Dr. Fahim Ahmad

Dr. Fahim Ahmad A child specialist working for Government of Bangladesh

একটি বর্ষণমুখর দুপুর।হাম আক্রান্ত চাচাত ভাইকে দেখে কাকভেজা হয়ে ফেরার পথে।ঈদ মোবারক!
28/05/2026

একটি বর্ষণমুখর দুপুর।

হাম আক্রান্ত চাচাত ভাইকে দেখে কাকভেজা হয়ে ফেরার পথে।

ঈদ মোবারক!

19/05/2026

🟥 অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। (সামান্য পরিবর্তিত)। লেখাটা অনেক লম্বা হলেও আপনার বয়স বেশি হলে বা, বয়োবৃদ্ধ কারও খেদমত করার সুযোগ থাকলে তাহলে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন। 🟥

বয়োবৃদ্ধদের অস্টিওপোরোসিস (osteoporosis) থাকবেই, আর বয়স যত বাড়বে, এর মাত্রাও বাড়তে থাকবে, সেই সাথে বাড়বে হাড় ভাঙ্গার ঝুঁকি।

শতবর্ষী যত লোক পড়ে গিয়ে ব্যাথা পায় তাদের প্রায় সবাই তিন মাসের মধ্যে মারা যায়। পড়ে গিয়ে সবসময় হাড় না ভাঙ্গলেও পতনের দৈহিক ও মানসিক ঝাঁকুনি শরীর-মনকে ভীষণ পর্যুদস্ত করে দেয় যার ধকল সামলাতে না পেরে রোগী মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

যাদের বয়স ষাট পেরিয়ে গেছে তাদের হাড় ভাঙ্গা ঠেকানোর সবচেয়ে বড় উপায় হলো পড়ে গিয়ে ব্যাথা পাওয়া রোধ করা।
কীভাবে করবেন?

আমি এই গোপন রহস্যটিকে চারটি শব্দে ব্যক্ত করি: “সাবধান, সাবধান, সবসময় সাবধান”!

তাহলে একটু ভেঙ্গে বলি:
1️⃣ কোনো কিছু ধরা বা পাড়ার জন্য কখ্খনো চেয়ার বা টুলজাতীয় কিছুর ওপর উঠে দাঁড়াবেন না।

2️⃣বৃষ্টির দিনে বাইরে হাঁটতে যাবেন না।

3️⃣ এই বয়সে কোমড়ের হাড় ভাঙ্গার এক নম্বর কারণ হলো বাথরুমে পা পিছলে পড়ে যাওয়া। তাই গোসল করার সময় বা বাথরুম ব্যবহারের সময় অতরিক্তি সতর্ক থাকুন।
✔️ বিশেষ করে নারীরা, বাথরুমে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। গোসল শেষে তোয়ালে বা শাড়ি পেঁচিয়ে বেরিয়ে আসুন এবং ধীরে সুস্থে চেয়ারে বা বিছানায় বসে কাপড় পরুন।
✔️ বাথরুমে ঢোকার আগে ভালো করে দেখুন মেঝে ভেজা কিনা। ভেজা মেঝেতে হাঁটবেন না।
✔️ কেবল কমোড ব্যবহারের চেষ্টা করুন। হাঁটু ভাঁজ করে বসলে উঠতে অনেক বেগ পেতে হতে পারে এবং পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
✔️ সম্ভব হলে কমোড থেকে উঠার সময় হাতে টান দিয়ে ধরার মতো কোনো হাতল দেওয়ালে লাগিয়ে নিন।
✔️ গোসল করার সময়ও বসার জন্য টুল ব্যবহার করুন। চোখ বন্ধ করে মাথায় পানি দিবেন না।

4️⃣ রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে দেখে নিন ঘরের মেঝেতে কিছু পড়ে আছে কিনা যাতে পা লেগে হোঁচট খেতে পারেন। মেঝে যেনো অবশ্যই ভেজা না থাকে সে ব্যাপারে অতিরিক্ত সকর্ক থাকুন।

5️⃣ রাতে ঘুম ভাঙ্গলে বিছানা ছাড়ার সময় আগে ২-৩ মিনিট বিছানার পাশে বসুন, বাতি জ্বালান, তারপর উঠে দাঁড়ান।

6️⃣ অন্তত রাতের বেলায় (এবং সম্ভব হলে দিনেও) বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করবেন না। সম্ভব হলে বাথরুমের ভেতরে একটি এলার্ম লাগিয়ে নিন যাতে করে জরুরি মুহূর্তে বেল বাজিয়ে কারো সাহায্য চাইতে পারেন।

