Model Mental Hospital

Model Mental Hospital মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা পরিচালিত কুমিল্লায় একমাত্র প্রাইভেট মানসিক হাসপাতাল।

🧠 মানসিক সুস্থতাই জীবনের আসল শক্তিমানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে জীবনের কোন আনন্দই পূর্ণতা পায় না।বর্তমান ব্যস্ত ও চাপপূ...
25/06/2026

🧠 মানসিক সুস্থতাই জীবনের আসল শক্তি

মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে জীবনের কোন আনন্দই পূর্ণতা পায় না।
বর্তমান ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ জীবনে আমরা অনেকেই নীরবে মানসিক সমস্যার সাথে লড়াই করি, কিন্তু সঠিক চিকিৎসা ও যত্নই পারে আমাদের আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে।

🏥 মডেল মানসিক হাসপাতাল
এখানে রয়েছে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা, অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং আন্তরিক সেবা—যা একজন মানুষকে নতুন করে বাঁচার সাহস যোগায়।
☎️ 01716-565003,01878-464205

24/06/2026

🌿 আশার আলো ফিরে এলো একটি পরিবারে 🌿

দীর্ঘ ৪০ বছরের সংসার জীবন। প্রায় ২০ বছর ধরে এক স্বামী তার জীবনসঙ্গীকে সন্দেহ করে আসছিলেন। বিশ্বাস করতেন, স্ত্রী তাকে কালো জাদু বা ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। ফলে স্ত্রীর রান্না করা খাবার খাওয়ার আগে ধুয়ে খেতেন, এমনকি পানির মধ্যেও বিষ বা ক্ষতিকর কিছু মেশানো হয়েছে কিনা—সেই সন্দেহে দীর্ঘ সময় পানি প্রবাহিত করার পর পান করতেন।

অথচ এই দীর্ঘ সময়ে ধৈর্যশীল স্ত্রী সমস্ত কষ্ট নীরবে বয়ে নিয়েছেন। সন্তানদের মানুষ করেছেন, প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তাদের বিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু স্বামীর সন্দেহ ক্রমেই বেড়েছে।

পরিবারের আন্তরিক উদ্যোগে রোগীকে ভর্তি করা হয় মডেল মানসিক হাসপাতাল-এ। বিশেষজ্ঞ মনোরোগ চিকিৎসক, প্রশিক্ষিত নার্সিং টিম এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শুরু হয় সঠিক চিকিৎসা।

আলহামদুলিল্লাহ! মাত্র এক মাসের চিকিৎসার পর আজ এক আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলো পরিবার। বহু বছরের দূরত্ব ভুলে রোগী তার স্ত্রীর হাতের রান্না করা বিরিয়ানি খেলেন, এমনকি স্ত্রীর হাতের তুলে দেওয়া লোকমাও গ্রহণ করলেন। চোখের জল আর হাসির মিশেলে পরিবার ফিরে পেল বহুদিনের হারানো স্বস্তি ও ভালোবাসা।

💚 মানসিক রোগ কোনো অভিশাপ নয়।
💚 এটি কালো জাদু, ঝাড়ফুঁক বা অলৌকিক সমস্যার ফল নয়।
💚 সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা নিলে মানসিক রোগের উন্নতি ও সুস্থতা সম্ভব।

মডেল মানসিক হাসপাতাল প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে যাচ্ছে—মানসিক রোগীর প্রতি সহমর্মিতা, আধুনিক চিকিৎসা ও দক্ষ বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ই পারে একটি পরিবারে আবারও শান্তি, ভালোবাসা ও স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনতে।

🏥 মডেল মানসিক হাসপাতাল
মানসিক স্বাস্থ্যের বিশ্বস্ত ঠিকানা।
☎️ 01716-565003, 01878-464205
#মানসিক_রোগ #সঠিক_চিকিৎসা

কিছু যুদ্ধ বাইরে থেকে দেখা যায় না।মানুষটা হয়তো প্রতিদিনের কাজ করছে,হাসছে, কথা বলছে, দায়িত্ব পালন করছে—কিন্তু ভেতরে ভেতরে...
24/06/2026

