Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

বিয়ের দুই যুগ পর্যন্ত নিঃসন্তান ছিলেন। অতঃপর আমাদের সেন্টারে এসে রুক্বইয়াহ সেশন নিলেন একবার। এরপর সেল্ফ রুক্বইয়াহ তেই কন...
03/06/2026

বিয়ের দুই যুগ পর্যন্ত নিঃসন্তান ছিলেন। অতঃপর আমাদের সেন্টারে এসে রুক্বইয়াহ সেশন নিলেন একবার। এরপর সেল্ফ রুক্বইয়াহ তেই কন্সিভ করলেন। বাচ্চার আজ এক বছর। মিষ্টি নিয়ে আসলেন সেন্টারে।

ফালিল্লাহিল হামদ।

পারিবারিক যাদুর প্রভাবে স্ত্রীর দীর্ঘদিনের বন্ধ্যাত্ব ছিলো। অতঃপর আলহামদুলিল্লাহ, রুক্বইয়াহ করার পরপরই কন্সিভ করেছিলেন ত...
24/05/2026

পারিবারিক যাদুর প্রভাবে স্ত্রীর দীর্ঘদিনের বন্ধ্যাত্ব ছিলো। অতঃপর আলহামদুলিল্লাহ, রুক্বইয়াহ করার পরপরই কন্সিভ করেছিলেন তিনি।

ছেলে সহ দই মিষ্টি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন আমাদের সেন্টারে। এর আগেও আমাদের অনেক সাকসেস কেইস পেয়েছিলাম যারা বন্ধ্যাত্ব বা মিসক্যারেজ এর সমস্যা থেকে রুক্বইয়াহ ও হিজামার মাধ্যমে মুক্তি পেয়েছিলেন।

(This article is based on mythologies and written for exploration purpose)ইউরোপীয় ইতিহাসে ৮০০-১১০০ পর্যন্ত প্রাচীন নরওয়ে...
20/05/2026

(This article is based on mythologies and written for exploration purpose)

ইউরোপীয় ইতিহাসে ৮০০-১১০০ পর্যন্ত প্রাচীন নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন ও আইসল্যান্ডের সময়কে বলা হয় Viking age বা ভাইকিং যুগ। এই অঞ্চলগুলোকে স্ক্যান্ডিনেভিয়া বলে। সেখানকার নর্সম্যান বা ভাইকিংরা সমুদ্রপথে বিভিন্ন দেশে অভিযান, লুন্ঠন ও নতুন উপনিবেশ স্থাপন করেছিলো।
প্রাচীন স্ক্যান্ডিনেভীয়ানদের তখন পৌত্তলিক ধ্যান ধারণা ও বিশ্বাস ছিলো যাকে Norse Mythology নর্স মিথলজি বলে৷ আর সমগ্র মহাবিশ্ব নিয়ে মতবাদ ছিলো নর্স কসমোলজিতে। নর্স কসমোলজিতে নয়টি জগৎ ছিলো।
Asgard (Æsir দেবতাদের জগত), Midgard (মানুষের জগৎ অর্থাৎ পৃথিবী), Vanaheim (vanir দেবতাদের জগৎ), Jotunhei (দৈত্যদের জগৎ), Alfheim(আলোর দেবদূত), Svartalfheim(বামুন ও খারাপ দৈ০ত্যদের জগৎ), Niflheim, Muspelheim, Helheim।

এই নয়টি জগত (Nine Worlds) বিশ্ববৃক্ষ Yggdrasil (ইগড্রাসিল)-এর চারপাশে অবস্থিত। এই গাছটি পুরো মহাবিশ্বকে সংযুক্ত করে রাখে এবং এর শাখা-প্রশাখা ও শিকড়ের মাধ্যমে সব জগত একে অপরের সাথে যুক্ত। Yggdrasil-এর মাধ্যমে দেবতা, মানুষ ও অন্যান্য সত্ত্বারা এক জগত থেকে অন্য জগতে যেতে পারে।

Asgard হলো সবথেকে উচু ও উন্নত স্তর। Bifrost নামক রামধনু সেতু দিয়ে এটি মানুষের জগত Midgard-এর সাথে যুক্ত। এই সেতু পাহারা দেন দেবতা Heimdall (তাঁর দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি অসাধারণ)। আ্যজগার্ডের প্রধান দেবতা Odin, যে এক চোখ ব০লি দিয়ে অসাধারণ জ্ঞান লাভ করেছিলো। Thor হলো বজ্রের দেবতা, Mjölnir হাতুড়ির মালিক। অ্যাজগার্ডের প্রধান রক্ষক।


আমরা যা০দুর শেকড় ব্যবি০লনের দিকে একটু তাকাই। ব্যবিলনিয়ন ডক্ট্রিনে দেবতাদের রাজা Anu আকাশের প্রাসাদে থাকতো।


গ্রীক মিথোলজি তো জানলামই। অলিম্পাস পর্বতের চূড়া যা পৃথিবী থেকে অন্য জগতে গিয়ে মিলেছে, সেখান থেকে অলিম্পাস দেবতারা বিশ্ব শাসন করতো।


হি০ন্দু ধর্মে বিষ্ণু ও লক্ষ্মী দেবীর অবস্থান বৈকুন্ঠে। পার্থিব কোনো ভৌগোলিক মানচিত্রে এর অস্তিত্ব নেই, এটি মহাজগতের ঊর্ধ্বে অবস্থিত একটি আধ্যাত্মিক জগত।


জাপানি (শিন্তো) মিথোলজিতে Takama-ga-hara / 高天原 তাকামাগাহারা হলো স্বর্গের উচ্চ সমভূমি বা স্বর্গীয় দেবতাদের (আমাতসুকামি) বাসস্থান। এই স্বর্গটি পৃথিবীর সাথে 'আমা-নো উকি-হাশী' বা স্বর্গের ভাসমান সেতু দিয়ে সংযুক্ত।


প্রাচীন সেল্টিক জনগোষ্ঠীর (আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, ব্রিটানি ইত্যাদি) ধর্মীয় বিশ্বাস, গল্প, দেবতা ও লোককথা হলো Celtic mythology বা সেল্টিক পৌরাণিক শাস্ত্র। সেল্টিক পূরাণে দেবতারা পৃথিবীর পাশে একটি সমতল স্থানে থাকে, পৃথিবী আর এই স্থানের মাঝে পাতলা একটি পর্দা বা Portal আছে। দেবতারা সেখান থেকে পৃথিবীতে আসে। সেল্টিক কসমোলজিতে জগৎগুলো হলো Tír fo Thuinn,Tír Tairngire,Emain Ablach, Mag Mell, Tír na nÓg. এই জগৎগুলোকে এক কথায় Otherworld বলে।
এই জগতগুলো ভৌগোলিক মানচিত্রে নেই। এগুলো আধ্যাত্মিক/যা০দুময় স্থান — আয়ারল্যান্ডের ল্যান্ডস্কেপের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। প্রাচীন আইরিশরা বিশ্বাস করত যে পৃথিবী ও Otherworld-এর মধ্যে শুধু একটা পাতলা পর্দা (veil) আছে, যা কখনো কখনো খুলে যায়।


