Nutritionist- মো: সাইফুল ইসলাম ভুঁঞা

Directions

Nutritionist- মো: সাইফুল ইসলাম ভুঁঞা খাদ্য পুষ্টি ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে অভিজ্ঞ

10/09/2026

ওটস (Oats) কী এবং কোথা থেকে আসে?

ওটস (বৈজ্ঞানিক নাম: Avena sativa) হচ্ছে একটি whole grain বা সম্পূর্ণ শস্য — যেটা বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর breakfast হিসেবে পরিচিত। হাজার বছর ধরে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ায় এটা প্রধান খাদ্যশস্য হিসেবে চাষ হয়ে আসছে। বাংলাদেশে গত এক দশকে health-conscious মানুষদের মধ্যে ওটস এর চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়েছে, বিশেষত যারা ওজন কমাতে চান, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে চান, বা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে চান।

ওটস এর উপকারিতা — বিজ্ঞান কি বলে?

ওটস শুধু "ডায়েট ফুড" নয় এটি একটি পূর্ণাঙ্গ superfood। US FDA এবং European Food Safety Authority (EFSA) উভয়ই ওটসের beta-glucan এর health claims অনুমোদন করেছে। নিচে প্রধান উপকারিতাগুলো:

১. কোলেস্টেরল কমায় ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় ওটসে থাকা beta-glucan (একধরনের soluble fiber) পরিপাকতন্ত্রে gel তৈরি করে cholesterol ও bile acid শোষণ কমায়। গবেষণায় প্রমাণিত দিনে মাত্র ৩ গ্রাম beta-glucan LDL (খারাপ কোলেস্টেরল) উল্লেখযোগ্যভাবে কমায় (সূত্র: FDA Health Claim, EFSA Opinion)।

২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ওটসের glycemic index (GI) কম, মানে রক্তে sugar ধীরে ধীরে বাড়ে, spike হয় না। এটা Type 2 diabetes রোগীদের জন্য আদর্শ breakfast।

৩. ওজন কমাতে সাহায্য করে ওটসের উচ্চ fiber content দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে (satiety effect)। ফলে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং মোট calorie intake নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৪. হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে Fiber অন্ত্রের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। Beta-glucan prebiotic হিসেবেও কাজ করে gut microbiome সুস্থ রাখে।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় Beta-glucan immune system কে activate করে। ওটসের antioxidant (বিশেষত avenanthramides) প্রদাহ কমায় এবং রোগের বিরুদ্ধে শরীরকে শক্তিশালী করে।

৬. মানসিক প্রশান্তি ও ভালো ঘুম ওটস serotonin hormone উৎপাদনে সাহায্য করে, যেটা mood ভালো করে এবং restful sleep আনে।

৭. ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী Colloidal oatmeal ত্বকের inflammation কমায়। ওটসে থাকা zinc, iron, B vitamins চুল ও ত্বক স্বাস্থ্যকর রাখে

ওটস কীভাবে এবং কতটুকু খাবেন?

দৈনিক পরিমাণ: প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ৩০-৫০ গ্রাম (আধা কাপ শুকনো ওটস) যথেষ্ট। এতে প্রায় ৩ গ্রাম beta-glucan পাওয়া যায় — যেটা FDA-approved cholesterol benefit এর জন্য minimum dose।

খাওয়ার সেরা সময়: সকালের নাশতায় সবচেয়ে কার্যকর — সারাদিন energy দেয় এবং দুপুরে অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।

জনপ্রিয় রেসিপি:

পোরিজ: দুধ/পানিতে ৫-১০ মিনিট রান্না করুন, কলা/খেজুর/মধু যোগ করুন

ওভারনাইট ওটস: রাতে দই/দুধে ভিজিয়ে রাখুন, সকালে ফল-বাদাম দিয়ে খান

ওটস খিচুড়ি: সবজি, ডিম বা মুরগি দিয়ে savory রেসিপি

ওটস প্যানকেক: ওটস গুঁড়ো করে ডিম-দুধ মিশিয়ে প্যানকেক বানান

স্মুদি: ব্লেন্ডারে ফল, দুধ ও ওটস একসাথে blend করুন

05/09/2026

ডিমের উপকারিতা

ডিমের সাদা অংশে থাকা বায়োটিন (ভিটামিন B7) নামক উপাদানটি শরীরে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন ভাঙতে এবং তা থেকে শক্তি উৎপাদন করতে সরাসরি সহায়তা করে।

