Maj Gen Professor HR Harun

Call Directions Website Contact the practice

Maj Gen Professor HR Harun Maj Gen Prof. H R Harun (Retd.) MBBS, FCPS, FRCS (Glasg.), FRCS (Edin.),
D. Uro (London), WHO Fellow

#আপনার_চিকিৎসক_সম্পর্কে_জানুনঃ
দেশের প্রখ্যাত ইউরোলজিস্ট মেজর জেনারেল প্রফেসর এইচ আর হারুন। তিনি ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ১৩তম BAUS CON-2019 আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইউরোলজিতে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়শেন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জন্স এর পক্ষ থেকে প্রফেসর ইদ্রিস লস্কর মেমোরিয়াল স্বর্ণপদকে সম্মানিত হন। উক্ত সম্মেলনে তিনি ২১ বছরে তার ৫৩৩টি নেফরন স্পেয়ারিং সার্জারী (পুরো কিডনি না ফেলে শুধু টিউমার অপসারণ) এর অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্র (আছির মেমোরিয়াল লেকচার) উপস্থাপন করেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে তিনিই প্রথম নেফরন স্পেয়ারিং সার্জারী (NSS) প্রচলন করেন।

কিডনি পাথরের বিভিন্ন চিকিৎসা (URS, ICPL, ICLL, PCNL, RIRS), লেজার সার্জারী, লেপারস্কপিক সার্জারী, পুরুষ বন্ধ্যাত্ব ও মাইক্রোসার্জারি, মহিলা ও শিশুদের ইউরোলজিক্যাল রোগ, যৌন রোগ, রি-কনস্ট্রাকটিভ ইউরোলজি, ও ইউরো অনকোলজিতে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ।

প্রফেসর হারুন যুক্তরাজ্য ছাড়াও ভারত, আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সিঙ্গাপুরে ইউরোলজি বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং বহুসংখ্যক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
মেজর জেনারেল হারুন ১৯৫৫ সালের ২১শে জুন কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার পাঁচরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হতে ১৯৭৯ সালে এমবিবিএস পাস করেন। ১৪ জুলাই ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিক্যাল কোরে কমিশন প্রাপ্ত হন। বিভিন্ন পর্যায়ের সামরিক প্রশিক্ষণ লাভের পাশাপাশি তিনি ১৯৮৩ সালে এএফএমআই হতে সার্জারী বিষয়ে গ্রেডিং কোর্স সম্পন্ন করেন।

১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স এন্ড সার্জন্স হতে FCPS (Surgery) লাভ করেন। ১৯৯২-১৯৯৪ পর্যন্ত বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থার বৃত্তি নিয়ে তিনি যুক্তরাজ্যে ইউরোলজি বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৯৩ সালে লন্ডনের The Royal College of Physicians and Surgeons of Glasgow এবং The Royal College of Surgeons of Edinburgh হইতে FRCS (Edin.) সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন। ১৯৯৪ সালে লন্ডনের Institute of Urology & Nephrology, University College London (UCL) n‡Z Diploma in Urology ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল সার্জারীর বিভিন্ন বিষয়ে ৩৪ বছরের এবং ইউরোলজিক্যাল সার্জারিতে ২৮ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট শল্য চিকিৎসক।

প্রফেসর হারুন যুক্তরাজ্য ছাড়াও ভারত, আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও সিঙ্গাপুরে ইউরোলজি বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং বহুসংখ্যক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
সুদীর্ঘ চাকুরী জীবনে তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বিভিন্ন মেডিক্যাল ইউনিটে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল চট্টগ্রামে সিনিয়র সার্জন এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় ইউরোলজির বিভাগীয় প্রধান ও চীফ সার্জন এর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি লাভ করে সামরিক চিকিৎসা সার্ভিস মহাপরিদপ্তরে কনসালট্যান্ট সার্জন জেনারেল ও চীফ ইউরোলজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০১৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাভাবিক অবসর গ্রহণ করেন।