Cosmology বা সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে পৌত্তলিক উদ্ভট চিন্তাভাবনা বহু পুরনো ইতিহাস। শাইত্বান আল্লাহর সৃষ্টির বৈপরীত্য তৈরি করতে এক সময় মানুষের বিশ্বাসকে প্রাভবিত করে ধোকা দিতো। আসমান-জমিন সৃষ্টি, তাদের আদি রূপ, আসমান জমিনে কি আছে এসব নিয়ে আল্লাহ 'আজ্জাওয়াজাল ক্বুরআন ও রাসূল ﷺ এর মাধ্যমে হাদীসে আমাদের জানিয়ে দিলেন। আর এর বিপরীতে শাইত্বান নিজের মতবাদ দাড় করাতে লাগলো।

জান্নাতের একটি বৃক্ষ হলো সিদরাতুল মুনতাহা, এই বৃক্ষের শেকড় থেকে ঝর্ণা প্রবাহিত হয় যা পৃথিবীর দুটি নদের সাথে মিলেছে। একটি নীল আরেকটি ফোরাত, আরো দুটি আছে হয়ত।

এবার উপরের কসমোলজির সাথে কিছু কি মিল পাচ্ছেন? দেবতাদের স্বর্গ থেকে পৃথিবীর একটা যোগসূত্র আমরা মিথোলজিগুলোতে পাই। অ্যাজগার্ডের বাইফ্রস্ট রামধনু যেটার সাথে পৃথিবীর সংযুক্তি, otherworld এর পৃথিবীর একটি সংযুক্তকারী পোর্টাল, আমাতসুকামির সাথে পৃথিবীর সাথে ভাসমান সেতুর সাহায্যে সংযোগ, এসব মূলত শাইত্বানেরই বানানো মিথ্যা গল্প। আর দেবতাদের আসনে নিজেকে সমাসীন করা।


قَالَ أَنَا۠ خَيۡرࣱ مِّنۡهُ خَلَقۡتَنِي مِن نَّارࣲ وَخَلَقۡتَهُۥ مِن طِينࣲ

সে বললঃ আমি তার চাইতে শ্রেষ্ট। আপনি আমাকে আগুন দ্বারা সৃষ্টি করেছেন এবং তাকে সৃষ্টি করেছেন মাটির দ্বারা। (আল-আ'রাফ:১২)

মানুষ থেকে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার অভিপ্রায় এবং সেই ভাবনাকে বনী আদমের মাঝে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা শাইত্বানের সূচনালগ্ন থেকেই। এবং এই শ্রেষ্ঠত্ব এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়াস যেন মানুষ শাইত্বানকে উপাসনার আসনে বসিয়ে দেয়। কিংবা তা না হলেও অন্তত মানুষ নিজেদেরকে যেন আল্লাহর দেয়া সম্মানের স্থানে না দেখে।

এক সময় শাইত্বান বিভিন্ন ত্বত্ত মতবাদ দাড় করাতো, এই পৃথিবীর বাইরেও অনেক জগৎ আছে। সেখানে মানুষদের তুলনায় উন্নত দেবতাতূল্য স্বত্তা আছে। ক্ষেত্রবিশেষে মানুষও সেই জগতে সেই উন্নত স্বত্তার সমপর্যায়ে যেতে পারবে।মানুষ তা বিশ্বাস করতো। শাইত্বানও সফল হতো।

এখন যুগ পাল্টেছে, Agnosticism বা Atheism (স্রষ্টায় অবিশ্বাসী)-র এই যুগে সবাই এখন বিজ্ঞান আর যুক্তিতে বিশ্বাসী। প্রকাশ্য প্রমান না থাকলেও বৈজ্ঞানিক ত্বত্ত-থিওরী পেলেই হবে, সেসব মনে প্রাণে বিশ্বাস করে ফেলবে। এখন দেবতা-দেবীর গল্প তেমন একটা হজম না হলেও তার বিপরীতে "Energy (অদৃশ্য শক্তি)" "Higher entity (স্বত্তা)" "Extraterrestrial entity (বহির্জাগতিক স্বত্তা), Alien ইত্যাদি থিওরীগুলো মানুষ খুব আকড়ে ধরতেছে।


পৌরাণিক যুগে মানুষ বিশ্বাস করতো, দেবতা রা অন্য জগতে থাকে, তারা পৃথিবীতে আসতো বিশেষ কার্যবিধির জন্য, এরপর কোনো দেবতা মানুষকে বিয়ে করে দেবতা বানিয়ে দিতো, অথবা কোনো দেবতা মানুষকে পুরষ্কৃত করে দেবতা বানিয়ে অমর করে রাখতো।

এখন বলা হচ্ছে আমাদের চাইতেও উন্নত প্রাণী আছে বহির্জগতে। তারা দেবতা না, তবে আমাদের চাইতেও তারা বুদ্ধিমান। দেবতারা কল্পিত মাধ্যমে পৃথিবীতে হয়ত আর আসে না তবে এলিয়েন বিভিন্ন পোর্টালের মাধ্যমে বা UFO বা ফ্লাইং সসারে আমাদের আকাশে প্রবেশ করে(!)।তাদের থেকে অত্যাধুনিক সাইন্টিফিক অনেক নলেজ পাওয়া যাবে। (!) তারা মাঝে মাঝে ফ্লাইং সসারে করে আমাদের পৃথিবী ভ্রমণ করে যায়।

আবার কারো কারো ধারণা অনুযায়ী আমরা যে রক্তেমাংসে শরীর নিয়ে আছি এটা সাময়িক, কিন্তু আমাদের ভেতরের যে আসল স্বত্তা, সেটা অমর। আমরা যদি মেডিটেশন করি তাহলে আমাদের ভেতরের আসল স্বত্তাটাকে বের করে ফেলতে পারি। এতে আমরা অমর হবো। দেবতারা আগে পৃথিবীতে এসে মানুষকে অমর করে যেতো; এখন দেবতারা না আসলেও কোয়ান্টাম মেথডে তা সম্ভব(!)। তাইতো বছরখানেক আগে এক শিক্ষার্থী অমরত্ব লাভ করতে গিয়ে বেচারা সুইসাইডই করে ফেললো। (কমেন্টে বিস্তারিত) সে ভেবেছিলো এত কষ্ট করে এত লম্বা জার্নি নিয়ে মেডিটেশন না করে আমি সরাসরিই আমার স্বত্তাটাকে বাইরে নিয়ে যাই।
কোয়ান্টাম ফিজিক্সে এটাকে এনার্জি বলে। সাব এটমিক লেভেলে সব কিছুই এনার্জি। এনার্জি অবিনশ্বর, অশেষ। শুধু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায়। আমাদের ভেতরের যেই স্বত্তা সেটাও এনার্জি। আমরা মারা গেলে এনার্জি অন্য কোথাও চলে যাবে, অন্য জগতে।

মেডিটেশনের মাধ্যমে একজন এমন কিছু দেখতে পারে ও অনুভব করতে পারে যা আমাদের পঞ্চইন্দ্রীয় কখনো রিয়েলাইজ করে নি। একদম অন্য একটা জগৎ দেখতে পাবো যেই জগৎ আমাদের থেকেও জটিল আর উন্নত, এবং আমরা উন্নত কিছু প্রাণী দেখতে পাবো। তাদেরকেই Higher Dimensional Entity (মূলত জ্বিন) বলে।