তবে বিপাক প্রক্রিয়ার দিক থেকে ডিমের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে:

এনজাইমের কার্যকারিতা: বায়োটিন শরীরের এমন কিছু এনজাইম বা পাচক রসকে সক্রিয় করে, যা কার্বোহাইড্রেটকে ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে।

কুসুমের ভূমিকা: ডিমের সাদা অংশে বায়োটিন থাকলেও ডিমের কুসুমেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স থাকে, যা সামগ্রিক মেটাবলিজম বা বিপাক প্রক্রিয়া সচল রাখতে সাহায্য করে।

09/08/2026

"মেয়েদের উচ্চতা বাড়ানোর উপায়"

মেয়েদের উচ্চতা মূলত বংশগতি (জেনেটিকস) এবং হরমোনের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত মেয়েদের ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ে। এই বৃদ্ধির সময় সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত স্ট্রেচিং বা শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করলে শরীরের স্বাভাবিক উচ্চতা পুরোপুরি বিকশিত হতে সাহায্য করে।

সুষম ও পুষ্টিকর খাবার

আমিষ বা প্রোটিন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ ও ডাল নিয়মিত খান, যা নতুন টিস্যু তৈরি ও শারীরিক বৃদ্ধিতে কাজ করে।

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি: দুধ, পনির, ছোট মাছ ও সবুজ শাকসবজি হাড় শক্ত ও দীর্ঘ করতে সাহায্য করে।

ব্যায়াম ও শরীরচর্চা

স্ট্রেচিং ও ঝুলে থাকা: প্রতিদিন নিয়মিত বার বা কোনো উঁচুতে ঝুলে থাকার ব্যায়াম করুন।

যোগব্যায়াম ও খেলাধুলা: সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানো, দড়িলাফ বা সুনির্দিষ্ট স্ট্রেচিং যোগাসন মেরুদণ্ড টানটান রাখতে সাহায্য করে।

পর্যাপ্ত ঘুম

গভীর ঘুম: রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি।

গ্রোথ হরমোন: ঘুমের সময় শরীর থেকে পিটুইটারি হরমোন বা গ্রোথ হরমোন বেশি মাত্রায় নিঃসৃত হয়, যা উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে।

এখন ই সচেতন হোন
29/07/2026

এখন ই সচেতন হোন

"প্রতিদিন সিলেনিয়াম যুক্ত খাবার খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে থাইরয়েড! কোন কোন খাবারে সেরেনিয়াম আছে  জেনে নিন "থাইরয়েডের সমস...
25/06/2026

"প্রতিদিন সিলেনিয়াম যুক্ত খাবার খেলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে থাইরয়েড! কোন কোন খাবারে সেরেনিয়াম আছে জেনে নিন "

থাইরয়েডের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। এই অসুখের সঙ্গে পরিচিত কমবেশি সকলেই। থাইরয়েড একটি গ্রন্থি, যা থেকে নিঃসৃত হরমোন শরীরের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। যেমন,

বিপাকক্রিয়া,
শিশুদের স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা,
বুদ্ধির বিকাশ,
বয়ঃসন্ধির লক্ষণ,
মহিলাদের ক্ষেত্রে ঋতুচক্র,
সন্তানধারণ।
কোনও কারণে এই হরমোন বেড়ে গেলে বা কমে গেলে থাইরয়েডের সমস্যা হয়। যেমন

