হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন

হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন রক্তের প্রয়োজন হলে গ্রুপে পোষ্ট করুন?

বাংলাদেশ রক্তদাতা অনলাইন ফেডারেশন (BROF) একটি অনলাইন ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
দেশের জনসভার উদ্দেশ্যে সচেতন প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থী ও চাকুরীজীবীদের উদ্যোগে স্বার্থহীন মনোভাব নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তৈরিকৃত সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠনই হলো

https://www.facebook.com/groups/739821246838401/

১৪ই জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ❤️"আপনার রক্তে বাঁচুক প্রাণ,রক্তদানই হোক শ্রেষ্ঠ দান।"নিঃস্বার্থভাবে রক্তদান করে যারা প্রতিদ...
14/06/2026

১৪ই জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ❤️
"আপনার রক্তে বাঁচুক প্রাণ,রক্তদানই হোক শ্রেষ্ঠ দান।

"নিঃস্বার্থভাবে রক্তদান করে যারা প্রতিদিন অসংখ্য মুমূর্ষু মানুষের জীবন বাঁচাচ্ছেন, তারা সমাজের শ্রেষ্ঠ হিরো।
বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে দেশ ও প্রবাসের সেই সকল রক্তদাতা ভাইদের প্রতি রইল আমাদের হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং মোবারকবাদ।

আসুন, নিজে রক্ত দিই এবং অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করি। মানবসেবায় এগিয়ে আসি।

শুভেচ্ছান্তে:
✨ হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন ✨

📍 দোল্লাই নবাবপুর, চান্দিনা, কুমিল্লা।
(স্থাপিত: ০৪-০২-২০১৮ ইং)


#রক্ত #রক্তদান
#রক্তদিন #জীবন #বাচান
#রক্তদাতা #দিবস
#হিলফুল_ফুযুল_ইসলামী_সংগঠন
#চান্দিনা #কুমিল্লা

29/03/2026

সুই*সাইড করতে গিয়েও একদম শেষ মুহুর্তে ফিরে এসেছে এমন একজনের সাথে গতকাল আমার কথা হয়েছিল।

আমি মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম- কার জন্যে সুই*সাইড করতে গিয়েছিলেন?
মেয়েটা নির্লিপ্তভাবে উত্তর দিয়েছিল- একটা ছেলের জন্যে।
তারপর জিজ্ঞেস করলাম - তাহলে সুই*সাইড করার শেষ মুহুর্ত থেকে ফিরে আসলেন কিভাবে?

মেয়েটা বলল- আমি ফ্যানের সাথে ঝুলে ফাঁ*স দিতে গিয়েছিলাম। ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায়ও লাগিয়ে ফেলেছিলাম।

নিচের চেয়ারটা পা দিয়ে ফেলে দিলেই আমার জীবনের ইতি ঘটে যাবে। বাসায়ও তখন কেউ ছিল না যে আমাকে বাঁচাবে।

কি মনে করে যেন চেয়ার না ফেলেই গলার ওড়না পেচিয়ে অনেকক্ষণ যাবত স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কেমন যেন পাথরের মত লাগছিল নিজেকে।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - তারপর কি এমন হলো যে বেঁচে ফিরলেন?
মেয়েটা বলল- দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমার মাথায় অনেকগুলো ভাবনা আসছিল তখন। যৌক্তিক কোন ভাবনা না, এলোমেলো সব চিন্তাভাবনা।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি ভাবনা?

মেয়েটা জবাব দিল- দেখুন যে ছেলেটার জন্যে আমি আ*ত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম আমার মৃত্যুতে তার কোন ক্ষতিই হবে না। কোন অনুশোচনাও হবে না।

সে বরং আমাকে বাদ দিয়ে যাকে বিয়ে করেছে সে মেয়েকে নিয়েই সুখে শান্তিতে দিন কাটাবে।

দিব্যি হেসেখেলে দিন পার করবে। মাঝখানে থেকে যা ক্ষতি হবার সব আমারই হবে। আমি ভেবেছিলাম আমার আ*ত্মহত্যার মাধ্যমে ওকে বুঝাব, আমি ওকে কতটা ভালোবাসি।

কিন্তু সবশেষে মনে হলো আমার মৃত্যুটা ওর কাছে খুব বেশি হলে অপমৃত্যু মনে হবে এর চাইতে বেশি কিছু না।

আমি জিজ্ঞেস করলাম - এগুলো মনে হবার পরই ফাঁস খুলে নেমে পড়েছিলেন.?
মেয়েটা উত্তর দিল- না। তখন আমার পুরনো অনেক স্মৃতিই মনে পড়েছিল।
আমি জিজ্ঞেস করলাম - কি স্মৃতি?