পৃথিবীর বাইরে আরো extraterrestrial এন্টিটি বা এলিয়েন আছে এটা বিশ্বাসযোগ্য না। পেন্টাগনের নিউজ যতই প্রুভড হোক না কেনো।কারণ হলিউড বিজনেসই এখন এটাকে ঘিরে। এই থিওরী এখনকার না, কয়েক হাজার বছর আগে থেকেই চলে আসছে। প্রায় পৌত্তলিকতা ভরপুর এই বিশ্বাস।

তবে হ্যা ইবন আব্বাস রা এর সেই কথা, প্রতি জমিনে আমাদের মত আরো একজন মানুষ আছে। এই ক্বওল দিয়ে ওয়েস্টার্ন-ব্যবি০লনীয়ন ডক্ট্রিন এর মাল্টিভার্স থিওরী এপ্লাই করে অনেকে। দুইটার মধ্যেই অনেক তফাৎ। তারা বলে আমাদের এই মহাবিশ্বের মত আরো অনেক মহাবিশ্ব আছে। কখনো কখনো অই মহাবিশ্বের কোনো প্রাণী বা স্বত্তা মাঝে মাঝে ভুলে বা ইচ্ছে করে আমাদের মহাবিশ্বে চলে আসে।

শাইত্বান মানুষকে এটাই বুঝাতে চায় এই পৃথিবীর বাইরেও অনেক জগৎ আছে যেখানে হায়ার ইন্টিলিজেন্ট এন্টিটি থাকতে পারে। একটা ডিলিউশনাল মতবাদ তৈরি করে দিয়েছে। আগে মানুষ God, Demigod, দেবতাদের নিয়ে পড়ে থাকতো এখন যুগ পরিবর্তনের কারণে Alien নিয়ে থাকে।

ব্যবিল০নিয়ান-মিশরিয় মিস্টিসিজম(গুপ্তবিদ্যা), কাব্বা০লাতে(ই০হুদী যা০দুবিদ্যা) গজিয়ে ওঠা যা*দুর আক্বীদার একটা অংশই এটা যে, মানুষকে বিশ্বাস করানো পৃথিবীর বাইরেও অন্য জগৎ আছে!!! সেখানে আমাদের থেকেও বুদ্ধিমান কেউ না কেউ আছে!! তারা আমাদের থেকেও উন্নত!!! আমাদের থেকেও অগ্রসর!!!

আমার প্রশ্ন, তাহলে তাদের কাজ কি? তারা কি অন্য কারো ইবাদত করে?? কারণ আল্লাহ তো সৃষ্টির ব্যাপারে শুধু মানুষ আর জ্বিনকে স্পেসিফাই করে গেছেন,

Adh-Dhariyat 51:56

وَمَا خَلَقۡتُ ٱلۡجِنَّ وَٱلۡإِنسَ إِلَّا لِيَعۡبُدُونِ

আর জ্বিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।

বাকি যত সৃষ্টি আছে তারা এম্নিই আল্লাহর ইবাদতে, জিকিরে মশগূল। আলাদা ঐচ্ছিকতা নেই আমাদের মত। বিজলি আল্লাহর জিকির, মালাইকারা বাধ্যগত ইবাদতে লিপ্ত, প্রতিটি নক্ষত্র, সূর্য চন্দ্র আল্লাহর জিকির করে ইত্যাদি ক্বুরআনেই বলা আছে।

তাহলে এই Extraterrestrial Entity বা Alien কারা মূলত??

জ্বিন শাইত্বান।

এখন কথা হচ্ছে তাহলে এইযে ফ্লাইং সসার দেখা যাচ্ছে খুবই উচ্চগতিসম্পন্ন। এসব কি?
উত্তর হলো টেকনোলজির আবিষ্কৃত অনেক কিছুই আসলে মানুষ থেকে গোপন রাখা হয়।

মিশরের এক ছোট বালক ছিলো। সে দেখতো তার পাশের বাড়িতে এক বৃদ্ধ লোক প্রতি মাসের নির্দিষ্ট একটা সময় সেই বৃদ্ধ লোকের বাড়িতে কি...
20/05/2026

মিশরের এক ছোট বালক ছিলো। সে দেখতো তার পাশের বাড়িতে এক বৃদ্ধ লোক প্রতি মাসের নির্দিষ্ট একটা সময় সেই বৃদ্ধ লোকের বাড়িতে কিছু নারী আসে। সে দেখতো, সেই নারীরা একে একে উল০ঙ্গ হতো এরপর এমন এক আসনে বসতো যার নিচে একটি পাত্র ছিলো। এরপর তাদের হায়েজের রক্ত সেই পাত্রে সংগ্রহ করতো।

ভয়ানক বিষয় হচ্ছে সেই র০ক্ত নিয়ে সে বাশকলম দিয়ে কুরআনের আয়াত লিখতো। নাউজুবিল্লাহ। কেউ কারো বিশেষ প্রয়োজনে আসলে সে অ০পবিত্র রক্ত দিয়ে পবিত্র কালাম লিখে জাদুর মাধ্যমে তাদের কাজ করে দিতো।


আমাদের দেশেরই একটা ঘটনা। এক বোন জানালেন তার শাশুড়ী অনেক অদ্ভুত। একা একা কোনো এক পরপুরুষের বাসায় রাতের বেলা চলে যায়, সেখানে থাকে। একদিন তার স্বামীকে নিয়েও শাশুড়ী অ০শ্লীল কথা বললো। পরে বুঝলাম অই শাশুড়ী আপন মাহরাম (ছেলে, এমনকি নাতি)দের সাথে জি০না বা শারীরিক সম্পর্ক করে। এইযে In**st, এটা জ্বিনকে খুশী করে। জা০দুকর হতে গেলে মাহরাম দের সাথে জি০না করা একটা কম্পালসারি বিষয়।


স্যা০টানিক রিচুয়ালে Ba০ptism বলে একটা রিচুয়াল আছে। যেখানে কাউকে শয়ত|০নের জন্য আজীবনের জন্য উৎসর্গ করা হয়। তবে শর্ত হচ্ছে শিশু হতে হবে, যেহেতু শিশুরা পবিত্র, পৃথিবীর অন্য কিছুর কলঙ্ক তার গায়ে লেগে নেই।অফিশিয়ালি প্রথম এই ব্যাপ্টাইজ করেছিলো An০thon La০voy যে একটা চার্চ প্রতিষ্ঠা করেছিলো যার নাম Satani০c church. তার নিজ মেয়ে সন্তানকে সে ব্যাপ্টাইজ করে শাইত্বানের প্রতি, সেখানে র০ক্ত, উল০ঙ্গ নারী দিয়ে লুসিফ|র (ইব্লি/স) এর প্রতি উৎসর্গ করা হয়।


তিনটি ঘটনা পড়লে মৌলিক যে বিষয়টি বুঝবেন তা হলো, আল্লাহর দেয়া বিধান, আল্লাহর দেয়া পবিত্রতাকে অপবিত্র, নোংরা ও কলুষিত করার দ্বারা জাদুর একটি অন্তর্নিহিত শক্তি আছে।

কুরবানি ইসলামের একটি পবিত্র বিধান। কুরবানির উদ্দেশ্যে পশু ক্রয় ও জ০বেহ করা উভয়ই একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে।