১৯৯৭ সালে মূত্রথলি ও যৌনাঙ্গের জন্মগত ত্রুটিজনিত বিরল (Adult Bladder Exstrophy and Epispadias Complex) রোগে আক্রান্ত এক ২৪ বছরের যুবকের ১৫ ঘন্টাব্যাপী অপারেশন করেন। পরবর্তীতে ঐ যুবক ২০০৩ সালে প্রথম কন্যা ও ২০১১ সালে দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের পিতা হন, যা বাংলাদেশে প্রথম। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে চীনের সাংহাইতে অনুষ্ঠিত ইউরোলজিক্যাল এসোসিয়েশন অব এশিয়া’র ১৩তম আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনের প্লেনারি সেশনে Adult Bladder Exstrophy and Epispadias Complex Male : Father of Two Children বিষয়ক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিপুলভাবে প্রসংশিত হন। এই বিরল অর্জনের জন্য ৫ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স এন্ড সার্জন্স কর্তৃক আয়োজিত ১৩তম সার্ক আন্তর্জাতিক সার্জিক্যাল কংগ্রেস এবং সার্ক সার্জিক্যাল কংগ্রেস কর্তৃক শল্য চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি "আছির মেমোরিয়াল স্বর্ণ পদক" লাভ করেন, যাহা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশের ইউরোলজিক্যাল সার্জনদের মাঝে প্রথম।

৭ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে তিনি চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য অনন্যা সোস্যাল ফাউন্ডেশন কর্তৃক "অনন্যা বিজয় সম্মাননা পদক - ২০১৫" লাভ করেন। ৮ জানুয়ারী ২০১৬ সালে তিনি বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্সেদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃক চিকিৎসা সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য "বিশেষ সম্মাননা", একই বছর তিনি "দানবীর হাজী মুহাম্মদ মহসীন সম্মাননা পদক ২০১৫" লাভ করেন। ২০১৬ সালে শেরে বাংলা স্মৃতি পরিষদ কর্তৃক "আজীবন সম্মাননা", "শেরে বাংলা গোল্ড মেডেল - ২০১৬" লাভ করেন।
মে ২০১৭ - জুলাই ২০২০ পর্যন্ত তিনি হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, অধ্যাপক ও ইউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বর্তমানে তিনি ধানমন্ডিস্থ সেন্ট্রাল হাসপাতাল লিঃ, ল্যাব এইড স্পেশালাইজ্ড হাসপাতাল, হাইটেক মাল্টিকেয়ার হাসপাতাল লিঃ, ঢাকা সেনানিবাস এবং সিরাজ খালেদা মেমোরিয়াল ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড জেনারেল হাসপাতাল এর সিনিয়র কনস্যালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট হিসেবে চিকিৎসা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি মাসে দু’বার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রাইম হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা প্রদান করেন। উক্ত হাসপাতালের তিনি একজন উদ্যোক্তা পরিচালক ও সিনিয়র উপদেষ্টা। চৌদ্দগ্রাম ডায়াবেটিক সমিতি’র উপদেষ্টা ও সেবার মান উন্নয়ন ও আনুসঙ্গিক বিষয়ে সুপারিশ প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সভাপতি। তিনি স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (Health & Wellbeing for All) এর ভাইস চেয়ারম্যান। এছাড়াও প্রবীণদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য নিজ এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করেন। দেশব্যাপী জনসচেতনতা বাড়াতে তিনি শিশুসহ সব বয়সের মহিলা ও পুরুষের ইউরোলজী রোগের উপর বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রোগ্রাম করেন। সামাজিক জীবনে তিনি বহু সমাজ সেবামূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

আপনাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে করোনার এই মহামারির মধ্যেও দেশের প্রখ্যাত ইউরোলজিস্ট মেজর জেনারেল অধ্যাপক এইচ আর হারুন স্যার নিয়মিত বিশেষজ্ঞ #স্বাস্থ্য_পরামর্শ প্রদান করছেন।
• যে সকল ইউরোলজিক্যাল রোগসমূহের চিকিৎসা দেওয়া হয়
০১. কিডনিতে পাথর ( )
০২. হাইড্রোনেফ্রোসিস ( ),
০৩. কিডনি টিউমার ( )
০৪. সুপ্রারেনাল টিউমার ( )
০৫. ইরোথেলিয়াল টিউমার ( )
০৬. মুত্রথলির ক্যান্সার ( )
০৭. মুত্রথলি ও মুত্রনালিতে পাথর ( )
০৮. প্রস্টেট গ্লান্ড এর টিউমার ( ) প্রস্টেট ক্যান্সার
০৯. ইউরোলজিক্যাল জন্মগত অসুখ
যেমন: হাইপোসপেডিয়াস,
১০. অন্ডকোষের টিউমার
( ) ও অন্যান্য রোগসমূহ ( )
১১. শিশুদের ইউরোলজিক্যাল রোগ সমূহ ( )
১২. বিভিন্ন ধরনের ইউরিনারী ফিস্টুলা
(যেমন : )
১৩. পুরুষ বন্ধ্যাত্ব ( )
১৪. যৌনরোগ সমূহ (পুরুষ ও মহিলা)
১৫. মাইক্রোসার্জারী :
(a)
(b)
১৬. (ছিদ্র করে কিডনির পাথর অপারেশন),
১৭. লেজারের সাহায্যে পাথর ও প্রস্টেট এর চিকিৎসা,