মেয়েটা বলল- বিয়ের অনেকদিন পর্যন্ত আম্মুর বাচ্চা হচ্ছিল না। এটা নিয়ে দাদু বাড়ির সংসারে সবসময় নানান অশান্তি হতো। তারপর দীর্ঘ ছয় বছর পর আমি জন্মাই।

আম্মু বলেছিল আমি না-কি অনেক ছোট অবস্থায় জন্মেছিলাম। আমার ওজন ছিল মাত্র ১৩০০ গ্রাম।
বাঁচব কি-না সেটা নিয়ে ডাক্তাররা আশঙ্কায় ছিলেন।আব্বুও অনেক ভেঙে পড়েছিলেন।

আব্বু কখনো ওঝা, কবিরাজ এসবে বিশ্বাস করতেন না। শুধুমাত্র আমার কথা চিন্তা করে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরের এক কবিরাজের কাছে পর্যন্ত গিয়েছিলেন।

কবিরাজ নাকি বাবাকে অনেকগুলো কঠিন শর্ত দিয়েছিল। তিনদিন আব্বুকে শুধু পানি আর চিড়া খেয়ে কাটাতে হবে। আরও কি কি যেন শর্ত দিয়েঠিল।

আব্বু সবকিছু করেছিলেন শুধুমাত্র আমাকে বাঁচানোর জন্যে।

অনেক কষ্ট করে আব্বু আম্মু মিলে আমাকে একটু একটু করে বড় করেছেন। সে-ই আমি কিনা একটা ছেলের জন্যে নিজেকে শেষ করে ফেলব। নিজের প্রতি ঘৃণা হচ্ছিল তখন।

অনেকক্ষণ ওভাবেই গলায় ওড়না পেচিয়ে চেয়ারটাতে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এলোমেলোভাবে তখন এসব ভাবনা বারবার আসছিল মাথায়।

তারপর ওভাবে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে একটা সময় পর নেমে আসি। ফাঁস খুলে ফেলি। তারপর চুপচাপ টেবিলে বসে অনেকক্ষণ যাবত বাইরের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

বাইরে গাছের পাতা নড়তেছে, পাখিরা উড়তেছে।ভাবছিলাম আমি মারা গেলে গাছের একটা পাতা নড়াও থামবে না, পাখিরাও আগের মতই উড়বে।

কারো কিচ্ছুই হবে না। যা হবার সব আমার আর বাবা-মায়েরই হবে। এগুলো আগে কখনো নোটিশ করা হয়নি, ওইদিন বসে বসে করেছিলাম। তারপর সুই*সাইড নোটটাও ছিঁড়ে ফেলেছিলাম।

এতক্ষণ যাবত মেয়েটার কথাগুলো মনযোগ দিয়ে শুনছিলাম আমি।

মেয়েটা আবারও বলতে শুরু করল- অনেকক্ষণ বসে থাকার পর কি করব ভেবে না পেয়ে একটু চা বানাতে গেলাম। অনেক সময় নিয়ে, যত্ন করে বানালাম। খেয়ে দেখলাম অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।

আমি তেমন একটা চা বানাই না, বানাতে পারিও না। আম্মুই সবসময় বানায়। ভাবলাম আজকে আম্মু আব্বুকেও চা বানিয়ে খাওয়াই।

উনাদের অফিস থেকে আসার সময়ও হয়ে গিয়েছিল তখন।

তারপর যত্ন করে দুকাপ চা বানালাম। আসার পর আব্বু আম্মুকে চা দিলাম। ভেবেছিলাম ভালো হবে না। কি না কি আবার বলে। এটা ভেবে আমি আমার রুমে চুপচাপ বসে ছিলাম।

একটু পর আব্বু আমার রুমে এসে একটা হাসি দিয়ে বলেছিলেন - মা, চা নাকি তুমি বানিয়েছো? অনেক ভালো হয়েছে তো। এখন থেকে প্রতিদিন তুমি চা বানিয়ে খাওয়াবা কিন্তু।

জানেন, ওই মুহুর্তে না আমার নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষটা মনে হচ্ছিল।

মনে হচ্ছিল- আমার আরও অনেকদিন বাঁচা দরকার। আব্বু আম্মুর জন্যে কিংবা নিজের জন্যে হলেও। অন্তত আব্বুকে প্রতিদিন চা বানিয়ে খাওয়ানোর জন্যে হলেও