কিছু যুদ্ধ বাইরে থেকে দেখা যায় না।
মানুষটা হয়তো প্রতিদিনের কাজ করছে,
হাসছে, কথা বলছে, দায়িত্ব পালন করছে—
কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে হয়তো ক্লান্ত,
ভেঙে পড়া, অথবা নিজেকেই ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
সবসময় দ্রুত এগিয়ে যেতে হবে—
এমন কোনো নিয়ম নেই।
কখনো কখনো একটু থেমে যাওয়া,
বিশ্রাম নেওয়া,
নিজের অনুভূতিগুলোকে সময় দেওয়া—
এটাও সুস্থ হওয়ার অংশ। 🌿
🤍 মনে রাখুন,
ধীর হওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়।
নিজের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া দুর্বলতা নয়।
আপনার মানসিক শান্তিও যত্ন পাওয়ার যোগ্য।
যদি দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ, ক্লান্তি,
অতিরিক্ত চিন্তা বা একাকীত্ব অনুভব করেন,
তাহলে বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিতে দ্বিধা করবেন না।
🏪 Model Mental Hospital এ নিয়মিত বসছেন অভিজ্ঞ
সাইকিয়াট্রিস্টগণ।
📞 Help Line: +880 1716565003 |
📲 WhatsApp: 01878-464205

পবিত্র হজ্জ পালন শেষে আপনাদের পছন্দের সাইকিয়াট্রিস্ট সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শরিফুল হক স্যার আগামীকাল বুধবার  ১০:০৬:২০২৬ ...
09/06/2026

পবিত্র হজ্জ পালন শেষে আপনাদের পছন্দের সাইকিয়াট্রিস্ট
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শরিফুল হক স্যার আগামীকাল বুধবার
১০:০৬:২০২৬ ইং তারিখ থেকে নিয়মিত রোগী দেখবেন ইনশাআল্লাহ।
☎️ ০১৭১৬-৫৬৫০০৩.

Model Mental Hospital

যে ৮টি ক্ষতিকর অভ্যাস ছাড়তে পারেনসব ক্ষতিকর অভ্যাস বাইরে থেকে খারাপ দেখায় না। কিছু অভ্যাস এতটাই স্বাভাবিক হয়ে যায় যে আম...
08/06/2026

যে ৮টি ক্ষতিকর অভ্যাস ছাড়তে পারেন

সব ক্ষতিকর অভ্যাস বাইরে থেকে খারাপ দেখায় না। কিছু অভ্যাস এতটাই স্বাভাবিক হয়ে যায় যে আমরা সেগুলিকে ব্যক্তিত্বের অংশ ভাবতে শুরু করি—যেমন সবসময় “হ্যাঁ” বলা, অস্বস্তিকর আলোচনা এড়িয়ে যাওয়া বা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া। কিন্তু ধীরে ধীরে এসব আচরণই মানসিক চাপ, ক্লান্তি আর সম্পর্কের জটিলতা বাড়াতে পারে। নিজের ছোট ছোট আচরণগুলিকে নতুন করে দেখার মধ্যেই অনেক সময় পরিবর্তনের শুরু লুকিয়ে থাকে।

শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেনবর্তমান যুগকে বলা হয়ে থাকে তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগের স্বর্ণযুগ। সুতরাং এই যুগে বস...
07/06/2026

