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করুন।

​ত্বক আর্দ্র রাখুন:
শুষ্ক ত্বক চুলকানি বাড়িয়ে দেয়। তাই গোসলের পর এবং ত্বক শুকিয়ে গেলে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা অ্যালকোহল-মুক্ত লোশন ব্যবহার করুন।

​ডায়েরি মেইনটেইন করুন:
কোন খাবারটি খাওয়ার পর বা কোন পরিবেশে গেলে আপনার চুলকানি বাড়ছে, তা একটি ডায়রিতে নোট করে রাখুন। এতে আপনার অ্যালার্জির মূল কারণ (Trigger) খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

​মানসিক চাপমুক্ত থাকুন:
অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা আরটিকেড়িয়ার সমস্যাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই পর্যাপ্ত ঘুমান এবং মন শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।

​বর্জনীয়ঃ

​আঁচড়ানো বা চুলকানো:
চুলকানির স্থানে নখ দিয়ে জোরে আঁচড়ানো একদম নিষেধ। এতে ত্বক ফেটে গিয়ে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন হতে পারে।

​গরম পানি ও কড়া সাবান:
অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে গোসল করা এবং ক্ষারযুক্ত কড়া সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এগুলো ত্বককে আরও শুষ্ক ও খসখসে করে তোলে।

​অ্যালার্জি উদ্দীপক খাবার:
কৃত্রিম রঙ বা প্রিজারভেটিভযুক্ত খাবার, ফাস্টফুড এবং যেসব খাবারে আপনার অ্যালার্জি হওয়ার রেকর্ড আছে (যেমন: চিংড়ি, ইলিশ, বেগুন, পুঁইশাক বা গরুর মাংস—যদি আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়) সেগুলো এড়িয়ে চলুন।

​টাইট ও সিন্থেটিক পোশাক:
অতিরিক্ত টাইট বা খসখসে সিন্থেটিক এবং উলের পোশাক সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শে পরিধান করবেন না।

​নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া:
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে ইচ্ছেমতো স্টেরয়েড বা অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কিনে খাওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক। এতে সাময়িক লাভ হলেও দীর্ঘমেয়াদে শরীরের বড় ক্ষতি হতে পারে।

ক্রনিক আরটিকেড়িয়া পুরোপুরি নিরাময় হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। তাই ধৈর্য না হারিয়ে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবন করুন এবং ফলোআপে থাকুন। সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।

​পরামর্শে:
ডাঃ শাহাদাত হোছাইন
মেডিসিন, চর্ম ও যৌন রোগে অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

​চেম্বার:
​লাকসাম আল আকসা হসপিটাল
​লাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতাল

সিরিয়ালের জন্য: 01814400333

বাচ্চাদের ত্বকের যেকোনো সমস্যাকে হালকাভাবে নেবেন না!​বাচ্চাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। আর এই কারণেই যেকোনো সাধারণ স্কিন ...
10/06/2026

বাচ্চাদের ত্বকের যেকোনো সমস্যাকে হালকাভাবে নেবেন না!

​বাচ্চাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। আর এই কারণেই যেকোনো সাধারণ স্কিন ডিজিজ বা ত্বকের রোগ থেকে খুব সহজেই সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন (Secondary Bacterial Infection) হতে পারে।

সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন কী?

সহজ কথায়, বাচ্চার শরীরে আগে থেকেই একটা রোগ ছিল (যেমন: চুলকানি, এলার্জি, মশার কামড়, ঘামাচি, একজিমা বা জলবসন্ত)।
বাচ্চা যখন সেখানে নখ দিয়ে চুলকায়, তখন নখের মাধ্যমে বা চারপাশের পরিবেশ থেকে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (যেমন: Staphylococcus বা Streptococcus) ত্বকের ওই ফাটা বা ক্ষত অংশে ঢুকে পড়ে।
এর ফলে আসল রোগের ওপর নতুন করে আরেকটি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে—একেকই বলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন।

​কেন বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বেশি সতর্ক থাকবেন?