১৮. মেয়েদের ইউরোলজিক্যাল রোগ সমূহ ( )
১৯. মুত্রনালীর রোগসমূহ ( )
২০. যে কোন বয়সের প্রসাবের ইনফেকশন ( )
২১. পেনাইল ইমপ্লান্টস (Pe**le Implants) : পেনাইল প্রস্থেসিস স্থাপনের মাধ্যমে যৌন ক্ষমতা ফিরে পাওয়া।

ইউরোলজিক্যাল সার্জন মেজর জেনারেল অধ্যাপক ডাঃ এইচ আর হারুন এর কাছে আপনার যেকোন ইউরোলজিক্যাল সমস্যায় স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য আজই যোগাযোগ করুন,
চেম্বার - সেন্ট্রাল হসপিটাল লিমিটেড, বাড়ী # ২, সড়ক # ৫, গ্রীণ রোড, #ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫। ফোন : ০২৪১০৬০৮০০, ০২৪১০৬০৮০১, ০২৪১০৬০৮০২, ০২৪১০৬০৮০৩, ০২৪১০৬০৮০৪।
মোবাইল : ০১৭৩৮৮৮০১৩৪, ০১৭৩ ৮৮৮ ০১৩৪ (ওপিডি)

সিরিয়ালের জন্য অনুগ্রহ পূর্বক সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে ফোন করুন)
আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন
: 01717472264 Saifullah Al Mamun (PS)

23rd UAA Congress Urological Association of AsiaManila, Philippines
04/09/2026

23rd UAA Congress
Urological Association of Asia
Manila, Philippines

 েকে_২০২৬:আমার যত কথা,আমার যত গান।এখনতো আর উর্দি পরতে হয় না,অনেক দিন ধরেই আমি সাবেক।আজ থেকে ঠিক ৪৬ বছর আগে, এই দিনে, প্র...
13/07/2026

েকে_২০২৬:
আমার যত কথা,
আমার যত গান।

এখনতো আর উর্দি পরতে হয় না,
অনেক দিন ধরেই আমি সাবেক।

আজ থেকে ঠিক ৪৬ বছর আগে, এই দিনে, প্রথম রমজানে, আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রাপ্ত হই, তবে খুব বড় কোন আশা নিয়ে নয়।

সেই যে পথচলা,
তা আজও চলছে,
জানিনা আর কতোদিন !

পেছনে ফিরে তাকালে দেখি এক দূর্গম এবং রোমাঞ্চকর পথ। এই দীর্ঘ যাত্রায় জীবন আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আজকে আপনাদের আমার কিছু গভীর উপলব্ধি শেয়ার করবো ।

আজকাল লিখতেও ভয় করে। অনেকেই মনে করেন বুঝি AI ম্যাডাম লিখে দিয়েছেন। আসলে তা নয় ভাইজান। বন্ধুদের পাকা হাতের পেদানো খাইতেও আমি সদা প্রস্তুুত। স্রেফ আমার হৃদয়ের আঙ্গিনায় বসে বৃষ্টি ভেজা আষাঢ়ের রাতে লেখা, তবে 'আষাঢ়ে গল্প' নয়, শুধুই জীবন থেকে নেয়া।