ক্লান্তি
অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে যাওয়া,
ওজন বেড়ে বা কমে যাওয়া,
অনিয়মিত ঋতুস্রাব এমন অনেক লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
এই অসুখের কোনও বয়স থাকে না। এক বার যদি হরমোনের ভারসাম্য হয়ে যায়, ওষুধ তো বটেই, জীবনযাপনেও বদল দরকার হয়। থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়েটে বিশেষ নজর দিতে হবে।
থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ডায়েটে সেলেনিয়ামযুক্ত খাবার রাখা ভীষণ জরুরি। থাইরয়েড গ্রন্থিতে পর্যাপ্ত মাত্রায় সেলেনিয়াম থাকে, যা থাইরয়েড গ্রন্থির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তাই থাইরয়েড আক্রান্ত হলে ডায়েটে সেলেনিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার রাখা ভীষণ জরুরি। এটি

টি-ফোর হরমোন থেকে অ্যাকটিভ টি-থ্রি হরমোনে রূপান্তরে সাহায্য করে।

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।
থাইরয়েড গ্রন্থিকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে।

কোন কোন খাবার থেকে সেলেনিয়াম পেতে পারেন?

১) বিভিন্ন রকম সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, চিংড়িতে সেলেনিয়াম থাকে।

২) রোজের ডায়েটে ডিম রাখলেও সেলেনিয়াম পেতে পারেন।

৩) দানাশস্য বা কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটও সেলেনিয়ামের ভাল উৎস।

৪) রসুন, সূর্যমুখীর বীজ, দানাশস্য যেমন কিনোয়া, ডালিয়া, ওট্‌স এবং ব্রাজ়িলনাটে ভাল পরিমাণে সেলেনিয়াম থাকে।

সুস্থ ও প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের দৈনিক ৫৫ মাইক্রোগ্রাম সেলেনিয়াম হলেই যথেষ্ট। তবে অন্তঃসত্ত্বা ও যে মায়েরা স্তন্যপান করাচ্ছেন, তাঁদের দৈনিক সেলেনিয়ামের একটু বেশিই হবে। সেলেনিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার কতটা খাবেন তা শারীরিক অবস্থা বুঝেই ঠিক করতে হবে। সে জন্য চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

শিশুদের সুজি কম দেওয়ার বা নিষেধ করার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:পুষ্টির অভাব: সুজিতে শুধু শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে। শি...
07/06/2026

শিশুদের সুজি কম দেওয়ার বা নিষেধ করার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:

পুষ্টির অভাব: সুজিতে শুধু শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট থাকে। শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি, মস্তিষ্ক গঠন এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য যে প্রোটিন, ফ্যাট ও ভিটামিন দরকার, তার অভাব থাকে।

হজমে সমস্যা: এক বছরের কম বয়সী শিশুদের পাকস্থলী খুব সংবেদনশীল থাকে। সুজি সঠিক নিয়মে রান্না না করলে তা হজম হতে চায় না। ফলে পেটে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ওজন বাড়া কিন্তু পুষ্টিহীনতা: অনেকেই বাচ্চাকে মোটা করার জন্য ঘন ঘন সুজি খাওয়ান। এটি ক্যালোরি বাড়িয়ে সাময়িক ওজন বাড়ালেও, ভেতর থেকে শিশুকে দুর্বল করে দেয়। একে অপুষ্টি বলে।

গ্লুটেন এলার্জি: সুজি গমের তৈরি বলে এতে গ্লুটেন থাকে। অনেক শিশুর গ্লুটেনে এলার্জি থাকে, যার ফলে সুজি খেলে বমি, ডায়রিয়া বা ত্বকে লাল র‍্যাশ উঠতে পারে।

24/05/2026

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সুযোগটি কাজে লাগান আপনার অপুষ্ট শিশুটিকে অল্প অল্প করে দিনে অন্ততপক্ষে ছয়বার পুষ্টি কর খাবার খাইয়ে দিন।

"আকলিমা আক্তারের  (ছদ্মনাম)মুখে আনন্দের হাসি "মোহাম্মদ ওমর ফারুক এনজিও কর্মকর্তা চাকরি করেন কুমিল্লার মুরাদনগরে। দীর্ঘদি...
16/05/2026

"আকলিমা আক্তারের (ছদ্মনাম)মুখে আনন্দের হাসি "