​বাচ্চারা চুলকানি বা অস্বস্তি সহ্য করতে না পেরে নখ দিয়ে স্ক্র্যাচ (চুলকানো) করে ফেলে।

​বড়দের তুলনায় বাচ্চাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) কম থাকে।

​সামান্য একটা মশার কামড় বা চুলকানি থেকেও ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ে ক্ষত বা পুঁজ তৈরি হতে পারে।

কী দেখে বুঝবেন সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়েছে?

১-​আক্রান্ত স্থান অতিরিক্ত লাল হয়ে ফুলে গেলে।

২-​ক্ষত স্থান থেকে পুঁজ বা হলদেটে পানি বের হলে।

৩-​বাচ্চার তীব্র ব্যথা হলে বা আক্রান্ত স্থানটি গরম হয়ে থাকলে।

৪-​ইনফেকশনের কারণে বাচ্চার জ্বর চলে আসলে।


আপনার করণীয় কী?

১. নখ ছোট রাখুন: বাচ্চার হাতের নখ সবসময় কেটে ছোট ও পরিষ্কার রাখুন, যেন চুলকালেও ত্বক কেটে না যায়।

২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: আক্রান্ত স্থানটি ডেটল বা স্যাভলন মেশানো পানি দিয়ে নয়, বরং নরমাল পরিষ্কার পানি ও মৃদু সাবান দিয়ে আলতো করে ধুয়ে দিন।

৩. চুলকানি কমানো: ডাক্তার দেখিয়ে চুলকানি কমানোর নিরাপদ কোনো লোশন বা ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।

৪. ফরমালিন/অযথা টোটকা পরিহার: ক্ষতের ওপর নিজে নিজে কোনো স্টেরয়েড ক্রিম, গাছের রস বা ঘরোয়া টোটকা লাগাবেন না।

যদি বাচ্চার ত্বকে পুঁজ, তীব্র ব্যথা বা জ্বর দেখা দেয়, তবে দেরি না করে একজন চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা ওষুধ দিতে পারেন।

​সচেতন হোন, আপনার সোনামণিকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন।

স্বাস্থ্য পরামর্শেঃ
ডাঃ শাহাদাত হোছাইন
01814400333

​ #সচেতনতা

শিশুদের পমফোলিক্স (Pompholyx): লক্ষণ, কারণ ও করণীয়ঃ​​অনেক সময় দেখা যায় শিশুদের হাতের তালুতে, আঙুলের পাশে বা পায়ের পাতায় ...
09/06/2026

শিশুদের পমফোলিক্স (Pompholyx): লক্ষণ, কারণ ও করণীয়ঃ

​অনেক সময় দেখা যায় শিশুদের হাতের তালুতে, আঙুলের পাশে বা পায়ের পাতায় হঠাৎ করেই ছোট ছোট, দানাদার এবং তীব্র চুলকানিযুক্ত পানির ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

অনেকেই একে সাধারণ অ্যালার্জি বা অন্য কিছু ভেবে ভুল করেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই সমস্যাটিকে বলা হয় পমফোলিক্স (Pompholyx) বা ডিসহাইড্রোটিক একজিমা (Dyshidrotic Eczema)।

শিশুদের পমফোলিক্সের প্রধান লক্ষণসমূহ:

​পানির ফুসকুড়ি:
হাতের তালু, আঙুলের দুই পাশ এবং পায়ের পাতায় ছোট ছোট, শক্ত পানির দানা বা ফুসকুড়ি ওঠে।।

​তীব্র চুলকানি ও জ্বালাপোড়া:
ফুসকুড়িগুলো ওঠার আগে বা ওঠার সময় প্রচণ্ড চুলকানি এবং চামড়ায় জ্বালাপোড়া অনুভূতি হতে পারে।

​চামড়া ওঠা:
সাধারণত কয়েক সপ্তাহ পর ফুসকুড়িগুলো শুকিয়ে যায়, এবং চামড়া খোসার মতো বা আঁশের মতো উঠে শক্ত হয়ে যায়।

​ত্বক ফেটে যাওয়া:
চামড়া শুকিয়ে যাওয়ার পর অনেক সময় ত্বক ফেটে যায় এবং শিশুর প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

শিশুদের এই সমস্যা কেন হয়?