৮০-র দশকে যখন সেনা ক্যারিয়ার শুরু করি, তখন ঢাকা সি এম এইচএ রুগী থাকতো বড়জোড় ১২৫ জন। তখন দেশে আল্ট্রাসনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, লেজার কিংবা এআই (AI) - র মতো প্রযুক্তির ব্যবহার আমরা শুনিনি। আর আজ এই বিস্ময়কর প্রযুক্তিগুলো চিকিৎসকদের হাতের মুঠোয়। কিন্তু প্রযুক্তি যতটা এগিয়েছে, আমাদের মনস্তাত্ত্বিক নৈতিকতা ঠিক ততটাই পিছিয়েছে।

তিনটি বিশেষ অভিজ্ঞতা আমার জীবনকে সবচেয়ে বেশি সমৃদ্ধ করেছে। শৈশবের স্কাউটিং, যা আমার মাঝে সেবার মানসিকতা তৈরি করে।মেডিকেল ছাত্রাবস্থায় তাবলীগ জামাতের সংশ্লিষ্টতা আমাকে আধ্যাত্মিকতা, নম্রতা ও মহান আল্লাহর উপর আস্হা রাখা শিখিয়েছে। আর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কঠিন প্রশিক্ষণ ও কঠোর শৃংখলা আমাকে যেকোনো পরিস্থিতিতে টিকে থাকার শক্তি জুগিয়েছে। এর পাশাপাশি জীবনের প্রতিটি মোড়ে পাশে পাওয়া বন্ধু, রুমমেট, পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, দেশে- বিদেশে চলার পথে চেনা- অজানা অসংখ্য মানুষের সান্নিধ্য ও আমার পরিবার আমাকে আজকের আমিতে পরিণত করেছে।

সার্জারি অত্যন্ত ডাইনামিক (গতিশীল) এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল একটি বিষয়। বিগত চার দশকে আমি এই চিকিৎসা জগতের আমূল পরিবর্তন দেখেছি। যে প্রোটোকল আজ সচল, কাল তা বদলে নতুন প্রযুক্তির আগমন ঘটছে। এই ডাইনামিক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলা, প্রতিনিয়ত নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করা ছিল এক ভীষণ চ্যালেঞ্জ। তাই প্রতিনিয়ত শেখার মানসিকতা না থাকলে এই পেশায় টিকে থাকা অসম্ভব।

আমার পরম শ্রদ্ধেয়, ব্যতিক্রমধর্মী বড় ভাই মরহুম আবদুল গফুর সাবের (সাবের সাহেব বলে সুপরিচিত) ১৯৭৩ সালে আমি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হওয়ায় আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে একটি সেকালের টেলিগ্রাম পাঠিয়েছিলেন। তাতে লিখা ছিল "Congratulations. You have become a life long student" - এর মাজেজা আমি প্রতিদিনই উপলব্ধি করছি।

এই দীর্ঘ পথটা মোটেও মসৃন পাইনি। রাজপথের মতো সোজা কিংবা কার্পেটে মোড়ানো ছিল না। কত ঝড়-ঝাপটা এসেছে, কত প্রতিকূলতা গ্রাস করতে চেয়েছে। জীবনের কঠিনতম সময়ে বহুবার হোঁচট খেয়ে পড়েছি। এমনও সময় গেছে যখন মনে হয়েছে আর বুঝি ওঠার শক্তি নেই। কিন্তু প্রতিটি পতন আমাকে আরও শক্ত করে গড়ে তুলেছে। আমি দমে যাইনি। প্রতিবার বুকভরা আত্মবিশ্বাস ও দ্বিগুন শক্তি নিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছি। নিজের স্বপ্নের দিকে বিরামহীন ভাবে হেঁটে গেছি- কখনও ক্লান্তি আমাকে স্পর্শ করেনি।
যে গানটি তখন উদ্দীপ্ত করতো - ” আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি, আমায় আর কান্নার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই,আমি আগ্নেয়গিরির কাছে জ্বলতে শিখেছি, আমায় আর জ্বালানোর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই"।

আজ চারিদিকে শুধু প্রযুক্তির চাকচিক্য, অথচ আমাদের স্বভাব চরিত্রের দ্রুত অবনতি ঘটছে। মানবতা আজ যেন হিমাগারে ! রোগীরা চিকিৎসকদের অতি মানবিক রূপে দেখতে চান- আমরাও তা-ই চাই। কিন্তু যে সমাজে মানবতা পদদলিত, গুনীরা পদে পদে অপমানিত এবং টাকা দিয়ে সবকিছুই করা যায় - সেখানে মানবিক চিকিৎসক তৈরি করাও দূরুহ ব্যাপার! কেননা "অনেকগুলো কাকের মাঝে একটি কোকিল থাকতে পারে না"। বিশেষ করে যুবসমাজের মোবাইল আসক্তি, মাদক, মাস্তানী আর মব কালচার আজ এক ভয়ংকর মহামারীর রূপ নিচ্ছে যা নিয়ন্ত্রণে না আনলে দেশ আবারও পিছিয়ে যেতে পারে!

