Back In Motion: American Health & Wellness Center

Call Directions Website Contact the practice

Back In Motion: American Health & Wellness Center Back in Motion Ltd, specializes in Manual therapy, a distinct art supported by scientific knowledge

অনেকে জানতে চান, ফ্রোজেন শোল্ডারের ইনস্ট্যান্ট কোনো সমাধান আছে কিনা।  সোজা কথায় বলতে গেলে ফ্রোজেন শোল্ডারের রাতারাতি বা ...
24/08/2026

অনেকে জানতে চান, ফ্রোজেন শোল্ডারের ইনস্ট্যান্ট কোনো সমাধান আছে কিনা। সোজা কথায় বলতে গেলে ফ্রোজেন শোল্ডারের রাতারাতি বা জাদুর মতো কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নেই। যেহেতু জয়েন্টের ভেতরের ক্যাপসুল শক্ত ও সংকুচিত হয়ে যায়, তাই এটাকে এক মুহূর্তে একদম আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা বৈজ্ঞানিকভাবে অসম্ভব। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যথার তীব্রতা খানিকটা কমানোর জন্য কিছু প্রাথমিক পদক্ষেপ নেওয়া যায় যেমন:

✔️ তীব্র ব্যথা থাকলে ১০-১৫ মিনিটের জন্য আইস প্যাক লাগালে জায়গাটা কিছুটা অবশ হয়ে ব্যথা কমে। আর কাঁধ শক্ত হয়ে থাকলে হালকা গরম সেক দিলে পেশি কিছুটা শিথিল হয়।

✔️ কাঁধ একদম না নাড়িয়ে রেখে দিলে এটা আরও বেশি জমে যায়। তাই ব্যথার সীমা বুঝে খুব হালকা পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ করা যেতে পারে।

✅ ফ্রোজেন শোল্ডারের মূল সমাধান
আমাদের কাঁধ একা কাজ করে না। ঘাড়, পিঠের স্পাইন, বুকের পাঁজর এবং কলার বোন সবকিছুর সমন্বয়ে হাত নাড়াতে হয়। ফ্রোজেন শোল্ডারে আমরা প্রথমে দেখি কাঁধের পাশাপাশি ঘাড় বা পিঠের বায়োমেকানিক্সে কোনো ব্লকেজ বা সমস্যা আছে কি না। কাঁধের চারপাশের মাংসপেশি, টেন্ডন এবং ফাসিয়া অতিরিক্ত শক্ত ও টানটান হয়ে থাকে। অস্টিওপ্যাথিক ম্যানুয়াল থেরাপির মাধ্যমে আলতোভাবে এই টিস্যুগুলোর ব্লাড সার্কুলেশন বা রক্ত সঞ্চালন বাড়ানো হয়, যেন ইনফ্লামেশন কমে আসে। ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে ধাপে ধাপে জয়েন্টের ভেতরের ক্যাপসুলটির স্ট্রেচিং করানো হয়। কোনো জোরজবরদস্তি বা ঝাঁকুনি ছাড়াই সূক্ষ্ম মবিলাইজেশন আর্টসের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কাঁধের স্বাভাবিক নড়াচড়ার ক্ষমতা ফিরিয়ে আনা হয়। কাঁধের অংশে রক্ত সরবরাহ এবং স্নায়বিক যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ঘাড় এবং পিঠের যে অংশ থেকে কাঁধে রক্ত ও নার্ভের সিগন্যাল যায়, অস্টিওপ্যাথিক এডজাস্টমেন্টের মাধ্যমে সেই রাস্তা সহজ করা হয়।

ফ্রোজেন শোল্ডার সেরে উঠতে কিছুটা সময় এবং ধৈর্যের প্রয়োজন হয়। ওষুধ খেয়ে ব্যথা সাময়িক চেপে না রেখে, অস্টিওপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে শরীরকে স্বাভাবিক নিয়মে সুস্থ করে তোলাই হচ্ছে এর দীর্ঘস্থায়ী সমাধান।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