"তোমার রবের উদ্দেশ্যেই সালাত পড় এবং নহর (কুরবানি) কর।" (১০৮:২)

যেহেতু জা০দুকর সরাসরি জ০বেহ করা পশুকে নিতে পারছে না তাই এই ঈদের সময়ে এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থেকে নানান জায়গা থেকে কুরবানির পশুর রক্ত, চামড়া, হাড় বা যেকোনো অংশ লুকিয়ে নিয়ে যায়, এরপর যেই পশুকে আল্লাহর নামে জ০বেহ করা হয়েছে সেই পশুর কোনো এক অংশকে শাইত্বানের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করার মাধ্যমে কঠিন জা০দু করতে সক্ষম হয়।

একটা বিষয়ে বলে রাখা প্রয়োজন, জা০দুর ক্ষেত্রে হালাল বা পবিত্র জিনিস যত বেশি ব্যবহার করা হবে সেই জা০দু ততই ক্ষমতাবান। উপরের উদাহরণ থেকে তা স্পষ্ট।

তো, এই কারণে দেখা যায় কুরবানী আসলে কারো কারো নানা সমস্যা দেখা দেয়, সারা বছর ভালো থাকলে কুরবানীর সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে, পাগলামি বাড়ে, কিংবা মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়, বা ঈদ আসলেই মনমরা হয়ে থাকা, অসহ্য লাগা ইত্যাদি।

এর কারণ,

১, হয় তার ওপর করা যাদুর সাথে কুরবানির পশু, কুরবানির সময় বা কুরবানির দিন জড়িত। যেকারনে এই নির্দিষ্ট সময় আসলেই তার সমস্যা বাড়ে। কিংবা যেই জবে০হকৃত পশু দিয়ে জা০দু করা হয়েছে সে অন্য একই পশু খাচ্ছে। এতে যা০দু ট্রিগারড হচ্ছে।

২, বিশেষ করে জ্বিনদের মধ্যে হি০ন্দু জ্বিন এ সময় খুব প্রতিক্রিয়াশীল থাকে, কারণ তার পূজিত মাতা এখন অনেক জায়গাতেই জবেহ হচ্ছে। তার এই রিএক্টিভিটি বা কষ্ট ব্যক্তির শরীরে প্রভাব ফেলে ; যেই শরীরে সে পজেস করে থাকে।

৩, যেহেতু এটি একটি পবিত্র দিন। তাই জ্বিন শাইত্বান তার বদনজর ও হিংসার মাধ্যমে এই দিনের প্রতি আবেগ, উৎফুল্লতা, আনন্দকে নিঃশেষ করতে চায়। হালাল এঞ্জয়মেন্টকে সে গ্রহণ করতে পারে না।

৪, আজীবন নানান হারাম, নাজায়েজ দিবস যে পালন করে আসছে; পহেলা বৈশাখ, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ক্রিসমাস ডে, হ্যালোইন ডে এই ডে সেই ডে, নানান হারাম দিবসে যার অন্তর প্রফুল্ল হয় সে কিভাবে আল্লাহর দেয়া বরকতময় ঈদের আনন্দ উপভোগ করবে??

এক ভাই নিচের কাগজের ছবিটি পাঠালেন। তার মায়ের প্রচন্ড পা ব্যাথা। যন্ত্রণায় চিৎকার করেন। বাড়িতে এক কাজের মেয়ে থাকে। বয়স ৭।...
17/05/2026

এক ভাই নিচের কাগজের ছবিটি পাঠালেন। তার মায়ের প্রচন্ড পা ব্যাথা। যন্ত্রণায় চিৎকার করেন। বাড়িতে এক কাজের মেয়ে থাকে। বয়স ৭। মেয়ের সাথে জ্বিন আছে, জ্বিন তাকে দিয়ে কাগজে নিচের এই লিখাগুলা লিখায়। এরপর সেটা দেয়ার পর পা ব্যাথা একেবারে নাই!

কারণ কি? এর কারণ হচ্ছে এই কাগজে লিখাগুলো যা০দুর কিছু মন্ত্র। তা ব্যবহারে যা০দুর প্রভাবে তার ব্যাথা চলে যায়।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে শাইত্বান এভাবেই একজন কে দিয়ে কুফ০রি কাজ করায় যা অনেকেই বুঝতে পারে না। ভালো ফলাফল পাওয়ার কারণে ভাবে এটা নিশ্চই ভালো কিছু, ওই জ্বিন নিশ্চই ভালো জ্বিন, মুসলিম জ্বিন....!!!

বোনটির স্বামী একজন মেডিসিনের ডক্টর। এক বছর আগে তার প্রায় প্রতিনিয়তই খিচুনি আসতো, দাড়াতো অবস্থাতেই খিচুনি উঠে মাটিতে আছড়ে...
15/05/2026

বোনটির স্বামী একজন মেডিসিনের ডক্টর। এক বছর আগে তার প্রায় প্রতিনিয়তই খিচুনি আসতো, দাড়াতো অবস্থাতেই খিচুনি উঠে মাটিতে আছড়ে পড়তেন।

এরপর আসলেন আমাদের সেন্টারে। প্রথম রুক্বইয়াহ সেশনে প্রায় অর্ধেক কমে যায়। আলহামদুলিল্লাহ।
পরবর্তী আরেক সেশন আর আজকের দিনের মাঝে এক বছরের গ্যাপ। এর মধ্যে একবার শুধু এই সমস্যা হয়েছিলো তার।

ডাক্তার হলেই রুক্বইয়াহকে ডিনাই করতে হবে এমন কিছু না। জ্বিনের কারণে মানুষের খিচুনি হতে পারে এ নিয়ে আগেও বলেছি (কমেন্টে দেখুন)

এই বোন নিজেও একজন গাইনী ডক্টর। এখন তিনিও বেবি কন্সিভ হবার জন্য রুক্বইয়াহ করছেন।

শিশুরা আমাদের মত অসুস্থতা বর্ণনা করতে পারে না তাই তারা জ্বিন-বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত বুঝতেও পারি না। নিচে কিছু...
14/05/2026

শিশুরা আমাদের মত অসুস্থতা বর্ণনা করতে পারে না তাই তারা জ্বিন-বদনজর দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত বুঝতেও পারি না। নিচে কিছু লক্ষণ দেয়া হলো যেভাবে বুঝা যেতে পারে শিশুদের জ্বিন-যাদূ দ্বারা কোনোভাবে প্রভাবিত হয়েছে কিনা।