শুধু সমাজ নয়,পরিবারিক শিক্ষা , সমাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি এবং বিশ্বরাজনীতি আজ এক হিংস্র রূপ ধারণ করেছে। যুদ্ধ আজ একটা লাভজনক ব্যবসা। সর্বত্র চলছে মানুষ মারার নিষ্ঠুর প্রতিযোগীতা। পুরো পৃথিবীটাই যেন একটা জুয়ার ক্যাসিনো। এমন ভাবলে মন ভারি হয়ে উঠে, আগামীর বিশ্ব কেমন হবে?

২০১৬ সালে অবসরের পর থেকে আমি চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা, মাইজদী ও ফেনীতে প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসা দিতে মাসে চার দিন গ্রামে থাকি। আমার অনেক বন্ধুরা মনে করেন আমি শুধুই টাকার পেছনে ঘুরছি। আসলে তা নয়। এই সরল প্রান্তিক মানুষদের গায়ের গন্ধে আমি আমার মা- নানির চিরচেনা ঘ্রাণ খুঁজে পাই। আর যেটা না বললেই নয়- কুমিল্লার ছন্দু হোটেলের মাসকলাই'র ডাল, চৌমুহনীর মোগল রেস্টুরেন্টের গরম লইট্যা মাছের ভর্তা আর চৌদ্দগ্রামের ডলি রিসোর্টের কচি লাউ শাকের চচ্চড়ি আমাকে ভীষন টানে। এই ভালোবাসার টান কখনো টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।

ভবিষ্যৎ তৈরি করতে স্ত্রীর ভূমিকা অতুলনীয়। মায়ের কোলে বসে আমি হয়তো এমবিবিএস পাস করেছি, কিন্তু ৪১ বছর ছায়ার মতো পাশে থেকে সুখে- অসুখে, জয়ে-পরাজয়ে সাহস জুগিয়েছেন আমার স্ত্রী। তাঁর পিঠে ভর করেই আমার সব সাফল্য আর অর্জন।
জয়ে যেমন আনন্দ আছে,পরাজয়েরও সুফল আছে। পরাজয় আমাদের আরও শক্তিশালী করে। সংকটের মাঝে হতাশ হতে চাই না। আমি প্রায়ই কিছু অলৌকিক ঘটনা ও এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে ভাবি। আপাতদৃষ্টিতে যা অমঙ্গল মনে হয়েছে, পরে দেখেছি তা ভালোর জন্যই হয়েছে। এখন আমার বিশ্বাস - সামনে যত কঠিন পরিস্থিতিই আসুক, শেষ পর্যন্ত ভালো কিছুই হবে।

চরম বিপদের দিনগুলোই আসল মানুষ চিনিয়েছে। বিপদে না পড়লে বন্ধু অথবা কমরেড কাউকেই চেনা যায় না। মনে পড়ে সেই গানটি, যা হৃদয়ের কথা বলে-
"আপন মানুষ চিনা বড়ই দায়রে,
আপন মানুষ বুঝা বড়ই দায়"।

জীবন এক কঠিন ও দীর্ঘ লড়াইয়ের নাম। অলসতার এখানে কোনো স্হান নেই। তরুনদের বলি পরিশ্রমী হও। পথ চলায় কোন পরিশ্রমীর পরাজয় আমি দেখিনি। শুধু ভালো লেখাপড়া করেই বড় হওয়া যায় না। কর্মজীবনে উঁচুতে উঠতে হলে সততা,অদম্য সাহস, ঝুঁকি নেওয়া, কাজের সদিচ্ছা এবং বড় স্বপ্ন দেখতে হয়। পরশ্রমী ও সজাগ থেকে এই ভজনটি শুনুন- " ডাগার হ্যায় মুশকিল - কঠিন সফর হ্যায়, মাগার মুসাফির জাগা নেহি "।