23/08/2026

পর্যাপ্ত চিকিৎসার পরেও কোমর ব্যথা ভালো না হলে যা করবেন-

কোমর ব্যথা আমাদের দেশের অতি পরিচিত একটি সমস্যা। সাধারণ পেশির টান বা সামান্য ডিস্কের সমস্যা ভেবে অনেকেই একে দিনের পর দিন ...
23/08/2026

কোমর ব্যথা আমাদের দেশের অতি পরিচিত একটি সমস্যা। সাধারণ পেশির টান বা সামান্য ডিস্কের সমস্যা ভেবে অনেকেই একে দিনের পর দিন অবহেলা করেন। কিন্তু সব কোমর ব্যথা সাধারণ নয়; কিছু ব্যথা সরাসরি স্নায়ুতন্ত্রের মারাত্মক বিপর্যয়ের সংকেত দেয়। এমনই একটি জরুরি ও বিপজ্জনক শারীরিক অবস্থা হলো কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোম বা Cauda Equina Syndrome.

আমাদের মেরুদণ্ডের শেষ ভাগে এসে স্পাইনাল কর্ড বা সুষুম্নাকাণ্ডটি ছোট ছোট একগুচ্ছ স্নায়ুতে বিভক্ত হয়ে নিচে নেমে যায়। এই স্নায়ুগুচ্ছ দেখতে অনেকটা ঘোড়ার লেজের মতো দেখায় বলে লাতিন ভাষায় একে কাউডা ইকুইনা বলা হয়। এই স্নায়ুগুলো আমাদের নিতম্ব, উরু, পায়ের নড়াচড়া এবং মূত্রাশয় ও অন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে। কোনো কারণে যেমন খুব বড় ধরনের ডিস্ক হার্নিয়েশন, মেরুদণ্ডের ফ্র্যাকচার, টিউমার বা ইনফেকশনে যদি এই পুরো স্নায়ুগুচ্ছের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে, তখন স্নায়ুগুলো হঠাৎ তাদের কার্যক্ষমতা হারাতে শুরু করে।

কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোমের প্রধান লক্ষণসমূহ:
🔸 সাইকেলের সিটে বসলে শরীরের যে যে অংশ স্পর্শ করে যেমন নিতম্ব, উরুর ভেতরের অংশ এবং যৌনাঙ্গের চারপাশ সেখানে পুরোপুরি অবশ বোধ হওয়া।

🔸 প্রস্রাব আটকে রাখা সম্ভব না হওয়া, হঠাৎ করে না চাইতেই বের হয়ে যাওয়া, অথবা প্রস্রাবের তীব্র বেগ থাকলেও প্রস্রাব না হওয়া।

🔸 এক বা দুই পায়ে তীব্র ব্যথা নেমে আসার পাশাপাশি পায়ের শক্তি কমে যাওয়া, যার ফলে হাঁটতে গেলে ভারসাম্য রাখা অসম্ভব হয়ে পড়া।

🔸 পায়ের পাতা বা আঙুলে মারাত্মক ঝিনঝিন করা, অবশ ভাব বা পা অবশ হয়ে ভারী হয়ে যাওয়া।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

22/08/2026

এক্সারসাইজ এর আগে এভাবে প্রস্তুতি নিয়েছেন?

আমাদের শরীর কিন্তু বেশ স্মার্ট। ছোটখাটো কোনো সমস্যা হলে সে হালকা ব্যথার মাধ্যমে আমাদের সতর্ক করে, আবার বড় কোনো বিপদের আভ...
22/08/2026

