Thalassemia Foundation Hospital

Call Directions Website Contact the practice

Thalassemia Foundation Hospital Thalassemia Foundation Hospital is a non-profit concern of Bangladesh Thalassemia Foundation.

Thalassemia Foundation Hospital is concern of Bangladesh Thalassemia Foundation (BTF), a non-profit organization working for prevention and care of Thalassemia in Bangladesh. Thalassemia is a genetic blood disorder (resulting in excessive destruction of red blood cells leading to anemia) of children in which the patients need regular blood transfusion in 2-4 weeks interval to survive. We provide one stop medical care, blood transfusion and medicines to these patients. We provide counseling to the patient and families regarding treatment and prevention.

22/07/2026

থ্যালাসিমিয়ায় আক্রান্ত ছেলের চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে এসেছিলেন এই বাবা। প্রতি মাসেই ছেলের রক্তপরিসঞ্চালন ও চিকিৎসার জন্য আমাদের হাসপাতালে আসেন তিনি। কিন্তু এবার সারাদিন চেষ্টা করেও রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় গ্রুপের রক্তের ব্যবস্থা করতে পারেননি। পরে থ্যালাসিমিয়া ব্লাড ব্যাংক থেকে পরদিন এক ব্যাগ রক্ত পাওয়ার আশ্বাস মিলল। রক্ত যোগাড় হলেও এখন তাঁর নতুন দুশ্চিন্তা—ঢাকায় রাত কাটাবেন কোথায়?

প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এমন অনেক থ্যালাসিমিয়া রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা চিকিৎসা নিতে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসকের পরামর্শ, প্রয়োজনীয় গ্রুপের রক্ত যোগাড় এবং রক্তপরিসঞ্চালন–সব কিছু অনেক সময় একদিনে সম্পন্ন করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় রোগী ও তাঁদের স্বজনদের ঢাকায় এক বা একাধিক রাত অবস্থান করার প্রয়োজন হয়। তবে যাতায়াত আর চিকিৎসার খরচ যোগাড়ের পর আবার ঢাকায় থাকা অনেকের জন্যই কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল হয়ে যায়।

দূর-দূরান্ত থেকে আসা এমন রোগী ও স্বজনদের কথা ভেবেই আমাদের রয়েছে ‘থ্যালাসিমিয়া নিবাস’। এখানে রোগী ও তাঁদের স্বজনদের জন্য তিনদিন পর্যন্ত বিনা খরচে থাকা ও খাওয়ার সুবিধা রয়েছে। তাই থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এলে রাত্রীযাপন নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়। সেবার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন আছে আপনার পাশে।

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, BRAC Bank PLC-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল ইন্সটিটিউশন’-এ...
07/07/2026

আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, BRAC Bank PLC-এর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘মোস্ট ইমপ্যাক্টফুল ইন্সটিটিউশন’-এর স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন। দেশের উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান পরিবর্তনে অসামান্য অবদান রাখা ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা প্রদান করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। থ্যালাসিমিয়া রোগের মানসম্মত চিকিৎসাসেবা সহজলভ্যকরণ, দরিদ্র রোগীদের জন্য মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং থ্যালাসিমিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

গত ৫ জুলাই ২০২৬ (রবিবার) তারিখে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মনজুর মোরশেদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন। ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা ‘দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এর তত্ত্বাবধানে গঠিত দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে একটি স্বাধীন জুরি প্যানেল এই ২৫টি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদানের জন্য নির্বাচন করে।

আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের সম্মানজনক এই অর্জন শুধু প্রতিষ্ঠানের একক কোনো কৃতিত্ব নয়, বরং এর সবচেয়ে বড় অংশীদার হলেন আমাদের সকল থ্যালাসিমিয়া রোগী, রোগীর অভিভাবক, রক্তদাতা, ভলান্টিয়ার, পৃষ্ঠপোষক, দাতা, শুভানুধ্যায়ী এবং আমাদের প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীবৃন্দ। বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মনজুর মোরশেদ, ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ সৈয়দা মাসুমা রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল ডাঃ মোহাম্মদ আবদুর রহিমের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন।

একই সঙ্গে আমরা বিশেষভাবে ব্র্যাক ব্যাংক ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি প্রদানেরর মাধ্যমে সম্মানিত করার জন্য।

সকলের আন্তরিক দোয়া, সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের প্রেরণায় বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন ভবিষ্যতেও আরও নিষ্ঠা, দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার সঙ্গে থ্যালাসিমিয়া রোগী তথা দেশের মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করছে।

বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন ও থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে...
02/07/2026

বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন ও থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ত্রৈমাসিক বিভাগীয় কর্মপরিকল্পনা (জুলাই–সেপ্টেম্বর ২০২৬) উপস্থাপন ও আলোচনা সভা’।

আজকের আয়োজিত সভায় বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মনজুর মোরশেদ এবং ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ সৈয়দা মাসুমা রহমানের উপস্থিতিতে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স এবং ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগীয় কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এ সময় রোগীদের সেবা, ব্লাড ব্যাংকের কার্যক্রম, ডে-কেয়ার ট্রান্সফিউশন সেবা, সচেতনতা কার্যক্রমসহ সার্বিক অপারেশনাল কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

থ্যালাসিমিয়া রোগীদের জন্য আরও মানসম্মত, নিরাপদ ও রোগীকেন্দ্রিক সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে থ্যালাসিমিয়ামুক্ত সচেতন বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আমাদের এই নিবচ্ছিন্ন যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

আগামী ১ জুন, ২০২৬ (সোমবার) তারিখ থেকে আমাদের সকল কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।
24/05/2026