আমরা যা চাই, তার সবকিছু পাবো- এর কোন নিশ্চয়তা নেই। অনেক স্বপ্ন হয়তো অপূর্ণ রয়ে যায়, কিন্তু তাতে জীবন থেমে যায় না। এক গভীর সমবেদনা নিয়ে মনকে শান্ত করে যে সুর-
"হার এক খোয়াব, মোকাম্মেল হো জরুরী তো নাহি"( প্রতিটি স্বপ্নই যে পূর্ণতা পাবে, এটা জরুরী নয়)। কিছু অপূর্ণতাও জীবনের সৌন্দর্য্য।

২০১৬ সালে সেনাবাহিনী থেকে অবসরে আসি। কিন্তু চাকুরি জীবন থেকে অবসর নিলেও, মানুষের সেবা করে চলছি। হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়া ছিল এক সুবর্ন সুযোগ। আমার অভিজ্ঞতা ও মানবিকতা হবু চিকিৎসকদের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার এক বিরল সুযোগ করে দিয়েছিল।

আজকের এই দিনে এতগুলো কথা ভাগ করে নেওয়ার কারন একটা-ই - আমি মনে করি, "Knowledge has no value in the graveyard" ( কবরস্থানে জ্ঞানের কোন মূল্য নেই)। আমার যৎসামাণ্য অভিজ্ঞতা, প্রান্তিক মানুষের কাছ থেকে অর্জিত শিক্ষা এবং সমাজ ভাবনা আপনাদের সাথে শেযার করে তৃপ্তি পাচ্ছি।

পরিশেষে একটি মৌলিক বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চাই:
সুস্বাস্থ্য একটি অমূল্য সম্পদ। মনে রাখবেন - আপনিই আপনার স্বাস্থ্যের সিইও ( CEO)। তাই নিজেকে ভালোবাসুন, এর যত্ন নিন। টাকা থাকলে অনেক কিছু পাওয়া গেলেও "সূস্থ্যতা" কেনা যায় না, এটি প্রতিদিনের নিয়মানুবর্তিতা দিয়ে অর্জন করতে হয়।

প্রিয় অণুজেরা,
জীবন একটা বিশাল ক্যানভাস, আর গান হলো সেই ক্যানভাসের সবচেয়ে সুন্দর রং। তোমরা যারা জীবনের নতুন পথ খুঁজছো, লক্ষ্য পানে ছুটছো, তাদের উদ্দেশ্যে আমার একটা ছোট্ট উপলব্ধি - সুরের কোনো সীমানা কিংবা ভাষা নেই। গান কেবল বিনোদন নয়, গান জীবনের শিক্ষক, পরম আশ্রয় ও জাদুকরী ঔষধ। জীবনের কঠিন সময়ে যখন কেউ পাশে থাকে না, তখন একটা গানই পারে মনের ক্ষত সারিয়ে তুলতে।

১৯৭০ সালে মা'কে বাড়িতে রেখে যখন ঢাকায় পড়তে আসি তখন "সন্তান" ছবির একটা গান শুনলেই মনে হতো এইটা সব মা'দেরই গান - "খোকন সোনা বলি শোনো
থাকবে না আর দু:খ কোনো
মানুষ যদি হতে পারো"।
গানটির আবেদন আজও আমাকে জড়িয়ে থাকে।

আমার জীবনের দীর্ঘ ডায়েরির পাতাগুলো আজ এই ফেসবুক পোস্টে জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠুক, এ আমার প্রত্যাশা। শৃংখলা, পেশা,জীবনসঙ্গী, দর্শন এই গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ গুলির প্রতি সচেতন ও যত্নবান হই।

এই দীর্ঘ পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা।

সবাইকে ধন্যবাদ।
আগামীর পৃথিবী ও আমাদের সবার সুস্বাস্থ্য অর্জিত হোক।

Attended 20th BAUSCON, 2026, International Scientific Conference held on 21 & 22 June at SASICC, Dhaka.Deligates from 19...
22/06/2026

Attended 20th BAUSCON, 2026, International Scientific Conference held on 21 & 22 June at SASICC, Dhaka.Deligates from 19 Foreign countries and home presented their scientific papers.
My topic was " Long- Term Outcome of Nephron Sparing Surgery in Solitary Functional Kidneys in Malignancy".
Meeting was successful. Heartiest congratulations to organisers of 'Bangladesh Association of Urological Surgeons'

"In the name of Almighty Allah the most Beneficent & the most Merciful"Alhamdulillah. Heartiest congratulations to our s...
17/06/2026

"In the name of Almighty Allah the most Beneficent & the most Merciful"

Alhamdulillah.
Heartiest congratulations to our son, Tahseen Shabab, on his incredible achievement as the
Co- Founder & CEO at Penfield AI.