আমাদের শরীর কিন্তু বেশ স্মার্ট। ছোটখাটো কোনো সমস্যা হলে সে হালকা ব্যথার মাধ্যমে আমাদের সতর্ক করে, আবার বড় কোনো বিপদের আভাস থাকলে দেয় তীব্র ও হঠাৎ তৈরি হওয়া কিছু এলার্ম সংকেত। মানুষের পুরো শরীর একটি ইন্টারকানেক্টেড সিস্টেম অর্থাৎ, শরীরের এক অংশের স্নায়ু বা রক্তনালীর চাপ অন্য অংশে প্রতিফলিত হতে পারে। যেমন কাঁধের একটি সাধারণ ব্যথা কেবল পেশির টান না হয়ে হৃদযন্ত্র বা পিত্তথলির কোনো ভেতরের সমস্যার সংকেতও হতে পারে। সব ব্যথাকে পেইনকিলার খেয়ে চেপে রাখা একদমই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কিছু ব্যথা আছে যা দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে হাসপাতালে যাওয়া উচিত।

বুকে বা পিঠের উপরিভাগে তীব্র চাপ ও ব্যথা
বুকের মাঝখানে ভার অনুভব হওয়া, যা ধীরে ধীরে বাম হাত, চোয়াল বা পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়ে এটি হার্ট এটাকের স্পষ্ট লক্ষণ হতে পারে। সাথে যদি অতিরিক্ত ঘাম ও শ্বাসকষ্ট থাকে, তবে এক সেকেন্ডও দেরি করা যাবে না।

জীবনকালে আগে কখনো পাননি এমন হঠাৎ ও তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে তা ব্রেন এনিউরিজম বা স্ট্রোকের আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে। সঙ্গে বমি ভাব বা ঝাপসা দেখার অনুভূতি থাকলে দ্রুত ইমার্জেন্সিতে যেতে হবে।

সাধারণ কোমর ব্যথা অস্টিওপ্যাথিক ম্যানিপুলেশনে ভালো হলেও, ব্যথার সাথে যদি হঠাৎ প্রস্রাব-পায়খানার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় এবং পায়ের দিকে অবশ ভাব ছড়ায়, তবে এটি কাউডা ইকুইনা সিন্ড্রোম (Cauda Equina Syndrome)-এর লক্ষণ। মেরুদণ্ডের নিচের অংশের স্নায়ু অতিরিক্ত চেপে গেলে এটি হয়, যা দ্রুত অপারেশন না করালে স্থায়ী পঙ্গুত্ব ঘটাতে পারে।

পায়ের পেছনের পেশিতে হুট করে মারাত্মক ব্যথা, ফুলে যাওয়া এবং জায়গাটি গরম অনুভব হলে সতর্ক হন। এটি রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা বা Deep Vein Thrombosis এর লক্ষণ। এই জমাট বাঁধা রক্ত ফুসফুসে চলে গেলে জীবনঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

পেটের নিচের ডান বা বাম দিকে মারাত্মক ব্যথা, পেটে চাপ দেওয়া মাত্রই সহ্য করতে না পারা এবং সাথে জ্বর বা বমি থাকা অ্যাপেন্ডিসাইটিস কিংবা কোনো অভ্যন্তরীণ অঙ্গের গুরুতর ইনফ্লামেশন নির্দেশ করে।

শরীর যখন এমন কোনো জরুরি রেড ফ্ল্যাগ দেখায়, তখন তা ওষুধ দিয়ে সাময়িকভাবে থামিয়ে রাখা বিপজ্জনক। নিজের শরীরের ভাষাকে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, সুস্থ থাকুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

20/08/2026

ব্যথা না হলে কি বুঝবেন ব্যায়াম কাজ করেনি?

19/08/2026

এক্সারসাইজ নাকি মুভমেন্ট কোনটা করবেন?

আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ কাঠামোকে সোজা রাখতে এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক চলাফেরা বজায় রাখতে প্রধান ভিত্তি হলো মেরুদণ্ড। শরীর ...
19/08/2026

আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ কাঠামোকে সোজা রাখতে এবং প্রতিদিনের স্বাভাবিক চলাফেরা বজায় রাখতে প্রধান ভিত্তি হলো মেরুদণ্ড। শরীর কেবল আলাদা আলাদা কিছু অঙ্গের সমষ্টি না, বরং পুরো শরীর একটি সমন্বিত ব্যবস্থা। আর এই ব্যবস্থার প্রাণকেন্দ্র হলো মেরুদণ্ড। কারণ, মেরুদণ্ডের ভেতর দিয়েই আমাদের মূল স্নায়ু বা নার্ভগুলো শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।
যখন আপনার মেরুদণ্ডে কোনো সমস্যা তৈরি হয় তখন এর প্রভাব শুধু পিঠ বা কোমরেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এটি আপনার রক্ত সঞ্চালন, স্নায়ুর কার্যক্ষমতা এবং শরীরের নিজেকে নিজে সুস্থ রাখার স্বাভাবিক ক্ষমতাকেও ধীর করে দেয়।

অনেক সময় আমরা নিজেরাই খেয়াল করি না যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের অজান্তেই গড়ে ওঠা কিছু ছোট ছোট অভ্যাস কীভাবে মেরুদণ্ডকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক দৈনন্দিন জীবনের এমন ৭টি ভুল সম্পর্কে

1️⃣ ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘাড় নিচু করে ফোন বা ল্যাপটপ দেখা

2️⃣ একটানা বসে থাকা এবং কুঁজো হয়ে বসা

3️⃣ কোমর ঝুঁকিয়ে ভারী জিনিস তোলা

4️⃣ ভুল পজিশনে ঘুমানো বা ভুল ম্যাট্রেসে ঘুমানো

5️⃣ এক কাঁধে ভারী ব্যাগ ঝুলিয়ে রাখা

6️⃣ আনকম্ফোর্টেবল জুতা পড়া

7️⃣ পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ও অলস জীবনযাপন

মেরুদণ্ড কেবল হাড়ের একটি স্তম্ভ নয়, এটি আপনার পুরো শরীরের প্রাণশক্তি চলাচলের মাধ্যম। আজ থেকেই এই ছোট ছোট ভুলগুলো শুধরে নিন এবং আপনার মেরুদণ্ডকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ রাখুন।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সংসারের হাজারো কাজ একা হাতে সামলান ঘরের গৃহিণীরা। রান্না করা, ঘর মোছা, বাসন মাজা, বাচ্চাদের সামলান...
18/08/2026

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সংসারের হাজারো কাজ একা হাতে সামলান ঘরের গৃহিণীরা। রান্না করা, ঘর মোছা, বাসন মাজা, বাচ্চাদের সামলানো থেকে শুরু করে টুকিটাকি সব কাজ। বাইরে থেকে মনে হতে পারে এগুলো তো সাধারণ দৈনন্দিন কাজ, কিন্তু শরীরের ওপর দিনশেষে এর প্রভাব কতটা পড়ে, তা কেবল তারাই বোঝেন। কষ্টের বিষয় হলো, অধিকাংশ সময় এই ব্যথাগুলোকে তারা খুব সাধারণ ভেবে এড়িয়ে যান অথবা পেইনকিলার খেয়ে সাময়িক আরাম খোঁজেন।

আমাদের কঙ্কাল ও পেশির বিন্যাস এবং শরীরের সার্বিক কাজকর্ম একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িত। যখন শরীরের এক জায়গায় অতিরিক্ত চাপ পড়ে বা টিস্যুতে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়, তখন তার প্রভাব পুরো শরীরের ওপর পড়ে। গৃহিণীদের প্রতিনিয়ত যেসব শারীরিক অঙ্গভঙ্গি ও নড়াচড়া করতে হয়, সেগুলোর কারণেই মূলত কোমর ও ঘাড়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়।

গৃহিণীদের ঘাড় ও কোমর ব্যথার মূল কারণসমূহ:

✅ একটানা ঝুঁকে কাজ করা ও ভুল অঙ্গভঙ্গি

আমাদের মাথার গড় ওজন প্রায় ৪-৫ কেজি। মাথা যখন সোজা থাকে, ঘাড়ের ওপর এই ওজনের চাপই পড়ে। কিন্তু রান্নাঘরের স্ল্যাবে বা নিচে বসে সবজি কাটার সময় যখন আমরা ১৫-৩০ ডিগ্রি ঝুঁকে কাজ করি, তখন ঘাড়ের পেশিতে সেই ওজনের চাপ বেড়ে প্রায় ১৫-২০ কেজির মতো হয়ে যায়। বছরের পর বছর প্রতিদিন এই অতিরিক্ত চাপের কারণে ঘাড়ের স্পাইনাল ডিস্ক এবং পেশিতে জয়েন্ট ব্লক বা ডিস্কের ক্ষয় তৈরি হয়।