​পমফোলিক্সের সুনির্দিষ্ট কারণ সব সময় স্পষ্ট নয়, তবে কিছু সাধারণ ট্রিগার বা কারণ নিচে দেওয়া হলো:

১. অতিরিক্ত ঘাম:
শিশুদের হাত-পা অতিরিক্ত ঘামলে এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে (বিশেষ করে গরম ও বর্ষাকালে)।

২. অ্যালার্জি:
সাবান, ডিটারজেন্ট, নির্দিষ্ট কোনো খেলনা (প্লাস্টিক বা মেটাল) বা কোনো রাসায়নিকের সংস্পর্শ থেকে অ্যালার্জি।

৩. মানসিক চাপ:
একটু বড় শিশুদের ক্ষেত্রে স্কুলের পড়াশোনা বা অন্য কোনো কারণে মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা।

৪. বংশগত কারণ:
পরিবারে যদি একজিমা, হাঁপানি (Asthma) বা অ্যালার্জির ইতিহাস থাকে।

​ মা-বাবার জন্য করণীয় ও প্রতিকার:

​নখ ছোট রাখুন:
শিশুর নখ সব সময় ছোট এবং পরিষ্কার রাখুন, যেন চুলকানোর সময় ফুসকুড়ি ফেটে গিয়ে সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন না হয়।

​ঠান্ডা সেঁক:
চুলকানি ও জ্বালাপোড়া কমাতে আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা পানির ভাপ বা ঠান্ডা সুতি কাপড় দিয়ে সেঁক দিতে পারেন।

​ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার:
হাত-পা ধোয়ার পর ভালো মানের এবং সুগন্ধহীন ময়েশ্চারাইজার (যেমন: হোয়াইট পেট্রোলিয়াম জেলি) ব্যবহার করুন।

​মৃদু সাবান:
শিশুর হাত ধোয়ার জন্য ক্ষারহীন, মৃদু বা বেবি সোপ ব্যবহার করুন।

​ঘাম জমতে দেবেন না:
শিশু খেলাধুলা করার পর হাত-পা ভালোভাবে সুতি কাপড় দিয়ে মুছে শুকিয়ে রাখুন।

​কখন দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন?

​যদি দেখেন ফুসকুড়িগুলো লাল হয়ে গেছে, পুঁজ জমছে, অতিরিক্ত ফুলে গেছে বা শিশুর তীব্র ব্যথা ও জ্বর এসেছে—তবে বুঝতে হবে ইনফেকশন হয়েছে।

এই অবস্থায় ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে একজন চর্মরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ড্রপ, লোশন বা মলম ব্যবহার করতে হবে।

​শিশুর ত্বকের যেকোনো সমস্যায় নিজে নিজে কোনো স্টেরয়েড বা অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সুস্থ ও সুন্দর থাকুক প্রতিটি শিশু।

​নিয়মিত চেম্বার ও সিরিয়ালের তথ্য:

​👨‍⚕️ ডাঃ শাহাদাত হোছাইন
[মেডিসিন ও চর্মরোগ অভিজ্ঞ]

​🏥 চেম্বার ও সময়সূচী:

​📍 লাকসাম আল-আকসা হসপিটাল
🗓️ সময়: প্রতিদিন সকাল ১১:০০ - দুপুর ১:২০ এবং বিকেল ৪:০০ - সন্ধ্যা ৭:০০।
(বিঃদ্রঃ সোমবার বিকেলে এবং বৃহস্পতিবার সারাদিন চেম্বার বন্ধ থাকবে)

​📍 নাঙ্গলকোট জেনারেল হসপিটাল
🗓️ সোমবারঃ বিকেল ৩:০০ - সন্ধ্যা পর্যন্ত।
🗓️ বৃহস্পতিবার: সকাল ১০:০০ - বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত।

​📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:
☎️ 01814400333
☎️ 01810048999

​⚠️ বিশেষ অনুরোধ: চেম্বারে আসার আগে আপনার সিরিয়াল নিশ্চিত করতে নির্ধারিত নাম্বারে কল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।।

আজ ৩ টা থেকে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে আছি। মাথার চুল নিজে টেনে তোলা এবং মাথায় পোকা হাঁটা, এটি কি কোনো চর্মরোগ নাকি মা...
08/06/2026

আজ ৩ টা থেকে নাঙ্গলকোট জেনারেল হাসপাতালে আছি।

মাথার চুল নিজে টেনে তোলা এবং মাথায় পোকা হাঁটা,
এটি কি কোনো চর্মরোগ নাকি মানসিক সমস্যা?