১। হুট করে অনিদ্রায় আক্রান্ত হওয়া বা ঘুমাতে ভয় পাওয়া
২। টয়েলেটে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করা
৩। আয়নার দিকে তাকিয়ে কথা বলতে থাকা
৪। শরীরে এখানে ওখানে ব্যথা করে – এমন অভিযোগ করবে
৫। ঘুম থেকে উঠলে মাথা ব্যথা করা
৬। একা একা উপরের ঘরে/নিজের ঘরে/এই ঘর থেকে ঐ ঘরে যেতে ভয় পাওয়া
৭। এমন কুরূচিপূর্ণ ভাষায় কথা বলা যা একটি শিশুর ব্যক্তিত্বের সাথে মিলে না।
৮। স্বপ্নে সা০প, কু০কুর, সিংহ অথবা অন্য কোন প্রানী বা মানুষ তাকে ধাওয়া করছে এমন দেখা।
৯। অদ্ভুত কাজকর্ম, ভুল-ভ্রান্তি করা এবং করতেই থাকা যেন কেউ তাকে উস্কে দিচ্ছে করার জন্য। সে জানে এটা করা উচিত না তবুও করবে।
১০। মসজিদের প্রতি ঘৃণা / ভয় সৃষ্টি হওয়া। কুরআনুল কারীমের সাথে বেয়াদবি করা।
১১। পা, হাটুর নিচের ফোলা গোশতে অথবা পেটে (রাতে) ব্যথা করে বলা
১২। জ্বিন দেখতে পাওয়া
১৩। ঘুমের মধ্যে দাঁতে দাঁতে পিষতে থাকা।
১৪। স্বপ্নে উপর থেকে পড়তে দেখা।
১৫। চোখের মণি মাঝে মাঝে বড় হয়ে যাওয়া। পুরো চোখ কালো হয়ে গিয়েছে এমন মনে হতে পারে।
১৬। কুরআনের অডিও শুনতে খুবই অপছন্দ করা।
১৭। প্রচন্ড রাগ এবং অস্বাভাবিক শক্তি।
১৮। একদম বালক বয়স থেকেই যৌ০নতা সম্পর্কিত চিন্তা/কার্জকলাপে আগ্রহ থাকা। যেমন, ৭/৮ বছর বয়স থেকে।
১৯। কাল্পনিক কোন বন্ধু-বান্ধব আছে এমন কথা বলা। তাদের নামও বলতে পারে।
২০। রাতের বেলা বাইরে যেতে চাওয়া এবং ঘরে ফিরতে অপছন্দ করা – যদিও বাহ্যিকভাবে এর কোনো কারণ নেই।
২১। আযান শুনলে ভয় পাওয়া
২২। ঘুমের মধ্যে কেঁদে ওঠা।
২৩। অটিজম প্রকাশিত হওয়া।
২৪। অহেতুক জিদ করা
.

উপর্যুক্ত লক্ষণগুলোর মধ্যে যদি ৪-৫ টি লক্ষণ আপনার বাচ্চার সাথে মিলে যায় তবে তাকে রুকইয়া করুন ইন শা আল্লাহ।

(This article is based on astrology, horoscope and is for only education purposes)রাশি/রাশিচক্র: পর্ব ২কেনো এবং কিভাবে।গ...
10/05/2026

(This article is based on astrology, horoscope and is for only education purposes)

রাশি/রাশিচক্র: পর্ব ২

কেনো এবং কিভাবে।

গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম রাশির ইতিহাস। আজ আমরা জানবো কিভাবে এই রাশিগুলো আসলো। বিভিন্ন প্রাচীন পৌরাণিক গ্রন্থে কিভাবে এসেছে।

এখানে আমরা গ্রীক পূরাণের গল্প নিয়ে আসবো। কারণ ব্যবিলনীয়ন মিথলজি পরিপূর্ণ আকারে পাওয়া যায় না। তবে প্রতিটি রাশির ব্যবিলনিয়ান, মিশরীয়, গ্রীক ও রোমান নাম উল্লেখিত থাকবে।

মাউন্ট অলিম্পাসে দেবতাদের রাজা Zeus বিভিন্ন বস্তু, বীর বা প্রাণীকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নক্ষত্রমন্ডলে স্থাপন করে।

১, Agru (ব্যবীলনীয়)/ Aries (রোমান)/ Krios (গ্রীক) বা মেষরাশি :

রাজা অ্যাথামাসের সন্তান ফ্রিক্সাস ও হেলেকে তাদের সৎমা ইনোর হাতের বলি থেকে বাঁচাতে তাদের মা ক্লাউড নিম্ফ(মেঘের পরী) নেফেলে এই ভেড়া পাঠায়। ভেড়াটি উড়ে কলচিসে নিয়ে যায় (হেলে পড়ে হেলেসপন্টে মা০রা যায়) সেখানে পৌঁছে ভেড়াটি ফ্রিক্সোসকে নির্দেশ দেয় যে, তাকে (ভেড়াটিকে) দেবতাদের উদ্দেশ্যে ব০লি দিতে। পরে জিউস বা অন্য দেবতা এটিকে আকাশে রাখেন।

২, Guanna/ Ta**us/ Ta**us বা বৃষ(ষাঁড়) রাশি:
অলিম্পিয়ান দেবতা Poseidon এই ষাড়টিকে সমুদ্র থেকে মিনোসের কাছে পাঠিয়েছিলো বলি দেয়ার জন্য। কিন্তু মিনোস অন্য পশুকে ব০লি দেয়। Poseidon ক্ষি০প্ত হয়ে ষাড়টিকে পাগল করে দেয়। ইউরিসথিয়াস হারকিউলিসকে পাঠায় ষাড়টিকে শিকার করবার জন্য। হারকিউলিস ষাড়টিকে ধরে আনে কিন্তু ছেড়ে দেয়। থিসাস এরপর ষাড়টিকে হ০ত্যা করে। এরপর দেবতারা এটিকে নক্ষত্রপুঞ্জে রেখে দেয় যা বৃষ রাশি নামে পরিচিত।

৩, Mas.tab. ba/ Didymoi/ Gemini বা মিথুন(জমজ) রাশি:
জিউসের সন্তান হওয়ায় দুই জমজ ভাইকে আকাশে রেখে দেয়া হয়। যা মিথুন(জমজ) রাশি বলে পরিচিত।

৪, Al.lul/ Karkinos/ Cancer বা কর্কট(কাকড়া) রাশি:

হারকিউলিসের আরেকটি মিশন ছিলো লার্নাইয়া নামের হাইড্রাকে মে০রে ফেলার জন্য।দেবী হেরা কাকড়াকে পাঠায় সাহায্য করতে লার্নাইয়াকে। হারকিউলিস পায়ে পিষে মে০রে ফেলে কাকড়াকে। হেরা দেবী দুঃখ বোধ করে কাকড়াকে আকাশে স্থাপন করে দেয়।

৫, Ur.gula/ Leon/ Leo বা সিংহ রাশি:

নেমিয়ান শহরে এক সিংহ তান্ডব চালাচ্ছিলো। রাজা ইউরিসথিয়াস তার বারোটি শ্রমের প্রথমটি হিসেবে হারকিউলিসকে এই সিংহকে হ০ত্যা করতে বলে। হারকিউলিস সিংহকে হ০ত্যা করে। দেবী হেরা সিংহকে আকাশে স্থাপন করে দেয়।

৬, Ab.sin/ Parhtenos/ virgo বা কন্যা রাশি:

Astraea ছিল ন্যায়বিচারের কুমারী দেবী। স্বর্ণযুগে সে মানবজাতির সাথে পৃথিবীতে বাস করত পরবর্তীতে ব্রোঞ্জ যুগে (খৃষ্টপূর্ব ৩৩০০-১২০০ সাল) আইনশৃঙ্খলাহীনতার কারণে তাকে বিতাড়িত করা হয়। জিউস তাকে কন্যা রাশি নক্ষত্রপুঞ্জ হিসেবে নক্ষত্রদের মাঝে স্থাপন করেন।

৭, Zibanitu/ zygos/ Libra বা তুলারাশি:

ন্যায়ের দাড়িপাল্লা। virgo এর ন্যায়ের প্রতীক।

৮, Gir.tab/ Skorpios/ Scorpio বা বৃশ্চিক(বিচ্ছু) রাশি:

দেবী Gaia বিশাল বিচ্ছুকে পাঠায় Orion কে মা০রার জন্য।কারণ অরায়ন গর্ব করে বলেছিল সব প্রাণী মে০রে ফেলবে। বিচ্ছুর কামড়ে অরায়ন মা০রা যায়। জিউস বিচ্ছুকে আকাশে রেখে দেয়।

৯, Pabilsag/ toxotes/ sagittarius বা ধনু রাশি:

ধনু রাশি তীরন্দাজ নামেও পরিচিত এবং এই রাশিটি সাধারণত পৌরাণিক চরিত্র কাইরনের সাথে সম্পর্কিত। কাইরন ছিল একজন অমর, সভ্য সেন্টর, যে অনেক বিখ্যাত বীরের শিক্ষক ছিল।
হেরাক্লিসের ভুলবশত একটি তীরের আকস্মিক আঘাতে কাইরন তাঁর অমরত্ব ত্যাগ করে। পরে জিউস তাকে নক্ষত্রে স্থাপন করে দেয়।

১০, Suhur/ Aigokeros/ capricorn বা মকর(সমুদ্র-ছাগল) রাশি:

আইগিপান (Aegipan) ছিল ছাগলের পা-ওয়ালা প্যানদের মধ্যে একজন। যখন দেবতারা দানব টাইফোয়াসের হাত থেকে বাঁচতে পশুদের রূপ ধরে লুকিয়েছিলেন, তখন আইগিপান মাছের লেজওয়ালা একটি ছাগলের রূপ ধারণ করেন। পরে তিনি জিউসের সাহায্যে এগিয়ে আসেন এবং দৈত্যটির শরীর থেকে দেবতার বিচ্ছিন্ন পেশীগুলো চুরি করে ফিরিয়ে আনেন। তার এই সেবার পুরস্কারস্বরূপ আইগিপানকে মকর নক্ষত্রপুঞ্জ হিসেবে নক্ষত্রপুঞ্জের মাঝে স্থাপন করা হয়।

১১, Gu/ Hydrokhoos/ Aquarius বা কুম্ভ রাশি:

কুম্ভ রাশির পৌরাণিক কাহিনীতে গ্যানিমিডের কথা বলা হয়েছে। গ্যানিমিড ছিলো সবচেয়ে সুদর্শন যুবক।প্রাচীন গ্রীসে বয়স্ক পুরুষের সাথে ১৪/১৫ বছরের যুবকদের প্রেমিক হিসবে গ্রহণ করাটা সামাজিক রীতি ছিলো। দেবতা জিউস গ্যানিমিডের প্রেমে পড়ে (নাউজুবিল্লাহ)। এরপর গ্যানিমিডকে কুম্ভ রাশি হিসেবে নক্ষত্রে স্থাপন করে অমরত্ব দেয়।

১২, Zib/ Ichthyes/ pisces বা মীন (দুটি মাছ) রাশি:

দানব টাইফোয়াস থেকে বাচতে এফ্রোডাইটি ও তার ছেলে ইরোস মাছের রূপ ধারণ করে সমুদ্রে লুকিয়ে পড়ে। তাদের স্মরণীয় করে রাখতে মাছ হিসেবে নক্ষত্রপুঞ্জে রেখে দেয় জিউস।


এই হচ্ছে ১২ টি রাশির পৌত্তলিকতা ভরপুর পৌরাণিক গল্প। এই নক্ষত্রপূঞ্জ সবই কাল্পনিক। দূরের হাজারো জ্বলমলে নক্ষত্রকে নিজের কল্পনা থেকে একেকেটা প্রাণী, মানুষের অবয়ব তৈরি করেছিলো পৌরাণিকেরা।

আমরা এবার বেদ থেকেও কিছু জেনে নিব। তাহলে প্রতিটা প্রজন্ম নিয়েই জানা হয়ে যাবে। গ্রীক, রোমান, মিশর, ব্যবিলন যেহেতু একের পর এক এসেছে। সাথে হি০ন্দু ধর্মের টা যোগ করলে পরিপূর্ণতা পাবে। বেদ হচ্ছে হি০ন্দুধর্মের সর্বপ্রাচীন, পবিত্র এবং শাশ্বত জ্ঞান বা ধর্মগ্রন্থের সমষ্টি, যা ঈশ্বরের বাণী হিসেবে গণ্য করা হয়। বেদ এস্ট্রলজিতে ১২ টি রাশির নাম: Mesha, Vrishabha, Mithuna, Karka, Simha, Kanya, Tula, Vrishchika, Dhanu, Makara, Kumbha, Meena. নামগুলো Sanskrit. আমরা যেই নামে চিনি হুবহু কিন্তু সেই নামেই! রিগবেদে মহাজাগতিক ঘটনার উল্লেখ সম্বলিত Hymns (প্রাচীন লিখা বা কবিতাকে হাইম বলে) পাওয়া যায় যা খৃষ্টপূর্ব ১৫০০ সাল। অর্থাৎ আজ থেকে সাড়ে তিন হাজার বছর আগে!!

Vedic Astrology is highly regarded for its accuracy and depth. While no system can predict the future with 100% certainty,

বেদীক জোতিষ শতভাগ ভবিষ্যতর ব্যাপারে নিশ্চয়তা দেয় যা অন্য কোনো এস্ট্রলজিতে নেই। বাস্তবেও তাই।

এজন্য দেখবেন পশ্চিমা দেশের জায়োনিস বা খৃষ্টানরাও হিন্দু জোতিষশাস্ত্র অনুসরণ করে। আপনি দেখবেন একজন এমেরিকান, অথচ ইয়োগা শেষে সবাইকে "নামাস্তে" বলে সমাপ্তি দেয়।
বেদাঙ্গ জ্যোতিষ হল বেদের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্পর্কিত প্রাচীনতম গ্রন্থগুলির মধ্যে একটি। কিছু পণ্ডিত মনে করে যে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রচলিত রাশিচক্রীয় জ্যোতিষশাস্ত্র হেলেনিস্টিক প্রভাব থেকে এসেছে। যখন গ্রিক সংস্কৃতি গ্রিসের বাইরে অন্যান্য দেশ ও সভ্যতার সাথে মিশে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে হেলেনিস্টিক যুগ বা হেলেনিজম বলা হয়।

চাইনীজ এস্ট্রলজিতে প্রতিটি রাশি একেকটি পশুকে পার্সোনিফিকেট করে। যেমন, ইদুর, ষাড়, বাঘ, খরগোশ, ড্রাগন, সাপ, ঘোড়া, ছাগল, বা০নর, মোরগ, কু০কুর আর শূ০কর।

এস্ট্রলজার এই ১২ টি রাশির প্রতি তিনটিকে ৪ টি মৌলিক উপাদানে ভাগ করে ( পানি (কর্কট, বৃশ্চিক, মীন), বায়ু(মিথুন, তুলা, কুম্ভ), আগুন(মেষ, সিংহ, ধনু), পৃথিবী(বৃষ, কন্যা, মকর)।

These associations are not given any great importance in modern astrology, although they are prominent in modern Western ceremonial ma০gic,reconstructionist neopagan systems such as neodruidism and Wicca.