✅ বারবার একই ধরনের নড়াচড়া
ঝাড়ু দেওয়া, ঘর মোছা, কাপড় কাচা বা ভারী বালতি তোলার সময় শরীরকে একপাশে মোচড় দিতে হয়। আমরা এটাকে বলি মায়োফ্যাশিয়াল ইমব্যালেন্স। অর্থাৎ, একপাশের পেশি অতিরিক্ত টানটান হয়ে শক্ত হয়ে যায়, আর অন্যপাশের পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বিন্যাস নষ্ট হয়ে কোমরে ও ঘাড়ে ক্রনিক ব্যথা শুরু হয়।

✅ কোর পেশির দুর্বলতা
সারা দিন ঘরে এত হেঁটে কাজ করা সত্ত্বেও কেন কোমর ব্যথা হয়? কারণ দৈনন্দিন কাজের সময় আমাদের পেটের ও পিঠের ভেতরের গভীর পেশিগুলো সঠিকভাবে কার্যকর থাকে না। গৃহিণীদের নিয়মিত সঠিক ব্যায়ামের অভাব থাকায় এই কোর মাসল দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলে মেরুদণ্ডকে সোজা রাখার মূল ভারটি গিয়ে পড়ে কোমরের হাড় ও জয়েন্টের ওপর।

✅ টিস্যুতে রক্ত ও তরল চলাচলে বাধা
যখন কোনো পেশি একটানা শক্ত বা টানটান হয়ে থাকে, তখন সেই এলাকার ক্ষুদ্র রক্তনালীগুলোতে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। ফলে পেশিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছায় না এবং বর্জ্য পদার্থ জমা হতে থাকে। এতে পেশিতে শক্ত ভাব, কামড়ানো ব্যথা বা জ্বালা অনুভব হয়।

✅ মানসিক চাপ ও স্নায়ুর টান
সংসার সামলানোর মানসিক চাপ, ক্লান্তি আর নিজের জন্য সময় বা বিশ্রামের অভাব সরাসরি আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে। স্ট্রেসে থাকলে অজান্তেই আমাদের ঘাড়ে ও কাঁধের পেশি শক্ত হয়ে থাকে। ফলে রক্ত সঞ্চালন কমে গিয়ে ঘাড় আটকে যাওয়া বা ঘাড় থেকে মাথায় ব্যথা ছড়িয়ে পড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

একটানা ২০-৩০ মিনিটের বেশি ঝুঁকে কাজ করবেন না। কাজের মাঝেই সোজা হয়ে দাঁড়ান এবং কয়েক সেকেন্ড হালকা স্ট্র্যাচ করুন। রান্নাঘরের কাউন্টার এমন উচ্চতায় রাখুন যেন খুব বেশি ঝুঁকে কাজ করতে না হয়। কোমর বাঁকিয়ে ঝুঁকে ভারী কিছু না তুলে, হাঁটু ভেঙে নিচে বসে বস্তুটি শরীরের কাছাকাছি এনে সোজা হয়ে উঠুন। পেশিগুলোর নিজের থেকে সেরে ওঠার জন্য দৈনিক পর্যাপ্ত ঘুম এবং সারাদিনের কাজের মাঝে নিজের জন্য অন্তত কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ডাঃ মোঃ আবদুল্লাহ ইউসুফ
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ইউএসএ

Address

Zaraa Convention Center Building (4th Floor), House 7, Road 14, Gulshan-1
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801313717272

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Back In Motion: American Health & Wellness Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Back In Motion: American Health & Wellness Center:

Shortcuts

Share

Category