​আমাদের সমাজে অনেকেই এমন রোগী দেখে থাকবেন, যারা অবিরত নিজের মাথার চুল টেনে টেনে তুলে ফেলেন। আবার অনেকেই অভিযোগ করেন যে, তাদের মাথায় বা ত্বকের নিচে পোকা হাঁটছে!।

তারা অনবরত মাথা চুলকান এবং অবাস্তব সব পোকা বের করে মারার চেষ্টা করেন। করতে করতে একপর্যায়ে মাথার চুল সব শেষ হয়ে যায় এবং ক্ষত তৈরি হয়।

​মেডিকেল বিজ্ঞানের ভাষায় এই লক্ষণগুলোকে মূলত দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়:

​১. ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (Trichotillomania)

​এটি একটি মানসিক রোগ (Impulse Control Disorder), যেখানে রোগী তীব্র মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা বা অবচেতন মনে নিজের চুল, ভ্রু বা চোখের পাপড়ি টেনে তুলতে বাধ্য হন। চুল তোলার পর তারা এক ধরণের সাময়িক স্বস্তি পান।

​২. ডিলুশনাল প্যারাসাইটোসিস (Delusional Parasitosis)
​এটি একটি সাইকোটিক ডিসঅর্ডার (Psychotic Disorder)। এখানে রোগীর মনে দৃঢ় এবং ভুল বিশ্বাস জন্মে যে, তার ত্বকে বা মাথায় পোকা বা পরজীবী বাসা বেঁধেছে। তারা খালি চোখে অদৃশ্য সেই "পোকা" ধরার জন্য অনবরত ত্বক খুঁড়তে থাকেন এবং চুল ও চামড়ার ক্ষতি করেন।

সমাধান কী?

​এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে কেবল চর্মরোগের চিকিৎসা বা মলম ব্যবহারে পুরোপুরি কাজ হয় না। কারণ সমস্যার মূল উৎস মস্তিষ্কে।্

​যৌথ চিকিৎসা (Combined Approach): একজন চর্মরোগ চিকিৎসক এবং একজন মানসিক রোগ চিকিৎসক (Psychiatrist) যৌথ পরামর্শে চিকিৎসা নিতে হবে।।

​কাউন্সেলিং ও থেরাপি: আচরণগত পরিবর্তন বা CBT (Cognitive Behavioral Therapy) এই রোগীদের সুস্থ করে তুলতে অত্যন্ত কার্যকর।

​পারিবারিক মানসিক সাপোর্ট:
রোগীকে পাগল বা খামখেয়ালী না ভেবে তাকে সহানুভূতি দেওয়া এবং দ্রুত ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া জরুরি।

এটি কোনো অলৌকিক বিষয় বা সাধারণ চর্মরোগ নয়, বরং একটি চিকিৎসযোগ্য মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসায় রোগী পুরোপুরি সুস্থ হতে পারেন।।

ডাঃ শাহাদাত হোছাইন।

​🏥 চেম্বার ও সময়সূচী:

​📍 লাকসাম আল-আকসা হসপিটাল
🗓️ সময়: প্রতিদিন সকাল ১১:০০ - দুপুর ১:২০ এবং বিকেল ৪:০০ - সন্ধ্যা ৭:০০।
(বিঃদ্রঃ সোমবার বিকেলেএবং বৃহস্পতিবার সারাদিন চেম্বার বন্ধ থাকবে)

​📍 নাঙ্গলকোট জেনারেল হসপিটাল।

🗓️ সোমবারঃ বিকেল ৩:০০ - সন্ধ্যা পর্যন্ত।
🗓️ বৃহস্পতিবার: সকাল ১০:০০ - বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত।

​📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:

☎️ 01814400333
01810048999

​⚠️ বিশেষ অনুরোধ: চেম্বারে আসার আগে আপনার সিরিয়াল নিশ্চিত করতে নির্ধারিত নাম্বারে কল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

নোয়াখালী থেকে রোগীটা  এসেছেন, সকাল সকাল মনটাই খারাপ হয়ে গেল। স্কিনে যে কত রোগ, আল্লাহ ভরসা, আল্লাহ হেফাজত করুক। ডাঃ শা...
08/06/2026

নোয়াখালী থেকে রোগীটা এসেছেন,
সকাল সকাল মনটাই খারাপ হয়ে গেল।
স্কিনে যে কত রোগ, আল্লাহ ভরসা,
আল্লাহ হেফাজত করুক।

ডাঃ শাহাদাত হোছাইন

​🏥 চেম্বার ও সময়সূচী:

​📍 লাকসাম আল-আকসা হসপিটাল
🗓️ সময়: প্রতিদিন সকাল ১১:০০ - দুপুর ১:২০ এবং বিকেল ৪:০০ - সন্ধ্যা ৭:০০।
(বিঃদ্রঃ সোমবার বিকেলেএবং বৃহস্পতিবার সারাদিন চেম্বার বন্ধ থাকবে)

​📍 নাঙ্গলকোট জেনারেল হসপিটাল।

🗓️ সোমবারঃ বিকেল ৩:০০ - সন্ধ্যা পর্যন্ত।
🗓️ বৃহস্পতিবার: সকাল ১০:০০ - বিকাল ৫:০০ পর্যন্ত।

​📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন:

☎️ 01814400333
01810048999

​⚠️ বিশেষ অনুরোধ: চেম্বারে আসার আগে আপনার সিরিয়াল নিশ্চিত করতে নির্ধারিত নাম্বারে কল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

বাচ্চাটা দীর্ঘদিন চর্ম রোগে কষ্ট পাচ্ছিলেন, আলহামদুলিল্লাহ এখন সুস্থ আছে।
07/06/2026

বাচ্চাটা দীর্ঘদিন চর্ম রোগে কষ্ট পাচ্ছিলেন, আলহামদুলিল্লাহ এখন সুস্থ আছে।

এই গরমে এবং বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় শিশুদের মধ্যে ইমপেটিগো (Impetigo) বা সাধারণ ভাষায় "স্কুল সোর" (School Sore) বা এ...
06/06/2026

এই গরমে এবং বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় শিশুদের মধ্যে ইমপেটিগো (Impetigo) বা সাধারণ ভাষায় "স্কুল সোর" (School Sore) বা এক ধরণের ছোঁয়াচে চর্মরোগের প্রকোপ অনেক বেড়ে যায়। এটি মূলত এক ধরনের ব্যাকটেরিয়াজনিত ত্বকের সংক্রমণ।

​ইমপেটিগো কী এবং কেন হয়?

​ইমপেটিগো হলো ত্বকের ওপরের ভাগের একটি তীব্র ছোঁয়াচে ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশন। এটি সাধারণত Staphylococcus aureus বা Streptococcus pyogenes নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়।

​অনুকূল পরিবেশ:
গরম ও অতিরিক্ত আর্দ্রতা বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির জন্য একদম পারফেক্ট।
​কাদের বেশি হয়: ২ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়, তবে যেকোনো বয়সীরই হতে পারে।

​কীভাবে ছড়ায়:
আক্রান্ত স্থান স্পর্শ করলে, বা আক্রান্ত শিশুর ব্যবহৃত তোয়ালে, বিছানার চাদর, খেলনা বা জামাকাপড় অন্য কেউ ব্যবহার করলে এটি দ্রুত ছড়ায়। ত্বকে মশার কামড়, স্ক্র্যাচ বা ছোটখাটো কেটে যাওয়ার স্থান দিয়ে এই ব্যাকটেরিয়া সহজে ভেতরে ঢোকে।.