Ibrahim Khalil Shawon

এ সমস্ত ঘটনার জন্য আমি বলব রোগী দায়ী.!?অনেকগুলো কারণের মধ্যে তিনটা কারণ বলি:-১. সিজার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় র'ক্ত সংকট,...
09/03/2026

এ সমস্ত ঘটনার জন্য আমি বলব রোগী দায়ী.!?
অনেকগুলো কারণের মধ্যে তিনটা কারণ বলি:-

১. সিজার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় র'ক্ত সংকট, সিজারের হার কমলে র'ক্তদাতার হার এমনি বাড়বে

২. রোগীর অসচেতনতা, ওটিতে নিয়ে র'ক্তদাতা খুঁজতে থাকে। গর্ভবতীদের জন্য অবশ্যই একমাস আগে থেকে দুইজন র'ক্তদাতা প্রস্তুত রাখতে হবে।

৩. স্বেচ্ছায় র'ক্তদাতা কে সম্মান না দেওয়া।

একটা কলেই স্বেচ্ছায় র'ক্তদাতা র'ক্ত দেয়ার জন্য রাজি হলে, অবহেলার শেষ থাকে না।

হসপিটালে যাওয়ার আগে এক ঘন্টায় ১০০ কল দিবে, র'ক্ত দেওয়া শেষ হলে, র'ক্তদাতা বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছেছে কিনা একটা কল দিবে না ও কোনরকম যোগাযোগ রাখে না। অনেক সময় এমন দেখা যায় র'ক্ত নেয়ার পর হসপিটাল থেকে র'ক্তদাতা থেকে ভালোভাবে বিদায় পর্যন্ত দেয় না।

এ সমস্ত ঘটনার ফলে স্বেচ্ছায় র'ক্তদাতা দ্বিতীয়বার স্বেচ্ছায় র'ক্তদানে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। যার কারনে র'ক্ত সংকট।

আসুন আমরা সচেতন হই ও স্বেচ্ছায় র'ক্তদাতা কে সম্মান করি ইনশাআল্লাহ।

ইলিয়াস ভাই আমীরে জামায়াতকে প্রশ্ন করেন আপনারা নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে এতো নিশ্চুপ কেন? আমীরে জামায়াত উত্তর দিলেন আমরা এ...
15/02/2026

ইলিয়াস ভাই আমীরে জামায়াতকে প্রশ্ন করেন আপনারা নির্বাচনে কারচুপির বিষয়ে এতো নিশ্চুপ কেন?
আমীরে জামায়াত উত্তর দিলেন আমরা এই মুহুর্তে রাজপথে নামলে তৃতীয় পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে।

যেখানে অন্যরা ক্ষমতার লোভে দেশ বিক্রি দেয় সেখানে আমীরে জামায়াতের এমন উদারতা ও দেশপ্রেম এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত - আমরা এমন মানবিক নেতাই চাই - আলহামদুলিল্লাহ।

23/12/2025
23/12/2025
যখন হাদির স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, ঠিক তখনই হাদী ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন গণঅভ্যুত্থানে।মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন একজন মানুষ—আর ঘর...
20/12/2025

যখন হাদির স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা, ঠিক তখনই হাদী ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন গণঅভ্যুত্থানে।
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন একজন মানুষ—আর ঘরে ছিলেন একজন নারী, যিনি নিজের ভয়, দুর্বলতা, কান্না সব গিলে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন পাহাড়ের মতো শক্ত হয়ে।

অনেকে প্রশ্ন করেছে—
“কেন হাদীর স্ত্রী ক্যামেরার সামনে আসেন না?”
জবাবটা খুব সহজ, কিন্তু খুব গভীর—
তিনি পর্দানশীন। তিনি নিজের আদর্শ, বিশ্বাস আর শালীনতার সাথে কোনো আপস করেননি।
তিনি ভেঙে পড়েননি, বরং ভেঙে পড়াদের সান্ত্বনা দিয়েছেন।

হাদীর পরিচিত মারফিয়া আপা বলেছেন—
“ভাবি এতটাই স্ট্রং যে তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার মানুষ দরকার হয় না। উল্টো তিনিই সবাইকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।”
তিনি বলেছিলেন,
“আপনাদের ভাইকে বলে আসছি—কোটি কোটি মানুষ তোমার জন্য দোয়া করছে। এবার বিছানা থেকে উঠে এসো।”

এই একটি বাক্যই বলে দেয়—
তিনি শুধু একজন স্ত্রী নন, তিনি একজন সাহসের আশ্রয়, একজন যোদ্ধার শক্তি।