আগামী ১ জুন, ২০২৬ (সোমবার) তারিখ থেকে আমাদের সকল কার্যক্রম পুনরায় চালু হবে।

14/05/2026

রক্ত পরিসঞ্চালনের মত অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অন্য কোন বিকল্প নেই। আর তাই থ্যালাসিমিয়া রোগীদের নিরাপদ রক্ত দিতে, সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন।

14/05/2026

থ্যালাসিমিয়া রক্তের এমন একটি জটিল রোগ যা বাবা মায়ের থেকে সন্তানের জিনে প্রবেশ করে। অথচ অধিকাংশ বাবা মায়েরই কোন ধারণা থাকে না তারা শরীরে এই রোগের বীজ বহন করছেন।

আসুন বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনে কর্মরত চীফ মেডিকেল অফিসার, ডাক্তার সাজিয়া ইসলাম-এর কাছ থেকে জেনে নেই থ্যালাসিমিয়া কী, এবং এটার ভয়াবহতা।

রোগীর নিরাপত্তা সবার দায়িত্ব ( ডাক্তার, নার্স, হাসপাতাল ম্যানেজম্যামেন্ট, রোগী ও অভিবাবক)।রোগীর নিরাপত্তা হলো নিরাপদ প্র...
14/05/2026

রোগীর নিরাপত্তা সবার দায়িত্ব ( ডাক্তার, নার্স, হাসপাতাল ম্যানেজম্যামেন্ট, রোগী ও অভিবাবক)।

রোগীর নিরাপত্তা হলো নিরাপদ প্রক্রিয়া ও চর্চার মাধ্যমে অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি প্রতিরোধ করা এবং স্বাস্থ্যসেবার ঝুঁকি সর্বনিন্ম পর্যায়ে নিয়ে আসা।
ছোট ছোট পদক্ষেপ মিলে তৈরি হয় বড় নিরাপত্তা। আমরা সবাই একসাথে কাজ করলে স্বাস্থ্যসেবা হবে আরও বিশ্বাসযোগ্য ও নিরাপদ।

থ্যালাসিমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ৮ মে 'বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবস' উদ্‌যাপিত হয়ে থাকে। দিবস...
14/05/2026

থ্যালাসিমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর ৮ মে 'বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবস' উদ্‌যাপিত হয়ে থাকে। দিবসটি উপলক্ষে বরাবরের ন্যায় এবারও দিনব্যাপী নানাবিধ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য "আর নয় আড়ালে: শনাক্ত হোক অজানা রোগী, পাশে দাঁড়াই অবহেলিতদের"।

আমাদের দেশে এখনো অনেক মানুষ আছেন, যারা অজান্তেই থ্যালাসিমিয়া রোগ বহন করছেন। বিয়ের আগে থ্যালাসিমিয়া পরীক্ষা, অর্থাৎ হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস পরীক্ষা না করার কারণে দেশে দিন দিন থ্যালাসিমিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি স্বামী-স্ত্রী দুজনই থ্যালাসিমিয়া রোগের বাহক হন, তাহলে তাঁদের সন্তানের থ্যালাসিমিয়া রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই সবার জন্য সুলভে এই পরীক্ষা নিশ্চিত করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে থ্যালাসিমিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা সমাজে নানা ধরনের অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। আসুন, এবারের বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবসে থ্যালাসিমিয়া পরীক্ষার জন্য সবাইকে উৎসাহিত করি এবং অবহেলিত রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করি।

14/05/2026

বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সচেতনতামূলক র‍্যালির মাধ্যমে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব থ্যালাসিমিয়া দিবস ২০২৬’। এ বছরের প্রতিপাদ্য— “আর নয় আড়ালে: শনাক্ত হোক অজানা রোগী, পাশে দাঁড়াই অবহেলিতদের”। ভিডিওতে একঝলকে দেখে নিন দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য সেই আয়োজনের চিত্র।

গত ৮ মে ২০২৬ তারিখ সকালে দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন, এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ মনজুর মোরশেদ।

এর আগে মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন ৫০ শয্যাবিশিষ্ট থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি থ্যালাসিমিয়া রোগী ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।
এদিকে দিবসের শুরুতে বাংলাদেশ থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালিতে থ্যালাসিমিয়া রোগী, রোগীদের অভিভাবক, চিকিৎসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, রক্তদাতা, স্বেচ্ছাসেবক এবং ফাউন্ডেশনের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। র‍্যালিটি মালিবাগ থেকে শুরু হয়ে শান্তিনগর মোড় প্রদক্ষিণ করে।

আমাদের প্রতিটি থ্যালাসিমিয়া রোগীর হাসিমুখের পেছনে রয়েছে একদল নিবেদিতপ্রাণ নার্সের আন্তরিক সেবা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের গল্প...
14/05/2026

আমাদের প্রতিটি থ্যালাসিমিয়া রোগীর হাসিমুখের পেছনে রয়েছে একদল নিবেদিতপ্রাণ নার্সের আন্তরিক সেবা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের গল্প। তাঁদের মানবিকতা, যত্ন ও দায়িত্ববোধ আমাদের চিকিৎসাসেবার প্রতিটি দিনকে করে তোলে সফল। প্রেরণা যোগায় সামনে এগিয়ে যেতে।

আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশন হাসপাতালসহ সকল নার্সকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

#

Address

Hosaf Tower Malibagh, 4th Floor, 6/9 Outer Circular Road
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:00 - 22:00
Tuesday 08:00 - 22:00
Wednesday 08:00 - 22:00
Thursday 08:00 - 22:00
Friday 08:00 - 22:00
Saturday 08:00 - 22:00

Telephone

+88028332481

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thalassemia Foundation Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Thalassemia Foundation Hospital:

Shortcuts

Share

Category