শিশুর মোবাইল-টিভি আসক্তি কীভাবে বুঝবেন
বর্তমান যুগকে বলা হয়ে থাকে তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগের স্বর্ণযুগ। সুতরাং এই যুগে বসবাস করে এর ব্যবহারকে অস্বীকার করা অনেকটা সাঁতার কাটতে নেমে পা না ভেজানোর মতো মনে হবে। বিশ্বজুড়েই প্রযুক্তির প্রতি মানুষের একটা বিশেষ আকর্ষণ তৈরি হয়েছে, যাকে গ্যাজেটপ্রেম বললে হয়ত ভুল হবে না, স্মার্ট-ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ, ডিজিটাল ক্যামেরার প্রতি বড়োদের দেখে শিশুদেরও আকর্ষণ তৈরি হচ্ছে, কারো কারো কাছে এর ব্যবহার স্মার্টনেসের প্রতীক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
আজকাল যোগাযোগের সবচেয়ে বড়ো মাধ্যম মোবাইল ফোন, বর্তমানে মানুষ এর প্রতি এতটাই নির্ভরশীল যে মোবাইল ছাড়া যেন জীবনটাই অচল। আর এই মোবাইল ফোনটাই অনেক বাবা-মা শখ করে বাচ্চার হাতে তুলে দিচ্ছেন, স্মার্ট-ফোন এখন শিশুদের খেলার সঙ্গী। অধিকাংশ বাবা-মা ব্যস্ত থাকেন চাকরি-বাকরি আর ব্যাবসা নিয়ে, সন্তান একা সময় কাটায়, তাই অনেক অভিভাবক সময় কাটানোর জন্য হাতে তুলে দেন মোবাইল, ট্যাব অথবা টিভি।
কিন্তু এই প্রযুক্তিই আবার অনেক সময় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যতক্ষণ পর্যন্ত বিনোদনের পর্যায়ে থাকে ততক্ষণ কোনো সমস্যা নেই কিন্তু এর চেয়ে বেশি যদি হয় তখনই বিপদ। অতএব আমরা কখন বুঝব যে প্রযুক্তির এই ব্যবহার আমাদের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে:
যদি দেখা যায় বাচ্চার টিভি বা মোবাইল ব্যবহারের সময় ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে।
শিশুর হাত থেকে মোবাইল বা ট্যাব কেড়ে নিলে তারা রেগে যায় বা নেতিবাচক আচরণ শুরু করে।
টিভি, মোবাইল বা ট্যাব ছাড়া খেতে চাচ্ছে না।
কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে সবার আগে জানতে চায় ওখানে টিভি অথবা ইন্টারনেট সংযোগ আছে কিনা? না থাকলে সেখানে বেড়াতে যাওয়া একদম উচিত নয়।
সারাক্ষণ কার্টুন বা গেইম বিষয়ে আলোচনা করে।
পড়াশুনায় মনোযোগ, আগ্রহ কমে যাওয়া।
টিভি বা মোবাইল দেখার সময় নিয়ে মিথ্যা কথা বলে।
মোবাইল বা টিভি ছাড়া অন্য বিষয়ে (বই পড়া, খেলাধুলা করা, বেড়াতে যাওয়া) আনন্দ খুঁজে না পাওয়া।
মোবাইলের চার্জ শেষ হয়ে গেলে আতঙ্কিত হয়ে পড়া।
সামাজিক মেলামেশা কমে যাওয়া।
বেশিরভাগ সময় মোবাইল, ট্যাব বা টিভিতে চোখ রাখা।
ওপরের এই সমস্যাগুলো ছাড়াও আরও বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক (ওজন বেড়ে যাওয়া, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া, ঘুমের সমস্যা, অতিচঞ্চলতা, বিষণ্ণতা, সামাজিক ভীতি ইত্যাদি) সমস্যা দেখা দিতে পারে। বয়ঃসন্ধির সমস্যা, স্কুলের চাপ, বিশৃঙ্খল বা কঠোর পারিবারিক পরিবেশ-প্রভৃতি ভুলে থাকতেই অনেকে ইন্টারনটের আশ্রয় নেয়। বাবা-মা অনেক সময় এই আসক্তির ব্যাপারটা বুঝতে পারেন না, যতক্ষণ না বাচ্চার আচরণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে।
২০১৭ সালে ১১ থেকে ১৫ বছর বয়স্ক দেড় হাজার কিশোর-কিশোরীর ওপর গবেষণা চালায় রয়্যাল সোসাইটি অব পাবলিক হেলথ। এতে দেখা যায়, স্ন্যাপচ্যাট এবং ইনস্টাগ্রাম তাদের মনে সবচেয়ে বেশি হীনম্মন্যতা এবং দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করে। ১০ জনের মধ্যে ৭ জন বলেছে ইনস্টাগ্রামের কারণে তাদের নিজেদের দেহ নিয়ে বিষণ্ণতায় ভুগেছে। ১৪ থেকে ২৪ বছর বয়সের তরুণ-তরুণীদের অর্ধেকই বলেছে ফেসবুকের কারণে তাদের মানসিক দুশ্চিন্তা ও অশান্তি বেড়ে গেছে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব নিউরোসাইকিয়াট্রিক মেডিসিনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি আটজন মার্কিন নাগরিকের একজন প্রযুক্তিতে আসক্ত। আমাদের দেশে তেমন কোনো পরিসংখ্যান বা গবেষণা না থাকলেও আশপাশে তাকালে বোঝা যায়, প্রযুক্তি আসক্তি দিন দিন বাড়ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) চিহ্নিত ‘ব্যাধির’ তালিকায় ঢুকতে যাচ্ছে ভিডিও গেমস আসক্তি।Health
বিশেষজ্ঞরা ইলেক্ট্রনিক গেমসের মধ্যে আসক্তির ঝুঁকি শনাক্ত করায় ‘গেমিং ডিজঅর্ডার’ নামে এ ব্যাধি ডব্লিউএইচও’র ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজ’র (রোগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত শ্রেণিবিন্যাস, আইসিডি) ১১তম সংস্করণে স্থান পেতে চলেছে। ওপরের পরিসংখ্যান থেকে সহজেই অনুমান করা যায় যে আমাদের প্রযুক্তির ভালো দিকগুলোর পাশাপাশি মন্দ দিক সম্পর্কেও জানতে হবে, শিশু-কিশোরদের কাছে বিনোদনের অন্যান্য মাধ্যমগুলোকে পরিচিত করতে হবে অন্যথায় তৈরি হতে পারে নানান ধরনের শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা।
ডা. হোসনে আরা
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ,

Address

House 03, Block N, Section 01, Housing Estate, Near Highway Police Super Office, Medical College Road
Cumilla
3500

Telephone

+8801716565003

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Model Mental Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Model Mental Hospital:

Shortcuts

Share