কোনো সংসারিক অশান্তি দিয়ে তিনি হাদীকে আটকে রাখেননি।
কোনো অভিমান, কোনো ঝগড়ায় হাদীর পথ রুদ্ধ করেননি।
বরং দৌড়াতে, লড়তে, কাজ করতে—সবটুকু জায়গা করে দিয়েছেন ভালোবাসা দিয়ে।

হাদী একদিন বলেছিলেন—
“আপনার ভাবির একটা ক্রিম লাগবে, আমি দিতে যাবো ভুলে গেছি।
প্রেগনেন্ট মানুষটার যত্নও ঠিকমতো নিতে পারিনি।”
তবুও—
না রাগ, না অভিমান।
দুইদিন পর মনে পড়লে দৌড়ে গিয়ে দিয়েছেন।
এই ছিল তাদের দাম্পত্য।

আজ আমরা যে হাদীকে দেখি—
তার সাহসের পেছনে ছিল এই নীরব শক্তি।
তার দৃঢ়তার পেছনে ছিল এই ধৈর্যশীল নারী।

আর আমাদের ভাতিজা—
সে কতটা সৌভাগ্যবান,
যে এমন একজন সাহসী, সহনশীল, আত্মমর্যাদাশীল নারীর গর্বে পৃথিবীতে এসেছে।

কিছু বিপ্লব স্লোগানে হয়।
আর কিছু বিপ্লব হয়—
নীরবতায়, ত্যাগে, ভালোবাসায়।

হাদীর স্ত্রী—
আপনি শুধু একজন বিপ্লবীর সহধর্মিণী নন,
আপনি নিজেই এক বিপ্লব।

৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস৷ মানবতার কাজে নিয়োজিত সকল স্বেচ্ছাসেবী ভাইবোনদের হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন এর প...
05/12/2025

৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস৷

মানবতার কাজে নিয়োজিত সকল স্বেচ্ছাসেবী ভাইবোনদের হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা।

নিজের অর্থ, শ্রম, সময় দিয়ে কাজ করে এই সমাজ কে পরিবর্তন করার চেষ্টা করা নিঃস্বার্থ স্বেচ্ছাসেবী কে স্যালুট৷

"দৃষ্টি ফিরায় চক্ষুদান রক্তদানে বাঁচে প্রাণ"২রা নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস৷ অভিনন্দন সকল রক্তদাতাদের,যাদের ...
02/11/2025

"দৃষ্টি ফিরায় চক্ষুদান
রক্তদানে বাঁচে প্রাণ"

২রা নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান দিবস৷
অভিনন্দন সকল রক্তদাতাদের,যাদের রক্তের বিনিময়ে বেঁচে যায় একটি প্রাণ৷ এক ব্যাগ রক্ত একটি প্রাণ নয় একটি পরিবারের প্রাণ। রক্তদানের মাধ্যমে শরীরে এইডস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, হেপাটাইটিস-বি ও সি-সহ সংক্রামক কোনো ঘাতক ব্যাধি রয়েছে কি না, তা বিনা খরচে জানা যায়।

২রা নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস।

একজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তির কাছে চোখের দৃষ্টির মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আর কিছুই নেই। দৃষ্টিহীন ব্যক্তি তার পরিবারের কাছে সীমাহীন এক কষ্টের নাম। জন্মান্ধ বা দৃষ্টিশক্তি হারানো ব্যক্তি কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার তথা সমাজের কাছে বোঝা হয়ে যায়। ব্যক্তিটি সব কাজের জন্য শারীরিকভাবে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও অসম্পূর্ণ জীবনযাপন করে। মানুষের করুণার পাত্রে পরিণত হয়।তাই আমরা মরণোত্তর চক্ষুদানের চেষ্টা করবো!

১৯৭২ সালের এই দিনে জাতীয় অধ্যাপক ডা. নুরুল ইসলাম দেশের প্রথম স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে রক্তদান করেন। তারপর ১৯৭৮ সাল থেকে বাংলাদেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালন করা হয়।

"জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস" উপলক্ষে হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ❤️

06/10/2025

ইসলামী শক্তিগুলোর ঐক্যের বিকল্প নাই.. এই যাত্রার অগ্রসেনানী হিসেবে খেলাফত মজলিস - Khelafat Majlis এবং Bangladesh Jamaat-e-Islami এর ভূমিকা আগামীতে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।।

Address

Chandina
Cumilla
3510

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন:

Shortcuts

Share

Category