​ইমপেটিগোর প্রধান লক্ষণসমূহ

​ইমপেটিগো সাধারণত দুই ধরণের হয়ে থাকে এবং এর লক্ষণগুলো নিচে দেওয়া হলো:..

​১. নন-বুলাস ইমপেটিগো (Non-bullous) — এটিই সবচেয়ে বেশি হয়
​শুরুতে মুখমণ্ডল (বিশেষ করে নাক ও মুখের চারপাশে) বা হাত-পায়ে ছোট ছোট লালচে গোটা বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
​এই ফুসকুড়িগুলো দ্রুত ফেটে যায় এবং সেখান থেকে তরল বা পুঁজ বের হয়।.

​তরল শুকিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মৌচাকের মতো হলদেটে বা সোনালী রঙের ক্রাস্ট (খোসপাঁচড়া/পাপড়ি) তৈরি হয়।
​এতে সাধারণত ব্যথা থাকে না, তবে প্রচণ্ড চুলকানি হতে পারে।

​২. বুলাস ইমপেটিগো (Bullous).

​এটি মূলত ছোট শিশুদের (২ বছরের কম) বেশি হয়।
​ত্বকে বড় বড় তরলপূর্ণ ফোসকা (Blisters) পড়ে, যা সহজে ফাটে না।

​ফোসকাগুলোর চারপাশ লাল হয়ে যায় এবং একসময় ফোসকা ফেটে গিয়ে কালচে দাগ বা ঘা তৈরি হয়।

​প্রতিরোধ ও সতর্কতা:

​যেহেতু এটি ভীষণ ছোঁয়াচে, তাই প্রতিরোধ করাই সবচেয়ে বড় উপায়:.

​আলাদা রাখুন:
আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত স্কুল, ডে-কেয়ার বা অন্য বাচ্চাদের সাথে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন।

​ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা:
শিশুর ব্যবহৃত তোয়ালে, জামাকাপড়, সাবান ও বিছানার চাদর সম্পূর্ণ আলাদা রাখুন এবং সেগুলো প্রতিদিন গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

​নখ ছোট রাখুন:
আক্রান্ত শিশুর নখ কেটে ছোট রাখুন, যেন চুলকানোর সময় নখের মাধ্যমে ইনফেকশন শরীরের অন্য কোথাও বা অন্য কারও শরীরে না ছড়ায়।..

​হাত ধোয়ার অভ্যাস:
সাবান-পানি দিয়ে শিশুর হাত এবং আপনার নিজের হাত নিয়মিত ভালো করে ধুয়ে নিন (বিশেষ করে ক্ষতস্থানে ওষুধ লাগানোর পর)।.

​চিকিৎসা ও করণীয়

ইমপেটিগো নিজে নিজে পুরোপুরি সারে না এবং অবহেলা করলে এটি ত্বকের গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে (Ecthyma) বা কিডনির ক্ষতি করতে পারে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

​ডাক্তারের পরামর্শ:.
চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিম বা মলম (যেমন: Mupirocin বা Fusidic Acid) দিয়ে থাকেন। সংক্রমণ বেশি হলে মুখে খাওয়ার অ্যান্টিবায়োটিক ও সিরাপ দিতে পারেন।

​ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা:
চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী হালকা গরম পানি এবং মৃদু সাবান দিয়ে আলতো করে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে হবে এবং সোনালী খোসাগুলো নরম করে তুলে ফেলতে হতে পারে।

​খোলামেলা রাখা:
ক্ষতস্থানটি পরিষ্কার ও শুকনা রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে হালকা গজ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারেন যাতে শিশু সেখানে হাত না দিতে পারে।

​এই স্যাঁতসেঁতে গরমে বাচ্চাদের ত্বক সবসময় পরিষ্কার ও শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। কোনো রকম ফুসকুড়ি বা ঘা দেখলেই অবহেলা না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

স্বাস্থ্য পরামর্শেঃ
ডাঃ শাহাদাত হোছাইন
01814400333

Address

Al Aqsa Hospital, Laksam
Cumilla
3580

Telephone

+8801811104067

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Md.Shahadat Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Md.Shahadat Hossain:

Share

Category