মোহাম্মদ ওমর ফারুক এনজিও কর্মকর্তা চাকরি করেন কুমিল্লার মুরাদনগরে। দীর্ঘদিন ধরে Co Morbid Obesity নিয়ে ভুগছেন।
ওজন প্রায় ১৩৪ কেজি।
স্বামীর এত ওজন কিভাবে কমাবেন কূলকিনারা পাচ্ছিলেন না বেগম আকলিমা আক্তার।এতে করে ব্যক্তিগত সাংসারিক জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। কোন এক চিকিৎসকের পরামর্শে গত ২৫ এপ্রিল ২০২৬ আমার চেম্বার ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার কুমিল্লায় আসেন।
আমি সব ইতিহাস শুনে উনাকে ২০ দিনের একটি ডায়েট প্ল্যান তৈরি করে দিয়েছিলাম।
গতকাল উনি আমার চেম্বার এসেছিল এবং ওজন মেপে দেখি ১২৭ কেজি।
স্বামীর 6 কেজি ওজন বিশ দিনে কমে যাওয়াতে আকলিমা আক্তার অট্র হাসিতে ফেটে পড়লেন এবং আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করলেন।
আমি আগামী এক মাসের জন্য আরেকটি প্ল্যান তৈরি করে দিয়েছি এবং পরবর্তী ফলোআপে ওজন পাঁচ কেজি কমার টার্গেট দিয়েছি।

চেষ্টাই সফলতা মোহাম্মদ  ওমর ফারুক ভাই চেষ্টা করে সফল হয়েছেন। মাত্র ২০ দিনে ১৩৩কেজি ওজন থেকে ১২৭কেজিতে কমিয়ে এনেছেন। আল...
15/05/2026

চেষ্টাই সফলতা

মোহাম্মদ ওমর ফারুক ভাই চেষ্টা করে সফল হয়েছেন।
মাত্র ২০ দিনে ১৩৩কেজি ওজন থেকে ১২৭কেজিতে কমিয়ে এনেছেন। আলহামদুলিল্লাহ
আপনারা যারা ওবিসিটি সমস্যায় ভুগছেন তারা দ্রুত একজন পুষ্টিবিদের সাথে যোগাযোগ করুন।

09/05/2026

মুখে খাবার নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা (Food Pocketing) শিশুটির ক্ষেত্রে আপনার করণীয় কি?
শিশুদের দীর্ঘক্ষণ মুখে খাবার নিয়ে বসে থাকা (Food Pocketing) একটি সাধারণ সমস্যা, যা মূলত খাবারের টেক্সচার পছন্দ না হওয়া, চিবানোর কৌশল না জানা বা নতুন স্বাদের সাথে মানিয়ে নিতে সময় লাগার কারণে হয়। এছাড়াও, ক্ষুধা না থাকা, মনোযোগের অভাব, বা খাবারের প্রতি ভীতি থেকেও এমন হতে পারে।

করণীয় বা সমাধান:

জোর করবেন না: শিশুকে জোর করে বা ভয় দেখিয়ে খাওয়াবেন না, এতে খাবারের প্রতি অনিহা বেড়ে যায়।

ছোট ছোট গ্রাস: একবারে বেশি খাবার না দিয়ে ছোট ছোট গ্রাস বা চামচে অল্প খাবার দিন।

টেক্সচার পরিবর্তন: খাবার খুব ঘন বা শক্ত হলে তা চিবোতে সমস্যা হয়। খাবারের টেক্সচার পছন্দ না হলে সেটি পরিবর্তন করে দেখুন।

পানীয় দেওয়া: খাবারের মাঝে বা শেষে অল্প পানি বা স্যুপ দিন, এতে গিলে ফেলতে সুবিধা হবে।
পরিবেশ ও মনোযোগ: সবার সাথে টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। খাওয়ানোর সময় টিভি বা মোবাইলের ব্যবহার বন্ধ রাখুন।

ধৈর্য ধরুন: নতুন স্বাদের খাবারের সাথে অভ্যস্ত হতে শিশুদের কিছুটা সময় লাগে, তাই ধৈর্য ধরে বারবার চেষ্টা করুন।

Address

Cumilla
3550

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist- মো: সাইফুল ইসলাম ভুঁঞা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category