অর্থাৎ জোতিষশাস্ত্রে যদিও এই সংযোগসমূহকে অতটা গুরুত্ব দেয়া হয় না, তবে যা০দুর ক্ষেত্রে তা উল্লেখযোগ্য।

এজন্য একজন যা০দুকর যদি যা০দু করতে চায় তাহলে যা০দুগ্রস্থ কে তার জন্ম তারিখের সাথে রাশিকে বের করতে হবে। এরপর অই যা০দুকর রাশির উপাদানের সাথে মিল রেখে যা০দুকে আগুনে পুড়াবে, অথবা পানিতে ফেলবে কিংবা মাটিতে পুতে বা বাতাসে ছেড়ে দিবে (আমাদের দেশের অনেক হুজুর ঝাড়ফুকের ক্ষেত্রে এমন করে তাই না? তাবিজ মাটিতে পুতে রাখতে বলবে, বা আগুনে পুড়িয়ে ধোয়া নিতে বলবে। জ্বি এটা যা০দুই)

একজন যা০দুকর সে উদায়চল থেকে অস্তাচল, উত্তর থেকে দক্ষিন, যেখান থেকেই হোক না কেনো, কুড়েঘর বা অট্টালিকায় থাকুক না কেন যা০দুবিদ্যার জন্য তাকে এস্ট্রলজি নিয়ে জানা লাগবে।

National Geography-র একটি আর্টিকেলে বলা হয়েছে,
বর্তমানে, রাশিফল ​​আগের চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়, বিশেষ করে জেন জি এবং মিলেনিয়াল(১৯৮১-১৯৫৬ সালে জন্মগ্রহণকারী)দের মধ্যে। কার্ল ইয়ুং, একজন প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী যিনি জ্যোতিষশাস্ত্রের আদিম প্রতীক এবং মানব মনের উপর তাদের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করেছেন, তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন যে জ্যোতিষশাস্ত্র মানব অভিজ্ঞতার সার্বজনীন ধরণগুলি বোঝার জন্য একটি ভাষা প্রদান করে।

পরবর্তীতে আমরা রাশির বিষয়ে ইসলামের অবস্থান জানবো।

08/05/2026

প্রতি চার বছর অন্তর অলিম্পিক খেলা হয়। অথচ আপনি জানেন কি এর পেছনে বহু বছর ধরে শাইত্বানকে সন্তুষ্ট করার রহস্য?? কমেন্টে দেখুন..

(This article is based on astrology, horoscope and is for only education purposes)রাশি/রাশিফল: পর্ব ১।উৎপত্তি, ইতিহাস ও ...
07/05/2026

(This article is based on astrology, horoscope and is for only education purposes)

রাশি/রাশিফল: পর্ব ১।
উৎপত্তি, ইতিহাস ও বিকাশ :

যা০দুর ইতিহাস খুব পুরোনো। তবে প্রতিষ্ঠিত ও আদি যা০দুর রুট হলো ব্যবিলন। আল্লাহ 'আজ্জাওয়াজাল বলেন,

"তারা ঐ শাস্ত্রের অনুসরণ করল, যা সুলায়মানের রাজত্ব কালে শাইত্বানরা আবৃত্তি করত। সুলায়মান কুফ০র করেনি; শাইত্বানরাই কুফর করেছিল। তারা মানুষকে জা০দুবিদ্যা এবং বাবেল শহরে হারুত ও মারুত দুই ফেরেশতার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছিল, তা শিক্ষা দিত।" সূরা বাক্বারাহ:১০২

আর এই যা০দুর একটা বিশাল অংশ নক্ষত্রপুঞ্জের যা০দু। যাকে আমরা রাশি বলে জানি।

প্রাচীন ব্যবিলন থেকে যা০দুবিদ্যা গ্রীকরা ধার করে নেয়। ব্যবিলনে যাদের দেবতা মানা হতো গ্রীকরা সেগুলোর নিজেদের মত করে গ্রীক নাম দেয়। ব্যবিলন যেই অঞ্চলে অবস্থিত সেটার নাম ম্যাসোপটেমিয়া। শব্দটা গ্রীক Meso= মধ্যে, Potemos= নদীর। অর্থাৎ দুই নদীর মধ্যে অবস্থিত, যার অধিকাংশটাই ইরাক, অর্থাৎ ব্যবিলন। ব্যবিলনেই প্রথম গণিত, জ্যোতিষশাস্ত্র (Astrology), যা০দু-ধর্মীয় অনুষ্ঠান ইত্যাদির অনেক ভিত্তি গড়ে ওঠে।

যা০দুবিদ্যা ; প্রাচীন ব্যবিলন→ মিশর → গ্রীস → রোমান এই ধারাবাহিকতায় এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে পৌছে। ব্যবিলনের অনেক দেবতাদের মিশরীয়রা গ্রহণ করে, মিশরীয়রা যেই দেবতার অনুসরণে পিরামিড তৈরি করে তাদের নাম আবার পাওয়া যায় গ্রীক পৌরাণিক শাস্ত্রে; গ্রীকের অনেক দেবতাদের আবার রোমানরা গ্রহণ করে নক্ষত্র-গ্রহের নাম দেয় গ্রীক দেবতাদের নামেই। যেমন গ্রীক সমুদ্রদেবতা Poseidon এর অনুসরণে রোমানরা তাদের সমুদ্রদেবতার নাম দেয় Neptune। যেই নেপচুনকে আমরা গ্রহ বলে জানি। এদিকে আবার গ্রীক আকাশের দেবতা Uranus, রোমানরা তাদের আকাশের দেবতার নাম দেয় Caelus.

ইসলাম মক্কা থেকে ছড়িয়ে পুরো বিশ্ব গ্রহণ করে নিচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা। তেমনি ব্যবিলনের যা০দুবিদ্যা মিশর, গ্রিস, রোম হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এরপর হি০ন্দু, বৌদ্ধ, ই০হুদীরাও তা গ্রহণ করে। ঠিক যেমন একটা ধর্ম!! পরবর্তী পর্বে এর বিস্তর আমরা জানতে পারব ইন শা আল্লাহ।

আমরা রাশি (Zodiac, Horoscope) নিয়ে কথা বলবো। এর উৎপত্তিস্থল ব্যবিলন। খৃষ্টপূর্ব ৩০০০ সালে সুমেরীয়নরা ( মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বর্তমানে ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলে) প্রথম নক্ষত্র ও গ্রহের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ শুরু করে, প্রথম Costellation নক্ষত্রপূঞ্জের রেকর্ড তৈরি করে। অত:পর খ্রিস্টপূর্ব ১৬শ শতাব্দীর মধ্যে ‘এনুমা আনু এনলিল’ Enuma Anu Enlil নামে পরিচিত একটি বিস্তৃত তথ্যসূত্র গ্রন্থের সংকলনে লক্ষণ-ভিত্তিক জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাপক প্রয়োগ শুরু হয়। ব্যবিলনিয়নরা আকাশকে দেবতাদের ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবে দেখতো, এবং গ্রহের গতিবিধিকে মানুষের ভাগ্যের সাথে সামঞ্জস্যতা করতো। এ থেকেই রাশি Horoscope এর যাত্রা।