Seeing a young Bangladeshi, lead the way in the global AI landscape fills our hearts with immence pride and joy. As parents, your hard work and dedication inspire us every single day.

Wishing you boundless success and health in this journey ahead. Keeping you always in our prayers.
Requesting everyone to keep him in your blessings.

Suraiya & Harun

মাসকোকা এলগুনকুইন কনসারভেটরি  লেকে-আমি আর মাসুদ।মাছ ধরা আর ঘুড়ি উড়ানো ়আমার শৈশবের সখ। এবার কানাডায় আসবো জেনে এখানে অবস্...
14/06/2026

মাসকোকা এলগুনকুইন কনসারভেটরি লেকে-
আমি আর মাসুদ।

মাছ ধরা আর ঘুড়ি উড়ানো ়আমার শৈশবের সখ। এবার কানাডায় আসবো জেনে এখানে অবস্হান রত ভাতিজা মাসুদ আর বৌমা( শিউলি) মাছ ধরার সকল আয়োজন করে রেখেছে। এমাজন থেকে বরশী, কটেজে দুই রাতের বুকিং ইত্যাদি, সাথে হরেক রকমের খাবার।

কানাডায় সকল কাজ সেরে গতকাল ওর বাসায় এসে পৌঁছি সকালে। বাকি দিন- রাত চরম উত্তেজনায় কেটেছে চাচা ভাতিজার। অনেকদিন পর আধুনিক সব ছিপের জোঢ়া লাগানো, মাছ ধরার বিভিন্ন ধরনের হুক, ইউটিউব রিভিউ করা আরো কত কি!

সকাল ১১টা থেকে গাড়ী লোড করা শুরু, ১২টায় যাত্রা। বাসা থেকে প্রায় ৪৫ কি: মি: দুরে আউটডোর ( Bass Pro Shop) ওয়ার্লড নামক এক বিশাল মলে আসতে হলো মাছ ধরার আরো কিছু উপকরন সংগ্রহ করতে । ঐ মল দেখে আমি হতচকিত! মনে হলো জীবনে বড় সপ্নও দেখতে পারিনি।

মাছ ধরতে লাইসেন্স!
এ আমার জানা ছিল না। ৮০ ডলার খরচ করে, পাসপোর্ট দেখিয়ে সংগ্রহ করলাম স্বাদের লাইসেন্স।

এবারে এক চাংকু ধারাবাহিক ভাবে বুঝিয়ে দিতে লাগলো মাছ ধরার এখানকার আইন-কানুন, না না পলিসি। কোন সময় কোন লেকে কি মাছ ধরা যাবে। পেডিয়েট্রিক মাছ ধরা নিষিদ্ধ। আর কোন গর্ববতী মাছ ধরলে জেল - জরিমানা সহ কতো কি। আমারতো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। যেখানে আমাদেন দেশে পুলিশ মারলেও বিচার হয় না, সে খানে মাছের এতো সুরক্ষা!

এবার গরম ওভনলটিন কফি নিয়ে আবার চলতে শুরু করলাম, ২৫০ কি মি পাড়ি দিয়ে বিকেল প্রায় ৪-৩০ মি: কটেজে পৌঁছালাম। লেকের পানি ঘেঁসে কটেজ, ৩ টি বেডরুম, কিচেন সহ চমৎকার আয়োজন।
বৌমার হাতের রান্না করা বিরিয়ানি দিয়ে দুপুরের খাবার সারলাম।

এবারে মাছ ধরার পালা।লেকের পাশে বসতেই আমাদের বুড়িগঙ্গার চেহারা ভেসে উঠলো। ওখানে বসে মাছ ধরা এও কি কোন দিন সম্ভব?