7️⃣ কখনো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাপড় বদলাবেন না। চেয়ারে বা বিছানায় বসে নিন।

8️⃣ সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় রেলিংয়ে একটা হাত রাখুন। দুই হাত পকেটে ঢুকিয়ে কখনো সিঁড়িতে পা রাখবেন না।

9️⃣ যদি কখনো পড়েই যেতে থাকেন, চেষ্টা করুন হাত প্রসারিত করে মাটি বা মেঝে ধরে ফেলতে – তাতে হাত ভেঙ্গে গেলেও সেটা কোমড় ভাঙ্গার চেয়ে অনেক বেশি ভালো।

1️⃣0️⃣ সারাদিন শুয়ে বসে থাকবেন না। অন্তত কয়েক মিনিট করে হাঁটুন – যতটা সম্ভব।

1️⃣1️⃣ বিশেষ করে মহিলারা, ওজন কম রাখার ব্যাপারে অতিরিক্ত যত্নবান হোন। পরিমিত খাবার খাওয়া সবচে গুরুত্বপূর্ণ। বেঁচে যাওয়া খাবার নষ্ট না করে খেয়ে ফেলার প্রবণতা কাজ করে অনেকের মাঝে। ভুলেও এটি করবেন না। কখনো ভরপেট খাবেন না – যত মজার আর যত ভালো খাবারই হোক, সবসময় পেট ভরার আগে খাওয়া শেষ করবেন।

1️⃣2️⃣ সম্ভব হলে বাইরে রোদে কোনো কাজ করুন কিছুক্ষণ। তাতে ভিটামিন ডি-র প্রভাবে হাড় কিছুটা শক্ত হবে।

একবার পড়ে গিয়ে বড় ধরনের ব্যাথা পেলে গড়ে দশ বছর আয়ু কমে যায়। বৃদ্ধ বয়সে কোনো অপারেশন ভালো কাজে আসে না, আর ওষুধ খেয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে চিকিৎসা মানে কেবল মৃত্যুর দিন গোনা। তাই সাবধান থাকার কোনো বিকল্প নেই।

সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইল

ডা: এম এ বি ছিদ্দিক মজুমদার (জাবের)
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ও
মেডিসিন স্পেশালিষ্ট
হটলাইন 01898-344443(হোয়াটস আ্যাপ)

হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে বলার পরেও ঢাকায় নিয়ে আসেনি। আবার, মারা যাওয়ার পর ডাক্তারকে মারধর করেছে। এক দুইজন না, দলে দলে ম...
16/05/2026

হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে বলার পরেও ঢাকায় নিয়ে আসেনি। আবার, মারা যাওয়ার পর ডাক্তারকে মারধর করেছে। এক দুইজন না, দলে দলে মানুষ আক্রমণ করেছে। এতগুলো মানুষের মধ্যে কেউ এইটুকু বুঝল না যে তাদের নিজেদের কারণে রোগী মারা গেছে। এই উত্তেজিত জনতাকে থামানোর কেউ ছিল না।

১ জন ডাক্তার ইমার্জেন্সিতে থাকে। হাসপাতালে ভর্তি থাকে ৩০০ - ৩৫০ রোগী। সে বলা মাত্রই কিভাবে হাজির হবে? ইমার্জেন্সিতে প্রতি মুহূর্তে রোগী আসতে থাকে। রোগী না দেখে ২তলায়, ৩তলায় গেলে তারা পিটাবে। আবার, যেতে দেরি হলেও রোগীর লোকজন পিটাবে। ডাক্তার কি করবে?

এই ধরনের হাসপাতাল রাখারই দরকার নাই। বন্ধ করে দিক। নইলে পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স, অন্যান্য স্টাফ দিক। মেডিসিন, গাইনি, শিশু, সার্জারি বিভাগে রাতে ডাক্তার ডিউটিতে থাকবে। সমস্যা হলে তারা দেখবে। ইমার্জেন্সী থেকে উপরে-নিচে সারাক্ষণ দৌড়াতে হবে কেন?



শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত এক চিকিৎসককে মারধর ও হ.....

Address

Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 08:00 - 14:30
Tuesday 08:00 - 14:30
Wednesday 08:00 - 14:30
Thursday 08:00 - 14:30
Saturday 08:00 - 14:30
Sunday 08:00 - 14:30

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Fahim Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Fahim Ahmad:

Shortcuts

Share

Category