{ فَلَمَّا جَنَّ عَلَیۡهِ ٱلَّیۡلُ رَءَا كَوۡكَبࣰاۖ قَالَ هَـٰذَا رَبِّیۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَ قَالَ لَاۤ أُحِبُّ ٱلۡـَٔافِلِینَ (76) فَلَمَّا رَءَا ٱلۡقَمَرَ بَازِغࣰا قَالَ هَـٰذَا رَبِّیۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَ قَالَ لَىِٕن لَّمۡ یَهۡدِنِی رَبِّی لَأَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡقَوۡمِ ٱلضَّاۤلِّینَ (77) فَلَمَّا رَءَا ٱلشَّمۡسَ بَازِغَةࣰ قَالَ هَـٰذَا رَبِّی هَـٰذَاۤ أَكۡبَرُۖ فَلَمَّاۤ أَفَلَتۡ قَالَ یَـٰقَوۡمِ إِنِّی بَرِیۤءࣱ مِّمَّا تُشۡرِكُونَ (78) }

" অতঃপর যখন রাত তার উপর আচ্ছন্ন হল, সে তারকা দেখল, বলল, ‘এ আমার রব’। অতঃপর যখন তা ডুবে গেল, তখন সে বলল, ‘যারা ডুবে যায় আমি তাদেরকে ভালবাসি না’।
অতঃপর যখন সে চাঁদ উজ্জ্বলরূপে উদীয়মান দেখল, বলল, ‘এ আমার রব’। পরে যখন তা ডুবে গেল, বলল, ‘যদি আমার রব আমাকে হিদায়াত না করেন, নিশ্চয় আমি পথহারা কওমের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব’।
অতঃপর যখন সে সূর্য উজ্জ্বলরূপে উদীয়মান দেখল, বলল, ‘এ আমার রব, এ সবচেয়ে বড়’। পরে যখন তা ডুবে গেল, তখন সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা যা শরীক কর, নিশ্চয় আমি তা থেকে মুক্ত’।" (আন'আম: ৭৬-৭৮)

[ সত্য কথা এই যে, হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর তাঁর কওমের কাছে এটা বর্ণনা করা তর্কের খাতিরেই ছিল। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল তাদের বিশ্বাসকে বাতিল সাব্যস্ত করা যে, তারা যেসব প্রতিমার পূজা করছে সেগুলো বাজে ও ভিত্তিহীন। প্রতিমাগুলো সাতটি নক্ষত্রের নামে ছিল। সেগুলো হচ্ছে কামার’, ‘আতারিদ’, ‘যুহরা’, ‘শামস', ‘মিররীখ’, ‘মুশতারী এবং যাহল'। সবচেয়ে বেশী উজ্জ্বল নক্ষত্র হচ্ছে শামস। তারপর কামার'। সমস্ত তারকার মধ্যে উজ্জ্বলতম হচ্ছে ‘যুহরা'। হযরত ইবরাহীম (আঃ) সর্বপ্রথম এই যুহরা' তারকা থেকেই শুরু করলেন। তিনি তার কওমের লোকদেরকে বললেন যে, এই তারকাগুলোর মধ্যে মাবুদ হওয়ার যোগ্যতা নেই। এরা তো দাসত্বের শৃংখলে আবদ্ধ। তাদের গতি সীমিত। তাদের স্বেচ্ছায় ডানে-বামে যাবার কোন অধিকার নেই। এগুলো তো হচ্ছে আকাশের নক্ষত্র যেগুলোকে আল্লাহ পাক আলো দানকারী রূপে সৃষ্টি করেছেন এবং এতে তার বিশেষ নৈপুণ্য নিহিত রয়েছে।] - তাফসীর ইবন কাসীর।

অর্থাৎ আদিকাল থেকেই মানুষ গ্রহ-নক্ষত্রের উপাসনা করতো, তাদের দেবতা হিসেবে মানতো। ইবরাহীম আ. ক্বওমকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন এরা ইলাহ না, রব না। কেবলই আল্লাহর সৃষ্টি।

আধুনিক জোতিষশাস্ত্রে যে ১২ টি রাশী, ব্যবিলন-মিশর-গ্রীক-রোমান রাও ১২ টি রাশি মেনে চলতো। কিছুটা তারতম্য থাকতে পারে। মৌলিক পার্থক্য নেই।

প্রশ্ন হচ্ছে, কেন তারা গ্রহ, নক্ষত্রের প্রভাব পৃথিবীতে আছে বলে বিশ্বাস করতো? কিংবা নক্ষত্রপুঞ্জের Constellation রাশিকে কেন এখন বিশ্বাস করা হয় এইসকল রাশির প্রভাব বাস্তব?

প্রাচীন মিথলজিতে গ্রিক, রোমান ও ব্যাবিলনীয় (মেসোপটেমিয়ান) দেবতারা স্বর্গীয় রাজ্য থেকে পৃথিবীতে আসতো মানুষ সৃষ্টি করতে, মানব দেবতার সাথে বিয়ে করতে, যুদ্ধে সাহায্য, প্রেম, শাস্তি বা জ্ঞান দিতে, শাসন করতে। গ্রীক অলিম্পিয়ান দেবতারা মাউন্ট অলিম্পাস (যদিও মাউন্ট অলিম্পাস গ্রীসে অর্থাৎ পৃথিবীতে, তবে এর চূড়া উর্ধ্ব জগতে বলে বিশ্বাস করা হতো। দেবতারা সেখান থেকে বিশ্ব শাসন করতো) থেকে, আকাশ থেকে, স্বর্গ থেকে নেমে আসতো পৃথিবীতে। প্রধান দেবতারা কিছু মানুষ বা অর্ধদেবতাদের(Demigod অর্ধেক মানুষ অর্ধেক দেবতা) মেরে ফেলতো, কাউকে নক্ষত্রপূঞ্জে পাঠাতো, বা কাউকে পাতাললোকে (Underworld), কাউকে পরিপূর্ণ দেবত্ব দিত (যেমন, হারকিউলিস। অর্ধদেবতা থেকে সে পরিপূর্ণ দেবত্ব ও অমরতও লাভ করে)

যাদেরকে নক্ষত্রপুঞ্জে পাঠানো হয়েছে তাদের নিয়েই ১২ টি রাশিচক্র বা Zodiac Constellation. Constellation বা পৌরাণিক নক্ষত্রপুঞ্জ হলো আকাশের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থিত তারকাগুলোর একটি গ্রুপ, যেগুলোকে মানুষ কল্পনা করে নির্দিষ্ট প্যাটার্ন হিসেবে কোনো পশু, মানুষ, বস্তু বা দেবতার আকৃতি হিসেবে দেখে। অর্থাৎ নক্ষত্রপুঞ্জ হলো বিন্দু দিয়ে বিন্দু মেলানোর ধাঁধার (Dot Dot Puzzle) মতো। মানুষ তাদের দেবতাদের ছবি আঁকার জন্য নক্ষত্রগুলোকে সংযুক্ত করত (কাল্পনিকভাবে)। সেবসই আস্তে আস্তে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আধুনিক যুগ পর্যন্ত চলমান। আমরা সংক্ষেপে প্রতিটার ঘটনা জানবো। ইন শা আল্লাহ।

Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Dhaka
Demra
1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Miracle Healing:

Share