আমার গিন্নী আর বৌমার টিপ্পনী কাটা শুরু হলো মাছ পাওয়া আর না পাওযা নিয়ে । আমার আর মাসুদের দূর্চিন্তা- টেনশন শুরু হলো!

মানির মান আল্লাই রাখেন। প্রথম বরশী ফেলতেই মাছ ধরলো কিন্তু সুতা ছিঁড়ে পালিয়ে গেল। সাহস নিয়ে আবার শুরু করলাম বাংগালী কায়দায়। মাশাল্লাহ বিভিন্ন সাইজের অনেকগুলো মাছ( Pirch) ধরলাম দু' জনে। সহযোগিতায় ছিলেন শাশুড়ী- বউ। খানিকটা বৃষ্টির মাঝে ছাতা নিয়েই মাছ ধরলাম সন্ধ্যা পর্যন্ত। মাছের ছবি তোলা নিষেধ। মনে হলো এখানে মানুষ কতো পরাধীন। সবকিছুতেই এতো নিয়ম- কানুন!

মাছ গ্রীল করা হলো। রাতের খাবার সারলাম।
এবার ঘুমানোর পালা। যদিও আমরা নদীমাতৃক দেশের মানুষ, তবুও লেকের ধারে নিরাপদে কটেজে ঘুমানোর এটাই বিরর অভিজ্ঞতা।

মাসুদ আর শিউলি কে ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা।
ওরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসটার্স(২০০১)- সমাজ বিজ্ঞানে, এখানে ব্যংকার।

শুভরাত্রি
মাসকোকা থেকে।

GOOD morning!  Hope to join soon Inshallah.
09/06/2026

GOOD morning!
Hope to join soon Inshallah.

প্রফেসর ডা: লায়লা আর্জুমান বানু আর নেই। আজ রাত ১.৫৫ মি: কালির্ফোনিয়ায় ষ্টেমফোর্ড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্ন...
23/02/2026

প্রফেসর ডা: লায়লা আর্জুমান বানু আর নেই।

আজ রাত ১.৫৫ মি: কালির্ফোনিয়ায় ষ্টেমফোর্ড হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ( ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন) ।

মৃত্যুকালে তিনি ল্যাব এইড ষ্পেসালাইজ্ড হাসপাতালের চিফ গাইনোকোলজিষ্ট ছিলেন। অতান্ত বিনয়ী, সামাজিক,অমায়িক ও মানবিক গুণসম্পন্ন লায়লা আপা ছিলেন শুধু চিকিৎসক নন, অনেকের কাছেই পরম শ্রদ্ধেয় বড় বোন।

উনার সাথে আমার পরিচয়টা ছিল স্মরনীয়। ১৯৮০ সালের সম্ভবত শেষের দিকে সদ্য জয়েন করা ক্যাপ্টেন হারুন এক মেঘলা দুপুরে ইউনিফর্ম পরে হেঁটে এ এম সি মেসে যাচ্ছিলাম। পাশে একটি লাল প্রাইভেট কার হঠাৎ থামলো। একজন মেজর রেংকের লেডি অফিসার গাড়িটি চালাচ্ছেন। তিনি মৃদু হেঁসে বাঁ দিকের ডোর খুলে দিলেন। আমি ইতস্তত বোধ করে সালাম দিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে মেসে পৌঁছে দিলেন। তখনই তিনি সেনাবাহিনীতে অনেক পরিচিতি অর্জন করেন। উনার সাথে দেখা হলেই এই গল্পটা করতাম। অনেক অপারেশন একসাথে করেছি কিন্তু তাঁর নিকট ছিলাম ছোট ভাই।

শেষ দেখা হয় ল্যাব এইডের কেবিনে যেদিন তিনি আমেরিকায় পাড়ি দেন।

আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
বিনম্র শ্রদ্ধা আজীবন।

আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।
17/02/2026

আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা।

Address

House # 2, Road # 5, Green Road, Dhanmondi
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 12:00 - 16:00
Tuesday 12:00 - 04:00
Wednesday 12:00 - 04:00
Thursday 12:00 - 04:00
Saturday 12:00 - 16:00
Sunday 12:00 - 04:00

Telephone

+8801717472264

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maj Gen Professor HR Harun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Maj Gen Professor HR Harun:

Shortcuts

Share

Category